Ethical Bangla

Ethical Bangla বাংলার ইতিহাস, ঐতিয্য ও সংস্কৃতি।

17/02/2026

আমার চেতনা, আমার প্রেরণা,
আমার উদ্দীপনা, আমার অনুপ্রেরণা,
আমার জাতীয় সংগীত,
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত....
゚viralvideo ゚viralシ

গাইবান্ধায় ভিন্ন জাতে বিয়েনির্যাতনের শিকার হয়ে চিরকুট লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা।➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ভিন্ন জ...
17/02/2026

গাইবান্ধায় ভিন্ন জাতে বিয়ে
নির্যাতনের শিকার হয়ে চিরকুট লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ভিন্ন জাতে বিয়ে করায় শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে মিতু রানী সরকার (২২) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর এলাকা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মিতু রানী ওই এলাকার রিপন সরকারের স্ত্রী এবং দুলাল মহন্তের মেয়ে। তাদের সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে মিতুর সঙ্গে রিপন সরকারের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তাদের ঘরে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। তবে তারা দুজন ভিন্ন জাতের হওয়ায় বিয়ের পর থেকেই সংসারে অশান্তি চলছিল। মিতু বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের হওয়ায় তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। এমনকি মারধর করে তাকে বেশ কয়েকবার বাবার বাড়িতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বাবার বাড়িতেই অভিমানে আত্মহত্যা করেন মিতু। মৃত্যুর আগে মিতু তার স্বামীর উদ্দেশে একটি হৃদয়বিদারক চিরকুট লিখে গেছেন। চিরকুটে তিনি লিখেছেন-

‘রিপন সরকার, আমার কী এমন ভুল ছিল? জীবনে তোমার কাছ থেকে আঘাত ছাড়া কিছু পেলাম না। আজ তুমি আমাকে সম্মান না দেওয়ায় তোমার বাবা-মা আমাকে ধরে মারে। সংসার করার জন্য তোমার কাছে গিয়েছিলাম, কিন্তু তুমি সেটা করতে দিলে না। জীবনে অনেক যন্ত্রণা সহ্য করেছি, আর নয়। কারণে-অকারণে তুমি আমাকে অনেক মারধর করেছ! পৃথিবীর সব সুখ আমি তোমায় দিয়ে গেলাম। রেখে গেলাম শুধু আমার শেষ উপহার। আমার ‘সোনার তরী’-যাকে আমি মানুষ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তোমার জন্য সেটা আর হলো না। মুক্তি দিলাম তোমাকে, আর আসব না তোমার কাছে।’

এ ঘটনায় মিতুর বাবা দুলাল মহন্ত বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় রিপনসহ তার বাবা-মাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় মিতু রানীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
সূত্রঃ দৈনিক আজকের জনগন

গাইবান্ধা-২ (৩০) নির্বাচনী এলাকার ভোটকেন্দ্রের নাম,অবস্থান এবং যে এলাকার ভোটারগণ যে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে পারবেন তার তালি...
04/02/2026

গাইবান্ধা-২ (৩০) নির্বাচনী এলাকার ভোটকেন্দ্রের নাম,অবস্থান এবং যে এলাকার ভোটারগণ যে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে পারবেন তার তালিকা।

14/05/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

শ্যামা সঙ্গীতের রেকর্ডিং শেষে কাজী নজরুল ইসলাম বাড়ি ফিরছেন। যাত্রাপথে তাঁর পথ আগলে ধরেন সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দীন। একটা আ...
26/04/2024

শ্যামা সঙ্গীতের রেকর্ডিং শেষে কাজী নজরুল ইসলাম বাড়ি ফিরছেন। যাত্রাপথে তাঁর পথ আগলে ধরেন সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দীন। একটা আবদার নিয়ে এসেছেন তিনি। আবদারটি না শোনা পর্যন্ত নজরুলকে তিনি এগুতে দিবেন না।

আব্বাস উদ্দীন নজরুলকে সম্মান করেন, সমীহ করে চলেন। নজরুলকে তিনি ‘কাজীদা’ বলে ডাকেন। নজরুল বললেন, “বলে ফেলো তোমার আবদার।”

