Justice For Women Bangladesh - JFWBD

Justice For Women Bangladesh - JFWBD Legal Help For Women… (6) Performing Survey to find out the awareness level of the people about the rights.

The Organization has focused itself on implementation the following activities:
(1) Providing legal aid to the poor and distressed people
(2) Arranging workshop on different Human rights issue
(3) Giving seminars to create awareness among peoples. (4) Holding round table meeting to discuss the contemporary issue
(5) Arranging debate Competition to make young generation think about human right in the high of logic. (7) Arranging Human Chains to protest the violation of human rights home and abroad. (8) Performing research work to final out the future way to establish human rights. (9) Publishing Journals and publications to convey the human rights scenario and existing rights to the common people.

16/09/2026

দুজনেই প্রতিষ্ঠিত। স্ত্রী একজন ডাক্তার, স্বামী একজন ইঞ্জিনিয়ার। দুজনেরই ভালো চাকরি, ভালো আয়। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে—এমন একটি সংসারে আর কী-ই বা চাওয়ার থাকতে পারে?

কিন্তু সংসার শুধু ভালো চাকরি আর ভালো বেতনে সুন্দর হয় না। সেখানে প্রয়োজন সময়, দায়িত্ববোধ, যত্ন আর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন—বিশ্বাস।

ভদ্রমহিলা সংসারের প্রায় সব দায়িত্বই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। স্বামী ভালো আয় করলেও স্ত্রীকে আলাদা করে কোনো কিছু দেওয়া, তার ছোটখাটো চাহিদা পূরণ করা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ ঠিকমতো দেওয়া—এসবের প্রতি তার তেমন আগ্রহ ছিল না। মাস শেষে স্ত্রীর হাতখরচের সামান্য টাকা রেখে বাকি অর্থও তিনি নিজের কাছে নিয়ে নিতেন।

অদ্ভুত বিষয় হলো, এসব নিয়ে স্ত্রীর মনে তেমন অভিযোগও ছিল না। কারণ তিনি তার স্বামীকে অসম্ভব ভালোবাসতেন এবং চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতেন।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে স্বামীর আচরণে কিছু পরিবর্তন ধরা পড়তে শুরু করল। অস্বাভাবিক খরচ, পরিবারের সঙ্গে কম সময় কাটানো, গভীর রাতে বাড়ি ফেরা—সবকিছু মিলিয়ে তার মনে ধীরে ধীরে কিছু প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল।

তারপরও তিনি নিজের সন্দেহকে বিশ্বাস করতে চাননি। তিনি ভাবতেন, ‘আমি যাকে এতটা ভালোবাসি, সে নিশ্চয়ই আমাকে এভাবে ঠকাতে পারে না।’

কয়েকদিন আগে তার ছোট ভাই ঘটনাচক্রে তার স্বামীকে এক নারীর সঙ্গে একটি আবাসিক হোটেল থেকে বের হতে দেখেন। বিষয়টি বোনকে জানানোর পর প্রথমে ভদ্রমহিলার বিশ্বাসই হচ্ছিল না।

নিজের চোখে সত্যিটা না দেখা পর্যন্ত তিনি স্বামীকে দোষী ভাবতে চাননি। তাই বিষয়টির সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত এমন কিছু তথ্য ও প্রমাণ সামনে আসে, যেগুলো তার সন্দেহকে সত্যিতে পরিণত করে। শুধু একটি ঘটনা নয়—স্বামী বিভিন্ন সময়ে একাধিক নারীকে নিয়ে ওই হোটেলে যাতায়াত করতেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়।

যে মানুষটিকে তিনি এতদিন নিঃশর্তভাবে বিশ্বাস করেছেন, তার সম্পর্কে এমন সত্য জানার পর ভদ্রমহিলা কাউকে কিছু না বলে বাবার বাড়িতে চলে যান।

স্বামী পরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে জানতে চান, হঠাৎ করে তিনি কেন চলে এসেছেন। তখন স্ত্রী সরাসরি কিছু প্রশ্ন করেন এবং একের পর এক প্রমাণ তার সামনে রাখেন।

কিন্তু সেসব প্রশ্নের কোনো গ্রহণযোগ্য উত্তর তার স্বামীর কাছে ছিল না।

আমরা চেষ্টা করেছিলাম বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিটিয়ে দেওয়ার। দুজনেই শিক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত মানুষ। চেয়েছিলাম ভুল-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করে সম্পর্কটা আরেকবার বাঁচানোর সুযোগ দেওয়া হোক।

কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হয়ে দাঁড়াল—বিশ্বাসটা আর অবশিষ্ট ছিল না।

একবার ভালোবাসার মানুষটির প্রতি বিশ্বাস ভেঙে গেলে শুধু ‘আর হবে না’ বললেই আগের জায়গায় ফিরে যাওয়া যায় না।

ভদ্রমহিলা শেষ পর্যন্ত আইনিভাবে বিষয়টির সমাধান চেয়েছেন এবং দীর্ঘ আলোচনা ও চেষ্টা করেও সম্পর্কটি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। আজ তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে।

ঘটনাটি সত্যিই খুব কষ্টের।

একজন নারী যখন নিজের স্বামীকে ভালোবেসে তার ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখেন, তখন সেই বিশ্বাসের মূল্য অনেক বড়। সংসারে হয়তো সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়, সবসময় উপহার দেওয়াও সম্ভব নয়—কিন্তু প্রতারণা না করার দায়িত্বটা তো দুজনেরই।

টাকা-পয়সার অভাব অনেক সময় মানুষ মেনে নিতে পারে। স্বামীর কম আয়ও একজন স্ত্রী মেনে নিতে পারেন। কিন্তু যাকে নিজের সবচেয়ে আপন মানুষ মনে করে বিশ্বাস করেছেন, সেই মানুষটির কাছ থেকেই যখন প্রতারণার শিকার হতে হয়—সেই আঘাতটা অনেক গভীর।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ সবসময় অভাব নয়; কখনো কখনো ভেঙে যায় শুধু বিশ্বাসটা।

একজন মানুষ কীভাবে পারে তার সবচেয়ে বিশ্বাসী মানুষটাকেই বারবার ঠকাতে—এই প্রশ্নটার উত্তর হয়তো যার বিশ্বাস ভেঙেছে, তার কাছেও কোনোদিন পরিষ্কার হবে না।

16/09/2026

আমাদের বিয়ে হয়েছে চার বছর, আমার একটি বাচ্চা আছে চার মাস বয়স
আমার হাসবেন্ড এর সাথে আমার ৭বছর রিলেশন করার পরে বিয়ে হয়েছে, আমাদের সংসার ভালোই চলছিল আামাদের কেমিস্ট্রি ও অনেক ভালো কিন্তু আমার স্বামী রিসেন্ট একটা রিলেশনশিপে ইনভলব হয়েছে এবং তার সাথে সম্পর্ক অনেক ঘনিষ্ঠ, আমি জানতে পারার পরে তার ফ্যামিলি ও আমার ফ্যামিলিকে জানাই বাট সে ওখান থেকে ফিরে আসতে সময় নিতে চায়।
আমি তাকে জিজ্ঞেস করি আমার কোনো ফল্ট আছে কিনা কেন সে এরকম করলো সে বলে তুমি ঠিক আছো তোমার কোনো প্রবলেম নেই
আমি বলি তাহলে যেকোনো একজনকে তোমার চুজ করতে হবে দুইজন নিয়ে থাকলে আমার পক্ষে ঘর করা সম্ভব না তখন সে বলে এটা তোমার ডিসিশন।
এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি পরামর্শ চাই
তার ফ্যামিলি ও আমাকে চায় সে ও আমাকে রাখতে বাট ওখান থেকে সরে আসতেছে না
আমার পক্ষে মেনে নেয়া ও অসম্ভব

16/09/2026

প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম স্ত্রী আমাদের কাছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আসে, তিনি তার স্বামীর একটা শাস্তি দাবি করে কারণ তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার পর ভদ্রমহিলার উপর অমানুষিক নির্যাতন করে সেই নির্যাতনের শিকার এই ভদ্রমহিলা এতসব নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাধ্য হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চায়। আমাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়, সে মামলায় তার স্বামী আজকে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে তাকে আদালতে তোলা হবে এবং আশা করি সে তার শাস্তি পাবে খুব দ্রুত সময়ে জামিন সে পাবে না।।

16/09/2026

আসসালামু আলাইকুম,
প্রচুর ফ্রাস্ট্রেশন'এর মাঝে কিছু সময় পার করছি।
আমার বর্তমান বয়স ২৫+ । মাস্টার্স কমপ্লিটেড।
আমি পারিবারিকভাবে বিয়ে করি, গত অক্টোবর মাসে।

