SM Television

SM Television তথ্য ও জ্ঞানের প্রসারই মূল উদ্দেশ্য

এই ..... গোলামী না আজাদী??? কই কিছু বলেন আপনারা !
04/05/2026

এই ..... গোলামী না আজাদী???
কই কিছু বলেন আপনারা !

26 likes, 4 comments. "আমেরিকা-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি কতটা ভ/য়া/বহ | Mahbub Kamal | Kaler Kantho"

কোথায় সেই দেশপ্রেমিকরা ? যারা গোলামী না আজাদী স্লোগান দিয়ে দেশের মানুষকে বোকা বানাইছে?
04/05/2026

কোথায় সেই দেশপ্রেমিকরা ? যারা গোলামী না আজাদী স্লোগান দিয়ে দেশের মানুষকে বোকা বানাইছে?

11 likes, 2 comments. "কুকুরের চেয়ে লেজ লম্বা হলে যা হয়— ।। রাহাত মিনহাজ । মাসুদ কামাল | অন্য মঞ্চ । Onno Moncho | Kotha"

12/10/2025

*লিপিড প্রোফাইল কী?*

একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে এটি ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছেন।

কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর।

এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল - *কোলেস্টেরল*

তার কিছু সঙ্গীও আছে।

অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল - *ট্রাইগ্লিসারাইড*

তাদের কাজ হল রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।

*হৃদয়* এই শহরের কেন্দ্রস্থল।

সব রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।

যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে।

তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।

কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে - *এইচডিএল* (উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন - ভালো পুলিশ)

ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে রাখে *(লিভার)*।

তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।

কিন্তু
একজন খারাপ পুলিশও আছে - *LDL* যে ক্ষমতার জন্য লোভী।

LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।

যখন ভালো পুলিশ *HDL* পড়ে যায়, তখন পুরো শহরটা স্তব্ধ হয়ে যায়।

এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?

তুমি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চাও?

*হাঁটা* শুরু করো!

প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে *HDL* বাড়বে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতীরা কমবে।

তোমার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

তোমার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের *(হার্ট ব্লক)* থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

আর যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন তুমিও সুস্থ থাকবে।

তাই যখনই সুযোগ পাবে - হাঁটা শুরু করো!

*সুস্থ থাকুন...*
এবং *আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি*
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায় সম্পর্কে বলবে
অর্থাৎ হাঁটা।*

প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে। তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং চলতে থাকুন।*

এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-

১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা রিফাইন্ড ময়দা
৪. দুগ্ধজাত দ্রব্য
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার

*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*

১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম
৫. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
৬. ফল

*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*

১. আপনার বয়স
২. আপনার অতীত
৩. আপনার অভিযোগ

*চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*

১. আপনার পরিবার
২. আপনার বন্ধুবান্ধব
৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি

*তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*

১. সর্বদা হাসুন
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন

*ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*

১. জল পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

২. বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

৩. চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো না।

৪. অলৌকিক ঘটনার জন্য অপেক্ষা করো না,. সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা রাখো।

৫. নিজের উপর কখনো বিশ্বাস হারাবে না।

৬. ইতিবাচক থাকুন এবং সর্বদা একটি ভালো আগামীর আশা করুন।

গতকালকের বিমান দূর্ঘটনায় পোড়া শরীর নিয়ে দৌড়াতে থাকা বাচ্চাটার নাম আরিয়ান, সে আর বেচে নেই। তার ফ্যামিলি কনফার্ম করছে !তার...
22/07/2025

গতকালকের বিমান দূর্ঘটনায় পোড়া শরীর নিয়ে দৌড়াতে থাকা বাচ্চাটার নাম আরিয়ান, সে আর বেচে নেই। তার ফ্যামিলি কনফার্ম করছে !
তার ফুসফুস ৭০% পুড়ে গেছিলো !! 😥
পোড়া ফুসফুস নিয়েই সে তার মা-বাবারে খুজে বেরিয়েছে 😭
বাচ্চাটির গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।
হে আল্লাহ আপনি বাচ্চাটিকে জান্নাতবাসী করুন 🤲

20/07/2025

ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত?
------------------------------------------------------------------------
১। ছাদ বা ফ্লোরের শাটারিং কোনোভাবেই ধাপে ধাপে করা যাবে না। একটি ফ্লোর বা ছাদ ঢালাই করার সময় পুরো ছাদের শাটারিং একবারে করা অত্যাবশ্যক। এর সাথে সম্পূর্ণ ফর্মা সমতল হয়েছে কিনা তা-ও একবারেই যাচাই করে নিতে হবে।
২। ছাদ ও বীম ঢালাইয়ের কাজও করতে হবে একসাথেই। যদিও ছাদের লোড বীমের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবুও তৈরির ক্ষেত্রে এদের একসাথে তৈরি করা অত্যাবশ্যক। ছাদ ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি পুরু হতে পারে।
৩। সাধারণত ২১ দিন পর থেকেই ফর্মা খোলা হয়। তবে ২৮ দিন ফর্মা খোলাই ভালো। অবশ্যই ঢালাইয়ের একদিন পরই ছাদের উপরিভাগে পানি ধরে রেখে কিউরিং করতে হবে।
৪। ঢালাইয়ের জন্য যে কাঠের কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় সেন্টারিং। এর জন্য যে তক্তা বা প্লেট ব্যবহার করা হয়, তাতে ছিদ্র থাকা চলবে না এবং তক্তার উপরে কোনো তৈলাক্ত পদার্থ (যেমন- ডিজেল বা গ্রিজ) লাগানো থাকলে তা সুন্দর হয়। তবে বর্তমানে পাতলা পলিথিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব প্রক্রিয়া মেনে চললে সর্বনিম্ন সময়ে শাটার খোলা সম্ভব।
৫। মর্টার মেশাতে যদি মেশিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে দুটি ব্যাপারে-
১। কমপক্ষে ২ মিনিট ধরে মেশাতে হবে।
২। মেশানোর সময় সম্পূর্ণ পানির সাথে মিক্সচার গুলে যাওয়া যাবে না।
৬৷ হাতে মিক্সচার তৈরি না করাই উচিত। এতে করে গুণগত মানের ধারাবাহিকতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানসম্পন্ন কংক্রিট অনেকদিন স্থায়ী ছাদ তৈরিতে খুবই দরকারি।
৭। ছাদ ঢালাইয়ের সময় সেটিং শুরু হবার আগেই প্রক্রিয়া শেষ করা উচিত। আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা সময় নেওয়াটা ভালো মানের পরিচায়ক। দেরি হয়ে গেলে ঢালাই আবার নতুন করে তৈরি করা উচিত। অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করলে তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
৮। পিলারের শাটার তৈরির পরে তার মধ্যে ঢালাই ঢালার নিয়ম হচ্ছে, ঢালাই ১.৫ মিটারের বেশি উপর থেকে না ঢালা। এতে মিক্সচারের উপাদান আলাদা হয়ে যাবার ঝুঁকি থাকে।
৯। ঢালাই করার পর যাচাই করে দেখতে হবে ঢালাই যেন নিরেট হয় ও তাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। এক্ষেত্রে নিডল ভাইব্রেটর বা লোহার রড দিয়ে ঠাসাই করা উচিত।
১০। ছাদ ঢালাই করার নিয়মঃ-
উপাদানঃ- সিমেন্ট, বালি এবং খোয়া।
উপাদানের অনুপাতঃ- সিমেন্টঃ বালিঃ খোয়া ১ঃ২ঃ৪।
এই মিশ্রণ প্রতি ৫০ কেজির সিমেন্টের বস্তার ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে এবং পানির পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ লিটার।
২ মিনিট ধরে এই মিশ্রণ মেশিনে প্রস্তুত করতে হবে। যদি হাতে তৈরি করতে হয় তাহলে পাকা মেঝেতে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণ তৈরি করে দক্ষ হাতে মর্টার তৈরি করতে হবে। ১ ফুট পরপর মোটা বাঁশ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে বা ধাতব ফ্রেম ব্যবহার করতে হবে, যাতে ছাদ ও বীমের ফর্মা যথেষ্ট মজবুত হয়। আগের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেন্টারিং, শাটারিং, ঢালাই, জমাট বাঁধা ও কিউরিং ইত্যাদি ধাপ মেনে ঢালাই সম্পন্ন করতে হবে।
১১। মেঝে ঢালাই করার নিয়মঃ-
মেঝে ঢালাই দেবার নিয়ম অনেকটা ছাদ ঢালাইয়ের মতোই। তবে মেঝে ঢালাই তুলনামূলক সহজ, কারণ, এটি ভেঙে গিয়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশঙ্কা তুলনামূলক কম। তবে এখানেও মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সবক্ষেত্রেই। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত যা করতে হবে তা হলো-
১। মেঝে ভিটে বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে।
২। ভালোভাবে মুগুর দিয়ে দুরমুজ করে সমান করে নিতে হবে।
৩। পানি ঢালতে হবে।
৪। ঢালাইয়ের আগে ইট বিছাতে হবে।
৫। ঢালাইয়ের পুরুত্ব হতে হবে তিন ইঞ্চি।

যাদের এসএসসি রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাদের জন্য এই লেখাটা ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। সেই সব অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দ...
13/07/2025

যাদের এসএসসি রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তাদের জন্য এই লেখাটা ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। সেই সব অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দিন। মানুষের ইচ্ছাশক্তি থাকলে সবই সম্ভব!
#সাফল্য
#এসএসসিতে ৩.৩৮ পেয়েছিলেন, আল-আমিন এখন #বিসিএস_ক্যাডার

মানুষ তার স্বপ্ন ও চেষ্টার সমান বড়ো!
কারণ ❝পরিশ্রম কখনো পরিশ্রমীকে বিনা পারিশ্রমিকে বিদায় করে না❞
Shakil Al-Amin

#সাফল্য
#এসএসসিতে ৩.৩৮ পেয়েছিলেন, আল-আমিন এখন #বিসিএস_ক্যাডার

আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল। এবারের ফলাফলে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অনেক শিক্ষার্থী খুব কাছে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি, ফলে হতাশা কাজ করছে অনেকের মধ্যেই। তবে, জিপিএ-৫ না পেলেও জীবনে সফল হওয়া সম্ভব—এমনই এক অনুপ্রেরণাদায়ী উদাহরণ হয়ে উঠেছেন বিসিএস ক্যাডার শাকিল আল-আমিন।

২০০৬ সালে এসএসসিতে জিপিএ ৩.৩৮ অর্জন করেন শাকিল। যদিও এ ফলাফলটি অনেকের কাছে হতাশাজনক মনে হতে পারে। তবে সেসময় তার গ্রামে এই ফলাফলই ছিল সেরা। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি থেমে যাননি। আত্মীয়ের এনজিওতে চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বেছে নেন উচ্চশিক্ষার পথ।

ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হন নেত্রকোণা সরকারি কলেজে। থাকার জায়গার অভাবে লজিং বাড়িতে উঠেন এবং বিনিময়ে শুরু করেন ছাত্র পড়ানো। হারিকেনের আলোয় রাত জেগে পড়াশোনা চালিয়ে যান। বাবা একটি ছোট গরু বিক্রি করে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ে পাঠান। তারপরই ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি তার লক্ষ্যপানে।

এইচএসসিতে তিনি জিপিএ ৪.১০ অর্জন করেন। এ ফলাফলে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন তিনি। ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগে চান্স পেয়েছেন। স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়বেন তাই ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফলভাবে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে নিজের চেষ্টায় কঠোর পরিশ্রম করে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) ৩৬তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন শিক্ষা ক্যাডার পদে। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী আনন্দ মোহন কলেজে কর্মরত রয়েছেন।

দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাকিল আল-আমিন তার এই সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘এসএসসিতে ৩.৩৮ পাওয়ার পর আমি কখনোই আপসেট হইনি। আমার বন্ধুদের ৫০ শতাংশই A কিংবা A+ পাওয়া। হারিকেনের নিভু নিভু আলোয় ভোর ৪টায় উঠে পড়তে শুরু করলাম দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠে। আমি নিশ্চিন্ত ছিলাম—তিনবেলা ভাত, একটু মাথা গুজার ঠাঁই আর হারিকেনের কেরোসিন পাচ্ছি। এই সাপোর্ট ছিলো আমার জন্য তীব্র অনুপ্রেরণাদায়ক।’

তিনি আরও বলেন, ‘কলেজের স্যার ও সহপাঠীদের মুখে শুনতাম ঢাকা, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথায় কুট কুট করত পাবলিক ভার্সিটিতে পড়ার বায়না। তখন বুঝেছি স্বপ্ন সেটা নয় যা ঘুমিয়ে দেখি, স্বপ্ন সেটাই যা আমাকে ঘুমাতে দেয় না।’ নিজের অধ্যবসায়ের কথা জানিয়ে আল-আমিন বলেন, ‘দৈনিক অন্তত ১২-১৪ ঘণ্টা পড়তাম। লজিং বাড়ির লোকজন বলতো, তুমি অসুস্থ হয়ে যাবা। আমি বাড়ি যাওয়া বন্ধ করলাম। শেষ পর্যন্ত এইচএসসিতে ৪.১০ পেলাম। তখনই সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ মিললো।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে শাকিল বলেন, ‘আমার পাশে মহাত্রাণকর্তা হিসেবে দাঁড়ালেন আমার বাবা। একটা ছোট গরু বিক্রি করে পাঠালেন ময়মনসিংহে। ভর্তি কোচিং ও থাকা-খাওয়ার দুশ্চিন্তা দূরে ঠেলে শুধু পড়াশোনায় মন দিলাম। আমি ছোটবেলায় ডাক্তার লুৎফর রহমানের বই পড়ে জেনেছিলাম, পরিশ্রম দিয়ে মানুষ তার যেকোনো স্বপ্ন জয় করতে পারে। আমি বড় হয়ে মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে শিখি, ‘পরিশ্রম কখনো পরিশ্রমীকে বিনা পারিশ্রমিকে বিদায় করে না।’

শাকিল আরও বলেন, ‘থমাস কার্লাইল বলেছিলেন, সব অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে। আমি মনে করি, মানুষ তার স্বপ্ন ও চেষ্টার সমান বড়ো। তাই হতাশ না হয়ে নিজেকে আবিষ্কার করো। নিজের শক্তিকে মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বেঁধে রেখো না। ঘুরে দাঁড়াও।’

টিডিসি রিপোর্ট
, আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৫, ০১:২১ AM
facebook logotwitter logo
শাকিল আল-আমিন
শাকিল আল-আমিন © টিডিসি সম্পাদিত

