ইচ্ছে ঘুড়ি

ইচ্ছে ঘুড়ি ইচ্ছে ঘুড়ি’ একটি অরাজনৈতিক এবং অসাম?

এই জাতিকে দমাতে পারবা না.....সব লিখে রাখবো.... মনে রাখব......ভারতের পরিকল্পিত পানি দিয়ে বন্যা করে দিয়ে ভেবেছিল— এই বুঝি ...
23/08/2024

এই জাতিকে দমাতে পারবা না.....

সব লিখে রাখবো.... মনে রাখব......

ভারতের পরিকল্পিত পানি দিয়ে বন্যা করে দিয়ে ভেবেছিল— এই বুঝি বাংলাদেশের নয়া সরকার বিপাকে পড়ল!

কিন্তু ভারত এটাও জানে না যে — এখন আমরা সবাই-ই সরকার, প্রতিটি ঘর একেকটি পার্লামেন্ট, প্রতিটি তরুণ একেকজন মন্ত্রী।

Happy birthday Afshin
19/08/2024

Happy birthday Afshin

15/08/2024

সংগৃহীত লেখাটা ভালো লেগেছে! লেখাটা পড়ে বুঝতে পারা এসময়ের জন্য জরুরী :
***************************************

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ ফজলে শামস পরশ এর বয়স ছিল ছয়! তার ছোট ভাইয় শেখ ফজলে নূর তাপস এর বয়স ছিল সাড়ে চার!

পনেরোই আগস্ট রাত এর কথা পরশের আবছা আবছা মনে আছে - তাপসের নেই! ওরা দু ভাইই এরই একই সাথে ঘুম ভেঙে যায় বাইরে হৈচৈ / শব্দে এবং দুজন একসাথেই ওদের রুম থেকে বের হয়ে আসে! বড়ভাইয়ের পিছন পিছন ছোটভাই!

ছ বছরের পরশের ভাষ্য অনুযারী দোতালার ল্যান্ডিং এ রক্তের পুল এর মাঝে শুয়ে আছে ওদের বাবা আর মা! ওদের বাবা শেখ মনি নিচে আর তার উপরে পারপেন্ডিকুলারলি ওদের মা আরজু মনি সেরনিয়াবাত|

তারপরের কয়েক বছর ধরে চলে এই দুইভাইকে নিয়ে লুকোচুরি খেলা| সপ্তাহ পার হয়ে যায় - খাবার - ঘুম আশ্রয়ের ঠিক নেই! এক পর্যায়ে লুকিয়ে ওদের কে বর্ডার ক্রস করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়! কিন্তু সেখানে ওখানে ওদের ফুলটাইম টেক কেয়ার করার লোক নেই - ছমাস একবছর পর আবার ফিরে আসতে হয় দেশে| তখন বলা হচ্ছে পরশ তাপস নিরাপদ! তারপরেও সমস্যা! শেখ মনির ছেলে আর আব্দুর রব সেরনিয়াবাত এর নাতি শুনলেই কোন স্কুল ওদের ভর্তি করতে চায় না|

উপরের গল্পটা বললাম কারণ ১৫ আগস্ট শুধু মাত্র শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের মৃত্যুর দিন না! ষোলো জন মানুষ মারা যায় ঐদিন! তিনটা পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়|

পনেরোই আগষ্টের সমর্থন যারা করেন তারা বলেন - শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি করেছিলেন - উনি নিজের দল ছাড়া সব রাজনৈতিক দল ব্যান করেছিলেন; সরকারি পত্রিকা ছাড়া সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিলেন আর নিজে নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেছিলেন| তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ননভায়োলেন্ট কোন পথ ছিল না!