বিয়ে নিয়ে ছোট বেলা থেকে প্রচুর ফ্যান্টাসি ছিল, তার উপর না গার্লফ্রেন্ড ছিল, না ছিল মেয়ে বান্ধবী।
এতে করে,বিয়ের ফ্যান্টাসি ছিল ১০০/১০০।

আম্মু-আব্বু'কে অনেক কষ্টে মজার ছলে, সিরিয়াস কনভারসেশনের মাধ্যমে রাজি করিয়ে বিয়ে করেছিলাম, আমার স্ত্রী'কে।

তার বয়স ২২।
আমার থেকে প্রায় ৪ বছরের ছোট (বলা যায়)।

বিয়ের ৫+ মাস পর, গত ২-৩ দিন আগে জানতে পারলাম, আমার ওয়াইফ নাকি, আমার সাথে বিয়ে হওয়ার ৬-৭ মাস আগে, তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গিয়েছিল।
পরে, তার কিছুদিন পর পুলিশ + আত্মীয়ের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।

ঐ সময়ের মাঝে তাদের বিয়ে হয়েছিলো কিনা, সে বিষয়ের কোন প্রমাণ আমার সামনে নেই।

আমার স্ত্রী আর তার এক্স (সম্ভবত)'এর বিয়ে পরিবার থেকে দেওয়া হয়নি, কারণ, ভদ্রলোকের পারিবারিক ক্লাস,নিম্ন শ্রেণির।
কোন কিছুই মিলে না।
পরে সেই ভদ্রলোক'কে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে সরানো হয়েছে, নাকি! (শুনলাম)

(এই সম্পূর্ণ ঘটনা, আমার স্ত্রী'এর এক কাছের আত্মীয়,
আমার কাছে এক্সপোস করেছেন, রিসেন্টলি।
ছবি, ভিডিও সহ)

আমি তৎক্ষণাত, আমার স্ত্রী'এর সাথে এই বিষয়ে আলাপ করি।
প্রমাণ থাকায়,স্বীকার না করে, কনভারসেশন স্কিপ করার কোন সুযোগ ছিল না।

সে, আমার পা-টা ধরে, মাফ চেয়ে, কান্না-কাটি করে, অবস্থা খারাপ বানিয়ে ফেলেছে।

আমার স্ত্রী আমাকে জানিয়েছে, সেই ছেলের সাথে বিয়ের পর থেকে আর যোগাযোগ হয়নি।

আমাকে বলেছে, এখন আমি যদি তাকে ডিভোর্স দেই, তাহলে নাকি, তার বাবা, তাকে জ*বাই করবে!

সবকিছু সাইডে রেখে হিসাব করলে,
I'm Brutally Cheated.

এই মূহুর্তে কি করব!

আমি ১০০/১০০ সিওর, আমি যদি আমার পরিবারের সাথে এই বিষয় নিয়ে আলাপ করি, তাহলে, আমার স্ত্রীকে তারা বের করে দিবে।

এই বিষয় নিয়ে আমি, আমার ছোট খালার সাথে আলাপ করলাম,
তিনি বললেন, যাতে অতীত ভুলে গিয়ে নতুন লাইফ স্টার্ট করি!
তবে আমার নতুন করে স্টার্ট করার মত কিছু তো না'ই।

গোলকধাদার মাঝে আছি ভাই, মাথা কাজ করতেছে না।

অনেকে হয়তো আমাকে নিয়ে মনে-মনে ট্রল করবেন বা খারাপ কথা বলবেন আমাকে নিয়ে, তবে আমার বিষয়টা একটু অনুভব করবেন!

নিজের এত বছরের জমানো অনুভূতি, ফিলিংস, সেইভড ইফোর্ট, সব ধুলায় মিশে, হাওয়া হয়ে গেছে।

নিজের উপর কন্ট্রোল রাখা উচিত ছিল!
আবেগে গা, না ভাসাইলে আমার লাইফটা আর এরকম হইতো না!

কি করবো ভাই বলেন মাথা তো কাজ করতেছে না!

