CSS Foundation

CSS Foundation Our journey, with everyone

ধরেন, আমার কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৩,৫০০ আলেম-ধর্মপ্রচারকের জীবনী আছে। একদম বাংলাদেশে ইসলামের অভ‍্যুদয় থেকে শুরু করে বর্ত...
15/04/2026

ধরেন, আমার কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৩,৫০০ আলেম-ধর্মপ্রচারকের জীবনী আছে। একদম বাংলাদেশে ইসলামের অভ‍্যুদয় থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত যেসব প্রথিতযশা আলেম ইন্তেকাল করেছেন, প্রায় সকলের জীবনীই সেখানে রয়েছে।

এই জীবনীগুলো যদি আমি বই আকারে প্রকাশ করতে চাই তাহলে বিরাট খরচের ব‍্যাপার। আবার প্রকাশের পর বহু খণ্ডে প্রকাশিত এই জীবনীসমগ্র যে আশানুরূপ বিক্রি হবে না, সে দুশ্চিন্তাও আছে। আবার বিক্রি না হলে প্রথম প্রকাশের পর এই মূল‍্যবান সমগ্র পরবর্তীতে আর কখনো প্রকাশ হবে না। ফলে দু-চার বছর পর এটা কালের অতলে বিলীন হয়ে যাবে।

অন‍্যদিকে যে বা যারা দীর্ঘ কয়েক বছর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় কাজে লাগিয়ে এত বিশাল কর্মের আঞ্জাম দিয়েছেন, তাদের সম্মানী-রয়‍্যালিটির ব‍্যাপারটা তো মাথায় রাখতে হবে। আবার সম্পাদনা ও আনুষঙ্গিক খরচও হবে ম‍্যালা।

কাজেই আমি যদি উদ্যোগ নেই যে—এই বিশাল জীবনীসমগ্র একটি ইন্টারএক্টিভ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশ করে দেব, তাহলে হয়তো ওয়েবসাইট তৈরি ও মেইনটেইনেন্স এবং সম্পাদনায় এককালীন একটা বড় অংকের বাজেট লাগবে, কিন্তু কাজটা হবে স্থায়ী এবং বিরাট সংখ্যক মানুষ বিনামূল্যে সকল জীবনী পড়তে পারবেন। সদকায়ে জারিয়ার বিরাট একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।

আমরা CSS Foundation থেকে এমনই একটি উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছি। ইনশাআল্লাহ শিগগিরই পুরো পরিকল্পনা আপনাদের সামনে পেশ করব।

এই উদ্যোগে আপনার পরামর্শ এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা
13/04/2026

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

আমাদের মূল প্রেরণা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে’র শাপলা ম্যাসাকার। সেই ঘটনায় আলেম-উলামাদের ওপর যে নির্মম হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হয়েছ...
09/03/2025

আমাদের মূল প্রেরণা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে’র শাপলা ম্যাসাকার। সেই ঘটনায় আলেম-উলামাদের ওপর যে নির্মম হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে, তার লিখিত ও নথিভুক্ত কোনো প্রামাণ্য দলিল আমাদের হাতে নেই। ফলে যে কেউ দাবি করে বসে যে, সেদিন শাপলা চত্বরে রাতের আঁধারে কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসাছাত্ররা বুকে মুখে রং মেখে শুয়েছিল। কিন্তু আমরা যদি এই হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে প্রমাণ করতে চাই, আমাদের কাছে কোনো ডকুমেন্ট পাই না। তাহলে কিসের ভিত্তিতে গণহত্যার দাবি করব?

এই চিন্তা থেকে জুলাই বিপ্লবের পরপরই আমরা দেশব্যাপী শহীদ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তালিকাকরণের কাজ শুরু করি। এই তালিকায় আপাতত মোট ৪২ জন শহিদের নাম, ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। প্রত্যেকজন শহিদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র যাচাইয়ের পর সকল তথ্য এখানে সন্নিবেশিত হয়েছে। অধিক গ্রহণযোগ্যতার জন্য ১৪টি আবশ্যিক তথ্য এবং ৫টি যাচাইকরণ নথি সংগ্রহের পরই শহীদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় কিছু শহীদের নাম এখনও তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের কাজ চলমান। শিগগির আমরা ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ সকল মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেমের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারব ইনশাআল্লাহ!