12/06/2025

জীবনে করনীয় ২১টি ~না~ বিষয়
১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না। এতে আপনি ছোট হবেন।
২. ভুল স্বীকার করার মানসিকতা দেখান। "Thank you", "Please" এই কথাগুলো বলতে দ্বিধা করবেন না।
৩. কারো কাছে নিজের সিক্রেট শেয়ার করবেন না বা কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না।
৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসা করতে যাবেন না।
৫. পর্ণে আসক্ত হবেন না। এতে করে আপনি ক্ষণস্থায়ী সুখের জন্য সুন্দর জীবন হারাবেন।
৫. পরচর্চা করবেন না। যে ব্যক্তি আপনার সামনে অন্যের নিন্দা করে, সে নিশ্চিতভাবে অন্যের সামনে আপনার নিন্দা করে।
৬. গাধার সাথে তর্ক করতে যাবেন না। তর্কের শুরুতেই গাধা আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে, তারপর আপনাকে সবার সামনে অপদস্থ করবে।
৭. পরে করব ভেবে কোনো কাজ ফেলে রাখবেন না। আপনি যদি তা করেন শতকরা ৮০ ভাগ সম্ভাবনা কাজটি আপনি আর কখনোই করতে পারবেন না।
৮. 'না' বলতে ভয় পাবেন না।
৯. স্ত্রীর কারণে বাবা-মাকে বা বাবা মায়ের কারণে স্ত্রীকে অবহেলা করবেন না।
১০. সবাইকে সন্তুষ্ট করতে যাবেন না। এতে আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব হারাবেন।
১১. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না। তাই জীবনে ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে ভয় পাবেন না।
১২. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না। গুগলে জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন না।
১৩. মনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না। কারণ, এই একটি কাজের বিলম্বের জন্য আপনি সারাজীবন পস্তাতে পারেন।
১৩. রিলেশনসিপে অসুখী হলে সেটা আঁকড়ে ধরে থাকবেন না। যে সম্পর্ক মানসিক যন্ত্রণা দেয়, ভেতরে অশান্তি সৃষ্টি করে তা জীবন থেকে দ্রুত মুছে ফেলুন।
১৪. আপনি কখনোই জানেন না যে আপনি স্বপ্নপূরণের ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই, কখনোই লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না। বেশিরভাগ মানুষ সাফল্য লাভের কাছাকাছি গিয়ে হাল ছেড়ে দেয়।
১৫. অকারণে শত্রু বাড়াবেন না।
১৬. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কোনো কথা বলবেন না বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন না।
১৭. বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না। তার সাথে আপনার বিয়ে হবেই বা সে আপনাকে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল করবে না এটা আপনি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না।
১৮. যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না। সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে; তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।
১৯. নিজের সম্মান বিসর্জন দিয়ে মানুষের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করবেন না। যেখানে আপনার সম্মান নেই সেখান থেকে এখনই নিজেকে গুটিয়ে নিন।
২০. টাকার পেছনে দৌড়াতে গিয়ে প্রিয়জনদের বঞ্চিত করবেন না।
২১. যেটা হাতছাড়া হয়ে গেছে সেটা নিয়ে আফসোস করবেন না।

গরু বা ছাগলের পায়ার মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে বলে একটা খুব খুব বড় ভুল ধারণা আছে আমাদের।মূলত হাড়ের যে অংশটা আমরা ফেলে দেই, শক...
08/06/2025

গরু বা ছাগলের পায়ার মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে বলে একটা খুব খুব বড় ভুল ধারণা আছে আমাদের।

মূলত হাড়ের যে অংশটা আমরা ফেলে দেই, শক্ত, সাদা অংশ, ওটা ক্যালসিয়ামের লবণ দিয়ে তৈরি। আর যে জিনিসটা আমরা নেহারিতে খাই, সে জিনিসটা পুরোটাই চর্বি। ওতে ক্যালসিয়ামের ছিঁটেফোঁটাও নেই। থাকলেও খুবই অল্প। এতে অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন আছে কিন্ত চর্বির তুলনায় নগণ্য।

তাই ক্যালসিয়ামের দোহাই দিয়ে বয়স্ক মানুষ বিশেষত দাদু,নানুদের নেহারি বেশি খাওয়া একদমই উচিৎ নয়। শুধু বয়স্ক ব্যক্তিগণ নন, আমাদেরও উচিত এই চর্বি খেতে সতর্কতা অবলম্বন করা।

পায়া খেলে ক্যালিসিয়ামের অভাব তো পূরণ হয়ই না বরং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যায় বয়স্কদের।

শাদমান আবরার,
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ

18/05/2025

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ

কর্মকর্তারা নাকি খেয়ালই করেনি!! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত দুই শনিবার শ্রেণি কার্যক্রম চালানো রীতিমতো খামখেয়ালি সিদ্ধান...
15/05/2025

কর্মকর্তারা নাকি খেয়ালই করেনি!! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত দুই শনিবার শ্রেণি কার্যক্রম চালানো রীতিমতো খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত।

