Arosh Sabbir Khan : The Something New

Arosh Sabbir Khan : The Something New i am here

পৃথিবী বদলে দেয়া ১০০টি বই।বিশ্বের ৩৫টি দেশের লেখক, বইপ্রেমীদের মধ্যে 'বিবিসি কালচার' থেকে একটি জরিপ চালানো হয়, যেখানে জা...
29/09/2024

পৃথিবী বদলে দেয়া ১০০টি বই।

বিশ্বের ৩৫টি দেশের লেখক, বইপ্রেমীদের মধ্যে 'বিবিসি কালচার' থেকে একটি জরিপ চালানো হয়, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিলো, কোন বইগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, সমাজ বদলে দিয়েছে।

১০৮ জন লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, অনুবাদকরা ৫টি করে বই নির্ধারন করেন, যেগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছে। বিশ্বের ৩৩ ভাষার বই রয়েছে এর মধ্যে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে উগান্ডা থেকে পাকিস্তানি, কলম্বিয়া থেকে চায়নার মানুষ রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৫১ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা ইংরেজি।

এই নির্বাচনকারীদের মধ্যে ৬০ ভাগ নারী ও ৪০ ভাগ পুরুষ ছিলেন। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ফ্রাঞ্জ কাফকা, ভার্জিনিয়া উলফ এই লেখকদের ৩ টি করে বই স্থান পেয়েছে এই তালিকায়।
চলুন দেখে নেয়া যাক কোন বইগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছেঃ

১. দ্য ওডিসি (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)

২. আঙ্কল টম'স কেবিন (হ্যারিয়েট বিচার স্টো, ১৮৫২)

৩. ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (মেরি শেলি, ১৮১৮)

৪. নাইটিন এইটি-ফোর (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৯)

৫. থিংস ফল অ্যাপার্ট (চিনুয়া আচেবে, ১৯৫৮)

৬. ওয়ান থাউজ্যান্ড অ্যান্ড ওয়ান নাইটস (বিভিন্ন লেখক)

৭. ডন কিহোতে (মিগুয়েল দে সারভান্তেস, ১৬০৫–১৬১৫)

৮. হ্যামলেট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৩)

৯. ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অব সলিটিউড (গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, ১৯৬৭)

১০. দ্য ইলিয়াড (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)

১১. বিলভড (টনি মরিসন, ১৯৮৭)

১২. দ্য ডিভাইন কমেডি (দান্তে আলিগিয়ারি, ১৩০৮–১৩২০)

১৩. রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৫৯৭)

১৪. দ্য এপিক অফ গিলগামেশ (লেখক অজানা)

১৫. হ্যারি পটার সিরিজ (জে কে রাওলিং, ১৯৯৭–২০০৭)

১৬. দ্য হ্যান্ডমেইড'স টেল (মার্গারেট অ্যাটউড, ১৯৮৫)

১৭. ইউলিসিস (জেমস জয়েস, ১৯২২)

১৮. অ্যানিমেল ফার্ম (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৫)

১৯. জেন আয়ার (শার্লট ব্রন্টি, ১৮৪৭)

২০. ম্যাডাম বোভারি (গুস্তাভ ফ্লবেয়ার, ১৮৫৬)

২১. রোমান্স অব দ্য থ্রি কিংডমস (লুয়ো গুয়ানঝং, ১৩২১–১৩২৩)

২২. জার্নি টু দ্য ওয়েস্ট (উ চেং'এন, আনুমানিক ১৫৯২)

২৩. ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট (ফিয়দোর দস্তয়েভস্কি, ১৮৬৬)

২৪. প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস (জেন অস্টেন, ১৮১৩)

২৫. ওয়াটার মার্জিন (শি নাই'আন, ১৫৮৯)

২৬. ওয়ার অ্যান্ড পিস (লিও টলস্টয়, ১৮৬৫–১৮৬৭)

২৭. টু কিল আ মকিংবার্ড (হার্পার লি, ১৯৬০)

২৮. ওয়াইড সারগাসো সি (জিন রাইস, ১৯৬৬)

২৯. ঈশপ'স ফেবলস (ঈশপ)

৩০. ক্যান্ডিড (ভলতেয়ার, ১৭৫৯)

৩১. মেডিয়া (ইউরিপিডিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১)

৩২. মহাভারত (বেদব্যাস, খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক)

৩৩. কিং লিয়ার (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৮)

৩৪. দ্য টেল অফ গেনজি (মুরাসাকি শিকিবু, ১০২১-এর পূর্বে)

৩৫. দ্য সরোস অফ ইয়ং ওয়ের্থার (জোহান উলফগ্যাং ভন গোথে, ১৭৭৪)

