Social and Cyber Safety Bangladesh

Social and Cyber Safety Bangladesh Social and Cyber Safety Bangladesh is the right place to share your problem .

06/06/2025

বাংলাদেশে প্রতি ১০ জন নারী অনলাইন ব্যবহারকারীর মধ্যে ৭ জন সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন। অধিকাংশই অভিযোগ করতে ভয় পান, কারণ পরিবার নিরুৎসাহিত করে বা তারা নিজেরাই বিশ্বাস করেন অভিযোগ করে কিছুই হবে না।

03/05/2025

আইনের ছাত্ররা কেস স্টাডি করে নিজের মতামত জানান... 👍

আমি দুঃখিত যে আমার এই লেখায় এমন কিছু শব্দের প্রয়োগ করতে হয়েছে যেগুলো শ্রুতিকটু বটে। কিন্তু আইনের ছাত্র হয়ে এই বিষয়টি নিয়ে দু' লাইন না লিখলে হাত নিশপিশ করছে। 🙏

হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি ভাইরাল হতে দেখা যায়। কি এটা??

নিউজ মিডিয়া এটাকে *বিকৃত যৌন কাজ* বলে আখ্যায়িত করছেন, নিউজ টাইটেল দিচ্ছেন *ফেমডম সেশন*। আবার নিউজ কভারেজ করছেন, "বিকৃত যৌন কাজে ব্যবহৃত একটি চাবুক, পরিধেয় বিশেষ পোশাক, হাই হিল, বুট জুতা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।"

আমার প্রশ্ন হলো, বিকৃত হোক আর স্বাভাবিক হোক যৌন কাজে চাবুক, পোশাক, হাই হিল, বুট জুতা, মোবাইল কিভাবে ব্যবহার করা হয় কিংবা যায়??

তারা কি ফেমডম শব্দের অর্থ জানে না, নাকি যৌন কাজ শব্দের অর্থ জানে না! 😱

এটা হলো এক প্রকার মানষিক অসুস্থতা, যার ফলে একজন নারী নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে চান। আবার অনেক সময় একজন পুরুষ চান নারীর আধিপত্য দেখতে বা অনুভব করতে। অর্থাৎ এই অসুস্থতা নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। যেটার মূল বিষয় হলো *নারী আধিপত্য* যার ইংরেজি হলো *Female Domination* যেখান থেকে এসেছে *ফেমডম* শব্দটি।

এই ধরনের *ফেমডম* সেশনে সাধারণত নারী-পুরুষ উভয় নিজের ইচ্ছেতেই ডমিনেট করতে এবং ডমিনেট হতে চান। সুতরাং এক্ষেত্রে উভয়ই সমানভাবে অপরাধী। এই ডমিনেশন যখন যৌনতায় রূপ নিবে তখন *বিকৃত যৌন কাজ* বলা যেতে পারে, তার আগে পর্যন্ত এটা শুধুমাত্র ফিমেল ডমিনেশন।

সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও, গ্রেফতারের পরে উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা করলে *বিকৃত যৌন কাজ* এর কিছুই পাওয়া যায় না। পাওয়া যায় *Female Dominant* এর অস্তিত্ব। আবার সেখানে শুধুমাত্র নারী দু'টিকে একতরফা দোষ দিয়ে পুরুষ ব্যক্তিটিকে ভিকটিম বলাটাও সঠিক বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না।

