বাঙালির পাঠশালা Bangalir Pathshala

বাঙালির পাঠশালা Bangalir Pathshala Our destination is to build peace through morality.

08/08/2025

ইংরেজিতে যারা খুবই দুর্বল তাদের জন‍্য এই লেখা। আপনি স্টুডেন্ট, চাকরিজীবি, অভিভাবক যাই হোন না কেন—ইংরেজি শেখার ইচ্ছে থাকলে এই কাজগুলো করবেন।

▪️১০ দিনে, ৩০ দিনে, ৩ মাসে ইংরেজি শেখার যতো বই আছে—ফেলে দিন। সিরিয়াসলি বলছি। এগুলো আপনি কিনেন ঠিকই, কিন্তু তিন দিনও ঠিক মতো খুলেও দেখেন না।

▪️স্পোকেন ইংলিশের কোচিং বন্ধ করে দেন। আপনি ভর্তি হন কিন্তু এক সপ্তাহ যাওয়ার পর আর যান না। কিংবা কোচিং-এ গেলেও খুব বেশি লাভ হয়নি আপনার।

▪️আপনার হাতে ফোন আছে। আইপ‍্যাড আছে। বাসায় ইন্টারনেট আছে এখন।

আপনি তো প্রতিদিন নিশ্চয়ই নাটক, সিনেমা, ইউটিউব, ভিডিও, সোশাল মিডিয়া—এগুলোতে অন্তত ৩০ মিনিট সময় দেন। আজ থেকে এই সময়টা দিবেন শুধুমাত্র ইউটিউবে। টানা ৩০ দিন দিবেন।

আজ থেকে আপনি দেখবেন “Blippi”—ইউটিউটবে সার্চ দিলেই পাবেন। আপনি যদি কোনদিনও ইংরেজি না বুঝেন, না শিখেন, কিন্তু এই চ‍্যানেলটা দেখেন, তাহলে অনেক ইংরেজি শিখতে পারবেন। আপনার বাসায় যদি একটা শিশু-কিশোর থাকে, তাকে নিয়ে দেখবেন।

Blippi ছাড়াও আপনি দেখবেন Dora the Explorer, Daniel Tiger’s Neighborhood, Sesame Street, Peppa Pig এই শোগুলো।

▪️আনেকে বলবে, এগুলো তো বাচ্চাদের জন‍্য। ইয়েস, এগুলো বাচ্চাদের জন‍্য। এজন‍্যই আপনি দেখবেন। কারণ বাচ্চারা ভাষা শিখে কি করে—খেয়াল করেছেন?

একটা বাচ্চাকে যে দেশে রাখবেন, বা ছোটবেলায় যে ভাষার পরিবেশে (দেখা, শোনা, বলা) রাখবেন, সেই ভাষাই বাচ্চাটা শিখে যায়। কতো দ্রুত!

▪️বাচ্চাদের শো হয় গল্প ভিত্তিক। এগুলোতে অনেক আনন্দ থাকে। ইমোশন থাকে। চমৎকার গ্রাফিক‍্যাল ভিডিও হয়। এগুলো দেখলে বাচ্চারা ছবি, রং, প্রেক্ষাপটের সাথেই ভাষার (শব্দের) মিল তৈরি করে। দ্রুত ভাষা শিখে। মানুষ কিন্তু যে কোন ভাষায় প্রথমে বলতে ও শুনতে শিখে। লিখতে এবং পড়তে পারা শিখে পরে।

▪️আপনি যদি প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে, ৩০ দিন দেখেন—আপনি অনেক ইংরেজি সহজেই শিখে ফেলবেন। বেস্ট হয় যদি আপনি আপনার বাচ্চাকে নিয়ে বা বাসার শিশুটিকে সাথে নিয়ে দেখেন। তাহলে এক ঢিলে দুই পাখি। আর দেখবেন, আপনার আগে শিশুটা কতো দ্রুত শিখে। এবং কেন দ্রুত শিখে—সেটা নিয়ে একটু ভাবুন, বিস্মিত ও আনন্দিত হোন!

