Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন

Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন সেবা মূলক সংগঠন

27/02/2026

🩸 *DHAKA ALL ZONE*
RAHBAR FOUNDATION BLOOD
– গ্রুপ নিয়মাবলী ও নির্দেশিকা।

*প্রিয় সদস্যবৃন্দ, সকলের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। লেখাটি সকলের জন্য। কেউ এটি না পড়ে এড়িয়ে যাবেন না।*

মানবতার সেবায় আমরা সবাই একসাথে। আপনার রক্তে হাসবে শিশু, বাঁচবে মা।
রক্ত দান করব, বাঁচাবো মানুষের প্রাণ।

ডোনারের সাথে আচরণ
ডোনারের সাথে সর্বদা ভালো ব্যবহার করবেন।

যদি কোনো ডোনারের দূরত্ব বেশি হয়, ভাড়া বহন করা।

প্রয়োজনে সাদা পানি বা সেলাইনের পানি খাওয়ানো।

গ্রুপের সাধারণ নিয়মাবলী
গ্রুপে শুধুমাত্র মানবিক ও রক্ত সম্পর্কিত পোস্ট করা যাবে।

❌অন্য কোনো বাজে পোস্ট, স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন করা যাবে না।❌

👉 যেকোনো সদস্য বা এডমিনের সাথে খারাপ আচরণ, অশ্লীল কথাবার্তা, ধর্ম, রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক পোস্ট নিরাপদ নয়।

গ্রুপ থেকে বের হতে চাইলে, সমস্যা জানিয়ে সম্মানের সঙ্গে চলে যেতে হবে।

পোস্ট দেওয়ার সময় নিচের ফরম্যাট বাধ্যতামূলক:

জরুরি রক্তের পোস্ট ফরম্যাট

রোগীর নাম:
রোগীর সমস্যা:
রক্তের গ্রুপ:
রক্তের পরিমাণ:
হিমোগ্লোবিন: (এক্সিডেন্ট ব্যতীত বাধ্যতামূলক)
রক্তদানের সময়:
রক্তদানের স্থান:
যোগাযোগের:
রেফারেন্স:

⚠️ ইমারজেন্সি ডেলিভারি/সিজারের রোগীর ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিন রিপোর্ট কার্ড আবশ্যক।
⚠️ লিখে পোস্ট করবেন, ভয়েস পোস্ট নয়। ভয়েসে রেসপন্স না পেলে আমাদের কিছুই করার নেই।

📢 শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থা উপরের কোনো নিয়ম ভঙ্গ করলে বিনা নোটিশে গ্রুপ থেকে রিমুভ করা হবে।

মানুষের জন্য জীবন, জীবনের জন্য রক্ত। এক ব্যাগ রক্তেই একজন মানুষের প্রাণ বাঁচতে পারে।
স্বেচ্ছায় রক্তদান করে আমরা নবীন মানবতার কাজে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই।

আসুন সবাই এক হয়ে রক্তদানে আগ্রহী হই, ইনশাআল্লাহ।
💖 সৌজন্য: *DHAKA ALL ZONE*
RAHBAR FOUNDATION BLOOD

Group Link
https://chat.whatsapp.com/IrsQYIC9ThS7GIkRnXWzDM?mode=gi_t

31/12/2024

#হে_আল্লাহ ও দয়াবান মাবুদ আপনার কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া খুব ভালো রাখছেন সুস্থ রাখছেন।

হে আল্লাহ আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ ও দোয়ার দরখাস্ত রইল আমাদের কে পূর্বের ন্যায় চেয়ে ভবিষ্যতে আরো বেশি নেককার দ্বীনদার বিপদমুক্ত ঋণ মুক্ত হিসেবে জীবন যাপন করে ঈমান নিয়ে মরতে পারি সে তওফিক দান করুন আমিন আমিন সুম্মা আমিন 🤲🤲❤️ ।

💥 ৩১.১২.২০২৪💥🤲❤️

24/10/2024

*_হাদিসের আলোকে নামাযের পর কিছু সুন্নতী আমাল:-_*

১)রাসূলুল্লাহ ( ﷺ ) প্রত্যেক ফরয নামায শেষে সালাম ফেরানোর পর আল্লাহু আকবর বলে—৩ বার আসতাগফিরুল্লাহ্‌ বলতেন।
[মুসলিম, ১২২২]

২) তারপর “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম,তাবারকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম” – এটি পরতেন ।[মুসলিম, ১২২১]

৩) সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩ বার) । আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩ বার) ।
আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার) ।
(লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা-লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর”) (১ বার) । এগুলো পাঠে গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়।)
[মুসলিম, ১২৪০]

৪) আয়াতুল কুরসী (সূরা বাক্বারা আয়াত-২৫৫) ১ বার পড়া।
ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে তার আর বেহেস্তের মধ্যে মৃত্যু ছাড়া আর কোন দূরত্ব থাকে না।
[নাসাঈ]

(৫) ﺃﻟﻠﻬﻢ ﺃﺟﺮﻧﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ "আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার" ৭
বার, ফজর ও মাগরিবের পর। সে দিন বা সে রাতে মারা গেলে
আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন।

(৬) সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও সূরা নাস, প্রত্যেকটি ৩ বার
করে,ফজর ও মাগরিবের পর।
রাসূল ( ﷺ ) বলেন, সকাল-সন্ধ্যায় এগুলো পাঠ করলে তোমার আর কিছুরই দরকার হবে না।

(৭) দূরুদ শরীফ ১০ বার, ফজর ও মাগরিবের পর। কেয়ামতের
দিন রাসূলের শাফা'আত লাভ করবে।

(৮) ﺭﺿﻴﺖ ﺑﺎﻟﻠﻪ ﺭﺑﺎ ﻭﺑﺎﻹﺳﻼﻡ ﺩﻳﻨﺎ ﻭﺑﻤﺤﻤﺪ ﻧﺒﻴﺎ ("রাদ্বীতু বিল্লাহি
রাব্বা, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনা, ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্যা") ৩ বার, ফজর ও মাগরিবের পর। রাসূলুল্লাহ ( ﷺ )
হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আল্লাহ উক্ত ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করবেন।

(৯)রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,

‎«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ.

(সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী)

তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।
বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১.
______ _______

( মৃত্যু...❗

মৃত্যু আসিতেছে...❗
যেকোনো বয়সে...❗
যেকোনো সময়...❗
যেকোনো জায়গায়...❗যেকোনো অবস্থায়...❗

আমাকে থামিয়ে দিবে...❌

অথবা
আমার প্রিয়জনকে আমার থেকে কেড়ে নিবে...❌

আমি কি তৈরি...❓

আসুন আল্লাহকে ভয় করি... মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি... সুন্নতি জীবন গড়ি...)

-------------

{ প্রতিনিয়ত ঈমান আমল সংক্রান্ত দ্বীনি এরকম ভিন্ন ভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন থাকুন।}

▪️আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ লিংক-
https://chat.whatsapp.com/FjvjIESVOvd3NUoOyPJnar

আমাদের ফেসবুক গ্রুপ : https://www.facebook.com/groups/859381344750321/?ref=share&mibextid=NSMWBT

আমাদের ফেসবুক পেজ:
https://www.facebook.com/Rahbarconsaltaion?mibextid=ZbWKwL

11/10/2024

*_জুমার দিন ও জুমার নামাজের কিছু সুন্নত ও আদব..._*

১) জুম’আর দিন গোসল করা।
(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)। পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।

২) জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা। (বুখারীঃ ৮৮০)

৩) মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮, বুখারীঃ৮৮৭, ইঃফাঃ৮৪৩)

৪) গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারীঃ৮৮৩)

৫) উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭)

৬) মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা। (তিরমিযীঃ৫০৯, ইবনে মাজাহঃ১১৩৬)

৭) মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারীঃ ৯৩৪, মুসলিমঃ৮৫৭, আবু দাউদঃ১১১৩, আহমাদঃ১/২৩০)

৮) আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারীঃ৮৮১, মুসলিমঃ৮৫০)

৯) পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন করা। (আবু দাউদঃ ৩৪৫)

১০) জুম’আর দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর ২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান(দাহর)(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারীঃ৮৯১, মুসলিমঃ৮৭৯)

১১) সূরা জুম’আ ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা। অথবা সূরা আলা ও সূরা গাশিয়া দিয়ে জুম’আ আদায় করা। (মুসলিমঃ৮৭৭, ৮৭৮)

১২) জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু দাউদঃ ১০৪৭)

১৩) এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারীঃ ৯৩৫)

১৪) মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের দিকে এগিয়ে না যাওয়া। (বুখারীঃ৯১০, ৮৮৩)

১৫) মুসুল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে আগানোর চেষ্টা না করা। (আবু দাউদঃ ৩৪৩, ৩৪৭)

১৬) কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা। (বুখারীঃ৯১১, মুসলিমঃ২১৭৭, ২১৭৮)

১৭) মসজিদে গিয়ে ফরজের আগে চার রাকাত কাবলাল জুমা আদায় করা।(আল মুজামুল কাবির, হাদিস : ১২৬৭৪) (আল মুজামুলআওসাত,
হাদিস: ১৬১৭)

১৮) জুম’আর দিন জুম’আর পূর্বে মসজিদে জিকির বা কোন শিক্ষামূলক হালাকা না করা। অর্থাৎ ভাগ ভাগ হয়ে, গোল গোল হয়ে না বসা, যদিও এটা কোন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হোক না কেন। (আবু দাউদঃ ১০৮৯)

১৯) কেউ কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুও না বলা তাকে থামার জন্য ইশারা করা। (নাসায়ীঃ ৭১৪, বুখারীঃ ৯৩৪)

২০) মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া ও ধুমপান না করা। (বুখারীঃ ৮৫৩)

২১) ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা বদল করে বসা। (আবু দাউদঃ ১১১৯)

২২) ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা। (আবু দাউদঃ ১১১০, ইবনে মাজাহঃ ১১৩৪)

২৩) খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হলেও ইমাম থেকে দূরে উপবেশনকারীরা বিলম্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদঃ ১১০৮)

২৪) জুম’আর দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেন। (হাকেমঃ ২/৩৬৮, বায়হাকীঃ ৩/২৪৯)

২৫) জুম’আর আযান দেওয়া। অর্থাৎ ইমাম মিম্বরে বসার পর যে আযান দেওয়া হয় তা।(বুখারীঃ ৯১২)

২৬) জুম’আর ফরজ নামাজ আদায়ের পর মসজিদে ৪ রাকা’আত সুন্নাত সালাত আদায় করা। (বুখারীঃ ১৮২, মুসলিমঃ ৮৮১, আবু দাউদঃ ১১৩০)

