Satkania Foundation

Satkania Foundation আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আপনিও দান করুন বিকাশ/নগদ/রকেট:- ০১৯৭৯-৪৬৮৮৩৮

21/08/2026
📥 আপনার মনের প্রশ্নটি আমাদের পাঠান:দ্বীন শিক্ষার এই মহতী আয়োজনে আপনিও অংশ নিন। আপনার যেকোনো দ্বীনী জিজ্ঞাসা এখনই পাঠিয়ে ...
20/08/2026

📥 আপনার মনের প্রশ্নটি আমাদের পাঠান:
দ্বীন শিক্ষার এই মহতী আয়োজনে আপনিও অংশ নিন। আপনার যেকোনো দ্বীনী জিজ্ঞাসা এখনই পাঠিয়ে দিন আত-তাওহীদ ফাউন্ডেশন-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ অথবা সরাসরি আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে।
📞 হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর: 01348-999029

আপনার একটি ছোট দান হতে পারে সদাকা-এ-জারিয়াহ ✨

দেশ অথবা প্রবাস থেকে অনলাইনে ডোনেশন করুন নিচের লিংকের মাধ্যেমে... 🌍🤝
📍 𝐎𝐧𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐃𝐨𝐧𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧: https://attawheedfoundation.org/donate
📱 𝐛𝐊𝐚𝐬𝐡 & 𝐍𝐚𝐠𝐚𝐝 (𝐌𝐞𝐫𝐜𝐡𝐚𝐧𝐭) 𝐌𝐚𝐤𝐞 𝐏𝐚𝐲𝐦𝐞𝐧𝐭: +𝟖𝟖𝟎 𝟏𝟑𝟒𝟖 𝟗𝟗𝟗 𝟎𝟐𝟗

🏦 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐀𝐜𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐬 𝐈𝐧𝐟𝐨𝐫𝐦𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧:
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 𝐀𝐭-𝐓𝐚𝐰𝐡𝐞𝐞𝐝 𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧
🔹 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐍𝐚𝐦𝐞: 𝐒𝐡𝐚𝐡𝐣𝐚𝐥𝐚𝐥 𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦𝐢 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐏𝐋𝐂. (𝐅𝐨𝐫𝐞𝐢𝐠𝐧 𝐄𝐱𝐜𝐡𝐚𝐧𝐠𝐞 𝐁𝐫. 𝐃𝐡𝐚𝐤𝐚)
🔹 𝐀𝐜𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫: 𝟒𝟎𝟎𝟓𝟏𝟐𝟏𝟎𝟎𝟓𝟖𝟕𝟎𝟐𝟗
🔹 𝐑𝐨𝐮𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫: 𝟏𝟗𝟎𝟐𝟕𝟐𝟑𝟐𝟐
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🏦 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐀𝐜𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐬 𝐈𝐧𝐟𝐨𝐫𝐦𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧:
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 𝐀𝐭-𝐓𝐚𝐰𝐡𝐞𝐞𝐝 𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧
🔹 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐍𝐚𝐦𝐞: 𝐈𝐬𝐥𝐚𝐦𝐢 𝐁𝐚𝐧𝐤 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡 𝐏𝐋𝐂. (𝐏𝐚𝐥𝐥𝐚𝐛 𝐁𝐫𝐚𝐧𝐜𝐡)
🔹 𝐀𝐜𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫: 𝟐𝟎𝟓𝟎𝟐𝟕𝟒𝟎𝟐𝟎𝟔𝟎𝟐𝟖𝟓𝟎𝟑
🔹 𝐑𝐨𝐮𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫: 𝟏𝟐𝟓𝟐𝟔𝟑𝟓𝟖𝟎
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📢 ধারাবাহিক আয়োজন দেখতে চোখ রাখুন:
🌐 𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞: www.attawheedfoundation.org
🎥 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞: https://www.youtube.com/
📄 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 𝐏𝐚𝐠𝐞: https://www.facebook.com/AtTawheedFoundation.BD
📄 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 𝐏𝐚𝐠𝐞: https://www.facebook.com/HaramainBanglaTV
👥 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 𝐆𝐫𝐨𝐮𝐩: https://www.facebook.com/groups/959249117076642
📧 𝐄𝐦𝐚𝐢𝐥: [email protected]

🏠 𝐎𝐟𝐟𝐢𝐜𝐞 𝐀𝐝𝐝𝐫𝐞𝐬𝐬: 𝐏𝐥𝐨𝐭: 𝟑𝟎&𝟑𝟐, 𝐑𝐨𝐚𝐝: 𝟏𝟎, 𝐒𝐞𝐜𝐭𝐨𝐫: 𝟏5/𝐁, 𝐔𝐭𝐭𝐚𝐫𝐚, 𝐃𝐡𝐚𝐤𝐚 📍

ধন্যবাদান্তে
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী
চেয়ারম্যান, আত-তাওহীদ ফাউন্ডেশন, ঢাকা, বাংলাদেশ

#দালিলিকইসলামীসমাধান #আততাওহীদফাউন্ডেশন #হারামাইনবাংলাটিভি #ইসলামিকপ্রশ্নোত্তর #ডক্টরশহীদুল্লাহখানমাদানী #ইসলামিকলাইভ #দ্বীনেরআলো

06/08/2026

🔴 Live জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মী সম্মেলন-২০২৬

06/08/2026

🔴 Live জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মী সম্মেলন-২০২৬

📅 ০৬ আগস্ট ২০২৬ | বৃহস্পতিবার | সকাল ৯:০০টা
📍স্থান: আইডিইবি ভবন, কাকরাইল, ঢাকা।

আপনি মানেন বা না মানেন সেটা বিষয়, তবে দয়াকরে কথাগুলো যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ জানাচ্ছি  :-আজান, ওজু ও সালাত সংক্রান্ত সমা...
05/08/2026

আপনি মানেন বা না মানেন সেটা বিষয়, তবে দয়াকরে কথাগুলো যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ জানাচ্ছি :-

আজান, ওজু ও সালাত সংক্রান্ত সমাজে প্রচলিত কতিপয় বিদআত

এ কথা অনস্বীকার্য যে, সময়ের ব্যবধানে আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে দ্বীনের নামে এমন অনেক বিষয় প্রচলিত হয়ে পড়েছে, যা রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বা তাঁর সাহাবিদের থেকে প্রমাণিত নয়; যার অপর নাম বিদআত।

আমরা জানি, ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম শর্ত হলও তা সুন্নাহসম্মত হওয়া, অর্থাৎ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতি অনুযায়ী সম্পাদিত হওয়া। এই শর্ত লঙ্ঘিত হলে কোনও ইবাদতই আল্লাহর নিকট গৃহীত হবে না; বরং বিদআত কারীর জন্য তা হাশরের ময়দানে হাউজে কাওসারের পানি পান থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ হবে, যার পরিণতি জাহান্নাম।

আল্লাহ আমাদেরকে সকল প্রকার বিদআত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

তাওহিদ ও রিসালাতের স্বীকৃতির পর একজন মুসলিমের সর্বপ্রথম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অপরিহার্য বিষয় হলও সালাত, আর সালাত শুদ্ধ হয় না পাক-পবিত্রতা ছাড়া।

নিম্নে আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আজান, ওজু, সালাত ও দোয়া সংক্রান্ত কতিপয় বিদআত অতি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হল:

❑ ক. আজান সংক্রান্ত বিদআত:

✪ ১. আজান শুরু করার আগে মাইকে উচ্চস্বরে দরুদ পড়া কিংবা তা সুন্নত মনে করা বিদআত। বরং সুন্নত হলও, আজান শেষে ব্যক্তিগতভাবে চুপিস্বরে দরুদ পাঠ করা, অতঃপর আজানের দোয়া পড়া।

✪ ২. আজান বা ইকামতে "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ" শুনে উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি চুম্বন করে তা দুই চোখে স্পর্শ করা। বিশুদ্ধ হাদিসে এর কোনও ভিত্তি নেই; এর সপক্ষে যেসব হাদিস পেশ করা হয় তা হয় বানোয়াট বা জাল অথবা অপ্রমাণিত।

✪ ৩. আজানের দোয়ায় "ওয়াদ দারাজাতার রাফিীয়াহ" অংশটি যুক্ত করা বিদআত। কেননা তা হাদিস দ্বারা সমর্থিত নয়।

❑ খ. ওজু ও তাহারাত সংক্রান্ত বিদআত:

✪ ১. প্রতিবার ওজুর পূর্বে ইস্তিনজা করাকে আবশ্যক মনে করা কিংবা বারবার তা করা।

✪ ২. মুখে উচ্চারণ করে আরবি বা বাংলায় গৎবাঁধা নিয়ত পাঠ করা (যেমন: "নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি...")।

✪ ৩. ওজুতে নাক-মুখে পানি দেওয়া, মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় ধৌত করা, মাথা মাসেহ করা ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গের জন্য পৃথক পৃথক দোয়া পড়া।

✪ ৪. ওজু শেষে শাহাদাত অঙ্গুলি আকাশের দিকে তুলে ইশারা করে ওজুর দোয়া পাঠ করা।

✪ ৫. ওজুতে ঘাড় মাসেহ করা। অনেক আলেমের মতে এটিও বিদআত, কেননা এ বিষয়ে বর্ণিত হাদিসগুলো তাঁদের মতে বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত নয়।

❑ গ. সালাত সংক্রান্ত বিদআত:

✪ ১. জায়নামাজে দাঁড়িয়ে "ইন্নি ওয়াজ্জাহতু..." দোয়া পড়া, যাকে সাধারণ মানুষ ‘জায়নামাজ পাক করার দোয়া’ বলে থাকে।

✪ ২. ফরজ, সুন্নত, নফল, ঈদ, জানাজা প্রভৃতি সালাতের শুরুতে তাকবিরে তাহরিমার পূর্বে কিবলা মুখী হয়ে দাঁড়িয়ে আরবিতে বা বাংলায় নির্দিষ্ট গৎবাঁধা নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা।

✪ ৩. ফরজ সালাতের ইকামত হওয়ার পর, বিশেষত ফজরের সালাতে, নতুন করে সুন্নত বা নফল সালাত শুরু করা কিংবা তা অব্যাহত রাখা হাদিস পরিপন্থী কাজ।

✪ ৪. মূল খুতবার আগে পৃথকভাবে ‘বয়ান’ পেশ করাকে নিয়মে পরিণত করা। প্রকৃতপক্ষে খুতবার মূল উদ্দেশ্য হলও মুসল্লিদের দ্বীন ও দুনিয়া সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া, তাদের নিকট হেদায়েতের বার্তা পৌঁছানো এবং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে অনুপ্রাণিত করা। কিন্তু আমাদের সমাজের হানাফি মসজিদগুলোতে খুতবা কেবল আরবি ভাষায় প্রদান করা আবশ্যক—এমন ধারণা থেকেই মূল খুতবার আগে পৃথকভাবে ‘বয়ান’ দেওয়ার রীতি চালু হয়েছে, যা মূলত খুতবার মধ্যে একটি সংযোজন এবং সুন্নাহসম্মত পদ্ধতির পরিপন্থী ও বর্জনীয়। এর পরিবর্তে মূল খুতবার ভেতরেই মাতৃভাষায় প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও দিকনির্দেশনা যুক্ত করে কুরআন-সুন্নাহর আলো তুলে ধরাই অধিক বিশুদ্ধ ও সঠিক পদ্ধতি।

