Voice Of Woman Bangladesh-(VOWBD)

Voice Of Woman Bangladesh-(VOWBD) Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Voice Of Woman Bangladesh-(VOWBD), Nonprofit Organization, 32/B Nigar Plaza, Level-7, Road-2, Sector-3, Uttara, Dhaka.

Voice of Women Bangladesh (VOWBD) is a non-profit organization committed to empowering women through free legal aid, women's cyber awareness and advocacy for gender equality.

10/10/2025

আমি বুঝতে পারছি না কেন এতো কস্ট হচ্ছে। নরমাল হওয়ার চেষ্টা করছি নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না।১৮ বছরের সংসার আমার সে ২য় বিয়ে করলো লুকিয়ে। খবর পেয়ে সেখানে গেলাম হাতে নাতে ধরলাম।
ছেলে মেয়ে বড় হলো বললাম কেমনে এই কাজটা করলা..??? কান্না করলো ছেলে মেয়ের সামনে মাফ চাইলো।বলল আমি ভুল করছি আমাকে শাস্তি দাও।তার বই ৬ মাসের প্রেগন্যান্ট। কিছু বলি নাই কোন ঝামেলা করি নাই।প্রমাণ পেয়ে চলে আসলাম।এখন বলে তুমি থাকলে থাকো ডিভোর্স নিলও নিতে পারো।আমি তো শুধু সংসারের কথা ভাবছি।২য় কোন চিন্তা করি নাই।
কিছুতেই নরমাল হতে পারছি না ভাগ্যকে মেনে নিয়েছি।নামাজ পড়ি স্বাভাবিক জীবন করতে চাই। যা হারিয়েছি তা নিয়ে ভেবে আর কি লাভ..?? কি করলে আমি নরমাল হতে পারি..?? আমার মেয়ে এস এস সি পরীক্ষা দিবে। ওরাই তো জীবন আমার।

05/10/2025

আমার বয়স ২৬ বছর। আমি পরিবারের বড় মেয়ে এবং আমার চার মাসের একটি ছেলে আছে। আমি সব সময় শহরে বড় হয়েছি। আমার স্বামী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় তাকে বছরের অর্ধেক সময় শিপে থাকতে হয়। তাদের বাসা গ্রামে এবং এটি একটি যৌথ পরিবার। তাই আমি তাকে বিয়ের আগেই বলেছিলাম, সে যখন দেশে থাকবে, আমি তার সাথেই থাকব; কিন্তু সে যখন শিপে থাকবে, আমি আমার বাবার বাড়িতে থাকব। সে এতে রাজি ছিল এবং সেই অনুযায়ীই আমরা চলি। সমস্যা এখন আমার বাবার বাড়িতে। আমার বাবা-মা যে আমাকে ভালোবাসেন, তা আমি জানি। তারাও চান যে আমি তাদের সাথে থাকি কিন্তু এখন আমি এখানে থাকলে মা কেমন যেন খুঁতখুঁত করেন। তার সব কাজ সময়মতো শেষ করতে হয়। তিনি একটু গোছালো এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন। আমিও তেমন, কিন্তু এখন ছোট বাচ্চা থাকায় আমি সব কাজ সময়মতো করতে পারি না। এমন না যে সব কাজ আমাকেই করতে হয়। কাজ বলতে, সকালে নিজের নাস্তা নিজে বানিয়ে খাই আর রুমগুলো গুছিয়ে রাখি। আর বিকেলে সবার জন্য নাস্তা আমিই তৈরি করি। বাকি সব কাজ মা আর কাজের লোক করে।

