পুষ্টি বার্তা

পুষ্টি বার্তা আমাদের পুষ্টি বার্তা পৌঁছে যাক প্রতিটি মানুষের কাছে।

▶️ওজন কমাতে পুষ্টি ওজন কমানোর জন্য আপনাকে এমন খাবার বেছে নিতে হবে, যা হজম হয় ধীরে অর্থাৎ যেসব খাবার খেলে সহজে ক্ষুধা লাগ...
16/09/2024

▶️ওজন কমাতে পুষ্টি
ওজন কমানোর জন্য আপনাকে এমন খাবার বেছে নিতে হবে, যা হজম হয় ধীরে অর্থাৎ যেসব খাবার খেলে সহজে ক্ষুধা লাগে না। খাবারের পুষ্টিমানের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে, যাতে ওজন কমাতে গিয়ে অপুষ্টিতে না ভোগেন। সাধারণভাবে আমরা জানি, ওজন কমাতে শাকসবজি বা ফলমূল খাওয়া ভালো। তবে সব সবজি বা সব ফলের ক্ষেত্রেই বিষয়টি সত্য নয়। তাই জেনেবুঝে ঠিক করতে হবে খাদ্যতালিকা।

# লাল আটা, লাল চাল, মোটা চাল
লাল আটা, লাল চাল এবং মোটা চালের তৈরি খাবার খেতে পারেন। এসব খাবার হজম হতে সময় লাগে বেশি। তাই সহজে ক্ষুধা লাগে না।

# ওটস, যব, ছাতু,
চাল, গম, আলুর মতো খাবার থেকেই আমরা রোজ প্রচুর শর্করা গ্রহণ করে ফেলি। এর ফলে আমাদের ওজন বাড়তে থাকে। অথচ ওটস, যব, ছাতু দিয়ে তৈরি খাবারই হতে পারে শর্করার বিকল্প উৎস; যা খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ওজন।

# শাকপাতা
ওজন কমাতে বেছে নিতে পারেন যেকোনো শাক। প্রতিদিন পর্যাপ্ত শাক খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো।

# ফল
সারা দিনে নানা রকম ফল খেতে পারেন। তবে মিষ্টি ফল এড়িয়ে চলুন। টক এবং পানসে ফল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। নাশপাতি, টক বরই, আমড়া, বাঙ্গি—এমন নানা ফলই তাই খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

# টক দই
ওজন কমাতে টক দইও খেতে পারেন। সালাদ তৈরিতে কাজে লাগাতে পারেন এই উপকরণ।

# চিনাবাদাম
দেশি চিনাবাদাম খেতে পারেন। তবে এক দিনে ৮০-১০০ গ্রামের বেশি নয়। এতেও পাবেন আমিষ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড।

# নানা রকম স্যুপ
সবজি বা মুরগির মাংস দিয়ে স্যুপ বানাতে পারেন নানানভাবেই। খেতে বসে শুরুতেই এক বাটি স্যুপ খেয়ে নিলে অন্যান্য খাবার তুলনামূলক কমই খাওয়া হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, স্যুপে যেন কর্নফ্লাওয়ার দেওয়া না হয়। কারণ, কর্নফ্লাওয়ার হলো শর্করা। তাই ক্লিয়ার স্যুপ খাওয়াই ভালো।

হৃদিতা সাহা
কনটেন্ট রাইটার
পুষ্টি বার্তা

সজনে পাতা🌿⬛পুষ্টি উপাদান (প্রতি ১০০ গ্রামে) :শর্করা ৮.২৮ গ্রাম, ফাইবার ২.০ গ্রাম, স্নেহ ১.৪০ গ্রাম, প্রোটিন ৯.৪০ গ্রাম, ...
14/09/2024

সজনে পাতা🌿

⬛পুষ্টি উপাদান (প্রতি ১০০ গ্রামে) :

শর্করা ৮.২৮ গ্রাম, ফাইবার ২.০ গ্রাম, স্নেহ ১.৪০ গ্রাম, প্রোটিন ৯.৪০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৮৫ মি.গ্রা., লৌহ ৪.০০ মি.গ্রা., ম্যাগনেশিয়াম ১৪৭ মি.গ্রা., সোডিয়াম ১৯ মি.গ্রা., ভিটামিন এ প্রায় ৩৭৮ মাইক্রোগ্রাম এবং ভিটামিন সি ৫১.৭ মি.গ্রা.।

⬛পুষ্টিগুণ সমূহ এবং উপকারীতা:

▪️সজনে পাতা রক্তস্বল্পতা দূর করে।
▪️রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করে।
▪️হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে।
▪️প্রদাহনাশক হিসাবে কাজ করে অর্থাৎ শরীরের ব্যথা দূর করে।
▪️পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা নিরাময়ে সজনে পাতা অতুলনীয়। এটি খাবার সহজে হজম করে, পেটে অতিরিক্ত জমে থাকা গ্যাস দূর করে ও বুকজ্বালা নিরাময় করে।
▪️সজনেপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
▪️সজনে পাতায় থাকা ভিটামিন এ চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে।
▪️সজনেপাতায় প্রচুর পরিমানে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল যৌগ রয়েছে, যা ত্বকের সংক্রমণ, মলনালী সংক্রমণ এবং হজমের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

⬛সতর্কতা:

▪সজনে পাতা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে বমি বমি ভাব, পেটের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।
▪️ব্লাড প্রেসারের ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত সজনে পাতার গুঁড়া বা রস খেতে থাকলে ব্লাড প্রেসার কমে যেতে পারে।
▪️সজনে পাতা সংলগ্ন ডালগুলো আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। এ ডালগুলোতে ক্ষতিকর উপাদান থাকে, যেগুলো আমাদের দেহের ইমিউনিটি সিস্টেমের ক্ষতি করে।

⬛কারা সজনে পাতা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করবেন:

▪️গর্ভাবস্থায় সজনে পাতা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। সজনের পাতা সংলগ্ন ডালে যে বিষাক্ত উপাদান রয়েছে সেটি এ সময় শরীরে প্রবেশ করলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা অনেক।
▪️ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকে মনে করেন, শুধু সজনে পাতা খেলে ডায়াবেটিস অর্থাৎ রক্তের সুগার ঠিক হয়ে যাবে।কিন্তু বিষয়টি আসলে এরকম নয়। ডায়াবেটিস রোগীরা ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি সজনে পাতার জুস বা গুঁড়া খেলে এটি সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখবে। যাদের প্রি-ডায়াবেটিস তারা সজনে পাতা খাওয়ার মাধ্যমে এবং সঙ্গে অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেহে সুগারের মাত্রা ঠিক রাখার চেষ্টা করতে পারেন।
▪️হাইপোথাইরয়েড বা কিডনিজনিত সমস্যা আক্রান্তরা সজনে পাতাকে একমাত্র প্রতিষেধক হিসেবে বিবেচনা করবেন না।
এছাড়াও
▪️থাইরয়েড হরমোনের অভাব, ▪️লিভারের সমস্যা,
▪️রক্তে শর্করার পরিমাণ খুব কম থাকলে সজনে পাতা খাবেন না।

মোসাঃ সাবিকুন্নাহার
কন্টেন্ট রাইটার
পুষ্টি বার্তা

শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কম থাকাকেই কি শুধু অপুষ্টি বলে?শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কম থাকলে যেমন অপু...
01/09/2024

শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কম থাকাকেই কি শুধু অপুষ্টি বলে?
শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কম থাকলে যেমন অপুষ্টিতে ভুগে, ঠিক তেমনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাদ্য গ্রহণ করার ফলে শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার থেকে বৃদ্ধি পায়, এর ফলে মানুষের মধ্যে অসংক্রামক রোগে (ডায়াবেটিস, হ্দরোগ, ডিসলিপিডেমিয়া, ঊচ্চরক্ত চাপ প্রভৃতি) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। এটিও একধরনের অপুষ্টিজনিত অবস্থা।

একজন ব্যক্তির প্রতিদিন কতটুকু পরিমান তেল খাওয়া উচিত? ৩০-৪৫মিলি বা ২-৩ টেবিল চামচ।
01/09/2024

একজন ব্যক্তির প্রতিদিন কতটুকু পরিমান তেল খাওয়া উচিত?

৩০-৪৫মিলি বা ২-৩ টেবিল চামচ।

"পুষ্টি বার্তা" একটি পুষ্টি ও খাদ্য সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান। যেখানে এক দল দক্ষ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদে...
09/07/2024

"পুষ্টি বার্তা" একটি পুষ্টি ও খাদ্য সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান। যেখানে এক দল দক্ষ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সকল মানুষের মাঝে খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পৌঁছানোর জন্য কাজ করে চলেছে।পুষ্টি বার্তা বিভিন্ন হেলথ ক্যাম্প, খাদ্য ও পুষ্টি ক্যাম্প, সেমিনার, ওয়েবেরিয়ান মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কিত সঠিক বার্তা প্রচার করে থাকে। আপনি যদি খাদ্য পুষ্টি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে থাকেন তাহলে আপনিও আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভলেন্টিয়ার হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।