আব্বাস উদ্দীন সুযোগটা পেয়ে গেলেন। বললেন, “কাজীদা, একটা কথা আপনাকে বলবো বলবো ভাবছি। দেখুন না, পিয়ারু কাওয়াল, কাল্লু কাওয়াল এরা কী সুন্দর উর্দু কাওয়ালী গায়। শুনেছি এদের গান অসম্ভব রকমের বিক্রি হয়। বাংলায় ইসলামি গান তো তেমন নেই। বাংলায় ইসলামি গান গেলে হয় না? আপনি যদি ইসলামি গান লেখেন, তাহলে মুসলমানদের ঘরে ঘরে আপনার জয়গান হবে।”

বাজারে তখন ট্রেন্ড চলছিলো শ্যামা সঙ্গীতের। শ্যামা সঙ্গীত গেয়ে সবাই রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে যাচ্ছে। এই স্রোতে গা ভাসাতে গিয়ে অনেক মুসলিম শিল্পী হিন্দু নাম ধারণ করেন। মুনশী মোহাম্মদ কাসেম হয়ে যান ‘কে. মল্লিক’, তালাত মাহমুদ হয়ে যান ‘তপন কুমার’। মুসলিম নামে হিন্দু সঙ্গীত গাইলে গান চলবে না। নজরুল নিজেও শ্যামা সঙ্গীত লেখেন, সুর দেন।

গানের বাজারের যখন এই অবস্থা তখন আব্বাস উদ্দীনের এমন আবদারের জবাবে নজরুল কী উত্তর দেবেন? ‘ইসলাম’ শব্দটার সাথে তো তাঁর কতো আবেগ মিশে আছে। ছোটবেলায় মক্তবে পড়েছেন, কুর’আন শিখেছেন এমনকি তাঁর নিজের নামের সাথেও তো ‘ইসলাম’ আছে।

আব্বাস উদ্দীনকে তো এই মুহূর্তে সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বলা যাচ্ছে না। স্রোতের বিপরীতে সুর মেলানো চট্টিখানি কথা না। আবেগে গা ভাসালে চলবে না। গান রেকর্ড করতে হলে তো বিনিয়োগ করতে হবে, সরঞ্জাম লাগবে। এগুলোর জন্য আবার ভগবতী বাবুর কাছে যেতে হবে। ভগবতী বাবু হলেন গ্রামোফোন কোম্পানির রিহার্সেল-ইন-চার্জ।

নজরুল বললেন, “আগে দেখো ভগবতী বাবুকে রাজী করাতে পারো কিনা।” আব্বাস উদ্দীন ভাবলেন, এইতো, কাজীদার কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেলাম, ভগবতী বাবুকে কিভাবে রাজী করাতে হয় সেটা এখন দেখবেন।

গ্রামোফোনের রিহার্সেল-ইন-চার্জ ভগবতী বাবুর কাছে গিয়ে আব্বাস উদ্দীন অনুরোধ করলেন। কিন্তু, ভগবতী বাবু ঝুঁকি নিতে রাজী না। মার্কেট ট্রেন্ডের বাইরে গিয়ে বিনিয়োগ করলে ব্যবসায় লালবাতি জ্বলতে পারে। আব্বাস উদ্দীন খান যতোই তাঁকে অনুরোধ করছেন, ততোই তিনি বেঁকে বসছেন। ঐদিকে আব্বাস উদ্দীনও নাছোড়বান্দা। এতো বড় সুরকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ভগবতী বাবুর পিছু ছাড়ছেন না। অনুরোধ করেই যাচ্ছেন। দীর্ঘ ছয়মাস চললো অনুরোধ প্রয়াস। এ যেন পাথরে ফুল ফুটানোর আপ্রাণ চেষ্টা!