এক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয় প্রাথমিকভাবে দোষী।

03/05/2025

আমি অস্ট্রেলিয়া থাকতাম দেশে ফিরে প্রেমিকা সুমিকে বিয়ে করি। সুমি ইংরেজিতে অনার্স করেছে তার আবদার সে এখুনি যব করবে বিয়ের ১ মাসো হলনা । আমার পরিবারে আমার মা বাবা, ছোট ভাই থাকেন তাদের দায়িত্ব আমারই। মা বারবার বলেছে বাবা বউকে চাকরি করতে দিসনা সময় ভালোনা। আমি মায়ের কথা শুনিনি কারণ আমি আমার স্ত্রীকে খুশি দেখতে চাই। তবুও সুমিকে বলেছিলাম দেখো আমার তো আলহামদুলিল্লাহ টাকার অভাব নেই কি দরকার তোমার যব করার? সুমি বললো - টাকার জন্য যব করতে চাইনা নিজের পায়ে দাড়াতে চাই। আমি শিক্ষিত মেয়ে ঘরে বসে থাকার জন্য তো পড়াশোনা করিনি। আমি
বললাম - বিজনেস করো? চলো আমরা পার্টনার হয়ে দুজনে আমার শপটা চালায়, ওহ বলা হয়নি আমি দেশে ফিরে গোল্ড এবং ডায়মন্ডের দোকান দেয় ঢাকাতে। বসুন্ধরা, মিরপুরে আমার শপ আছে।
সে বললো না তোমার বিজনেস তুমি করো, আমি এসব বিজনেস বুঝিনা। সে রাজি হলনা। যায়হোক আমিও বারণ করলামনা আর সে আরো ১ মাস পর একটা বাইরের কোম্পানিতে পি এ হিসেবে জয়েন করলো। পি এ ছাড়াও তার দায়িত্ব ছিলো বাইরের ক্লায়েন্টদের এটেন্ড করা। । সুমি মাঝে মধ্যে রাতে দেরি করে আসতো বাসায়। বাইরের ওনারের কোম্পানি যেহেতু, দিনদিন সুমির পোশাক ছোট হতে লাগলো! আমি স্বামী হিসেবে এটা মানতে পারছিলামনা বলে সুমির সাথে বেশ ঝ**গড়া হয়। আমিই পরে সব মেনে নি। কারণ সুমিকে ভীষণ ভালোবাসি। সুমির যব চললো ১ বছর ২ মাস হঠাৎ ওর ব্যবহারে পরিবর্তন। মাঝে মধ্যে সুমি রাতে উঠে কার সাথে কথা বলে, অফিস টাইম ৯ টায় কিন্তু ও বাড়ি থেকে ৬ঃ৩০ টায় বের হয়। যেখানে অফিস থেকে বাড়ি মাএ ৩০ মিনিট দূরে। ওর সুবিধা অনুযায়ী আমরা সুমির যবের ৬ মাস পর বাড়ি পরিবর্তন করি। বিষয় গুলো আমাকে ভীষণ ভাবাচ্ছিল, কিন্তু আমি ওকে জিগ্যেস করলেই ঝ*গড়া করতো তাই কিছু বলতামনা। সুমির ডিসেম্বরের ৯ তারিখ জন্মদিন অনেক কিছু ওকে না জানিয়েই প্ল্যান করেছি কিন্তু ৭ ডিসেম্বর সুমি বললো ৮ তারিখ সুমির অফিস থেকে আর্জেন্ট কক্সবাজার যেতে হবে! আমি ভীষণ কষ্ট পেলাম কিন্তু সুমিকে কিছু বললামনা। 😢
সুমি বললো ৮ তারিখ সকালে সুমিকে তার অফিসের গাড়ি নিতে আসবে। তবে সুমির ব্যবহারে আমার সন্দেহ হচ্ছিলো তাই ৮ তারিখ যখন অফিসের গাড়ি নিতে এলো তখন আমিও অন্য গাড়ি করে ওদের গাড়ি ফলো করছিলাম। দেখলাম গাড়িটা কক্সবাজার না ঢাকারই ফাইভ স্টার হোটেলে গেলো 😢 আমি মনকে বুজ দিলাম হয়তো অফিসের কোনো কাজে আগে হোটেলে গেছে😢 আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে লিখতেও । এরপর আমিও ওদের পিছে ঢুকলাম মুখে মাস্ক, চোখে চশমা, চেষ্টা করছিলাম যেন কেউ না চিনে । সুমি একটা লোকের হাত ধরে রিসিপশনে গেলো কিছু ক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বললো এরপর চাবি নিলো। এরপর তারা দুজন অন্য দিকে চলে গেলো। আমি যেতে পারিনি ওদিকে কারণ আগে আমাকে রিসিপশনে কথা বলতে হবে। যেহেতু ফাইভ স্টার তাদের রুলস আছে। আমি রিসিপশনে কথা বললাম প্রশ্ন করলাম একটু আগে যারা এসেছিলেন তারা কেন এসেছে? আমাকে বললো সরি আমরা কোনো ইনফরমেশন দিতে পারবোনা এটা আমাদের রুলস এর বাইরে। আমি লজ্জা না করে রিসিপশনের মেয়েটিকে সব বললাম উনি এরপর আমাকে বলে সরি স্যার আমি কোন ইনফরমেশন দিতে পারবোনা। 🙂 ঝামেলা মনে করে পাশে থাকা আরো দুজন ছেলে এগিয়ে এলো মেয়েটি ওদের কে আমার কথা বললো, আমিও ছেলে দুজন কে রিকোয়েস্ট করলাম, তারা বলে স্যার রুলসের বাইরে গেলে সমস্যা হবে। আমি উপায় না পেয়ে তাদের ৩ জনকে টাকা অফার করলাম 😢 কতটা অসহায় ছিলাম আমি কেউ বুঝবেনা। ৩ জনকে দেড় লাখ টাকা অফার করেছিলাম শুধু ওরা কেন এসেছে তা জানার জন্য 😢 কষ্টের টাকা। জানতে পারলাম - তারা কাপল রুম নিয়েছে, এবং যে লোকটির সাথে এসেছে সে অনেক ধনী একেকদিন একেক মেয়ে নিয়ে এই হোটেলে আসেন 😢 হোটেল বুক করার আগে নাকি রুমটা হানিমুন কাপলের মত সাজাতে বলেছেন😢 সুমিকে কল দিলাম সুমি ধরেনা, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কল দিলাম এরপর কল ধরলো ধরে অভিনয় শুরু যে - জান আমি গাড়িতে ছিলাম জার্নিতে শরীর খারাপ লাগছে, অসুস্থ হয়ে গেছি, ফোন সাইলেন্ট ছিলো মাফ করে দাও। আমি বললাম নাটক বাদ বাদ তুমি যে হোটেলে আছো আমি ঐ হোটেলের নিচে আছি শেষ একবার দেখা করো আমি এরপর ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিচ্ছি। সুমি বলে কি বলো জান অন্য কাউকে দেখছো কি নাটক! এটা বলে ফোট কেটে দিলো। সুমি আর এলোনা এরপর থেকে ওর ফোন বন্ধ। এরপর সুমি হয়তো ভয়ে আমার বাড়িতেও আসেনি শেষ কথাও বলেনি, ৬ মাস পেরিয়ে গেলো কেউ কারো খোঁজ নেয়নি। ডিভোর্স দেবো কিনা ভেবেছি। এরপর আমিই ওকে ডিভোর্স পাঠায়। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট একটায় ওকে সামনে দাড় করিয়ে ইচ্ছে ছিলো প্রশ্ন করার যে তুমি এটা কেন করলা? কি কম ছিলো আমার? কিন্তু পারিনি, শেষ দেখা কোর্টে হয়। দুজনেই চুপচাপ। আমি আমার অস্ট্রেলিয়ার ক্যারিয়ার ছেড়ে দেশে থেকে গেছি শুধু মাএ ওর কথায়। এখন শুধু মনে পড়ে মা ঠিকই বলেছিলো বাবা বউকে বাইরে চাকরি করতে দিসনা দিনকাল ভালোনা😢
আমার নাম বলছিনা অনেকেই চিনবেন তাই যেহেতু আমার ঢাকায় বেশ কয়েকটা শপ আছে। এবং ঘটনাটি মিথ্যা না আমি এরোমা ভাইয়া এবং সানাহ আপুর রিলেটিভ । সব ভাইদের একটা কথায় বলবো মানুষ পরিবর্তন হতে সময় লাগেনা স্ত্রীকে বাইরে যব করতে দেয়ার আগে খেয়াল রাখবেন।

লিখে পাঠিয়েছেন যিনি নাম প্রকাশ করতে চাননা।
©Afsanah Khan

25/04/2025

দুজনের সম্পর্ক এক বছরের-সম্পর্কে শুরু থেকেই তারা একটা কমিটমেন্টে ছিল সেটা হচ্ছে বিয়ের কমিটমেন্ট, কারণ তারা দুজনে জব করছে পড়াশোনা শেষ করে, দীর্ঘদিন প্রেম করে সময় নষ্ট করার মত সময় তাদের নেই।
তারপরেও প্রেমিকাকে বিভিন্ন অজুহাতে বিয়ে করবে করবে বলে এক বছর পার করেছে প্রেমিক। কিন্তু বিয়ের নামে কোন খবর নেই। এই রোজার ঈদে অভিযোগকারীনি নারীর প্রেমিক তার বাসায় গিয়ে ফ্যামিলির পছন্দে বিয়ে করে ফেলেছেন। তার বিয়ের খবরটা নিজেই দিয়েছিল প্রেমিকাকে, প্রেমিকের বিয়ের খবর শোনার পর থেকে প্রেমিকার কোন ধরনের যোগাযোগ করে না, কিন্তু ওই লোক বারবার এই নারীকে ফোন দিয়ে বিরক্ত করা শুরু করে, সে বোঝাতে চেষ্টা করে এই বিয়েটা তার ইচ্ছেতে হয়নি তার পরিবারে জোরাজোরিতে হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে খবর নিয়ে জানা যায় এই বিয়েটা তার পছন্দেই হয়েছে।।।
ঈদের ছুটি শেষ করে ঢাকায় আসার পর থেকে বিভিন্নভাবে এ ভদ্র মহিলার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার প্রেমিক, কিন্তু প্রেমিকা কোনভাবেই যোগাযোগ করতে রাজি হয় না বিভিন্নভাবে দেখা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে প্রেমিক শেষ পর্যন্ত তার কিছু ব্যক্তিগত ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেলিং শুরু করে, দেখা না করলে ছবি ভাইরাল করে দিবে পরিবারের সবাইকে পাঠাবে।।
প্রেমিকা তার এসব হুমকি-ধমকি তে ভয় পেয়ে শেষ পর্যন্ত রাজি হয় দেখা করার জন্য এবং এই শর্তে দেখা করার পর সে সব ছবি ভিডিও ডিলিট করে দিবে।।
দুজন দেখা করার পর প্রেমিকাকে তার বাসায় নিয়ে যায় প্রেমিক সেখানে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় কিন্তু, প্রেমিকা কোনভাবেই আর শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে চায় না। প্রেমিক জোরপূর্বক তার সাথে শাড়ির সম্পর্ক করতে চায় এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করে খুব বাজে ভাবে। পরবর্তী সময়ে আহত অবস্থায় এই নারীকে হসপিটালে ভর্তি হতে হয়।।।
এই ভদ্রমহিলা পুরো ঘটনা আমাদেরকে খুলে বলে এবং তার প্রেমিকের একটি শাস্তি দাবী করে।। আমরা তার প্রেমিকের নামে মামলার ব্যবস্থা করেছি আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মাঝে এই মানুষ আইনের আওতায় আসবে।।
এবং সে তার অপকর্মের শাস্তি পাবে...

05/03/2025

ফ্ল্যট বুকিং দেয়ার পর কি করবেন?
নীচের বিষয়গুলো খেয়াল রেখে, একজন ক্রেতা ফ্ল্যাট বুকিং দিলে বা কিনলে, ঠকে যাবার সম্ভাবনা নেই:-

০১। যেদিন ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, সেদিন টুকেন মানি হিসেবে ৫০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাবেন না। যদি মনস্থির করেই থাকেন, অমুক প্রজেক্ট থেকে ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, তাহলে, তাদের কাছ থেকে নেয়া অমুক প্রজেক্টর ব্রশিয়্যরের শেষের পৃষ্ঠায় Terms & Condition এ দেখে নিন, কত % টাকা দিলে "নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন" করবে। যার সাথে ফ্ল্যাটের ব্যাপারে সমস্ত আলাপ হয়েছে, তাকে বলে দিন যে, আপনি কবে যাচ্ছেন অফিসে এবং ডাউন পেমেন্টের সব টাকাই পে- অর্ডার ( কি নামে করবেন তা টার্মস এন্ড কন্ডিশনে লেখা আছে) করে নিয়ে যাবেন। তাকে আরো জানিয়ে দিন, উল্লেখিত প্রজেক্টের সকল লিগ্যাল পেপারস যেন এক সেট ফটোকপি করে রাখে।