পুষ্টি বার্তা ভলেন্টিয়ারদের সুযোগ সুবিধাঃ
১. খাদ্য পুষ্টি ও রোগ সম্পর্কিত বিভিন্ন ফ্রী ক্লাসের ব্যবস্থা
২.. খাদ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পে ফিল্ড ওয়ার্কের সুবিধা
৩. সেমিনার বা ওয়েবেরিয়ানে ফ্রি অংশগ্রহণের সুযোগ
৪. শিশু-পুষ্টি নিয়ে কাজ করার সুবিধা
৫. ফার্স্ট এইড ট্রেনিং
৬. এক বছর কাজ শেষে থাকবে সার্টিফিকেট ইত্যাদি।

ভলেন্টিয়ার হিসেবে যোগ দিতে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন।

রেজিষ্ট্রেশন লিংক: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSc6aYNf_K3gP1_c6JVILF793mCOBWzvJdvYWBlECoMUXzsE_w/viewform?usp=sf_link

প্রতিদিন কত লিটার পানি পান করা দরকার?প্রতিদিন ১.৫ থেকে ৩.৫ লিটার অর্থাৎ ৬ থেকে ১৪ গ্লাস পানি পান করা দরকার।
08/07/2024

প্রতিদিন কত লিটার পানি পান করা দরকার?
প্রতিদিন ১.৫ থেকে ৩.৫ লিটার অর্থাৎ ৬ থেকে ১৪ গ্লাস পানি পান করা দরকার।

শিশুকে কতদিন পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খেতে পারে?শিশুকে ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খেতে দিন এবং ৬ মাস পরে বুকের দুধ এর ...
08/07/2024

শিশুকে কতদিন পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খেতে পারে?

শিশুকে ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খেতে দিন এবং ৬ মাস পরে বুকের দুধ এর পাশাপাশি বাড়তি খাবার যোগ করুন।

30/06/2024

জাম
জাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। জাম বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যের জন‍্য অনেক উপকারী। জাম খাওয়া খুবই সহজ কারণ এর খোসা ছাড়াতে হয় না।
পুষ্টিগুণ-
এন্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গ্রীষ্মের ফল জামে। মৌসুমী ফলটি খেলে পাওয়া যায় অনেক পুষ্টিগুণ।১০০ গ্রাম জামের পুষ্টিমূল‍্য-
◆ শক্তি
◆কার্বোহাইড্রেট
◆ ফাইবার
◆ ভিটামিন-সি
◆ আয়রণ
◆ পটাশিয়াম

জাম খাওয়ার উপকারিতা :

১.উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে জামে।পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি পটাশিয়াম স্ট্রোক এবং উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও সহায়ক।

২। ফলটি এন্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কোষগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে। এতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। এছাড়া জাম থেকে সায়ানিডিন নামক এক ধরনের নির্যাস পাওয়া যায় যা কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩। জামে থাকা বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান এবং ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৪। প্রাকৃতিকভাবে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হবে নিয়মিত জাম খেলে। ফলটিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি ত্বকের কোলাজেন গঠনে সহায়তা করে।
জামে থাকা।

৫। জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি কাশিসহ অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি হাঁপানির উপসর্গের প্রতিকারেও উপকারী।

৬। ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত জাম খেলে।

৭। দাঁত ও মাড়ির জন্য উপকারী এই ফল। এতে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো খনিজ উপাদান রয়েছে যা সুস্থ দাঁতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৮। পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ জাম প্রদাহ কমাতে এবং কোষকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৯। জামে রয়েছে আয়রন। ফলে নিয়মিত জাম খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ে এবং রক্তশূন্যতার সমস্যা দূর হয়।

১০. টাইপ ২ ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা যেমন বারবার প্রস্রাব এবং গলা শুকিয়ে আসার মতো ডায়াবেটিস মোকাবিলা করতে সাহায্য করে জাম। এই ফলে কম গ্লাইসেমিক সূচক ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।

টিপস:

▪খালিপেটে জাম খাওয়া একদমই উচিত নয়। আধাপাকা জাম না খেয়ে পাকা জাম খেতে হবে। খাবার পরপরই ভরাপেটে জাম খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

▪কিডনি রোগীদের জাম খেতে নিষেধ করা হয়। কিডনি রোগীরা এ ফলটি খেতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

নিশিতা দাস
কন্টেন্ট রাইটার
পুষ্টি বার্তা

গম পরিশোধন না করে খোসাসমেত গম ভাঙলে পাওয়া যায় লাল আটা।গমের লাল আবরণে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম থাকে। লাল আটায় প্রোটিন, ...
30/06/2024

গম পরিশোধন না করে খোসাসমেত গম ভাঙলে পাওয়া যায় লাল আটা।

গমের লাল আবরণে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম থাকে। লাল আটায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড ও আঁশ বেশি থাকে।

এতে ক্ষতিকর ফ্যাট ও ক্যালরি কম। লাল আটায় থাকা উল্লেখযোগ্য উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ফসফরাস, ফলিক এসিড, জিংক, কপার, ভিটামিন বি১, বি২ ও বি৩।