16/09/2026

আমাদের বিয়ের চার বছর হয়ে গেছে। অথচ আজও আমার স্বামীর সঙ্গে স্বাভাবিক দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি।

স্বামী যখন আমার কাছে আসতে চায়, তখন অজানা একটা ভয় আমাকে গ্রাস করে। শরীর শক্ত হয়ে যায়, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। বিষয়টা ইচ্ছা করে করি না, কিন্তু যেন আমার শরীর নিজে থেকেই প্রতিরোধ করে। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেকবার ঝামেলাও হয়েছে।

আমি চিকিৎসকের কাছে গিয়েছি। কিন্তু তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

বিয়ের মাত্র এক বছর পর আমার স্বামী কাজের জন্য বিদেশে চলে যায়। তখন আমার বয়স মাত্র ১৪ বছর। আসলে খুব অল্প বয়সেই আমার বিয়ে হয়েছিল। তখন নিজেকে বোঝাতাম, হয়তো বয়স কম বলেই এমন হচ্ছে। সময় গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু এত বছর পরও সমস্যাটা থেকে গেছে।

সম্প্রতি স্বামী দেশে আসার পর আমরা আবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। তখন চিকিৎসক জানান, আমার ভ্যাজাইনিসমাস থাকতে পারে—যেখানে ভয়, উদ্বেগ বা অনিচ্ছাকৃত পেশির সংকোচনের কারণে শারীরিক সম্পর্ক অত্যন্ত কঠিন বা অসম্ভব হয়ে যেতে পারে।

কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে এতটাই তর্ক-বিতর্ক শুরু হয় যে একসময় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। আমার স্বামী আমার গায়ে হাত তোলে।

আমি আর সহ্য করতে না পেরে বাবা-মাকে সব খুলে বলি। পরে আমার ছোট চাচা এসে আমাকে নিয়ে যান।

সেদিন বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় স্বামীর পাসপোর্ট ও ভিসার কাগজপত্রও আমার সঙ্গে চলে আসে।

আমার স্বামী যখন প্রথমবার বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন আমার বাবা তাকে প্রায় ৭ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার নামে প্রায় ১০ কাঠা জমিও লিখে দিয়েছিলেন। সেই টাকা বা জমির বিনিময়ে আমি কখনো কোনো দাবি করিনি, হিসাবও চাইনি।

অনেক ঝামেলার পর একসময় শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে আবার নিয়ে যেতে আসে। তখন আমি একটা শর্ত রাখি—আমি সংসারে ফিরব, তবে বাবার দেওয়া সেই জমিটি আমার নামে করে দিতে হবে। তারা রাজি হয়। আমি ফিরে যাওয়ার কিছুদিন পর স্বামী জমিটি আমার নামে লিখে দেয়।

কিন্তু এখন সে আবার বিদেশে চলে গেছে। আর যাওয়ার পর থেকেই যেন আমার প্রতি তার আগ্রহটাই কমে গেছে। ঠিকমতো কথা বলে না, খোঁজ নেয় না। আমি নিজে ফোন করলেও বেশিক্ষণ কথা বলতে চায় না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো—আমি তাকে অসম্ভব ভালোবাসি।

আমি কখনো চাইনি আমাদের সম্পর্কটা শেষ হয়ে যাক। ডিভোর্সের কথা চিন্তা করতেও আমার বুক কেঁপে ওঠে। কিন্তু তার বর্তমান আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, হয়তো সে নিজেই একদিন আমাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আমি জানি, আমাদের দাম্পত্য জীবনে একটা বড় সমস্যা আছে। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধান কি বিচ্ছেদ আর দূরত্বই হতে হবে?

আমি চাই, সে যদি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে, তাহলে আমার সমস্যাটাকে অসুস্থতা হিসেবে দেখুক, অপরাধ হিসেবে নয়। আমি চিকিৎসা নিতে প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে দীর্ঘদিন চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং করতেও রাজি।

কিন্তু তারও তো আমার পাশে দাঁড়াতে হবে।

আমি তাকে হারাতে চাই না। আবার এমন সম্পর্কেও থাকতে চাই না যেখানে ভয়, ঝগড়া আর শারীরিক নির্যাতন থাকবে।

এখন আমি কী করব?

ভালোবাসার মানুষটাকে ধরে রাখার চেষ্টা করব, নাকি নিজের সম্মান ও নিরাপত্তার কথা ভেবে ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেব?

আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না। তাই আপনাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ মতামত চাই।

16/09/2026

আমার বয়স ১৮ বছর। যার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে, তার বয়স ২৮-এর বেশি। সত্যি বলতে, প্রথম দেখায় তাকে আমার পছন্দ হয়নি। কিন্তু পরিবার যখন বোঝাল, তখন নিজেকে বুঝিয়েছি—মানুষের বাহ্যিক চেহারা বা বয়সই তো সবকিছু নয়। একজন জীবনসঙ্গী ভালো মানুষ হলেই সেটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

বিয়ের রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর সে আমার নম্বর নিয়ে কথা বলা শুরু করে। কথায় কথায় জানতে পারি, এর আগে তার দুই-তিন জায়গায় বিয়ের কথা হয়েছিল, কিন্তু কোনোটা শেষ পর্যন্ত হয়নি। কারণ হিসেবে সে জানায়, একজন তার পরিচিত ছাত্রী ছিল এবং আরেকটি বিয়ে নাকি তার অসুস্থতার কথা জানতে পেরে ভেঙে যায়।

আমি সরাসরি জিজ্ঞেস করি, তার আসলে কোনো শারীরিক সমস্যা আছে কি না। তখন সে জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে তার কিডনিতে টিউমার হয়েছিল এবং অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এখন সে সুস্থ আছে—এই কথায় আমিও বিষয়টি মেনে নিই। কাউকে কিছু বলিনি, কারণ অতীতের অসুস্থতা নিয়ে আমার কোনো সমস্যা ছিল না।

কিন্তু বিয়ের পর একের পর এক এমন কিছু বিষয় জানতে শুরু করি, যেগুলো আগে আমাকে জানানো হয়নি।

পরে জানতে পারি, তার বড় বোনের ডিভোর্স হয়েছে এবং তিনি বাবার বাড়িতেই থাকেন। তার চাকরির বেতনও পরিবারের কাছে একরকম বলা হয়েছিল, পরে জানতে পারি প্রকৃত আয় তার চেয়ে অনেক কম। এসব বিষয়ও আমি বড় করে দেখিনি। ভেবেছি, সংসার মানে তো শুধু টাকা-পয়সার হিসাব নয়।

কিন্তু সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে যখন অন্য মানুষের কাছ থেকে শুনি, তার একটি কিডনি নেই।

আমি বিষয়টি তাকে একাধিকবার জিজ্ঞেস করার পর শেষ পর্যন্ত সে স্বীকার করে। অথচ বিয়ের আগে আমাকে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানানো হয়নি। বরং এমনও বলেছে—“মেনে নিতে না পারলে ডিভোর্স দিয়ে দাও।”

আমি তখন ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি।

এর পাশাপাশি বিয়ের পর থেকেই আমাদের দাম্পত্য জীবনেও সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় এক মাস পার হয়ে গেলেও স্বাভাবিকভাবে আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়নি। সে আগ্রহ দেখালেও কাছে আসার পর বিষয়টি আর এগোতো না। আমি সরলভাবে ভেবেছি, হয়তো নতুন সম্পর্কের কারণে এমন হচ্ছে, সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি।

আমি তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছি। কিন্তু সে নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যেতে চায় না। কখনো পরিচিত কারও প্রেসক্রিপশন, কখনো ফার্মেসি থেকে ওষুধ, আবার কখনো বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা—এসবের ওপরই নির্ভর করেছে। আমি যতবার বলেছি, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সঠিকভাবে পরীক্ষা করাতে, সে ততবারই বিষয়টি এড়িয়ে গেছে।

এর মধ্যে তার পরিবারের আর্থিক সমস্যাও ছিল। কিস্তির টাকা নিয়ে বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বিয়ের পর প্রথম কয়েক মাস আমার নিজের প্রয়োজনের বিষয়েও তেমন কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি—প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, পোশাক কিংবা হাতখরচ কিছুই নিয়মিতভাবে পেতাম না।

সবকিছু মিলিয়ে আমি ধীরে ধীরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে থাকি।

শেষ পর্যন্ত আমি বাবার বাড়িতে চলে এসেছি। এখন আর এই সংসারে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু আমার স্বামীর পরিবার নানা উপায়ে আমাকে আবার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তার বাবা চিকিৎসার নামে বিভিন্ন তাবিজ-কবচের কথাও বলছেন।

আমার সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে এই কারণে যে, সম্পর্কের শুরু থেকেই আমার সঙ্গে অনেক কিছু গোপন করা হয়েছে। আমি ছিলাম খুব সরল এবং বিশ্বাসী। সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে আমাকে এমন একটি সম্পর্কে আনা হয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য আমার কাছ থেকে লুকানো হয়েছে।

