Save The Nature of Bangladesh

Save The Nature of Bangladesh Our Nature Our Right ,
Save The Nature - Join the Fight ..........
(4)

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির পরম বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃহৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীত

ে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবির। মানুষের জীবন জীবিকার অন্যতম মাধ্যম ছিল কৃষি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা পরবর্তী এদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সোনার বাংলা কে বাস্তবে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রত্যায় তা থেমে যায় ইতিহাসের বাঁকে।
আজ ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্মী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

21/08/2026

লামায় অসাবধানতা বশত খাদে আটকে পড়া বন্য হাতি উদ্ধার করে বনে ফেরত পাঠানোর জন্য বিভাগ ও স্থানীয়দের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে #বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো
©Nozrul Islam

 #ভাত_দেওয়ার_মুরোদ_নাই_কিল_মারার_গোঁসাইসামান্য দুইটা হাতির খাবার দেওয়ার মুরোদ না থাকায় নির্যাতনের হাত থেকে উদ্ধার করা দু...
20/08/2026

#ভাত_দেওয়ার_মুরোদ_নাই_কিল_মারার_গোঁসাই
সামান্য দুইটা হাতির খাবার দেওয়ার মুরোদ না থাকায় নির্যাতনের হাত থেকে উদ্ধার করা দুইটি হাতিকে যারা পুনরায় অপরাধীদের সপে দেয় নির্যাতন ও চাঁদাবাজি না করার শর্তে, তারা কি তাদের জামাই আদরে বসিয়ে খাওয়াবে ? Highlight ⊕
পার্বত্য অঞ্চলের গহীন বনভূমি সাফ করার মেশিন হিসেবে হাতিগুলো ব্যবহার করবে না, ও অসুস্থ হলে মেরে কেজি দরে মাংস বিক্রি করবে না সেই শর্ত দিলে কিন্তু হাতি পোষার শখ মিটে যেত 🤣🤣⁉️

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক কমিশনের একমাত্র অভিজ্ঞ সদস্যের প্রতি বন বিভাগের মনোভাব কতটা বিকৃত ও ঘৃণিত তা এই বন কর্মকর্তার মন্তব্যে স্পষ্ট ! বন্যপ্রাণীর প্রতি দয়ামায়াহীন, বন্যপ্রাণী বিষয়ক প্রাতিষ্টানিক কোন জ্ঞানহীনদের দিয়ে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কি সম্ভব ?
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে #হাতির_বানিজ্যিক_ব্যবহার_বন্ধ_করুন #বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো

এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে শিঘ্রই নামব রাজপথে 🩸1️⃣গত এক যুগে দেড় শতাধিক হাতির মৃত্যু হলেও ১টি হত্যা মামলার বিচার করতে না প...
13/08/2026

এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে শিঘ্রই নামব রাজপথে 🩸
1️⃣গত এক যুগে দেড় শতাধিক হাতির মৃত্যু হলেও ১টি হত্যা মামলার বিচার করতে না পারার ব্যার্থতা কার ?
2️⃣গত দশ বছরে নিহত শতাধিক হাতির মৃত্যুতে জি ডি করে দ্বায় সারলেন তাহলে পোষ্ট মর্টেম করলেন কেন ?
3️⃣নির্মম হত্যার পর মৃতদেহ কেটে চিহ্ন ভিন্ন করার মূল কারন কি তার মূল্যবান অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চুরির মত হল না⁉️
4️⃣তোমাদের ফরেনসিক ল্যাব ও রিপোর্টের ভিত্তি কি ?
5️⃣গাজীপুর সাফারি পার্কে ১ দিনের ব্যবধানে দুইটি হাতির মৃত্যুর ব্যার্থতার দ্বায় কার ?
6️⃣আড়াই হাজার একর হাতির বাসস্থান দক্ষিণ চট্টগ্রামের ফুসফুস KEPZ কে বিনামূল্যে বন্ধোবস্তীর বিরুদ্ধে বন বিভাগ প্রতিবাদ না করার কারন কি ?
7️⃣দক্ষিণ চট্টগ্রামের দেড় লক্ষ একর বনভূমি জবর দখলে জড়িত #দুর্নীতির_বরপুত্র বহাল তবিয়তে কেন ?
#হাতির_বানিজ্যিক_ব্যবহার_বন্ধ_করুন

