Islamic Chapter of MIST 2.0

Islamic Chapter of MIST 2.0 ICM (Islamic Chapter of MIST) is a non-profit, non-political community originally founded by a group of students of MIST.

The main goal of this page is to spread the message of Almighy Allah and Prophet Mohammad (صلى الله عليه وسلم) to everyone

21/04/2026

ইউনিভার্সিটিতে ফ্লাসমব প্রসঙ্গ: কিস্তি তুলে ডিভোর্স?

একটা জিনিস আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ — পার্সপেক্টিভ।

কলেজে থাকতে আমাদের সেকশনে একটা ছেলে ছিল। দুষ্টামি, ফাইজলামি—এইসব ছিল তার নিত্যসঙ্গী। মেয়েদের সাথে ফ্লার্ট করার একটা আলাদা দক্ষতা ছিল ওর মধ্যে। একদিন এক স্যার তাকে বললেন,
“তোমার পার্টনারও কিন্তু তোমার মতোই হবে।”

ছেলেটার উত্তরটা আজও মাথায় গেঁথে আছে—
“জি স্যার, নাহলে তো খেলে মজা পাওয়া যাবে না।”

সেদিন হয়তো আমরা হেসেছিলাম। কিন্তু এখন বুঝি, কথাটা কত গভীর।

আপনি যেমন—আপনার জীবনসঙ্গীও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তেমনই হবে।

আপনি যদি এমন হন, যে ১০-১২ জন মেয়েবন্ধুর সাথে ঘোরাঘুরি, আড্ডা, ফ্রি মিক্সিং—এগুলো আপনার লাইফস্টাইলের অংশ; “জাস্ট ফ্রেন্ড” এর নামে সীমা অতিক্রম করাও স্বাভাবিক মনে হয়—
তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি এমন একজনকেই জীবনে পাবেন, যার ব্যাকগ্রাউন্ড এই দিক থেকে আপনার চেয়েও শক্ত।

তারপর একদিন দেখবেন—
আপনার স্ত্রী অন্য একজন পুরুষের সাথে হেসে কথা বলছে,
ইউনিভার্সিটিতে সবার সামনে নাচছে, কাপল ডান্স করছে—
কিন্তু আপনার ভেতরে কিছুই নড়ছে না।

আপনার কাছে এটা খারাপ লাগছে না।

তখন যেকোনো গায়রতবান পুরুষ আপনাকে বলবে—সমস্যাটা আপনার পুরুষত্বে।
আর পুরুষত্ব মানে শুধু ঐটা ভাবলে ভুল করবেন—পুরুষত্ব মানে হলো গায়রত।

যেটা সাহাবীদের ছিল।

এক সাহাবি এসে বললেন,
“হে আল্লাহর রাসূল, আমার স্ত্রীর দিকে অন্য পুরুষের তাকানোও সহ্য করতে পারি না।”
রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন,
“তুমি কি আশ্চর্য হচ্ছ? আমি তোমার থেকেও বেশি গায়রত রাখি।”

আরেকটি ঘটনা—
মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উটটি জবেহ কেন করলেন?

আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন। তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না।

একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!
আর আমরা?

আজ আমরা স্ত্রীকে নিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, হাসি-তামাশা করি।
বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের স্ত্রী দেখাই, পরে শুনি—“মেয়েটা কেমন রে?”
বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর তাকে নিজের স্ত্রী করি।

এটাই নাকি এখনকার “ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড”।

হাহা…

একই কথা নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আপনি কিসের স্বামী? আপনি কিসের প্রেমিক? আপনি কিসের স্ত্রী?

যে মানুষটা শুধুমাত্র আপনার হওয়ার কথা—
সে যদি সবার সামনে নিজেকে বিলিয়ে দেয়,
তাহলে আপনার জন্য কী থাকে?

