Bangladesh Mofassal Sangbadik Forum Central-BMSF

Call Directions Website Contact the organization

Bangladesh Mofassal Sangbadik Forum Central-BMSF কেন্দ্রীয় অ‌ফি‌সিয়াল পেইজ (বিএমএসএফ)

15/07/2026

খবরটি এক ক্লিকে পড়ুন 👉ntvbd.com/world/news-1770293

প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নরাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্ম...
22/01/2026

প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের
নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন কিংবা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজনে সংবাদ কাভারেজের জন্য আমন্ত্রিত সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের রীতি একসময় প্রচলিত ছিল। এই আলাদা টেবিল বা নির্ধারিত জায়গাটিই পরিচিত ছিল ‘প্রেস টেবিল’ নামে। এটি কেবল বসার স্থান নয়, বরং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় ও নিরাপত্তার একটি স্বীকৃত কাঠামো ছিল। তা এখন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাটি অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় প্রেস টেবিলের অনুপস্থিতি সাংবাদিকতার জন্য একটি নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। অথচ এই প্রেস টেবিল কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতীক।

বর্তমানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আয়োজনে সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সংবাদকর্মীরা বাধ্য হচ্ছেন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভিড়ে, কখনো মঞ্চের একেবারে পাশে, কখনো বা কর্মীদের ঘাড়ে ঘাড় মিলিয়ে দাঁড়িয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে। এমন পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার সাংবাদিকের নিরপেক্ষতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও পড়ে চরম ঝুঁকিতে। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের জন্য এ ধরনের পরিবেশ শুধু বিব্রতকরই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা অবমাননাকর এবং অসহনীয়ও বটে।

ঝুঁকির মুখে সাংবাদিকতা: ইতিপূর্বে বহু রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিদ্বেষমূলক আচরণ, হেনস্তা এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন, এমন নজির নতুন নয়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে একই সারিতে অবস্থানের কারণে অনেক সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও এমনভাবে ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি স্থিরচিত্র বা কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও একজন সাংবাদিককে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করতে যথেষ্ট। বাস্তবে নিরপেক্ষ থাকলেও এসব বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনার দায় শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককেই বহন করতে হয়।

বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হয়েও শুধুমাত্র কোনো একটি ফ্রেমে বা ভিডিওতে উপস্থিত থাকার কারণে বহু সাংবাদিক হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়া একজন সাংবাদিকের জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যও অশনিসংকেত।

প্রেস টেবিল থাকলে এ বিপর্যয় এড়ানো যেত:রাজনৈতিক দলগুলোর আয়োজনে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘প্রেস টেবিল’ বা আলাদা মিডিয়া জোন রাখা হতো, তবে সাংবাদিকদের এমন করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হতো না। এতে একদিকে যেমন সংবাদ সংগ্রহ হতো সহজ, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার পরিবেশে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের দলীয় পরিচয়ের অপবাদ থেকেও মুক্ত রাখা যেত।

প্রেস টেবিল সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর পেশাদার দূরত্ব তৈরি করে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে অত্যন্ত জরুরি। এই দূরত্ব সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সাহস জোগায় এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেও গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বাধ্য করে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা এখনো বেঁচে আছে:এখনো দেশে বহু দল নিরপেক্ষ সাংবাদিক রয়েছেন, যারা কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন বা সহযোগী শক্তি না হয়েও সততা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের কাছে রাজনৈতিক দলের আয়োজনে এই অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও অসচেতনতা চরম হতাশাজনক এবং অসহনীয়।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ; গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ কিংবা সুবিধাভোগী হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করুন। সাংবাদিকরা কোনো দলের মুখপাত্র নন, আবার শত্রুও নন। তারা সমাজের দর্পণ—যেখানে ভালো-মন্দ উভয় চিত্রই প্রতিফলিত হয়।

রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: আমরা আশা করবো, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ বিষয়টি আন্তরিকভাবে বিবেচনা করবেন এবং ভবিষ্যতে সকল রাজনৈতিক আয়োজনে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা প্রেস টেবিল বা নির্ধারিত স্থান নিশ্চিত করবেন। এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি একটি সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।

সবশেষ কথা, প্রেস টেবিল কোনো বিলাসিতা নয়—এটি সাংবাদিকতার ন্যূনতম অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা মানেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

লেখক: আহমেদ আবু জাফর সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম , ০১৭১২৩০৬৫০১ , জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:।

সাংবাদিক নির্যাতনে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে গেছে ঢাকা, সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রী: সাংবাদিক নির্যাতনে অতীতের সকল রেকর্ড ...
06/10/2025

সাংবাদিক নির্যাতনে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে গেছে

ঢাকা, সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রী:
সাংবাদিক নির্যাতনে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। সাংবাদিক নির্যাতন করে আদালতে পৌঁছাতে পারলেই জামিন লাভ করে। সম্প্রতি কুমিল্লার দেবীদ্বারে
৮জন সাংবাদিক মেরে প্রধান আসামি একদিনের মাথায় জামিন লাভ করেছেন, এতে গোটা সাংবাদিক সমাজ ক্ষুব্ধ। তিনি সোমবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর স্বাধীনতা গোলচক্করে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেছেন।

বাগেরহাটের সাংবাদিক এস এম আয়াতকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মিরপুরের সাংবাদিকদের আয়োজনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মিরপুর সম্মিলিত সাংবাদিক জোটের সাধারণ সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলাম, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ মামুন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মীর আকতারুজ্জামান তারেক, সাংবাদিক নেতা মনিরুজ্জামান মনি, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: ইসরাফিল, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দিন, সাংবাদিক আনিস লিমন প্রমূখ।

ঢাকা মিডিয়া সেলের এডমিন আসাদুজ্জামান আসাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সঞ্চালনা করেন মো: ইসরাফিল ও রাজু আহমেদ।

সমাবেশে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নসহ ১৪ দফা দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার জানানো হয়। অবিলম্বে সাংবাদিক আয়াত হত্যার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি করা হয়েছে।

যুগপূর্তি উপলক্ষে বিএমএসএফ'র শুভেচ্ছা সাংবাদিকদের স্বার্থ, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষা আন্দোলনের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক বিএমএসএ...
14/07/2024

যুগপূর্তি উপলক্ষে বিএমএসএফ'র শুভেচ্ছা

সাংবাদিকদের স্বার্থ, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষা আন্দোলনের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক বিএমএসএফ-বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ১৫ জুলাই ১২ বছর পেরিয়ে ১৩ বছরে পদার্পন করতে যাচ্ছে। প্রিয় সংগঠনের যুগপূর্তি উপলক্ষে সারাদেশের শাখা সমূহ নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করবে। আগামী ৩০ জুলাই জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজন সারাদেশের সাংবাদিক সদস্যদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

সংগঠনটির এই শুভক্ষণে সকল সদস্য, নেতাকর্মী, আইন উপদেষ্টা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও দেশবাসিকে শুভেচ্ছা -অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।

তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন যারা বিএমএসএফ'র ১৪ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তাঁদের প্রতি। একই সাথে তিনি বিএমএসএফ'র সংবাদ যে সকল মিডিয়ায় প্রচার-প্রকাশ করে আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছেন এবং করবেন তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ঝালকাঠির কৃতি সন্তান আহমেদ আবু জাফর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় রাজধানীর পুরানা পল্টনে এবং এখন নয়া পল্টন থেকে সারা বাংলাদেশে ৩ শতাধিক শাখা ছাড়াও দেশের বাইরে ৬টি শাখা কমিটি ১৪ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের সাথে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