কথাটা আসলে ঠিক না| পথ ছিল| যদিও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গ্রপ / কর্নেল তাহেরের গ্রূপ - সবাই আলাদা আলাদা ভাবে তাকে হত্যার সুযোগ খঁজছিলো / প্ল্যান করছিলো- সেনা বাহিনী ওই ক্যু না করলেও একটা গণ অভ্যুথ্যান হয়ে যেত - হয়তো অনেক কম রক্তপাতে বা রক্তপাত ছাড়াই সরকার পরিবর্তন হয়তো হয়ে যেত| ২০২৪ সাল তা প্রমান করে দিয়েছে যে গণ অভ্যুথ্যান কি করতে পারে! মানুষ কিভাবে অকাতরে জীবন দিতে পারে|

১৯৭১ পূর্ববর্তী পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালীদের স্বাধিকার আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের সমকক্ষ অবদান আর কারো নেই! ৭২ পরবর্তী সময়ে ওনার ভুল ত্রুটি যেগুলো আছে তা সব মোচন হয়ে গিয়েছে তার করুন মৃত্যু দিয়ে! তার যদি কোন পাপ হয়ে থাকে তা স্খলন হয়ে গিয়েছে ১৫ আগষ্টের ম্যাসাকার দিয়ে!

বাংলাদশের মানুষ জন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের অবদান অস্বীকার করে না - তাকে ভালো বাসতে চায়| জিয়াউর রহমান সাহেব এর আমলে বঙ্গভবনে শেখ সাহেবের ছবি ছিল| জিয়া যখন প্রথম পঁচাত্তর পরবর্তী পার্লামেন্ট এর উদ্বোধনী বক্তৃতা দিলেন - উনি বক্তৃতা শুরু করেছিলেন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান আর মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে স্মরণ করে| জিয়াউর রহমান সাহেব ভারত সরকার কে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিয়ে শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেন - ৩২ নম্বর এর বাড়ি বুঝিয়ে দেন| ১৯৮০ সালে থিয়েটারে / সিনেমা হলে একটা বাংলা চলচিত্র দেখেছিলাম যেখানে শেখ সাহেবের ৭ ই মার্চের ভাষণ এর কিছুটা দেখেছিল| আমার মনে পরে যখন ই এই ভাষণ টা বাজত - পুরো থিয়েটার হাত তালি তে ফেটে পড়তো|

এর পর ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারিক রহমান টুঙ্গিপাড়া গিয়েছেন শেখ সাহেবের সমাধি তে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে|

কিন্তু শেখ সাহেবের মেয়ে শেখ হাসিনার কাছে শুধু মুজিব কে ভালো বসলেই হবে না - এখানে মুজিব একটা কাল্ট ফিগার - এই ওরশিপে কোন শিরক করা যাবে না| শুধু মাত্র শেখ সাহেব কে - একমাত্র শেখ সাহেব কে সম্মান করা যাবে - অন্য কাউকে সম্মান করা যাবেই তো নাই - তাদের কে ঘৃণা করতে হবে|

তাই আজ পনেরোই আগস্টের ন্যারেটিভ এ পরশ তাপস দের কোন কথা নেই|

যেই জেনারেশনটা আজ শেখ হাসিনা কে টেনে নামালো - দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে থকা মুজিবের শত শত মূর্তি তিন ঘন্টার মধ্যে ধ্বংস করে ফেললো - সেই জেনারেশন টাকে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ১২ পর্যন্ত প্রতিটি বছর প্রতিটি সাবজেক্ট এর বইয়ে শেখ মুজিব চ্যাপ্টার মুখস্ত করতে হয়েছে| ওদের ইতিহাস শিক্ষায় মাওলানা ভাসানী নেই, তাজউদ্দীন এর কোন নামোল্লেখ নেই|

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের যেই বাড়িতে জিয়াউর রহমান সাহেব ১৯৭২ সাল থেকে ছিলেন মৃত্যু পর্যন্ত - উচ্ছেদ হওয়া পর্যন্ত যেখানে খালেদা জিয়া থাকতেন - সেই বাড়িটি শেখ হাসিনা বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছিলেন|

