06/01/2026
নিজে জানুন, অন্যকে জানতে দিন
#জৈবসন্ত্রাস_থেকে_বাঁচতে_চিড়িয়াখানা_বর্জন_করুন
শিক্ষা, গবেষণা, সংরক্ষণ ও বিনোদনের নামে এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যপ্রাণী চিড়িয়াখানায় রাখা হয়েছে।এসব চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীরা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর দেহ থেকে বিভিন্ন ধরনের পরজীবি ও জীবাণু যেমন মানবদেহে অনুপ্রবেশ করে মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকির সৃষ্টি করে, তেমনি মানবদেহ থেকেও বন্যপ্রাণী দেহে পরজীবি দ্বারা আক্রান্ত হবার ঝুঁকি আছে। সাধারণত চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীরা বাতাস, থুথু, লালা বা প্রাণীদের স্পর্শ করার মাধ্যমে আক্রান্ত হয় নিজেদের অজান্তে। ফলে দর্শনার্থীদের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি শতভাগ বিধায় বন্যপ্রাণীর এসব টর্চার সেল চিড়িয়াখানায় ভ্রমন করা থেকে সকলের বিরত থাকা উচিত।
#চিড়িয়াখানা_জৈব_সন্ত্রাসের_অন্যতম_হাতিয়ার
সারাদেশে বিনোদনের নামে চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী শত প্রজাতির হাজার হাজার বন্যপ্রাণীদের প্রত্যেকের আলাদা রুচি, খাদ্যাভাস, বৈশিষ্ট্য ও বাসস্থান ভিন্নতার কারনে রোগ জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের রুপ প্রকৃতি ও আচরনে বিভিন্নতা রয়েছে। মূলত মানুষ নিজের অজান্তেই চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী বন্যপ্রাণী ও মানুষ সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মলমূত্র, লালা, লোম, অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রোগ জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক সহ বিভিন্ন পরজীবির বাহক হিসেবে জীবিত প্রাণী (মানুষ, পশু পাখি, উদ্ভিদ) মাধ্যমে বা বাতাসের মাধ্যমে ও বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারনে মানবদেহে এসব রোগ জীবাণু ছড়ায়। এই জীবাণুর জৈবসন্ত্রাস চালিয়ে মানবজাতির অস্তিত্বকে শুধু বিপন্ন করছে না বরং প্রাণী থেকে মানুষে বা মানুষ থেকে প্রাণীতে স্বপ্রজাতির মধ্যে সংক্রমিত হয়ে সংক্রামক রোগগুলো সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। মানবসভ্যতা ধ্বংসে এসব চিড়িয়াখানা Bioterrorism বা জৈব সন্ত্রাসের অন্যতম হাতিয়ার। আর তাই এসব চিড়িয়াখানার বন্যপ্রাণী ও তার কর্মচারী উভয় থেকে সংক্রামক রোগ ছড়াতে পারে। Bioterrorism , Zoonotic Diseases , GLEWS সম্পর্কে জেনে চিড়িয়াখানায় যাওয়ার অনুরোধ করছি।
#বন্যপ্রাণী_থেকে_মানবদেহে_ছড়ানো_রোগ
1. SARS, 2. HIV, 3. Nipah virus, 4. Lyme disease, 5. malaria, 6. Ebola 7. West Nile Virus, 8. Severe Acute Respiratory Syndrome. 9. Simian Immunodeficiency Virus. 10. Dengue Hemorrhagic Fever. 11. Novel Coronavirus that causes COVID-19. 13. Plague, 14. Brucellosis, 15. Q_fever. 16. Blastomycosis (Blastomyces dermatitidis). 17. Psittacosis (Chlamydophila 18. Psittaci (Chlamydia psittaci).
19. leptospirosis. 20. Rabies. 21.Tuberculosis.
22. Avian chlamydiosis (psittacosis, ornithosis,
parrot fever). 23. Trichinosis (Trichinella spiralis). 24. Cat Scratch Disease (Bartonella henselae). 25. Histoplasmosis (Histoplasma capsulatum). 26. Coccidiomycosis (Valley Fever). 27. Illness Acquired From Animals
Including E.coli O157:H7, 28. Cryptosporidium parvum, 29.Campylobacter, 30. Salmonella.
