Victory Family Centre - VFC Bangladesh

Victory Family Centre - VFC Bangladesh The "Victory Family Church" ~ Place of Praise & Worship
leading Community Fellowships Programmes with Believers. Visiting Singapore?

The Singapore VFC Church

Victory Family Centre - Singapore has approx. 6,000 members that meet in multiple locations around the city. It comprises of six English, six Mandarin, six Chinese Dialect, two Tamil, one Bahasa Malaysia, one Singhalese, one Filipino, one Thai, one English midweek service, and six children's Services. The English services are held in 6 locations on the Island. VFC Region

1 & 2 in one location, Region 3 & 4 another, Region 5 & 6 another etc all the way through to Region 11 &12. The map below shows how VFC has Regionalised Singapore. VFC Singapore's "Region 7 & 8" was the particular part of the Victory church that established the church in Liverpool. Oversight ~

The Founding Pastor and Apostolic Advisor is Rick Seaward. He has been the catalyst and visionary for this incredible missions sending church. Pastor Danny Han oversees VFC Singapore and Pastor Ray Belfield the missions churches over three years old. Missions ~

The church sends out "Gideonite" Church planting teams every year. Each team is made up of enthusiastic individuals who volunteer to give 1 year of their life to serve God in another nation. By the end of 2008 VFC Singapore will have approx 1,500 churches in 70 nations. If you are visiting Singapore there are two Sunday services you can attend.
10:00 a.m Sunday morning service > VFC Region 7 / 8 meet at the Futsing Building, 2 Allenby Rd, Level 2 Auditorium.

6:00 pm Sunday evening service > VFC Tampines at 6:00 p.m, Level 3, 20 Tampines Street 43, Singapore. Please phone during office hours to confirm these details as on occasions special events are held at other locations.

> Telephone VFC Region 7/8 office: [65] 6353 9278 or [65] 6353 9746
> Telephone VFC Corporate office: [65] 6353 9700

26/07/2025

২ পিতর ৩:৯ পদ
"প্রভু নিজ প্রতিজ্ঞা বিষয়ে দীর্ঘসূত্রী নহেন—যেমন কেহ কেহ দীর্ঘসূত্রিতা জ্ঞান করে—কিন্তু তোমাদের পক্ষে তিনি দীর্ঘসহিষ্ণু; কতকগুলি লোক যে বিনষ্ট হয়, এমন বাসনা তাঁহার নাই; বরং সকলে যেন মনপরিবর্ত্তন পর্য্যন্ত পঁহুছিতে পায়, এই তাঁহার বাসনা।"
________________________________________
🔹 ধৈর্য, না দেরি
অনেকে মনে করে, ঈশ্বর তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণে দেরি করছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—তিনি ধৈর্য ধরছেন। তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যমূলক।
🔹 সকলের জন্য সুযোগ
ঈশ্বর চান না যেন কেউ ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়। তাঁর হৃদয় প্রত্যেক মানুষের জন্য উন্মুক্ত—যাতে তারা অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসে এবং নতুন জীবন লাভ করে।
🔹 বিচার বিলম্বিত, বাতিল নয়
ঈশ্বরের ধৈর্য মানে বিচার আসবে না—তা নয়। তিনি অপেক্ষা করছেন, যেন যত বেশি সম্ভব মানুষ তাঁর করুণা ও সত্যের কাছে ফিরে আসে। বিচার অবশ্যম্ভাবী—কিন্তু তা যথাসময়ে হবে।
________________________________________
আমরা অনেক সময় প্রশ্ন করি,
"প্রভু কেন হস্তক্ষেপ করছেন না? কেন দেরি করছেন?"
এই বাক্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—তিনি কখনো বিলম্ব করেন না, বরং আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন ।
এটি আমাদের তিনটি বিষয় শিখিয়ে দেয়:
🔹 নিজেকে আত্মসমীক্ষা করা—আমি কি ঈশ্বরের আহ্বানে সাড়া দিয়েছি?
🔹 অন্যদেরও সেই আহ্বানের কথা জানানো—তারা যেন সময় থাকতে ফিরে আসতে পারে।
🔹 ঈশ্বরের ধৈর্যের মাঝে তাঁর প্রতি আরো গভীরভাবে ফিরে আসা।