শেখ হাসিনা শেখ মুজিবের যে গড লাইক পারসোনা ক্রিয়েট করতে চান - সেই পারসোনা কে নার্চার করার জন্য জিয়াউর রহমান কে শুধু ইতিহাস থেকে উচ্ছেদ করলেই হবে না - তার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেই হবে না - তাকে জাতীয় শত্রু বানাতে হবে! হাসিনা মুজিবের যেই ন্যারেটিভ তৈরী করেছেন - সেখানে শুধু জিয়াই জাতীয় শত্রু না; ভাসানী তাজুদ্দিন অদৃশ্য না - এমন কি মুক্তি যুদ্ধের দ্বিতীয় প্রধান এ কে খন্দকার ও জাতীয় শত্রু হয়ে যান|

এখন যে মুজিবের মূর্তি ভাঙা হচ্ছে - তা মুজিবের প্রতি আক্রোশ থেকে না - তা হচ্ছে হাসিনা মুজিব এর গড লাইক কাল্ট ক্রিয়েট করেছিলেন প্রতি আক্রোশ থেকে| আজ পনেরোই আগষ্ট - আজ যদি ছাত্র জনতা বাধ্যগত ভাবে শোকাভিভূত না হয় - তার কারণ মুজিব না| মুজিব চরম মূল্য দিয়ে চলে গিয়েছেন - তার প্রতি মানুষের ক্ষোভ নাই আর| আজ এই শোকের প্রকাশ টা ফিকে হয়ে গিয়েছে শেখ হাসিনার মুজিব কাল্ট নিয়ে বাড়াবাড়ির কারণে|

আজ অনেককেই দেখলাম ৫০ বছর আগের হত্যাকাণ্ডের জন্য শোক প্রকাশ করছেন - কিন্তু এই লোকগুলো নিজেদের চোখের সামনে গত মাসে ঘটে যাওয়া হত্যাকান্ডগুলো নিয়ে একটা কোথাও বলেন নাই!

আমার কাছে এর মানে হচ্ছে এরা এমন একটা ইজম বা বাদ এ বিশ্বাস করেন তা প্রটেক্ট করার জন্যে দরকার হলে এরা মনে করেন শত শত তরুণ কে মাথায় গুলি করে হত্যা করতে হলে করতে হবে - করাটা প্রয়োজনীয় | এই হত্যাকান্ড গুলো ওদের কাছে নেসিসারি| সুযোগ পেলে ওরা আবার এগুলো করবেন|

এই ১৫ আগষ্টের অঙ্গীকার হোক সেই ভালোবাসার মুজিব কে ফিরিয়ে আনা আর হাসিনা যেই মুজিব কাল্ট কে বেইজ করে একটা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন সেই মুজিব কাল্ট থেকে দেশকে মুক্ত করা|

07/08/2024

এখনই সময়......সবার বাংলা গড়ে তোলার....

#বাংলাদেশ২.০

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ও প্রশাসনে বিগত সময়তে দানব হয়ে উঠা একটা বড় অংশ মানুষ ছিল “পূর্ব ক্ষতিগ্রস্ত“l ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার অনুগতরা এই ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যবহার করে খুব সহজেই এদেরকে দিয়ে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করেছে আর সমাজের বিভিন্ন অংশে একেটা দানব তৈরী করেছে l 2008 থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন l এমন কাওকে সামনে বড় কোনো দায়িত্বে আনলে স্বাভাবিক ভাবেই 2-3 বছরের মধ্যে এই লোক ও এক দানব এ রূপ নিবে l

এখনই সময় পরিবারতন্ত্র কে কবর দেয়ার :

1. দুবারের বেশি কেও সংসদ সদস্য নমিনেশন পাবে না
2. এক পরিবারে 10 বছরের মধ্যে দুইজন নমিনেশন পাবে না
3. পূর্বের কোনো নিজের অথবা পরিবারের ঋণখেলাপি নমিনেশন পাবে না l

আর কোনো রাজতন্ত্র অথবা পরিবারতন্ত্র দেখতে চাই না l

05/08/2024

জিতছি..
বাপ,স্বামির কোটা শেষ
এবার হবে মেধার....বাংলাদেশ...!!!

Address

Dhaka

Telephone

01728505528

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইচ্ছে ঘুড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share