Power of Wonder Women

Power of Wonder Women গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত-
Power of Wonder Women

22/05/2026

রামিসা শুধু একটা নাম না, এই সমাজের নীরব কান্না। 💔

একটা ছোট্ট শিশু…যার হাতে থাকার কথা ছিল বই, খেলনা আর রঙিন স্বপ্ন।সেই শিশুটিই আজ বিকৃত মানসিকতা আর নিষ্ঠুরতার শিকার। 💔নাটো...
21/05/2026

একটা ছোট্ট শিশু…
যার হাতে থাকার কথা ছিল বই, খেলনা আর রঙিন স্বপ্ন।
সেই শিশুটিই আজ বিকৃত মানসিকতা আর নিষ্ঠুরতার শিকার। 💔
নাটোরের জেলখানা থেকে জামিনে বের হয়ে ঢাকায় আসে জাকির ও তার স্ত্রী। পেশায় রিকশা মেকানিক। পল্লবীর একটি বহুতল ভবনে ভাড়া নেয় তারা।
কিন্তু কেউ জানতো না—
এক ভয়ংকর অন্ধকার লুকিয়ে আছে সেই মানুষটার ভিতরে।
আট বছরের ছোট্ট রামিসা…
প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।
এরপর যা পাওয়া গেল—
তা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের হৃদয় কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো ভয়াবহ।
একটি নিষ্পাপ শিশুকে বিকৃত লালসার শিকার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
মায়ের সামনে সন্তানের খণ্ডিত দেহ—
এর চেয়ে ভয়ংকর দৃশ্য আর কী হতে পারে? 😢
প্রশ্ন একটাই—
এমন অপরাধীরা কেন বারবার জামিন পায়?
কেন আইন এত দুর্বল মনে হয় সাধারণ মানুষের কাছে?
কেন একটি শিশুর জীবন এত সস্তা হয়ে যাচ্ছে?
আমরা কি শুধু কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ দেখিয়ে আবার চুপ হয়ে যাবো?
নাকি সত্যিই কঠোর বিচার নিশ্চিত করবো?
রাষ্ট্রের কাছে দাবি—
✔ শিশু নির্যাতন ও হত্যার দ্রুত বিচার
✔ অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি
✔ জামিন ব্যবস্থার কঠোর পর্যালোচনা
✔ শিশু সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা
কারণ আজ রামিসা…
কাল হয়তো অন্য কারো সন্তান। 💔
একটি সভ্য সমাজ কখনো শিশু হত্যাকারীদের প্রতি নরম হতে পারে না।
— Power of Wonder Women 👑

নীহার বানু খু/নের রহস্য 😢🕯️“চার মাস পর মাটির নিচ থেকে যখন মেয়েটির কঙ্কাল বের করা হলো, তখনও তার পায়ে লাল-সবুজ নকশার স্যান...
19/05/2026

নীহার বানু খু/নের রহস্য 😢🕯️

“চার মাস পর মাটির নিচ থেকে যখন মেয়েটির কঙ্কাল বের করা হলো, তখনও তার পায়ে লাল-সবুজ নকশার স্যান্ডেলটি ছিল…” আর গলায় ঝুলছিল ছোট্ট রুপার তাবিজ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই মেধাবী মেয়েটি জানত না, পরিচিত একজন মানুষের বিকৃত ভালোবাসাই তাকে পৃথিবী থেকে এভাবে মুছে দেবে…!
_________________________________________
😶‍🌫️ স্বাধীনতার পর তখনও বাংলাদেশ যুদ্ধের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। শহীদ পরিবারের সন্তানরা স্বপ্ন দেখে নতুন জীবন গড়ার।

সেই সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী নীহার বানু ছিলেন সবার চোখে শান্ত, ভদ্র ও মেধাবী এক তরুণী।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থেকে উঠে আসা এই মেয়েটির জীবনে কষ্ট ছিল, কিন্তু স্বপ্নও ছিল অনেক বড়।

১৯৫৩ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া নীহারের বাবা নজীবুর রহমান ছিলেন রাজশাহী কো-অপারেটিভ অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার। ১৯৭১ সালের মু/ক্তিযু/দ্ধে পাকিস্তানি হা/নাদার বাহিনীর হাতে তিনি শহীদ হন। বাবার মৃ/ত্যুর পর পুরো পরিবার যেন হঠাৎ করেই অন্ধকারে ডুবে যায়।
_________________________________________
💔 পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের সংসারে তখন বড় বোন মঞ্জিলা বেগম মায়ের মতো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। তিনি পেশায় চিকিৎসক ছিলেন।

পরিবারের সবাই চেয়েছিল, নীহার পড়াশোনা শেষ করে সুন্দর একটা জীবন পাক।

নীহারও ঠিক সেভাবেই এগোচ্ছিলেন। ১৯৭৬ সালে তিনি স্নাতকোত্তর পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে নওগাঁর এক প্রকৌশলীর সঙ্গে তার বিয়ের কথাও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল।
_________________________________________
কিন্তু কেউ জানত না, নীরবে আরেকজন মানুষ তার জীবন নিয়ে ভয়ংকর এক পরিকল্পনা করে ফেলেছে…!
_________________________________________
🖤 আহমেদ হোসেন বাবু—নীহারের সহপাঠী। একই বিভাগে পড়তেন। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে একতরফা আসক্তি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই জানতেন, বাবু নীহারকে বিয়ে করতে চান। কিন্তু নীহার তাকে ভাইয়ের মতোই দেখতেন।

বাবুর কাছে এই প্রত্যাখ্যান ধীরে ধীরে এক ভয়াবহ আবেশে পরিণত হয়।
_________________________________________
রাজসাক্ষী হওয়া এনামুল হকের জবানবন্দি অনুযায়ী, বাবু প্রায়ই বলতেন—

“নীহারকে না পেলে আমি বাঁচব না। সে অন্য কাউকে বিয়ে করবে, এটা আমি মেনে নিতে পারব না।”
_________________________________________
😨 ১৯৭৬ সালের ২৭ জানুয়ারি।
দুপুরের সময়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ‘মিনা মঞ্জিল’ নামের বাড়িটির সামনে দুটি আলাদা রিকশা এসে থামে।
একটিতে নীহার বানু। অন্যটিতে বাবু।

নীহার হয়তো ভেবেছিলেন, পরিচিত বন্ধুর ডাকে এসেছেন। হয়তো কোনো দরকারি কথা আছে।
কিন্তু তিনি জানতেন না, বাড়িটির ভেতরে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল আরও কয়েকজন।

ঘরে ছিলেন এনামুল হক, আহসানুল হক ও শহীদুল ইসলাম নীলু।
নীহার ভেতরে ঢোকার পরপরই প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। জানালা-দরজাও আটকে দেওয়া হয়।
_________________________________________
সেই মুহূর্তে হয়তো নীহারের মনে প্রথমবারের মতো ভয় ঢুকে গিয়েছিল…!

⚫ এরপর বাবু সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন।
নীহার ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন—

“আপনি এসব কী বাজে কথা বলছেন? আপনার সঙ্গে আমার ভাই-বোনের সম্পর্ক!”

তিনি আরও বলেন, আবার এমন কথা বললে তিনি চিৎকার করবেন।

এই কথাগুলোই যেন বাবুর ভেতরের উন্মাদনাকে আরও হিংস্র করে তোলে।
_________________________________________
😢 হঠাৎ করেই নীহারের শাড়ির আঁচল গলায় পেঁচিয়ে ধরে বাবু বলতে থাকেন—

“এখনো রাজি হও… না হলে এখান থেকে ফিরতে দেব না!”