আমি আবার চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, এটাও আমার বাবা-মায়ের ইচ্ছা। আমার বা আমার স্বামীর খুব একটা ইচ্ছা বা প্রয়োজন নেই,সারাজীবন তাদের খুশি রাখতে এবং তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে ভালো ভালো ফলাফল করেছি। এখন তারা বলেন যে আমাকে একটা চাকরি পেতেই হবে, অথচ চাকরি পাওয়ার জন্য দিনে আট থেকে দশ ঘণ্টা যে পড়াশোনা করতে হয়, সেই সুযোগ তারা দেন না। তাদের কথা অনুযায়ী, বাচ্চা তারা মাঝে মাঝে দেখভাল করেন এবং আমাকে রান্না করতে হয় না। এখন সমস্যা হলো, এখানে আমাকে এসব করতে হয় না ঠিকই, কিন্তু তাদের সময়সূচি অনুযায়ী চলতে হয়। যার কারণে দিনের প্রথম ভাগে আমার কোনো পড়াই হয় না আর বিকেলে বা রাতে আমার পড়ার আর শক্তি বা মেজাজ থাকে না। তখনও বাচ্চা তো আছেই। কিন্তু তারা এসব বুঝতে চান না, আবার এখন শুরু হয়েছে যে, আমার শরীর মোটা হয়ে যাচ্ছে আমাকে দেখতে বেশি বয়স্ক লাগছে। আমি আগে থেকেই একটু স্বাস্থ্যবান, খেলেই মোটা হই এমন শরীর আমার। তাই সব সময় আমাকে মেপে খেতে হতো। কিন্তু এখন আমি বাচ্চাকে শুধু বুকের দু-ধ খাওয়াই, কীভাবে মেপে খাব? নিজেকে ঠিক করতে আমার এক বছর সময় তো লাগবেই।

আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অনেক ভালো, তবুও বাড়তি কিছু খেতে হলে আমাকে কিনে খেতে হয়। মাসিক খরচের টাকা মায়ের হাতে থাকে আর প্রতিদিন একটি ডিম বরাদ্দ। এর চেয়ে বেশি খেতে হলে আমাকে কিনে খেতে হয়। এসব আবার আমার বাবা জানেন না। আর বাবা-মা কোনো কারণে রাগ করলে বা কথা শোনালে আমার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। মোট কথা, তাদের সাথে থাকলে আমি মানসিক চাপে থাকি কিন্তু তারা চান আমি তাদের সাথেই থাকি, এতে নাকি তারা ভালো থাকেন। আমি আবার তাদের অনেক ভালোবাসি। কী করলে আমি ভালো থাকব আর তারাও ভালো থাকবেন, তা আমি বুঝতে পারি না। উল্লেখ্য, আমার একমাত্র ছোট ভাইয়ের সাথে তাদের ব্যবহার সম্পূর্ণ আলাদা। তার কাছে তাদের ভালো ব্যবহার ছাড়া আর কিছুই চাওয়ার নেই।

05/10/2025

আমার বিয়ের দুই বছর হয়েছে এবং আমার স্বামী দুবাই থাকেন। তার বেতন ভালো। আমাদের বাড়িতে মোটামুটি সব আসবাবপত্র আছে, কিন্তু বিয়ের পর বাবার বাড়ি থেকে তেমন কিছুই দেওয়া হয়নি, কারণ বাবার আর্থিক সামর্থ্য নেই। আমার ভাইয়ের দেওয়া টাকা দিয়ে আমাদের সংসার চলে, তাই কোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে বলেন, 'তোমার বাবা-ভাই তো কিছুই দিলো না, এখন এটা-ওটা চাইতে বলে।' তিনি বলেন, 'তোমার ভাইকে বলো কানের দুল বা ফোন কিনে দিতে। চাইতে সমস্যা কী?' এই কথাগুলো শুনলে আমার খুব কষ্ট হয়,বাবার সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই দিতেন। আর ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে, তারও সংসার আছে। তার একার পক্ষে এতকিছু দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ তার আয়ও খুব বেশি নয় যে আমাকে ১/২ লাখ টাকার কিছু কিনে দেবে। এই পরিস্থিতি থেকে আমি কীভাবে মুক্তি পেতে পারি?"

