জীবনঘনিষ্ঠ প্রশ্নোত্তর

জীবনঘনিষ্ঠ প্রশ্নোত্তর আপনাদের পরামর্শ, প্রশ্ন, অভিযোগ ইত্যাদি ইনবক্স করুন অথবা পেইজের টাইমলাইনে পোষ্ট করুন ।

 #আলহামদুলিল্লাহ! ুরআন
19/05/2026

#আলহামদুলিল্লাহ!
ুরআন

19/05/2026
11/05/2026

বার্ধক্য বা বৃদ্ধ বয়স যাদের জ্ঞানার্জনে বাধা হয়নি; বরং তারা জ্ঞানের গভীর সমুদ্রে ডুব দিয়ে পূর্বসূরিদের চেয়েও এগিয়ে গেছেন।

---

১. হাকিম ইবনে হিযাম (রা.) (মৃ. ৫৪ হি.) - তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.)-এর কাছে পড়তেন। তাকে বলা হলো: "তুমি এই খাজরাজি যুবকের কাছে পড়ছ?" তিনি উত্তর দিলেন: "আমাদেরকে শুধু অহংকারই ধ্বংস করেছে।" তিনি তার শিক্ষকের চেয়ে ৪৮ বছর বড় ছিলেন।

২. আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) (মৃ. ৩২ হি.) - ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: "আমি মুহাজিরদের কিছু লোককে কুরআন পড়াতাম, তাদের মধ্যে আবদুর রহমান ইবনে আউফও ছিলেন।" তিনি তার শিক্ষকের চেয়ে ৩৮ বছর বড় ছিলেন।

৩. জাযান আল-কিন্দি (রহ.) (মৃ. ৮২ হি.) - ইবনে মাসউদের শিষ্য।

৪. মালিক ইবনে দীনার (রহ.) (মৃ. ১৩০ হি.) - মহান আবিদ ও জাহিদ।

৫. আবু গিয়াস আত-তামিমি আল-আনবারি (রহ.) (মৃ. ১৫০ হি.)

৬. সালিহ ইবনে কায়সান আল-মাদানি (রহ.) (মৃ. ১৫০ হি.)

৭. মুসা ইবনে উকবা (রহ.) (মৃ. ১৫০ হি.)

৮. যুফার (রহ.) (মৃ. ১৫৮ হি.) - ইমাম আবু হানিফার শিষ্য। তিনি জীবনের শেষ দুই বছরে কুরআন মুখস্থ করেন। মৃত্যুর পর স্বপ্নে দেখা হলে জিজ্ঞাসা করা হয়: "তোমার অবস্থা কেমন?" তিনি বলেন: "ঐ দুই বছর না হলে যুফার ধ্বংস হয়ে যেত।"

৯. ইবনে আবি যি'ব (রহ.) (মৃ. ১৫৯ হি.) - জাহিদ আলেম।

১০. ফুজাইল ইবনে ইয়াজ (রহ.) (মৃ. ১৮৭ হি.) - তাবেঈ ও আবিদ।

১১. গুঞ্জার আবু আহমাদ আল-বুখারি (রহ.) (মৃ. ১৮৭ হি.)

১২. কিসাই (রহ.) (মৃ. ১৮৯ হি.) - ক্বারি ও নাহবি।

১৩. ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-আতাকি (রহ.) (মৃ. ১৯১ হি.) - ষাট বছর বয়সে মালিকের সাহচর্য লাভ করেন এবং জ্ঞানার্জনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন।

১৪. আসবাগ (রহ.) (মৃ. ২৩০ হি.) - ইমাম মালিকের শিষ্য।

১৫. ইবনুল আরাবি (রহ.) (মৃ. ২৩১ হি.) - ভাষাবিদ।

১৬. উবাইদুল্লাহ আল-কাওয়ারিরি (রহ.) (মৃ. ২৩৫ হি.) - হাফিজ ও মুহাদ্দিস।

১৭. হারুন আল-হাম্মাল (রহ.) (মৃ. ২৪৩ হি.) - তিনি বোঝা বহনকারী শ্রমিক ছিলেন, অতঃপর আলেম হন।

১৮. হারিস ইবনে মিসকিন (রহ.) (মৃ. ২৫০ হি.) - ফকিহ ও মুহাদ্দিস।

১৯. ওয়াসিল ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জাম্মি (রহ.) (মৃ. ২৫২ হি.) - সাহনুনের শিষ্য।

২০. আব্দুল মালিক ইবনে কাতান আল-মাহরি (রহ.) (মৃ. ২৫৩ হি.)

২১. আবু ইক্বাল গালবুন ইবনুল হাসান (রহ.) (মৃ. ২৯১ হি.) - তিনি প্রথমে উচ্ছৃঙ্খল ও লম্পট ছিলেন, পরে জ্ঞান ও ইবাদতে মন দেন।

২২. আবু জাফর আত-তাহাবি (রহ.) (মৃ. ৩২১ হি.)

২৩. আবু আলি আছ-ছাকাফি (রহ.) (মৃ. ৩২৮ হি.)

২৪. উজির ও কাযি, হানাফিদের শেখ আল-হাকিম আস-সুলামি (রহ.) (মৃ. ৩৩৪ হি.)

২৫. সাঈদ ইবনে মুখারিক আল-ইলবিরি (রহ.) (মৃ. ৩৪১ হি.)

২৬. ইমাম ইবনে ইসহাক আস-সিবগি (রহ.) (মৃ. ৩৪২ হি.) - তিনি অশ্বারোহণবিদ্যায় নিযুক্ত ছিলেন; বাইশ বছর বয়স পর্যন্ত জ্ঞান চর্চা শুরু করেননি।

২৭. খাইসামা আল-আত্রাবুলুসি (রহ.) (মৃ. ৩৪৩ হি.) - চল্লিশের পর হাদীস শুনতে শুরু করেন।

২৮. আবু বকর আল-বাহরামি আদ-দিনাওয়ারি (রহ.) (মৃ. ৩৪৯ হি.)

২৯. মুহাম্মাদ আল-বাশশারি (রহ.) (মৃ. ৩৮০ হি.) - পর্যটক। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন, পরে ভূগোলবিদ হন।

৩০. শাফেয়ি মাজহাবের ইমাম আল-কাফফাল আল-মারওয়াযি (রহ.) (মৃ. ৪১৭ হি.)

৩১. ফকিহ সুলায়ম ইবনে আইয়ুব আর-রাযি (রহ.) (মৃ. ৪৪৭ হি.) - চল্লিশের পর ফিকহ শিখেন।

৩২. ফকিহ আবু উমর আল-বাস্তামি (রহ.) (মৃ. ৪৪৮ হি.)

৩৩. ইবনে হাযম আয-যাহিরি (রহ.) (মৃ. ৪৫৬ হি.) - তিনি উজিরের পদ ছেড়ে জ্ঞানচর্চায় মন দেন।

৩৪. খালাফ আল-আখফাশ (রহ.) (মৃ. ৪৬০ হি. পর) - চল্লিশের দশকে আরবি ব্যাকরণ শেখেন।

৩৫. ইবনে আব্দিল বার (রহ.) (মৃ. ৪৬৩ হি.) - তেইশ বছর বয়সের পর জ্ঞানার্জনে মন দেন।

৩৬. আবুল হাসান আদ-দামাগানি (রহ.) (মৃ. ৫১৩ হি.) - তিনি বলেন: "আমি যৌবনে অলস ও বেকার ছিলাম, জ্ঞানের দিকে ভ্রুক্ষেপ করতাম না। আমার পিতা আমাকে ডেকে বললেন: 'বৎস! আমি চিরকাল তোমার জন্য থাকব না। এই বিশ দিনার নাও, আমি তোমার জন্য একটি বেকারির দোকান খুলে দিচ্ছি, তাতে উপার্জন করো।' আমি বললাম: 'এ কথা কী বলছেন?' তিনি বললেন: 'তবে জ্ঞানের মাধ্যমে একটি কাপড়ের দোকান খোল।' তারপর আমি চেষ্টা করলাম, আল্লাহ আমার জন্য জ্ঞানের দরজা খুলে দিলেন।"

৩৭. আব্দুল্লাহ ইবনুস সাইয়িদ আল-বাতাল্যাওসি (রহ.) (মৃ. ৫২১ হি.) - নাহবি।

৩৮. মুহাদ্দিস আবুল হাসান আল-জুওয়াইনি (রহ.) (মৃ. ৫৪৪ হি.)

