Parokal.com

Parokal.com This page is to share Islamic articles, comments from parokal.com. All About Islam, the only religion of Allah

27/02/2026

একটি হাদিস রয়েছে যা থেকে জানা যায় যে, রোজাদার যদি আজান শোনার পরও খাওয়া-দাওয়া করে থাকে, তবে তার রোজা নষ্ট হবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"তোমরা যখন ফজরের আজান শুনবে, তখন তোমরা খাবার ও পানীয় খাওয়া বন্ধ করো। কিন্তু যদি কোনো এক ব্যক্তি খাচ্ছিল এবং আজান শোনার পরও খাওয়ার ব্যাপারে সঠিক সময় জানা না থাকে, তবে তার রোজা কোনো সমস্যা ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে।" (সহীহ বুখারি)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, রোজাদার যদি জানতেও না পারে বা ভুলক্রমে আজানের পরও খায়, তবে তার রোজা ভঙ্গ হবে না, বরং পরবর্তীতে খাওয়া বন্ধ করলেই হবে। তবে যেহেতু সেহরি শেষ হওয়ার পর ফজরের আজান শোনার পরই খাওয়া বন্ধ করা উচিত, তাই এই বিষয়টির প্রতি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

সহীহ বুখারি (নং 1921) এবং সহীহ মুসলিম (নং 1090)

এটি সেহরি খাওয়ার সময়ে আজান শোনার পর খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করার সম্পর্কিত হাদিস। তবে, যদি আপনি খাওয়া বন্ধ করতে ভুলে যান বা ভুলক্রমে খেয়েও ফেলেন, তবে আপনার রোজা কোনো সমস্যা ছাড়াই গ্রহণযোগ্য থাকবে।

সহিহ হাদিসের আলোকে শবে বরাত: কী করা উচিত নয়—আর হাদিস আসলে কী বলেশা‘বান মাস এলে অনেক মুসলিম ১৫তম রাতের জন্য এক ধরনের আগ্...
03/02/2026

সহিহ হাদিসের আলোকে শবে বরাত: কী করা উচিত নয়—আর হাদিস আসলে কী বলে

শা‘বান মাস এলে অনেক মুসলিম ১৫তম রাতের জন্য এক ধরনের আগ্রহ অনুভব করেন—যা নিসফে শা‘বান বা শবে বরাত নামে পরিচিত। এ রাতকে ঘিরে বিশেষ নফল নামাজ, পারিবারিক জমায়েত, এবং ক্ষমা লাভের গভীর আশার কথা বহু জায়গায় শোনা যায়। আল্লাহর নৈকট্য লাভের এই আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা ঈমানের সুন্দর অংশ—তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়: আমাদের এই আমলগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য (সহিহ) শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে?

প্রতিটি মুসলিম চায় আল্লাহকে সর্বোত্তমভাবে ইবাদত করতে—এমনভাবে, যাতে তার কাজগুলো প্রমাণিত ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়। তাই আমাদের দেখতে হবে প্রচলিত রীতিনীতির সঙ্গে প্রামাণ্য সুন্নাহর পার্থক্য কোথায়—কোনটা উত্তরাধিকারসূত্রে চলতি, আর কোনটা শরিয়তসম্মতভাবে নির্ধারিত।

ইবাদতের মূলনীতি: ‘প্রমাণ’ কেন রীতির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ

ইসলামে ইবাদত (আরবি: ‘ইবাদাহ)—অর্থাৎ আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট উপাসনা—কুরআন বা রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সহিহ শিক্ষার স্পষ্ট প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হয়। ‘ইবাদাহ এমন বিষয় নয় যা আমরা নিজেদের মতো করে তৈরি করতে পারি—উদ্দেশ্য যত ভালোই হোক। কারণ ইবাদত হলো স্রষ্টার পক্ষ থেকে নির্ধারিত নির্দেশনা: তিনি কীভাবে তাঁর ইবাদত চান।