#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে

12/08/2026

বিশ্ব হাতি দিবসের উৎসব ম্লান হতে পারে তাই গাজীপুর সাফারি পার্কে এক দিনের ব্যবধানে দুইটি হাতির করুণ মৃত্যুর তথ্য প্রকাশের কঠোর গোপনীয়তার অবসান হল! Highlight ⊕

11/08/2026

পৃথিবীতে এমন কোন মা আছে যে, বনে পর্যাপ্ত খাদ্য থেকেও খাদ্যাভাবের অজুহাতে বাচ্চাকে লোকালয়ে ফেলে চলে যাবে ? ওরা কি নরপশু ? "হাতির বাচ্চা চোরের" দূতিয়ালির সীমা থাকা দরকার ⁉️

প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় বনভূমি ধ্বংস ঠেকানো দুর্বল বন আইন দিয়ে অসম্ভব !বন আইনে সেটেলমেন্ট অফিসার করে রেখেছে ডিসি...
08/08/2026

প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় বনভূমি ধ্বংস ঠেকানো দুর্বল বন আইন দিয়ে অসম্ভব !

বন আইনে সেটেলমেন্ট অফিসার করে রেখেছে ডিসি কে, কোন বন কর্মকর্তার তাতে কোথাও ক্ষমতা নেই সেটেলমেন্টের ডিসিশন নেবার, আর ডিসিরা বানরের রুটি ভাগ করার গল্পের মত বনের জমি তছরুপ করেছে বন বিভাগ সহ মিলে যুগ যুগ ধরে। বাচ্চা বাচ্চা পোলাপান অফিসার হয়েছে বটে বনের আইন বা জমির আগামাথা বুঝে-না ! Highlight ⊕
বনভূমি রক্ষায় দীর্ঘ সময় ধরে শুধু বলিনি Save The Nature of Bangladesh এর পক্ষ থেকে কয়েক হাজার একর বনের গেজেটভুক্ত জমি কিভাবে বেহাত হয়েছে তার সকল তথ্য প্রমান জোগাড় করে দিয়েছি নিজের পকেটের লক্ষ টাকায়, যে লাও সেই কদু! বরং বনের গেজেট গাইব হবে তবু বনভূমি বাঁচাবে না !

বনভূমি রক্ষা করবে কি করে বন বিভাগ, নিজেদের ভূমির বেশির ভাগ গেজেট ১৯০৩ সালের। এর পর CS, RS, SA, BS ৪টি জরিপ বেশিরভাগ বনের জমি ব্যাক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্টান নামে খতিয়ান রেকর্ড হয়েছে, নাবালক বন বিভাগ নাক ডেকে ঘুমিয়েছিল ১২০ বছর, এখন এসে বলছে এটি আমার জমি 🤣🤣🤣

নিজের জমিতে চুরের মত দায়িত্বপালন করছে তারা। কিছু জমি নিয়ে যাদের বিরুদ্ধে যত মামলা করেছে তার বেশিরভাগ পরিকল্পিত ভাবে বন বিভাগ হেরে গিয়ে ব্যাক্তিগত ভুল খতিয়ানকে প্রতিষ্টিত করেছে লোভের ফাঁদে পড়ে। প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় বনভূমি ধ্বংস ঠেকাতে দুর্বল বন আইন দিয়ে কখনো বনভূমি রক্ষা অসম্ভব !

A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature Of Bangladesh
#জনস্বার্থে_শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন

একটি হাতি: পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেওয়ার নায়ক।স্রষ্টার প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি আনুগত্য ও ঈমানী দায়িত্ব।  #সূরাহ_ফীল_ঐতিহাসিক_...
05/08/2026

একটি হাতি: পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেওয়ার নায়ক।
স্রষ্টার প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি আনুগত্য ও ঈমানী দায়িত্ব।
#সূরাহ_ফীল_ঐতিহাসিক_প্রেক্ষাপট_ও_শিক্ষা
কাবাঘর ধ্বংস করতে এসে আবরাহার হস্তীবাহিনীর করুন পরিনতি ও শ্বেতহস্তী মাহমুদ এর ভূমিকা এবং হস্তীবর্ষ পর্যালোচনায়, হাতির প্রতি মুসলমানদের সম্মান ও কৃতজ্ঞতাবোধ, সূরা ফীলের অলৌকিক ঘটনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে......