✪ ৫. রমজান মাসে তারাবিহ সালাতে প্রতি চার রাকাত পরপর "সুবহানা যিল মুলকি ওয়াল মালাকুত..." দোয়াটি নিয়মিতভাবে সম্মিলিত কণ্ঠে বা একাকী চুপিস্বরে অথবা উচ্চস্বরে পাঠ করাকে সুন্নত মনে করা কিংবা নিয়মিত পাঠ করা।

✪ ৬. রমজান মাসে সেহেরির জন্য গভীর রাত থেকে মাইকে কুরআন তিলাওয়াত, গজল, ইসলামি সংগীত বা নাশিদ পরিবেশন করা এবং কিছুক্ষণ পরপর মানুষকে ডেকে জাগানো। এসবই বিদআত; সুন্নত হলও সেহেরির জন্য পৃথক আজান দেওয়া।

✪ ৭. শবে বরাত, শবে মেরাজ প্রভৃতি উপলক্ষে নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাতবিশিষ্ট বিশেষ সালাত পড়া (যেমন: ‘সালাতুর রাগায়েব’ নামে একশ রাকাত)।

উল্লেখ্য যে, এসব রাত উপলক্ষে কোনও বিশেষ ইবাদত-বন্দেগি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। তাই অধিক বিশুদ্ধ মতানুযায়ী তা বিদআত।

✪ ৮. শবে কদর (লাইলাতুল কদর) উপলক্ষে রাতের নফল সালাতে বিশেষ কিছু সুরা পাঠকে সুন্নত বা আবশ্যক মনে করা; যেমন: সুরা ফাতিহার পর নির্দিষ্ট সংখ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা কদর প্রভৃতি পাঠ করা।

✪ ৯. ঈদের তাকবির সবাই মিলে একসঙ্গে সমস্বরে পাঠ করা।

❑ ঘ. সালাত পরবর্তী বিদআতসমূহ:

✪ ১. প্রতিটি ফরজ সালাতের সালাম ফেরানোর পরপরই ইমাম-মুক্তাদি একত্রে উচ্চস্বরে বা নির্দিষ্ট নিয়মে হাত তুলে নিয়মিত মোনাজাত করা বিদআত। জানাজা, ঈদ কিংবা অন্যান্য সালাতের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য।

✪ ২. সালাম ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে ডান হাত কপালে বা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সংখ্যায় আল্লাহর কোনও নাম বা বিশেষ কোনও দোয়া পড়া।

✪ ৩. সালাতের পর সবাই মিলে দলবদ্ধ হয়ে নির্দিষ্ট ছন্দে শরীর দুলিয়ে উচ্চস্বরে, কিংবা গোল হয়ে বসে চোখ বন্ধ করে চুপিচুপি নির্দিষ্ট সংখ্যায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, ‘ইল্লাল্লাহ’, ‘আল্লাহ আল্লাহ’ বা শুধু ‘হু হু’ পাঠ করা। তবে কেউ যদি সাধারণভাবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ জিকির করে, তাতে কোনও আপত্তি নেই।

✪ ৪. সালাতের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে একটি মাত্র সেজদা দিয়ে বিদায় নেওয়া, যাকে অনেকে ‘শুকরিয়ার সেজদা’ বলে অভিহিত করে থাকে; কিন্তু এই পদ্ধতি শরিয়তসম্মত নয়।

✪ ৫. সালাতের পর সুন্নত মনে করে ঈদ উপলক্ষে বিশেষভাবে কুলাকুলি করা বিদআত। তবে দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ হওয়া, দূর থেকে কারও সঙ্গে দেখা হওয়া, আবেগ ও ভালোবাসাবশত প্রিয়জনের সঙ্গে কুলাকুলি করা কিংবা মনোমালিন্য দূর করতে কারও সঙ্গে কুলাকুলি করায় কোনও দোষ নেই।

❑ ঙ. বিদআতের ব্যাপারে সতর্কবাণী:

রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ

"যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন উদ্ভাবন করবে যা এর অন্তর্ভুক্ত নয় তা প্রত্যাখ্যাত হবে।" [সহিহ বুখারি, হাদিস নং ২৬৯৭]

নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিভিন্ন সময় খুতবা বা বক্তৃতার শুরুতে বলতেন,

أَمَّا بَعْدُ: فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ، وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ، وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ

"অতঃপর, সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব, আর সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদর্শ; সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলও দ্বীনের মধ্যে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়াদি আর প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা।" [সহিহ মুসলিম, অনুচ্ছেদ: সালাত ও খুতবা সংক্ষিপ্ত করণ]

উপসংহার: সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান অর্জন করে এসব প্রথা বর্জন করা এবং রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশিত বিশুদ্ধ পন্থায় ইবাদত পালন করাই প্রকৃত আনুগত্য; আর এটাই মুক্তির একমাত্র পথ।
গ্রন্থনায়:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব

মৃত্যু প্রত্যেক মানুষের জন্য অবধারিত সত্য। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে দাফন-কাফনের কাজ কুরআন ...
29/07/2026

মৃত্যু প্রত্যেক মানুষের জন্য অবধারিত সত্য। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে দাফন-কাফনের কাজ কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী নয়; বরং বাপ-দাদা বা সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়। অথচ একজন মুসলিমের ইবাদত ও আমল গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য তা অবশ্যই আল্লাহর বিধান ও রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ অনুযায়ী হতে হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"আর রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।"
📖 (সূরা আল-হাশর ৫৯:৭)

আরও বলেন:

"নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।"
📖 (সূরা আল-আহযাব ৩৩:২১)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যে ব্যক্তি আমাদের এ দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন সৃষ্টি করবে, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।"
📚 সহীহ আল-বুখারী: ২৬৯৭, সহীহ মুসলিম: ১৭১৮

অন্য হাদীসে তিনি বলেন:

"তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখ, সেভাবেই সালাত আদায় কর।"
📚 সহীহ আল-বুখারী: ৬৩১

এ থেকেই শিক্ষা পাওয়া যায় যে, ইবাদতের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূল ﷺ-এর অনুসরণই সফলতার পথ। দাফন-কাফনও একটি গুরুত্বপূর্ণ শরয়ী আমল, যা সুন্নাহ অনুযায়ী সম্পন্ন করা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব।

তাই আসুন, আমরা কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে একজন মৃত ব্যক্তিকে মৃত্যুর পর থেকে গোসল, কাফন, জানাযা এবং কবরে দাফন পর্যন্ত সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি বাস্তবে শিখে নিই।

🎙 প্রশিক্ষক: ড. মুকাররম বিন মুহসিন মাদানী (হাফিযাহুল্লাহ)

🕟 দিন: আগামী শুক্রবার। আসরে নামাজের পর থেকে শুরু।

আপনি নিজে অংশগ্রহণ করুন এবং আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদেরও অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিকভাবে দাওয়াত দিন।

আল্লাহ আমাদের সকল আমলকে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

ইমাম রুকুতে চলে গেছেন অথচ আপনার সূরা ফাতিহা শেষ হয়নি—কী করবেন?অনেক সময় কিছু ইমাম (আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন) সিররি বা ...
28/07/2026

ইমাম রুকুতে চলে গেছেন অথচ আপনার সূরা ফাতিহা শেষ হয়নি—কী করবেন?

অনেক সময় কিছু ইমাম (আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন) সিররি বা নিচুস্বরে কিরাত পড়ার সালাতে এত দ্রুত সূরা ফাতিহা পাঠ করে রুকুতে চলে যান যে, পেছনে যে সব মুক্তাদি সূরা ফাতিহা পাঠ করে তারা তা শেষ করতে পারে না।
এমতবস্থায় সে মুক্তাদি কী করবে?
— সে কি একা একা সূরা ফাতিহা পাঠ করে তারপর রুকুতে যাবে ইমাম রুকু থেকে উঠে গেলেও? অতঃপর পরে সে রাকাতটা ইমামের সালাম ফেরানোর পর একাকী উঠে কাজা পড়ে নিবে? (যেহেতু অধিক বিশুদ্ধ মতে ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পড়া সালাতের রোকন। তা ছাড়া সালাত শুদ্ধ হবে না।)
— নাকি যতটুকু পড়া হয়েছে ততটুকু পড়েই ইমামের সাথে রুকুতে শরিক হবে?
— আর এমনটি করলে কি তার ঐ রাকাতটি শুদ্ধ বলে গণ্য হবে নাকি হবে না?
এসব বিষয়ে অনেক মুসল্লি দ্বিধান্বিত থাকে।

তাই এই বহুল জিজ্ঞাসিত সমস্যার সঠিক সমাধান উপস্থাপন করা হলো, যুগের তিন শ্রেষ্ঠ আলেম তথা শাইখ উসাইমিন (রাহ.), শাইখ বিন বায (রাহ.) এবং শাইখ আলবানি (রাহ.)-এর দলিল ভিত্তিক ফতওয়ার আলোকে:

তার আগে আমাদের জানা কর্তব্য যে, সূরা ফাতিহা পাঠ করা ইমাম, মুক্তাদি ও একাকী সালাত আদায়কারী—প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যই প্রতি রাকাতেই একটি রোকন (অপরিহার্য অংশ)। ফকিহগণের নিকট এটিই সর্বাধিক অগ্রগণ্য মত। এর সপক্ষে প্রমাণ হলো, নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিম্নোক্ত হাদিসটি:

"مَنْ صَلَّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ -ثَلَاثًا- غَيْرُ تَمَامٍ"

"যে ব্যক্তি এমন সালাত আদায় করল যাতে সে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল না তার সেই সালাত ত্রুটিপূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ—অসম্পূর্ণ।"
[সহিহ মুসলিম: ৩৯৫, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত]
এ ছাড়াও এ মর্মে আরও বহু হাদিস রয়েছে।

তবে এই বিধান থেকে কেবল একটি ক্ষেত্র ব্যতিক্রম আর তা হলো ‘মাসবুক’ (দেরিতে জামাতে আসা মুক্তাদি), যদি সে ইমামকে রুকু অবস্থায় পায়।

❒ শাইখ ইবনে উসাইমিন (রাহ.) বলেন:

«هَذَا الَّذِي ذَكَرْنَاهُ ـ وَهُوَ أَنَّ قِرَاءَةَ الْفَاتِحَةِ رُكْنٌ فِي حَقِّ كُلِّ مُصَلٍّ: الْإِمَامِ، وَالْمَأْمُومِ، وَالْمُنْفَرِدِ. وَلَا يُسْتَثْنَى مِنْهَا إِلَّا مَسْأَلَةٌ وَاحِدَةٌ، وَهِيَ الْمَسْبُوقُ إِذَا أَدْرَكَ إِمَامَهُ رَاكِعاً، أَوْ قَائِماً وَلَمْ يَتَمَكَّنْ مِنْ قِرَاءَةِ الْفَاتِحَةِ ـ هَذَا هُوَ الَّذِي دَلَّتْ عَلَيْهِ الْأَدِلَّةُ الشَّرْعِيَّةُ.

فَإِذَا قَالَ قَائِلٌ: مَا الدَّلِيلُ عَلَى اسْتِثْنَاءِ هَذِهِ الصُّورَةِ؟
فَالْجَوَابُ: الدَّلِيلُ عَلَى ذَلِكَ حَدِيثُ أَبِي بَكْرَةَ الثَّابِتُ فِي صَحِيحِ الْبُخَارِيِّ حَيْثُ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ رَاكِعٌ، فَأَسْرَعَ وَرَكَعَ قَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَى الصَّفِّ، ثُمَّ دَخَلَ فِي الصَّفِّ، فَلَمَّا انْصَرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الصَّلَاةِ سَأَلَ مَنِ الْفَاعِلُ؟ فَقَالَ أَبُو بَكْرَةَ: أَنَا، فَقَالَ: زَادَكَ اللَّهُ حِرْصاً وَلَا تَعُدْ، وَلَمْ يَأْمُرْهُ بِقَضَاءِ الرَّكْعَةِ الَّتِي أَدْرَكَ رُكُوعَهَا، دُونَ قِرَاءَتِهَا، وَلَوْ كَانَ لَمْ يُدْرِكْهَا لَكَانَتْ قَدْ فَاتَتْهُ، وَلَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَضَائِهَا، كَمَا أَمَرَ الْمُسِيءَ فِي صَلَاتِهِ أَنْ يُعِيدَهَا، فَلَمَّا لَمْ يَأْمُرْهُ بِقَضَائِهَا عُلِمَ أَنَّهُ قَدْ أَدْرَكَ الرَّكْعَةَ، وَسَقَطَتْ عَنْهُ قِرَاءَةُ الْفَاتِحَةِ، فَهَذَا دَلِيلٌ مِنَ النَّصِّ.
وَالْمَعْنَى يَقْتَضِي ذَلِكَ: لِأَنَّ هَذَا الْمَأْمُومَ لَمْ يُدْرِكِ الْقِيَامَ الَّذِي هُوَ مَحَلُّ الْقِرَاءَةِ، فَإِذَا سَقَطَ الْقِيَامُ سَقَطَ الذِّكْرُ الْوَاجِبُ فِيهِ وَهُوَ الْقِرَاءَةُ» انْتَهَى مِنْ "الشَّرْحِ الْمُمْتِعِ" (٣/ ٢٩٨).

"আমরা যা উল্লেখ করেছি—অর্থাৎ সূরা ফাতিহা পাঠ করা ইমাম, মুক্তাদি ও একাকী সালাত আদায়কারী প্রতিটি মুসল্লির জন্যই একটি রোকন। এ নিয়ম থেকে কেবল একটি মাসআলাই ব্যতিক্রম। তা হলো, মাসবুক ব্যক্তি যদি ইমামকে রুকু অবস্থায় পায় কিংবা এমন অবস্থায় পায় যে ফাতিহা পড়ার সুযোগ পায়নি। (অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে সূরা ফাতিহা না পড়লেও সালাত শুদ্ধ হবে) শরয়ি দলিলগুলো মূলত এই বিধানটিই নির্দেশ করে।

কেউ যদি প্রশ্ন করেন: এই ব্যতিক্রমী বিধানের দলিল কী?

এর উত্তর হলো: এর দলিল হলো সহিহ বুখারিতে বর্ণিত আবু বাকরা (রা.)-এর প্রসিদ্ধ হাদিস। তিনি এসে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রুকু অবস্থায় পেয়েছিলেন। তাই তিনি তাড়াহুড়ো করে নামাজের কাতারে পৌঁছার আগেই রুকু করে ফেলেন এবং পরে কাতারে গিয়ে শামিল হন।

সালাত শেষে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, 'কে এমন করেছ?'
আবু বাকরা (রা.) বললেন, 'আমি।'
তখন তিনি বললেন:
«زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا، وَلَا تَعُدْ»
"আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিন। তবে আর এমন করো না।"
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে সেই রাকাতটি পুনরায় আদায় করার নির্দেশ দেননি। অথচ তিনি কেবল রুকু পেয়েছিলেন; ফাতিহা পড়ার সুযোগ পাননি। যদি তিনি সেই রাকাত না পেতেন তবে তা তাঁর ছুটে যেত এবং নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে তা কাজা করার নির্দেশ দিতেন—যেমন সালাতে ভুল কারী ব্যক্তিকে (মুসিউস সালাত) তিনি সালাত পুনরায় পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যেহেতু তিনি তাঁকে কাজা করার নির্দেশ দেননি তাই প্রমাণিত হলো যে, তিনি রাকাতটি পেয়ে গেছেন এবং তাঁর ওপর থেকে সূরা ফাতিহা মাফ হয়ে গেছে। এটি একটি স্পষ্ট নস বা শরয়ি দলিল।
আর অর্থের দিক থেকেও বিষয়টি যৌক্তিক। কারণ এই মুক্তাদি কিয়াম বা দাঁড়ানোর অবস্থাটাই পায়নি, যা মূলত কিরাত বা পাঠ করার মূল স্থান। সুতরাং যখন কিয়ামই রহিত হয়ে গেল তখন তার সাথে সম্পৃক্ত ওয়াজিব জিকির তথা কিরাতও রহিত হয়ে গেল।"
— সমাপ্ত, "আশ শারহুল মুমতি" (৩/২৯৮) থেকে সংগৃহীত
[Islamqa info]

শাইখকে আরও প্রশ্ন করা হয়—

এক ব্যক্তি জামাতে এমন সময় শরিক হলো, যখন ইমাম তাকবিরে তাহরিমা শেষ করে সূরা ফাতিহা পাঠ সম্পন্ন করেছেন। এরপর সে নিজে ফাতিহা পড়া শুরু করল। কিন্তু মাঝপথে ইমাম রুকুতে চলে গেলেন—তাহলে এই মুক্তাদি কি ইমামের সাথে রুকুতে চলে যাবে, নাকি নিজের মতো করে ফাতিহা পাঠ শেষ করবে?