নীহার প্রাণপণে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন।
তিনি হাত-পা ছুঁড়ছিলেন। বাবুর হাত পর্যন্ত কামড়ে দেন।
কিন্তু তখন অন্যরাও তাকে চেপে ধরে রাখে।
_________________________________________
একজন মেয়ের শেষ লড়াই…
একজন মানুষের বাঁচার আকুতি…
চারদিক বন্ধ ঘর…
আর কয়েকজন মানুষের নীরব নিষ্ঠুরতা…!
_________________________________________
💔 কিছু সময় পর নীহার নিস্তেজ হয়ে মেঝেতে পড়ে যান।
শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।
একটি স্বপ্নময় জীবন সেদিন শেষ হয়ে যায় ভয়ংকর অন্ধকারের মধ্যে।

এনামুলের জবানবন্দিতে উঠে আসে, সেদিন নীহারের পরনে ছিল খয়েরি রঙের চেক শাড়ি, হলুদ ব্লাউজ, নীল কোট। পায়ে ছিল বাটার হাই হিল স্যান্ডেল।

গলায় চারকোনা রুপার তাবিজ।
চুল লম্বা বেণি করা।

এই ছোট ছোট বর্ণনাগুলোই পরে পুরো বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দেয়…!
_________________________________________
🪦 হ/ত্যার পর লা/শ গুম করার পরিকল্পনা করা হয়।

মিনা মঞ্জিলের ভেতরেই মাটি খুঁড়ে নীহারকে পুঁতে ফেলা হয়।

তারপর দিনের পর দিন সবাই স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করতে থাকে।
_________________________________________
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নীহার নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার পাগলের মতো খুঁজতে থাকে মেয়েটিকে।
কিন্তু কেউ জানত না, তিনি তখন মাটির নিচে নিঃশব্দে পড়ে আছেন…!
_________________________________________
⏳ প্রায় সাড়ে চার মাস পর—১৯৭৬ সালের ১২ জুন।

অবশেষে উদ্ধার করা হয় নীহার বানুর কঙ্কাল।
সেই দৃশ্য যারা দেখেছিল, তারা নাকি বহুদিন দুঃস্বপ্ন দেখেছে।

কারণ কঙ্কাল হয়ে যাওয়া দেহের পায়ে তখনও ছিল সেই লাল-সবুজ কারুকাজ করা স্যান্ডেল।
গলায় ঝুলছিল রুপার তাবিজ।

একজন মেয়ের শেষ পরিচয় হয়ে রয়ে গিয়েছিল কয়েকটি জিনিস…!
_________________________________________
⚖️ এই ঘটনা পুরো দেশে তীব্র আলোড়ন তোলে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটিকে প্রথম বহুল আলোচিত অরাজনৈতিক হ/ত্যাকা/ণ্ড হিসেবে ধরা হয়।
_________________________________________
১৯৭৭ সালের জুলাইয়ে উত্তরাঞ্চলের বিশেষ সামরিক আদালতে বিচার শুরু হয়।
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এবং দণ্ডবিধির ৩০২, ৩৬৪, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা পরিচালিত হয়।

অভিযুক্ত করা হয় সাতজনকে।

তাদের মধ্যে প্রধান আসামি ছিলেন আহমেদ হোসেন বাবু।
এছাড়া ছিলেন আহসানুল হক, শহীদুল ইসলাম নীলু, এনামুল হক, রুহুল আমীন ফেতু, আজিজুর রহমান আজু ও ওয়াহেদুল ইসলাম।
_________________________________________
🕯️ বিচারের সময় এনামুল হককে রাজসাক্ষী করা হয়। তার জবানবন্দিতেই বেরিয়ে আসে পুরো ঘটনার ভয়ংকর বিবরণ।

১৯৭৭ সালের ২৯ আগস্ট আদালত এই ঘটনাকে “পূর্বপরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার ভয়াবহ হ/ত্যা” বলে মন্তব্য করে।

তিনজনকে মৃ/ত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
রুহুল আমীন ফেতুকে দেওয়া হয় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

কিন্তু সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল—প্রধান আসামি বাবু ও আহসানুল তখনও পলাতক।
_________________________________________
পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে, বাবু বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। কেউ বলেছে জার্মানিতে, কেউ বলেছে অন্য কোথাও।
কিন্তু নীহার বানুর পরিবারের কাছে এসব কোনো সান্ত্বনা ছিল না।
_________________________________________
😔 একটা মেয়ের জীবন শুধু “না” বলার কারণে শেষ হয়ে গিয়েছিল।

তিনি কাউকে অপমান করেননি, প্রতারণা করেননি—শুধু নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

আর সেই স্বাধীন সিদ্ধান্তই কিছু মানুষের অসুস্থ মানসিকতার কাছে অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়।

আজও নীহার বানুর গল্প শুনলে প্রশ্ন জাগে—
একজন মানুষ কীভাবে ভালোবাসার নামে এতটা নির্মম হতে পারে?
_________________________________________
💬 আপনি কী মনে করেন—একতরফা আসক্তি ও বিকৃত মানসিকতা কি আজও সমাজে একইভাবে ভয়ংকর রূপে রয়ে গেছে?