আফসোস… এই দাইয়ুসদের জন্য।

কুরআনে বলা হয়েছে—
“ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিণী অথবা মুশরিক নারীকে ছাড়া বিয়ে করবে না,
আর ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক ছাড়া বিয়ে করবে না।
এটা মুমিনদের উপর হারাম করা হয়েছে।” (সূরা আন-নূর: ০৩)

ইউনিভার্সিটিতে ফ্লাসমব করেন—ভালো কথা।
কিন্তু অন্তত গুনাহকে গুনাহ হিসেবে স্বীকার করুন।

আজকাল এমন এক সময় এসেছে—
মানুষ গুনাহ করে, আবার সেটা নিয়ে অহংকারও করে।

এখন আবার নতুন একটা ট্রেন্ড এসেছে—
শোনা যায়,
“ফ্লাসমব করা মেয়েদের বিয়ে করার সামর্থ্য কোনো পুরুষের নেই!”
“তাদের বয়ফ্রেন্ড ইউরোপ-আমেরিকায় থাকে!”

বিষয়টা এতটাই হাস্যকর যে মনে হয়—
সব গায়রতহীন ছেলেই বুঝি টাকাওয়ালা,
সব বেহায়া মেয়েদের বাবাই বুঝি কোটিপতি,

আর দীনদার, তাকওয়াবান ছেলেরা মনে হয় রাস্তার ফকির!
বাস্তবতা কি আসলেই এমন?
নাকি আমরা নিজের কাজকে জাস্টিফাই করার জন্য এসব গল্প বানিয়ে স্বান্ত্বনা নিই?

শেষ পর্যন্ত কিন্তু ভাই এই চাকচিক্য থাকবে না,
এই গ্ল্যামার থাকবে না।

থেকে যাবে—
এই যৌবনে করা কাজগুলো,
এই পাপগুলো।

আর তখন আফসোস হবে—
“যদি একটু সংযত হতাম…”
“যদি জীবনটা একটু ভেবে চলতাম…”

©️

13/04/2026

প্রতি বছর চৈত্রের শেষ ও বৈশাখের শুরুতে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা, মেলা, গান-বাজনা ও রঙিন আয়োজনে ভরপুর এই দিনটিকে অনেকে নিছক সংস্কৃতির অংশ মনে করেন। কিন্তু একজন মুসলিমের জন্য প্রশ্ন হলো — ইসলাম কি এই উদযাপনকে অনুমোদন করে? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এর উৎস, প্রকৃতি ও বিধান কী?
এই লেখাটি কোনো মানুষকে ছোট করার জন্য নয়, বরং একজন মুসলিম ভাই ও বোনকে ভালোবেসে সত্য জানানোর সৎ প্রচেষ্টা। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে হেদায়েতের উপর অবিচল রাখুন।

ঐতিহাসিক পটভূমি
পহেলা বৈশাখের উৎস কোথায়?
পহেলা বৈশাখ মূলত মোগল সম্রাট আকবরের আমলে প্রবর্তিত বাংলা সনের প্রথম দিন। তখন এটি ছিল কৃষি-নির্ভর খাজনা আদায়ের একটি প্রশাসনিক উপলক্ষ। পরবর্তীতে ব্রিটিশ যুগে ও বিশেষত ১৯৬০-এর দশকে এটি পূর্ণ একটি সাংস্কৃতিক উৎসবের রূপ নেয়।
বর্তমান কালের মঙ্গল শোভাযাত্রায় হিন্দু পৌরাণিক প্রতীক — পেঁচা (লক্ষ্মীর বাহন), মাছ, বাঘের মুখোশ, ময়ূর — এসব ব্যবহার করা হয়, যা স্পষ্টতই অন্য ধর্মের আচার থেকে নেওয়া। ইউনেস্কো ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে 'সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, একজন মুসলিমের কাছে কোনো কিছু গ্রহণের মানদণ্ড হলো কুরআন ও সুন্নাহ — ইউনেস্কো নয়।

প্রথম দলিল — কুরআনুল কারিম
কুরআন কী বলে?