উত্তরে তিনি বলেন, কোনও মুক্তাদি যখন জামাতে এমন সময় প্রবেশ করল যখন ইমাম রুকুতে যাওয়ার উপক্রম করেছেন, আর ওই মুক্তাদি তখনও পূর্ণ ফাতিহা পড়ার সুযোগ পায়নি—তখন দেখতে হবে যে তার কতটুকু বাকি আছে। যদি মাত্র এক বা দুই আয়াত বাকি থাকে, যা দ্রুত পড়ে নিয়ে ইমামকে রুকুতে ধরে ফেলা সম্ভব তবে সে তা-ই করবে (অর্থাৎ ফাতিহা শেষ করে রুকুতে যাবে)।
আর যদি এর চেয়ে বেশি অংশ বাকি থাকে, যা পড়তে গেলে ইমামকে রুকুতে পাওয়া যাবে না তবে সে ফাতিহা অসমাপ্ত রেখেই ইমামের সাথে রুকুতে শরিক হয়ে যাবে।
[al-eman]

❒ আল্লামা শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বায (রাহ.):

ইমাম রুকুতে চলে গেছেন অথচ মুসল্লি সূরা ফাতিহা শেষ করতে পারেননি—এখন মুক্তাদির কী করণীয়?

প্রশ্ন: আমাদের এক ভাই জানতে চেয়েছেন: ইমাম রুকুতে চলে গেলেন অথচ আমি তখনও সূরা ফাতিহা সম্পূর্ণ করতে পারিনি। এই অবস্থায় আমি কি ইমামের সাথে রুকুতে চলে যাব, নাকি ফাতিহা শেষ করব? আর মুক্তাদির ওপর থেকে কখন সূরা ফাতিহা মাফ হয়ে যায়?
উত্তর:
إِذَا كَانَ لَمْ يَبْقَ إِلَّا شَيْءٌ يَسِيرٌ، كَالْآيَةِ وَالْآيَتَيْنِ يُكْمِلُ، وَإِذَا كُنْتَ تَخْشَى أَنْ يَرْفَعَ؛ فَارْكَعْ، وَيَسْقُطْ عَنْكَ مَا بَقِيَ، كَمَا لَوْ جِئْتَ وَالْإِمَامُ قَدْ رَكَعَ؛ تَرْكَعُ وَتَسْقُطُ عَنْكَ الْفَاتِحَةُ، لَوْ جَاءَ الْمَأْمُومُ وَالْإِمَامُ رَاكِعٌ؛ رَكَعَ مَعَهُ، وَأَجْزَأَهُ، أَجْزَأَتْهُ الرَّكْعَةُ كَمَا فِي صَحِيحِ الْبُخَارِيِّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ جَاءَ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَاكِعٌ؛ فَرَكَعَ دُونَ الصَّفِّ، ثُمَّ دَخَلَ فِي الصَّفِّ، فَلَمَّا سَلَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ: «زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا، وَلَا تَعُدْ» وَلَمْ يَأْمُرْهُ بِقَضَاءِ الرَّكْعَةِ.
وَهَذَا قَوْلُ الْأَئِمَّةِ الْأَرْبَعَةِ جَمِيعًا، أَنَّ مَنْ أَدْرَكَ الْإِمَامَ رَاكِعًا أَجْزَأَتْهُ الرَّكْعَةُ، وَسَقَطَتْ عَنْهُ الْفَاتِحَةُ، فَهَكَذَا إِذَا قَرَأَ أَوَّلَهَا، ثُمَّ خَافَ مِنْ فَوَاتِ الرَّكْعَةِ؛ يَرْكَعُ، وَلَا يَضُرُّهُ ذَلِكَ، وَهَكَذَا لَوْ نَسِيَهَا الْمَأْمُومُ، أَوْ كَانَ جَاهِلًا؛ سَقَطَتْ عَنْهُ، وَأَجْزَأَتْهُ صَلَاتُهُ مَعَ الْإِمَامِ.
بِخِلَافِ الْمُفْرِدِ وَالْإِمَامِ فَإِنَّهَا لَا تُجْزِئُهُ، لَوْ سَهَا عَنْهَا، أَوْ جَهِلَهَا؛ لَابُدَّ مِنْ قِرَاءَتِهَا؛ لِأَنَّهَا رُكْنُ صَلَاتِهِ، أَمَّا الْمَأْمُومُ فَهِيَ فِي حَقِّهِ وَاجِبَةٌ مَعَ الذِّكْرِ، وَمَعَ الْعِلْمِ، بِدَلِيلِ أَنَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَأْمُرْ أَبَا بَكْرَةَ الثَّقَفِيَّ بِالْإِعَادَةِ لَمَّا جَاءَ وَالْإِمَامُ رَاكِعٌ، نَعَمْ

“সূরা ফাতিহা থেকে যদি মাত্র এক বা দুই আয়াত বাকি থাকে তবে তা পড়ে নেওয়া ভালো। তবে যদি আশঙ্কা হয় যে, ইমাম রুকু থেকে মাথা তুলে ফেলবেন তবে দেরি না করে সাথে সাথে রুকুতে চলে যাবে; বাকি অংশটুকু মাফ হয়ে যাবে।
যেমন—কোনও মুসল্লি মসজিদে এসে পেলেন যে ইমাম রুকুতে চলে গেছেন। তখন তিনি ইমামের সাথেই রুকুতে শরিক হয়ে যাবেন এবং তাঁর ওপর থেকে ফাতিহা মাফ হয়ে যাবে। এর পক্ষে দলিল রয়েছে সহিহ বুখারিতে বর্ণিত আবু বাকরা (রা.)-এর ঘটনা। তিনি এসে দেখলেন যে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন রুকুতে আছেন তখন তিনি কাতারে পৌঁছানোর আগেই পেছনের দিকে রুকু করে ফেলেন। এরপর কাতারে গিয়ে যোগ দেন। সালাত শেষে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন,
«زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا، وَلَا تَعُدْ»
"আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিন, তবে আর এমন করো না।" [সহিহ বুখারি]
নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সেই রাকাত পুনরায় পড়ার নির্দেশ দেননি।
চার মাজহাবের ইমামগণের সর্বসম্মত অভিমত হলো—যে ব্যক্তি ইমামকে রুকু অবস্থায় পেল তার ওই রাকাত আদায় হয়ে গেল এবং তার থেকে সূরা ফাতিহা মাফ হয়ে গেল।
- ঠিক তেমনিভাবে, কেউ যদি ফাতিহার কিঞ্চিৎ অংশ পড়ার পর রাকাত ছুটে যাওয়ার ভয়ে রুকুতে চলে যায় তাতে তার কোনও সমস্যা নেই।
- একইভাবে কোনও মুক্তাদি যদি ভুলবশত ফাতিহা না পড়ে অথবা এ বিধান না জানার কারণে না পড়ে তবে তার থেকেও তা মাফ হয়ে যাবে এবং ইমামের সাথে তার সালাত শুদ্ধ হয়ে যাবে।