এখানেই সাংস্কৃতিক অভ্যাস এবং ধর্মীয় কর্তব্যের পার্থক্য বুঝতে হয়। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ করে খাবার খাওয়া সুন্দর—কিন্তু সেই খাবারকে কোনো “পুণ্যময় রাতের অবশ্যকরণীয় ইবাদত” মনে করা আলাদা বিষয়। কোনো কাজ ধর্মীয়ভাবে আবশ্যিক/বিশেষ ইবাদত হিসেবে গণ্য হতে হলে শক্ত প্রমাণ লাগবে। ‘ইবাদাহ বিষয়ে “আমাদের বাপ-দাদারা এভাবেই করতেন”—এটি যথেষ্ট দলিল নয়। রীতিকে ভালোবাসা থাকবে, কিন্তু তা প্রমাণিত সুন্নাহর অনুসরণে পরিচালিত হতে হবে।

যাচাইকৃত সংবাদ বনাম গুজব: সহিহ ও যঈফ হাদিস বোঝা

ইবাদতের প্রমাণ খুঁজতে আমরা হাদিস দেখি—রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী ও কর্মের বর্ণনা। কিন্তু রাসুল (ﷺ)-এর নামে প্রচলিত সব কথা-ই যে সহিহ—তা নয়। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুহাদ্দিসগণ এসব বর্ণনা যাচাই করেছেন এবং সত্যকে মিথ্যা থেকে আলাদা করতে হাদিসের গ্রহণযোগ্যতার মানদণ্ড তৈরি করেছেন।

এভাবে ভাবুন: সহিহ হাদিস হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যাচাই করা খবরের মতো—এর বর্ণনাকারীদের শৃঙ্খল অক্ষুণ্ণ, এবং প্রতিটি বর্ণনাকারী ছিলেন ন্যায়পরায়ণ ও স্মরণশক্তিতে শক্তিশালী। সহিহ হাদিসের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা যায়। অন্যদিকে যঈফ (দুর্বল) হাদিস হলো অনির্ভরযোগ্য গুজবের মতো—এর সনদে সমস্যা থাকতে পারে: কোনো বর্ণনাকারী অজ্ঞাত, স্মরণশক্তিতে দুর্বল, কিংবা বর্ণনা-শৃঙ্খলে কোনো যোগসূত্র নেই। এই অনিশ্চয়তার কারণে যঈফ হাদিস দিয়ে নতুন ইবাদত প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

এ পার্থক্যই আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি: ইবাদত গড়ে উঠবে নিশ্চিততার পাথরের ওপর (সহিহ বর্ণনা), অনিশ্চয়তার বালুর ওপর (যঈফ বর্ণনা) নয়।

নিসফে শা‘বানের ‘বিশেষ রাতের নামাজ’—একটি প্রচলিত ধারণা

অনেকে প্রশ্ন করেন, শা‘বানের ১৫তম রাতে কি ১০০ রাকাতের মতো কোনো “বিশেষ” নামাজ আছে? যখন আমরা ইবাদতের ক্ষেত্রে সহিহ হাদিসের নীতিমালা প্রয়োগ করি, তখন নির্দিষ্টভাবে এই রাতের জন্য বিশেষ কোনো নামাজ-রীতি প্রমাণিতভাবে পাওয়া যায় না। বিশেষ কোনো ফর্মুলা/নির্দিষ্ট রাকাতের নামাজের বর্ণনাগুলোকে হাদিস বিশেষজ্ঞরা দুর্বল বলেছেন—অর্থাৎ রাসুল (ﷺ) নিজে যা করেননি, এমন নির্দিষ্ট নতুন ইবাদত প্রবর্তনের দলিল এগুলো হতে পারে না।