২৭) উযর ছাড়া একই গ্রাম ও মহল্লায় একাধিক জুম’আ চালু না করা। আর উযর হল এলাকাটি খুব বড় হওয়া,বা প্রচুর জনবসতি থাকা,বা মসজিদ দূরে হওয়া, বা মসজিদে জায়গা না পাওয়া,বা কোন ফিতনা ফাসাদের ভয় থাকা। (মুগনি লিবনি কুদামাঃ ৩/২১২, ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২৪/২০৮)

২৮) ওজু ভেঙ্গে গেলে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া। অতঃপর আবার ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করা। (আবু দাউদঃ ১১১৪)

২৯) একান্ত উযর না থাকলে দুই পিলারে মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গায় সালাত আদায় না করা। (হাকেমঃ ১/১২৮)

৩০) সালাতের জন্য কোন একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা,যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই সালাত আদায় করা (আবু দাউদঃ৮৬২)। অর্থাৎ আগে থেকেই নামাজের বিছানা বিছিয়ে জায়গা দখল করে না রাখা বরং যে আগে আসবে সেই আগে বসবে।

৩১) কোন নামাজীর সামনে দিয়ে না হাঁটা অর্থাৎ মুসুল্লী ও সুতরার মধ্যবর্তী জায়গা দিয়ে না হাঁটা। (বুখারীঃ৫১০)

৩২) এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোন কিছু না পড়া,যাতে অন্যের সালাত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। (আবু দাউদঃ ১৩৩২)

৩৩) পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযীলত অন্তরে জাগরূক রাখা।

৩৪) হাঁটার আদব মেনে মসজিদে গমন করা।

৩৫) খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার সাড়া দেওয়া বা তার প্রশ্নের জবাব দানে শরীক হওয়া জায়েজ। (বুখারীঃ ১০২৯, মুসলিমঃ ৮৯৭)

৩৬) হানাফী আলেমগন বলেছেন যে,ভিড় প্রচণ্ড হলে সামনের মুসুল্লীর পিঠের উপর সিজদা দেওয়া জায়েজ (আহমাদঃ১/৩২)। দরকার হলে পায়ের উপর ও দিতে পারে (আর রাউদুল মুরবী)

৩৭) যেখানে জুম’আর ফরজ আদায় করেছে, উত্তম হল ঐ একই স্থানে সুন্নাত না পড়া। অথবা কোন কথা না বলে এখান থেকে গিয়ে পরবর্তী সুন্নাত সালাত আদায় করা। (মুসলিমঃ ৭১০, বুখারীঃ ৮৪৮)

৩৮) ইমাম সাহেব মিম্বরে এসে হাজির হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা- ইস্তিগফার ও কুরআন তিলাওয়াতে রত থাকা।
(সংগৃহীত)
-------------
Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন Blood Donation Group in Dhaka-BDGD Mithun Mistry Niloy

20/09/2024

#যদি_এমন_একটা_অফার_পাওয়া_যায়_যে,

"প্রতি কদমে এক বছর নফল রোজা, আর এক বছর নফল নামাজের সওয়াব আমাদের আমলনামায় লেখা হবে\"

আমরা কি কেউ তা মিস করব? নিশ্চয়ই না!

জুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অংশ নিলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি কদমে কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!!!

অর্থাৎ কারো বাসা থেকে মসজিদের দূরত্ব যদি ১০০ কদম হয়, তাহলে এই পাঁচটা কাজ করলে সে ব্যক্তি ১০০ বছর নফল রোজা ও ১০০ বছর নফল সালাতের সওয়াব পেয়ে যাবে।

পাঁচটি কাজ হচ্ছে:

গোসল করা
আগে আগে মসজিদে আসা
পায়ে হেটে মসজিদে আসা
ইমামের কাছাকাছি বসা।
অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

আওস ইবনু আওস আস-সাক্বাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি

যে ব্যক্তি জুমু’আহ্‌র দিন গোসল করবে এবং (স্ত্রীকেও) গোসল করাবে, প্রত্যুষে ঘুম থেকে জাগবে এবং জাগাবে (সকাল-সকাল ও আগে-আগে (মসজিদে যাওয়ার জন্য) প্রস্তুত হবে), জুমু’আহ্‌র জন্য বাহনে চড়ে নয় বরং পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাবে এবং কোনরূপ অনর্থক কথা না বলে ইমামের নিকটে বসে খুতবা শুনবে, তার (মাসজিদে যাওয়ার) প্রতিটি পদক্ষেপ সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সে এক বছর যাবত সিয়াম পালন ও রাতভর সলাত আদায়ের (সমান) সাওয়াব পাবে।

হাদীসের মানঃ সহীহ। আবু দাউদ ৩৪৫

আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিটা জুমআতেই এই সওয়াব লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

আমাদের পরিবারের নারী সদস্যগণ, যারা জুমআয় অংশ নিতে পারেন না। তাদের জন্য আলেমগণ পরামর্শ দেন তারা যেন বাসার পুরুষদেরকে এই আমলগুলো করতে উৎসাহ দেন ও উদ্বুদ্ধ করেন। পুরুষদেরকে এই ভাল কাজগুলোতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ নারীরাও এই সওয়াবের অংশীদার হতে পারবেন।
Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন Blood Donation Group in Dhaka-BDGD

27/05/2024

দেশে প্রায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায়, শত শত ডোনার, ভলান্টিয়ার এবং সেচ্ছাসেবীদের ফোন/ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
এমতাবস্থায় রক্তের প্রয়োজনে নিজ আত্মীয় স্বজনের মাঝে ডোনার ম্যানেজ এর চেষ্টা করুন।