০২। লিগ্যাল পেপারসে আপনি যা যা দেখবেন:-

* কোম্পানীর সাথে জমির মালিকের চুক্তিপত্র। (এটি অনেক ডেভেলপার দিতে চায় না, আপনি যেভাবেই হোক, তা আদায় করে নেবেন)।
* Power of Attorney এর ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের মূল দলিলের ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের সিটি জরীপ + আর.এস অনুযায়ী নামজারী পর্চা, জমাভাগ, ডি.সি.আর (ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ) ও খাজনার রশিদ।
* বায়া দলিল ( মূল মালিকের আগে কারা কারা এ জমির মালিক ছিল, তাদের দলিল) গুলোর ফটোকপি।
* সকল পর্চা ( ঢাকা মহানগর পর্চা, আর.এস পর্চা, সি.এস পর্চা, এস,এ পর্চা) এর ফটোকপি।
* আপ টু ডেট খাজনার রশিদ।
* সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স এর ফটোকপি।
* রাজউকের প্ল্যান পাসের কপির ফটোকপি। (যদি পারেন কিছু টাকা দিয়ে রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নকসাটিরও ফটোকপি নিয়ে নেবেন। এটি অনেক বড় একটি নক্সা, তাই ডেভেলপার ফটোকপি করিয়ে রাখে না। আপনি নীলক্ষেত বা দৈনিক বাংলার মোড়ে অনেক দোকান পাবেন, সেখান থেকে করিয়ে আনাবেন - প্রয়োজনে।

০৩। যদি ২ নং উল্লেখিত লিগ্যাল পেপারের কোন একটি না থাকে, তাহলে আপনাকে ফ্ল্যাট বুকিং না দেয়াই ভাল। যে কাগজটি নেই, সেটি ডেভেলপার জোগাড় করে যেদিন আপনাকে দিতে পারবে, সেদিনই ফ্ল্যাট বুকিং দিন।

০৪। যদি বুকিং মানি হিসেবে আপনি " ডাউন পেমেন্ট" করবেন বলে ঠিক করে রাখেন, তাহলে সেই ডাউন পেমেন্ট করার আগেই "আপনার সাথে ডেভেলপারের যে "দ্বি-পক্ষীয় চুক্তিটি" হবে" তার একটি নমূনা কপি দিতে বলেন। অধিকাংশ যেভেলপারই সেই চুক্তির কপিটি ইংরেজীতে করে। আপনি ইংরেজীতে ততটা দক্ষ না হলে, তাদেরকে বলুন, " বাংলা ফরম্যাটের চুক্তিনামা দিতে। কারন, ডেভেলপার ইংরেজী চুক্তিনামার অনেক টার্মসেই টেকনিক্যাল বা খুব সুক্ষভাবে কিছু ফাঁক ফুকর রাখে, যা ফ্ল্যাটক্রেতা ধরতে পারেনা। পরবর্তীতে সমস্যা হলে, সেই টার্মসটির কারনে ফ্ল্যাটক্রেতা কিছুই করতে পারে না।

০৫। বাংলায় বা ইংরেজীতে, যে কোন ফরম্যাটের চুক্তিনামার নমূনা কপি আপনাকে দিক না কেন, আপনি নিম্নে উল্লেখিত শর্তগুলো চুক্তিনামায় উল্লেখ আছে কি না তা দেখে নিনঃ-