৩৯. আবু মুহাম্মাদ আল-হুলওয়ানি (রহ.) (মৃ. ৫৪৬ হি.) - বলেন: "আমার পিতা মারা গেলেন যখন আমার বয়স একুশ বছর। আমি অলস-বেকার হিসেবে পরিচিত ছিলাম। আমি একটি ঘরের কিছু বাসিন্দার কাছে গেলাম যার উত্তরাধিকারী আমি, তাদের কাছে পাওনা তাগাদা করতে। শুনলাম তারা বলছে: 'মদব্বার (যে ব্যবস্থা জানে না) এসেছে।' আমি মনে মনে বললাম: 'আমার সম্পর্কে এরকম বলা হয়?!' তারপর আমার মায়ের কাছে এসে বললাম: 'তুমি যদি আমাকে খুঁজতে চাও, তাহলে আবুল খাত্তাবের মজলিসে খুঁজো।' আমি তার সাথে লেগে রইলাম। পরে কাযি হওয়া ছাড়া আর কিছুই করিনি, দীর্ঘকাল কাযি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।"

৪০. চিকিৎসক ও মুহাদ্দিস আল-হাসান ইবনে আলী আল-বুখারি (রহ.) (মৃ. ৫৪৮ হি.)

৪১. হাম্বলি ফকিহ আল-আইয আল-বাগদাদি (রহ.) (মৃ. ৫৬৯ হি.) - তিনি গায়ক ছিলেন, পরে তওবা করে জ্ঞানার্জনে মন দেন এবং 'মুখতাসার আল-খিরাকি' মুখস্থ করেন।

৪২. আবুল আলা আল-হামাদানি আল-আত্তার (রহ.) (মৃ. ৫৬৯ হি.)

৪৩. আবু তালিব আল-কারখি (রহ.) (মৃ. ৫৮৫ হি.) - তিনি উড বাজাতে পারদর্শী ছিলেন, পরে তা ছেড়ে জ্ঞানার্জনে মন দেন, অতঃপর নেতৃত্ব দেন এবং উপকার করেন।

৪৪. মুজিরুদ্দীন ইবনে বুকায়রা (রহ.) (মৃ. ৫৯২ হি.) - তিনি দর্জি ছিলেন, পরে আলেম হন।

৪৫. আবু ইসহাক আল-ইরাকি আল-খতিব (রহ.) (মৃ. ৫৯৬ হি.) - তিনি কায়রোতে তীর বানানোর কাজ করতেন, পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন।

৪৬. তাজুদ্দীন আবুল ইয়ুমান আল-কিনদি (রহ.) (মৃ. ৫৯৭ হি.)

৪৭. ইবনুল ফাররা (রহ.) (মৃ. ৬১৩ হি.) - তিনি আমোদ-প্রমোদে মত্ত ছিলেন, পরে তওবা করে হাদীসে মন দেন।

৪৮. ইবনে নাসর আত-তানুখি (রহ.) (মৃ. ৬৪৪ হি.) - চল্লিশের পর জ্ঞান ও হাদীসে মন দেন।

৪৯. মুহাদ্দিস ইউসুফ ইবনে খলিল ইবনে কারাজা (রহ.) (মৃ. ৬৪৮ হি.)

৫০. সুলতানুল উলামা আল-ইয ইবনে আব্দুস সালাম (রহ.) (মৃ. ৬৬০ হি.)

৫১. ইবনে শাইখিস সালামিয়া (রহ.) (মৃ. ৭৬৯ হি.) - তিনি পদ-পদবি ত্যাগ করে জ্ঞানচর্চায় মন দেন এবং দশ খণ্ডে ইবনে হাযমের 'মারাতিবুল ইজমা'-র ব্যাখ্যা ও তার ওপর আপত্তি তোলেন। যিনি ইবনে হাযমের ওপর আপত্তি তোলেন, তাঁর জ্ঞানই যথেষ্ট।

৫২. ফকিহ আবু আলী ইবনুল উমুক (রহ.) (মৃ. ৬৮৫ হি.)