যে কোন ভাষা শেখার প্রথম শর্ত হলো, স্পিকিং এবং লিসেনিং শেখা। অর্থাৎ বলতে ও শুনতে শেখা। আমাদেরকে ইংরেজি শেখানো শুরু করে গ্রামার দিয়ে। আমরা কি বাংলা ভাষা শিখেছি বাংলা ব‍্যাকরণ দিয়ে?
এজন‍্যই আমরা গড়ে বেশিরভাগ মানুষ ভালো ইংরেজি শিখতে পারি না। আমাদের বেশিরভাগেরই বলায়, নয়তো শোনায়, নয়তো লেখায় কম-বেশি সমস‍্যা হয়ই। কারণ গোড়া থেকে ইংরেজি শিক্ষাটাই ছিলো দুর্বল। এগুলো ছাড়াও আরো কিছু চমৎকার শো আছে। এগুলো আগে দেখুন। কিছু কিছু শো হয়তো নেটফ্লিক্সে দেখতে হবে।....

ঈদ মুবারক
31/03/2025

ঈদ মুবারক

13/10/2024

সবাই একবার শুনুন...
কবি আব্দুল হাই শিকদার

03/09/2024

জাতীয় সংগীত নিয়ে যারা পক্ষে-বিপক্ষে বেহুদা ক্যাচাল করে যাচ্ছেন, মহাত্মা Abu Sayeed Ahamed তাদের একেবারে দুচে দিয়েছিলেন সেই ২০১৯ সালেই। আসুন ল্যাটা মেরে বসে পড়ুন। পড়তে শুরু করুন সাইদ ভাইয়ের সেই মহা গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি।
👇👇
জাতীয় সংগীত বলে কিছু নেই। জাতীয় সংগীত বলে যা গেলানো হয়ে আসছে, তা আসলে রাষ্ট্রীয় সংগীত। এই সংগীত রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ধারণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আনুগত্য ও দায়বদ্ধতাকে দেশপ্রেম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে এটিকে সার্বজনীন রূপ দেয়। তবে কিছু সভ্য দেশ ব্যতীত পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় সংগীতই সকল নাগরিক বা রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর কাছে সার্বজনীন হয়ে ওঠেনি। তাই বারবার রাষ্ট্র ভেঙেছে, জন্ম হয়েছে নতুন রাষ্ট্রের ও নতুন রাষ্ট্রীয় সংগীতের।

জাতীয় তথা রাষ্ট্রীয় সংগীত কোনো ধর্মগ্রন্থ কিংবা বিজ্ঞানের মীমাংসিত সূত্র নয় যে এর পরিবর্তন ঘটানো যাবে না। যারা দেশপ্রেমের অংশ বা প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্রীয়/জাতীয় সংগীতকে চিহ্নিত করে এর পরিবর্তনে আপত্তি জানান, তাদের চিন্তায় গলদ আছে, দেশপ্রেমেও ঘাটতি আছে। কারণ তারা দেশ আর দেশপ্রেম বলতে পতাকা, চর্বিত ইতিহাস, জাতীয় সংগীত, জাতীয় ফুল-পাখি-লতা-পাতা, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, সাবমেরিন কেনাকেই বোঝে। রাষ্ট্রকে যে নাগরিকের কাছে দেশ হয়ে উঠতে হয়, নাগরিকের দেশ হিসেবে রাষ্ট্রকে যে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয়, তা তারা বোঝে না।

অসভ্য ও ইনসাফহীন রাষ্ট্র তার সকল ব্যর্থতা ও অক্ষমতা ভোলাতে নাগরিকের কাছে অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি" এবং পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে "জনগণমন অধিনায়ক হে ভারত ভাগ্যবিধাতা"র পরিবর্তে প্রায় জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচিত "সারা জাহান সে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা" গান দুটি গোয়েবলসের তত্ত্বের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। যে দেশের রাজনীতিক থেকে ভিক্ষুক পর্যন্ত আমেরিকায় যাওয়ার জন্য "ডিভি লটারি"তে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে সার্ভার জ্যাম করে ফেলে, অভিবাসী হিসেবে বিদেশে যেতে গিয়ে সাগরে ডুবে মরে, যে দেশের অধিকাংশ মানুষ রাষ্ট্রের ভবিষ্যত নিয়ে হতাশাগ্রস্ত, সেই রাষ্ট্রই তার নাগরিককে শেখায় "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি"—এর থেকে উৎকৃষ্ট কৌতুক আর হয় না। একই অবস্থা ভারতের, চরম সাম্প্রদায়িকতা আর দারিদ্র্যে জর্জরিত রাষ্ট্র তার নাগরিককে শেখায় "সারা জাঁহান সে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা।"

সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করার পক্ষে-বিপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এই আলোচনা আর সমালোচনাও টু দ্য পয়েন্টে থাকে নাই। সফলভাবে এই আলোচনা-সমালোচনাকে রবীন্দ্রনাথের পক্ষে-বিপক্ষের তর্কে পরিণত করা হয়েছে। একদল আরএসএস, অর্থাৎ রবীন্দ্র সেবক সংঘ, এই আলোচনাকে হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্ব পর্যন্ত নিয়ে গেছে। এদের ন্যাকামি দেখে মনে হচ্ছে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা এর আগে আর হয়নি। দুই বাংলার বামপন্থীদের অনেকে তো বুর্জোয়া বলে পুরো রবীন্দ্রনাথকেই বাতিল করার বিপ্লবী ফতোয়া দিয়েছিলেন।

সকল ক্ষেত্রে হীনমন্যতায় ভোগা বাঙালির কাছে সাহিত্যে নোবেল পাওয়া রবীন্দ্রনাথ এক বিশাল ফ্যাক্টর। তাই দুই বাংলাতেই জন্মদিন থেকে মৃত্যুদিবস, ডায়রিয়া থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য, ব্রেইনে ক্যান্সার থেকে পাছায় ফোঁড়া—সবকিছুতেই রবীন্দ্রনাথকে টেনে আনা হয়, টেনে হিচড়ে আনা হয়। এই কালচারের বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে জন্ম নিয়েছে রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, রবীন্দ্র পূজারি আর রবীন্দ্র বিদ্বেষী এক আজব গোষ্ঠী। রবীন্দ্রনাথকে পাঠ ও অনুধাবন করা অপেক্ষা রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা বা বাতিল করাই এদের মূল করণীয়। যে ব্যক্তিকে রক্ষা বা বাতিল করার জন্য এমন ভক্ত ও বিদ্বেষী গোষ্ঠী থাকে, সেই ব্যক্তির অমরত্ব ঘুচাবে এমন সাধ্য কারো নেই।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে পরিবর্তন করার প্রয়োজন আছে বা নেই—এই আলোচনা জরুরি। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে যে গানটিকে জাতীয় সংগীতের মোড়কে রাষ্ট্রীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারণ করেছে, তাতে রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়; রাষ্ট্রকে ভালোবাসা ছাড়া আর কোনো দায়বদ্ধতা নাগরিকের নেই। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের এবং এই রাষ্ট্রকে যারা পরিচালনা করেন, তাদের চরিত্র এই গানে স্পষ্ট নয়। এছাড়া জাতি হিসেবে এ ভূখণ্ডের সাধারণ মানুষের ভাব-ভাবনা, বৈশিষ্ট্য ও চরিত্রও এই গানে প্রতিফলিত হয়নি (অবশ্য এই সাধারণ জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্র তার নাগরিক হিসেবে গণ্য করলেও মান্য করে না)। যতদূর জানা যায়, অখণ্ড বাংলা অক্ষত রাখার চেতনায় এই গানের রচয়িতা গানটি সৃজন করেছিলেন। পূর্ববঙ্গ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের পর এই গানটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহার করা মানে এর রচয়িতাকে তাচ্ছিল্য করা, তার সাথে মশকরা করার নামান্তর। কোনো গ্রহণযোগ্য যুক্তিতেই এই গানটি রাষ্ট্র বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হতে পারে না।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতই শুধু নয়, জাতীয় ফুল-ফল-মাছ-পাখিরও পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। এসব নির্ধারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্র চরিত্র এবং এর পরিচালকদের বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিতে হবে, উভয় চরিত্রের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। এই প্রেক্ষিতে জাতীয় সংগীত হিসেবে আমার প্রস্তাবনা এই গানটি—''সোনাবন্ধু তুই আমারে ভোঁতা দা দিয়ে কাইট্টা লা/পিরীতের খেতা দিয়ে চাইপ্যা ধইর‍্যা মাইরালা.."। এছাড়া জাতীয় ফুল হিসেবে ধুতরা, জাতীয় ফল মাকাল, জাতীয় মাছ ঘাউরা, জাতীয় পাখি ব্রয়লার মুরগী, জাতীয় কবি এরশাদ, জাতীয় ঔপন্যাসিক ইমদাদুল হক মিলন, জাতীয় বীর মশা, জাতীয় বিজ্ঞানী ড. জাফর ইকবালকে নির্ধারণ করা উচিত। জাতীয় প্রতীক হিসেবে একজনের পশ্চাদ্দেশে আরেকজনের আঙুল এবং জাতীয় স্লোগান হিসেবে "কর্তা কইছে চু*র ভাই, আনন্দের আর সীমা নাই" নির্ধারণের কোনো বিকল্প নেই।

