পড়

পড় একটি কল্যাণ কামী আয়োজন

নিম্নের হাদীসটির প্রতি আমল করার অর্থ, জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান।আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃতিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ (সা...
10/06/2026

নিম্নের হাদীসটির প্রতি আমল করার অর্থ, জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
“অনর্থক অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করাই একজন ব্যক্তির উত্তম ইসলাম।”
হাদীসটি হাসান। তিরমিযীঃ ২৩১৮

02/06/2026

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা’আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সালাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সালাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا‏ তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে (সূরাহঃ ত্ব-হা ২০ঃ ১৩০) (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩০৭, ইসলামীক সেন্টার ১৩১৯)

তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার! اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَ...
27/05/2026

তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার!
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব

قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَ نُسُكِیۡ وَ مَحۡیَایَ وَ مَمَاتِیۡ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۱۶۲﴾ۙ ~  বল,''নিশ্চয় আমার সালাত,...
27/05/2026

قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَ نُسُكِیۡ وَ مَحۡیَایَ وَ مَمَاتِیۡ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۱۶۲﴾ۙ

~ বল,''নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ আল্লাহর জন্য, যিনি

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়—এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সুন্নাহ পালনেরও এক মহিমান্বিত উপলক্ষ।আসুন, প্রিয় নবী...
27/05/2026

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহ

ঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়—এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সুন্নাহ পালনেরও এক মহিমান্বিত উপলক্ষ।
আসুন, প্রিয় নবী ﷺ এর দেখানো পথে ঈদ উদযাপন করি এবং প্রতিটি আমলকে করি সওয়াবের মাধ্যম। ✨

✅ তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা
✅ খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঈদের প্রস্তুতি নেওয়া
✅ মিসওয়াক, গোসল ও সুগন্ধি ব্যবহার করা
✅ সুন্দর ও পরিপাটি পোশাক পরা
✅ ঈদের সালাত আদায় করা
✅ কুরবানির গোশত দিয়ে খাবার শুরু করা
✅ হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
✅ ভিন্ন পথে যাওয়া-আসা করা
✅ হাসিমুখে মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করা
✅ একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো

🌿 আসুন, সুন্নাহ অনুযায়ী ঈদ পালন করি এবং পরিবার-সমাজে ছড়িয়ে দিই ইসলামের সৌন্দর্য।

🕌
“تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ”
“আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের আমল কবুল করুন।”

25/05/2026
اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُO Allah, ...
19/05/2026

اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ

O Allah, bring it over us with blessing and faith, and security and Islam. My Lord and your Lord is Allah.

আল্লাহ্‌র ভয়ে ক্রন্দনের ফযীলত।২৩১৪. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলু...
17/05/2026

আল্লাহ্‌র ভয়ে ক্রন্দনের ফযীলত।

২৩১৪. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুগ্ধ দোহনের পর আর তা যেমন পালানে ফিরিয়ে নেওয়া যায়না তেমনি যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে সে জাহান্নামে দাখিল হবে না। আল্লাহর পথের ধুলো এবং জাহান্নামের ধুঁয়া কখনো একত্রিত হবে না।

সহীহ, মিশকাত ৩৮২৮, তা’লিকুর রাগীব ২/১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৩১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন, এমন কোনো দিবস নেই যার আমল জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল থেকে আল্ল...
16/05/2026

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন, এমন কোনো দিবস নেই যার আমল জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল থেকে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হবে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদ করা থেকেও কি অধিক প্রিয়? রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বললেন, হাঁ জিহাদ করা থেকেও অধিক প্রিয় তবে যদি এমন হয় যে, ব্যক্তি তার জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হল এবং এর কোনো কিছুই ফেরত নিয়ে এল না।[1]

ইবনে রজব (রহ:) বলেছেন বুখারির এই হাদিস দ্বারা বুঝা যায়, নেক আমলের মৌসুম হিসেবে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশক হল সর্বোত্তম সময়, এ দিবসগুলোয় সম্পাদিত নেক আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। হাদিসের কোনো কোনো বর্ণনায় أحب (সর্বাধিক প্রিয়) শব্দ এসেছে আবার কোনো কোনো বর্ণনায় أفضل (সর্বোত্তম) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।

অতএব এ সময়ে নেক আমল করা বছরের অন্য যে কোনো সময়ে নেক আমল করার থেকে বেশি মর্যাদা ও ফজিলতপূর্ণ। হজ্জ ও কুরবানির মত গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ এ সময়েই সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