লাল আটার উপকারিতাঃ

♦️শরীরে এনজাইমের চাহিদা পূরণ করে
♦️কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
♦️শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সাহায্য করে।
♦️ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
♦️রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে
♦️শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।

টিপস:

🟡লাল আটা ডায়াবেটিকস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য উপকারী।যারা সকালে ও রাতে রুটি খায় তারা লাল আটার রুটি খেতে পারে।

রুফাইদা জেবিন
কন্টেন্ট রাইটার
পুষ্টিবার্তা

গর্ভাবস্থায় নাকি স্তন্যদানকালীন কোন সময়ে বেশি পুষ্টিকর খাদ্য খেতে দুগ্ধদানকারী মাকে গর্ভবতী মায়ের তুলনায় বেশি পরিমাণে পু...
29/06/2024

গর্ভাবস্থায় নাকি স্তন্যদানকালীন কোন সময়ে বেশি পুষ্টিকর খাদ্য খেতে

দুগ্ধদানকারী মাকে গর্ভবতী মায়ের তুলনায় বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধ তৈরি করতে এবং মায়ের নিজের শরীরের ঘাটতি পূরণ করতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন।

রান্না শুধু খাওয়ার জন্য নয়, এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে রান্নার মাধ্যমে প্রাপ্ত খাবার থেকে আমরা যথেষ্ট পরিমানে পুষ্টি গ্রহন...
29/06/2024

রান্না শুধু খাওয়ার জন্য নয়, এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে রান্নার মাধ্যমে প্রাপ্ত খাবার থেকে আমরা যথেষ্ট পরিমানে পুষ্টি গ্রহন করছি। খাবার সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর রাখতে রান্নার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।নিচে কিছু প্রধান বিষয় তুলে ধরা হলো:

১.উপকরণের গুণগত মান:
তাজা এবং ভাল মানের উপকরণ(শাক,সব্জি, মাছ,মাংস ইত্যাদি) ব্যবহার করুন।পচা বা বাসি উপকরণ এড়িয়ে চলুন।

২.ধৌতকরণ:
শাক-সবজি, ফল কাটার আগে তা ধুয়ে নিতে হবে।

৩.স্বাস্থ্যবিধি:
রান্নার আগে এবং রান্নার সময় হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।রান্নার স্থান এবং সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখুন।

৪.উপযুক্ত পরিমাণে মশলা এবং লবণ ব্যবহার:
মশলা এবং লবণ সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করুন।অতিরিক্ত মশলা বা লবণ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।কারন তা বিভিন্ন রোগ যেমন: হাইপারটেনশন,কিডনি সমস্যা ইত্যাদি রোগ এর জন্য ক্ষতিকর।

৫.সঠিক তাপমাত্রা:

প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা ঠিক রাখুন।বেশি তাপে রান্না করলে খাবার পুড়ে যেতে পারে এবং কম তাপে ভালো করে সেদ্ধ হবে না।আবার সব খাবার একই ধরনের তাপমাত্রায় রান্না করা যায় না।যেমন: বিভিন্ন শাক(পালং),ব্রকলি ইত্যাদি উচ্চ তাপমাত্রায় পুষ্টিগুন হারায়

৬.সময়:
কিছু খাবার রান্না করতে কম সময়(যেমন: শাক-সব্জি) লাগে আবার কিছু খাবার তৈরিতে বেশি সময়(যেমন:মাংস) প্রয়োজন হয়।তাই প্রতিটি খাবার সঠিক সময়ে রান্না করতে হবে।কারন, বেশি বা কম সময় রান্না হলে খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৭.উপকরণের সঠিক মিশ্রণ:
একসাথে সব উপকরণ মিশ্রণ না করে সময় অনুযায়ী ধাপে ধাপে রান্নার উপকরণগুলো
মিশ্রণ করা।

৮.স্বাদ চেক করা:
রান্নার মধ্যে মাঝে মাঝে স্বাদ চেক করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশলা বা লবণ যোগ করা।

৯.নিরাপত্তা:
রান্না করার সময় অবশ্যই পরিস্কার বাসন ও নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে।

১০.সঠিক সংরক্ষণ:
রান্নার করার পর খাবারটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।রান্নার সময় ও পরে অবশ্যই ঢাকনা দিয়ে তা ঢেকে রাখতে হবে।

এই সকল বিষয়গুলো খেয়াল রেখে রান্না করলে খাবার সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হবে এবং রান্নার অভিজ্ঞতা হবে নিরাপদ ও আনন্দময়।

আফরিন জাহান
কন্টেন্ট রাইটার
পুষ্টিবার্তা

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুষ্টি বার্তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share