ওভার এন্ড ফাইনালি আউট।

০২আগস্ট ২০১৯

30/08/2024

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমের এক্সক্লুসিভ বক্তব্য-

মাহফুজ ছিলেন জুলাই বিপ্লবের নেপথ্য কারিগরদের অন্যতম!

জেন–জির ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ জানেন তো?ভাষা বহতা নদীর মতো, সদা পরিবর্তনশীল। ভাষা বিবর্তিত হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, মুখ...
14/08/2024

জেন–জির ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ জানেন তো?

ভাষা বহতা নদীর মতো, সদা পরিবর্তনশীল। ভাষা বিবর্তিত হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, মুখে মুখে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একেক ভাষায় যুক্ত হয় নতুন নতুন শব্দ, বদলে যায় উচ্চারণ কিংবা প্রয়োগ। বর্তমান তরুণ সমাজ, অর্থাৎ জেন–জির (জেনারেশন জেড বা জুমারস, যাঁদের বয়স ১১ থেকে ২৬, অর্থাৎ ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যাঁদের জন্ম) শব্দভান্ডারেও এসেছে পরিবর্তন। নিত্যদিনের কথোপকথন, লেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করছেন, যার অর্থ পুরোনো প্রজন্মের পক্ষে বোঝা মুশকিল। তবে জেন–জিকে বুঝতে চাইলে তাঁদের শব্দগুলোও তো বোঝা চাই। তাই জেনে রাখুন জেন–জির মুখে মুখে ফেরা কিছু শব্দের অর্থ।

অরা (Aura)
ব্যক্তিত্বের পরিমাপক। একজন কতটা ‘কুল’ বা ইতিবাচক কিংবা কতটা ‘আনকুল’ বা নেতিবাচক, তা পরিমাপ করা হয় এই শব্দ দিয়ে। ‘অরা গেইন’ ব্যবহৃত হয় ইতিবাচক অর্থে এবং ‘অরা লস’ নেতিবাচক অর্থে।
উদাহরণ: ও কি কাজটা করে অরা লস করল না?

বেইজড (Based)
প্রকৃত অর্থে ‘অন্যে কীভাবে দেখল, তা তোয়াক্কা না করে নিজের অবস্থানে অবিচল থাকা’। তবে শব্দটি এখন ব্যবহৃত হয় কোনো মতামত বা কোনো কিছুতে একমত পোষণ করার ক্ষেত্রে। বিশেষত যেকোনো বিতর্কিত বিষয়ের বেলায় শব্দটি জুতসই।
উদাহরণ: তোমার মতামত বেইজড।

ব্রাহ্ (Bruh)
শব্দটি ব্যবহার করা হয় কারও কিংবা কোনো কিছুর প্রতি শক, হতাশা কিংবা বিব্রতবোধ বোঝাতে। এটি মূলত ইংরেজি ‘ব্রাদার’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
উদাহরণ: এইটা কী করলা, ব্রাহ!

বাসিন (Bussin)
খুব ভালো। কোনো কিছুকে খুব ভালো বোঝাতে বলা হয় ‘বাসিন’। রান্নার প্রশংসা করতেও শব্দটির চল আছে।
উদাহরণ: সালাদটা যা হয়েছে না! বাসিন!