৩৬. দ্য ট্রায়াল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯২৫)

৩৭. রিমেমব্রেন্স অফ থিংস পাস্ট (মার্সেল প্রুস্ট, ১৯১৩–১৯২৭)

৩৮. উইদারিং হাইটস (এমিলি ব্রন্টি, ১৮৪৭)

৩৯. ইনভিজিবল ম্যান (রালফ এলিসন, ১৯৫২)

৪০. মবি-ডিক (হারম্যান মেলভিল, ১৮৫১)

৪১. দেয়ার আইজেস ওয়্যার ওয়াচিং গড (জোরা নীল হার্স্টন, ১৯৩৭)

৪২. টু দ্য লাইটহাউস (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৭)

৪৩. দ্য ট্রু স্টোরি অব আহ কিউ (লু সুন, ১৯২১–১৯২২)

৪৪. অ্যালিস'স অ্যাডভেঞ্চারস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (লুইস ক্যারল, ১৮৬৫)

৪৫ আন্না ক্যারেনিনা (লিও টলস্টয়, ১৮৭৩–১৮৭৭)

৪৬. হার্ট অব ডার্কনেস (জোসেফ কনরাড, ১৮৯৯)

৪৭. মাঙ্কি গ্রিপ (হেলেন গার্নার, ১৯৭৭)

৪৮. মিসেস ড্যালোয়ে (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৫)

৪৯. ইডিপাস দ্য কিং (সফোক্লিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪২৯)

৫০. দ্য মেটামরফোসিস (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)

৫১. দ্য ওরেস্টেইয়া (এস্কাইলাস, খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক)

৫২. সিন্ডারেলা (লেখক অজানা, তারিখ অজানা)

৫৩. হাউল (অ্যালেন গিন্সবার্গ, ১৯৫৬)

৫৪. লে মিজারেবল (ভিক্টর হুগো, ১৮৬২)

৫৫. মিডলমার্চ (জর্জ এলিয়ট, ১৮৭১-১৮৭২)

৫৬. পেদ্রো পারামো (হুয়ান রুলফো, ১৯৫৫)

৫৭. দ্য বাটারফ্লাই লাভারস (লোককাহিনী)

৫৮. দ্য ক্যানটারবরি টেলস (জিওফ্রে চসার, ১৩৮৭)

৫৯. পঞ্চতন্ত্র (বিষ্ণু শর্মা, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০)

৬০. দ্য পোস্টহিউমাস মেমোয়ার্স অফ ব্রাস কিউবাস (হোয়াকিম মারিয়া মাচাদো দে আসিস, ১৮৮১)

৬১. দ্য প্রাইম অব মিস জিন ব্রডি (মুরিয়েল স্পার্ক, ১৯৬১)

৬২. দ্য র‍্যাগেড-ট্রাউজারড ফিলানথ্রপিস্টস (রবার্ট ট্রেসেল, ১৯১৪)

৬৩. সং অফ লাউইনো (ওকোট পি'বিটেক, ১৯৬৬)

৬৪. দ্য গোল্ডেন নোটবুক (ডোরিস লেসিং, ১৯৬২)

৬৫. মিডনাইট'স চিলড্রেন (সালমান রুশদি, ১৯৮১)

৬৬. নার্ভাস কন্ডিশনস (টসিতসি ডাংগারেমবগা, ১৯৮৮)

৬৭. দ্য লিটল প্রিন্স (অঁতোয়া দ্য সেন্ট-একজুপেরি, ১৯৪৩)

৬৮. দ্য মাস্টার অ্যান্ড মার্গারিটা (মিখাইল বুলগাকভ, ১৯৬৭)

৬৯. রামায়ন (বাল্মিকি, খ্রিস্টপূর্ব ১১শ শতক)

৭০. অ্যান্টিগোন (সফোক্লিস)

৭১. ড্রাকুলা (ব্রাম স্টোকার, ১৮৯৭)

৭২. দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস (উরসুলা কে. লে গুয়িন, ১৯৬৯)

৭৩. আ ক্রিসমাস ক্যারল (চার্লস ডিকেন্স, ১৮৪৩)

৭৪. আমেরিকা (রাউল ওতেরো রাইখ, ১৯৮০)

৭৫. বিফোর দ্য ল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)

৭৬ চিলড্রেন অফ গেবেলাওয়ি (নাগিব মাহফুজ, ১৯৬৭)

৭৭. ইল কানজনিয়েরে (পেত্রার্ক, ১৩৭৪)

৭৮. কেবরা নাগাস্ট (বিভিন্ন লেখক, ১৩২২)