ইন্টেরিম যে করিডর দিছে এইটা নিয়া খুব একটা পড়াশোনা করার টাইম পাইনাই। আজকে করলাম।আর এখন বুঝতেছি, Bangladesh just committ...
04/05/2025

ইন্টেরিম যে করিডর দিছে এইটা নিয়া খুব একটা পড়াশোনা করার টাইম পাইনাই। আজকে করলাম।

আর এখন বুঝতেছি, Bangladesh just committed one of the most dangerous geopolitical moves in its recent history under the illusion of “humanitarian aid”।

দেশবাসীর অনুমতি ছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলার সাথে আলোচনা না কইরা, ইন্টেরিম UN হিউম্যানিটারিয়ান করিডর খুইলা দিছে চট্টগ্রাম-আরাকান রুটে।

আসেন আগে বুঝি “Humanitarian Corridor” আসলে কী। UN এইটারে বলে সাহায্য পাঠানোর রাস্তাঘাট। কিন্তু বাস্তবে ওরা যেইটা বানায়:
➤ এনজিও টাইপ তাঁবু বসে
➤ ইনটেলিজেন্স অফিসার ঢুকে
➤ “মানবিক সহায়তা”র নামে মিলিটারি ম্যাপিং হয়
➤ বিদেশি অস্ত্র, ড্রোন, ডেটা আস্তে আস্তে ঢুকে
➤ কিছুদিন পর সেই অঞ্চল আর নিজের থাকে না

Corridor = Invasion

আসেন কিছু বাস্তব উদাহরণ দেখি — করিডর কেমনে দেশ ধ্বংস করে:

✓ সিরিয়া:
→ "মানবিক সাহায্য"র নামে তাবু বসানো হইছিল।
→ এরপর সেই রাস্তাতেই অস্ত্র ঢুকছে, বিদ্রোহী ট্রেনিং ক্যাম্প বসছে।
→ ISIS আর আল-নুসরা এই করিডরের মাধ্যমেই তৈরি হইছে।

✓ ইরাক:
→ "No-fly zone" ছিল কাগজে।
→ বাস্তবে সেই অঞ্চলে US মিলিটারি বেস দিছিল।
→ সাদ্দামের পতনের রাস্তাটা এই ভাবেই বানাইছিল।

✓ লিবিয়া:
→ "Protection corridor" দেয়া হইছিল Qaddafi’র বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের জন্য।
→ এক মাসের মধ্যে NATO ওই করিডর দিয়া ঢুইকা পুরা দেশ বোমায় উড়ায়া দিল।

✓ গাজা:
→ "মানবিক সাহায্য" পাঠানোর জন্য Rafah গেটে করিডর খুলছিল।
→ এখন জানেন কী? সেই রাস্তাই মোসাদ-এর লোকজন ঢুকতে ব্যবহার করে।
→ গোপন ইন্টেল, হামাস সদস্যদের লোকেশন, সব কিছু ওই গেট দিয়া বের হয়।

✓ আফগানিস্তান:
→ "সাহায্য দিতে CIA করিডর বানায়" — এই ছুতা দিয়া বেস তৈরি করে।
→ সেখান থেকেই চালানো হইছে ড্রোন হামলা, খুন, আর গোয়েন্দা অপারেশন।

এইগুলা ফ্যান্টাসি না। এইগুলা প্রমাণিত সত্য।

প্রশ্ন হইল —
বাংলাদেশ আজকে করিডর খুলে দিয়া বললো "এইটা মানবতা", তারপর ৬ মাস পরে যদি
→ সেখানে NGO দিয়া মিলিটারি ম্যাপিং হয়,
→ কোন এক রাতে surveillance drone নামে,
→ কোন এক সকালে UN interfaith cleric গিয়ে মুসলিম ক্যাম্পে বক্তৃতা দেয়,
→ আর ২ বছর পরে সেই এলাকাই “safe zone” ঘোষণার নামে দখল হয়,

তখন আপনি আমি কী করতে পারবো?

