Save The Nature of Bangladesh

Save The Nature of Bangladesh Our Nature Our Right ,
Save The Nature - Join the Fight ..........
(4)

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির পরম বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃহৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীত

ে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবির। মানুষের জীবন জীবিকার অন্যতম মাধ্যম ছিল কৃষি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা পরবর্তী এদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সোনার বাংলা কে বাস্তবে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রত্যায় তা থেমে যায় ইতিহাসের বাঁকে।
আজ ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্মী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

ব্যাক্তিগত বা যে কোন সংস্থার রেকর্ডভুক্ত জলাধারকে "প্রাকৃতিক জলাধার" ঘোষণা করে মহামান্য হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করুন। #...
20/06/2026

ব্যাক্তিগত বা যে কোন সংস্থার রেকর্ডভুক্ত জলাধারকে "প্রাকৃতিক জলাধার" ঘোষণা করে মহামান্য হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করুন।
#জলাধার_সংরক্ষণ_আইন_২০০০_বাস্তবায়ন_করুন
#জলাশয়_জলাধার_পুকুর_দীঘি_রক্ষা_করুন
#জলাশয়_জলাধার_দখল_দূষণ_মুক্ত_করুন
যে দীঘিগুলো শত বছর ধরে চট্টগ্রাম নগরীরে বাতাসের ধূলিকণা ও অতিরিক্ত কার্বন শুষে অক্সিজেন সমৃদ্ধ নির্মল বায়ু ছড়িয়ে দিত,খাওয়ার পানি বা গোসলের অন্যতম উৎস ছিল, বৃষ্টির পানি শোষণ করে ভূগর্ভস্থ বিশুদ্ধ পানির স্থরকে সুরক্ষিত রাখতে, ইট কাঠ পাথরের বহুতল ভবনের জঞ্জালের নীচে থাকা মাটির সজীবতা ধারন করে গুনগতমান ঠিক রাখতে, পশুপাখি সহ সাধারণ মানুষের বিকল্প পানির উৎস নিশ্চিত করতে, আশেপাশের সকল উদ্ভিদের পানির চাহিদা পূরন করে পরিবেশকে প্রানবন্ত রাখত, পানি চক্র নির্বিঘ্ন রাখত, মাটির অতিরিক্ত ক্ষারীয় পদার্থ শোষণ করে পরিবেশ কে জীবন্ত রাখত, দূর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে বিকল্প নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করত, অগ্নি নির্বাপণের সহায়ক অন্যতম উৎস হিসেবে সভ্যতাকে নিরাপত্তা দিতে তাদের আজ বেহাল দশার দ্বায় কার ?

মহামান্য হাইকোর্ট ২০২০ সালে পরিবেশ সচিবকে জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ এর ২ (চ) ধারায় প্রাকৃতিক জলাধারের সংজ্ঞা ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল দেশের সকল জলাশয় জলাধার ও পুকুর দীঘিকে। রাজা আসে রাজা যায়, হাত বদলায় ক্ষমতার কিন্তু হাকিমের হুকুম এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কারো নেই। তাই Save The Nature of Bangladesh এর পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জামালখান আশকার দীঘি সহ চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ দীঘি ও জলাশয় জলাধারের সিমানা পরিচিহ্নিত করে অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রকাশের দাবী জানাচ্ছি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) এবং Chattogram City Corporation এর মাননীয় মেয়র Shahadat Hossain ভাইয়ের নিকট।
তাই সর্বপ্রথম জলাশয় জলাধার সংরক্ষণ কমিটি গঠন করতে হবে দক্ষ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পরিবেশ প্রেমীদের মাধ্যমে। Highlight ⊕


প্রায় সাড়ে তিন শ বছরের পুরোনো এই জলাধার একসময় নগরের গুরুত্বপূর্ণ পানির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি চট্টগ্রাম নগরের প্রাণকেন্দ্র জামালখান এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক আসকার দিঘি। কচুরিপানা জন্মে সবুজ হয়ে আছে দিঘির উপরিভাগ। বছরের পর বছর ধরে প্লাস্টিক, পলিথিন ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলার কারণে দিঘির পানি দূষিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছবি : সৌরভ দাশ - প্রথম আলো
#পরিবেশ_আন্দোলনই_একদিন_এদেশের_নিয়ামক_শক্তি_হবে

15/06/2026

We want to build a safe future free of all environmental impacts and pollution for our next generation. So we are fighting for a brighter future.