কাছের মানুষ জন যারা আছে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন দ্রুত ব্লাড ম্যানেজ করার জন্য।
ব্লাড ব্যাংক, সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব, এগুলো তে খোঁজ রাখুন। একচেঞ্জ এর বিনিময়ে ব্লাড সরবরাহ করুন।
রোগীর জীবন বাচাতে সাহায্য করুন।

27/05/2024

🤲🤲ঝড়ের সময় যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)
ঘূর্ণিঝড়সহ যে কোনো প্রাকৃতিকর দুর্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয় মহান আল্লাহ তাআলার শক্তি ও ক্ষমতার কথা, আমাদের ‍দুর্বলতা, হীনতা ও মুখাপেক্ষিতার কথা। তাই এ সব দুর্যোগ ও বিপদের সময় আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা উচিত। আল্লাহর কাছে বিনীত হয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত। আল্লাহ বলেন,

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا إِلَى أُمَمٍ مِنْ قَبْلِكَ فَأَخَذْنَاهُمْ بِالْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ لَعَلَّهُمْ يَتَضَرَّعُونَ . فَلَوْلَا إِذْ جَاءَهُمْ بَأْسُنَا تَضَرَّعُوا وَلَكِنْ قَسَتْ قُلُوبُهُمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ . فَلَمَّا نَسُوا مَا ذُكِّرُوا بِهِ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ أَبْوَابَ كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى إِذَا فَرِحُوا بِمَا أُوتُوا أَخَذْنَاهُمْ بَغْتَةً فَإِذَا هُمْ مُبْلِسُونَ

আর আমি তোমাদের আগের জাতিসমূহের কাছে বহু রাসুল পাঠিয়েছি, আমি তাদের ওপর ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও রোগ ব্যাধি চাপিয়ে দিয়েছি, যেন তারা নম্রতা প্রকাশ করে আমার সামনে নতি স্বীকার করে। তারা কেন বিনীত হয়নি, যখন তাদের ওপর আমার আজাব আসল? কিন্তু তাদের হৃদয় নিষ্ঠুর হয়ে গিয়েছে। আর তারা যা করত, শয়তান তাদের জন্য তা শোভিত করেছে। তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা যখন তা ভুলে গেল, আমি তাদের উপর সব কিছুর দরজা খুলে দিলাম। অবশেষে যখন তাদেরকে যা প্রদান করা হয়েছিল তার কারণে তারা উৎফুল্ল হল, আমি হঠাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম। তারা তখন হতাশ হয়ে গেল। (সুরা আনআম: ৪২-৪৪)

#আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তীব্র বাতাস ও ঝড়ের সময় পড়তেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسأَلك خَيرهَا وَخير مَا فِيهَا وَخير مَا أرْسلت بِهِ وَأَعُوذ بك من شَرها وَشر مَا فِيهَا وَشر مَا أرْسلت بِهِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ও খাইরা মাফীহা ওয়া খাইরা মা উরসিলাত বিহি ওয়া আউজুবিকা শাররাহা ওয়া শাররামা ফীহা ওয়া শাররামা উরসিলাত বিহি।

অর্থ: হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে এর কল্যাণ চাই, এর মধ্যে যে কল্যাণ আছে সেটা চাই এবং যে কল্যাণ দিয়ে এটাকে পাঠানো হয়ে তা চাই এবং আমি আপনার কাছে এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, এর মধ্যে যে অনিষ্ট অন্তর্ভুক্ত আছে তা থেকে আশ্রয় চাই এবং যে অনিষ্টসহ এটাকে পাঠানো হয়েছে তা থেকে আশ্রয় চাই। (সহিহ মুসলিম)

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বজ্রধ্বনি ও মেঘের গর্জন শুনলে বলতেন,

اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বিগাদাবিকা ওয়ালা তুহলিকনা বিআযাবিকা, ওয়া আফিনা কাবলা যা-লিকা।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ আপনার গজব দিয়ে আমাদের মেরে ফেলবেন না, আপনার শাস্তি দিয়ে আমাদের নিশ্চিহ্ন করবেন না, তার আগেই আমাদের ক্ষমা করে দিন। (সুনানে তিরমিজি)

ঘূর্ণিঝড়সহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শেখানো এ দুটি দোয়া আমরা পড়তে পারি।

👉তাই যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আমাদের কর্তব্য বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।🤲🤲🤲

13/04/2024

৮ রাকাআত তারাবীর হাদিসটির বিচার-বিশ্লেষণ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يوسف، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّهُ قَالَ: أَمَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ وَتَمِيماً الدَّارِيَّ أَنْ يَقُومَا لِلنَّاسِ بِإِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً.
মুহাম্মদ বিন ইউসূফের বর্ণনায় সায়েব বিন ইয়াযিদ রা. বলেন, হযরত উমর ইবনে খাত্তাব রা. হযরত উবাই ইবনে কা’ব ও তামীমে দারী রা.কে নির্দেশ করেন, যেন তারা লোকদের নিয়ে ১১ রাকাআত পড়েন। মুয়াত্তা মালেক।

পর্যালোচনা
হাদীসটিতে আহলে হাদিস ভাইদের ধারণা মতে ৩ রাকাআত বিতর এবং ৮ রাকাআত তারাবীহ, মোট ১১ রাকাআত পড়ার নির্দেশ রয়েছে। হাদীসটি প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে সহীহ। কিন্তু হাদীস বিশারদগণ এ হাদীসটির জবাবে দুটি পন্থা অবলম্বন করেছে।

প্রথমত:
এ বর্ণনাটিকে ভুল আখ্যায়িত করে বিশ রাকাআতের বর্ণনাটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। কেননা এ হাদীসটি সাহাবী হযরত সায়েব বিন ইয়াযীদ রা. থেকে বর্ণনা করেছেন তার তিনজন ছাত্র।