আল কালীস না কাবা বিতর্কের মূল কারন:
ইয়েমেনের খ্রিস্টান শাসক আবরাহা সানা শহরে 'আল-কালীস' বা 'আল-কুল্লাইস' নামক একটি অতিশয় সুন্দর ও বিশাল গির্জা নির্মাণ করেন। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্র ও তীর্থ যাত্রীদের কাবার পরিবর্তে এই নতুন গির্জার দিকে আকৃষ্ট করা এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রভাব বিস্তার করা।

ফলে আল-কালিস গির্জা এবং মক্কার পবিত্র কাবা-র ধর্মীয় ও বাণিজ্যিক গুরুত্বের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আবরাহা আরবদের তীর্থযাত্রা মক্কা থেকে সরিয়ে তার নির্মিত আল-কালীস ক্যাথেড্রালের দিকে নিতে চেয়েছিল, আর এতে ব্যর্থ ও ক্ষুব্ধ হয়ে কাবা ধ্বংস করতে হস্তীবাহিনী নিয়ে আক্রমণ চালায়।

শ্বেত হস্তী মাহমুদ এর অলৌকিক ভূমিকা:
এই অভিযানে শ্বেত হস্তী (প্রধান হাতি মাহমুদ) ছিল আবরাহার শক্তির প্রতীক ও অগ্রগামী বাহন, মক্কার কাছাকাছি মুগাম্মাস নামক স্থানে পৌঁছানোর পর যখনই হাতিটিকে কাবার দিকে চালনা করা হতো, তখন তা বসে পড়ত এবং সামনে এগোত না। কিন্তু অন্য দিকে বা ইয়েমেনের দিকে ফেরালে হাতিটি দ্রুত দৌঁড়াত।

এই ঘটনায় শ্বেতহস্তী মাহমুদকে কাবাঘর ধ্বংস করতে বার বার নির্দেশ দেওয়ার পরও সে হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে পড়লে তার মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাতের পর আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করার পরও সে আর্তনাদ করে ডানে যায় বামে যায় কিন্তু কবার দিয়ে আগায়নি।
এই দৃশ্য থেকে স্পষ্ট হয় হাতি তার সৃষ্টিকর্তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অলৌকিক শক্তির কারনে সে বুঝতে পেরেছিল কাবাঘরের পবিত্রতা। তাই কাবাঘরের সম্মানে সে আঘাত সহ্য করে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মাহন সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক শক্তির ইশারায় ঝাঁকে ঝাঁকে আবাবিল পাখি পাথর (সিজ্জিল) নিক্ষেপ করে আবরাহা'র সৈন্য বাহিনী ধ্বংস করে দেয়।

প্রত্যাখ্যান ও ক্ষোভ:
আরবরা আবরাহার আহ্বানে সাড়া না দিয়ে আগের মতোই কাবামুখী রইল। উপরন্তু, কোনো এক আরব ব্যক্তি সেই গির্জার ভেতর অপবিত্রতা বা মলমূত্র ত্যাগ করলে আবরাহা অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয় এবং প্রতিশোধ নিতে ও কাবা গুঁড়িয়ে দিতে বিশাল সৈন্যদল নিয়ে মক্কা অভিমুখে যাত্রা করে।

হস্তিবাহিনীর পরিণতি:
এই অবাধ্যতা ও পরবর্তীতে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত আবাবিল পাখির ক্ষুদ্র কংকর নিক্ষেপের মাধ্যমে সেই হস্তীবাহিনী সম্পূর্ণ ধ্বংস ও পর্যুদস্ত হয়, যা ইতিহাসে 'আমুল ফিল' বা হাতির বছর হিসেবে পরিচিত।

হাস্তীবর্ষ ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য :
এই বছরের নাম দেওয়া হয়েছিল হস্তী বর্ষ, এবং এই ঘটনার ৫০ দিন পর হযরত মুহাম্মদ (স:) জন্মগ্রহণ করেন।

বিশ্বব্যাপী হাতি হত্যার নীল নকশার অংশ হিসেবে কি ওরা পরিকল্পিত ভাবে আমাদের দেশে হাতির বাসস্থান ধ্বংসের পাশাপাশি হাতি হত্যার মদদ দিচ্ছে !

বি:দ্র: কোন তথ্য বিভ্রাট বা বিচ্যুতি থাকলে সংশোধন করে বিষয়টি এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করুন।


#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে
#বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো
Save The Nature of Bangladesh A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad
#জনস্বার্থে_শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন #

 #বহুতল_ভবনে_সৌর_বিদ্যুৎ_ব্যবহার_নিশ্চিত_করুন বহুতল ভবনে সৌর বিদ্যুৎ বা রুফ টপ সোলার ব্যবহারের নির্দেশনা ও নীতিমালা বাস্...
05/08/2026

#বহুতল_ভবনে_সৌর_বিদ্যুৎ_ব্যবহার_নিশ্চিত_করুন
বহুতল ভবনে সৌর বিদ্যুৎ বা রুফ টপ সোলার ব্যবহারের নির্দেশনা ও নীতিমালা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব পালন করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিদ্যুৎ বিভাগ এবং স্রেডা (Sustainable and Renewable Energy Development Authority - SREDA)। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) সংলগ্ন ইমারত নির্মাণ নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহ ভবন অনুমোদনের মাধ্যমে তদারকি করে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশালসহ বাংলাদেশের সবগুলো বিভাগীয় শহরের বহুতল ভবনে সৌর বিদ্যুৎ (Rooftop Solar) ব্যবহারের স্পষ্ট এবং বাধ্যতামূলক নির্দেশনা রয়েছে।

সরকারের সর্বশেষ 'নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০২৫' (Net Metering Guidelines 2025) এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালার অধীনে এই নিয়মগুলো সারা দেশে একযোগে কার্যকর করা হয়েছে।
বিভাগীয় শহরগুলোর বহুতল ও আবাসিক ভবনের জন্য প্রধান প্রধান নির্দেশনাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ ও লোড বৃদ্ধির শর্তসমূহনতুন সংযোগের ক্ষেত্রে: যেসকল বহুতল ভবনের ছাদের আয়তন ৯২.২ বর্গমিটারের (প্রায় ১,০০০ বর্গফুট) বেশি, সেগুলোতে নতুন গ্রিড সংযোগ নিতে হলে নেট-মিটারড সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা বাধ্যতামূলক।

🩸লোড বৃদ্ধির ক্ষেত্রে: কোনো গ্রাহক যদি তার বিদ্যমান ৩-ফেজ (Three-phase) সংযোগের অনুমোদিত লোড বৃদ্ধি করে ১০ কিলোওয়াট বা তার ওপরে নিতে চান, তবে তাকে অবশ্যই রুফটপ সোলার প্যানেল বসাতে হবে।
ন্যূনতম ধারণক্ষমতা: ৩-ফেজ লাইনের ১০ কিলোওয়াট বা তার বেশি লোডধারী গ্রাহকদের জন্য কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ সিস্টেম স্থাপন করা আবশ্যক।

২. নেট মিটারিং সুবিধা এবং আর্থিক লাভ (Net Metering 2025) নতুন নীতিমালার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো গ্রাহকদের জন্য এটিকে সহজ ও লাভজনক করা হয়েছে।
🩸শতভাগ লোড অনুমোদন:
গ্রাহকরা এখন তাদের মোট অনুমোদিত বিদ্যুৎ লোডের ১০০% পর্যন্ত ক্ষমতার সোলার প্যানেল স্থাপন করতে পারবেন।

🩸জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিক্রি:
বহুতল ভবনের সোলার প্যানেলে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। দিনের বেলা ভবন থেকে যে বিদ্যুৎ গ্রিডে যাবে, তা মূল বিদ্যুৎ বিল থেকে বাদ (Minus) যাবে।

🩸সরাসরি পেমেন্ট ও ত্রৈমাসিক হিসাব:
প্রতি ৩ মাস পর পর (ত্রৈমাসিক) বিদ্যুৎ হিসাব সমন্বয় করা হবে। যদি ভবনের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়ে বেশি হয়, তবে সরকার সেই উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের মূল্য সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পরিশোধ করবে।

৩. বাস্তবায়ন ও তদারকি কর্তৃপক্ষ
বিভাগীয় শহরগুলোতে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে:
🩸চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় এবং পিডিবি (BPDB) বিদ্যুৎ সংযোগের সময় এটি যাচাই করে।

🩸খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল: যথাক্রমে ওজোপাডিকো (WZPDCO) এবং নেসকো (NESCO) তাদের আওতাধীন এলাকায় সোলার প্যানেল ও স্মার্ট নেট মিটার স্থাপন নিশ্চিত করছে।
🩸অনলাইন আবেদন: প্রক্রিয়াটি সহজ করতে স্রেডা (SREDA) একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টাল (nem.powerdivision.gov.bd) চালু করেছে, যার মাধ্যমে যেকোনো বিভাগীয় শহর থেকে সহজেই আবেদন করা যায়।

A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature of Bangladesh

#জনস্বার্থে_শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন

Bangladesh Solar Power Development & Solution Moazzem Riad
Ministry of Power, Energy & Mineral Resources, Bangladesh Highlight ⊕

 #জনস্বার্থে_শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন #শব্দ_দূষণ_আইন_বাস্তবায়নের_ব্যার্থতার_দ্বায়_কারশব্দ দূষণের কারণ ও শব্দ দূষণের ফলে...
03/08/2026

#জনস্বার্থে_শেয়ার_করে_টাইমলাইনে_রাখুন
#শব্দ_দূষণ_আইন_বাস্তবায়নের_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার
শব্দ দূষণের কারণ ও শব্দ দূষণের ফলে মানবদেহে শ্রবণঘটিত প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষ প্রভাব সমূহ তুলে ধার হল Save The Nature of Bangladesh এর মাধ্যমে এতে এদেশের পরিবেশ আন্দোলন কে বেগবান করতে।


#শব্দ_দূষণের_কারণ
🩸১. যানবাহনের শব্দ: রাস্তাঘাটে অতিরিক্ত গাড়ি, বাস, ট্রাকের অনিয়ন্ত্রিত হাইড্রোলিক হর্ন এবং ইঞ্জিন বা সাইলেন্সার পাইপের উচ্চ শব্দ।
🩸২. কল-কারখানা ও শিল্পাঞ্চল: শিল্পকারখানায় ভারী যন্ত্রপাতি, টেক্সটাইল মিল, মেটাল কাটিং এবং জেনারেটর ব্যবহারের শব্দ।
🩸৩. নির্মাণকাজ: ভবন বা রাস্তাঘাট নির্মাণে ব্যবহৃত ড্রিল মেশিন, রড কাটার, পাইলিং ও ক্রেনের অতিরিক্ত গর্জন।
🩸৪. মাইক ও লাউডস্পিকার: সামাজিক, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে উচ্চ শব্দে মাইক ও লাউডস্পিকারের ব্যবহার।

মানবদেহে শ্রবণঘটিত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব
অতিরিক্ত শব্দ দূষণ মানুষের শরীর ও মনের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে:
১. হৃদয় সংবহনতন্ত্রের উপর প্রভাব।
২. রক্তের হাইপোকেলিমিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিয়া, ইউসিনোফিলিয়ার উপর প্রভাব।
৩. দৃষ্টিশক্তির উপর প্রভাব।
৪. শ্বসনের উপর প্রভাব।
৫. নার্ভ তন্ত্রের উপর প্রভাব।
৬. মস্তিষ্কের উপর প্রভাব।
৭. হরমোন তন্ত্রের উপর প্রভাব।

#শব্দ_দূষণের_ক্ষতিকর_প্রভাব
১. হৃদয়-সংবহনতন্ত্রের উপর প্রভাব (Cardiovascular System)
উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ: অতিরিক্ত শব্দ স্ট্রেস তৈরি করে, যার ফলে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘমেয়াদে তা হৃদরোগ (Heart Attack) ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

২. রক্তের উপাদান ও রসায়নের উপর প্রভাব (Biochemical Factors)
🩸হাইপোকেলিমিয়া (Hypokalemia): দীর্ঘস্থায়ী মানসিক স্ট্রেসের কারণে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে।

🩸হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia): মানসিক চাপ ও বিপাকীয় ব্যাঘাতের ফলে রক্তের শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হয়।

🩸ইউসিনোফিলিয়া (Eosinophilia): শব্দ দূষণজনিত শারীরিক স্ট্রেস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে রক্তের ইউসিনোফিল (শ্বেত রক্তকণিকা)-এর মাত্রায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

৩. দৃষ্টিশক্তির উপর প্রভাব (Visual System)
🩸চোখের মণি প্রসারিত হওয়া: অতিরিক্ত তীব্র শব্দের প্রতিক্রিয়া হিসেবে চোখের মণি (Pupil) প্রসারিত হয়।