৫৩. ইয়াহইয়া ইবনে যুআইব আর-রুহাবি (রহ.) (মৃ. ৭৯৪ হি.) - তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে সম্পদ পুত্রের হাতে দিয়ে শ্রবণে মন দেন। 'সহীহ' (বুখারি) শ্রবণের জন্য লোকেরা তার কাছে যেত, তার কাছে একটি উত্তমভাবে পরিশোধিত কপি ছিল।

৫৪. ফকিহ ও নাহবি ইযযুদ্দীন আল-কাও্ওয়াস (রহ.) (মৃ. ৬৯৬ হি.) - তিনি ধনুক তৈরির কাজ করতেন, পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন এবং বৃদ্ধ বয়সে বিদ্যা অর্জন করেন।

৫৫. মুহাম্মাদ ইবনে মুসল্লিম আদ-দিমাশকি আল-হাম্বালি (রহ.) (মৃ. ৭২৬ হি.) - তার প্রায় চারশ শেখ ছিলেন। তিনি সেলাইবিদ্যা শিখেছিলেন, পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন এবং কুরআন মুখস্থ করেন।

৫৬. বাগদাদের আলেম সাফিউদ্দীন আব্দুল মুমিন ইবনে শামাইল (রহ.) (মৃ. ৭৩৯ হি.) - প্রথম জীবন পার্থিব কাজে কাটান, পরে জ্ঞানার্জনে মন দেন। তার শিক্ষক সংখ্যা তিনশ।

৫৭. ইবনুন নাজ্জার আল-হালাবি আল-হানাফি (রহ.) (মৃ. ৭৯৪ হি.) - তার বাবা ছুতোর ছিলেন, তিনি সে শিল্পে বেড়ে ওঠেন। পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন, দক্ষতা অর্জন করেন, বিশেষত্ব লাভ করেন, এমনকি ফতোয়া ও পড়ানোর যোগ্য হন।

৫৮. ইবনুল হালিস আল-মাহজামি (রহ.) (মৃ. ৮০০ হি. পর) - তিনি বিলাসিতা ও আরাম-আয়েশে বেড়ে ওঠেন, বিশ বছর বয়সের পর জ্ঞানচর্চা শুরু করেন এবং শুয়েখদের সঙ্গ লাভ করেন।

৫৯. মালিকুল আশরাফ ইসমাইল ইবনুল আফদাল আল-ইয়ামানি (রহ.) (মৃ. ৮০৩ হি.) - তিনি সুলতানের দায়িত্ব পালন করেছেন, অস্থিরচিত্ত ছিলেন, পরে সম্মানিত হন এবং জ্ঞান ও আলেমদের প্রতি আগ্রহী হন ও কিতাব সংগ্রহে ভালোবাসা পোষণ করেন।

৬০. কাযি শামসুদ্দীন আন-নাবুলুসি (রহ.) (মৃ. ৮০৫ হি.) - তিনি দর্জি ছিলেন, পরে আলেম হন।

৬১. আলাউদ্দীন আবুল হাসান আল-খারিজমি (রহ.) (মৃ. ৮০৬ হি.) - তার পিতা সৈন্যবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তিনি জ্ঞানার্জনে মন দেন। পরে ইবনে হাযমের কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করেন এবং তার কথার অনুরাগী হন।

৬২. আমির ও আলেম মুসা পাশা ইবনুস সুলতান মাহমুদ আর-রুমি (রহ.) (মৃ. ৮১৫ হি. পর)

৬৩. মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন ইবনুল বায়তার (রহ.) (মৃ. ৮২১ হি.) - তিনি পশুচিকিৎসার কাজ করতেন, পরে ফিকহে মন দেন এবং সমকালীনদের ছাড়িয়ে যান।

৬৪. শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনুল কাযি তাজুদ্দীন (রহ.) (মৃ. ৮৩৩ হি.)

৬৫. ইবনে জাকনুন আল-হাম্বালি (রহ.) (মৃ. ৮৩৭ হি.) - তিনি উটের চালক ছিলেন, পরে আলেম হন। তিনি 'মুসনাদে আহমাদ'-এর ব্যাখ্যা ও 'বুখারি'র অধ্যায় অনুসারে একশ বিশ খণ্ডে সাজান।

৬৬. শিহাবুদ্দীন আল-কারদাহ (রহ.) (মৃ. ৮৪১ হি.) - তিনি কণ্ঠশিল্পের চর্চা করতেন, তাতে অসাধারণ ছিলেন। পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন, হাদীসের মজলিসে যোগ দেন এবং অগণিত কিতাব রেখে যান, যা হাজার খণ্ডেরও বেশি।