এক. ইয়াযীদ বিন খুসায়ফা।
দুই. হারেস বিন আবূ যুবাব।
তিন. মুহাম্মাদ বিন ইউসূফ।

প্রথম ছাত্র ইয়াযীদ বিন খুসায়ফা, তার থেকে তার তিন ছাত্র হাদীসটি একই রকম বর্ণনা করেছেন।

১. মুহাম্মাদ বিন আবূ যিব, তার সনদে হাদীসটি ইমাম বুখারী রাহ.-এর উস্তাদ আলী ইবনুল জা’দ রাহ. (মৃত্যু ২৩০ হি.) স্বীয় ‘মুসনাদে’ বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেন। ইবনুল জা’দ থেকে ইমাম বাইহাকী ‘আস-সুনানুল কুবরায়’ বর্ণনা করেন। এতে বিশ রাকাআত তারাবীহর কথা উল্লেখ হয়েছে।

২. মুহাম্মাদ বিন জাফর, তার সনদে হাদীসটি ইমাম বাইহাকী ‘মা’রেফাতু সুনান’ নামক কিতাবে বর্ণনা করেছেন। এতে ২০ রাকাআত তারাবীহর বর্ণনাই এসেছে। বর্ণনা দুটি এ বইয়ের শুরুতে উল্লেখ হয়েছে।
৩. ইমাম মালেক ২০ রাকাআত তারাবীহর কথা বর্ণনা করেছেন। (ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার)

দ্বিতীয় ছাত্র হারেস বিন আবূ যুবাবের হাদীস ২৩ রাকাআত বা ৩ রাকাআত বিতর ব্যতীত ২০ রাকাআত তারাবীহ, যা তার ছাত্র আসলামী থেকে ‘মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাকে’ বর্ণিত হয়েছে।

তৃতীয় ছাত্র মুহাম্মদ বিন ইউসূফ। তার থেকে হাদীসটি তার ছাত্ররা তিন রকম বর্ণনা করেছেন।

১. ইমাম মালেক ১১ রাকাআত। (মুয়াত্তা মালেক)। এভাবে আব্দুল আজীয বিন মুহম্মাদ ও ইয়াহয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান ১১ রাকাআত বর্ণনা করেছেন। (সুনানে সাঈদ বিন মানসূর ও মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ)

২. মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তার সনদে হাদীসটি ইমাম মারওয়াযী ১৩ রাকাআত বর্ণনা করেন। (কিয়ামুল লায়ল)
৩. দাউদ ইবনে কায়স, তার সনদে হাদীসটি ইমাম আব্দুর রাজ্জাক ২১ রাকাআত বা ১ রাকাআত বিতর ব্যতীত ২০ রাকাআত বর্ণনা করেছেন। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক)

লক্ষ্য করুন! এ হাদীসটি সাহাবী সায়েব বিন ইয়াযীদ রা. থেকে তার তিনজন ছাত্র বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে ইয়াযীদ বিন খুসায়ফা ও হারেস বিন আবূ যুবাব দুই ছাত্রের সকল তথা চারটি সূত্রে একই রকম অর্থাৎ ২০ রাকাআত বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু তৃতীয় ছাত্র মুহাম্মদ বিন ইউসূফের সূত্রে কেউ ২০ রাকাআত, কেউ ১৩ রাকাআত, আবার তিন জন ১১ রাকাআত বর্ণনা করেছেন। আর শেষটাকেই আহলে হাদীস বন্ধুরা গ্রহণ করেছেন।

পাঠক আপনিই বলুন, যার দুই ছাত্রের বর্ণনা একই রকম, তা গ্রহণ করবেন? নাকি যার আরেক ছাত্র থেকে তিন রকম বর্ণনা পাওয়া যায়, তা থেকে একটি গ্রহণ করবেন? নিশ্চয় দুই ছাত্রেরটাই গ্রহণ করবেন। কাজেই ২০ রাকাআতের বর্ণনা প্রাধান্য পাবে।

বরং এখানে যদি দ্বিতীয় ছাত্র হারেস বিন আবূ যুবাবকে বাদ দিয়ে উভয় দিকে এক ছাত্রই রাখা হয়, তারপরও বিশ রাকাআতের বর্ণনা প্রাধান্য পায়। কেননা তখনও প্রথম ছাত্র ইয়াযীদ থেকে তিনটি সূত্রে হাদীসটি একই রকম তথা ২০ রাকাআত পাওয়া যায়। অন্যদিকে তৃতীয় ছাত্র মুহাম্মদ বিন ইউসূফ থেকে হাদীসটি তিনটি সূত্রে তিন রকম পাওয়া যায়। তন্মধ্যে আবার একটি সূত্রের বর্ণনা বিশ রাকাআতের সাথে মিলে যায়।

এতে দুই দিক থেকে বিশ রাকাআতের হাদীসটি প্রাধান্য পায়।
১. প্রথম ছাত্রের তিনটি বর্ণনাতে কোন ভিন্নতা নেই। কিন্তু তৃতীয় ছাত্রের তিনটি বর্ণনাতেই মতভেদ রয়েছে।
২. প্রথম ছাত্রের সকল বর্ণনা এবং তৃতীয় ছাত্রের একটি বর্ণনা বিশ রাকাআতের পক্ষে। কিন্তু আট রাকাআতের পক্ষে শুধু তৃতীয় ছাত্রের বর্ণনা। কাজেই দুইয়ে একে বলুন কিংবা একে একে ধরুন, সর্বাবস্থায় ২০ রাকাআতের হাদীসটিই প্রাধান্য পায় এবং সর্বাধিক বিশুদ্ধ প্রমাণিত হয়।