একদিন ভগবতী বাবুকে ফুরফুরে মেজাজে দেখে আব্বাস উদ্দীন বললেন, “একবার এক্সপেরিমেন্ট করে দেখুন না, যদি বিক্রি না হয় তাহলে আর নেবেন না। ক্ষতি কী?” ভগবতী বাবু আর কতো ‘না’ বলবেন। এবার হেসে বললেন, “নেহাতই নাছোড়বান্দা আপনি। আচ্ছা যান, করা যাবে। গান নিয়ে আসুন।” আব্বাস উদ্দীনের খুশিতে চোখে পানি আসার উপক্রম! যাক, সবাই রাজী। এবার একটা গান নিয়ে আসতে হবে।

নজরুল চা আর পান পছন্দ করেন। এক ঠোঙা পান আর চা নিয়ে আব্বাস উদ্দীন নজরুলের রুমে গেলেন। পান মুখে নজরুল খাতা কলম হাতে নিয়ে একটা রুমে ঢুকে পড়লেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে আব্বাস উদ্দীন খান অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বের মতো সময় যেন থমকে আছে। সময় কাটানোর জন্য আব্বাস উদ্দীন পায়চারী করতে লাগলেন।

প্রায় আধ ঘন্টা কেটে গেলো। বন্ধ দরজা খুলে নজরুল বের হলেন। পানের পিক ফেলে আব্বাস উদ্দীনের হাতে একটা কাগজ দিলেন। এই কাগজ তাঁর আধ ঘন্টার সাধনা। আব্বাস উদ্দীন খানের ছয় মাসের পরিশ্রমের ফল।

আব্বাস উদ্দীন খান কাগজটি হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করলেনঃ-

“ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ।”

আব্বাস উদ্দীনের চোখ পানিতে ছলছল করছে। একটা গানের জন্য কতো কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। সেই গানটি এখন তাঁর হাতের মুঠোয়। তিনি কি জানতেন, তাঁর হাতে বন্দী গানটি একদিন বাংলার ইথারে ইথারে পৌঁছে যাবে? ঈদের চাঁদ দেখার সাথে সাথে টিভিতে ভেজে উঠবে- ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে...?

দুই মাস পর রোজার ঈদ। গান লেখার চারদিনের মধ্যে গানের রেকর্ডিং শুরু হয়ে গেলো। আব্বাস উদ্দীন খান জীবনে এর আগে কখনো ইসলামি গান রেকর্ড করেননি। গানটি তাঁর মুখস্তও হয়নি এখনো। গানটা চলবে কিনা এই নিয়ে গ্রামোফোন কোম্পানি শঙ্কায় আছে। তবে কাজী নজরুল ইসলাম বেশ এক্সাইটেড। কিভাবে সুর দিতে হবে দেখিয়ে দিলেন।

হারমোনিয়ামের উপর আব্বাস উদ্দীনের চোখ বরাবর কাগজটি ধরে রাখলেন কাজী নজরুল ইসলাম নিজেই। সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দীনের বিখ্যাত কণ্ঠ থেকে বের হলো- “ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ...”। ঈদের সময় গানের এ্যালবাম বাজারে আসবে। আপাতত সবাই ঈদের ছুটিতে।

রমজানের রোজার পর ঈদ এলো। আব্বাস উদ্দীন বাড়িতে ঈদ কাটালেন। কখন কলকাতায় যাবেন এই চিন্তায় তাঁর তর সইছে না। গানের কী অবস্থা তিনি জানেন না। তাড়াতাড়ি ছুটি কাটিয়ে কলকাতায় ফিরলেন।

ঈদের ছুটির পর প্রথমবারের মতো অফিসে যাচ্ছেন। ট্রামে চড়ে অফিসের পথে যতো এগুচ্ছেন, বুকটা ততো ধ্বকধ্বক ধ্বকধ্বক করছে। অফিসে গিয়ে কী দেখবেন? গানটা ফ্লপ হয়েছে? গানটা যদি ফ্লপ হয় তাহলে তো আর জীবনেও ইসলামি গানের কথা ভগবতী বাবুকে বলতে পারবেন না। ভগবতী বাবু কেন, কোনো গ্রামোফোন কোম্পানি আর রিস্ক নিতে রাজী হবে না। সুযোগ একবারই আসে।

আব্বাস উদ্দীন যখন এই চিন্তায় মগ্ন, তখন পাশে বসা এক যুবক গুনগুনিয়ে গাওয়া শুরু করলো- ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। এই যুবক গানটি কোথায় শুনলো? নাকি আব্বাস উদ্দীন খান ভুল শুনছেন?