৭৯. লিটল ওমেন (লুইসা মে অ্যালকট, ১৮৬৮–১৮৬৯)

৮০. মেটামরফোসেস (ওভিড, ৮)

৮১. ওমেরোস (ডেরেক ওয়ালকট, ১৯৯০)

৮২. ওয়ান ডে ইন দ্য লাইফ অফ ইভান ডেনিসোভিচ (আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিন, ১৯৬২)

৮৩. অরল্যান্ডো (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৮)

৮৪. রেইনবো সার্পেন্ট (অস্ট্রেলীয় গল্প)

৮৫. রেভল্যুশনারি রোড (রিচার্ড ইয়েটস, ১৯৬১)

৮৬. রবিনসন ক্রুসো (ড্যানিয়েল ডিফো, ১৭১৯)

৮৭. সং অফ মাইসেলফ (ওয়াল্ট হুইটম্যান, ১৮৫৫)

৮৮. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ হাকলবেরি ফিন (মার্ক টোয়েন, ১৮৮৪)

৮৯. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ টম সয়ার (মার্ক টোয়েন, ১৮৭৬)

৯০. দ্য আলেফ (হোর্হে লুইস বোর্হেস, ১৯৪৫)

৯১. দ্য ইলোকোয়েন্ট পিয়াজেন্ট (প্রাচীন মিশরীয় লোকগল্প)

৯২. দ্য এম্পেরর'স নিউ ক্লোদস (হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন, ১৮৩৭)

৯৩. দ্য জঙ্গল (আপটন সিনক্লেয়ার, ১৯০৬)

৯৪. দ্য খামরিয়াত (আবু নুওয়াস)

৯৫. দ্য রাডেটজকি মার্চ (জোসেফ রথ, ১৯৩২)

৯৬. দ্য রেভেন (এডগার অ্যালান পো, ১৮৪৫)

৯৭. দ্য স্যাটানিক ভার্সেস (সালমান রুশদি, ১৯৮৮)

৯৮. দ্য সিক্রেট হিস্টরি (ডোনা টার্ট, ১৯৯২)

৯৯. দ্য স্নোই ডে (এজরা জ্যাক কেটস, ১৯৬২)

১০০. টোবা টেক সিং (সাদাত হাসান মান্টো, ১৯৫৫)

তথ্যসূত্রঃ BBC Culture, BBC

21/09/2024

21/09/2024

12/09/2024

fun time .

11/09/2024

movie time

!!! জেনারেশন জেড (GEN-Z) বা জেন-জি (GEN-G) কী ?!!!**************************বেবি বুমার্স, এক্স, ওয়াই, জি, আলফা এসব প্রজন...
11/09/2024