আমি কাউকে ছোট করতে চাই না। তার অসুস্থতা বা শারীরিক সমস্যার জন্যও আমি তাকে দোষ দিচ্ছি না। একজন মানুষ অসুস্থ হতে পারেন—এটা অপরাধ নয়। কিন্তু বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সত্য গোপন করা, মিথ্যা বলা এবং পরে বিষয়গুলো প্রকাশ পাওয়ার পর দায়িত্ব না নিয়ে “মেনে নিতে না পারলে চলে যাও” বলা—এগুলোই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে।

আমি এখন মাত্র ১৮ বছরের একজন মেয়ে। জীবনের এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য হয়তো বয়সটা খুব কম। তাই আমি দ্বিধায় আছি।

একদিকে মনে হচ্ছে, এতকিছুর পর এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাই হয়তো আমার জন্য ভালো। অন্যদিকে ভয় হচ্ছে—আমি কি খুব তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি?

আমি কি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিলে ভুল করব?
নাকি নিজের ভবিষ্যৎ, মানসিক শান্তি এবং সম্মানের কথা ভেবে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই উচিত?

আপনাদের নিরপেক্ষ মতামত চাই।

16/09/2026

আমাদের বিয়ে হয়েছে সাড়ে চার বছর। ছেলের বয়স তিন। কিন্তু এই তিন বছরের ছেলেটাই যেন আমার সবচেয়ে বড় শত্রু—আমার পেটের শত্রু, আমার প্রেমের শত্রু! 😄

আমাদের রোমান্সের মাঝখানে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই তিন বছরের খুদে শয়তানটা।

রাতে ওকে কিছুতেই বিছানার একপাশে শোয়ানো যায় না। ওর ফিক্সড জায়গা হলো—আমাদের দুজনের ঠিক মাঝখানে!

রোজ রাতে ছেলে যখন গভীর ঘুমে কাদা হয়ে যায়, আমি খুব সাবধানে ওকে সরিয়ে একপাশে শুইয়ে দিই। মনে মনে ভাবি, “যাক, এবার হয়তো একটু নিজেদের মতো সময় কাটানো যাবে।”

কিন্তু কোথায় কী! পনেরো মিনিট না যেতেই দেখি, সে হামাগুড়ি দিয়ে আবার ঠিক মাঝখানে হাজির।

আর আমরা যদি একটু ঘেঁষে শুয়ে থাকি, তাহলে তো কথাই নেই। জায়গা না পেয়ে সোজা দুজনের গায়ের ওপর চড়ে হাত-পা ছড়িয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাবে!

মাঝে মাঝে তার এক পা থাকে বাবার পেটের ওপর, আর এক হাত এসে পড়ে আমার মুখের ওপর। আমাদের সব মিডনাইট রোমান্সের একেবারে দফারফা! 😂

বরের কাছে যাওয়ার জন্য বাচ্চার ঘুমের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করা যে কী ঝক্কির কাজ, সেটা শুধু ভুক্তভোগীরাই বুঝবে!

তবুও যতই রাগ হোক, মাঝরাতে যখন দেখি—একটা হাত বাবাকে জড়িয়ে আছে, আর একটা হাত আমার গলা জড়িয়ে ধরে সে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে, তখন সব রাগ কোথায় যেন মিলিয়ে যায়।

আমাদের ভালোবাসার মাঝে এই ছোট্ট মানুষটাই এখন সবচেয়ে বড় বাধা, আবার সবচেয়ে বড় ভালোবাসাও।

আমাদের গোলমেলে রোমান্সের এই মিষ্টি দেওয়ালটাই এখন আমাদের সবচেয়ে প্রিয়। ❤️

16/09/2026

কম্প্রোমাইজ করে সব সময় সম্পর্ক সংসার ঠিক রাখার ধৈর্য থাকে না। স্বামী জব করে সংসারের যাবতীয় খরচ সে বহন করে। আমি স্ত্রী হিসাবে আমার যতটুকু দায়িত্ব স্বামীর প্রতি এবং সংসারের প্রতি সবটুকু পালন করি। মাজে মধ্যেই স্বামীর বিভিন্ন অন্যায় আবদার চোখ বন্ধ করে মেনে নেই। অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করি। সেক্রিফাইস করি। এখন এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে আমার স্বামী আমার কাছে এমন এক আবদার করেছে যা শোনার পর তাকে কি বলা উচিত কিংবা করা উচিত বুঝতে পারছি না। সে আমার কাছে আবদার করেছে একটি বিয়ে করবে তার একজন গার্লফ্রেন্ড আছে তাকে সে কথা দিয়েছে। আমি যেন বিষয়টা একটু সেক্রিফাইস করি। এই অবস্থায় আমার কি করা উচিত।??????