এর মানে এই নয় যে আমরা নামাজ পড়ব না। সুন্দর ও প্রমাণিত বিকল্প হলো তাহাজ্জুদ—রাসুল (ﷺ) যে নফল নামাজ বছরের যেকোনো রাতেই পড়তেন। শা‘বানের ১৫তম রাতেও নফল নামাজ পড়া ভালো—যদি সেটিকে সাধারণ নফল ইবাদত হিসেবে ধরা হয়, “শুধু এই তারিখের জন্য নির্ধারিত বিশেষ রীতি” হিসেবে নয়। এতে আমাদের ইবাদত বিদ‘আহ (ধর্মীয় নতুনত্ব) থেকে নিরাপদ থাকে এবং আমরা নববী পথেই থাকি।

রোজা, খাবার, আয়োজন: সুন্নাহ বনাম সাংস্কৃতিক রীতি আলাদা করা

নামাজের পাশাপাশি, অনেকেই শা‘বানের ১৫ তারিখে নির্দিষ্ট রোজা এবং বিশেষ খাবার (যেমন হালুয়া) তৈরিকে এই রাতের সঙ্গে যুক্ত করেন। ইবাদতের জন্য প্রমাণ চাইলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়: ১৫ শা‘বানকে আলাদা করে “বিশেষ রোজা” রাখার নির্দেশ বা নির্দিষ্ট খাবার বানালে “বিশেষ সওয়াব”—এমন কোনো সহিহ হাদিস নেই।

ভালো কাজের আকাঙ্ক্ষা প্রশংসনীয়—তবে আমাদের কাজগুলো আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হয় যখন তা রাসুল (ﷺ)-এর প্রমাণিত আদর্শ অনুযায়ী হয়:

সাংস্কৃতিক রীতি: শুধু ১৫ শা‘বান দিনকে আলাদা করে রোজা রাখা

প্রমাণিত সুন্নাহ: শা‘বান মাসজুড়ে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা। আয়িশা (রা.) বলেন: “আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে রমজান ছাড়া কোনো মাস পূর্ণ রোজা রাখতে দেখিনি, আর শা‘বান মাস ছাড়া অন্য কোনো মাসে তাঁকে এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি।” (বুখারি)

সাংস্কৃতিক রীতি: এই রাতকে “ধর্মীয়ভাবে আবশ্যক” মনে করে নির্দিষ্ট খাবার (যেমন হালুয়া) বানানো

প্রমাণিত সুন্নাহ: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যেকোনো সময় সদকা করা এবং দরিদ্রকে খাবার খাওয়ানো

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে খাওয়ানো নিঃসন্দেহে সাদকা ও সুন্দর কাজ। কিন্তু নির্দিষ্ট রাতে নির্দিষ্ট খাবার বানানোকে দ্বীনের নির্ধারিত অংশ মনে করা—এটি সংযোজন, যা আলেমরা বিদ‘আহ বলেন।

বিদ‘আহ কী? দ্বীনে নতুন কিছু যোগ করা কেন গুরুতর

বিদ‘আহ (ধর্মীয় নতুনত্ব) হলো এমন নতুন ইবাদত বা ধর্মীয় রীতি তৈরি করা—যাকে ইসলামের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়—অথচ তার পক্ষে কুরআন বা সহিহ সুন্নাহর প্রমাণ নেই। অনেক সময় এটি “আরও বেশি নেকি করার” আন্তরিক ইচ্ছা থেকে আসে, কিন্তু এতে এমন কিছু যুক্ত হয় যা রাসুল (ﷺ) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পালন করেননি।

এটি গুরুতর বিষয়—কারণ আল্লাহ দ্বীনকে পূর্ণ করেছেন। কুরআনে তিনি ঘোষণা করেছেন: “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করলাম…” (আল-মায়িদাহ ৫:৩)। ভালো নিয়তেও নতুন রীতি যোগ করা—এ ইঙ্গিত দিতে পারে যে মূল নির্দেশনা যেন অসম্পূর্ণ ছিল।