21/07/2025

ভুল ত্রুটি মার্জনা করবেন :
বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, যীশু প্রধানত ইস্রায়েল অঞ্চলে তাঁর শিক্ষা ও উপদেশ প্রদান করেছিলেন এবং তাঁর শিষ্যরাও প্রথমে ইস্রায়েল, প্যালেস্টাইন ও আশেপাশের অঞ্চলে সুসমাচার প্রচার করেছিলেন। কিন্তু আজকের দিনে ইস্রায়েল বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যীশুর অনুসারীর সংখ্যা খুবই কম। এর কারণ কী? এর মানে কি যীশু যিহূদিদের কাছে তাঁর শিক্ষা যথাযথভাবে পৌঁছাতে পারেননি, নাকি শিষ্যরা ইস্রায়েল বা মধ্যপ্রাচ্যকে উপেক্ষা করে অন্যত্র গিয়েছিল? তারা কেন এই অঞ্চলে খ্রিস্টান ধর্মের বিস্তার পুরোপুরি করতে পারেনি?

১. যীশুর শিক্ষা প্রধানত ইস্রায়েলেই হয়েছিল
বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, যীশু তাঁর জীবদ্দশায় মূলত ইস্রায়েলের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাদান ও প্রচার করেছিলেন। তাঁর শিষ্যরাও প্রথমে সেই অঞ্চলে তাঁর শিক্ষাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।

২. যিহূদিরা যীশুকে মশীহ স্বীকার করেনি
ইতিহাস ও ধর্মীয় পর্যালোচনার মতে, অধিকাংশ যিহূদি যীশুকে তাদের প্রত্যাশিত মশীহ মনে করেননি। তারা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তিশালী মুক্তিদাতার প্রত্যাশায় ছিল। কিন্তু যীশুর শিক্ষা ছিল শান্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক, যা তাদের চাহিদার সাথে মেলেনি। ফলে তাঁরা যীশুর শিক্ষাকে গ্রহণ করেননি।

৩. শিষ্যদের মিশনারি কাজের বিস্তার
যীশুর মৃত্যুর পর শিষ্যরা ঈশ্বরের আদেশ অনুযায়ী “বিশ্বের প্রান্ত পর্যন্ত” শিক্ষাদান চালিয়ে যান। যেহেতু যিহূদি সমাজে প্রচার কঠিন হচ্ছিল, তাঁরা অন্য জাতিগোষ্ঠীর মাঝে সুসমাচার প্রচারে মনোনিবেশ করেন। এজন্য ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে খ্রিস্টান ধর্ম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

৪. মধ্যপ্রাচ্যের ধর্মীয় পরিবর্তন
মধ্যপ্রাচ্যে রোমান, বাইজান্টাইন ও পরবর্তীতে ইসলামি শাসন আসার ফলে ইসলাম প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই পরিবর্তনের কারণে খ্রিস্টান ধর্মের পরিমাণ সেখানে সীমিত থাকে।

৫. মধ্যপ্রাচ্যে আজকের দিনেও খ্রিস্টান সম্প্রদায় আছে
যদিও সংখ্যা কম, তবুও ইস্রায়েল, প্যালেস্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায় বিদ্যমান এবং সক্রিয়।

৬. শিষ্যরা কি মধ্যপ্রাচ্যকে উপেক্ষা করেছে?
না, তারা প্রথমেই সেখানে কাজ শুরু করেছিল, কিন্তু বাধা ও বিপত্তির কারণে এবং ঈশ্বরের নির্দেশ মোতাবেক বিশ্বব্যাপী কাজ করার জন্য বেরিয়ে গিয়েছিল।

