Voice of Knowledge

Voice of Knowledge Create, Connect & Earn

25/06/2026

আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কোনো কল্যাণ দেখেন, তবে তিনি তোমাদের কাছ থেকে যা নেওয়া হয়েছে তার চেয়ে উত্তম কিছু তোমাদেরকে দিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু"।

সূরাঃ আনফাল আয়াত ৭০

23/04/2026

দিনের শুরুতে মনে রাখার মতো ৫টি উপদেশ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদি.) বলেন-

১. যা তোমার কোনো উপকারে আসে না বা যেটা তোমার বিষয় না, সেটা নিয়ে কথা বলতে যেও না।

২. তোমার শত্রুকে চিনে রাখো এবং তোমার বন্ধুর ব্যাপারে সতর্ক থাকো—তবে যে ব্যক্তি আমানতদার, তার কথা আলাদা।

৩. আর যার অন্তরে আল্লাহর ভয় নেই, সে যত ভালো কথাই বলুক, সে আমানতদার নয়।

৪. গুনাহগার, খারাপ স্বভাবের লোকের সাথে চলবে না; নতুবা সে তোমাকে তার খারাপ কাজগুলোতে অভ্যস্ত করে ফেলবে। আর তার কাছে নিজের গোপন বিষয় প্রকাশ করো না।

৫. তোমার গুরুত্বপূর্ণ কাজে কেবল তাদের সাথেই পরামর্শ করো, যারা মহান আল্লাহকে ভয় করে চলে।

● [সিফাতুস সাফওয়াহ: খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৪৯]

18/04/2026

মানুষ পৃথিবীতে শুধু হারাতে আসে
মানুষের প্রাপ্তি বলে কিছু নেই।
স্বপ্ন হারায়, কথা হারায়, সুখ হারায়,
ভালোবাসার মানুষ হারায়।

একদা হযরত ঈসা (আঃ) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবর...
18/02/2026

একদা হযরত ঈসা (আঃ) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আঃ)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )
হযরত ঈসা (আঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"
লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"
হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"
লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।
(সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)

13/02/2026

লুমাযাহ (لُمَزَة) হলো— ইশারা-ইঙ্গিতে, চোখ-ভ্রু, মুখভঙ্গি বা আচরণে কাউকে অপমান করা, খোঁটা দেওয়া বা তুচ্ছ করা.!⛔

অর্থাৎ— কথা না বলেও কারো দুর্বলতা নিয়ে ঠাট্টা করা
চোখ টিপে, ঠোঁট বাঁকিয়ে, হাতের ইশারায় উপহাস করা
অন্যের সম্মান ছোট করা সবই লুমাযাহ.!

📖 কুরআনের সতর্কবার্তা
وَيْلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ
“ধ্বংস তার জন্য, যে নিন্দাকারী ও উপহাসকারী।”
(সূরা আল-হুমাযাহ : ১)

🔹 হুমাযাহ → মুখে মুখে নিন্দা
🔹 লুমাযাহ → ইশারা-ইঙ্গিতে অপমান

> বাস্তব জীবনের উদাহরণঃ-
কাউকে দেখে ব্যঙ্গ করে হাসা, পেছনে দাঁড়িয়ে নাক-মুখ বাঁকানো! কারো কথা নকল করে অন্যদের হাসানো, এগুলো ছোট মনে হলেও ইসলামে বড় গুনাহ।

ইসলামিক শিক্ষা
রাসূল ﷺ বলেছেন— মু’মিন কখনো অপমানকারী, অভিশাপকারী বা অশ্লীলভাষী নয়। (তিরমিয

24/01/2026

👉নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহীহ হাদীসের[1] মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইয়াহূদীরা ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছে, নাসারারা বিভক্ত হয়েছে ৭২ দলে, আর এ উম্মাতে মুহাম্মাদী বিভক্ত হবে ৭৩ দলে। একটি দল ব্যতীত সমস্ত দলই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। এটি হলো সেই দল, যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণের সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।

খলিফাতুল মুসলিমিন উমর (রঃ) বলেন, "তোমরা মুশরিকদের (মূর্তি পুজাকারীদের) উৎসবের সময় সেখানে যেও না। কেননা, তাদের উপর আল্লাহর গযব বর্ষিত হয়।"

-সুনানুল কুবরা, (বায়হাকীঃ ১৮২৮৮)

রাসূল (সঃ) বলেছেন, "শীঘ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তি পুজা করবে এবং কিছু লোক মূর্তি পূজারীদের সাথে মিশে যাবে।"

-সুনানে ইবনে মাজাহ (৩৯৫২)

21/01/2026

‎‎আপনি হয়তো চির দিন বাচবেন না কিন্তু আপনার পোস্ট ও কমেন্টের মাধ্যমে সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে আপনার আমলনামায় মৃত্যুর পরেও গুনাহ জমা হতে থাকবে 😭😭😭😭😭
‎সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেওয়ার কঠোর শাস্তি ঘোষণা করে আল্লাহ তাআলা বলেন,
‎اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحِبُّوۡنَ اَنۡ تَشِیۡعَ الۡفَاحِشَۃُ فِی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ۙ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ ؕ وَ اللّٰهُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ
‎যারা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাতে। আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না। (সুরা নুর: ১৯)
‎যারা সমাজে অশ্লীলতা ছড়ায়, তারা নিজেদের গুনাহের পাশাপাশি তাদের গুনাহের জন্য দায়ী হয়, যারা তাদের কথা-কাজে প্ররোচিত হয়ে গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা বলেন,
‎لِیَحْمِلُوْۤا اَوْزَارَهُمْ كَامِلَةً یَّوْمَ الْقِیٰمَةِ وَ مِنْ اَوْزَارِ الَّذِیْنَ یُضِلُّوْنَهُمْ بِغَیْرِ عِلْمٍ اَلَا سَآءَ مَا یَزِرُوْنَ.
‎কেয়ামতের দিন তারা বহন করবে নিজেদের পাপের বোঝা পূর্ণ মাত্রায়, আর তাদেরও পাপের বোঝা যাদেরকে তারা গোমরাহ করেছে নিজেদের অজ্ঞতার কারণে। হায়, তারা যা বহন করবে তা কত নিকৃষ্ট! (সুরা নাহল: ২৫)

Address

7/1 Bahadurpur
Mymensingh
2204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share