05/10/2025

আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, তখন আমার বাবা-মায়ের ডিভোর্স হয়। আমার বাবা প-রকীয়া করে অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছেন। ওই মহিলারও আগে প্রবাসী স্বামী ছিল এবং একটি ছোট ছেলেও ছিল। সেই মহিলা আমার বাবার সাথে অনেক দিন প-রকীয়া করার পর বিয়ে করে ফেলেন। আমার মা শুধু আমার জন্য এখনো বিয়ে করেননি। আমার বাবা থাকতে সংসারের সব খরচও আমার মা-ই চালাতেন। আমার বাবা কাজেই যেতেন না। আমার মা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করেন। আমাকে ভালো রাখার জন্য তিনি সারাদিন পরিশ্রম করতেন, এমনকি এখনো করেন।
এখন ওই ঘরে বাবার দুই বছরের আরও একটি মেয়েও আছে। এখন আমার বাবা সারাদিন খাটতে পারেন। অথচ তখন আম্মু ঝগড়া করলে বলতেন, "আম্মু ঝগড়া করে।" আমার আম্মু বলেছিলেন, "আমি সব কষ্ট সহ্য করতাম, কিন্তু বিয়েটা কেন করলো?" এখন তো তারা সুখী আছে, আর মাঝখানে আমাদের মা-মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে গেল। সবাই আমাদের মা মেয়ের দোয়া করবেন।

05/10/2025

আমার স্বামী প্রবাসী। আমার মেয়ের জন্মের ৪ দিন পর তিনি প্রবাসে চলে যান আর আমার শুরু হয় শ্বশুরবাড়িতে টিকে থাকার লড়াই। তিনি চলে যাবেন, তাই শ্বশুরবাড়িতেই ছিলাম। একদিন রাতে ৩টার দিকে আমার প্র-সব য-ন্ত্রণা শুরু হয়, পানি ভাঙতে শুরু করে। আমার শাশুড়ি সেই অবস্থায় রমজান মাসে রাত ৩টায় আমাকে আমার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। মেয়ে জন্মের প্রায় আড়াই মাস পর (বাড়িতেই নরমাল ডেলিভারি হয়েছিল) আমাকে শ্বশুরবাড়িতে আনা হয়। কারণ আমার শশুর নাকি আমি বাপের বাড়ি থাকলে বাড়িতে ভাত খাবে না, যেহেতু আমি ছোট বাচ্চার মা। (আমার শাশুড়ির দ্বিতীয় স্বামী। আমি বিয়ের পর থেকে বাবা-ই ডাকতাম, তবে এখন শ্বশুর বলতেও ঘৃণা লাগে। কারণটা বলছি না।) এখানে আসার পর শুরু হয় মানসিক অ-ত্যাচার। সব বলতে গেলে লেখা অনেক বড় হয়ে যাবে। এক দিন সন্ধ্যায় ঘরে কাঁথা সেলাই করছিলাম বলে শাশুড়ি আমাকে অনেক কথা শোনান, কারণ এতে নাকি বিদ্যুতের বিল বেশি আসবে। বাচ্চার কাপড় নিয়মিত ধুতে দিতেন না, কারণ তাতে নাকি হুইল পাউডার বেশি লাগবে। গর্ভবতী হওয়ার পর আমি একদমই মাছ খেতে পারতাম না। এক দিন মাছের মাথা দেখে নিয়েছিলাম খাবো বলে, কিন্তু মুখে দিয়ে আর খেতে পারিনি। আমার শাশুড়িকে সেটা নিয়ে যেতে বলায় তখনও অনেক কথা শুনতে হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, "খেতে পারবি না তো নিলি কেন? নিয়ে নষ্ট করলি।"

বুকের দু-ধ খাওয়ানোর কারণে আমার একটু বেশি খিদে পেত। কিন্তু খাওয়ার জন্য ভাত ছাড়া আর কিছু পেতাম না। এক দিন সকালে খাওয়ার পর আবার বেলা ১১টায় ভাত খেয়েছিলাম বলে কথা শুনতে হয়েছিল,তারপর থেকে আর কখনো দিনে তিনবারের বেশি ভাত খাইনি। আমার মেয়ের বয়স এখন তিন বছরের বেশি। স্বামীর কাছে কখনো কোনো বিষয়ে সান্ত্বনামূলক কথাও পাইনি। এখন মূল কথা হলো, কাল আমার শাশুড়ির ননদ তার এক মাস বয়সী বাচ্চা নিয়ে এসেছেন। তারা অনেক নাস্তা এনে দিয়েছেন, কারণ বাচ্চার মা যেকোনো সময় খেতে চাইতে পারে। এসব দেখার পর আমার পুরোনো কষ্টগুলো আবার মনে পড়ছে। আমি সব ভুলে সবাইকে মাফ করে দিতে চাই। আমি শান্তিপ্রিয় মানুষ, ঝগড়া করতে পারি না আর চাইও না। আমার দেবরের বিয়ের জন্য বউ দেখা চলছে। সেই বউয়ের সঙ্গে তারা কেমন ব্যবহার করবে জানি না, তবে ভালো করুক এটাই চাই। কিন্তু যদি ভালো করলে আবার আমার কষ্ট হয়, তাহলে কি সেটা আমার হিংসা? জানি না।