* চুক্তিনামায় আপনার এবং ডেভেলপারের কর্তাব্যক্তির (যার সাথে জমির মালিকের চুক্তি ও আম-মোক্তার নামা হয়েছে) নাম, বাবা মার নাম,স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার উল্লেখ করেছে কিনা দেখুন।
* রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নাম্বার সহ তারিখটি উল্লেখ আছে কি না দেখুন।
* যেদিন চুক্তি হচ্ছে, সেদিনের তারিখটি উল্লেখ আছে কিনা।
* ফ্ল্যাটের( ফ্ল্যাট মূল্য+ কার পার্কিং মূল্য (যদি কার পার্কিং কিনতে চান)+ ইউটিলিটি বা অন্যান্য কোন মূল্য) মূল্য ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না, তা দেখুন। সবগুলোর আলাদা আলাদা দাম দর করে থাকলে, চুক্তিতেও আলাদাভাবে লিখে সর্বমোট দাম লিখতে বলবেন।
* চুক্তিপত্রে আপনার সাথে আলোচনা করে কিস্তির টাকা কিভাবে দেবেন, তা ঠিক হয়ে থাকলে, সেইভাবে লেখা আছে কি না দেখুন।
* ফ্ল্যাটটি কবে আপনাকে হস্তান্তর করা হবে, সেটির নির্দিষ্ট তারিখ ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না দেখুন।
* জমির মালিকের সাথে ডেভেলপারের চুক্তিপত্রে প্রজেক্ট টি বসবাস উপযোগী করে কবে হস্তান্তর করা হবে, সেই তারিখের, সাথে আপনাকে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের তারিখের মিল আছে কি না, তা খেয়াল করুন। যদি মিল না থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করুন।
* আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করতে পারলে, সেই তারিখের পর ফ্ল্যাটভাড়া আপনাকে কত করে দেবে, তা উল্লেখ আছে কি না দেখুন। যদি তা উল্লেখ না থাকে, তাহলে তা আলোচনা করে বসিয়ে নিন। তবে, এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, চুক্তি অনুযায়ী আপনি সঠিক সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধের পরেই ফ্ল্যাটভাড়া পেতে পারেন।
* চুক্তিতে " ফ্ল্যাট মালিক সমিতির" জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধরা হয়। সেটি কত তা খেয়াল করুন এবং সকলের চুক্তিপত্রে উক্ত টাকার পরিমান একই আছে কি না জেনে নিন।
* তফসিলে আপনার ফ্ল্যাট নং, কত তলায়,কোন্ পার্শ্বে - তা ঠিকমত উল্লেখ আছে কি না দেখুন।

০৬। ডেভেলপারের সাথে চুক্তিনামায় অবশ্যই " Feature & Amenities" অর্থ্যাৎ ডেভেলপার আপনার ক্রয়কৃত ফ্ল্যাটে কি কি নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করবে তা থাকতে হবে। বাংলায় হলে ভাল। সেগুলো ভালভাবে পড়ে তারপর চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

০৭। চুক্তিনামার শেষে, ডেভেলপারের ছাপানো ব্র্যশিয়্যার (যেটি দেখে আপনি ফ্ল্যাটটি বুকিং দিচ্ছেন, সেটিও "চুক্তিনামার একটি অংশ" -এ কথাটি যেন চু্ক্তিনামায় থাকে। অনেক সময়ই ডেভেলপার তার নিজ স্বার্থে ব্র্যশিয়্যার পরিবর্তন করে। তখন আপনাকে বিপাকে পড়তে হতে পারে।

০৮। একটি বিষয় খেয়াল রেখে চুক্তিনামায় কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল দেয়া উচিৎ। তা হলো, কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ কাজ চলছে কিনা। সেটি তদারকি করা খুবই প্রয়োজন। আপনি চুক্তিনামা অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করে যাচ্ছেন, কিন্তু ডেভেলপার সেই অনুপাতে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে না-- তাতে আপনি এক সময় বিপদে পড়তে পারেন। অধিকাংশ ডেভেলপার এক প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটায়। তাতে কোন অসুবিধা নেই যদি দেখেন আপনার বুকিংকৃত প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ সিডিউল অনুযায়ী হচ্ছে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Social and Cyber Safety Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share