কাজটি বাস্তবায়ন করেছে আমাদের পরিচালিত CSSFoundation। ভবিষ্যতে এই ফাউন্ডেশন থেকে দেশ ও জাতির জন্য প্রয়োজনীয় আরও গবেষণাধর্মী কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

আমাদের কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে সাধারণ আলেম সমাজ। ইতিমধ্যে তাদের ফেসবুক পেজে আমাদের তালিকাটি চিত্র আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

(শহীদদের তালিকা কমেন্টে)

আমরা cssfoundation থেকে জুলাই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী কওমি ও আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করতে পেরেছি। আল...
14/12/2024

আমরা cssfoundation থেকে জুলাই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী কওমি ও আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ!

দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাইয়ের পর আমরা যে তথ্য পেয়েছি:
কওমি মাদরাসার শহীদ শিক্ষার্থী মোট ২৯ জন এবং আলিয়া মাদরাসার শহীদ শিক্ষার্থী মোট ২১ জন। দুই শিক্ষাধারার মোট মাদরাসা-শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ জন।

তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকজন শহীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাদের থেকে সত্যায়ন সংগ্রহ করেছি। অমুকে বলেছে বা তমুক তালিকায় নাম আছে, কেবলমাত্র এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা কোনো নাম গ্রহণ করিনি। প্রতিজন শহীদের নাম-পরিচয় সত্যায়নের ক্ষেত্রে আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোট ১৪টি তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো যাচাই করেছি। এসব তথ্য যাচাইয়ের পর শহীদের পরিচয়ের ব্যাপারে নিঃসন্দিহান হয়ে তার নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

আমাদের অনুসন্ধানে হয়তো দু-একজন মাদরাসাশিক্ষার্থীর নাম-পরিচয় বাদ থেকে যেতে পারে, সে দায় আমার স্বীকার করছি। তবে অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই করার পর আমাদের মনে হয়েছে, অনলাইনে কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শহীদদের যে দীর্ঘ তালিকা প্রকাশ করেছেন, সেখানকার অনেক নাম-পরিচয় ত্রুটিপূর্ণ ও অজ্ঞতাপ্রসূত।

অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন তালিকায় শহীদদের নাম নিয়ে আমাদের অনুসন্ধানের পর দেখা গেছে, এসব তালিকায় মাদরাসাশিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নাম যুক্ত হয়েছে। হয়তো তিনি দাড়ি-টুপিওয়ালা ছিলেন, অথবা মাদরাসা-সংলগ্ন কোনো ব্যবসায়ী, অথবা তাবলিগ করতেন, অথবা এমনও দেখা গেছে, মাদরাসাশিক্ষার্থীর বাবাকে শহীদ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আমরা অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিটি তালিকার প্রত্যেকজন শহীদের ব্যাপারেই অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাইয়ের পর আমাদের তালিকা প্রণয়ন করেছি। তবু এর বাইরে আরও দু-একজন শহীদের অন্তর্ভুক্তি যদি বাদ পড়ে যায়, তবে আমরা সেটা নতুন করে অনুসন্ধান করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

১৪টি তথ্যের মধ্যে ১২টি তথ্য দিয়ে আমরা প্রতিজন শহীদের পোস্টার কার্ড তৈরি করেছি। একান্ত ব্যক্তিগত হিসেবে ২টি তথ্য কার্ডে প্রকাশ করা হয়নি। আমরা আমাদের চূড়ান্ত তালিকা শিগগির প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ!

আল্লাহ আমাদের তওফিক দান করুন!

কী বলবেন বলেন! আমরা তো বিপ্লব করে স্বৈরাচারের তখত-তাউস উলটে ফেলে দিলাম। কত শক্তিধর রথী-মহারথীকে ধরে জেলে পুরে দিলাম। কিন...
20/10/2024

কী বলবেন বলেন! আমরা তো বিপ্লব করে স্বৈরাচারের তখত-তাউস উলটে ফেলে দিলাম। কত শক্তিধর রথী-মহারথীকে ধরে জেলে পুরে দিলাম। কিন্তু আমরা কি আমাদের ক্যারেক্টার চেঞ্জ করতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের মানুষের চরিত্র পরিবর্তন করতে পেরেছি? পারছি?