05/10/2025

আমি যখন ১২শ শ্রেণিতে পড়তাম, তখন একজনকে মনে মনে খুব পছন্দ করতাম, ভালোবাসতামও। কিন্তু সেই ভালোবাসা ছিল পুরোপুরি একতরফা। সে জানতো আমি তাকে ভালোবাসি, আর এই বিষয়টা নিয়ে দূর থেকে মজা করত।

ভার্সিটিতে ওঠার পর জানতে পারি, যাকে আমি পছন্দ করতাম তার ব্রেকআপ হয়েছে। তখন সে আমার সাথে যোগাযোগ করা শুরু করল। আমার মনে হয়েছিল, হয়তো এখন সে আমাকে ভালোবাসে, আমাদের সম্পর্কটা এবার সুন্দরভাবে এগোবে।

কিন্তু হঠাৎ একদিন সে আমাকে তার বাসায় যাওয়ার প্রস্তাব দিল। এটা শুনে আমি ভয় পেয়ে যাই। ধীরে ধীরে তার সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দিই। কারণ ওই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল—সে আমাকে শুধু ব্যবহার করতে চায়, আমার প্রতি তার সত্যিকারের ভালোবাসা নেই। আমি ভুল মানুষের জন্য নিজের ইমোশন নষ্ট করছি। তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম—তার সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখব না।

এরপর ভার্সিটিতে আমার জীবনে আরেকজনের সাথে পরিচয় হয়। শুরু থেকেই তার কথা বলার ভঙ্গি, গোছানো স্বভাব আমার খুব ভালো লাগে। সে-ই আমাকে বুঝিয়েছে—আমাকেও সত্যিকারের ভালোবাসা যায়। সে আমার জন্য অনেক কিছু করেছে, অনেক পাগলামিও করেছে। আর শেষ পর্যন্ত সেই মানুষটিই আজ আমার স্বামী।

সে শুধু আমার জীবনসঙ্গী নয়, আমার সবচেয়ে বড় সমর্থকও। আমি জীবনে যা করতে চেয়েছি, সবকিছুর অনুমতি আর সাহস সে-ই আমাকে দিয়েছে। তার সহযোগিতা আর সাপোর্ট ছাড়া আমি আজ এই জায়গায় আসতে পারতাম না। আজ আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী—আর আমার সাফল্যের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব আমার স্বামীর।

✨ আমি এই ঘটনাটা বলার কারণ:
আমার মতো অনেক মেয়েই অল্প বয়সে ইমোশনাল হয়ে যায়। যে কাউকে পেলেই ভাবে, এটাই হয়তো সত্যিকারের ভালোবাসা। কিন্তু কে সঠিক মানুষ আর কে ভুল মানুষ—সেই পার্থক্যটা বোঝে না।

যদি সেদিন আমি আমার প্রথম ভালো লাগার মানুষটার কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে না আনতে পারতাম, তাহলে আজ আমার জীবন এত সুন্দর হতো না।