৬৭. কারি আহমাদ আল-হানাওয়ি (রহ.) (মৃ. ৮৪৮ হি.) - তিনি সুন্দর করে লেখালেখি করতেন। কেউ তাকে বললেন: "লেখালেখি ছেড়ে জ্ঞানচর্চায় মন দাও, কেননা লেখালেখিতে শেষ পর্যন্ত তুমি তোমার শুয়েখের পদে পৌঁছতে পারবে, আর তিনি তো 'কিতাবের ফকিহ' (কিতাবি ফকিহ)! আল্লাহর নসিহত তাকে উপকৃত করল, এবং তিনি তখন জ্ঞানচর্চায় মন দিলেন।"

৬৮. হাম্বলিদের শেখ ইবনে কুন্দুস (রহ.) (মৃ. ৮৬১ হি.) - তিনি পিতার মতো তাঁতের কাজ করতেন। অল্প সময়ে কুরআন মুখস্থ করেন, পিতাকে তাঁতের কাজে সহায়তা করতে থাকেন। অতঃপর 'আল-মুকনি', উসূলে 'আত-তুফি' এবং 'আলফিয়াতুন নাহও' (ইবনে মালিকের) মুখস্থ করেন।

৬৯. ভাষাবিদ ও ফকিহ মুহাম্মাদ ইবনে মুবারাক আল-কুস্তুনতিনি (রহ.) (মৃ. ৮৬৮ হি.)

৭০. শাফেয়ি ফকিহ ইবনুল ফুল্লাতি (রহ.) (মৃ. ৮৭০ হি.)

৭১. কাযি ইবনুল জালিস আল-হাম্বালি (রহ.) (মৃ. ৮৯৪ হি.) - শুরুতে ব্যবসা করতেন, পরে জ্ঞান ভালোবাসেন এবং 'মুখতাসার আল-খিরাকি' মুখস্থ করেন।

৭২. আহমাদ ইবনে জাকারি আত-তিলিমসানি (রহ.) (মৃ. ৮৯৯ হি.) - তিনি তাঁতি ছিলেন। তার শুয়েখ ইবনে জাগু তাকে বুনন করার জন্য কিছু সুতা দিলেন এবং বললেন: "তোমার মতো লোক তাঁতের কাজ নয়, জ্ঞানচর্চা করা উচিত।" অতঃপর ইবনে জাগু তার মায়ের কাছে গিয়ে তাকে উৎসাহ দেন যে পুত্র জ্ঞান অন্বেষণ করুক। আল্লাহ তার নসিহত দ্বারা উপকৃত করলেন।

৭৩. আব্দুল কাদির আল-আব্বার (রহ.) (মৃ. ৯১৪ হি.) - তিনি সূঁচ বানাতেন, পরে জ্ঞানচর্চা শুরু করেন এবং তার অন্বেষণে ভ্রমণ করেন। তার ছাত্রদের মধ্যে সাখাওয়ি অন্যতম।

৭৪. ওয়ায়েজ ও মুহাদ্দিস ইবনুল কাইয়্যাল আশ-শাফেয়ি (রহ.) (মৃ. ৯২৯ হি.) - তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। অতঃপর তার ওপর ঋণের চাপ পড়ে, তখন জ্ঞান ও আলেমদের সাথে লেগে যান।

৭৫. আহমাদ ইবনে সুলায়মান ইবনে কামাল পাশা (রহ.) (মৃ. ৯৪০ হি.)

৭৬. মাখলুফ আল-বালবালি (রহ.) (মৃ. ৯৪১ হি.) - তিনি ব্যবসা ছেড়ে 'বুখারি' মুখস্থ করেন।

৭৭. মুহিব্বুদ্দীন ইবনুজ যারখুনি (রহ.) (মৃ. ৯৬৪ হি.)

৭৮. তুর্কি মুফাসসির ও ফকিহ দাদাহ খলিফাহ (রহ.) (মৃ. ৯৭৩ হি.)

৭৯. দারবিশ আল-আর্তুকি আদ-দিমাশকি আল-হানাফি (রহ.) (মৃ. ১০১৪ হি.)

৮০. মুহাম্মাদ ইবনে আতিক আল-হিমসি আশ-শাফেয়ি (রহ.) (মৃ. ১০৮৮ হি.)

৮১. মুহাম্মাদ মির্জা আস-সারুজি (রহ.) (মৃ. ১০৮৮ হি.) - তিনি জিন বেচতেন, পরে আলেম হন।

৮২. উসমান ইবনে হামুদা আশ-শাফেয়ি (রহ.) (মৃ. ১১২০ হি.)