ক্যাপ (Cap)
মিথ্যা। কেউ মিথ্যা বলছে, তা ধরতে পারলে ক্যাপ/ক্যাপিং বলে তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সত্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় এর উল্টো, অর্থাৎ ‘নো ক্যাপ’। শব্দটির উৎপত্তি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক আলফ্রেড হেনরি লুইসের ‘কনফেশনস অব আ ডিটেকটিভ’ বইয়ে। ২০১৭ সালে এটি জনপ্রিয়তা পায়।
উদাহরণ: ১. কনসার্টের টিকিট তো ঠিকই পাইছিস, ইউ আর ক্যাপিং!
২. আজকের মধ্যে কাজটা শেষ করবই। নো ক্যাপ!

কুক (Cook)
কোনো ফলাফলের অভিপ্রায়ে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া, যাতে অন্য পক্ষ বিব্রত বা অস্বস্তিবোধ করে। সবচেয়ে পরিচিত বাক্য হলো ‘লেট হিম কুক’। অর্থাৎ সে এমন পরিস্থিতি তৈরি করুক, পরে যাতে বিব্রত বোধ করে।
উদাহরণ: অপেক্ষা করো, দেখি কী করে। লেট হিম কুক।

ডেলুলু (Delulu)
ইংরেজি ‘ডিলিউশনাল’ শব্দটির বিবর্তিত রূপ। উৎপত্তি মূলত কে–পপ সংস্কৃতি থেকে। শব্দটি ব্যবহার করা হয় অসম্ভব বা আকাশকুসুম মনোভাব বোঝাতে। বিশেষত কোনো সম্পর্কের বেলায় কারও আকাশকুসুম প্রত্যাশাকে বলে ডেলুলু। শব্দটি জনপ্রিয় হয়েছে টিকটকে ‘ডেলুলু ইজ দ্য সোলুলু’ বাক্যাংশটি ভাইরাল হওয়ার পর। বাক্যাংশটির অর্থ ‘আত্মবিশ্বাসেই সব সমাধান’। এখানে ‘সোলুলু’ এসেছে ইংরেজি ‘সলিউশন’ শব্দ থেকে।
উদাহরণ: ইউ আর সো ডেলুলু।

ড্রিপ (Drip)
ট্রেন্ডি এবং উচ্চশ্রেণির ফ্যাশন বোঝাতে ব্যবহার করা হয় শব্দটি। ‘কুল’ শব্দের বিকল্প হিসেবেও ড্রিপ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: কুল ড্রিপ! কোত্থেকে কিনেছ এটা?

এরা (Era)
কোনো ব্যক্তির বর্তমান আগ্রহ বা অগ্রাধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ধরা যাক, কেউ স্বাস্থ্যসচেতন হয়েছেন, তখন তিনি নিজেকে নিজের ফিটনেস এরায় আছেন বলে দাবি করতে পারেন।
উদাহরণ: সাবধান! আমি কিন্তু এখন আমার ভিলেন এরায় আছি।

ফ্লেক্স (Flex)
সোজা বাংলায় ভাব দেখানো। এই ভাব দেখানো হতে পারে যেকোনো বিষয়ে। হতে পারে নিজের অর্জন, গুণ কিংবা প্রভাবপ্রতিপত্তি নিয়ে। অর্থাৎ নিজের কর্মকাণ্ডের উৎকৃষ্টতার প্রকাশকে ফ্লেক্স হিসেবে গণ্য করা চলে।
উদাহরণ: ফ্লেক্স করছি না, এবার টেস্টে ৯৮ পেয়েছি!

গ্লো আপ (Glow-Up)
বিশেষ উন্নতি অর্থে। কারও বড় কোনো উন্নতি দেখলে সেটিকে ইঙ্গিত করে ‘গ্লো আপ’ ব্যবহৃত হয়। সেই উন্নতি হতে পারে পোশাক–পরিচ্ছদ, আত্মবিশ্বাস কিংবা স্টাইলে। এর উল্টো হলে ব্যবহার করা হয় ‘গ্লো ডাউন’।
উদাহরণ: ওদের গ্লো–আপে তো আমি মুগ্ধ!