👉 তাই বলবো—সবসময় আবেগে ভেসে যেও না, নিজের বিবেক ব্যবহার করো।

05/10/2025

আমি একজন মেয়ে। চার বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছি (ব্লা-ড ক্যা-ন্সার) তখন থেকে মা আমাকে লালনপালন করে বড় করেছেন। তিনি আর বিয়ে করেননি। অনেক ঝড়-ঝাপটা পার করে আমাকে বড় করেছেন। মা যদি বাবা মা-রা যাওয়ার পর আমাকে ছেড়ে চলে যেতেন, তাহলে হয়তো আমার কোনো অস্তিত্বই থাকতো না। কারণ আমার আর কোনো ভাইবোন নেই। বাবা সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন, তাই পেনশন আর আমার খালুর সহায়তায় আমাদের সংসার চলেছে। সমস্যা হলো, আমার এসএসসি পরীক্ষার (২০২০) পর আমার আপন ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। সে নিজে থেকেই আগ্রহী হয়ে আমার আম্মুকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সেও সরকারি চাকরি করে (ডিফেন্স)। আমার আম্মু তাকে অভিভাবক ও চাকরিজীবী হিসেবে দেখে রাজি হন। সে তার বাবা-মায়ের মতামত ছাড়াই একতরফাভাবে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে অবশ্য তাদের সম্মতিতে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর ওদের বাড়িতে থাকার মতো পরিবেশ ছিল না; টিনের ঘর, বাইরে দূরে টয়লেট এবং কোনো ব্যক্তিগত রুম (প্রাইভেসি) না থাকার কারণে আমাকে ওই বাড়িতে তুলে নেয়নি। হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে বিয়ে দিলেন কেন? আমার আম্মুর ধারণা ছিল, ঘরবাড়ি আজ নেই, কাল হবে। এরই মধ্যে আমার একটি বাচ্চা হয়েছে, যার বয়স এখন চার বছর। এই ক'দিন আমি মায়ের কাছেই ছিলাম।

আমার মা ডায়াবেটিস, উচ্চ র-ক্তচাপ এবং জ-রায়ুতে টি-উমারের রোগী। এক দিন ভালো থাকলে তিন দিন অসুস্থ থাকেন। তার ওপর পদে পদে তার স্বামী, বোন, বাবা, মা—সবাই একে একে মা-রা যাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙেচুরে আছেন। আমার স্বামী কোনোমতে থাকার মতো একটি ঘর তৈরি করেছেন। তারও বাবা-মা আছেন, তাদেরও বয়স হয়েছে। এতদিন তারাই আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সেবাযত্ন করেছেন। এখন আমি শ্বশুরবাড়ি আসার আগে স্বামীকে সব বুঝিয়ে বলেছি যে, আমার মা পৃথিবীতে আমি ছাড়া একা। আমি মাসের ১৫ দিন শ্বশুরবাড়ি এবং ১৫ দিন বাবার বাড়িতে থাকব। সে রাজি হয়ে আমাকে এখানে এনেছে। এখন ১৫ দিন শেষ হওয়ার পর যখন বললাম বাবার বাড়ি যাব, সে বলে এমন কোনো কথাই নাকি হয়নি। সে চায় আমি যেন এখানেই থাকি এবং তার বাবা-মায়ের সেবা করি। তাহলে আমার মায়ের কী হবে? আমার মায়ের জন্য আমার মন ছ-টফট করছে, তিনি কী রান্না করে খাচ্ছেন, তা ভেবে।
আমি বলেছি, এমন হলে আমি আর শ্বশুরবাড়ি আসব না। সে বলেছে, তাতে তার কিছু যায় আসে না আর আমার আম্মুর পক্ষে শ্বশুরবাড়ি এসে থাকা সম্ভব নয়। কারণ আমার শ্বশুর-শাশুড়ির স্বভাব একটু খোঁ-চামারা। আমার মা এখানে থাকলে কষ্ট পাবেন। আমার করণীয় কী, একটু পরামর্শ দিন। আমার সিদ্ধান্ত কি ভুল? আমার মা আমাকে না দেখে রাখলে আমার অস্তিত্ব থাকতো না। পরামর্শ দিবেন, প্লিজ।