৮৩. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ কাম্মুন (রহ.) (মৃ. ১১৭৩ হি.) - তার প্রথম জীবন ছিল মাছ ধরা। অতঃপর বৃদ্ধ বয়সে আল্লাহ তাকে জ্ঞান দান করেন।

৮৪. শেখ আলী ইবনে মুহাম্মাদ তামিশ আস-সানআনি (রহ.) (মৃ. ১১৮৯ হি.) - শুরুতে ব্যবসা করতেন, পরে তার সম্পদে ক্ষতি হয়, ফলে জ্ঞানার্জনে মন দেন।

৮৫. আল-মুখতার ইবনে বুন আল-জাকানি (রহ.) (মৃ. ১২০০ হি. পর)

৮৬. আব্দুল্লাহ ইবনে ফায়িয আবা আল-খাইল (রহ.) (মৃ. ১২৫১ হি.) - ত্রিশ বছর বয়সের পর জ্ঞান অন্বেষণ শুরু করেন।

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান দান করুন।

08/05/2026

এটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই যে কিছু কিছু মহিলা মাদ্রাসার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল, যা অবশ্যই সংস্কার ও সংশোধন করতে হবে।

কিন্তু মাদ্রাসায় কিছু একটা ঘটলে যারা হয় হামেশাই আওয়াজ তুলে যে মহিলা মাদ্রাসা বা কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দিতে হবে তারা কি এখন বলবেন যে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা অথবা অন্তত কুয়েটকে বন্ধ করে দিতে হবে?!
এটা তো কোন কালই আওয়াজ উঠবে না কিন্তু দেখেন কুয়েটে এত বড় একটা ঘটনা ঘটলো অথচ মিডিয়াপাড়ায় কোনরকম হইচই নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হলো সাময়িক বরখাস্ত! কোন মামলা হামলা রিমান্ড কিচ্ছু নেই শুধুমাত্র সাময়িক বরখাস্ত!
আর মাদ্রাসায় একটা কিছু ঘটলেই সারা বাংলাদেশের মিডিয়া পাড়াতে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়! ভাবটা এমন যে মহিলা মাদ্রাসায় যতসব অনৈতিক কাজ হয় আর স্কুল কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা সব ভার্জিন থাকে!

অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই করতে হবে কিন্তু সেটা যদি হয় একপাক্ষিক, সেটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

মহান আল্লাহর কাছে তাওফীক চাই।
06/05/2026

মহান আল্লাহর কাছে তাওফীক চাই।

ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন, গতকাল রংপুরের শাপলা সিনেমা হলের তৃতীয় তলার ৮ রুম থেকে ৩৬ জন স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী ছেলেমেয়ে আট...
21/04/2026

ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন, গতকাল রংপুরের শাপলা সিনেমা হলের তৃতীয় তলার ৮ রুম থেকে ৩৬ জন স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী ছেলেমেয়ে আটক হয়েছে। মানে এক রুমে কয়জন করে লুডু খেলে রে ভাই! হয়তো শিফট আকারে, যাই হোক...

৩৬ জনের মধ্যে একক এলাকা হিসেবে নাকি মিঠাপুকুর উপজেলার ছেলে-মেয়ে সবচেয়ে বেশি। মিঠাপুকুর, গ্যেস হোয়াট? বেগম রোকেয়ার জন্ম স্থান।

যে বেগম রোকেয়া নারীদেরকে ঘর থেকে বের হওয়া শিখিয়েছেন, তারই শিষ্যরা আজ গাদাগাদি করে হলেও ছোট ছোট ৮ রুমে ৩৬ জন মিলে বন্দী হতে চায়! আহ বেগম রোকেয়া। এ আমাদের লজ্জা...
-মাগফিরাত

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাকে দ্বীনের একজন মুখলিস খাদেম হিসেবে কবুল করুন।
14/04/2026

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাকে দ্বীনের একজন মুখলিস খাদেম হিসেবে কবুল করুন।

একটা বাক্য কতটা শক্তিশালী আর বিপদজনক হতে পারে সেটা আপনি নিচের ঘটনাটা পড়লে বুঝতে পারবেন! মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্য...
12/04/2026

একটা বাক্য কতটা শক্তিশালী আর বিপদজনক হতে পারে সেটা আপনি নিচের ঘটনাটা পড়লে বুঝতে পারবেন!

