Participatory Human Rights Advancement Society

Participatory Human Rights Advancement Society PHRAS is a Non–political welfare organization, it has been working in the field of human rights. In October 2008 PHRAS has gets its legal entity.

Democracy or free and fair elections alone are not enough to protect the rights of the disadvantaged and vulnerable groups. The need for an independent and objective human rights organization in safeguarding basic human rights of the people of Bangladesh is strongly felt. In 2006, a group of human rights activists initiated discussions and underscored the need to uphold the social, cultural and ec

onomic rights of the people of Bangladesh. Eventually, a decision was arrived at to form an organization and established in order to advance such rights. Participatory Human Rights Advancement Society came into being with the aim to create a wider monitoring and awareness raising system on the abuse of social, cultural and economic rights. The principal objectives of the organization are to raise the awareness of basic human rights and its various abuses and to take participation with National and International agencies. Women, children, religious and ethnic minorities are among the groups that are most vulnerable to human rights abuses. PHRAS always emphasizes the active participation of the grassroots community. It realizes that empowerment is the precondition to establish human rights, which is based on a recognition and faith in peoples own power and resources. PHRAS is working with the vision of society where full enjoyment of human rights by every human being will be ensured.

শিশু রামিসার মতো ঘটনা শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো জাতির বিবেককে কাঁপিয়ে দেয়, সভ্যতাকে প্রশ্ন’বিদ্ধ করে! ঠিক সময়ে ক’ঠোর শা’...
21/05/2026

শিশু রামিসার মতো ঘটনা শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো জাতির বিবেককে কাঁপিয়ে দেয়, সভ্যতাকে প্রশ্ন’বিদ্ধ করে!
ঠিক সময়ে ক’ঠোর শা’স্তির দৃষ্টান্ত না থাকলে অ’পরাধীরা ভ’য় পায় না। আমরা চাই ‘ন্যায়বিচার’। রামিসা আজ নেই, কিন্তু তার আত্মা শান্তি পায় অমরা এমন একটা সমাজ চাই, যেখানে কোনো শিশুকে ‘সা’বধান হয়ে চলো’ শেখাতে হবে না 🙏

Rooppur Nuclear Power Plant/ A New Horizon of Energy Future for Bangladesh.
07/05/2026

Rooppur Nuclear Power Plant/ A New Horizon of Energy Future for Bangladesh.

First Weekly English Newspaper over greater kushtia district, bangladesh. We will tell what others try to suppress. Kushtia Local Newspaper.

On this International Labour Day, let’s celebrate the spirit of hard work and the workers who make it all possible. Wish...
01/05/2026

On this International Labour Day, let’s celebrate the spirit of hard work and the workers who make it all possible. Wishing you a well-deserved day of recognition!

28/04/2026

The candle burns not for us, but for all those whom we failed to rescue...That's what the candle is for.
Peter Benenson, Founder of Amnesty International

At least 14 people killed in lightning strikes in 7 districts
27/04/2026

At least 14 people killed in lightning strikes in 7 districts

At least 14 people have been killed in lightning strikes across seven districts of the country today, Sunday. Among them, five were killed in Gaibandha; two each in Thakurgaon, Sirajganj, and Jamalpur; and one each in Panchagarh, Bogura, and Natore. After a heatwave lasting more than a week, rain be...

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মা...
20/04/2026

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।

19/04/2026

রাসায়নিক সার ব্যবহারে বাংলাদেশ প্রতি হেক্টরে ৭০০ কেজি ব্যবহার করে — যা মাত্র কয়েক দশক আগে ছিল মাত্র ৮.৫ কেজি। অর্থাৎ অল্প সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৮২ গুণ।

বিপরীতে উগান্ডায় এই সংখ্যাটি মাত্র ৩.৩ কেজি — বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় নগণ্য।

কীটনাশক ব্যবহারেও একই বৈপরীত্য।
বাংলাদেশে প্রতি হেক্টরে ১.৮ কেজি কীটনাশক প্রয়োগ হয় এবং দেশটি বিশ্বে এই তালিকায় ২৯তম স্থানে রয়েছে।
২০০৫ সালে আমদানি ছিল ১২,০০০ টন, ২০২০ সালে সেটি দ্বিগুণ হয়ে ২৭,০০০ টনে পৌঁছেছে — বার্ষিক বৃদ্ধির হার প্রায় ১০%, যা টানা ৩৩ বছর ধরে চলছে।

২০২৪ সাল নাগাদ ৮০২টি কোম্পানি এই বাজারে সক্রিয়। উগান্ডায় কীটনাশক ব্যবহার প্রায় শূন্যের কোঠায় — প্রতি হেক্টরে ০.৫ কেজিরও কম।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, বাংলাদেশের ৯৪ শতাংশ কৃষক নিষিদ্ধ কীটনাশক চিনতে পারেন না — অথচ সেগুলো অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে। উগান্ডায় এই প্রশ্নটি প্রায় অপ্রাসঙ্গিক, কারণ রাসায়নিক নির্ভরতা সেখানে তৈরিই হয়নি।

