Deepti Foundation-দীপ্তি ফাউন্ডেশন

Deepti Foundation-দীপ্তি ফাউন্ডেশন আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আর্ত ম?

29/04/2025

ছাগলের খামার শুরুটা করবেন যেভাবে।

সভ্যতার শুরু থেকে পশু পালন ছিল মানুষের প্রধান পেশা। যুগে যুগে এই পেশার ধরণ বদলেছে। সারা পৃথিবীতে পশুর খামার ব্যবসা একটি অন্যতম উৎপাদনশীল এবং লাভজনক ব্যবসা।

ভৌগলিক অবস্থানের কারনে বাংলাদেশ পশুর খামার ব্যবসায় উন্নত দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। তবে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ সম্ভব হলে আমাদের দেশেও পশুর খামার লাভজনক করা সম্ভব। সত্য বলতে আমাদের দেশে শিক্ষিত কৃষি উদ্যোক্তা খুঁজে পাওয়া যায় না।

আমার কাছে মনে হয় সরকার, সমাজ এবং পরিবার থেকে এই পেশার আধুনিকীকরণের কোন উৎসাহ নেই। বিষয়টা যেন বিধির অমোঘ বিধান, পেশাটি শুধুমাত্র গ্রামের শীর্ণ, দরিদ্র বা আধা শিক্ষিত বেকার তরুণদের জন্য। অবিলম্বে এই ধারণার পরিবর্তন প্রয়োজন।

ভবিষ্যৎ পৃথিবীর অর্থনীতিতে কৃষি উদ্যোক্তা সামনের সারিতে থাকবে তা হলফ করে বলার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ কৃষির জন্য অনেক সম্ভাবনাময় একটি দেশ।

প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে পশুর খামার ব্যবসায় একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। প্রথমে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রাণীসম্পদ তৈরি করতে হবে তারপর সেই সম্পদ থেকে প্রকৃত উৎপাদন শুরু করতে হবে।

সাধারণত ২-৩ বছর একাগ্রতার সাথে ধৈর্য নিয়ে পরিশ্রম করলে ভাল স্টার্ট-আপ করা যায়। জমি চাষ করা থেকে শুরু করে সোনালী ধান ঘরে তোলা পর্যন্ত যে পরিচর্যা ও সময় প্রয়োজন কৃষিক্ষেত্রে কাজের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় এবং শ্রম দিতেই হবে। সুতরাং অসীম ধৈর্য ও সাহস নিয়ে খামার ব্যবসা শুরু করতে হবে। শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে তা নিচে পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করা হল।

১ #পণ্য_নির্বাচন: আপনার খামার থেকে কি ধরণের পণ্য উৎপাদন করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি ব্রীড, দুধ, মাংস, উৎপাদন করতে পারেন।

তাছাড়া বাই প্রোডাক্ট হিসাবে দুগ্ধজাত পণ্য বা মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ করতে পারেন। যেটাই করুণ আপনাকে একটি নির্দিষ্ট উৎপাদন যোগ্য পণ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং সে অনুসারে আপনার খামারের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।

২ #বাজার_নির্বাচন: আপনার উৎপাদিত পণ্যের ধরণ অনুযায়ী কোন স্তরের বাজারে বিপণন করবেন তা ঠিক করত হবে। দেশের সামগ্রিক বাজারে চাহিদা আছে অনেক তবে সে অনুপাতে উৎপাদন এবং যোগান দিতে গেলে অনেক বড় বিনিয়োগ নিয়ে নামতে হবে। আমি এখানে মোটামুটি ছোট বিনিয়োগ দিয়ে শুরুটা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে বলতে চাই।

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য লোকাল মার্কেট নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ব্যবসায় বড় হবার সাথে সাথে আপনার টার্গেট বাজার বড় হতে থাকবে।

৩ #পশুর_জাত_নির্বাচন: খামার শুরু করার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পশুর জাত নির্বাচন। মাথায় রাখতে হবে ভাল জাতের পশুর উপর আপনার খামারে উন্নতি নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে শতভাগ ব্লাড-লাইন সম্পন্ন পশু সংগ্রহ করা সব থেকে উত্তম। তবে এক্ষেত্রে বিনিয়োগ লাগবে অনেক।

খামার করার জন্য ভাল জাতের ৭০-৮০ শতাংশ ব্লাড-লাইন সম্পন্ন পশু সংগ্রহ করলেই চলবে। খামারের অন্যান্য ব্যবস্থাপনা ঠিক থাকলে খামার মুনাফা দেখবে আশা করা যায়।

৪ #জমি_নির্বাচন_ও_অবকাঠামো পরিকল্পনা: খামারের জন্য নিজস্ব জমি হলে সবথেকে উত্তম।

তাছাড়া আপনি জমি লিজ বা কট
(যে এলাকায় যে চুক্তিতে জমি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে) নিয়ে খামার শুরু করতে পারেন।

খামারের অবকাঠামো এবং ঘাসের জমির জন্য খামারের ধরণ এর উপর নির্ভর করে কি পরিমান জমি প্রয়োজন। যদিও ঘাসের বিকল্প খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে পারলে ঘাসের জমি কিছুটা কম হলেও সমস্যা নাই।

নিরাপত্তার বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।
জমি নির্বাচনের পর খামারের অবকাঠামোর একটা খসড়া পরিকল্পনা করতে হবে।

কোন ধরনের উপকরণ দিয়ে কম খরচে আধুনিক অবকাঠামো তৈরি সম্ভব সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। দেশীয় উপকরণ ব্যবহার একটি উত্তম পন্থা হতে পারে।

খামারের জন্য নির্বাচিত জমি অবশ্যই লোকালয় থেকে দূরে হতে হবে এবং অবশ্যই সংযোগ সড়ক, পানি, বিদ্যুতের সুব্যবস্থা থাকতে হবে। নিরাপত্তার বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।

৫ #পরিকল্পনা_প্রণয়ন: এ পর্যায় এসে পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজে হাত দিতে হবে। তার আগে কোন পশু দিয়ে (গরু, ছাগল, ভেড়া বা) খামার শুরু করতে হবে তা নির্ধারণ করে সেই পশু সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করতে হবে।

সেই পশুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য, প্রজনন কাল, উৎপাদন ক্ষমতা, স্বাস্থ্য, খাদ্য গ্রহণ, আচার-আচরণ সম্পর্কে বিস্তর ধারনা নিতে হবে। সে কারণে নিজে নিজের প্রশিক্ষক হওয়া যথেষ্ট। কোন ট্রেনিং করার দরকার নেই।

ইন্টারনেটের সুবাদে এই সমস্ত তথ্য এখন হাতের নাগালে। সময় নিয়ে মনোযোগের সাথে পড়াশোনা করে এবং খামার ব্যবসা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি সংগ্রহ করে দুই বছরের একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। পরবর্তীতে সেই রোডম্যাপ ধরে এগোতে হবে।

খামারের পরিকল্পনাটি হাতে আসার পর খামারের কাজ শুরু করে দিতে হবে ধাপে ধাপে। সবার আগে বিনিয়োগের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়াটা জরুরী।

#পশুর_চিকিৎসা:- চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের দেশে এখনো সে ভাবে হয়ে উঠেনি নিকটস্থ ভেটেরিনারি চিকিৎসক এর সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে তাদের সাথে বিভিন্ন রোগ এর বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসা ব্যবস্থা শিখতে হবে প্রয়োজনীয় কিছু ঔষধ এর ব্যবস্থা করতে পারলে বেশি ভালো হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে শেষ করব।

আপনি যদি খামার শুরু করতে চান তবে সবার প্রথমে আপনার নিজের সাথে বোঝাপড়া করতে হবে যে আপনি কি শখের খামারী হতে চান নাকি সত্যিকারের খামার উদ্যোক্তা। যদি আপনি প্রকৃত খামারী হতে চান তবে উপরের লেখাটি আপনার জন্য।

www,somewhereinblog,net

শুরুতে ছাগলের কমার্শিয়াল ফার্মিংয়ের চেয়ে কমিউনিটি ফার্মিং বেটার এন্ড সাস্টেনেবল ⤵️

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফেসবুক পেজে ফেসবুক গ্রুপে দেখি কমার্শিয়াল গোট ফার্মিং প্রোমোট করে আমার ধারনা এটা আত্মঘাতী কাজ। তাছাড়া অনেক ফার্মার ও এই কাজটাই করে যারা বিভিন্ন স্টেজে ২/৩ টা মৌসুম শেষ না করেই ১০০ ছাগলের হিসাব দেয়।

এটা করে মধ্যোসত্ব ব্যাবসায়ের বিস্তার হলেও ফার্মিংয়ের ১২ টা বেজে যাচ্ছে আর মানুষের মনোবল আর ইচ্ছা শক্তি নিঃশেষ করে দেয় আমি মনে করি কমার্শিয়াল ফার্মিংয়ের চেয়ে কমিউনিটি ফার্মিং বেটার এন্ড সাস্টেনেবল।

আর এটার পুরো ব্যাখ্যা দিতে পারছি না
তবে সর্বোচ্চ ৮/১০ টার বেশি ছাগল হওয়া উচিত না শুরুতে। যেমন বাসিন্দা (যাদের লং টাইম সার্ভিসে রাখার চিন্তা) রানিং মা ছাগল ২ টা ১ বছরের খাসি ২ টা বা ১ টা (কোরবানির বাজারের জন্য) বেটার মা তৈরীর জন্য ১ টা মেরিটের ছাগী যেটাকে পরের বাসিন্দাকে রিপ্লেস করার জন্য রাখা হবে
বাদ বাকি বাচ্চা যা হবে ৬/৭ মাসের মধ্যে সেল করে দেওয়া হবে।

কমিউনিটি বাজার থাকবে এভাবে করলেই বাচ্চার পরিচর্যা নিশ্চিত করা যাবে + বাচ্চার মৃত্যু হার কমবে সময়ের সাথে সাথে ছাগল বৃদ্ধি পাবে এটা আমার মতামত।

Sardar Mahmudul Hasan Durjoy.

ছাগল পালনে জরুরি পরিকল্পিত বিনিয়োগ
ছাগল ক্রয় করতে হলে অবশ্যই আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ক্রয় করতে হবে। পুঁজি যদি ২ লক্ষ টাকা হয়ে থাকে তাহলে আপনি প্রথম ইনভেস্ট করুন ৮০ হাজার টাকা ৮ মাস পর ইনভেস্ট করুন ৬০ হাজার পরবর্তী এক বছর পর ইনভেস্ট করুন ৬০ হাজার টাকা এই ভাবে দের বছর ধরে ইনভেস্ট করুন সর্ব মোট আপনার মুলধন। কখনোই মুলধনের পুরাটা বিনিয়োগ করা উচিৎ না।

ধরুন আপনার ফার্মে শুরুতে ভালো প্রডাকশনের ছাগল ১০ টা দিয়ে শুরু করতে চান, তাহলে ভালো মানের ১০ টা ছাগল কোথাই পাবেন...? হাট বাজার বা গ্রাম থেকে যে ছাগল গুলা নিবেন তার প্রডাকশন ফলাফল দেখতেও আপনাকে কমপক্ষে ৮/১০ মাস দেরি করতে হবে।

মনের মত ফার্মিং উপযোগী ছাগল আপনি নিজেই তৈরি করুন জাত উন্নয়নের মাধ্যমে। দুই বছর পর নিজের খামার থেকে বাছাই করুন আপনার জন্যে সেরা ছাগল গুলা বাকি গুলা বিক্রি করে দিন এবং সেই টাকা দিয়ে আধুনিক সেড নির্মাণ করুন।

দুই বছর এর নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নির্মাণ করুন আধুনিক সেড, ইচ্ছা দিয়ে শুরু করুন সর্বোচ্চ ভালোবাসা দিয়ে লালন পালন করুন আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই আপনাকে উত্তম রিজিকের পথ বের করে দিবে ইনশাআল্লাহ।

এটা সম্পুর্ন্য আমার মতামত ছাগলের খামার করার আগে বন্ধ হবার কারণ গুলো জানতে হবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ছাগলের খামার করা সহজ কিন্তু টিকিয়ে রাখা অনেক কঠিন। এই সেক্টরে যতক্ষণ আপনি শিখবেন ততক্ষণ আপনি টিকবেন।

Shahin Goatfarm We Love Goat Farming.

28/04/2025
21/04/2025

দুধ থেকে ঘি তৈরি করে শুরু করুন লাভজনক ঘরোয়া ব্যবসা, আয় করুন মাসে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত!

শুধু ঘরে বসেই ঘি তৈরি করে আয় করা সম্ভব? হ্যাঁ, একদম সম্ভব! বাংলাদেশে খাঁটি ঘি-এর চাহিদা অনেক বেশি, কারণ বাজারের অধিকাংশ ঘি-তেই ভেজাল থাকে। আপনি চাইলে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে খুব সহজে শুরু করতে পারেন ‘ঘি তৈরির ব্যবসা’, মাত্র ১৫,০০০ – ২০,০০০ টাকা বিনিয়োগে। এমনকি আপনি যদি একদম নতুন হন, তাও পারবেন সহজে শিখে ঘি তৈরি করতে – আর্টিকেলের নিচে দেওয়া ধাপে ধাপে গাইড আপনার জন্যই!

ব্যবসার নাম:
ঘরে তৈরি খাঁটি ঘি বিক্রি (দেশি গরুর দুধ/দই থেকে)

শুরুতে যা লাগবে:
✔ ভালো মানের দুধ বা দই (প্রতি কেজি ঘি-তে ৩–৫ কেজি দুধ লাগে)
✔ স্টিলের হাঁড়ি, চুলা বা ইনডাকশন কুকার
✔ কাচের বোতল বা ভালো মানের জার – ১,০০০ – ২,০০০ টাকা
✔ ঘি সংরক্ষণের জন্য ছাঁকনি ও পাতলা কাপড়
✔ লেবেল প্রিন্ট – ১,০০০ টাকা
✔ ফেসবুক পেজ – ফ্রি
✔ ছবি ও ভিডিও তোলার জন্য মোবাইল ফোন

একদম নতুন হলে ঘি তৈরির পদ্ধতি (ধাপে ধাপে):
১. প্রতিদিন ২–৫ লিটার দেশি গরুর দুধ সংগ্রহ করুন
২. দুধটি মাঝারি আঁচে ফুটিয়ে ঠান্ডা করুন
৩. দুধের ওপর জমে ওঠা মালাই (ক্রিম) চামচ দিয়ে তুলে ফ্রিজে রাখুন
৪. কয়েক দিন পর জমা মালাই একটি প্যানে নিয়ে ধীরে ধীরে গরম করুন
৫. ক্রিম প্রথমে ফেনা হবে, তারপর ঘি আলাদা হয়ে যাবে – নিচে বাদামি অংশ থাকবে
৬. ঘি ছেঁকে কাচের বোতলে রাখুন – ঠান্ডা হলে ঢাকনা লাগান

বিক্রির জায়গা:
✔ ফেসবুক পেজ ও ফেসবুক মার্কেটপ্লেস
✔ হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে পরিচিতদের মাধ্যমে
✔ নিজ এলাকার মুদি দোকান, বাজার
✔ হোম ডেলিভারি অথবা কুরিয়ার সার্ভিস

প্যাকেজিং ও বিক্রির স্টাইল:
– ছোট ছোট বোতলে (২০০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, ১ কেজি)
– লেবেলে লিখুন “১০০% খাঁটি ঘি”, আপনার নাম ও মোবাইল নম্বর
– ছবি ও রিভিউ পোস্ট করুন গ্রাহকদের সাথে

লাভের হিসাব:
১ কেজি ঘি তৈরি করতে লাগে ৩–৫ লিটার দুধ (খরচ ৩৫০ – ৫০০ টাকা)
বিক্রি হয় ৮০০ – ১২০০ টাকা কেজি
প্রতি কেজিতে লাভ – ৪০০ – ৭০০ টাকা!

মাসে ১০০ কেজি বিক্রি = আয় ৫০,০০০ – ৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত!

সফল হতে চাইলে:
✔ কোনো ভেজাল নয় – একদম খাঁটি ঘি দিন
✔ রিভিউ সংগ্রহ করে পোস্ট করুন
✔ নিয়মিত ছবি ও ভিডিও দিন ফেসবুকে
✔ ছোট বোতল দিয়ে শুরু করুন – মানুষ আগে ট্রাই করতে চায়
✔ আশেপাশের মানুষ ও আত্মীয়দের জানিয়ে দিন

এই ব্যবসাটি একদম নতুন মানুষও ঘরে বসে শুরু করতে পারেন। রান্না জানলে তো ভালোই, আর না জানলেও শুধু এই ধাপগুলো অনুসরণ করলেই পারবেন ঘি তৈরি করতে। ঘি তৈরির ভিডিও ইউটিউবে দেখে অনুশীলন করতে পারেন। ধৈর্য ও নিয়ম থাকলেই আপনিও হয়ে উঠবেন একজন সফল উদ্যোক্তা!

#ঘি_ব্যবসা #উদ্যোক্তা_হোন #ঘরে_বসে_আয় #খাঁটি_ঘি #ফেসবুক_বাজার #নারী_উদ্যোক্তা #দেশি_পণ্য #দুধ_থেকে_ঘি #হোম_বেইজড_বিজনেস িনিয়োগ_বেশি_লাভ

13/04/2025

Address

Nurnagar, Shyamnagar, Satkhira
Dhaka
9451

Telephone

+8801613898088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deepti Foundation-দীপ্তি ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Deepti Foundation-দীপ্তি ফাউন্ডেশন:

Share