মা'ফ করব না... ভাইয়ের উদ্দেশ্যে বোন।

যারা বোনের হক মেরে খেয়েছেন। অথবা যারা খাওয়ার ইচ্ছা আছে তারা ছবিটা একবার দয়া করে দেখবেন।

৭৫ বছর বয়সে বড় বোন যখন মৃ'ত্যুশয্যায় তখন তিন ভাই মিলে এসে বোনের কাছে মাফ চেয়েছে। এর আগের দীর্ঘ একুশ বছর তাদের ভেতরে কোন কথা হয়নি। ঝামেলা হয়েছে সম্পত্তি নিয়ে। স্থানীয়ভাবে যতটুকু শোনা গেছে ওই তিন ভাই আসলেই ওই বোনের প্রতি অবিচার করেছে। প্রাপ্য যে সম্পত্তি ছিল সেটা দেয়নি। বোনকে দিতে চেয়েছিল বাড়ির পুকুরের ভেতরে, তাও সেটা ন্যায্য অংশ নয়। এই কারণে বোন রাগ করে কোন সম্পত্তি আর নেয়নি।

বোনের যখন অবস্থা খারাপ তখন তিন ভাই একসাথে মিলে এসে বোনের কাছে মাপ চেয়েছে। বলে রাখা ভালো উনাদের বংশগত এজমার সমস্যা রয়েছে। তাদের পরিবারের সবাই মৃত্যুর আগে এরকম শ্বাসকষ্ট হয়। এখন বোনের যখন এই অবস্থা তিন ভাই মিলে এসে মাফ চেয়েছে বোন অক্সিজেন মাস্ক পরা অবস্থায় কাগজে লিখে দিয়েছে," মাফ করব না।"

এই দুনিয়াতে লেখাটা হয়তোবা তিন শব্দের মনে হতে পারে। সৃষ্টিকর্তার কাছে এই তিন শব্দ তিন দুনিয়ার ওজনের চাইতেও বেশি মনে রাখবেন।

তাই বোনের হক মারবেন না। যেখান দিয়ে যতটুকু পায় তার ন্যায্য হোক তাকে জীবিত থাকতে বুঝিয়ে দেবেন।

📌 বিয়ের আগে সব কিছু অন্য কাউকে দিয়ে দিলে,স্বামীর জন্য কি থাকে?▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞আমাদের সমাজে একটি ছেলে যখন বিয়ের সিদ্ধ...
10/04/2026

📌 বিয়ের আগে সব কিছু অন্য কাউকে দিয়ে দিলে,
স্বামীর জন্য কি থাকে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আমাদের সমাজে একটি ছেলে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সে শুধু একজন মানুষকে ঘরে আনে না; সে তার জীবনের স্বপ্ন, বিশ্বাস, ভবিষ্যৎ এবং আবেগ একজনের হাতে তুলে দেয়। বছরের পর বছর পরিশ্রম করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে, পরিবার গড়ার মতো মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি নেয় — কারণ সে চায় তার জীবনের বিশেষ মানুষটির সাথে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে।

বিয়ের সৌন্দর্য আসলে এখানেই—দু’জন মানুষ একে অপরের জীবনে নতুন অধ্যায় হয়ে আসবে। একে অপরের জন্য কিছু অমলিন অনুভূতি, একান্ত ভালোবাসা এবং বিশেষত্ব থাকবে।

কিন্তু প্রশ্নটা তখনই আসে, যখন জানা যায়—বিয়ের আগেই কেউ নিজের আবেগ, বিশ্বাস, এমনকি শরীরের ঘনিষ্ঠতাও অন্য কারো কাছে সম্পূর্ণভাবে বিলিয়ে দিয়েছে। স্বামীর চাওয়া পরম সম্পদগুলো যখন- (স্ত্রী তার নিজের শরীর ও প্রথম ভালোবাসা, আবেগ সবই উজাড় করে দিয়েছে অন্য কাওকে! এটা কিভাবে একজন স্বামী মেনে নিবে! সে তো কখনই প্রথম ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ- বাচ্চামি, পাগলামি, ভালোবাসা, আবেগ, শরীরের প্রতি টান, মানসিক শান্তি কিছুই পাবে না, কিছুই না।

তখন স্বাভাবিকভাবেই একজন স্বামীর মনে প্রশ্ন জাগে —
“আমার জন্য নতুন কি রইলো? আমি কি শুধু দায়িত্ব নেওয়ার মানুষ, নাকি বিশেষ হওয়ার জায়গাটাও আমার আছে?”