উল্লেখ্য, এই আলোচনা শুধু সাহাবী সায়েব বিন ইয়াযীদ রা. থেকে বর্ণিত সূত্রগুলোর মাঝে প্রাধান্যতা এবং তাঁর থেকে বর্ণিত বিশ রাকাআতের হাদীসটির সর্বাধিক বিশুদ্ধতা প্রমাণে করা হয়েছে। এর সাথে যদি হযরত উমর রা.-এর যুগের আমলের বিবরণ সম্বলিত অন্য বর্ণনাগুলো যোগ করা হয়, তাহলে ১১ রাকাআত (৩ রাকাআত বিতর ও ৮ রাকাআত তারাবীহ) পড়ার বর্ণনাটি ভুল সাব্যস্ত হয়।

কেননা বিশিষ্ট তাবেয়ী আবুল আলিয়া (মৃত্যু ৯০ হি.) রাহ., তাবেয়ী ইয়াযীদ ইবনে রূমান (মৃত্যু ১৩০ হি.), আব্দুল আজীজ ইবনে রুফাই (১৩০ হি.), হাসান বসরী (১১০), ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (১৯৮) ও মুহাম্মদ ইবনে কা’ব কুরাযী (১২০) রাহ. প্রমুখ থেকে হযরত উমর রা.-এর যুগে রমযান মাসে বিশ রাকাআত তারাবীহ পড়ার কথা প্রমাণিত হয়। (দেখুন, মারিফাতুস সুনান, বায়হাকী ৫৪১১; মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ ৭৭৬৪, ৭৭৬৬; আবু দাউদ ১৪২৯; সিয়ারু আলামিন নুবালা, যাহাবী ১/৪০০; জামিয়ুল মাসানীদ, ইবনে কাসীর ১/৮৬; রাকাআতে তারাবীহ, আযমী পৃ. ৮০।)

এ কারণেই ইমাম ইবনে আব্দিল বার মালেকী রাহ. বলেছেন,
أَنَّ الْأَغْلَبَ عِنْدِي فِي إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً الْوَهْمُ.
আমার প্রবল ধারণা ১১ শব্দটি ভুল।
তিনি উমর রা.-এর যুগের ২০ রাকাআত তারাবীহর বিবরণ সম্বলিত কয়েকটি বর্ণনা উল্লেখ করে বলেন,
وَهَذَا كُلُّهُ يَشْهَدُ بِأَنَّ الرِّوَايَةَ بِإِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً وَهْمٌ وَغَلَطٌ وَأَنَّ الصَّحِيحَ ثَلَاثٌ وَعِشْرُونَ وَإِحْدَى وَعِشْرُونَ رَكْعَةً وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
এ সকল বর্ণনা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, ১১ রাকাআত পড়ার বর্ণনাটি সন্দেহ ও ভুল। সঠিক বর্ণনা হচ্ছে, (তিন রাকাআত বিতর সহ) ২৩ রাকাআত এবং (এক রাকাআত বিতর সহ) ২১ রাকাআত। (আল ইসতিযকার ৫/১৫৪, ১৫৬ তাহকীক, আব্দুল মু’তী।)

শায়খুল হাদীস যাকারিয়া রাহ বলেন, আমার নিকট ইবনে আব্দিল বার রাহ-এর কথাই সঠিক মনে হচ্ছে। কেননা অধিকাংশ বর্ণনায় ২০ রাকাআত তারাবীহর কথা এসেছে। (আওজাযুল মাসালিক ২/৫২৮।)

তবে হ্যাঁ, উক্ত ভুল কার থেকে প্রকাশ পেয়েছে- এ প্রসঙ্গে ইবনে আব্দিল বার রাহ. যদিও বলেছেন ইমাম মালেক থেকে প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু সঠিক কথা হল, এ ভুলটি তৃতীয় ছাত্র মুহাম্মদ বিন ইউসূফ থেকে হয়েছে। (আওজাযুল মাসালিক ২/৫২৮।)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
দ্বিতীয়ত:
অনেক ইমাম আট ও বিশ রাকাআতের দুই বর্ণনার মাঝে সমন্বয় সাধন করে বলেছেন, প্রথম প্রথম যখন কেরাআত খুব দীর্ঘ পড়া হত, তখন আট রাকাআত পড়া হত। পরে কেরাআত কিছুটা হালকা করে রাকাআত বাড়িয়ে বিশে উন্নীত করা হয়েছিল। তখন থেকেই বিশ রাকাআত পড়ার ধারা অব্যাহত থাকে।

ইবনে হাবীব মালেকী (মৃত্যু ২৩৮ হি.), হাফেজ দাউদী (মৃ. ৪০২ হি.) ও ইমাম বায়হাকী (মৃ. ৪৫৮ হি.) রাহ. মনীষীগণ এরূপ সমন্বয়ের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন। (তুহফাতুল আখয়ার পৃ. ১৯২- সূত্রে রাকাআতে তারাবীহ পৃ.৬৮; আস-সুনানুল কুবরা ২/৬৯৯; শরহে বুখারী, ইবনে বাত্তাল ৪/১৪৮।)

এদের মধ্যে আবার দাউদী রাহ. এ কথাও বলেছেন যে, যখন থেকে উমর রা.-এর ব্যবস্থাপনায় বিশ রাকাআত পড়া শুরু হয়, তখন থেকে মুআবিয়া রা. (মৃ. ৬০ হি.)-এর যুগ পর্যন্ত বিশ রাকাআত পড়া অব্যাহত থাকে।