গোট (GOAT)
এটি মূলত ‘গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ (Greatest of all Time)–এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাংলায় যাকে বলে ‘সর্বকালের সেরা’।
উদাহরণ: কী বললা? রোনালদো? ভাই, যত যা–ই বলো, মেসিই কিন্তু গোট!

আই ওয়াই কে ওয়াই কে (Iykyk)
এটি ‘ইফ ইউ নো, ইউ নো’ (If you know, you know)–এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোনো একটি বিষয়ে কেউ আগে থেকে অবগত থাকলে শব্দটি ব্যবহার করে তার ইঙ্গিত দেয়। ধরা যাক, বন্ধুকে আপনি এমন একটি মিম পাঠালেন, যেটি সরাসরি কিছু না বললেও বিশেষ কিছুর অর্থ প্রকাশ করে, যা আপনি জানেন। সে ক্ষেত্রে লিখতে পারেন Iykyk।
উদাহরণ: ঠিক এটা বলছি না, তবে...Iykyk!

লিট (Lit)
ইতিবাচক, মজার, বিস্ময়কর, দারুণ, চমৎকার বা ‘কুল’ অর্থে। এখন ‘কুল’-এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় লিট।
উদাহরণ: আজকের পার্টিটা লিট ছিল!

ওকে বুমার (OK Boomer)
১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের বলা হয় ‘বেবি বুমার্স’ বা ‘বুমার্স’ প্রজন্ম। এই প্রজন্মের গোঁড়া মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোকে বলে ‘ওকে বুমার’। বুমার প্রজন্মের কেউ যদি বদ্ধমূল ভুল ধারণা নিয়ে বসে থাকেন, তখন সেসব ধারণাকে পাত্তা না দিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো অর্থে এই শব্দ ব্যবহার করে জেন–জিরা।
উদাহরণ: আপনার ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টা ভুয়া? ওকে বুমার!

পুকি (Pookie)
আদর করে পছন্দের মানুষ, বিশেষত বন্ধু ও ভালোবাসার মানুষকে ডাকা হয় ‘পুকি’।
উদাহরণ: হ্যালো, মাই পুকি!

রেড ফ্ল্যাগ (Red flag)
সম্পর্কের বেলায় কারও ব্যাপারে বিপৎসংকেত। আসন্ন বিপদ বোঝাতে লাল পতাকার ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই। তেমনই সম্পর্কের বেলায় কারও ব্যবহারে বা কাজে যদি বিপদ বা ক্ষতির আভাস পাওয়া যায়, তাকে রেড ফ্ল্যাগ হিসেবে গণ্য করা হয়।
উদাহরণ: ওর ব্যাপারে রেড ফ্ল্যাগগুলো আমার চোখেই পড়ল না!

রিজ (Rizz)
ইংরেজি ‘কারিজমা’ শব্দটি থেকে এসেছে ‘রিজ’। বাংলায় যেটা কারিশমা বা আকর্ষণী শক্তি কিংবা মাধুর্য। কারও কথা, চলনবলন বা ব্যক্তিত্ব কতটা আকর্ষণীয়, তা বোঝানো হয় ‘রিজ’ দিয়ে।
উদাহরণ: হি হ্যাজ অল দ্য রিজ।

সিম্প (Simp)
কারও প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে পড়া। বিশেষ করে কোনো নারীর প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে পড়াকে বলে সিম্প।
উদাহরণ: ওই মেয়ের জন্য এত সিম্পিং বাদ দে তো! ও তো তোরে চেনেই না!

স্কিবিডি (Skibidi)
অতিরঞ্জিত কোনো কিছু কিংবা হাস্যকর। ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুটি অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: গানটা পুরাই স্কিবিডি।

সাস (Sus)
সন্দেহজনক। ইংরেজি ‘সাসপেক্ট’ এবং ‘সাসপিশিয়াস’ শব্দ দুটির সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি দিয়ে কোনো বিষয়ে বা কারও ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ: তোকে কিন্তু সাস লাগতেছে! ঘটনা কী?