➧ তবে একা সালাত আদায়কারী (মুনফারিদ) এবং ইমামের হুকুম ভিন্ন। তারা যদি ভুলে যান কিংবা না জেনে ছেড়ে দেন তবুও তাঁদের জন্য ফাতিহা পড়া জরুরি। কারণ এটি তাঁদের সালাতের রোকন (অপরিহার্য অংশ)। পক্ষান্তরে মুক্তাদির ক্ষেত্রে তা স্মরণ থাকা ও জানার শর্তে ওয়াজিব। এর বড় প্রমাণ তো সেটাই, যেখানে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবু বাকরা সাকাফি (রা.)-কে রাকাত পুনরায় পড়ার হুকুম দেননি। অথচ তিনি ইমামকে রুকু অবস্থায় পেয়েছিলেন।”
ফতওয়া প্রদানে:
আল্লামা আব্দুল আজিজ বিন বায (রাহ.)
সাবেক প্রধান মুফতি এবং সভাপতি, সিনিয়র স্কলার পরিষদ, সৌদি আরব

❒ আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন আলবানি (রাহ.):

আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন আলবানি রাহ.-এর ফতওয়ার সারাংশ নিম্নরূপ:

কোনও মুক্তাদির যদি প্রবল ধারণা হয় যে, একটু দ্রুত পড়লে সে সূরা ফাতিহা সম্পূর্ণ করতে পারবে এবং ইমাম রুকু থেকে ওঠার আগেই তাকে রুকুতে গিয়ে ধরে ফেলতে পারবে তবে সে ফাতিহা শেষ করেই রুকুতে যাবে।
আর যদি তার প্রবল ধারণা হয় যে, ফাতিহা সম্পূর্ণ করতে গেলে ইমামের রুকু ছুটে যাবে তবে সে আর অপেক্ষা করবে না; যতটুকু পড়তে পেরেছে ততটুকুই থামিয়ে দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইমামের সাথে রুকুতে শরিক হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ফাতিহা অসম্পূর্ণ থাকলেও তার সালাতে কোনও সমস্যা হবে না।
শাইখ আলবানি (রাহ.) এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, সালাতে রুকু পাওয়া নিয়ে সকল মুসলিম আলেম একমত যে এটি সালাতের একটি অপরিহার্য রোকন; রুকু না করলে রাকাতই আদায় হবে না। এর বিপরীতে, মুক্তাদির ওপর সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব কি না—এ নিয়ে আলেমদের মধ্যে বেশ মতভেদ রয়েছে। যেমন—হানাফি মাজহাবের মতে, মুক্তাদি ইমামের পেছনে চুপ থাকবে এবং কোনও কিছুই (না ফাতিহা, না অন্য কিছু) পড়বে না।
যদিও শাইখ আলবানি হানাফিদের এই মতটিকে দুর্বল (মারজুহ) মনে করেন এবং "যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়েনি তার সালাত হয়নি"—এই হাদিসটিকেই সঠিক মনে করেন তবুও তিনি মনে করেন এই হাদিসটি একেবারে ব্যতিক্রমহীন নয়। কারণ একাধিক সাহাবি থেকে প্রমাণিত আছে যে, দেরিতে জামাতে আসা মুক্তাদি (মাসবুক) যদি ইমামকে রুকু অবস্থায় পায় তবে সে ফাতিহা পড়তে না পারলেও ওই রাকাত তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
এ কারণেই এই হাদিসটিকে "আম মাখসুস" العامِّ المخصوص বা এমন একটি সাধারণ হুকুম বলা হয় যার নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম রয়েছে। অর্থাৎ নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিস—"যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়েনি, তার সালাত হয়নি"—এটি মূলত সাধারণ একটি নিয়ম। তবে মাসবুক বা দেরিতে আসা ব্যক্তি যখন ইমামকে রুকুতে পান তখন তিনি ফাতিহা পড়ার সুযোগ না পেলেও তাঁর রাকাত আদায় হয়ে যায়। সাহাবিদের আমল দ্বারা প্রমাণিত এই ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রটি প্রমাণ করে যে, সাধারণ নিয়মের ভেতর এটি একটি নির্দিষ্ট ছাড়।
তাই আপনার যদি মনে হয় যে ফাতিহা শেষ করতে গেলে ইমাম রুকু থেকে মাথা তুলে ফেলবেন, তবে আর দেরি না করে সাথে সাথে রুকুতে চলে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে; অসম্পূর্ণ ফাতিহা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই।
অনুবাদক:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব

❑ মৃত ব্যক্তিকে কিবলার দিকে মুখ করানো:প্রশ্ন: আমাকে জানানো হয়েছে যে, একটি হাদিস আছে যাতে বলা হয়েছে—মুসলিম ব্যক্তির মৃত্য...
21/07/2026

❑ মৃত ব্যক্তিকে কিবলার দিকে মুখ করানো:

প্রশ্ন: আমাকে জানানো হয়েছে যে, একটি হাদিস আছে যাতে বলা হয়েছে—মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যুর সাথে সাথেই তাকে এমনভাবে ঘুরিয়ে দিতে হবে যেন সে কাবার দিকে মুখ করে থাকে। এমনকি কবরটিও কাবার দিকে মুখ করে হওয়া উচিত। অর্থাৎ পায়ের দিক কাবার দিকে হওয়া উচিত। আর বলা হয়েছে, এর কারণ হলো—কিয়ামতের দিন মানুষ তাদের কবর থেকে উঠবে কাবার দিকে মুখ করে।
কিন্তু আমি যা পড়েছি এবং বুঝেছি তা হলো—কবরে মাথা/মুখ কিবলার দিকে থাকবে।
এ বিষয়ে সঠিক কথা কী?
আপনার এই কঠোর পরিশ্রমের জন্য আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ।
আম্মা বা’দ:
ইবনু হাযম রহ. বলেছেন:
মৃত ব্যক্তিকে কিবলার দিকে মুখ করানো উত্তম কাজ। তবে যদি মুখ করানো না হয় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন:
فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ
“অতএব তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাও সেদিকেই আল্লাহর মুখমণ্ডল রয়েছে।” [সূরা বাকারা: ১১৫]

আর মৃতকে কিবলার দিকে মুখ করানোর কোনো স্পষ্ট দলিল নেই।
[আল মুহাল্লা, ৫/১৭৪]
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা রা. এর কক্ষে (হিজরে) মৃত্যুবরণ করেছেন। আয়েশা রা. মৃত্যুর মুহূর্তগুলো খুব বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কখনো উল্লেখ করেননি যে, তিনি নবীজীকে কিবলার দিকে মুখ করিয়েছিলেন।
[এই হাদিস বুখারী (৪৪৪০) ও মুসলিম (২৪৪৪) এ বর্ণিত]
একইভাবে কোনো সাহাবির থেকেও এ বিষয়ে কোনো সহিহ বর্ণনা প্রমাণিত নয়।
আর আবু কাতাদা রা. থেকে যে বর্ণনা এসেছে যে, তিনি মৃত্যুর সময় ওসিয়ত করেছিলেন যেন তাকে কিবলার দিকে মুখ করে রাখা হয় এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে সমর্থন করে বলেছেন: “আসাবাল ফিতরাহ” (ফিতরাত অনুযায়ী করেছে), এই হাদিস দুর্বল এবং সহীহ নয়।
দেখুন: ইরওয়াউল গালীল (৩/১৫৩)।

আর কবরে মৃত ব্যক্তির অবস্থানের ব্যাপারে ইমাম ইবনে হাযম রহ. বলেন:

"মৃত ব্যক্তিকে কবরে তার ডান পাশে শোয়ানো হবে তার মুখ কিবলার দিকে থাকবে। তার মাথা ও পা কিবলার ডান ও বাম দিকে থাকবে।
এভাবেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত সমস্ত মুসলিমদের কবরস্থানে চলে আসছে এবং এভাবেই পৃথিবীর সকল মুসলিম কবরস্থান রয়েছে।"
[আল মুহাল্লা, ৫/১৭৩]
আর যে দাবি করা হয় যে, মানুষ কবর থেকে বের হবে কাবার দিকে মুখ করে—এটা গায়েবি বা অদৃশ্যের বিষয়, যার জন্য স্পষ্ট দলিল প্রয়োজন। কিন্তু এর কোনো দলিল কোথায়?
যা প্রমাণিত তা হলো, মানুষ যখন কবর থেকে উঠবে তখন তারা সরাসরি মাহশারের ময়দানের দিকে মুখ করে যাবে। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
[তথ্যসূত্র: শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ-Islamqa]
অনুবাদ: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল


❑ মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি কে কিবলার দিকে মুখ করানো কি শরিয়তসম্মত?

প্রশ্ন: মৃত্যুর পথযাত্রীকে কিবলার দিকে মুখ করানোর কি কোনো ভিত্তি আছে?
উত্তর:
এ বিষয়ে আমি শুধু একটি হাদিসের কথাই জানি:
«الكعبة قبلتكم أحياءً وأمواتًا»
“কা’বা তোমাদের কিবলা—জীবিত অবস্থায়ও এবং মৃত অবস্থায়ও।”
কিন্তু এই হাদিসের সনদে কিছু সমস্যা (দুর্বলতা) রয়েছে।"
- আল্লামা আব্দুল আজিজ বিন বায রহ.
মোটকথা, নির্ভরযোগ্য ও স্পষ্ট সুন্নাহ বা ইজমা দ্বারা প্রমাণিত নয় যে, মৃত্যুর সময় অবশ্যই মৃত্যুর পথযাত্রীকে কিবলার দিকে মুখ করাতে হবে। তবে যদি সহজে সম্ভব হয় এবং রোগীকে কষ্ট না দেয় তাহলে তাকে কিবলার দিকে মুখ করিয়ে দেওয়া মুস্তাহাব (উত্তম) বলে অনেক ফকিহ মনে করেন।
আল্লাহ ভাল জানেন
- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

ফাতাওয়া বোর্ড-বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সৌজন্যে লাইভ দ্বীনি প্রশ্নোত্তরসময়: প্রতি শনিবার ও সোমবার, বিকাল: ৪:৩০ থেকে ৫...
17/07/2026

ফাতাওয়া বোর্ড-বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সৌজন্যে লাইভ দ্বীনি প্রশ্নোত্তর

সময়: প্রতি শনিবার ও সোমবার, বিকাল: ৪:৩০ থেকে ৫:৩০টা।

আগামী সোমবার থেকে শুরু হবে ইন শা আল্লাহ।

প্রশ্নোত্তর প্রদান করবেন বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য উলামায়ে কিরাম

দেখতে চোখ রাখুন- বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস এর ফেসবুক পেজে:

লিংক-
https://www.facebook.com/share/1ELEyTo8r3/

Address

House-56, Road-3, Block-B, Ward-54, Turag
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satkania Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share