আরো যারা এভাবে সমন্বয় করা পছন্দ করেছেন, আবুল ওয়ালীদ বাজী (মৃ. ৪৭৪ হি.) ‘আল-মুনতাকা’তে, ইবনে রুশদ (৫২০ হি.) ‘আল-বয়ান ওয়াত তাহসীল’এ, তকীউদ্দীন সুবকী (৭৫৬ হি.) ‘আল-ইবতিহাজ’এ, ওলীউদ্দীন ইরাকী (৮২৬ হি.) ‘তরহুত তাসরীব’এ, বদরুদ্দীন আইনী (৮৫৫ হি.) ‘নুখাবুল আফকার’এ, ইবনুল হুমাম (৮৬১ হি.) ‘ফাতহুল কাদীর’ গ্রন্থে, সুয়ূতী (৯১১ হি.) ‘আল-মাসাবীহ’তে, কাসতাল্লানী (৯২৩ হি.) ‘ইরশাদুস সারী’তে, শা’রানী (মৃ. ৯৭৩ হি.) ‘কাশফুল গুম্মাহ’তে, মোল্লা আলী কারী (১০১৪ হি.) ‘মিরকাতুল মাফাতীহ’ গ্রন্থে, যুরকানী (১১২২ হি.) ‘মুয়াত্তা মালেকের ব্যাখ্যা’য় ও আব্দুল হাই লখনভী রাহ. (১৩০৪ হি.) ‘আত-তা’লীকুল মুমাজ্জাদ’ গ্রন্থে।

সুতরাং একথা প্রমাণিত হল যে, আহলে হাদীস বন্ধুদের দলীল হিসেবে হযরত উমর রা.-এর যুগে আট রাকাআত তারাবীহর যে বর্ণনা এসেছে, তা প্রথম প্রথম কিছু দিনের আমল ছিল; যা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কিন্তু বিশ রাকাআতের যে বর্ণনা এসেছে, তা উমর রা.-এর যুগের শেষ ও স্থায়ী আমল। ইমাম তকীউদ্দীন সুবকী, ইবনুল হুমাম, শা’রানী, মোল্লা আলী কারী, আব্দুল হাই লখনভী, শায়খ আব্দুল হক দেহলভী ‘মা সাবাতা বিস সুন্নাহ’তে ও আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী ‘ফয়যুল বারী’তে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, বিশ রাকাআত তারাবীহর উপরই আমল স্থির ও স্থায়ী হয়েছে।

আর ইতিহাস ও যুগ যুগ ধরে আমলও একই কথা বলছে। কেননা হযরত আলী রা.-এর যুগে বিশ রাকাআত পড়া হত। তাঁর বিশেষ ছাত্র শুতাইর, আব্দুর রহমান, সাঈদ ইবনে আবীল হাসান, আলী ইবনে রাবীআহ, হারেছ ও সুয়াইদ রাহ. প্রমুখ স্ব স্ব স্থানে বিশ তারাবীহ রাকাআত পড়তেন ও পড়াতেন। এভাবে তাবেয়ী আতা ইবনে রাবাহ, হাসান বসরী, ইবনে আবী মুলায়কা ও ইব্রাহিম নাখায়ী রাহ.-এর বর্ণনাসমূহে সাহাবা ও তাবেয়ীদের বিশ রাকাআত পড়ার কথা প্রমাণিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় যুগ যুগ ধরে বিশ রাকাআত পড়ার আমল চলে আসছে। বিস্তারিত জানতে আমার "বিকৃতি ও বিভ্রান্তির কবলে তারাবির নামায" বইটি পড়ুন অথবা কমপক্ষে কমেন্ট বক্সের লেখাটি পড়ুন।

কাজেই আহলে হাদীস বন্ধুরা এমন দলীল নিয়ে বসে আছেন, যা ভুল যেমনটি ইবনে আব্দিল বার রাহ. বলেছেন। অথবা (সঠিক হলে) প্রথম কিছু দিনের অস্থায়ী আমল ছিল, যা পরবর্তী সময়ে বাদ হয়ে গেছে।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে এমন দলীল গ্রহণ করা থেকে হেফাজত করুন। আমীন!

08/04/2024

লেখাটা পড়ে ভাবতেই শরিরের লোম দাড়িয়ে গেল…

জান্নাতীরা জান্নাতে নিজ গৃহে অবস্থান করবেন।এমন সময় দরজায় কেউ কড়া নাড়বে। দরজা খুলে দেখবেন একজন ফেরেস্তা দাঁড়িয়ে।তিঁনি বলবেন ‘চলো আল্লাহ সুবহানাহু ওতায়ালার সাথে দেখা করে আসি।

তিনি তখন খুবই উল্লসিত হয়ে বের হয়ে এসে দেখবেন খুব সুন্দর একটা বাহন তাঁর জন্য প্রস্তুত।বাহন ছুটে চলবে খুব বিস্তৃত নয়নাভিরাম মাঠ দিয়ে যা স্বর্ণ আর মণি মুক্তা খচিত পিলারে সাজানো ।

জান্নাতিরা খুব পরিতৃপ্তি নিয়ে ছুটবে।এমন সময় আলো দেখবে আলোর পর আরো আলো।তারপর আরো আলো ।

জান্নাতীরা তখন উল্লসিত হয়ে ফেরেস্তাদের জিজ্ঞেস করবেন ‘ আমরা কি আল্লাহকে দেখেছি ?’