অমুককে বদল করলাম, তমুক পদে বৈষম্যবিরোধী দিগ্গজ কাউকে বসালাম, হেন ব্যবসায়ীকে হুমকি দিলাম; কিন্তু তাতে কী লাভ হবে? কয়জনকে বদল করতে পারব আমরা? উঁচু উঁচু পদগুলোতে চেতনায় উজ্জীবিত কাউকে বসাতে পারলেই সমগ্র বাংলাদেশ সুফি-দরবেশ হয়ে যাবে? ডিম-সবজির সিন্ডিকেটের হারামখোরেরা দ্বীনের পথে ফিরে আসবে? আড়ৎদার আর জোচ্চুর ব্যবসায়ীরা সহি তরিকায় ব্যবসা করবে? কী গ্যারান্টি? কোনো গ্যারান্টি নেই।

CSSFoundation থেকে শহীদ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পরিচয় অনুসন্ধান করতে গিয়ে এই তথ্য জানতে পারলাম শহীদের বাবার কাছ থেকে। দুঃখ কোথায় গিয়ে বলব, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

ছাত্রজনতার বিপ্লবে শহীদ হয়েছেন কিশোরগঞ্জের শিফাত উল্লাহ। জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপির পক্ষ থেকে দেয়া অনুদানের ৩ লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল কিছু ‘বাংলাদেশী মানুষ’। এরা সাধারণ মানুষ। কোনো সরকারী কর্মকর্তা বা ব্যবসায়ী না। এরা হারামখোর সাধারণ মানুষ। কিন্তু হারামখোরী শিখেছে বহু বহুদিন ধরে। এদের এই হারামখোরী কীভাবে বদলাবেন? শহীদের রক্তভেজা অনুদানের টাকা জোচ্চুরি করে ডাকাতী করতে পারে যারা, তাদের জন্য আপনার প্রেসক্রিপশন কী? কত বড় সাহস আর আর কত বড় হারামজাদা হলে শহীদকে দেয়া অনুদানের টাকা কেউ প্রলোভন দেখিয়ে মেরে দিতে পারে!

এই দেশের এমন মানুষকে যদি না বদলানো যায়, তাহলে বিপ্লব করে ফায়দা কী হবে? শুধু সংবিধান সংশোধন আর হাইকোর্ট দখলে নিলেই দেশ অলি-আউলিয়ায় সয়লাব হয়ে যাবে?

সবার আগে মানুষ বদলান। মানুষের মানসিকতা বদলান। তৃণমূলের মানুষের মনোজগত নিয়ে কাজ করেন। মনুষ্যত্ববোধ নামের যে জিনিসটা সুদূর তিরোহিত হয়েছে, সেই জিনিসটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।

জানি না আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানিগুলোতে নৈতিক শিক্ষা প্রদানের ধারা এখনও আছে কি-না। আমাদের দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় মসজিদে প্রতি জুমআর দিন খতিব সাহেব আমাদের এখনও ন্যায়-অন্যায়ের তফাত শেখায় কি-না, আমার জানা নাই। কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা, কোনটা ন্যায় আর কোনটা অন্যায়, কোনটা জাস্টিস আর কোনটা অবিচার--এই বোধ আমাদের মনে এখনও জাগ্রত হয় কি-না, আমার জানা নাই।

যদি সত্যি এসব বোধ আমাদের ভেতরে না থাকে তাহলে শুধু শুধু দেশ পালটানোর ওয়াজ আমাদের শোনাবেন না প্লিজ।

13/10/2024

আলহামদুলিল্লাহ!
জুলাই ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমদের তালিকা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। এই উদ্যোগে যারা আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন, যারা সহযোগিতা করেছেন এবং যারা আমাদের কাজের সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন, সকলের প্রতি আমাদের ভালোবাসা রইল।

শহীদদের তালিকা প্রণয়নের টেকনিক্যাল কাজটি যেমন সহজ ছিল না, তেমনি কাজটি করতে গিয়ে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের বার বার আবেগের কাছে হার মানতে হয়েছে। শহীদদের পরিবারগুলোর বুকফাটা আর্তনাদ, স্বজন হারানোর বেদনায় উদ্বেলিত মাতম বার বার তাদের বাকরুদ্ধ করেছে। দায়িত্ব ভুলে তাদের চোখও ভিজে উঠেছে বহুবার। তবু আবেগকে একপাশে সরিয়ে রেখে তাদের সংগ্রহ করতে হয়েছে শহীদের সঠিক তথ্য ও উপাত্ত।