We have reached a point from which the modern world does not yet have an easy solution.
Plastic pollution has taken a terrible shape today, soil pollution, air pollution, water pollution, river pollution are under threat to human civilization today. Medical waste, e-waste, industrial waste, chemical waste are consuming our future by moles.
So we need to know, which way are we going?
Where are we located?
We have reached a point of no return!

The world has realized that it is impossible to sustain human civilization if nature, environment, climate and biodiversity are not protected. But still we are pretending not to know, pretending not to understand ⁉️

Everyone knows all kinds of effects of global warming but he doesn't know how to protect himself from all kinds of problems and he can play an important role in that fight if he wants to.Therefore, "Save The Nature Of Bangladesh" is working with the great patriots of this country to build a safe and habitable world.

Send a message to learn more

07/06/2026

ন্যাচার কনভেনশন থেকে অন্ততঃ একটি পলিথিন মুক্ত বাজার, ৩/৫ টি জলাধার দখল দূষণ মুক্ত করা, ফয়স লেক উন্মুক্ত করা ও নগরীর ৫/৭ টি ঝুকিপূর্ণ পাহাড়কে চিরস্থায়ী ভাবে সুরক্ষার দাবী জানানো হয়।


চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরীষতলায় Save The Nature Of Bangladesh- চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত জমকালো এর Save The Nature of Bangladesh এর চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. শাহাদাত হোসেন ও উদ্ভোধক (চট্টগ্রাম -৯) আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমরা বক্তব্য ছিল -

"চট্টগ্রাম শহরের অন্তত একটি বাজারকে পলিথিন মুক্ত বাজার ঘোষণা করুন। অন্তত তিনটি পুকুরকে দখল ও দূষণ মুক্ত করে দৃষ্টিনন্দন করুন। ফয়'স লেক ডাকাতের কবল থেকে উদ্ধার করে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের জন্য উন্মুক্ত করেদিন এবং নগরীতে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ২৬ টি পাহাড়ের ৩-৫টি পাহাড় কে চিরস্থায়ী ভাবে সুরক্ষার উদ্যোগ নিন।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম- ০৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. এম এ গফুর এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্ততাকিম মাহমুদ।

উক্ত ন্যাচার কনভেনশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও হালদা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া, কর্ণফুলী নদী গবেষক ও অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম. মোয়াজ্জেম হোসেন, পরিবেশ সংগঠক ও চ্যানেল আই চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান ও ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের জোনাল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাবুল, পরিবেশ সংগঠক সেলিম খান, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও ইয়াকুব হোসেন শাকিল, আহসান খালেদ সহ স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Anti Zoo Movement Bangladesh
A N M Moazzem Hossain
Moazzem Riad

06/06/2026

ন্যাচার কনভেনশনে চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব গ্রীন, ক্লিন ও হেলদি সিটিতে রুপান্তরের প্রত্যয় ঘোষণা চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের।

Save The Nature Of Bangladesh- চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত এ চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগরী (গ্রিন, ক্লিন ও হেলদি সিটি) হিসেবে গড়ে তুলতে নিজের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম আমাদের সবার অহংকার। এই নগরীর পরিবেশ, প্রকৃতি, জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাটি, পানি, বায়ু ও নদী জলাশয় দূষণমুক্ত করতে গৃহস্থালি, ই-বর্জ্য, মেডিকেল এবং সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তার শতভাগ সুফল আমি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।