সূরা আল-ফুরকান (২৫:৭২)
وَالَّذِينَ لَا يَشْهَدونَ الزُّورَ وَإِذَا مَرُّوا بِاللَّغْوِ مَرُّوا كِرَامًا
"এবং যারা মিথ্যা ও অর্থহীন কাজে উপস্থিত থাকে না, আর যখন অর্থহীন কাজের পাশ দিয়ে যায়, তখন সম্মানের সাথে পাশ কেটে যায়।"
অধিকাংশ মুফাসসির বলেছেন, এখানে 'الزُّور' (জুর) মানে হলো মুশরিকদের উৎসব ও অনুষ্ঠানসমূহ। এটি রাহমানের বান্দাদের বিশেষ গুণ হিসেবে আল্লাহ উল্লেখ করেছেন — তারা এমন অনুষ্ঠানে যায় না।

সূরা আল-মায়িদা (৫:৫১)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ
"হে মুমিনগণ! ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।"
এই আয়াতের মূল শিক্ষা হলো — কাফির ও মুশরিকদের ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুকরণ করা থেকে মুসলিমরা দূরে থাকবে। পহেলা বৈশাখের অনেক আচার হিন্দু সংস্কৃতি থেকে নেওয়া — যা এই নির্দেশের পরিপন্থী।

সূরা আল-আনআম (৬:১৫৩)
وَأَنَّ هَٰذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ ۔ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَن سَبِيلِهِ
"এটাই আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা এই পথে চলো এবং অন্য পথে চলো না, কারণ সে পথগুলো তোমাদের তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে।"
আল্লাহর নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্যদের উৎসব ও জীবনধারা অনুসরণ করা সিরাতুল মুস্তাকিম থেকে বিচ্যুতির কারণ।

দ্বিতীয় দলিল — সুন্নাহ
রাসূলুল্লাহ ﷺ কী বলেছেন?

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪০৩১ (সহিহ)
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمِ فَهُوَ مِنْهُمْ
"যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য গ্রহণ করে, সে তাদেরই একজন।"

এই হাদিসটি ইসলামের মূল নীতি স্থির করে দেয়। মুশরিক বা হিন্দু সংস্কৃতির বিশেষ উৎসব পালন করা, তাদের পোশাক ও আচার অনুকরণ করা — এসবই এই হাদিসের আওতায় পড়ে।

সহিহ বুখারি ও মুসলিম
إِنَّ لِكُلِّ قَوْمِ عِيدًا وَإِنَّ هَذَا عِيدُنَا
"প্রত্যেক জাতির নিজস্ব উৎসব আছে, আর এটি (ঈদ) হলো আমাদের উৎসব।"
মদিনায় হিজরতের পর রাসূল ﷺ দেখলেন সাহাবারা দুটো জাহেলি উৎসব পালন করছেন। তিনি বললেন — আল্লাহ এর পরিবর্তে তোমাদের দুটো উত্তম দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা। এটি প্রমাণ করে মুসলিমদের উৎসব নির্দিষ্ট — অতিরিক্ত উৎসব তৈরি করা বা পালন করা বৈধ নয়।

সহিহ বুখারি (হাদিস নং ৩৪৫৬) — আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. বর্ণিত
لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ شِبْرًا بِشِبْرْ وَذِرَاعًا بِذِرَاعْ
"তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ অনুসরণ করবে, বিঘত বিঘত, হাত হাত করে।"

এটি রাসূল ﷺ-এর ভবিষ্যদ্বাণী এবং সতর্কবার্তা — অমুসলিমদের সংস্কৃতি অন্ধভাবে অনুকরণ করার বিপদ সম্পর্কে। আজকের বাস্তবতায় এই ভবিষ্যদ্বাণী যেন হুবহু মিলে যায়।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত মুখোশ, পশুর প্রতিকৃতি ও হিন্দু পৌরাণিক প্রতীকগুলো এককথায় মুশরিক আচারের সাথে সম্পৃক্ত। 'মঙ্গল' শব্দটি নিজেই হিন্দু বিশ্বাসে মঙ্গলগ্রহ ও মঙ্গলময়তার ধারণা থেকে নেওয়া।
● প্রাণীর ভাস্কর্য ও মূর্তি তৈরিতে অংশ নেওয়া — রাসূল ﷺ মূর্তি নির্মাতাদের সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
● 'মঙ্গল' কামনার জন্য যে আচার — এটি আল্লাহ ছাড়া অন্য শক্তির কাছে কল্যাণ প্রার্থনার ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট।
● হালাল-হারাম মিশ্রিত পরিবেশে থাকলে গুনাহের শরিক হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
● মেলায় বেপর্দা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, সংগীত ও মদ্যপান — এগুলো সুস্পষ্ট হারাম পরিবেশ তৈরি করে।

তৃতীয় স্তম্ভ — আলেমদের মতামত
বিদ্বান আলেমগণ কী বলেছেন?