05/10/2025

আমার গর্ভাবস্থার এখন নয় মাস চলছে। এই কঠিন সময়টা আমি আমার বাবার বাড়িতে কাটাচ্ছি, প্রেগন্যান্সির সাত মাসের সময় এখানে এসেছিলাম। আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি করে। পূজার আট দিনের ছুটিতে ও ঝিনাইদহে ওর বাড়ি গিয়েছে,কথা ছিল আজ (পূজার শেষ দিন) আমার কাছে আসবে কাল বা পরশুদিন আবার ঢাকায় ফিরে যাবে।
ও সারাদিন ওর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটায়। বাড়িতে থাকলে আমাকে কোনো সময় কল দেয় না, আমি কল দিলে কে-টে দেয়। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার সময় পথে বেরিয়ে পাঁচ মিনিটের জন্য কথা বলে ফোন রেখে দেয় কিন্তু আজও সে এলো না। ফোন করলে ধরে না, ধরলেও মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য কথা বলে রেখে দেয়। আমি সারাদিন ওর অপেক্ষায় থাকি, বারবার কল দিই, তবুও সে আমাকে কল করে না বা আসার সময় পায় না। আমার নিজের বাবা নেই, আছেন সৎ বাবা। মা চাকরি করেন, তাই চার-পাঁচ দিন পর পর বাসায় আসেন, আমি সারাদিন বাসায় একা থাকি। আমার খুব কষ্ট হয়, ও এলে আমি একটু মানসিক শান্তি পাই। এখন খুব অসহায় লাগছে। এই কথাগুলো বলার মতো কাউকে পাচ্ছিলাম না, তাই এখানে লিখলাম, যাতে মনটা একটু হালকা হয়। এই মুহূর্তে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। জীবনের সবচেয়ে প্রয়োজনের সময়ে, যখন আমি সবচেয়ে একা, তখনও আমি তার সঙ্গ পাচ্ছি না।

05/10/2025

আমি নার্সিং-এ বিএসসি (B.Sc. in Nursing) তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আমার বয়স ২১। আমার বাবা অসুস্থ এবং মা গৃহিণী। আমরা চার বোন ও এক ভাই। আমাদের বাসা সিলেটে।
​আমি একটি ছেলের সাথে কথা বলি। ছেলেটি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, তার বয়স ২৬, এবং তার বাসা চাঁদপুরে। ​আমরা প্রায় এক মাস ধরে কথা বলছি। সে চাইছে এখন কাবিন (Nikah) করে রাখতে, এবং আমার পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর বিষয়টি পরিবারকে জানাতে। সে এইটুকুও বলেছে যে আমরা শুধুমাত্র কাবিন করে রাখব, তোমার পড়াশোনা শেষ হলে তারপর বাসায় জানাব। ​আমার বাবা-মা চাইছেন, আমার কোর্স শেষ হওয়ার পরই আমাকে বিয়ে দিতে।
​এখন আমি কী করব?

05/10/2025

তালাকের (ডিভোর্স) পরের জীবন অনেক কঠিন, তবে সন্তান থাকলে তা আরও বেশি কঠিন হয় বলে আমি মনে করি। আজকাল অনেক তালাকপ্রাপ্তা নারী অবিবাহিত ছেলেদের বিয়েও করছেন। আর বয়সেরও একটি ব্যাপার আছে। আমার মূল সমস্যা হলো আমার স্বামী দায়িত্বহীন/অলস (বা-দাইম্মা)। বিয়ের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের কোনো বাচ্চা নেই, আর আমার বয়স ২২ বছর। আমার বাবা এবং ভাই কেউই নেই। আমি যখন ছয় মাসের গর্ভে, তখন আমার বাবা মা-রা যান, আমার একজন বড় বোন আছে। মা শুধু আমাদের দুই বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে জীবন শেষ করেছেন এবং আর বিয়ে করেননি। তিনি গার্মেন্টসে কাজ করে আমাদের বড় করেছেন। বড় বোন এখন তাঁর সংসার নিয়ে ব্যস্ত। আমার স্বামী বিয়ের আগে আমাকে কথা দিয়েছিলেন যে আমার এবং আমার মায়ের দায়িত্ব নিবেন কিন্তু এখন তিনি আমার নিজের দায়িত্বই পালন করেন না। গত এক বছর ধরে আমি মায়ের কাছেই পড়ে আছি। এই মাস থেকে আমিও গার্মেন্টসে কাজ শুরু করার কথা ভাবছি, অন্য কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। তিন বছর তো পার হয়ে গেল তাঁর ভালো হওয়ার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে। আমার জীবনের মূল্যবান সময় কি আমি আরও নষ্ট করব তাঁর জন্য, নাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন? সময় চলে গেলে আর ফিরে আসে না।

03/07/2025

গতকাল জ্বর আসছে। আজকেও আছে।অথচ হাজব্যান্ড আজকে অফিসে চলে গেলো।বাচ্চা দুইটা কেও সারাদিন আমাকে দেখতে হবে,রান্নাবান্না ও করলাম এই জ্বর নিয়ে।

আচ্ছা,আজকে যদি হাজব্যান্ড এর জ্বর আসতো,সে অফিস থেকে ছুটি নিতো না???

