01/04/2022
ইরানের ইস্পাহান শহর আদি যুগ থেকে ইহুদিদের আবাসস্থল। ৭২৭ খ্রিষ্টপূর্ব হতে দফায় দফায় অ্যাসিরিয়ান এবং ব্যাবিলনীয় রাজারা তাদেরকে জেরুজালেম হতে বন্দী করে দাস হিসাবে সেখানে নিয়ে আসত। ধীরে ধীরে তারা পার্সিয়ান সভ্যতা এবং সংস্কৃতির সাথে মিলে যায়।
১৯৪৮ সালে ইরানে ইহুদিদের সংখ্যা ছিল ১৫০০০০। ইসরাইল রাষ্ট্র গঠিত হবার পর এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ইস্ফাহান সহ ইরানের ইহুদিরা ইসরাইলে পাড়ি জমাতে থাকে আর ইরানে ইহুদিদের সংখ্যা কমতে থাকে। বর্তমানে ইসরাইলে ইরানি ইহুদির সংখ্যা ২৫০০০০ আর ইরানে মাত্র ৮৫০০।
বর্তমানযুগে ইহুদি অর্থই ইসরাইল। এছাড়া হাদিসেও দাজ্জালকে হত্যার কথা বলা হয়েছে “লুদ” শহরে, যেটা ইসরাইলেরই অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর।
পৃথিবী শেষ জামানাতে অবস্থান করছে। রাসুল (সঃ) থেকে বর্ণিত কেয়ামতের ছোট আলামতগুলোর প্রায় সবই প্রকাশ পেয়েছে। ধীরে ধীরে বড় আলামতগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করবে। আর বড় আলামতগুলোর অন্যতম হল দাজ্জালের বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সব মিলিয়ে বলা যায় পৃথিবীতে তার প্রকাশ ঘটবে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল থেকে। ইসারাইলে বসবাসরত ইস্পাহানী ইহুদিদের মধ্য থেকে তার আবির্ভাব হবে এবং সে দেশের ইহুদিরাই হবে তার মূল অনুসারী।
স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা করেন কে তাঁর নির্দেশ মান্য করে আর কে তাঁর অবাধ্য। তিনি যেভাবে চান সেভ.....