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. (মৃ. ৭২৮ হি.)
তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'ইকতিযাউস সিরাতিল মুস্তাকিম'-এ তিনি বিস্তারিত প্রমাণ করেছেন যে, কাফিরদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা, তাদের বিশেষ দিনগুলো পালন করা এবং সেই উপলক্ষে তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করা — মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ। তিনি বলেন: 'যে ব্যক্তি তাদের উৎসব পালন করে, সে যেন কুফরকে সম্মান দেখাল।'

ইমাম ইবনুল কাইয়িম আল-জাওযিয়্যা রহ. (মৃ. ৭৫১ হি.)
'আহকামু আহলিদ যিম্মাহ' গ্রন্থে তিনি লিখেছেন: কাফিরদের উৎসবে মুসলিমদের উপস্থিত হওয়া, তাদের সাথে আনন্দে শরিক হওয়া এবং তাদের উৎসবের পোশাক পরা — এটি সালফে সালেহিনের কাছে চরম অপছন্দনীয় ছিল এবং তাঁরা এটিকে কুফরির দিকে নিয়ে যাওয়ার পথ বলে গণ্য করতেন।

শাইখ ইউসুফ আল-কারযাভী রহ. (মৃ. ২০২২)
'আল-হালাল ওয়াল হারাম ফিল ইসলাম' গ্রন্থে তিনি স্পষ্ট বলেছেন: অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে যোগ দেওয়া, সেখানে আনন্দ প্রকাশ করা বা উপহার আদান-প্রদান করা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয়। পহেলা বৈশাখের বর্তমান রূপ ইসলামি শর্ত পূরণ করে না।

মুফতি তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহ (বর্তমান)
তিনি বলেন: হিন্দু ও অন্য ধর্মের উৎসবে অংশগ্রহণ করা মুসলিমের জন্য জায়েজ নেই, বিশেষত যখন সে উৎসবে মূর্তি, পৌরাণিক প্রতীক বা হারাম বিনোদন থাকে। 'মেলায় যাওয়া' বলে নিছক সংস্কৃতির দোহাই দেওয়া যথেষ্ট নয় — কারণ মুসলিমের সংস্কৃতি নির্ধারণ করে ইসলাম।

আপনার জন্মের আগেই আল্লাহ আপনাকে মুসলিম করে পাঠিয়েছেন — এটি কত বড় নেয়ামত, কত বড় সম্মান। একজন মুসলিমের পরিচয় শুধু নামে নয়, তার জীবনযাপনে, তার উৎসবে, তার পোশাকে — সবকিছুতে ইসলাম ঝলমল করে ওঠে।

আপনি হয়তো ভাবছেন — সবাই যায়, আমিও যাব। কিন্তু কিয়ামতের দিন 'সবাই করেছে' এই কথা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সেদিন প্রতিটি মানুষ একা দাঁড়াবে। আপনার ঈমান, আপনার আমল — সেটাই আপনার পরিচয়।

বাঙালি হওয়া ও মুসলিম হওয়া — দুটোই আল্লাহর দান। কিন্তু যখন দুটো পরিচয় সংঘর্ষে পড়ে, একজন মুমিন জানে কোনটি আগে — আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাবান সে, যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াওয়ালা।

আপনার সন্তান আপনাকে দেখে শিখছে। আপনি যদি আজ তাকে মঙ্গল শোভাযাত্রায় নিয়ে যান, মুখোশ পরান, হারামের মেলায় নিয়ে যান — তাহলে সে কি ইসলামকে তার জীবনের কেন্দ্রে রাখতে শিখবে? আগামী প্রজন্মের দায়িত্ব আপনার কাঁধে।

এই একটি দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মেলায় না যাওয়াটা কি খুব কঠিন? একটু অস্বস্তি হয়তো হবে, বন্ধুরা হয়তো হাসবে — কিন্তু আল্লাহ দেখছেন। তিনি জানেন তাঁর জন্য আপনি কী ছেড়ে দিলেন। এই ত্যাগের মূল্য তিনি দেবেন — দুনিয়ায় নয়তো আখিরাতে।

