Dhaka University Film Society

Dhaka University Film Society Pioneering organization of Bangladesh's film society movement since 1962. Running by the students of Dhaka University.

Motto: Better Films, Better Viewers
dufs.org || blog.dufs.org Dhaka University Film Society (DUFS) is one of the pioneers of film society movement in Bangladesh. With great success it still holds the reputation of being one of most active film societies of the country. DUFS is a student organization of University of Dhaka. With a motto of “Better Film, Better Viewers”, DUFS believes in the strength of Film as a massive art and communication media. It believes that better films can create better people and thus can make the world more serene and creative. Thus this cultural organization is working for a better humanitarian world using Film as a tool to change the society. DUFS, as an active film society, organises festivals, open screenings, World Film Manifestation Programs (WFMP); arranges seminars, meetings, film courses; celebrates national days (Independence day, Victory day), World Film Screenign day, as well as do some other responsibilities as a film society. DUFS has a regular publication; a film journal named 'Flashback' and a film magazine named 'Agantuk'. Both can be found at DUFS office, or at different book shops of Aziz Super Market, Shahbag, Dhaka.

'Common Gender' is not a simple entertainment film—it is a mirror that makes society face itself. Here, one truth is rep...
05/09/2026

'Common Gender' is not a simple entertainment film—it is a mirror that makes society face itself. Here, one truth is repeatedly pronounced—they are human; they are nothing else. All that is needed to break the glass wall that stands between mainstream society and the third gender community is social goodwill......

শৈশবের পুতুল, খেলনা আর স্বপ্নের জগতকে যিনি সিনেমার পর্দায়  দিয়েছিলেন এক অদ্ভুত, কখনো ভয়ংকর আবার কখনো বিস্ময়কর জীবন—ত...
04/09/2026

শৈশবের পুতুল, খেলনা আর স্বপ্নের জগতকে যিনি সিনেমার পর্দায় দিয়েছিলেন এক অদ্ভুত, কখনো ভয়ংকর আবার কখনো বিস্ময়কর জীবন—তিনি ইয়ান শভাঙ্কমায়ার। চেক অ্যানিমেশনের কিংবদন্তি এই নির্মাতা বস্তু, পুতুল ও দৈনন্দিন জীবনের উপাদানকে এমনভাবে জীবন্ত করে তুলেছেন, যেখানে বাস্তবতা আর কল্পনার সীমারেখা ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে যায়।
তার চলচ্চিত্রে সাররিয়ালিজম , ডার্ক হিউমার এবং স্টপ মোশনের অনন্য মিশেলে মানুষের অবচেতন, আকাঙ্ক্ষা, ভয় ও সামাজিক বাস্তবতা উঠে আসে। ‘অ্যালিস’ (১৯৮৮), ‘ফলস্ট’ (১৯৯৪) ও ‘লিটল ওটিক’ (২০০০) তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ইয়ান শভাঙ্কমায়ারের সিনেমা যেন আমাদের শৈশবের পরিচিত খেলনাগুলোকে নতুন চোখে দেখতে শেখায়—যেখানে একটি পুতুলও জীবন্ত হয়ে উঠতে পারে, আর একটি সাধারণ বস্তু লুকিয়ে রাখতে পারে এক অস্বস্তিকর স্বপ্ন।

আজ ইয়ান শভাঙ্কমায়ারের জন্মদিনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ জানাচ্ছে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।

আজ ২৮ আগস্ট, শুক্রবার টিএসসি অডিটোরিয়ামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর কনিষ্ঠতম ব্যাচ ২০২৪-২৫ সেশনের সদস্যদের ‘আষ...
28/08/2026

আজ ২৮ আগস্ট, শুক্রবার টিএসসি অডিটোরিয়ামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর কনিষ্ঠতম ব্যাচ ২০২৪-২৫ সেশনের সদস্যদের ‘আষাঢ়ে আর্গোনটস’ নামে বরণ করে নেওয়া হয়।

‘আষাঢ়ে আর্গোনটস’-কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ পরিবারে স্বাগতম।

আজ আয়োজিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর ২০২৪-২৫ কার্যবছরের পঞ্চম পাঠচক্র। পাঠচক্রের বিষয় ছিল 'বাংলাদেশে চলচ্...
26/08/2026

