হিন্দুধর্ম ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম তথা একটি দেশীয় ধর্মবিশ্বাস। [১] হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ স্বীয়
ধর্মমতকে সনাতন ধর্ম (सनातन धर्म) নামেও অভিহিত করেন। [২][৩] হিন্দুধর্মের সাধারণ
"ধরনগুলির" মধ্যে
লৌকিক ও বৈদিক
হিন্দুধর্ম থেকে বৈষ্ণবধর্মের অনুরূপ ভক্তিবাদী ধারার মতো একাধিক জটিল
মতবাদগুলির সমন্বয়ের
এক প্রচেষ্টা লক্ষিত
হয়। যোগ , কর্মযোগ ধারণা, ও হিন্দু
বিবাহের
মতো বিষয়গুলিও
হিন্দুধর্মের
সঙ্গে অঙ্গা
ঙ্গীভাবে
জড়িত। হিন্দুধর্ম একাধিক
ধর্মীয় ঐতিহ্যের
সমন্বয়ে গঠিত। এই
ধর্মের কোনো একক প্রতিষ্ঠাতা নেই। [৪] লৌহযুগীয় ভারতের
ঐতিহাসিক বৈদিক
ধর্মে এই ধর্মের শিকড়
নিবদ্ধ।
হিন্দুধর্মকে বিশ্বের
"প্রাচীনতম জীবিত ধর্মবিশ্বাস" [৫] বা "প্রাচীনতম জীবিত প্রধান মতবাদ" [৬][৭][৮] [৯] আখ্যা দেওয়া হয়। জনসংখ্যার
বিচারে হিন্দুধর্ম খ্রিষ্টধর্ম ও ইসলামের পরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মমত। এই ধর্মের অনুগামীদের
সংখ্যা ১০০ কোটিরও
বেশি। এদের
মধ্যে প্রায় ১০০
কোটি হিন্দু বাস করেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে । [১০][১১] এছাড়া নেপাল (২৩,০০০,০০০), বাংলাদেশ (১৪,০০০,০০০) ও ইন্দোনেশীয় দ্বীপ বালিতে (৩,৩০০,০০০) উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় হিন্দুরা বাস করেন। হিন্দুধর্মের
শাস্ত্রগ্রন্থের
সংখ্যা প্রচুর।
হিন্দুশাস্ত্র শ্রুতি ও
স্মৃতি নামে দুই
ভাগে বিভক্ত। এই গ্রন্থগুলিতে
ধর্মতত্ত্ব, দর্শন ও পুরাণ আলোচিত
হয়েছে এবং
ধর্মানুশীলন সংক্রান্ত
নানা তথ্য বিবৃত
হয়েছে। এই
গ্রন্থগুলির মধ্যে বেদ সর্বপ্রাচীন,
সর্বপ্রধান ও
সর্বাপেক্ষা
গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য
প্রধান
ধর্মগ্রন্থগুলি হল উপনিষদ্ , পুরাণ , ও ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারত । ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত
মহাভারতের কৃষ্ণ- কথিত একটি অংশ
বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন
ধর্মগ্রন্থের
মর্যাদা পেয়ে থাকে।
আমরা হিন্দু হয়ে আমরা গর্বিত
যে আমরা এই রকম একটা জাতি হয়ে জন্মেছে।
তাই জয়েন হয়ে।
বলুন =
'আমরা হিন্দু'
'আমরা হিন্দু'
we are hindu