মুসলিম কী করতে পারে?
● বাংলা নববর্ষের দিনে বেশি বেশি দোয়া করুন — আল্লাহর কাছে নতুন বছরের কল্যাণ, সুস্বাস্থ্য ও রিজিকের ফিকির করুন।
● পরিবারের সাথে সময় কাটান, আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ করুন — সিলাতুর রাহিম পালন করুন।
● হালাল উপায়ে বাংলাদেশি খাবার রান্না করুন, ঘরে আনন্দ করুন — ইসলামি পরিবেশে।
● ইসলামি বইমেলা, দারসুল কুরআন বা জ্ঞানচর্চার কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিন।
● গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করুন — নববর্ষকে দানের মাধ্যমে স্মরণীয় করুন।

পহেলা বৈশাখ উদযাপনে অংশ নেওয়া — বিশেষত মঙ্গল শোভাযাত্রা, মেলার হারাম পরিবেশ ও অমুসলিম আচার অনুকরণ — কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিমের জন্য বৈধ নয়। এটি সংস্কৃতির মোড়কে আসলেও, ইসলামের মানদণ্ডে বিচার করতে হবে। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, হেদায়েত দিন এবং সিরাতুল মুস্তাকিমের উপর অবিচল রাখুন।
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۔ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
"হে আমাদের রব! আপনি হিদায়াত দেওয়ার পরে আমাদের অন্তরকে বাঁকা করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহান দাতা।" (সূরা আল-ইমরান: ৮)

বর্তমান সময়ে “কালার ফেস্ট” বা হোলি খেলা অনেক মুসলিম তরুণদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। চারপাশে আনন্দ, রঙ, গান—সবকিছু মি...
06/04/2026

বর্তমান সময়ে “কালার ফেস্ট” বা হোলি খেলা অনেক মুসলিম তরুণদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। চারপাশে আনন্দ, রঙ, গান—সবকিছু মিলিয়ে এটাকে harmless fun মনে হতে পারে।

বিশেষ করে বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের MIST-এ ফাইনাল ইয়ার ফেয়ারওয়েলের অংশ হিসেবে এই “Color Fest” আয়োজন করা হয়—যা অনেকের কাছেই স্মরণীয় একটা মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

কিন্তু একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আমাদের একটু থেমে ভাবা দরকার—
সব আনন্দই কি হালাল?

কেনো কালার ফেস্ট/হোলি মুসলিমদের জন্য পরিত্যাজ্য:

১. অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব অনুসরণ
হোলি মূলত হিন্দুদের একটি ধর্মীয় উৎসব। ইসলামে অন্য ধর্মের ধর্মীয় রীতিনীতি অনুকরণ করা নিষিদ্ধ। রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে যে জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।”

২. পর্দা লঙ্ঘন ও ফ্রি-মিক্সিং
এই ধরনের উৎসবে ছেলে-মেয়েদের অবাধ মেলামেশা হয়, যা ইসলামে হারাম। বিশেষ করে নন-মাহরামদের সাথে স্পর্শ, হাসি-ঠাট্টা—সবই গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।

⚠️ এই বিষয়ে একটি কঠোর হাদিস রয়েছে:
“তোমাদের কারো মাথায় লোহার পেরেক গেঁথে দেয়া—তার জন্য এর চেয়েও হালকা, যে সে কোনো নন-মাহরাম নারীকে স্পর্শ করে।”
(তাবারানি)

৩. অশ্লীলতা ও গানের পরিবেশ
এইসব ইভেন্টে প্রায়ই গান-বাজনা, নাচ এবং বেহায়াপনার পরিবেশ তৈরি হয়—যা ইসলামের আদর্শের পরিপন্থী।

৪. স্বাতন্ত্র্য হারানো (Loss of Islamic Identity)
একজন মুসলিমের নিজস্ব পরিচয় আছে। অন্য ধর্মের উৎসবকে নিজের সংস্কৃতি বানিয়ে নেওয়া সেই পরিচয়কে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