১৪ দফা দাবি সমূহের মধ্যে সারাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন, সরকার ঘোষিত ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন উল্লেখযোগ্য। এছাড়া এ আন্দোলনের বাইরেও সংগঠনটি সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ নামে একটি সপ্তাহের জন্য গত ৮বছর ধরে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি চালিয়ে আসছে। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতাসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস রক্ষায় সারাদেশের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে বিএমএসএফ প্রতি বছর পহেলা ডিসেম্বর দু'দিন ব্যাপী বিজয় শোভাযাত্রার আয়োজন করে। এবছর ২০২৪ সালের পহেলা ডিসেম্বর নবম বারের মত বিজয় শোভাযাত্রা উদযাপন করা হবে। সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা, নিরাপত্তা, নিরাপদে কাজের জন্য সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি আদায়ের আন্দোলন গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আইনটি প্রণয়নের জন্য মহান জাতীয় সংসদকে অনুরোধ জানিয়ে আহবান করা হয়েছে। আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে মহান জাতীয় সংসদে আইনটি প্রণীত হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তর থেকে ২০২২ সালে সংগঠনটি ট্রাস্টি আইনে নিবন্ধন এবং কপিরাইট অধিদপ্তর থেকে কপিরাইট সনদ লাভ করে। সংগঠনটি সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ২০২০ সালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ নামে একটি সহযোগি সংগঠন গড়ে তোলে। এছাড়া ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা নিরাপদে ঢাকায় এসে আশ্রয়ের জন্য জার্নালিস্ট শেল্টার হোম নামে একটি সেবামূলক কার্যক্রম ২০২২ সাল থেকে চলমান রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে এ যাবত প্রায় দুই শতাধিক নির্যাতিত এবং মামলার শিকার সাংবাদিককে বিনামূল্যে আইনী পরামর্শ এবং সহযোগিতা করা হয়েছে। ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে মুজিব জন্ম শত বর্ষ ও জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ২ হাজার সাংবাদিককে বিনামূল্যে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুলাই বিএমএসএফ'র পক্ষ থেকে অপেক্ষমান প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করা হবে।

সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার সদস্য সাংবাদিক ১৪ দফা দাবি আদায় আন্দোলনের সাথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এ বছর সংগঠনটির যুগপূর্তি উপলক্ষে নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান ১৫- ৩০ জুলাই পর্যন্ত চলবে। সংগঠন যার যার ১৪ দফা সবার। এ শ্লোগানকে ধারণ করে আসুন; সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় বিএমএসএফ'র সাথে আপনিও ঐক্যবদ্ধ হোন। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত আগামীর বাংলাদেশ গড়তে আপনিও সহযোগী হউন।

সুপ্রিয় সাংবাদিক সহযোদ্ধা বন্ধুগণ ; জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের শুভেচ্ছা নিন। আর বাকি মাত্র ৯ দিন। জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২...
21/04/2024

সুপ্রিয় সাংবাদিক সহযোদ্ধা বন্ধুগণ ;

জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের শুভেচ্ছা নিন। আর বাকি মাত্র ৯ দিন। জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৪ উদযাপনের প্রস্তুতি নিন। এ গণমাধ্যম সপ্তাহটি দেশের গোটা সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার সপ্তাহ। সপ্তাহ ব্যাপী নানা আয়োজনে আমরা কথা বলবো সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা এবং দাবি নিয়ে।

এ সপ্তাহটি পালনের জন্য আমরা দেশের সকল সাংবাদিক, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন সমূহ এবং মিডিয়া গুলোর প্রতি সানুনয় আহবান জানাচ্ছি। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও সাংবাদিকদের ন্যায়সঙ্গত দাবি, অধিকার রক্ষায় কেউ ভাবেনি। আমরা ২০১৭ সাল হতে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহটি সাধ্যের জায়গা থেকে উদযাপন করে আসছি।

এ বছর ৮ম বারের মত সপ্তাহটি পালিত হবে♦ সাংবাদিকদের রুটিরুজি, মর্যাদা রক্ষায় আপনিও একজন সহযোগী হিসেবে আপনাদের সংগঠনের ব্যানারে আগামী ১-৭ মে গণমাধ্যম সপ্তাহটি উদযাপন করতে পারেন।

আপনার/আপনাদের ইচ্ছাই একদিন এ সপ্তাহটি গোটা দেশের সাংবাদিকদের চাহিদার দাবিতে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে পারে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

জয়বাংলা

ধন্যবাদান্তে

আপনাদের নিত্যশুভার্থী

আহমেদ আবু জাফর
চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড
ও
সভাপতি, বিএমএসএফ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
01712306501

বি:দ্র: দুই একদিনের মধ্যে এবছরের শ্লোগান সহ কর্মসূচী প্রকাশ করা হবে।

Address

Ibrahim Mansion 4th Floor, 11 Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Mofassal Sangbadik Forum Central-BMSF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Mofassal Sangbadik Forum Central-BMSF:

Shortcuts

Share