ইয়েস এর তিনটি শাখা। যে কেউ যে কোন শাখায় যোগ দিয়ে কাজ করতে পারে। অন লাইনে পৃতিবীর যে কোন যায়গায় থেকে ইয়েস এর কাজ করা যাবে আবার সরাসরি কাজ করারও সুযোগ আছে।
ইয়েস এর তিনটি শাখাঃ
১. ইয়েস প্রোফেশনাল।
২. ইয়েস সোসাল, সোসাইটি, মানবতা ও অর্থনীতি।
৩. ইয়েস শিল্প, ব্যবসা ও বানিজ্য।
প্রথমে ইয়েস প্রোফেশনাল কি ও কেন?
ইয়েস প্রোফেশনাল অলাভজনক ও অরাজনৈতিক একটি প্লাটফর্ম । তরুণ প্রজন্ম প্রকৌশলী-প্রযুক্তিবিদ ও প্রকৌশল ছাত্রদেরকে সহযোগীতা করা। মানুষের পক্ষে মায়ের গর্ভ থেকে যেমন সবকিছু শিখে আসা সম্ভব নয়, তাই মানুষকে জীবনে এগিয়ে যেতে নিজের চেষ্টায় অনেক কিছুই শিখতে হয় যেগুলো তাকে জীবনযুদ্ধের মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তবে এটি অনুধাবন করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ যে যা শিখছি তা সঠিক এবং যথার্থ কিনা।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পরও অনেক কিছু শিখা হয় না, যে গুলি কর্মউপযোগী হওয়ার জন্য খুব বেশী প্রয়োজন। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সময় উপযোগী না হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা, শিক্ষিত বেকার দিন দিন বাড়ছে।
বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী তরুণসমাজের অংশ, পাশাপাশি দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যাও অনেক। যদিও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায়শই লোকবল সংকটের বিষয়গুলো উঠে আসে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিকও গুলোর পাতায়। কারণ মানুষের অভাব না থাকলেও আছে যোগ্য মানুষের অভাব।
মূলত এই শিক্ষিত তরুণদের কর্মজীবন সম্পর্কে সচেতন করা, কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্যে প্রয়োজনীয় ধারণা দেয়া, কর্মজীবনের প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়তা করা, এবং দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করার উদ্দেশ্যেই ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশী প্রফেশনাল তরুণদের সহযোগে প্রকেৌশলী শেখ আল আমিন এর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে এই ইয়ং ইঞ্জিনিয়ার্স সোসাইটি (ইয়েস)।
'বাংলাদেশের প্রচুর কৃতি সন্তান আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ভাল ভাল পদে কাজ করছে, তবুও আমাদের দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অস্বাভাবিকরকম বেশি। মূলত এই শিক্ষিত তরুণদের সাথে বাংলাদেশের এই কৃতী সন্তানদের মেলবন্ধনের উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইয়েস। '
বাংলাদেশের যেই তরুণেরা আজ বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন তাঁদের পরামর্শ এবং দিক-নির্দেশনা পেলে বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণসমাজও নিজেদের জীবনকে গুছিয়ে নিতে পারবে এবং একদিন তারাও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে। আইইবি প্রকৌশলীদের জন্য কিছু কিছু কাজ করছে তা কিন্তু চাহিদার তূলনায় খুবই অপ্রতুল, সরকারী, বেসরকারী, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানও এই ধরনের কিছু কিছু কাজ করছে কিন্তু সেগুলিও পর্যাপ্ত নয়।
তরূন প্রকৌশলী বা ছাত্র প্রকৌশলী তাদের ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং দেওয়ার মত কেউ নেই তাইতো একজন প্রকৌশলী পাশ করার পর ২-৩ বছর ঘুরে চাকুরী না পেয়ে দিশেহারা হয়ে অমানবিক জীভনযাপন করতে বাদ্য হয়। সেই প্রেক্ষাপটে
ইয়েস প্রোফেশনাল কর্কান্ডের মাধ্যমে তরুণ প্রকৌশলীদের কর্মজীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করতে দিক-নির্দেশনা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। মূলত এর মাধ্যমে ইয়েস চেষ্টা করছে বিশ্বের সফল ব্যক্তিদের সাথে দেশের তরুণদের একটি সার্বক্ষণিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করার যার মাধ্যমে পেৌঁছে দেয়া হবে কর্মজীবনে প্রবেশ এবং উন্নতির কার্যকর তথ্যসমূহ।
এছাড়া, ইয়েস সোসাল, সোসাইটি, মানবতা ও অর্থনীতি বিভাগ প্রধানত কাজ করে সামাজিক সমস্যাগুলোর ব্যাপারে জনসচেতনা সৃষ্টি, সচেতনতা বাড়ানো এবং এর সাথে সাথে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা। অন্যদিকে ইয়েস শিল্প, ব্যবসা ও বানিজ্য এর মাধ্যমে শিল্প উদ্যোক্তা সৃষ্টি, তাদের ইর্নটারনি কর্মসূচী, ব্যবসা শেখার পথ দেখিয়ে দেয়া। অসমাপ্ত ।(চলবে)
YES DISCUSSION (Draft):
YES Comprises by
1. YES Professional
2. YES Entrepreneur & Trade
3. YES Social Work & Society
Details about YES Professional:
Aims and Objectives: Young Engineers Society (YES)
1. To build Better Bangladesh & Better World.
2. To promote and advance the science, practice and business of engineering
in all its branches throughout Bangladesh and abroad.
3. To promote efficiency in the engineering practices and profession.
4. Professional Code of Ethics mandatory for its members to abide by the same in their professional conduct.
5. To help in the acquisition and interchange of technical knowledge among its members.
6. To promote the professional interests and social welfare of its members.
7. To encourage research in engineering and economic utilization of the country’s & global materials and resources.
8. To foster co-ordination with similar institutions, Societies, Universities &
Colleges in the country & abroad.
YES Slogan: Learn from the past, Live in the present, Dream for the future.
YES Mission :
YES mission is to serve engineering communities & diverse global communities by advancing, disseminating and applying engineering knowledge for improving the quality of life; and communicating the excitement of engineering.
YES Vision:
YES aims to be the essential resource for engineers and other technical professionals throughout the country & world for solutions that benefit humankind.
Core Values:
In performing its mission, YES adheres to these core values:
• Embrace integrity and ethical conduct
• Embrace diversity and respect the dignity and culture of all people
• Nurture and treasure the environment and our natural and man-made resources
• Facilitate the development, dissemination and application of engineering knowledge
• Promote the benefits of continuing education and of engineering
• Respect and document engineering history while continually embracing change
• Promote the technical and societal contribution of engineers