16/09/2026

আসসালামু আলাইকুম
অসংখ্য ধন্যবাদ এই গ্রুপকে এবং গ্রুপের অ্যাডমিনকে। এই গ্রুপে অনেকদিন থেকে আমি আছি। অনকের অনকে সমস্যার কথা লিখতে দেখলাম এবং ভালো সমাধানও পাইতে দেখলাম।

এই বার আমার সমস্যার কথা বলি।
পারিবারিকভাবে আমি একজন সিঙ্গেল Father. আমদের সংসার আজকে ৩ বছর।আমার ছেলের বয়স ২.৫ বছর। আমার বয়স ৩৪ আমার ওইফের বয়স ২৮ আমার ফ্যামিলিতে তেমন কেউ নেই এক ভাই আমি। আমি আমার ভাইয়ের পছন্দতে বিয়ে করতে আমাকে বাধ্য করা হয় এবং করতে হয় করেছি। আমার বাবু হওয়া পর্যন্ত সংসারটা ভালো ছিল। বাবু হওয়ার পর থেকে আমার এবং আমার ছেলের প্রতি অনেক উদাসীন এবং সংসারের প্রতি। আমরা দুজনেই একটা প্লেট নিয়ে থাকি। সারাদিন সে তার বাবা-মায়ের সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত সে মোবাইল নিয়ে বন্ধুবান্ধব এগুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এবং তাকে যখনই বলা হয় যে আমাদের ফিজিক্যালের কথা কোনভাবেই করতে চাচ্ছে না এটাকে সে মানতে পারে না এটা হলে সে থাকবে না চলে যাবে এরকম সমস্যাগুলো কথা বলতেছে বারবার। তাকে ডাক্তার দেখানো হয়েছে অনেক ভালো হসপিটালে ডাক্তারের কোন নিয়মকানুন মানতে চাচ্ছে না। আমার ফিজিক্যাল নিড খুব বেশি না আবার খুব কম না। লাস্ট এক বছরে আমাদের একটা বারের জন্য ফিজিক্যাল হয়ে নাই। তার কাছে মাঝে মাঝে একটা ২ টা মেয়ে আসে এবং তারা রাতে থাকে থকন সে এবং তার মেয়ে বন্ধু একসাথে রুমে থাকে আমি আলদা থাকি এবং আমি তার ভরণপোষণ থেকে শুরু করে সবকিছু সময় মত দিয়ে আসছি। সে আমাকে প্রায় বলে আমি আরেকটা বিয়ে করার জন্য। সেও থাকবে আরেকটা বউ জেন আমি নিয়ে আসি। আমার ওইভাবে কোন মেয়ে বান্ধবী নেই। এটা আমি কোনভাবে মানতে পারতেছি না কি হতে যাচ্ছে এবং আমার কি ডিসিশন নেওয়া উচিত। আমরা আলাদা থেকেও দেখছি আমার প্রতি তার কোন টান কাজ করে না
Please Help

16/09/2026

৫ বছর প্রেম করার পরে, আমার হাসব্যান্ড আমাকে বিয়ে করতে চাই নি, কিন্তু এত দিন খালি date দিতো, আজ না কাল করতে করতে ৫ বছর হয়ে যায়। আমিও এক প্রকার জোর করে তাকে রাজি করাই তারপর বিয়ে করি ২ ফ্যামিলির সম্মতিতে। বিয়ের ১ বছর পরে সে আর আগের মতো নেই, আমার সাথে অনেক খারাপ ব্যাবহার করে। আজকে সে বলেই দিয়েছে আমাকে তার ভালো লাগে না। আমাকে নাকি সে ভালোবাসে না। আমি ২ মাসের প্রেগন্যান্ট আমি কি করবো এই লোকের সাথে থাকাটা কি ঠিক হবে। এই কথা শোনার পর থেকে মনে হচ্ছে আমি divorce দিয়ে চলে যাই। কিন্তু আমার বাচ্চার কি হবে, তাকে আমি একা কিভাবে মানুষ করবো। নাকি abortion করে divorce দিবো।😔

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Justice For Women Bangladesh - JFWBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Justice For Women Bangladesh - JFWBD:

Shortcuts

Share