নীহার বানুর জন্য একলাইন শ্রদ্ধা লিখুন। পোস্টটি শেয়ার করুন, যেন মানুষ বুঝতে শেখে—“না” মানে “না”।
_________________________________________
#নীহার_বানু
#রাজশাহী_বিশ্ববিদ্যালয়
#বাংলাদেশের_আলোচিত_হত্যা
#সত্য_ঘটনা
#অপরাধের_ইতিহাস
#বাংলার_রহস্য

এক সুন্দর সন্ধ্যায়Power of Wonder Women–এর অন্যতম সদস্যসাবরিনা সাদাত–এর সাথে কাটানো সময়গুলো ছিল সত্যিই অসাধারণ। 🌸খাওয়া-দ...
17/05/2026

এক সুন্দর সন্ধ্যায়
Power of Wonder Women–এর অন্যতম সদস্য
সাবরিনা সাদাত–এর সাথে কাটানো সময়গুলো ছিল সত্যিই অসাধারণ। 🌸
খাওয়া-দাওয়া, হাসি, আড্ডা আর আন্তরিকতায় ভরা
অপূর্ব একটি সন্ধ্যা…
কিছু মুহূর্ত থাকে,
যেগুলো খুব সাধারণ হয়েও মনকে ভীষণ ভালো রাখে। ✨
Power of Wonder Women শুধু Social Awareness নিয়েই কাজ করে না—
আমরা বিশ্বাস করি,
মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
একজন আরেকজনের মন ভালো রাখা,
শরীর ও মনকে শান্ত রাখা,
একসাথে সময় কাটানো,
একে অন্যকে জানা ও অনুভব করা—
এসবও জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ❤️
আমরা চাই নারীরা শুধু সংগ্রামই নয়,
জীবনটাকে সুন্দরভাবেও উপভোগ করুক। 🌿
ধন্যবাদ সাবরিনা সাদাতকে
এত সুন্দর একটি সন্ধ্যার জন্য। 🌹
— Power of Wonder Women 👑

16/05/2026

আসুন আমরা সবাই অসহায় মায়েদের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেই
"চলবে মোরা একসাথে জয় করব বিশ্ব মানবতাকে "
power of Wonder Woman

16/05/2026

ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা থাকলো

প্রাণবন্ত, হাসিখুশি আর আত্মবিশ্বাসী এই মেয়েটি জানে—জীবন কখনো সহজ নয়,তবুও জীবনকে সুন্দর করে বাঁচতে হয়। 🌸তিনি একজন সত্যিকা...
15/05/2026

প্রাণবন্ত, হাসিখুশি আর আত্মবিশ্বাসী এই মেয়েটি জানে—
জীবন কখনো সহজ নয়,
তবুও জীবনকে সুন্দর করে বাঁচতে হয়। 🌸
তিনি একজন সত্যিকারের corporate lady…
যিনি দায়িত্ব সামলাতে জানেন,
ঝড় সামলাতে জানেন,
আর জীবনকে দেখেন সমুদ্রের মতো গভীরতা দিয়ে। 🌊
মুখে সবসময় হাসি,
মন ভরা সাহস আর ইতিবাচকতা—
এটাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। ✨
আজ সেই অসাধারণ মেয়েটার জন্মদিন। 🎂
শুভ জন্মদিন 🌹
তোমার জীবন ভরে উঠুক
সাফল্য, ভালোবাসা আর অফুরন্ত সুখে। ❤️
— Power of Wonder Women 👑

12/05/2026

Address

House#226, Block#I, Road#08, Bashundhara R/A
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Power of Wonder Women posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Power of Wonder Women:

Share