এই কথা ভেবে,অনেক কষ্ট হচ্ছে।এই অসুস্থ শরীরেও আমাকে একা রেখে চলে গেলো।ইচ্ছে করলেই ছুটি টা নিতে পারতো আজকের দিনের।

মেয়ে মানুষ অসুস্থ হলেও নিস্তার নেই।জ্বর নিয়েও সব করতে হয়।অথচ পুরুষ মানুষ অসুস্থ হলে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সারাদিন কি সুন্দর রেস্ট করে।তখন ও স্ত্রীকে সব করতে হয় , স্ত্রী নিজে অসুস্থ হলেও স্ত্রীকে সব করতে হয়।

নাকি আমি একটু বেশি ই ভেবে ফেলতেছি!

03/07/2025

একটা মেয়ে বিয়ের পরে সবার কাছে কেন এত পর হয়ে যায়। আমার মেয়ে হইছে আজকে ২০ দিন। বাবু হওয়ার দুই মাস আগেই আমার হাজবেন্ড আমাকে বাপের বাড়িতে পাঠায় দেয়। তারপর উনি যোগাযোগ করে কিন্তু কোন রকমের খরচ দিতে রাজি না। উনি বলেছে তোমার বাপ মা করবে। আর বাপের বাড়িতে শুনতে হয় যে জন্ম দিছে সে কেন করে না কিছু। সে কেন আমাদের জন্য খরচ পাঠায় না। এসব কারণে খরচের ভয়ে নিজের ডেলিভারি সরকারি হসপিটালে করানো সিদ্ধান্ত নেই। অনেক কষ্টের পর আলহামদুলিল্লাহ নরমাল ডেলিভারিতে মেয়ের মা হয়েছি। বাবু হওয়ার কিছুদিন পর বাবুর চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল ফুলে গিয়েছিল চোখ দিয়ে পানি পড়ে এসব সমস্যার কারণে ওকে ডাক্তার দেখাই। তখন আমার হাজব্যান্ড কোনো রকম টাকা পয়সা দেয়নি। অনেক কথা শুনিয়ে আম্মু ডাক্তারের খরচ দেয়। এখন আবার মেয়ের জ্বর সর্দি দুধ খাওয়ার সময় নিশ্বাস নিতে পারে না এখন ওকে বলছি যে কিছু টাকা দাও মেয়েকে ডাক্তার দেখায় কিন্তু উনি দিতে নারাজ। উনি বলে মা-বাবার কাছে আছো মা বাবা করবে আর আমার আম্মু বলে যে ও বাবা হিসেবে কি দায়িত্ব পালন করছে। মেয়েদের কেন এরকম অসহায় অবস্থায় পড়তে হয়। কান্না ছাড়া তখন আর কোন উপায় থাকে না। এজন্য আমি মনে করি প্রত্যেকটা মেয়ের কিছু না কিছু করা উচিত। যাতে অন্তত বাবা-মা বা স্বামীর কাছে ছোট না হওয়া লাগে কথা না শোনা লাগে। যাথে মেয়েরা কারো কাছে আর বোঝা না হয়ে থাকতে হয়।😭😭😭😭 প্রত্যেকটা পুরুষের পরিপূর্ণ দায়িত্ববান হয়ে তারপর বিয়ে করা উচিত। একটা মেয়ের তার বাচ্চার যদি দায়িত্ব না দিতে পারে তাহলে বিয়ে কেন করে ওরা 🥺। একটা মেয়ের জীবনকে জাহান্নাম বানানোর জন্য একজন দায়িত্বহীন পুরুষই যথেষ্ট।

Address

32/B Nigar Plaza, Level-7, Road-2, Sector-3, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Woman Bangladesh-(VOWBD) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share