15/05/2026

জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন গুরুত্বপূর্ণ সময়। পবিত্র কুরআনে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ রজনি নিয়ে কসম খেয়েছেন আল্লাহ তা’আলা। এরশাদ হয়েছে

‘‘শপথ প্রত্যুষের ও দশ রজনির।’’

দশ রজনি বলতে জিলহজ্জের প্রথম দশ রজনি বুঝায় এ ব্যাখ্যা ইবনে আব্বাস রা. ইবনে যুবায়ের ও মুজাহিদ রহ. সহ অনেকের। প্রসিদ্ধ মুফাসসির ইবনে কাসির এ মতটিকেই বিশুদ্ধ বলেছেন।

হাদিসে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম দিন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন, এমন কোনো দিবস নেই যার আমল জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল থেকে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হবে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদ করা থেকেও কি অধিক প্রিয়? রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বললেন, হাঁ জিহাদ করা থেকেও অধিক প্রিয় তবে যদি এমন হয় যে ব্যক্তি তার জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হল এবং এর কোনো কিছুই ফেরত নিয়ে এল না।

আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) থেকে বর্ণিত নবী কারিম (ﷺস.) বলেছেন: এ দশ দিনে নেক আমল করার চেয়ে আল্লাহ রাববুল আলামিনের কাছে প্রিয় ও মহান কোন আমল নেই। তোমরা এ সময়ে তাহলীল (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তাকবির (আল্লাহু আকবার) তাহমীদ (আল-হামদুলিল্লাহ) বেশি করে আদায়কর।

এ দু হাদিসের অর্থ হল বছরে যতগুলো মর্যাদাপূর্ণ দিন আছে তার মধ্যে এ দশ দিনের প্রতিটি দিন হল সর্বোত্তম। যেমন এ দশ দিনের অন্তর্গত কোন জুমা’র দিন অন্য সময়ের জুমা’র দিন থেকে উত্তম বলে বিবেচিত হবে।

আল্লাহর রসূল (ﷺ)এ দিনসমূহে নেক আমল করার জন্য তার উম্মতকে উৎসাহিত করেছেন। তাঁর এ উৎসাহ প্রদান এ সময়টার ফজিলত প্রমাণ করে।

নবী কারিম (ﷺ)এ দিনগুলোতে বেশি বেশি করে তাহলীল ও তাকবির পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন উপরে ইবনে আব্বাসের হাদিসে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ রাববুল আলামিন বলেন:

‘‘যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’’

এ আয়াতে ‘নির্দিষ্ট দিনসমূহ’ বলতে কোন দিনগুলোকে বুঝানো হয়েছে এ সম্পর্কে ইমাম বুখারি (রহ:) বলেন, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন : ‘নির্দিষ্ট দিনসমূহ’ দ্বারা জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনকে বুঝানো হয়েছে।

জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকে রয়েছে আরাফা ও কুরবানির দিন। আর এ দুটো দিনেরই রয়েছে অনেক মর্যাদা। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন: ‘‘আরাফা দিবস থেকে অধিক অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না। তিনি এ দিনে নিকটবর্তী হন ও তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সম্মুখে গর্ব করে বলেন ‘‘তোমরা কি বলতে পার আমার এ বান্দারা আমার কাছে কি চায়?’’

আরাফা দিবস (জিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ) ক্ষমা ও মুক্তির দিন। এ দিবসে রোজা পালন দু’বছরের গুনাহের কাফফারা হিসেবে গণ্য হয়। হাদিসে এসেছে

আবু কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন: ‘‘আরাফা দিবসের রোজা বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে বলে আল্লাহর প্রতি আমার আশা।’’

তবে আরাফা দিবসের রোজা আরাফার ময়দানে অবস্থানকারী হাজিদের জন্য প্রযোজ্য নয়।[9] কুরবানি দিবসের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে : আব্দুল্লাহ ইবনে কুর্ত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেন, ‘‘আল্লাহ তা’আলার কাছে মহত্তম দিন হল কুরবানির দিন, তারপর পরবর্তী দিন।’’

জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকের দিনগুলো মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার আরেকটি কারণ এ দিনগুলোয় নামাজ, রোজা, সদকা, হজ্জ ও কুরবানির মত গুরুত্বপূর্ণ এবাদতগুলো একত্রিত হয় যার অন্য আরেকটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

Address

Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পড় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পড়:

Share