না তো। তিনি আবারো শুনলেন যুবকটি ঐ গানই গাচ্ছে। এবার তাঁর মনের মধ্যে এক শীতল বাতাস বয়ে গেলো। অফিস ফিরে বিকেলে যখন গড়ের মাঠে গেলেন তখন আরেকটা দৃশ্য দেখে এবার দ্বিগুণ অবাক হলেন। কয়েকটা ছেলে দলবেঁধে মাঠে বসে আছে। তারমধ্য থেকে একটা ছেলে গেয়ে উঠলো- ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। আব্বাস উদ্দীন এতো আনন্দ একা সইতে পারলেন না। তাঁর সুখব্যথা হচ্ছে।

ছুটে চললেন নজরুলের কাছে। গিয়ে দেখলেন নজরুল দাবা খেলছেন। তিনি দাবা খেলা শুরু করলে দুনিয়া ভুলে যান। আশেপাশে কী হচ্ছে তার কোনো খেয়াল থাকে না। অথচ আজ আব্বাস উদ্দীনের গলার স্বর শুনার সাথে সাথে নজরুল দাবা খেলা ছেড়ে লাফিয়ে উঠে তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন। নজরুল বললেন, “আব্বাস, তোমার গান কী যে হিট হয়েছে!”

অল্প কয়দিনের মধ্যেই গানটির হাজার হাজার রেকর্ড বিক্রি হয়। ভগবতী বাবুও দারুণ খুশি। একসময় তিনি ইসলামি সঙ্গীতের প্রস্তাবে একবাক্যে ‘না’ বলে দিয়েছিলেন, আজ তিনিই নজরুল-আব্বাসকে বলছেন, “এবার আরো কয়েকটি ইসলামি গান গাও না!” শুরু হলো নজরুলের রচনায় আর আব্বাস উদ্দীনের কণ্ঠে ইসলামি গানের জাগরণ।

বাজারে এবার নতুন ট্রেন্ড শুরু হলো ইসলামি সঙ্গীতের। এই ট্রেন্ড শুধু মুসলমানকেই স্পর্শ করেনি, স্পর্শ করেছে হিন্দু শিল্পীদেরও।

একসময় মুসলিম শিল্পীরা শ্যামা সঙ্গীত গাইবার জন্য নাম পরিবর্তন করে হিন্দু নাম রাখতেন। এবার হিন্দু শিল্পীরা ইসলামি সঙ্গীত গাবার জন্য মুসলিম নাম রাখা শুরু করলেন। ধীরেন দাস হয়ে যান গণি মিয়া, চিত্ত রায় হয়ে যান দেলোয়ার হোসেন, গিরিন চক্রবর্তী হয়ে যান সোনা মিয়া, হরিমতি হয়ে যান সাকিনা বেগম, সীতা দেবী হয়ে যান দুলি বিবি, ঊষারাণী হয়ে যান রওশন আরা বেগম।

তবে বিখ্যাত অনেক হিন্দু শিল্পী স্ব-নামেও নজরুলের ইসলামি সঙ্গীত গেয়েছেন। যেমনঃ অজয় রায়, ড. অনুপ ঘোষল, আশা ভোঁসলে, মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায়।

দুই.