২০২২ সালে বাংলাদেশে মোট ১,৬৭,২৫৬টি নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১,১৬,৫৯৮ জনের। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ক্যান্সারের মধ্যে ফুসফুস, স্তন এবং পাচনতন্ত্রের ক্যান্সার শীর্ষে।

বিশ্বব্যাংকের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রায় ২৭% কৃষক প্রতি বছর কীটনাশকজনিত স্বাস্থ্যসমস্যায় আক্রান্ত হন। দীর্ঘমেয়াদী কীটনাশক সংস্পর্শ ক্যান্সার, স্নায়বিক রোগ ও হরমোন বিঘ্নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

ঢাকার সাতটি ক্যান্সার হাসপাতালে ৪৩০ জন রক্তের ক্যান্সার রোগীর মধ্যে কমপক্ষে ১৫০ জনের কীটনাশক ব্যবহারের সরাসরি ইতিহাস পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন কীটনাশকমিশ্রিত খাবার খেলে ক্যান্সার, যকৃৎ রোগ ও স্নায়বিক সমস্যা হতে পারে।

২০২২ সালে উগান্ডায় প্রতি লাখে ৭৪.৩ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। বাংলাদেশে এই হার ১০৬.২ জন — অর্থাৎ বাংলাদেশে ক্যান্সারের হার উগান্ডার চেয়ে ৪৩% বেশি।

উগান্ডায় শীর্ষ সাতটি ক্যান্সার — জরায়ুর ক্যান্সার, কাপোসি সারকোমা, স্তন, প্রস্টেট, লিম্ফোমা, যকৃৎ ও খাদ্যনালির ক্যান্সার — মোট নতুন রোগীর ৭০% গঠন করে।
এগুলোর কারণ মূলত HIV/AIDS, HPV ভাইরাস এবং হেপাটাইটিস B — রাসায়নিক সার বা কীটনাশক নয়।

গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, উগান্ডায় সংক্রমণজনিত ক্যান্সার থেকে ধীরে ধীরে জীবনযাত্রাজনিত ক্যান্সারের দিকে পরিবর্তন ঘটছে — এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর নতুন বাস্তবতা।

//.\\

২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৭১% সবজিতে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে, যার অর্ধেকেরও বেশি নিরাপদ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ৪০% কাঁচা দুধের নমুনায় ডিটারজেন্ট, অ্যান্টিবায়োটিক অথবা ফরমালিন পাওয়া গেছে। পুরো দেশ নিয়ন্ত্রণ করতে মাত্র ১৫০ জন খাদ্য পরিদর্শক আছেন — প্রতি ১০ লাখ মানুষে একজনেরও কম।

বাজার পর্যায়ে:বাংলাদেশে প্রায় সব ধরনের খাবারেই ভেজাল মেশানো হয়। মাছ, ফল ও সবজি সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে ফরমালিন ব্যবহার হয় — যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার ও কিডনি বিকল ঘটায়। ফল পাকাতে কার্বাইড ব্যবহার করা হয়, যা গুরুতর স্নায়বিক সমস্যা তৈরি করে।

উগান্ডা ২০০৪ সালে Uganda Organic Standard এবং ২০০৭ সালে পূর্ব আফ্রিকার আঞ্চলিক অর্গানিক মান গ্রহণ করেছে। সরকার সিন্থেটিক কীটনাশক ও সার ছাড়া জৈব চাষকে সক্রিয়ভাবে প্রসার দিচ্ছে।

বাংলাদেশে খাদ্য ভেজাল ইচ্ছাকৃত, সংঘবদ্ধ এবং সব স্তরে বিস্তৃত — মাঠ থেকে বাজার পর্যন্ত। উগান্ডায় সমস্যাটি মূলত অজ্ঞতা ও নিয়ন্ত্রণের অভাব, কিন্তু গ্রামীণ বেস-লাইন এখনো অনেকটাই রাসায়নিকমুক্ত।

মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ
কৃষি উদ্যোক্তা

20/03/2026

Eid Mubarak!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর প্রতি ...
30/12/2025

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।
তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিজয়ের এই দিনে স্বপ্ন দেখি আরও সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের।
15/12/2025

বিজয়ের এই দিনে স্বপ্ন দেখি আরও সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের।

15/10/2025

18th Anniversary Greetings!

For 18 years, PHRAS has been a shining light, standing strong for human rights and justice. Your dedication has brought hope, empowered communities, and made a lasting difference in countless lives. This milestone is a powerful reminder of what can be achieved when compassion and determination come together.

Every step forward has been a testament to the strength of unity and the belief in a fairer, more inclusive world. Let this anniversary inspire us to dream bigger, work harder, and continue making a positive impact.

Together, we can achieve so much more!

Address

Hollan Road, Dhakshinkhan
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801777444290

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Participatory Human Rights Advancement Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Participatory Human Rights Advancement Society:

Share