সারসংক্ষেপ:
• যীশু প্রধানত ইস্রায়েলে শিক্ষা দিয়েছিলেন।
• যিহূদিরা তাঁকে মশীহ স্বীকার না করায় প্রচার সীমিত ছিল।
• শিষ্যরা সুসমাচার অন্য জাতির মাঝে ছড়িয়েছিল।
• মধ্যপ্রাচ্যে ইসলাম ধর্মের প্রসারের ফলে খ্রিস্টান সংখ্যাও কমেছে।
• আজও সেখানে খ্রিস্টান সম্প্রদায় রয়েছে, যদিও সংখ্যালঘু।
• শিষ্যরা মধ্যপ্রাচ্যকে উপেক্ষা করেনি; বরং ঈশ্বরের আদেশে বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছেন।

১. যীশুর শিক্ষা ও মিশনের লক্ষ্য
যীশুর প্রধান বার্তা ছিল “ঈশ্বরের রাজ্য”
তাঁর শিক্ষা মানুষের হৃদয় পরিবর্তন ও আত্মার পরিপূর্ণতার দিকে নির্দেশ করেছিল, যা শুধুমাত্র জাতি বা দেশের ভিত্তিতে সীমাবদ্ধ ছিল না।
লূক ৪:১৮-১৯ :
““প্রভুর আত্মা আমার উপর আছেন, কারণ তিনি আমাকে অভিষিক্ত করেছেন, দরিদ্রের কাছে সুসমাচার প্রচার করার জন্য; তিনি আমাকে পাঠিয়েছেন, বন্দিদের কাছে মুক্তি প্রচার করার জন্য, অন্ধদের কাছে দৃষ্টি দানের প্রচার করার জন্য, নির্যাতিতদের উদ্ধার করার জন্য, প্রভুর অনুগ্রহের বছর ঘোষণা করার জন্য।””
এখানে স্পষ্ট যে যীশুর মিশন শুধু যীহুদিদের জন্য নয়, বরং সকল মানুষের জন্য।

২. শিষ্যদের আদেশ ও বিশ্বব্যাপী মিশনারি কাজ
যীশু তাঁর শিষ্যদের বলেছিলেন:
মথি ২৮:১৮-২০ (মহান আদেশ):
“মথি 28:18-20 বিবিএস তখন যীশু নিকটে আসিয়া তাঁহাদের সহিত কথা কহিলেন, বলিলেন, স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত কর্তৃত্ব আমাকে দত্ত হইয়াছে। অতএব তোমরা গিয়া সমুদয় জাতিকে শিষ্য কর; পিতার ও পুত্রের ও পবিত্র আত্মার নামে তাহাদিগকে বাপ্তাইজ কর; আমি তোমাদিগকে যাহা যাহা আজ্ঞা করিয়াছি, সেই সমস্ত পালন করিতে তাহাদিগকে শিক্ষা দেও।”
এখানে ‘সমুদয় জাতিকে’ বোঝানো হয়েছে জাতি বা ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের মাঝে যীশুর শিক্ষা ছড়ানোর কথা।