আমাদের করণীয় কী?
আমরা এমন আনন্দ খুঁজবো যা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম হবে। ঈদ, ইসলামিক মাহফিল, হালাল বিনোদন—এসবই আমাদের জন্য যথেষ্ট।

👉 মনে রাখি, দুনিয়ার সাময়িক আনন্দের জন্য আখিরাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দিন।
আমিন 🤍

MIST তে ফাইনাল ইয়ারের ফেয়ারওয়েলকে কেন্দ্র করে “রং খেলা/কালার ফেস্ট” আর “ক্যাম্পাস আওয়ার কনসার্ট”—চারদিকে উৎসবের আবহ। চার...
06/04/2026

MIST তে ফাইনাল ইয়ারের ফেয়ারওয়েলকে কেন্দ্র করে “রং খেলা/কালার ফেস্ট” আর “ক্যাম্পাস আওয়ার কনসার্ট”—চারদিকে উৎসবের আবহ। চারপাশে হাসি, ছবি, ভিডিও, রিল…

সবকিছু দেখে মনে হয়—
“জীবনটা উপভোগ করাই তো দরকার!”

একটু থেমে নিজেকে প্রশ্ন করি—
আমরা যে আনন্দ খুঁজছি, সেটা কি সত্যিই আমাদের অন্তরকে শান্ত করছে?

আল্লাহ তা’আলা কুরআনে বলেছেন,
"আল্লাহর স্মরণেই কেবল অন্তর প্রশান্ত হয়।" (সূরা রা’দ, আয়াত ২৮)

কিন্তু একটা দৃশ্য কল্পনা করুন—

আপনি কনসার্টে গেলেন।
বন্ধুদের সাথে হাসলেন, ভিডিও করলেন, স্টোরি দিলেন।
রাত শেষে বাসায় ফিরে মনে হলো—“আজকে দিনটা ভালোই ছিল!”

কিন্তু ঠিক তখনই যদি নিজেকে জিজ্ঞেস করেন—
👉 এই আনন্দটা কি সত্যিই আপনার অন্তরকে শান্ত করেছে?
👉 নাকি কিছুক্ষণের উত্তেজনার পর আবার সেই শূন্যতা ফিরে এসেছে?

আল্লাহ তো আগেই বলে দিয়েছেন—
প্রশান্তি কেবল তাঁর স্মরণেই।

তাহলে আমরা কোথায় খুঁজছি?

এরপর আরেকটু গভীরভাবে ভাবুন…

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ইসলামে কোনো খারাপ রীতি চালু করে, সে তার নিজের গুনাহ এবং তার পরে যারা সেই কাজ করবে তাদের সমপরিমাণ গুনাহ বহন করবে—অথচ তাদের গুনাহ থেকে কিছুই কমবে না।”
📖 (সহীহ মুসলিম)

আজকের এই আয়োজন—
যেখানে গান-বাজনা, ফ্রি মিক্সিং, নাচানাচি—
এখানে শুধু অংশ নেওয়াই নয়,

👉 যারা আয়োজন করছে
👉 যারা উৎসাহ দিচ্ছে
👉 যারা ছবি-ভিডিও শেয়ার করছে

প্রত্যেকেই অজান্তেই একটি “গুনাহের চেইন”-এর অংশ হয়ে যাচ্ছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন:
“যে ব্যক্তি কোনো গুনাহের দিকে আহ্বান করে, তার জন্য সেই পাপের সমান গুনাহ রয়েছে—যারা তার অনুসরণ করেছে তাদের গুনাহ থেকে বিন্দুমাত্র কমানো ছাড়াই।”
📖 (সহীহ মুসলিম)

ভাবুন তো—
আপনার একটা স্টোরি… একটা রিল…
কতজনকে এই পরিবেশের দিকে টেনে নিচ্ছে?

আল্লাহ তা’আলা বলেন:
“তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সাহায্য করো না।”
📖 (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)

তাহলে প্রশ্ন আসে—
আমরা কি সত্যিই শুধু “এনজয়” করছি,
নাকি অজান্তেই অন্যদেরও সেই পথে টেনে নিচ্ছি?

