Chowdhury Foundation

Chowdhury Foundation Our mission is to bring people together to grow and plant trees and to achieve healthy, productive, sustainable communities and landscapes.

We want to make the worldwide the Green Environment for the next generation - Chowdhury Foundation

কে সঠিক?
01/10/2026

কে সঠিক?

📌 একাদশ ভর্তিঃ  রেজাল্টের পর কলেজ ভর্তি নিয়ে সকল কিছু এক পোস্টে। কনফার্মেশন ও মাইগ্রেশন করার শেষ সময়ঃ আজ শুক্রুবার ১৮ সে...
01/10/2026

📌 একাদশ ভর্তিঃ রেজাল্টের পর কলেজ ভর্তি নিয়ে সকল কিছু এক পোস্টে।

কনফার্মেশন ও মাইগ্রেশন করার শেষ সময়ঃ আজ শুক্রুবার ১৮ সেপ্টেম্ব রাত ৮ টা অব্ধি।

• কনফার্মেশন না করলে কলেজ ভর্তি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে, ৩৪০ টাকা দিয়ে বিক্যাশের মাধ্যমে কনফার্মশন ফি পেমেন্ট করতে হবে।

• কনফার্মেশন করলে মাইগ্রেশন অটো অন হয়ে যাবে, পছন্দের কলেজ টি পেয়ে গেলে মাইগ্রেশন অফ করে দিবেন, পছন্দের কলেজ টি যদি শুধুমাতে উপরে থাকে তাহলে মাইগ্রেশন অন রাখবেন।

• মাইগ্রেশনের রেজাল্ট দিবে শনিবার রাত ৮.০০ টায়। এই রেজাল্ট ই চূড়ান্ত রেজাল্ট। মাইগ্রেশনে যাদের ফল পরিবর্তন হয়ে অন্য কলেজ আসবেনা তারা পূর্বের প্রাপ্ত কলেজে ভর্তি হতে পারবে। তাই মাইগ্রেশন অন রাখলে সমস্যা নাই যদি লিস্টের উপরের কলেজ গুলো তোমার বেশি পছন্দীয় থাকে।

📌 চূড়ান্ত রেজাল্টের পর করণীয়ঃ

২০-২২ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত কলেজ ভর্তি আবেদন করতে হবে। প্রত্যেক টি কলেজের নিজস্ব ভর্তি সার্কুলার থেকে বিস্তারিত ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া জানা যাবে। কলেজ ভেদে অনলাইন এবং অফলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া আছে।

➥তোমার কলেজের আবেদন যদি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হয় তাহলে আমাদের মাধ্যমে খুব সহজেই তোমার কলেজ ভর্তির চূড়ান্ত আবেদন টি করতে পারবে।

📌 কলেজ ভর্তিতে যেসব কাগজ প্রয়োজন হবে তা কলেজের সার্কুলার থেকে দেখে বলা যাবে। সাধারনত সকল ডকুমেন্টস ই তোমার কাছে আছে তবে জন্মনিবন্ধন না থাকলে বা বা জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকলে আমাদের মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন টি করে ফেলতে পারবে।

➥ তোমার কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া জানতে কলেজের নাম লিখে কমেন্ট করতে পারো, অনলাইন নাকি অফলাইন চেক করে বলে দিতে পারবো, সাথে সার্কুলার সেন্ড করার চেষ্টা করবো। বিদ্রঃ যারা নিজেরা আবেদন করতে সমস্যা হবে আমরা তাদের কন্সাল্ট করবো কিন্তু দোকানে যেয়ে আবেদন করে ভুল করলে কমেন্ট বক্স অবশ্যই চেক করবেন।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তান পড়াচ্ছেন, নাকি  শুধু শুধু টাকা ঢালছেন?আগে শোনা যেত, পড়াশোনার পাশাপাশি মানুষ এক্সট্রা-ক...
01/10/2026

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তান পড়াচ্ছেন, নাকি শুধু শুধু টাকা ঢালছেন?
আগে শোনা যেত, পড়াশোনার পাশাপাশি মানুষ এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস বা একটু বিনোদন করে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে পুরো বিষয়টি উল্টে গেছে। এখন বিনোদন, কনসার্ট আর আড্ডার আড়ালে নামমাত্র ফাঁকে ফাঁকে পড়াশোনা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও এই মনস্তত্ত্ব বুঝে গেছে,,ভালো শিক্ষক নেই, ল্যাব বা গবেষণার সুযোগ নেই, তাতেও কিছু যায় আসে না; কোনো মতে কয়েকটা ক্লাস করিয়ে ঘন ঘন অনুষ্ঠান, নাচ-গান আর কনসার্টের ব্যবস্থা করলেই শিক্ষার্থীরা খুশি। শিক্ষার্থীদেরও পড়াশোনা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই, এসব পেলেই তারা সন্তুষ্ট! এই কারণেই বি ও সি ক্যাটাগরির প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় এখন এই সস্তা পথেই হাঁটছে। টাকা দিয়ে যেন পড়ালেখা নয়, বরং কনসার্ট আর ড্যান্সের টিকিট কাটা হচ্ছে!
বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চিত্র আরও স্পষ্ট হয়:

এ-ক্যাটাগরির নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়: এমন ২টি টপ ক্যাটাগরির বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে ৩৬৫ দিনই নাচ-গান, কনসার্ট আর উন্মাদনা নিয়ে মেতে থাকা হয়। শিক্ষার আবহের চেয়ে সেখানে বিনোদন আর সংস্কৃতির চর্চায় বেশি সময় যায়। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের নাচ দেখলে মনে হয় যেন যাত্রাপালার নাচ চলছে!
বি ও সি ক্যাটাগরির বিশ্ববিদ্যালয়: এগুলোতে ৯০% ক্ষেত্রে কোনো সঠিক পড়াশোনাই হয় না। মানসম্মত ল্যাব বা শিক্ষক নেই, কিন্তু সারাদিন-রাত চলছে কনসার্ট, নাচ আর হ্যাংআউট।

অভিভাবকদের চোখ খোলা রাখা জরুরি:
গ্রামের বা শহরের অনেক অভিভাবক রক্তপানি করা কষ্টের উপার্জিত টাকা সেমিস্টার ফি হিসেবে গুনে দেন সন্তানকে মানুষ করার আশায়। কিন্তু শুধু শুধু টাকা ঢালার আগে সন্তানকে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর আগে ও পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টং দোকান, আশেপাশের ক্যাফে বা আড্ডার জায়গাগুলোতে গিয়ে নিজে খোঁজ নিন। আপনি পাঠাচ্ছেন পড়ালেখা করতে, অথচ সেখানে প্রকাশ্যে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও উন্মুক্ত নেশার দৃশ্য চোখে পড়ে যা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ হতে পারে না।
শুধু ক্যাম্পাসেই শেষ নয়, সেমিস্টার ব্রেকের নামে ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে যেসব ট্যুরে যাচ্ছে, সেখানেও শিক্ষার কোনো ছোঁয়া নেই; বরং সেখানেও চলছে নেশা আর অনিয়মের মহোৎসব।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি:
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই-বোনেরা এসব দেখে আবার খুব বেশি খুশি হবেন না। পার্থক্য শুধু একটাই,,,প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এসব অপসংস্কৃতি করা হয়, আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো ফ্রিতে করা হয়! অভিভাবকেরা যেহেতু কষ্টের টাকা দেন, তাই তাঁদের সতর্ক করতেই এই বাস্তবতা তুলে ধরা।
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ সতর্কবার্তা ও পরামর্শ:
১. সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে এবং ক্লাসের বাইরে কী করছেনিয়মিত খতিয়ে দেখুন।
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের রঙিন প্রমোশনাল বিজ্ঞাপন বা ফেসবুকের কনসার্টের ভিডিও দেখে ভর্তি করাবেন না।
৩. যদি সন্তানকে সিএসই, ট্রিপল ই-র মতো কোনো শক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং বা লাইফ সায়েন্সের মতো কারিগরি ও কনটেন্ট-ভিত্তিক বিষয়ে ভর্তি না করান, তবে তাকে অন্ধের মতো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে না পাঠানোই শ্রেয়।
৪. আর অন্য যেকোনো সাধারণ বিষয়ে পড়াতে চাইলে শতবার খোঁজখবর নিয়ে মানসম্মত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান। তা না হলে কষ্টের টাকা ঢেলে সন্তানের ভবিষ্যৎ অন্ধকারেই হারিয়ে যাবে।

আসলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে?নিজের স্কুলে ১০ বছর পড়াশোনা করেও সেই স্কুল থেকে পরীক্ষা দিতে পারলো না?১০০% জিপিএ-৫ এর আড়ালে কী...
12/08/2026

আসলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে?
নিজের স্কুলে ১০ বছর পড়াশোনা করেও সেই স্কুল থেকে পরীক্ষা দিতে পারলো না?

১০০% জিপিএ-৫ এর আড়ালে কী লুকিয়ে আছে? নরসিংদীর নাছিমা কাদের মোল্লা হাই স্কুলের 'বিতর্কিত' সাফল্য!

​৩৮২ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩৮২ জনই জিপিএ-৫! সার্বিক ফলাফলে যখন অনেকের অবনতি, তখন নরসিংদীর নাছিমা কাদের মোল্লা হাই স্কুলের এমন শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন আপাতদৃষ্টিতে অলৌকিক কিংবা প্রশংসনীয় মনে হতেই পারে। কিন্তু এই চমৎকার ফলাফলের নেপথ্যে অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে এক নির্মম ও চরম বিতর্কিত বাস্তবতা।

​এই ‘দেশ সেরা’ ফলাফলের মূল রহস্য কোনো জাদুকরী শিক্ষাপদ্ধতি নয়, বরং এক নির্মম ছাঁটাইপ্রক্রিয়া। জানা যায়, এবার টেস্ট পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ৯০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল মাত্র ৩৮২ জন। আর বাকি ৫০০-রও বেশি শিক্ষার্থীকে চূড়ান্ত বোর্ড পরীক্ষায় বসতেই দেওয়া হয়নি! প্রতিষ্ঠানটির নীতি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেলে সেই স্কুল থেকে মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

​শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ের ওপরই চাপিয়ে দেওয়া হয় অতিরিক্ত মানসিক চাপ। ফাঁকিবাজি বন্ধের দোহাই দিয়ে যে কড়াকড়ি চালানো হয়, তা ক্ষেত্রবিশেষে কঠোরতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায়।

​কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য কি কেবল নিজেদের ব্র্যান্ডিং ও শতভাগ পাসের বিজ্ঞাপন টিকিয়ে রাখা, নাকি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের টেনে তোলা?

যেসব শিক্ষার্থী বছরের পর বছর সেখানে পড়াশোনা করল, তাদের টেস্ট পরীক্ষার অজুহাতে বাদ দিয়ে জীবনের একটি বছর অনিশ্চয়তায় ঠেলে দেওয়া কতটা নৈতিক? ​নিজের প্রতিষ্ঠানকে 'দেশ সেরা' প্রমাণের জন্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার এই বাণিজ্যিক কৌশল কোনো সুস্থ শিক্ষাব্যবস্থার মডেল হতে পারে না। এটি প্রকৃত শিক্ষার সাফল্য নয়, বরং কৃত্রিমভাবে তৈরি করা এক বিতর্কিত রেকর্ড।
Chowdhury Foundation

18/07/2026

প্রত্যেক মেয়ের জন্য শিক্ষণীয়

18/07/2026

Learn for kids

বাংলাদেশে ছোট মেয়েদের একা বাইরে যেতে দেওয়া নিরাপদ না হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সামাজিক, অবকাঠামোগত এবং সুরক্ষাজনিত কারণ রয...
17/07/2026

বাংলাদেশে ছোট মেয়েদের একা বাইরে যেতে দেওয়া নিরাপদ না হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সামাজিক, অবকাঠামোগত এবং সুরক্ষাজনিত কারণ রয়েছে। নিচে প্রধান কারণগুলো আলোচনা করা হলো:
# # ১. শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহের ঝুঁকি

* ইভটিজিং ও হয়রানি: রাস্তাঘাট, বাজার বা গণপরিবহনে মেয়ে শিশুদের প্রায়ই আপত্তিকর মন্তব্য, ইশারা বা হয়রানির শিকার হতে হয়। [3]
* স্পর্শকাতর অপরাধ: একা পেয়ে লোলুপ দৃষ্টিসম্পন্ন অপরাধীরা শিশুদের অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন বা ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ ঘটানোর সুযোগ খোঁজে। [2, 4, 5]
* সহজে লক্ষ্যবস্তু হওয়া: ছোট শিশুরা সাধারণত শারীরিকভাবে দুর্বল এবং সহজেই ভয় পেয়ে যায়। ফলে অপরাধীদের জন্য তাদের জিম্মি করা বা ক্ষতি করা সহজ হয়। [4]

# # ২. অনিরাপদ পরিবহন ও শহর কাঠামো

* গণপরিবহনে নিরাপত্তাহীনতা: লোকাল বাস, লেগুনা বা সিএনজিতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় থাকে। এসব জায়গায় একা চলাচলকারী ছোট মেয়েরা অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের শিকার হতে পারে। [3, 6]
* নারীবান্ধব পরিবেশের অভাব: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ শহরের রাস্তাঘাট ও গণপরিসর এখনো নারী বা শিশুদের একা চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী ও নিরাপদ নয়। [1, 3]

# # ৩. আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা ও বিচারহীনতা

* আইনের ধীরগতি: নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন থাকলেও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
* অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়া: অনেক সময় স্থানীয় প্রভাব বা প্রমাণের অভাবে অপরাধীরা শাস্তি পায় না। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে। [2]

# # ৪. ট্রাফিক ও দুর্ঘটনা

* নিয়মহীন রাস্তাঘাট: বাংলাদেশের রাস্তাগুলোতে তীব্র যানজট এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো খুব সাধারণ বিষয়। একটি ছোট শিশুর পক্ষে একা একা ট্রাফিক নিয়ম বুঝে রাস্তা পার হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। [7]

# # ৫. সচেতনতার অভাব ও সামাজিক পরিবেশ

* জরুরি সহায়তার অভাব: বিপদে পড়লে পথচারীরা বা আশেপাশের মানুষ অনেক সময় তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে না।
* অপরিচিতদের ওপর অতিরিক্ত বিশ্বাস: ছোট শিশুরা সহজেই চকোলেট, খেলনা বা চাটুকারিতায় ভুলে অপরিচিত মানুষের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে। [6, 8]

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিশুদের বাইরে পাঠানোর সময় পরিবারের বিশ্বস্ত কারও সাথে থাকা এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ বা চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত।
আপনার কি বাংলাদেশে শিশু সুরক্ষা আইন বা জরুরি মুহূর্তে আইনি সহায়তা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে আরও জানার প্রয়োজন আছে?
জন্য সচেতনতায় -শেয়ার দিয়েন প্লিজ 🙏🏿
Chowdhury Foundation

゚

সন্তানদের উদ্দেশ্যে একজন বাবা-মায়ের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দেওয়া কিছু চিরন্তন বার্তা! ১.  কোনো সম্পর্ক যদি না টেকে, মুখ বু...
09/07/2026

সন্তানদের উদ্দেশ্যে একজন বাবা-মায়ের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দেওয়া কিছু চিরন্তন বার্তা!

১. কোনো সম্পর্ক যদি না টেকে, মুখ বুজে সহ্য না করে বাড়ি ফিরে এসো।

​২. খরচের বোঝা বা বিলের চাপ বেশি মনে হলে, কোনো দ্বিধা ছাড়া বাড়ি ফিরে এসো।

​৩. মন যদি ভালো না থাকে, নিজেকে হারিয়ে ফেলার আগে বাড়ি ফিরে এসো।

​৪. মন খারাপ হলে বা নিজেকে একা মনে হলে, সোজা বাড়ি ফিরে এসো।

​৫. তুমি যেখানেই থাকো আর তোমার বয়স যত বছরই হোক না কেন—তুমি সবসময় ফিরে আসতে পারো। মনে রেখো, আমরাই তোমার চিরকালের আসল ঠিকানা। ❤️
Chowdhury Foundation

09/07/2026

Congratulations

Address

Uttora Dhaka
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share