কাজী নজরুল ইসলামের ইসলামি গান লেখার সহজাত প্রতিভা ছিলো। খাতা কলম দিয়ে যদি কেউ বলতো, একটা গান লিখুন, তিনি লিখে ফেলতেন।

একদিন আব্বাস উদ্দীন নজরুলের বাড়িতে গেলেন। নজরুল তখন কী একটা কাজে ব্যস্ত ছিলেন। আব্বাস উদ্দীনকে হাতের ইশারায় বসতে বলে আবার লেখা শুরু করলেন। ইতোমধ্যে যুহরের আযান মসজিদ থেকে ভেসে আসলো। আব্বাস উদ্দীন বললেন, “আমি নামাজ পড়বো। আর শুনুন কাজীদা, আপনার কাছে একটা গজলের জন্য আসছি।”

কবি শিল্পীকে একটা পরিস্কার জায়নামাজ দিয়ে বললেন, “আগে নামাজটা পড়ে নিন।” আব্বাস উদ্দীন নামাজ পড়তে লাগলেন আর নজরুল খাতার মধ্যে কলম চালাতে শুরু করলেন।

আব্বাস উদ্দীনের নামাজ শেষ হলে নজরুল তাঁর হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এই নিন আপনার গজল!” হাতে কাগজটি নিয়ে তো আব্বাস উদ্দীনের চক্ষু চড়কগাছ। এই অল্প সময়ের মধ্যে নজরুল গজল লিখে ফেলছেন? তা-ও আবার তাঁর নামাজ পড়ার দৃশ্যপট নিয়ে?

“হে নামাজী! আমার ঘরে নামাজ পড়ো আজ,
দিলাম তোমার চরণতলে হৃদয় জায়নামাজ।”

তিন.

কাজী নজরুল ইসলাম বিখ্যাত হয়ে আছেন তাঁর রচিত নাতে রাসূলের জন্য।

১। ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
আয় রে সাগর আকাশ-বাতাস দেখবি যদি আয়’

২। ‘মুহাম্মদ নাম জপেছিলি, বুলবুলি তুই আগে,
তাই কি রে তোর কন্ঠের গান, এমন মধুর লাগে।'

৩। ‘আমি যদি আরব হতাম মদীনারই পথ
আমার বুকে হেঁটে যেতেন, নূরনবী হজরত’

৪। ‘হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু ও কে আসে হায়
সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা খুলে যায়।
সে যে আমার কামলিওয়ালা, কামলিওয়ালা।’

গানগুলো ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে। গানগুলো রচনার প্রায় নব্বই বছর হয়ে গেছে। আজও মানুষ গুনগুনিয়ে গানগুলো গায়।

বাংলায় ইসলামি গানের যে নবজাগরণ নজরুল সূচনা করেছিলেন, যে পথ দেখিয়েছেন, পরবর্তীতে সেই পথের পথিক হয়েছেন জসীম উদ্দীন, ফররুখ আহমদ, গোলাম মোস্তফা, গোলাম মুহাম্মদ, মতিউর রহমান মল্লিক এবং হাল আমলের কবি মুহিব খান।

তথ্য উৎসঃ

১। আব্বাসউদ্দীনের আত্মজীবনী - ‘দিনলিপি ও আমার শিল্পী জীবনের কথা'।

২। Roar Media, বাংলা ইসলামি গান ও কাজী নজরুল ইসলাম।

৩। যুগান্তর, 'নজরুল এবং ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে', শামস আরেফিন।

৪। যুগান্তর, 'হামদ-নাতে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন নজরুল', আদিল মাহমুদ।

৫। Risingbd, সুরের আকাশে উজ্জল নক্ষত্র আব্বাসউদ্দীন।

৬। সিলেট টুডে টুয়েন্টি-ফোর, মানবতাবাদী নজরুল থেকে ইসলামি কবি বিলকুল।
সংগৃহীত -
লিখেছেনঃ আরিফুল ইসলাম।

প্রিয় সহকর্মী, চলমান তাপদাহের কারনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য ঝুকি বিবেচনা করে আগামী ২১ এপ্র...
20/04/2024

প্রিয় সহকর্মী,
চলমান তাপদাহের কারনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য ঝুকি বিবেচনা করে আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৪(রবিবার) হতে ২৭ এপ্রিল ২০২৪ তারিখ ( শনিবার) পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি থাকবে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো।

ধন্যবাদান্তে
শাহ রেজওয়ান হায়াত
মহাপরিচালক (গ্রেড ১)
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

 ্রিল_ঐতিহাসিক_মুজিবনগর_দিবসবাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। 🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧...
17/04/2024