তিনি শুক্রবার চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরীষতলায় 'সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ' চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত এক জমকালো 'ন্যাচার কনভেনশন'-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পাহাড় ও প্রকৃতি আজ হুমকির মুখে। পাহাড় কাটার লাগাম টেনে ধরতে এবং জনদুর্ভোগ নির্মূলে চসিক কঠোর অবস্থানে থাকবে। তবে কেবল প্রশাসনের একার পক্ষে একটি শহর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল সুনাগরিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করে আমাদের এই চিরসবুজ চট্টগ্রামকে আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করে যেতে হবে।

তিনি পরিবেশ রক্ষায় 'ন্যাচার কনভেনশন' এর মতো উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার এই মহান উদ্যোগ চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সবুজ আচ্ছাদন সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামকে দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন ও স্বাস্থ্যকর নগরীতে রূপান্তর করব।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-০৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. এম এ গফুর।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্ততাকিম মাহমুদ।

কনভেনশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও হালদা নদী গবেষক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া, কর্ণফুলী নদী গবেষক ও অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম. মোয়াজ্জেম হোসেন, পরিবেশ সংগঠক ও চ্যানেল আই চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান ও ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের জোনাল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাবুল, পরিবেশ সংগঠক সেলিম খান, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আহসান খালেদ ও ইয়াকুব হোসেন শাকিলসহ স্থানীয় পরিবেশবাদী নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান এবং মেয়রের গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

05/06/2026


চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরিষ তলায়


স্লোগানে চট্টগ্রামের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় মাটি, পানি, বায়ু, নদী, জলাশয়- জলাধার দূষণ নির্মূলে গৃহস্থালি বর্জ্য, ই-বর্জ্য, মেডিক্যাল বর্জ্য, সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, অবশিষ্ট পাহাড় প্রকৃতি সুরক্ষায়, অপরিকল্পিত নগরায়নের লাগাম টানতে, জনদূর্ভোগ নির্মূল করে দায়িত্বশীল সুনাগরিক গঠন, নগরের সবুজ আচ্ছাদন সমৃদ্ধির মাধ্যমে বাসযোগ্য নগরী গড়তে "ন্যাচার কনভেনশন " এর মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজ সহ নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার মহান উদ্যোগ নিয়েছে Save The Nature of Bangladesh.
A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad Highlight ⊕
উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলে স্ববান্ধবে আমন্ত্রিত


05/06/2026


চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরিষ তলায়


স্লোগানে চট্টগ্রামের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় মাটি, পানি, বায়ু, নদী, জলাশয়- জলাধার দূষণ নির্মূলে গৃহস্থালি বর্জ্য, ই-বর্জ্য, মেডিক্যাল বর্জ্য, সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, অবশিষ্ট পাহাড় প্রকৃতি সুরক্ষায়, অপরিকল্পিত নগরায়নের লাগাম টানতে, জনদূর্ভোগ নির্মূল করে দায়িত্বশীল সুনাগরিক গঠন, নগরের সবুজ আচ্ছাদন সমৃদ্ধির মাধ্যমে বাসযোগ্য নগরী গড়তে "ন্যাচার কনভেনশন " এর মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজ সহ নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার মহান উদ্যোগ নিয়েছে Save The Nature of Bangladesh.
A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad Highlight ⊕
উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলে স্ববান্ধবে আমন্ত্রিত


05/06/2026


চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরিষ তলায়


স্লোগানে চট্টগ্রামের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় মাটি, পানি, বায়ু, নদী, জলাশয়- জলাধার দূষণ নির্মূলে গৃহস্থালি বর্জ্য, ই-বর্জ্য, মেডিক্যাল বর্জ্য, সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, অবশিষ্ট পাহাড় প্রকৃতি সুরক্ষায়, অপরিকল্পিত নগরায়নের লাগাম টানতে, জনদূর্ভোগ নির্মূল করে দায়িত্বশীল সুনাগরিক গঠন, নগরের সবুজ আচ্ছাদন সমৃদ্ধির মাধ্যমে বাসযোগ্য নগরী গড়তে "ন্যাচার কনভেনশন " এর মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজ সহ নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার মহান উদ্যোগ নিয়েছে সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলে স্ববান্ধবে আমন্ত্রিত


  আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ -এর আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য হলো “    .    ”, যার বাংলা অর্থ: “প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায়। জলবা...
05/06/2026


আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ -এর আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য হলো “ . ”, যার বাংলা অর্থ: “প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায়। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য।”
বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরিষ তলায় এর আয়োজন করেছে Save The Nature Of Bangladesh- চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডা: শাহদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সহ সরকারের সকল সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।



স্লোগানে চট্টগ্রামের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় মাটি, পানি, বায়ু, নদী, জলাশয়- জলাধার দূষণ নির্মূলে গৃহস্থালি বর্জ্য, ই-বর্জ্য, মেডিক্যাল বর্জ্য, সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, অবশিষ্ট পাহাড় প্রকৃতি সুরক্ষায়, অপরিকল্পিত নগরায়নের লাগাম টানতে, জনদূর্ভোগ নির্মূল করে দায়িত্বশীল সুনাগরিক গঠন, নগরের সবুজ আচ্ছাদন সমৃদ্ধির মাধ্যমে বাসযোগ্য নগরী গড়তে "ন্যাচার কনভেনশন " এর মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজ সহ নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার মহান উদ্যোগ নিয়েছে সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলে স্ববান্ধবে আমন্ত্রিত


02/06/2026

মায়ের বুকে ফিরে যেতে হাতি শাবকের অঝর নয়নের চোখের পানি সেদিন প্রতিটি মানুষ কেন প্রকৃতিও কেঁদেছে। তাকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দিয়ে মায়ের বুকে ফিরিয়ে দেয়ার সুযোগ থাকলেও কানের ঘাঁয়ের চিকিৎসার অজুহাতে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হল। কেউ যেন তার সুস্থতার বিষয়টি জানতে না পারে কঠোর নজরদারিতে রাখা হল বিশেষ স্থানে। তাতেই আপনাদের মতলব পরিষ্কার⁉️
Save The Nature of Bangladesh টিম সরেজমিনে ঘটনাস্থলের প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয় জেনে, মানুষের অভিব্যক্তি শুনে মানুষ হিসেবে নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছে‼️
#মায়ের_বুক_থেকে_হাতি_শাবক_চুরি_রুখো কোন হাতি শাবক মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে মা ফিরে আসার জন্য ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে বাচ্চাকে রাখার বিধান থাকলেও, ২৭ মে লোহাগাড়ার জয়নগর থেকে উদ্ধার করা হাতি শাবকটি তাড়াহুড়ো করে নিয়ে আসা হয় ctg Wildlife DFO 'র নির্দেশে। পূর্বে উদ্ধার হওয়া প্রতিটি হাতি শাবক এর মত ওকেও বিনোদন এর খোরাক বানিয়ে অর্থ উপার্জন করবেন সাফারি পার্কে⁉️
এই সাফারি পার্কের নাম বদলে "এতিম বানানোর কারিগরী শিক্ষালয়" রাখুন। পরিকল্পিত ভাবে এতিম বানানোর জন্য ওদের অভিশাপেই তোমাদের ধ্বংস অনিবার্য।
#হাতির_বানিজ্যিক_ব্যবহার_বন্ধ_করুন
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে
#বাঁচাও_বন_ও_বন্যপ্রাণী ্যপ্রাণী_বাঁচাও

#বন্যপ্রাণী_সংরক্ষণের_সকল_প্রকল্পে_হিসাব_চাই A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad

Address

124/2 Ahmmedbagh, Bashaboo, Shobujbagh, Dhaka/1214
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save The Nature of Bangladesh:

Share