05/10/2026
১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা
৫ অক্টোবর ২০১২-মানবতার সেবায় কিছু স্বপ্নবান মানুষের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ-এর পথচলা। দীর্ঘ ১৪ বছরের পথপরিক্রমায় সেই স্বপ্ন আজ ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ ট্রাস্ট হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
এই পথচলা কখনোই একার ছিল না।
এই পথচলার প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবকের অক্লান্ত পরিশ্রম, সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের আন্তরিক সহায়তা, দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।
কেউ দিয়েছেন সময়,
কেউ দিয়েছেন শ্রম,
কেউ দিয়েছেন রক্ত,
কেউ দিয়েছেন অর্থ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা,
আবার কেউ নীরবে পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছেন।
আপনাদের প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই এগিয়ে চলেছে আমাদের মানবিকতার এই যাত্রা।
রক্তদান ও রক্তের গ্রুপিং কার্যক্রম থেকে শুরু করে চিকিৎসা সহায়তা, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান সহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছে ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
আজকের এই বিশেষ দিনে....
শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা আমাদের সকল স্বেচ্ছাসেবকের প্রতি।
কৃতজ্ঞতা আমাদের সকল সহযোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি।
শ্রদ্ধা তাঁদের প্রতি, যারা মানবতার জন্য নিজেদের সময় ও শ্রম উৎসর্গ করেছেন।
ভালোবাসা সেই সকল মানুষের প্রতি, যাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ আমাদের এই সংগঠনকে দিয়েছে।
আমরা বিশ্বাস করি, একজন মানুষ হয়তো একা পৃথিবী বদলে দিতে পারে না, কিন্তু অসংখ্য মানুষ একসাথে চাইলে সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তাই ১৪ বছরের এই পথচলায় আমাদের অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হোক।
মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকবো,
মানবতার জন্য কাজ করবো,
তারুণ্যের শক্তিকে মানবিক কাজে যুক্ত করবো এবং
একটি সুন্দর, মানবিক ও সহমর্মী সমাজ গঠনে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো।ইনশাআল্লাহ।
২০১২ থেকে ২০২৬,
একটি স্বপ্ন থেকে একটি পরিবার,
একটি পরিবার থেকে একটি মানবিক প্ল্যাটফর্ম।
শুভ ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
আমাদের এই পথচলায় যারা ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন।
আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।
মানবতার জন্য।
আসুন, একসাথে এগিয়ে যাই মানবতার কল্যাণে।