আজ আয়োজিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর ২০২৪-২৫ কার্যবছরের পঞ্চম পাঠচক্র। পাঠচক্রের বিষয় ছিল 'বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের ইতিহাস'। আলোচক হিসেবে ছিলেন চলচ্চিত্র গবেষক, আলোকচিত্রী ও আর্কাইভিস্ট মীর শামছুল আলম বাবু।

ক্যামেরার লেন্সে যখন উঠে আসে দুটি আলাদা সংস্কৃতির টানাপোড়েনের গল্প, তখন মনে পড়ে ফাতিহ আকিনের কথা। দুটি ভিন্ন সংস্কৃতি,...
25/08/2026

ক্যামেরার লেন্সে যখন উঠে আসে দুটি আলাদা সংস্কৃতির টানাপোড়েনের গল্প, তখন মনে পড়ে ফাতিহ আকিনের কথা। দুটি ভিন্ন সংস্কৃতি, অভিবাসী জীবনের সংগ্রাম আর মানুষের ভেতরের গভীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব; এসব বিষয়বস্তুর সংমিশ্রণে তিনি রূপালী পর্দায় এঁকেছেন একের পর এক অনন্য গল্প ।

২৫ আগস্ট ১৯৭৩ সালে জার্মানির হ্যামবুর্গে এক তুর্কি অভিবাসী পরিবারে জন্ম নেওয়া এই পরিচালক খুব কাছ থেকে দেখেছেন দুই সংস্কৃতির মধ্যে আটকে থাকা মানুষের জীবন ও অনুসন্ধান। তার চলচ্চিত্রে ভূগোল কখনো কেবল একটি স্থান নয়; বরং তা হয়ে ওঠে মানুষের পরিচয় ও অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

১৯৯৫ সালে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দিয়ে যাত্রা শুরু করা আকিন খ্যাতি পান ‘শর্ট শার্প শক’ (১৯৯৮) দিয়ে, আর ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া তার মাস্টারপিস 'হেড-অন' বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন বেয়ার অর্জন করে তাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি এনে দেয়। পরবর্তীতে 'দ্য এজ অব হেভেন' (২০০৭), 'সোউল কিচেন' (২০০৯) এবং 'ইন দ্য ফেড' (২০১৭) এর মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি নিজেকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

​ফাতিহ আকিনের সেলুলয়েডে উঠে এসেছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সীমানা পেরিয়ে মানুষের প্রেম, যন্ত্রণা, অপরাধ এবং আত্মশুদ্ধির গল্প। সংগীত ও নিজস্ব ভিজ্যুয়াল সিগনেচারের মাধ্যমে সিনেমাকে কীভাবে জীবন্ত দলিল করে তোলা যায়, তার অনন্য উদাহরণ গড়েছেন আকিন।

আজ ফাতিহ আকিনের জন্মদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ জানাচ্ছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

24/08/2026

চলিতেছে! চলিতেছে!!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সদস্য আহ্বান ২০২৬

ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ কক্ষে ( টিএসসি দ্বিতীয় তলা ২০৬ নং কক্ষে)।

শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের (২০২৫-২৬ সেশন) শিক্ষার্থীদের জন্য।

ছোটবেলায় আলফ্রেড হিচকক নির্মিত ‘ভার্টিগো’ (১৯৫৮) দেখে মুগ্ধ হওয়া এক কিশোরের স্বপ্ন ছিল চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়ার। কিন্...
23/08/2026

ছোটবেলায় আলফ্রেড হিচকক নির্মিত ‘ভার্টিগো’ (১৯৫৮) দেখে মুগ্ধ হওয়া এক কিশোরের স্বপ্ন ছিল চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়ার। কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে হাঁটতে গিয়ে পার্ক চান উক একসময় বুঝেছিলেন, সিনেমা শুধু গল্প বলার মাধ্যম নয় বরং মানুষের প্রতিশোধ, প্রেম, অপরাধবোধ ও নৈতিকতার জটিলতাকে অনুসন্ধানেরও এক অসাধারণ ভাষা।

দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম স্বতন্ত্র চলচ্চিত্রকার পার্ক চান উক তার নান্দনিক নির্মাণশৈলী, তীক্ষ্ণ ভিজ্যুয়াল ভাষা এবং প্রতিশোধ ও মানবিক প্রবৃত্তির জটিলতা অনুসন্ধানের জন্য বিশ্ব চলচ্চিত্রে বিশেষভাবে পরিচিত। তার চলচ্চিত্রে সহিংসতার পাশাপাশি থাকে সৌন্দর্য, প্রেমের পাশাপাশি থাকে অবসেশন, আর নৈতিকতার সীমারেখা বারবার হয়ে ওঠে অস্পষ্ট। পার্ক চান উকের সিনেমা তাই কেবল দেখা নয়; অনুভব করার, প্রশ্ন করার এবং অস্বস্তির মুখোমুখি দাঁড়ানোর এক অভিজ্ঞতা।

‘জয়েন্ট সিকিউরিটি এরিয়া’ (২০০০), ‘ওল্ডবয়’ (২০০৩), ‘দ্য হ্যান্ডমেইডেন’ (২০১৬) ও ‘ডিসিশন টু লিভ’ (২০২২) তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে ‘ওল্ডবয়’ বিশ্ব চলচ্চিত্রে কোরিয়ান নিউ ওয়েভের উপস্থিতিকে আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আজ পার্ক চান উকের জন্মদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ জানাচ্ছে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।

What makes these two films resonate so powerfully decades later is how they map the geography of the human heart. Wong K...
23/08/2026

What makes these two films resonate so powerfully decades later is how they map the geography of the human heart. Wong Kar-wai shows us that love is rarely linear or clean. It is a series of missed connections, passport stamps, and midnight arguments set to Argentine tangos.

Stepping into a Wong Kar-wai film means stepping into a beautifully suspended fever dream. You don't just watch his stories; you drown in them. You feel the hea

আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার, বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় আয়োজিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর ২০২৪-২৫ কার্যবছরের পঞ্চ...
23/08/2026

আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার, বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় আয়োজিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর ২০২৪-২৫ কার্যবছরের পঞ্চম পাঠচক্র। পাঠচক্রের বিষয় 'বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের ইতিহাস'। আলোচক হিসেবে থাকছেন চলচ্চিত্র গবেষক, আলোকচিত্রী ও আর্কাইভিস্ট মীর শামছুল আলম বাবু।

পাঠচক্রটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ কক্ষে (রুম নং ২০৬), ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

পাঠচক্রটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

গ্লাউবার দে আন্দ্রাদে রোচা ছিলেন একাধারে একজন চলচ্চিত্র সমালোচক, অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি ছিলে...
22/08/2026

গ্লাউবার দে আন্দ্রাদে রোচা ছিলেন একাধারে একজন চলচ্চিত্র সমালোচক, অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি ছিলেন ব্রাজিলের ‘সিনেমা নোভো’ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখপাত্র। প্রচলিত বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের বাইরে গিয়ে তিনি দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রাজনৈতিক নিপীড়ন, ঔপনিবেশিকতা ও সামাজিক বৈষম্যকে চলচ্চিত্রের কেন্দ্রে নিয়ে আসেন।

‘ব্ল্যাক গড হোয়াইট ডেভিল’ (১৯৬৪), ‘ইন্ট্রান্সড আর্থ’ (১৯৭৬) এর মতো চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি লাতিন আমেরিকার নিজস্ব চলচ্চিত্র ভাষা নির্মাণ করতে পেরেছিলেন। তার ‘এসথেটিক অব হাঙ্গার’ (১৯৬৫) প্রবন্ধকে ‘সিনেমা নোভো’ এর নান্দনিক ও রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আজ গ্লাউবার রোচার প্রয়াণ দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ শ্রদ্ধার সাথে তাকে স্মরণ করছে।

Address

Dhaka University Film Society (DUFS), TSC (1st Floor, Room No. 206), University Of Dhaka
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:05
Friday 10:30 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka University Film Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dhaka University Film Society:

Shortcuts

Share