বিষয়টি শুধু শারীরিক নয়, এটি গভীরভাবে মানসিক। একজন মানুষ চায় তার দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত হোক একান্ততা ও পারস্পরিক সংরক্ষণে। বিয়ে মানে শুধু সামাজিক স্বীকৃতি নয়; এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে দু’জন মানুষ মনে করে — আমি তোমার কাছে বিশেষ, এবং তুমি আমার কাছে অনন্য।

যখন সেই একান্ত অনুভূতির জায়গাটি আগে অন্য কারো সাথে ভাগ হয়ে যায়, তখন অনেকের কাছে সম্পর্কের আবেগগত মূল্য কমে যায়। কারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই চায় তার জীবনসঙ্গীর কাছে সে হোক প্রথম অগ্রাধিকার, প্রথম বিশ্বাস, প্রথম গভীর সংযোগ।

এখানে মূল কথা কাউকে অপমান করা নয়, বরং একটি বাস্তব অনুভূতি তুলে ধরা—বিয়ে শুধু দায়িত্ব ভাগাভাগি নয়; এটি নিজেকে সংরক্ষণ করে একজন মানুষের জন্য রেখে দেওয়ার এক ধরনের মানসিক অঙ্গীকারও।

যেমন একটি ছেলে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে সময় দেয়, নিজেকে প্রস্তুত রাখে তার স্ত্রীর জন্য– তেমনি অনেকেই আশা করে তার জীবনসঙ্গীও আবেগ, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিগত সীমার ক্ষেত্রে একই সম্মান বজায় রাখবে।
কারণ, শেষ পর্যন্ত সংসার টিকে থাকে শুধু ভালোবাসায় নয়, বিশেষ হওয়ার অনুভূতিতে। যেখানে দু’জনই মনে করে—“আমি তোমার জীবনে শুধু একজন নই, আমি তোমার জন্য সংরক্ষিত একজন।”

📌 বিয়ের আগে সব কিছু অন্য কাউকে দিয়ে দিলে,
স্ত্রী’র জন্য কী থাকে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
একটি মেয়ে বিয়ে করে স্বপ্ন নিয়ে — সে চায় তার স্বামী হোক তার জীবনের প্রথম অগ্রাধিকার, প্রথম বিশ্বাস, প্রথম গভীর টান।

কিন্তু যখন জানতে পারে, বিয়ের আগেই স্বামী তার আবেগ, মানসিক সমর্পণ এমনকি শরীরের ঘনিষ্ঠতা সবটুকু অন্য কাউকে দিয়ে ফেলেছে, তখন স্ত্রীর মনে প্রশ্ন জাগে,

“আমার জন্য নতুন কী রইল?”

স্ত্রী চান না তিনি হন শুধু আইনগত সঙ্গী, গৃহস্থালির অংশীদার। তিনি চান হোন অনন্য, চান স্বামীর কাছে সেই মানুষ যার জন্য তিনি নিজেকে সংরক্ষিত রেখেছিলেন। কিন্তু স্বামী তার শরীর ও প্রথম ভালোবাসা, আবেগ সবই দিয়ে দিয়েছে অন্য জনকে! এটা কিভাবে একজন স্ত্রী মেনে নিবে! সে তো কখনই প্রথম ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ- বাচ্চামি, পাগলামি, ভালোবাসা, আবেগ, শরীরের প্রতি টান, মানসিক শান্তি কিছুই পাবে না।

যখন স্বামী আগেই সব দিয়ে ফেলে, তখন স্ত্রীর হাতে আসে শুধু—
—দায়িত্বের বোঝা,
—অতীতের ছায়া,
—আর ‘পরে আসা’ হওয়ার হতাশা।

বিয়ে টিকে থাকে বিশেষত্বে। আর সেই বিশেষত্বের জায়গা যদি আগেই অন্য কেউ নিয়ে নেয়, তাহলে স্ত্রীর জন্য কী থাকে আমৃত্যু হতাশা, কষ্টে বুকটা ফেটে যাওয়া।

শুধু একটা শূন্যতা — “আমি কি কারও সম্পূর্ণ ছিলাম না?”

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কবূল করুন।
09/04/2026

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কবূল করুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জীবনঘনিষ্ঠ প্রশ্নোত্তর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share