আমরা সেসব অভিজ্ঞতা শেয়ার করব আপনাদের সঙ্গে, যেন আমরা কখনো আমাদের শহীদদের আত্মত্যাগ ভুলে না যাই। তাদের ত্যাগ যেন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের দায়িত্ব, আমাদের কর্তব্য।

জুলাই ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমদের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ, স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই ও বাছাই, শহীদ পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তথ্যের ভেরিফিকেশন, শহীদের পরিচয় শনাক্তে বিভিন্ন নথি ও উপাত্ত সংগ্রহ শেষ করে আমরা চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। এসব তথ্য এখন জার্নাল আকারে প্রকাশের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে আমরা আমাদের গবেষণা জার্নাল প্রকাশ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের তওফিক দান করুন!

28/08/2024

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ কওমি মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমদের তালিকা প্রণয়ন এবং এ বিষয়ে একটি গবেষণা জার্নাল প্রকাশের কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। আমরা অনলাইন, দৈনিক পত্রিকা ও মৌখিক বিবৃতি থেকে প্রাথমিক একটি তালিকা তৈরি করেছি। তবে এখনও হয়তো অনেক কওমি-শহীদের নাম-পরিচয় আমাদের অজানা রয়ে গেছে।

শিগগির আমরা আমাদের কাজের দ্বিতীয় ধাপে সরেজমিন ডাটা কালেকশ ও ডাটা অ্যানালাইসিসের কাজ শুরু করব।

এ জন্য এই উদ্যোগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আপনার জানা/জ্ঞাত শহীদ মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমের তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। আপনার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হতে পারে একটি জাতির গৌরবের ইতিহাস, একটি জাতির মাথা উঁচু করে বাঁচবার অভিলাষ।

(কমেন্টে তথ্য প্রদানের ফরম সংযুক্ত করা হলো!)

17/08/2024

স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে বিগত জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার বিপ্লবে শহীদ হন শত শত তরুণ তাজা প্রাণ। তাদের আত্মত্যাগ ও জীবনদানের বদৌলতে আমরা অর্জন করেছি আবার একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। তাই এই শহীদদের আত্মত্যাগ কভু ভুলবার নয়।

আমরা গৌরবের সঙ্গে জানাতে চাই যে, বৈষম্যবিরোধী এই আন্দোলনে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শামিল ছিলেন কওমি মাদরাসার হাজার হাজার শিক্ষার্থী। শুধু তাই নয়, রাজপথের আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে তারা নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বৈরাচার পতনের লড়াইয়ে। আর এই লড়াইয়ে পুলিশ ও আওয়ামী দুর্বৃত্তদের গুলি ও নৃশংস হামলায় শহীদ হয়েছেন অসংখ্য মাদরাসা-শিক্ষার্থী। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি তাদের।

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, সারা বাংলাদেশে ঠিক কতজন মাদরাসা-শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন, তার সঠিক তথ্য এখনও অজানা। অনলাইন-অফলাইনে আমরা বিচ্ছিন্নভাবে কিছু নাম, ছবি ও তথ্য পাই বটে, তবে সেসব তথ্যের সত্যতা যাচাই ও তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের অভাবে শহীদদের অমূল্য আত্মত্যাগের বিবরণ হারিয়ে যেতে বসেছে। আবার শহীদদের সকল তথ্য একসঙ্গে একীভূত না থাকার কারণে বিপ্লবী এ আন্দোলনে কওমি শিক্ষার্থীদের অবদান জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে না।

এ চিন্তা থেকে CSSFoundation বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ কওমি মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমদের তালিকা প্রণয়ন এবং এ বিষয়ে একটি গবেষণা জার্নাল প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উদ্যোগটি সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এই উদ্যোগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আপনার জানা/জ্ঞাত শহীদ মাদরাসা-শিক্ষার্থী/আলেমের তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। আপনার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হতে পারে একটি জাতির গৌরবের ইতিহাস, একটি জাতির মাথা উঁচু করে বাঁচবার অভিলাষ।

(কমেন্টে তথ্য প্রদানের ফরম সংযুক্ত করা হলো!)

05/08/2024

এ বিজয় তোমাদের, শুধুই তোমাদের...

সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ঈদ মুবারক
16/06/2024

সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

ঈদ মুবারক

Address

Islami Tower, Banglabazar
Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CSS Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share