❗ অথচ ইসলাম আনন্দকে নিষিদ্ধ করেনি।
হালালভাবে আনন্দ করার অসংখ্য পথ আমাদের জন্য খোলা—

✔️ বন্ধুদের সাথে সুন্দর আড্ডা
✔️ খেলাধুলা
✔️ উপকারী ক্লাব কার্যক্রম

কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন—

❌ গান-বাজনা
❌ ছেলেমেয়ের অবাধ মেলামেশা
❌ পর্দাহীনতা

এইসব জিনিস “নরমাল” হয়ে যায়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক আসবে যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।”
📖 (সহীহ বুখারী)

আর আল্লাহ তা’আলা সতর্ক করেছেন:
“যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়তে ভালোবাসে, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।”
📖 (সূরা আন-নূর: ১৯)

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আমরা হয়তো ভাবি—“একদিনই তো!”

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
এই “একদিন” থেকেই অভ্যাস শুরু হয়…
এই “একদিন” থেকেই হায়া ভাঙে…
এই “একদিন” থেকেই অন্তর ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যায়…

সাময়িক আনন্দ হয়তো পাবেন,
কিন্তু সেই প্রকৃত প্রশান্তি—
যেটা আল্লাহর স্মরণে পাওয়া যায়—
সেটা কি এখানে পাওয়া সম্ভব?

এটা কাউকে ছোট করা নয়,
এটা শুধু নিজের জন্য, আপনার জন্য—একটা আন্তরিক সতর্কতা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের মধ্যে যে কেউ অন্যায় দেখবে, সে যেন তা হাত দিয়ে পরিবর্তন করে; না পারলে মুখ দিয়ে; তাও না পারলে অন্তরে ঘৃণা করে—আর এটিই দুর্বল ঈমান।”
📖 (সহীহ মুসলিম)

চলুন আজ একটা সিদ্ধান্ত নিই—
👉 আমি নিজে হারাম থেকে দূরে থাকবো
👉 কাউকে এতে উৎসাহ দেবো না
👉 অন্তরের প্রশান্তি খুঁজবো আল্লাহর স্মরণে

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন,
সঠিক বুঝ দান করুন,
এবং হালাল পথে থাকার তাওফিক দিন।

আমীন 🤍

02/04/2026

"...মানুষদের ভেতর এমন আছে যারা বলে, হে আমাদের রব, (সব) ভালো জিনিস তুমি আমাদের দুনিয়াতেই দিয়ে দাও, হ্যাঁ, (যারা এ ধরনের কথা বলে) তাদের জন্যে পরকালে আর কোনো পাওনাই (বাকী) থাকে না।"

- সুরাহ আল বাকারা (২:২০০)

আসসলামু আলাইকুম আমি জাকারিয়া সিবলো (EECE 20)। আমার ছোট ভাই মোঃ নকিবুর রহমান নোমান, বয়স আনুমানিক ১৪ বছর, গত ৩১(তারিখ) তা...
02/04/2026

আসসলামু আলাইকুম আমি জাকারিয়া সিবলো (EECE 20)। আমার ছোট ভাই মোঃ নকিবুর রহমান নোমান, বয়স আনুমানিক ১৪ বছর, গত ৩১(তারিখ) তারিখ সকাল আনুমানিক ৬:০০ ঘটিকার সময় মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়।

সে ইসিবি হয়ে মিরপুর-১৪ অবস্থিত জামিউল মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে যায়।

উক্ত সময়ের পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো হদিস পাইনি।

কেও তার সন্ধান পেলে দোয়া করে জানাবেন।
Contact Number 01732630418
01960076604

হালাল সবসময়ইনির্ভয়। নির্বিঘ্ন। নির্মল। নিঃসঙ্কোচ। সচ্ছন্দ। সাবলীল।হারাম সবসময়ইঅপবিত্র। অগোচর। অপাক্তেয়। অযোগ্য। অভব্য।অস...
01/04/2026

হালাল সবসময়ই
নির্ভয়। নির্বিঘ্ন। নির্মল। নিঃসঙ্কোচ। সচ্ছন্দ। সাবলীল।

হারাম সবসময়ই
অপবিত্র। অগোচর। অপাক্তেয়। অযোগ্য। অভব্য।
অসভ্য। অপূর্ণ। অগ্রহনযোগ্য।

DRMC Islamic Cultural Club presents 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival & Book Fair 2026❗Gear up for the intelle...
01/04/2026

DRMC Islamic Cultural Club presents 3rd DRMC National Islamic Cultural Festival & Book Fair 2026❗
Gear up for the intellectual battlefield from 9–11 April.
Till then, don’t miss the ongoing showdown in our submission group for online segments!
Participate, visit, and be part of the biggest Islamic cultural fiesta of the year.