!!! জেনারেশন জেড (GEN-Z) বা জেন-জি (GEN-G) কী ?!!!
**************************
বেবি বুমার্স, এক্স, ওয়াই, জি, আলফা এসব প্রজন্মের নামগুলো কীভাবে এলো তা জানতে চাইলে পড়ুন।
প্রজন্ম নিয়ে আজকাল বেশ আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। কোন প্রজন্মের নাম কী কারণে কেমন করে হলো, তা নিয়েও আগ্রহের কমতি নেই।
তাত্ত্বিক নিল হাও ও উইলিয়াম স্ট্রস তাঁদের ১৯৯১ সালের বই “জেনারেশনস”-এ বিভিন্ন প্রজন্মের নামকরণ করেছিলেন।
বেবি বুমার্স
১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের এই নামে ডাকা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জন্মহারের তীব্র বৃদ্ধির কারণে সেই সময়ে যাঁরা জন্ম নিয়েছেন, তাঁদের বেবি বুমার্স বলা হয়েছে।
বেবি বুমার্সদের বয়স এখন ৬০ থেকে ৭৮ ।
পশ্চিমে ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে বুমারদের শৈশবকালে শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সংস্কার হয়েছিল। সময়টা ছিল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির যুগ। ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে বিপুলসংখ্যক বুমার্স তাদের কৈশোর ও তারুণ্যে প্রবেশ করে। তারা স্পষ্ট নির্দিষ্ট বক্তব্য ও সামাজিক আন্দোলন তৈরি করতে পেরেছিল। যেমন ১৯৬০-এর দশকের কাউন্টারকালচার ও এর প্রতিক্রিয়া।
জেনারেশন এক্স
কানাডিয়ান লেখক ডগলাস কুপল্যান্ড তাঁর ১৯৯১ সালের বই ‘জেনারেশন এক্স: টেলস ফর অ্যান অ্যাক্সিলারেটেড কালচার’-এ ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের ‘জেন এক্স’ বলেন। আর এই নাম পরবর্তীতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
যাদের বয়স ৪৪ থেকে ৫৯ এর ভেতর, তাঁরা জেনারেশন এক্স ‌।
জেনারেশন এক্স সরাসরি বেবি বুমার্স প্রজন্মকে অনুসরণ করে। তারাও বুমার্সদের মতো একই রকম অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেড়ে উঠেছে। কেননা, এ সময় বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনীতি বা ইতিহাসে খুব একটা রদবদল ঘটেনি। জেনারেশন এক্স মূলত তাদের আগে জন্মানো বেবি বুমার্স ও জেনারেশন ওয়াইয়ের মাঝখানে পড়ে যাওয়া ‘স্যান্ডউইচ’।
জেনারেশন ওয়াই বা মিলেনিয়াল
এ প্রজন্মের মানুষের জন্মকাল ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। তাদের বর্তমান বয়স ২৮ থেকে ৪৩ বছর। এ প্রজন্ম নব্বইয়ের দশকে তাদের শৈশব-কৈশোর পার করেছে। তাদের বলা হয় ‘নাইন্টিজ কিডস’ বা নব্বইয়ের সন্তান। বিশ্ব সংস্কৃতিতে সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মা-বাবারা বুমার্স ও জেনারেশন এক্সের সদস্য।
এ প্রজন্ম মিলেনিয়াল (সহস্রাব্দ) হিসেবে পরিচিত। কারণ, তাদের সবচেয়ে বয়স্ক সদস্যরা দ্বিতীয় সহস্রাব্দের দিকে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠেন। এ প্রজন্মকে ‘মিলেনিয়ালস’ নামকরণের কৃতিত্ব লেখক উইলিয়াম স্ট্রস ও নিল হাউয়ের।
২০১৪ সালে নিল হাউ মার্কিন রেডিও এনপিআরকে (ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, এ প্রজন্ম যেহেতু ২০০০ সালে জীবনের সেরা সময়, অর্থাৎ তরুণ্যে পৌঁছাবে, তাই তাদের বোঝানোর জন্য চট করে সহস্রাব্দ (মিলেনিয়াল) নামটি মাথায় এসেছিল।’ এ ছাড়া এ প্রজন্মকে জেনারেশন ওয়াইও বলা হয়। কেননা তাদের জন্ম জেনারেশন এক্সের পর।
জেনারেশন জেড বা জেন-জি
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রজন্ম। তাদের জন্মকাল ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। তাদের বর্তমান বয়স ১২ থেকে ২৭ বছর। তাদের মা-বাবারা মূলত জেনারেশন এক্স ও ওয়াইয়ের সদস্য।
২০১১ সালের দিকে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ প্রজন্মের সদস্যরা প্রথম স্মার্টফোনের সঙ্গে তাদের বয়ঃসন্ধিকাল কাটিয়েছে। যেহেতু তারা জেনারেশন ওয়াই-পরবর্তী সময়ে জন্মেছে, তাই তাদের ডাকা হয় ‘জেনারেশন জেড’ বা জেন–জি।
জেনারেশন আলফা
এ প্রজন্মের মানুষদের জন্ম ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে। তাদের বর্তমান বয়স ০ থেকে ১২ বছর। তাদের মা-বাবারা আবার জেনারেশন ওয়াই বা জেড।
পূর্ববর্তী জেনারেশন জেডের সঙ্গে সঙ্গে ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর শেষ হয়ে যাওয়ায় এ প্রজন্মের নামকরণে গ্রিক বর্ণমালার অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
সামাজিক বিশ্লেষক ও জনসংখ্যাবিদ মার্ক ম্যাকক্রিন্ডল বলেন, '‘এ প্রজন্ম সত্যিকার অর্থে সবচেয়ে কম বয়স থেকে ডিজিটাল। অনিশ্চিত ও দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ে বেড়ে উঠছে। এটি একটি সম্পূর্ণ নতুন বাস্তবতার সূচনা। এটা শুধু “লেটস গো উইথ দ্য সায়েন্টিফিক নেমিং” আর তাই এ ক্ষেত্রে গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়েছে।"
আলফার পরবর্তী প্রজন্মগুলোর নাম হতে পারে ‘বিটা’, ‘গামা’ ইত্যাদি।

(নীলিমার গল্প থেকে সংগৃহীত)

সংগ্রহ ।

07/09/2024

3d camera

07/09/2024

talking sweet

05/09/2024

oh !

05/09/2024

memory

03/09/2024

......

Address

Baridhara Dohs
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arosh Sabbir Khan : The Something New posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share