৩. মধ্যপ্রাচ্যে খ্রিস্টান ধর্মের সীমিত বিস্তার কেন?
• যিহূদিদের প্রত্যাশা ছিল যে মশীহ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা হবেন যিনি তাদের শত্রুদের থেকে মুক্তি দেবেন। যীশুর বার্তা ছিল আধ্যাত্মিক, শান্তিপূর্ণ রাজত্বের। এজন্য অনেক যিহূদি তাঁকে মশীহ স্বীকার করেননি। যা তারা এখনো করে না।
• এই কারণে, প্রথম খ্রিস্টান গোষ্ঠীটি দমবন্ধ বোধ করছিল এবং রোমান সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে সুসমাচার প্রচার শুরু হয়।
• পরবর্তী সময়ে ইসলাম আগমন ঘটে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ধর্মীয় পরিবেশ ব্যাপক পরিবর্তিত হয়। ইসলাম এখানে প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪. বাইবেল থেকে আরও কিছু প্রাসঙ্গিক অংশ
প্রেরিত ১০:৩৫-৩৬
“৩৫ যে কোন ব্যক্তি তাঁর প্রতি সম্ভ্রমশীল এবং ন্যায়নিষ্ঠ, সেই তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য, তা সে যে কোন জাতিরই হোক না কেন। ৩৬ ইসরায়েল জাতির কাছে ঈশ্বর তাঁর বাণী প্রেরণ করেছিলেন, যীশু খ্রীষ্ট যিনি সকলের প্রভু, তাঁর মাধ্যমে শান্তির সুসমাচার প্রচার করছেন।”
এটি ইঙ্গিত করে শিষ্যরা কেবল তাদের নিজ দেশেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দূরবর্তী দেশেও গিয়ে ধর্ম প্রচার করেছিল।
রোমীয় ১:১৬
“কেননা আমি সুসমাচার সম্বন্ধে লজ্জিত নহি; কারণ উহা প্রত্যেক বিশ্বাসীর পক্ষে পরিত্রাণার্থে ঈশ্বরের শক্তি; প্রথমতঃ যিহূদীর পক্ষে, আর গ্রীকেরও পক্ষে।”

৫. আজকের মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টান সম্প্রদায়
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে এখনো খ্রিস্টানরা রয়েছেন এবং তারা ঐতিহ্যগতভাবে খ্রিস্টান ধর্ম পালন করে আসছেন। যেমন:
• ইস্রায়েল ও প্যালেস্টাইন অঞ্চলে
• লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান, ইরাক, মিশর ইত্যাদিতে
তবে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ নন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন।

সারমর্ম
• যীশুর শিক্ষা সার্বজনীন ও মানবতার জন্য ছিল, কেবল যীহুদিদের জন্য নয়।
• শিষ্যরা ঈশ্বরের আদেশ মতো বিশ্বব্যাপী মিশনারি কাজ করেছেন।
• মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে খ্রিস্টান সংখ্যা কমে যায়।
• বর্তমানেও মধ্যপ্রাচ্যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় রয়েছে, যারা ধার্মিক জীবনযাপন করছে।

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Victory Family Centre - VFC Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Victory Family Centre - VFC Bangladesh:

Share

Our Story

The VFC Bangladesh (Community Church) | Sr. Pastor Allen Joseph G (From DEC-2016 To Till) | Contacts : [email protected]

VFC Bangladesh serving local community people for caring their faith & helping individual spiritual nursing in associated with prayer meeting, fellowship & holistically. We are daughter church of VFC Singapore and partnering ministries with Prison Fellowship, CBMC Bangladesh, Dhaka Pastors Fellowship and ARWT. Victory Family Centre - Singapore has approx. 6,000 members that meet in multiple locations around the city. It comprises of six English, six Mandarin, six Chinese Dialect, two Tamil, one Bahasa Malaysia, one Singhalese, one Filipino, one Thai, one English midweek service, and six children's Services. The English services are held in 6 locations on the Island. VFC Region 1 & 2 in one location, Region 3 & 4 another, Region 5 & 6 another etc all the way through to Region 11 &12. The map below shows how VFC has Regionalised Singapore. VFC Singapore's "Region 7 & 8" was the particular part of the Victory church that established the church in Liverpool. Oversight ~ The Founding Pastor and Apostolic Advisor was Rick Seaward. He has been the catalyst and visionary for this incredible missions sending church. Pastor Danny Han oversees VFC Singapore and Pastor Ray Belfield the missions churches over three years old. Missions ~ The church sends out "Gideonite" Church planting teams every year. Each team is made up of enthusiastic individuals who volunteer to give 1 year of their life to serve God in another nation. By the end of 2008 VFC Singapore will have approx 1,500 churches in 70 nations & it’s extended many places around the world. Visiting VFC Community Services ? If you are visiting Dhaka there are two main services you can attend. 6:00 p.m Sunday morning service > VFC Dhaka 10:00 am Friday morning service > VFC Dhaka