একই স্ক্রিপ্ট বারবার। শুধু রং আর ভাষা বদলায়।

এই করিডরের পেছনে খেলোয়াড় কারা? আসেন পরিচিত হই:

১। আমেরিকা:
→ চীনের ইন্ডিয়ান ওশান অ্যাক্সেস ব্লক করতে চায়
→ সাহায্যের নামে মিলিটারি লজিস্টিক ঢুকাবে
→ “মানবাধিকার” দিয়া স্পাই হাইওয়ে বানাবে

২। ইসরায়েল:
→ আরাকানকে ভাবে সাউথ ইস্ট এশিয়ার স্পিরিচুয়াল গেট
→ মুসলিম জাগরণ শুরু হওয়ার আগেই এখান দিয়ে থামাইতে চায়
→ থার্ড টেম্পলের প্রফেসাইজড জায়গাগুলার একটার ভিতরে চট্টগ্রাম–আরাকান করিডর পড়ে

৩। ভারত:
→ কালাদান মাল্টি-মোডাল প্রজেক্টের ফাইনাল সিল এইখানে
→ উত্তর-পূর্ব বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশের জমি ব্যবহার করতে চায়
→ গাজওয়াতুল হিন্দ আসার আগেই পূর্বদিক সীল করে দিতে চায়

প্রশ্ন হচ্ছে, চীন আর রাশিয়া কি চুপ থাকবে?

৪। চীন:
→ ওদের আরাকানে বিলিয়ন ডলারের করিডর আছে (Kyaukphyu Port)
→ UN করিডর মানে ওদের চোখে NATO presence
→ পাল্টা জবাব দিতে পারে স্পাই অপস বা বিরোধী গোষ্ঠী গুলারে ফান্ডিং দিয়া

রাশিয়া:
→ মিয়ানমারকে নিয়মিত অস্ত্র দেয়
→ পশ্চিমাদের ঢুকতে দেখলে স্বাভাবিকভাবে খুশি হবে না
→ ডিপ্লোম্যাটিক চাপে ফেলবে, সরাসরি সংঘর্ষে যাবে না, কিন্তু চুপও থাকবে না

একটা নতুন কোল্ড ওয়ারের রেখা এখন আঁকা হইতেছে আরাকানে।

আরাকান কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এই জায়গাটা:
→ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের গেইটওয়ে
→ বঙোপসাগরের প্রবেশপথ
→ বৌদ্ধ-হিন্দু-মুসলিম জোনের প্রাকৃতিক বাফার
→ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মুসলিম পরিচয়ের স্পিরিচুয়াল ফ্ল্যাঙ্ক
→ ভবিষ্যতের গাজওয়াতুল হিন্দের মজবুত র‍্যালি-পয়েন্ট

আরাকান হারানো মানে উম্মাহর পূর্বদিকের ফটক বন্ধ কইরা ফেলা।

আসেন জানি UN এর “মানবিক সাহায্য”র লোগোর আন্ডারে আসলে কারা আছে? এই যে এরা:
→ WFP, WHO, UNHCR = পশ্চিমা গোয়েন্দাদের লেজার স্ক্যানার
→ MSF, Save the Children = ফিল্ড ম্যাপিং + লোকাল মনিটরিং
→ UN Troops = NATO ছায়া বাহিনী, ব্লু হেলমেট পরা দখলদার

তাইলে এই করিডর দিয়া বাংলাদেশ কী পাবে?
→ কিছু ডলার
→ নিজের মাটির ভেতরে surveillance বেস
→ Teknaf আর Naf নদীর পাশে ড্রোন রুট
→ যুদ্ধ হইলে পূর্ব ফ্রন্ট কাদের হাতে থাকবে, আপনিই বলেন
→ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটা UN ম্যানেজড মুসলিম “থিম পার্ক”

একজন মেহমানের জন্য কেউ বাসা বিক্রি করে না। কিন্তু বাংলাদেশ এখন মিলিটারি এলাকা ভাড়া দিছে প্যাকেজ সুদ্ধা।