্রিল_ঐতিহাসিক_মুজিবনগর_দিবস
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন।
🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩

মুক্তিযুদ্ধের কিছুদিনের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম প্রবাসী সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান উপজেলা মুজিবনগর) গ্রামের আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেছিলো। শেখ মুজিবুর রহমান এই সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন। কিন্তু তিনি তখন পাকিস্তানে কারাগারে বন্দী। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশে ও বিদেশে এই যুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকার গঠনের পর থেকে অগণিত মানুষ দেশকে মুক্ত করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

প্রতিবছর ১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশে মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ দিবসটি একটি স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে বাংলাদেশ-এর অভ্যূদয়ের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। পরে ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। একই সাথে প্রবাসী সরকারের এক অধ্যাদেশে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর জন প্রশাসন বিষযক সাবেক উপদেষ্টা প্রয়াত এইচটি ইমাম মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন।

মন্ত্রী সভার অন্য সদস্যরা হলেন, এম মনসুর আলী (অর্থ বাণিজ্য ও শিল্প) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)। পরবর্তি সময়ে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যক্তি খন্দকার মোশতাক আহমদও (পররাষ্ট্র , আইন ও সংসদ) মন্ত্রী সভার সদস্য ছিলেন। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চীফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধরত অঞ্চলকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে প্রতিটিতে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগা করা হয়। তবে ১০নং বা নৌ সেক্টরে কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না, কমান্ডোরা যখন যে এলাকায় অভিযান করতেন সে সেক্টরের কমান্ডারের অধীনে থাকত। এ ছাড়াও জেড ফোর্স, কে ফোর্স ও এস ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড গঠন করা হয়। মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী গ্রাম বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। ১২ জন আনসার সদস্য নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছিল মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। আর সেই অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেছিলেন ১৭ বছরের এক কিশোর মো. বাকের আলী। যিনি কয়েক বছর আগে কলেজ শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়েছেন। সেদিন কোন পরিস্থিতিতে কিভাবে তিনি এই দায়িত্বটি পালন করেছিলেন তার বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে।

বাকের আলী তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহূর্তটির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বেশ আবেগাল্পুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তিনি দর্শনা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলে বিহারী অধ্যুষিত দর্শনায় থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সুযোগ বুঝে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে ১৬ এপ্রিল বিকেলে বর্তমান মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের নিজ বাড়িতে চলে আসেন।

তিনি বলেন, ‘ওই দিন রাতে শুনলাম ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। কিসের সভা, কি উদ্দেশে হবে সবকিছুই রয়ে গেল অজানা। সকালে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে পায়ে হেঁটে সভাস্থলে পৌঁছে গেলাম। আমার স্কুল শিক্ষক দোয়াজউদ্দিন স্যার সেখানে ছিলেন। তিনি আমার হাত ধরে বলেন, আমাকে এ অনুষ্ঠানে কুরআন পাঠ করতে হবে।’ এ প্রসঙ্গে বাকের আলীর শিক্ষক দোয়াজউদ্দিন বলেন, ‘বাকের স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সুললিত কন্ঠে কুরআন তেলোয়াত করতো। এ ছাড়াও সে ছিল ধর্মভীরু। তাই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাকেই টেনে নিয়েছিলাম।’

এদিকে ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রীরা শপথ নিলেও ১৮ এপ্রিল মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সভায় মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন করা হয়। মুজিব নগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। শুধু ত্ইা নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এই প্রথম সরকারের কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এর আগে ভারত এবং ভুটান এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।
সংকলিত

05/02/2024

এবারের অমর একুশে বইমেলায় এসেছে কবি ও গল্পকার শাহাদত হোসেন সুজনের লেখা উপন্যাস আঁধার রাতের গল্প। বইটি মেলার সোহরা...

বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের অনুমতি/নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রেরণ প্রসঙ্গে। ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
01/02/2024

বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের অনুমতি/নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রেরণ প্রসঙ্গে।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

 #শিক্ষকদের_মর্যাদা_হোক_প্রথম_শ্রেণিরসম্পাদকীয়, শিক্ষা বার্তা =====================================প্রাথমিক শিক্ষাই মূল ...
31/01/2024

#শিক্ষকদের_মর্যাদা_হোক_প্রথম_শ্রেণির
সম্পাদকীয়, শিক্ষা বার্তা
=====================================

প্রাথমিক শিক্ষাই মূল শিক্ষা। গাছের প্রাণ যেমন শেকড় বা মূলে থাকে তেমনি গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাণ শক্তি প্রাথমিক শিক্ষার মধ্যেই নিহিত। প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে দেশের আনাচে কানাচে, শহর থেকে গ্রামে। প্রাথমিক শিক্ষার ভিত মজবুত হলে তবেই কেবল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত ও টেকসই বলে বিবেচিত হবে। উন্নত দেশ মানেই উন্নত প্রাথমিক শিক্ষা। বিশ্বের অন্যন্য উন্নত রাষ্ট্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চ ডিগ্রিধারী শিক্ষক নিয়োজিত এবং তাদের পদমর্যাদাও প্রথম শ্রেণির। সেক্ষেত্রে এদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রাথমিক শিক্ষকদের পদমর্যাদার চিত্র দেখে মনে কষ্ট লাগে। প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম নিতান্ত সহজ ও ক্ষুদ্র ভাবলে ভুল হবে। পারিপার্শ্বিক বৈচিত্র্যময় অবস্থা ও শিশুর মানসিক অবস্থা বিচার বিশ্লেষণ করে অতি সুক্ষ্মভাবে বারবার অনুশীলন ও ধৈর্যের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার পাঠদান পরিচালিত হয়। এজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হতে হবে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একজন বহুমুখী প্রতিভাবান শিক্ষক শিশুমন বিশ্লেষণ করে শিশুর মাঝে বিদ্যমান সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তোলে। প্রাথমিক শিক্ষার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। শিশুর শারীরিক, মানসিক, আবেগিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক,মানবিক, সামাজিক ও নৈতিক গুণাবলীর বিকাশ সাধন এবং দেশাত্মবোধে,বিজ্ঞানমনস্কতায়,সৃজনশীলতায় ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা। লক্ষ্যটি সঠিক ও যুগোপযোগী। শিক্ষিকা হোসনে আরা পারভীনের প্রশ্ন এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা কতটুকু সফল? শিশুর মাঝে বিভিন্ন গুণাবলীর বিকাশ ঘটিয়ে তাকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা নিম্ন মানের শিক্ষক দ্বারা সম্ভব নয়। আর নিম্ন মানের বেতন ও নিম্ন মর্যাদা দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চ মানের শিক্ষক প্রতিপালন করা যায় না। প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক। এজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেওয়া উচিৎ প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদা। অল্প শিক্ষিত নিম্ন মানের শিক্ষক প্রাথমিক শিক্ষার অ আ ক খ পড়াতে পারে বটে, শিশুকে উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে না। আর শিশুর মাঝে মানহীন বীজ বপন করলে তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হবে। প্রাথমিক শিক্ষার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দৃঢ় ও মজবুত করতে হবে।

"প্রাথমিক শিক্ষা মজবুত না হলে,গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা যাবে রসাতলে।"
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সর্বাগ্রে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। যথাযথ মর্যাদা পেলে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই হবে সোনার বাংলার সোনার মানুষ গড়ার সুদক্ষ কারিগর।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারী) নিয়োগের নতুন পরিপত্র। এ...
15/01/2024

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারী) নিয়োগের নতুন পরিপত্র। এবার নিয়োগ কমিটিতে থাকবে ডিসি স্যারের প্রতিনিধি।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

মানমীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণের মধ্যে দপ্তর বন্টন। ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
11/01/2024

মানমীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণের মধ্যে দপ্তর বন্টন।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

Address

Dhaka
1201

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01728511412

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ethical Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ethical Bangla:

Share