🩸দৃষ্টিশক্তি হ্রাস: রক্তনালীর ওপর চাপের ফলে চোখের সূক্ষ্ম নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তি ও রঙের সঠিক অনুধাবনে সমস্যা সৃষ্টি করে।

৪. শ্বসনতন্ত্রের উপর প্রভাব (Respiratory System)
🩸শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি: শব্দদূষণের কারণে অনুকম্পী স্নায়ুতন্ত্র (Sympathetic Nervous System) উদ্দীপিত হয়, ফলে শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার প্রবণতা ও বুক ধড়ফড়ানি (Palpitations) দেখা দেয়।

৫. নার্ভ তন্ত্রের উপর প্রভাব (Nervous System)
অস্থিরতা ও অনিদ্রা: তীব্র শব্দ স্নায়ুকে সার্বক্ষণিক উত্তেজিত ও চাপে রাখে। ফলে বিরক্তি, মাথা ব্যথা, উদ্বেগ এবং তীব্র অনিদ্রা (Insomnia) দেখা দেয়।

৬. মস্তিষ্কের উপর প্রভাব (Brain & Mental Health)
🩸স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ হ্রাস: মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ব্যাহত হয়, কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায় এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়।

🩸মানসিক ভারসাম্যহীনতা: দীর্ঘদিন ধরে শব্দদূষণের মধ্যে থাকলে অবসাদ (Depression) ও মানসিক চাপ মারাত্মক আকার ধারণ করে।

৭. হরমোন তন্ত্রের উপর প্রভাব (Endocrine System)
🩸স্ট্রেস হরমোন নিংসরণ: তীব্র শব্দের প্রতিক্রিয়া হিসেবে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল (Cortisol) হরমোন নিঃসৃত হয়। এতে পুরো হরমোন তন্ত্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়।

A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature Of Bangladesh
Highlight ⊕ Facebook for Creators




বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রীধারী কোন কর্মকর্তা এদেশে কখনো বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়না কেন ?  #...
02/08/2026

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রীধারী কোন কর্মকর্তা এদেশে কখনো বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়না কেন ?
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে
#বন্যপ্রাণী_বিনা_চিকিৎসায়_মরবে_আর_কত_কাল
বানরটি হয়ত বহুতল ভবনটির কারো রান্না ঘরের জানলায় একমুঠো খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু হয়ত কারো আচমকা আঘাতে সে উপর থেকে পড়ে যায় বাড়ির কার্নিশে আর সেখানে বাড়ি খেয়ে গড়িয়ে পড়ে নিচে টিনের বেড়ায়, ফলে কেটে যায় পেট ও পায়ের বিভিন্ন অংশ। হতভাগ্য প্রানিটিকে বাঁচানোর জন্য সরকারের বিভিন্ন নাম্বারে সহযোগিতা চেয়ে ব্যার্থ হয়ে ফেসবুক গ্রুপ গুলোকে পোস্ট করেন এক বোন।
আমাদের কাছে খবর আসে তারো কয়েক ঘন্টা পর।
ততক্ষণে সব শেষ ! বানরটির প্রকৃত মৃত্যুর কারন জানার অধিকার আমাদের নেই ⁉️

নির্বিচারে বন উজাড় করে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে সারাদেশে এরকম হাজার হাজার বন্যপ্রাণী খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে পড়ার কারনে আজ করুণ দুর্দশায়।

এদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের নামে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করলেও তা চাহিদার তুলনায় খুব অপ্রতুল। সারাদেশে আহত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসার জন্য কোথায় কোন হাসপাতাল নেই। পশু হাসপাতালগুলো সব গরু ছাগল হাঁস মুরগীর এক্সপার্ট থাকলেও বন্যপ্রাণী দের সেবা দেওয়ার নূন্যতম সহযোগিতার মনোভাব কখনো পাইনি। তাহলে বন্যপ্রাণীদের নিয়ে এসিরুমে বসে খোশগল্প করার সুফল কি ?
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের তোমাদের এত এত প্রকল্প ও পদ পদবী এবং পুরুষ্কারের সুফল কি ?

ঘটনাস্থল:
শেখপুর বাজার, শিবচর, মাদারীপুর
#বাঁচাও_বন_ও_বন্যপ্রাণী

Address

124/2 Ahmmedbagh, Bashaboo, Shobujbagh, Dhaka/1214
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save The Nature of Bangladesh:

Shortcuts

Share