না, আমরা সে পথেই ছুটছি।ফেরেস্তা বলবেন ।

হঠাৎ জান্নাতীরা শুনবেন গায়েবী আওয়াজ -

* আস সালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল জান্নাহ *

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা স্বয়ং সালাম দিচ্ছেন জান্নাতীদের ।

খুবই আবেগময় হবে সে মুহূর্তটা !!!

আল্লাহু আকবার ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালার সালামের জবাবে
তখন জান্নাতীরা বলবেন,

আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম,ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।

হে আল্লাহ!আপনি শান্তিময় এবং আপনা হতেই শান্তি উৎসারিত হয়।। আপনি বরকতময় হে মহান ও সম্মানের অধিকারী ।

তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা জিজ্ঞেস করবেন,

তোমরা কি খুশী ? তোমরা কি সন্তুষ্ট ?

ও আল্লাহ, জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে আমাদের আপনি জান্নাত দিয়েছেন ! আমরা অসন্তুষ্ট হই কি করে !

জান্নাতীরা জবাব দিবেন ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন জিজ্ঞেস করবেন,

তোমাদের আর কি চাই ?

তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) বলবেন-
আর কিছু চাই না ।

আল্লাহ বলবেন না না।আজ তো দেয়ার দিন।
আমি আরও দিব।বলো কি চাই ।

তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) সমস্বরে বলে উঠবেন-

ও আল্লাহ,আমরা আপনাকে দেখতে চাই ।

আপনাকে দেখি নি কখনও।আপনাকে আমরা ভালবাসি ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন পর্দা সরিয়ে দেবেন ।

সৃষ্টি এবং স্রষ্টা মুখোমুখি।চোখ বন্ধ করে একটু চিন্তা করুন। সারাজীবন দুনিয়াতে যাকে ডেকেছেন।যাকে না দেখে চোখ দুটো অঝোরে কেঁদেছেন।কাউকে না বলা আপনার একান্ত কথাগুলো যাকে বলেছেন।খুব বিপদে কেউ নেই পাশে,কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন।

পকেট ফাঁকা, ঘরে খাবার নেই, অনিশ্চিত উৎস থেকে খাবারের ব্যবস্হা যিনি করেছেন।কত চাওয়া,মাকে বলেন নি, বাবাকেও না , রাতের আঁধারে কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন ।

কত অপরাধ করেছি, কেউ দেখে নি।একজন দেখেছেন কিন্তু গোপন রেখেছেন।বারবার ভুল করেছি, যিনি মাফ করে দিয়েছেন, অদৃশ্য ইশারায় সাবধান করেছেন।

মমতাময়ী মা, আমার আদরের সন্তান, প্রিয়তমা স্ত্রীর ভালবাসা দিয়ে অদৃশ্য ভালবাসায় আমাকে যিনি ভালবেসেছেন সবচেয়ে বেশী । সবচেয়ে আপন, সুমহান সেই প্রতিপালকের মুখোমুখি ...

সাহাবীদের প্রশ্নের জবাবে নবীজী বলেছেন,পৃথিবীতে আমরা যেমন চাঁদকে স্পষ্ট দেখি ,আমরা আল্লাহ সুবহানুওতায়ালাকে তেমনি দেখব। ইনশাআল্লাহ ।

আল্লাহকে দেখাই জান্নাতের সবচেয়ে বড় নেয়ামাহ্ !

💕ইয়া 'আল্লাহ' - স্বল্প সংখ্যক সেই মহা সৌভাগ্যবানদের তালিকায় আমাদের নামটা যোগ করে দিন।

আমিন🤲

09/02/2024

🔴🔴 খুব জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন প্লিজ 🙏🙏

👨‍🦱রোগীর নামঃ সাহিনুর
💁রোগীর সমস্যাঃ বাচ্চা ডেলিভারি হবে ।
🔴রক্তের গ্রুপঃ ও নেগেটিভ

♒তারিখঃ ১০-২-২০২৪ বা আগামী কাল।
💉রক্তের পরিমাণঃ ২ ব্যাগ ।
🕟 রক্তদানের সময়ঃ ১২ টার মধ্যে
🏥 রক্তদানের স্থান : পিজি হাসপাতাল ।

☎️রোগীর আত্মীয় যোগাযোগ ফোন নাম্বর : শাখাওয়াত 01869224939
রেফারেন্সঃ MD Kamal Majumder

09/02/2024

🔴🔴 খুব জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন প্লিজ 🙏🙏

👨‍🦱রোগীর নামঃ সাহিনুর
💁রোগীর সমস্যাঃ বাচ্চা ডেলিভারি হবে ।
🔴রক্তের গ্রুপঃ ও নেগেটিভ

♒তারিখঃ ১০-২-২০২৪ বা আগামী কাল।
💉রক্তের পরিমাণঃ ২ ব্যাগ ।
🕟 রক্তদানের সময়ঃ ১২ টার মধ্যে
🏥 রক্তদানের স্থান : পিজি হাসপাতাল ।

☎️রোগীর আত্মীয় যোগাযোগ ফোন নাম্বর : শাখাওয়াত 01869224939
রেফারেন্সঃ MD Kamal Majumder

সেবা মূলক সংগঠন

15/11/2023

যদি আপনার পরিবারে আপনাকে সাপোর্ট করার মতো কেউ না থাকে। তাহলেই আপনি বুঝবেন এ পৃথিবীতে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সংগ্রামটা কত কঠিন !

Address

Khilgaon
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Rahbar foundation - রাহবার ফাউন্ডেশন:

Share