হাসিনার পতন কি বিজয় ছিল? হ্যাঁ। সে ছিল ভারতের চরম দালাল। কিন্তু ইউনুস? এই মাল খুশি মুখে পশ্চিমাদের লিস্টে সাইন কইরা দিতেছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, গেটস ফাউন্ডেশন, DAVOS এদের প্রিয় মুখ
হইলো ড. ইউনূস। এই করিডরের মাধ্যমে ওদের লিস্টের প্রধান কাজটা সে কমপ্লিট করলো।

তাইলে খেলা বুঝতেছেন?
পুতুল বদল হইছে। নাটের গুরু আগেরই আছে।

কিন্তু এখন কী করা দরকার?
→ এই মানবিক সাহায্যের ফালতু ন্যারেটিভ বাতিল করার জন্য লেখতে হবে
→ জাতীয় সম্মতি ছাড়া কোনো ফরেন এনট্রি মানি না, করিডর মানি না, এই দাবী করতে হবে
→ আলেম, অ্যাক্টিভিস্ট, স্টুডেন্ট সবাইকে ডিপ স্টাডি কইরা সত্য জানতে হবে
→ “ফরেন এইড” রোমান্টিসাইজ বন্ধ করতে হবে
→ মুসলিমদের গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে পড়তে হবে

লেখা শেষ করতে পারতেছি না এখনই।
করিডর দেয়ার আগেই এই ইন্টেরিম সরকার কী কী করছে বা চুপচাপ ঠেলতেছে?

১. সংবিধানে “Pluralism” সংযোজন করতে প্রস্তাব দিছে। এইটার মানে অনেক আলেমও বুঝেন না। একটু পড়াশুনা করতে হবে ভাই। Secularism এর বাপ হইলো Pluralism। এইটার মাধ্যমে ইসলামী শিকড় কেটে ফেলা হবে। LGBTQ পুশ দিবে। ধর্মীয় রীতিনীতি পুরাই প্রাচীন শো পিস বানায় ফেলবে।

২. ১১টা রিফর্ম কমিশন বসাইছে। বিচার বিভাগ, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন সব বিদেশী ফ্রেমওয়ার্কে যাচাই করতেছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার কোনো ইচ্ছা নাই।

৩. Starlink স্যাটেলাইট এর লাইসেন্স আনছে। Full-spectrum digital mesh under Elon Musk, a Zionist-sympathetic capitalist। দেশের মাথার উপরেই এখন থেকে থাকবে নজরদারির জাল। ডেটা আর কমিউনিকেশন হবে আমেরিকান কন্ট্রোলড।

৪. U.S. Trade Concessions Behind Closed Doors। যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ ডিলে করবে বলছে। এর বদলে দেশে আমেরিকান খাদ্য, ওষুধ, ফার্মা, ডিজিটাল লেভারেজ ঢুকতে দিতেছে। (আমার আরেকটু পড়াশোনা করতে হবে এই বিষয়ে)।

৫. UNICEF এর “চিলড্রেনস কোর্ট” ঢুকাইছে। Your child can be taken, judged, or labeled extremist via UN standards। বুঝতেছেন?

৬. Gates Foundation দিয়া হেলথ সেক্টরে ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ, নিউট্রিশনের নামে নীরব ইউজেনিক্স চালাইতেছে। কিন্তু বিষয়টা একটু ঘোলাটে। আরো পড়াশোনা করবো।

৭. Marital R**e Law, LGBTQ normalisation, রেইনবো ফ্ল্যাগ, ইনক্লুসিভ এডুকেশন, আইডেন্টিটি রাইটস, সংসদ ভবনের উপর এঞ্জেল সিম্বল,, Prostitution rebranding under “Sex workers' rights”..... and so on।

এখন বলেন.. ইউনূস যে আসলেই পাঁকা খেলোয়াড় সেটা তো সবাই বলতেছিলাম। কিন্তু সে আসলে কি নিয়া খেলতেছে বা কার হয়ে খেলতেছে সেইটা কি ভাবছেন?

Copy with Za Rif ভাই

Address

Armanitola, Dhaka
Dhaka
1100

Telephone

+8801717314897

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SM Television posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SM Television:

Share