তাই মুসলিম হিসেবে আমাদের লক্ষ্য নতুন নতুন ইবাদত উদ্ভাবন নয়; বরং প্রম

22/08/2024

বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভারত থেকে বাঁধ খুলে দেয়ার ফলে বন্যা দেখা দিয়েছে

বাংলাদেশে বন্যা কবলিত লোকদের সহায়তা করার জন্য ১০টি কার্যকরী পয়েন্টস:

1. অর্থনৈতিক অনুদান: নির্ভরযোগ্য এনজিও বা সংস্থায় অনুদান প্রদান করুন যা ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

2. ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ: শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানির বোতল, পোশাক, ওষুধ ইত্যাদি সংগ্রহ করে বিতরণের জন্য স্থানীয় সংস্থার সাথে কাজ করুন।

3. সেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ: বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যুক্ত হয়ে ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করুন।

4. বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করুন।

5. বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ: বন্যা কবলিত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ সরঞ্জাম এবং বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করুন।

6. পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহায়তা: ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহায়তা করুন।

7. শিশুদের শিক্ষা চালু রাখা: বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শিক্ষাসামগ্রী এবং অনলাইন শিক্ষার সুযোগ তৈরি করুন।

8. স্বাস্থ্যসেবা প্রদান: স্বাস্থ্য শিবির স্থাপন করে প্রাথমিক চিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধে কাজ করুন।

9. মানবিক সহায়তা সংস্থা প্রতিষ্ঠা: নিজ উদ্যোগে একটি সংস্থা গড়ে তুলে সেচ্ছাসেবী কার্যক্রম চালু করতে পারেন যা দীর্ঘমেয়াদে সহায়তা করবে।

10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনা: ভবিষ্যতে বন্যা প্রতিরোধে এবং ক্ষতি কমানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কাজ করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।
এই গুলো বন্যা কবলিত লোকদের সহায়তায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

# সেনাবাহিনীর উদ্ধারদলের সাথে যোগাযোগ করুন:
মেজর সানজিদ # 01769331213

, , , , , , ,

22/08/2024

* সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি *

স্পীডবোট মেনেজ হয়েছে, প্রতি ট্রিপে অন্তত ৩০ জন উদ্ধারে সক্ষম আমাদের স্পিডবোট চাঁদপুর থেকে ফেনীর পথে রওনা হয়েছে। কুমিল্লা ও ফেনী পৌঁছাতে ৩-৪ ঘণ্টা লাগতে পারে।
এখন কোন এলাকায় যাওয়া বেশী প্রয়োজন জানান!
সহযোগিতা পেতে যোগাযোগ করুন:-
01814720758 (সোহাগ)
01875810789 (সাজ্জাদ)

#ফেনী সদর থেকে সেনাবাহিনীর উদ্ধারদল ১২টি স্পীড বোট ও হেলিকপ্টার নিয়ে পরশুরাম-ফুলগাজী যাচ্ছেন।
যোগাযোগ:-
মেজর সানজিদ # 01769331213

সবাই কপি করে পোস্ট করুন প্লীজ, কেউ না কেউ দেখবেই।।
,

আমাদের দেশের হিন্দুদের মন্দিরে বা বাড়ি ঘরে বার বার হামলা হয়, । প্রতিবার  মামলাল হয়, তদন্ত হয়, কিন্তু বিচার হয় না । এবার ...
10/08/2024

আমাদের দেশের হিন্দুদের মন্দিরে বা বাড়ি ঘরে বার বার হামলা হয়, । প্রতিবার মামলাল হয়, তদন্ত হয়, কিন্তু বিচার হয় না । এবার যেন সঠিকভাবে তদন্ত করে বিচার করা হয় সে জন্য প্রশাসনকে একটি কমিটি গঠন করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে ।

, , ,

রাত জেগে মন্দির পাহারা দিচ্ছে ছাত্রশিবির: হিন্দু মহাজোট #হিন্দু #মহাজোট : Samakal NewsThe daily SamakalSUBSCRIBE NOW! htt...

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Parokal.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share