Event page:
https://facebook.com/events/s/3rd-drmc-national-islamic-cult/916318987714286/

Submission based segments' details:
https://www.facebook.com/share/p/1HKYZtpBwQ/



26/03/2026

CZM Documentary | 17 Years Journey of CZM | Center for Zakat Management

🌙 ঈদের ছুটি তো প্রায় শেষ, এবার ফেরার পালা 'Deep Focus'-এ!আশা করি সবার ঈদের ছুটি দারুণ কেটেছে। পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে ...
25/03/2026

🌙 ঈদের ছুটি তো প্রায় শেষ, এবার ফেরার পালা 'Deep Focus'-এ!
আশা করি সবার ঈদের ছুটি দারুণ কেটেছে। পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে আমরা সবাই এখন সতেজ। কিন্তু ছুটির লম্বা বিরতির পর আবার পড়াশোনা বা কাজের সেই পুরনো তাল খুঁজে পাওয়াটা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, তাই না?

ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই নিজের ফোকাস আর প্রোডাক্টিভিটিকে ঝালিয়ে নেওয়ার এটাই সেরা সময়!

মনে আছে MISTian Grand Iftar Mahfil-এর সেই বিশেষ উপহারের কথা? আপনাদের গিফট ব্যাগে থাকা Ononno-র পক্ষ থেকে দেওয়া সেই এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট কুপন বুকমার্কটি ব্যবহার করার এখনই সুযোগ।

🎯 কেন এই কোর্সটি আপনার এই মুহূর্তের জন্য জরুরি?
ছুটির আমেজ কাটিয়ে পুরোদমে পড়াশোনায় মনোযোগ ফেরানো অনেকের জন্যই চ্যালেঞ্জিং। Fahim Abdullah ভাইয়ের এই প্রিমিয়াম মাইক্রো কোর্সটি আপনাকে সাহায্য করবে:

রিচুয়াল সেটআপ: পড়াশোনা বা কাজ শুরুর আগে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার বিশেষ কৌশল।

প্রটোকল ডিজাইন: হাই-পারফরম্যান্স সেশন কীভাবে সাজাতে হয় তার প্র্যাক্টিকাল গাইডলাইন।

২১ দিনের চ্যালেঞ্জ: নিজেকে আরও এফিশিয়েন্ট এবং মনোযোগী করে গড়ে তোলার একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ।

আপনার বুকমার্কে থাকা কুপনটি ব্যবহার করে Special Discount-এ জয়েন করুন এবং ক্যাম্পাস খোলার প্রথম দিন থেকেই নিজেকে একজন 'হাই পারফর্মার' হিসেবে প্রমাণ করুন। 🚀

মনে রাখবেন, এটি কেবল একটি কোর্স নয়; এটি আপনার পারফরম্যান্সকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি মাধ্যম। যারা এখনো কুপনটি ব্যবহার করেননি, দ্রুত করে ফেলুন!

আপনার ফোকাস হোক তীক্ষ্ণ, পথচলা হোক অনন্য।

13/03/2026

রমাদান আমাদের জীবনে কী পরিবর্তন আনতে পারে?

শুধু এক মাস ইবাদত নয়—রমাদান হতে পারে জীবনের নতুন শুরু।

MISTian Grand Iftar Mahfil – Student–Alumni Meetup 2026 অনুষ্ঠানে
শায়খ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক আলোচনা করেছেন—

✨ রমাদানের প্রকৃত গুরুত্ব
✨ নফসকে পরিশুদ্ধ করার পথ
✨ রমাদানকে জীবনের পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা

12/03/2026

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Chapter of MIST 2.0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share