টি (Tea)
পরচর্চা করা। নির্দিষ্ট কারও কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা কিংবা পরচর্চা করা। মূলত চা খেতে খেতে আলোচনা থেকে ‘টি’ শব্দের এমন ব্যবহার শুরু।
উদাহরণ: সো, হোয়াটস দ্য টি

মৃণাল সাহা
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৪, ১০: ৩২

14/08/2024

>>ব্রেকিং>>

বঙ্গভবনে নানা তৎপরতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। অভ্যুত্থান তৎপরতার নানা লক্ষণ স্পষ্ট। সবাই সতর্ক থাকুন এবং দোয়া করুন। ছাত্রদেরকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান: নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসউপদেষ্টা পরিচিতি:1. **সালেহ উদ্দিন আহমেদ** - ত...
08/08/2024

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান:
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস

উপদেষ্টা পরিচিতি:

1. **সালেহ উদ্দিন আহমেদ** - তিনি একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর। তিনি দেশের আর্থিক খাতের উন্নয়নে এবং মুদ্রানীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

2. **ড. আসিফ নজরুল** - তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তার লেখায় ও বক্তৃতায় সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা উঠে আসে।

3. **আদিলুর রহমান খান** - তিনি একজন মানবাধিকার কর্মী এবং “অধিকার” নামক মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে কাজ করছেন।

4. **হাসান আরিফ** - তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব। তিনি থিয়েটার ও অভিনয় জগতের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

5. **তৌহিদ হোসেন** - তিনি বাংলাদেশের একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব। তিনি পররাষ্ট্র নীতি এবং কূটনৈতিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ।

6. **সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান** - তিনি একজন পরিবেশ আইনজীবী এবং “বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি” (বেলা)-এর প্রধান নির্বাহী। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে তার অবদানের জন্য পরিচিত।

7. **মো. নাহিদ ইসলাম** - সমন্বয়ক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

8. **আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া** - সমন্বয়ক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

9. **ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন** - তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার। তিনি একজন বিশিষ্ট লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকও বটে।

10. **সুপ্রদিপ চাকমা** - তিনি একজন আদিবাসী নেতা এবং মানবাধিকার কর্মী। তিনি চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্সের আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন।

11. **ফরিদা আখতার** - তিনি “উবিনিগ” নামক এনজিও-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বিকল্প কৃষি আন্দোলনের নেত্রী। তিনি নারী ও কৃষকদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন।

12. **বিধান রঞ্জন রায়** - তিনি একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য প্রশাসক হিসেবে পরিচিত। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে তার অবদান রয়েছে।

13. **ড. আ.ফ.ম খালিদ হাসান** - তিনি একজন আলেম, শিক্ষাবিদ এবং লেখক। শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান রয়েছে।

14. **নুরজাহান বেগম** - তিনি “বেগম” পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলাদেশের নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ। নারীর ক্ষমতায়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

15. **শারমিন মুরশিদ** - তিনি একজন উন্নয়ন কর্মী এবং সামাজিক কর্মী। তিনি নারী ও শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন।

16. **ফারুকী আযম** -

ওদের তুলে নিয়ে গেছে! 🥲ও আল্লাহ, ওদের বাঁচান।এমন কত কত জনকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে...তারপর কেউ কেউ বেঁচে ফেরে, কেউ আর ফেরে না আ...
26/07/2024

ওদের তুলে নিয়ে গেছে! 🥲
ও আল্লাহ, ওদের বাঁচান।
এমন কত কত জনকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে...
তারপর কেউ কেউ বেঁচে ফেরে,
কেউ আর ফেরে না আপন গৃহে...
কাউকে পাওয়া যায় জেলে
কারো হয়তো মৃতদেহ মেলে
কারো কারো হদিস কখনোই পাওয়া যায় না
অনন্তের পথে গেলে হয়তো দেখা হতে পারে
এটাই স্বদেশের ধারাবাহিক ধারাপাত!

Address

Dhaka City
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঙালির পাঠশালা Bangalir Pathshala posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বাঙালির পাঠশালা Bangalir Pathshala:

Share