এরকম হাজারো সংক্রামক রোগের অন্যতম আতুড়ঘর চিড়িয়াখানা। তাই নিজের ও পরিবার সহ মানবজাতি কে রক্ষায় নিজে সতর্ক হই, অপরকে সতর্ক করি। হাজারো আবিস্কৃত, অনাবিস্কৃত সংক্রামক জীবাণুর সংক্রমণ থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে সমগ্র বিশ্বে শুধুমাত্র বিনোদনের লক্ষ্যে গড়ে তোলা চিড়িয়াখানা বন্ধ করা আজ সময়ের দাবী।
জাতীয় চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী অসহায় বন্যপ্রাণীর বেহেস্তী সুখের গল্প, যেন নতুন বোতলে সেই পুরনো মদ
#বন্যপ্রাণীর_টর্চার_সেল_চিড়িয়াখানার_তালিকা
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ অনুযায়ী দেশে বিচরণকারী যেকোনো বন্যপ্রাণী শিকার বিক্রয় ও সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ। Bioterrorism বা জৈব সন্ত্রাসের অন্যতম হাতিয়ার চিড়িয়াখানার নিষ্টুর পরিবেশে বন্দী হাজারো অসহায় বন্যপ্রাণী
#বন্যপ্রাণীর_টর্চার_সেল_চিড়িয়াখানা_বন্ধ_করুন
দেশের প্রচলিত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইন ২০১৭, জীব নিরাপত্তা বিধিমালা ২০১২ ও প্রাণী কল্যান আইন ২০১৯ আইনের পরিপন্থী সকল চিড়িয়াখানা বন্ধ করুন।
একটি অঞ্চলের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু জীববৈচিত্র্য সেই অঞ্চলের প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের সম্পূরক হিসেবে কাজ করে, কিন্তু অন্য অঞ্চলের গাছ পালা পশুপাখি জীবজন্তুকে এই পরিবেশে উদ্দেশ্যমূলক প্রবেশের ফলে দুই অঞ্চলের প্রতিটি উপাদানে থাকা ভিন্ন ধর্মী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস সহ বিভিন্ন পরজীবি একে অন্যকে আক্রান্ত করে যার প্রভাব শুধু প্রকৃতি পরিবেশে সীমাবদ্ধ থাকেনা বরং মানবসভ্যতাকেও প্রভাবিত করে। বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যপ্রাণীদের একই পরিবেশে অনুপ্রবেশ ঘটানোর মাধ্যমে ক্ষতিকর প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে ও প্রতিটি বন্যপ্রাণীর স্বাধীন স্বত্বা রক্ষা করতে চিড়িয়াখানা নামক বন্যপ্রাণীর টর্চার সেল এর বিপক্ষে Save The Nature of Bangladesh এর সহযোগী সংগঠন Anti Zoo Movement Bangladesh ২০২১ সাল থেকে সাংগঠনিক ভাবে সারাদেশে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা সকল বন্যপ্রাণীর টর্চার সেল বন্ধে কাজ করছে।
জৈব নিরাপত্তা ও জীববৈচিত্র্যের স্ব-স্থানিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে প্রনিত Convention on Biological Diversity , Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora CITES , Plant Protection Agreement for the Asia and Pacific Regions (PPAP), World Trade Organization Agreement On The Application Of Sanitary and Phytosanitary measures (SPS) এর মত সকল আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রটোকল লঙ্ঘন করে স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অবধি হাজার হাজার বন্যপ্রাণী বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে এবং পাশাপাশি দেশের বনভূমি থেকে ধরে এনে বিনোদনের নামে চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী করে রাখা হয়েছে। যার কারনে আজ দেশের কোন না কোন চিড়িয়াখানায় প্রতিদিন কোন না কোন বন্যপ্রাণী মৃত্যু বরন করছে আর গোপনে বন থেকে পুনরায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে তার শূন্যস্থান পূরন করছে। এসব চিড়িয়াখানার হাজারো অব্যবস্থাপনা প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে উটে এলেও একই প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর বন্যপ্রাণী হত্যা অব্যাহত রয়েছে।
#বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো
বন্যপ্রাণীর র্টচার সেল অবৈধ চিড়িয়াখানা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে 'সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাং....