21/08/2016
মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ভার্সিটি : আদর্শ ও মেধা বিকাশের অনন্য প্রতিষ্ঠান
১৫ মার্চ ২০১৩, ২২:২৫ অপরাহ্ন
দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অন্যতম। যথাযথ শিক্ষা ও সেবা দিয়ে জাতিকে যোগ্য নেতৃত্ব উপহার দেয়াই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একমাত্র উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয় নিয়ে ভিসি প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসানের সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন সৈয়দ নাসির হোসেন।
আমার দেশ : মানারাত ইন্টা. ইউনিভার্সিটি নিয়ে কিছু বলুন—
ভিসি : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্টের সব শর্ত পূরণ করে ২০০১ সালের মার্চে মানারাত ইন্টা. ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু। উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং দেশ ও জাতিকে সুনাগরিক উপহার দেয়ার জন্য আমি মনে করি, মানারাত ইন্টা. ইউনিভার্সিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়।
আমার দেশ : কর্মমুখী শিক্ষায় আপনারা কেমন ভূমিকা রাখছেন?
ভিসি : আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেট ওরিয়েন্টেড বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। যেমন-বিবিএ, কম্পিউটার সায়েন্স, ফার্মেসি, ইংলিশ, এলএলবি অনার্স, বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা কোনো শিক্ষার্থী বেকার নেই। এরই মধ্যে এখানকার ছাত্রছাত্রী ব্যাংক-বীমা, এনজিওসহ সরকারি চাকরিতেও ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে।
আমার দেশ : গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য আপনারা কী করছেন?
ভিসি : মানারাত ইন্টা. ইউনিভার্সিটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, আমাদের উদ্দেশ্যই হলো ছাত্রছাত্রীদের যুগোপযোগী করে জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখা। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ দরিদ্র মেধাবীদের বৃত্তি প্রদানে ব্যয় করা হয়। অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ার কারণে অনেক গরিব শিক্ষার্থী লেখাপড়ার সুযোগ পায় না। সেখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিধিমোতাবেক গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০% পর্যন্ত টিউশন ফি কনসেশনের ব্যবস্থা করে থাকি। এমনকি যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য খণ্ডকালীন চাকরির ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।
আমার দেশ : আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষায় আপনাদের ভূমিকা কী?
ভিসি : আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় না থাকলে প্রকৃত অর্থে শিক্ষা অর্থহীন হয়ে পড়ে। আমাদের দেশ, জাতি ও পরিবারের বিস্তৃত ক্ষেত্রে মূল্যবোধের অবক্ষয় আজ একটি বড় সমস্যা। অপসংস্কৃতি গোটা যুব সমাজকে নিজস্ব আদর্শ ও ঐতিহ্য থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে। মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চারিত্রিক বিকাশ ও নিজস্ব সংস্কৃতি লালন-পালনের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, যা অন্যদের তুলনায় অবশ্যই ব্যতিক্রমধর্মী।
আমার দেশ : বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা, সেবা আপনারা দিচ্ছেন?
ভিসি : শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নতমানের লাইব্রেরি, সার্বক্ষণিক ফ্রি ইন্টারনেট, ল্যাবরেটরি, কমনরুম, নামাজ ঘর, ক্যান্টিন, মনোরম অভ্যর্থনা কক্ষসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
আমরা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা নিয়মিত না করলে সেই শিক্ষা কখনোই পূর্ণাঙ্গ হয় না। আমরা আমাদের নিজস্ব খেলার মাঠে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ রেখেছি। পাশাপাশি ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, সমাজকল্যাণ ক্লাব, বিজনেস ক্লাব, ন্যাচার স্টাডি ক্লাব ও কম্পিউটার ক্লাবের কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চলছে।
আমার দেশ : বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে আপনার স্বপ্ন কী?
ভিসি : আল্লাহর রহমতে মানারাত ইন্টা. ইউনিভার্সিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে ইনশাল্লাহ।