13/05/2026
সুস্থ একটা মানুষ…
এইতো একটু আগেও হাসছিল, কথা বলছিল, বাজারে গিয়েছিল, অফিস করছিল।
হঠাৎ শুনি স্ট্রোক করেছে।
কেউ কয়েকদিন আইসিইউতে থেকে চলে যায়।
কেউ বেঁচে থাকে, কিন্তু শরীরের একপাশ আর নড়ে না।
কেউ কথা হারিয়ে ফেলে।
কেউ নিজের পরিবারকেও চিনতে পারে না।
এমন দৃশ্য এখন এত কমন হয়ে গেছে যে চারপাশে তাকালেই দেখা যায়।
স্ট্রোক অনেক সময় হঠাৎ শুরু হয় না।
শরীরের ভেতরে, বছরের পর বছর ধরে তৈরি হতে থাকে।
আমাদের গলার দুই পাশে যে carotid artery আছে, সেটা মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়।
ধীরে ধীরে এই রক্তনালির ভেতরে চর্বি, কোলেস্টেরল আর ময়লা জমতে থাকে।
বাইরে থেকে মানুষ পুরোপুরি স্বাভাবিক দেখায়।
হাসছে, ঘুরছে, কাজ করছে…
কিন্তু ভেতরে রক্ত যাওয়ার রাস্তা সরু হয়ে যাচ্ছে।
একসময় হয়
সেখানে রক্ত জমাট বাঁধে
অথবা
জমে থাকা অংশ ছিঁড়ে মস্তিষ্কে চলে যায়
আর তখনই হয় স্ট্রোক
না ব্যথা।
না কোনো বড় লক্ষণ।
হঠাৎ
মুখ বেঁকে যায়
কথা জড়িয়ে যায়
হাত-পা অবশ হয়ে যায়
চোখে দেখতে সমস্যা হয়
অথবা মানুষটা হঠাৎ মাটিতে পড়ে যায়
“এইতো একটু আগেও ঠিক ছিল…”
স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় যেগুলো:
উচ্চ রক্তচাপ
ডায়াবেটিস
ধূমপান
উচ্চ কোলেস্টেরল
ওজন বেশি হওয়া
হাঁটাচলা কম করা
অতিরিক্ত স্ট্রেস
নিয়মিত চেকআপ খুব জরুরি।
রক্তচাপ, সুগার, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
হাঁটাচলা, ব্যায়াম, ধূমপান ছেড়ে দেওয়া
এগুলো জীবন বাঁচানোর বিষয়।
স্ট্রোক একদিনে হয় না।
এটা তৈরি হয় ধীরে ধীরে, যা বুঝে উঠতে উঠতেই অনেক দেরি হয়ে যায়।
আপনার পরিচিত কেউ স্ট্রোক করেছেন.?
করলে তাঁর যত্ন নিন, ফিজিওথেরাপি + সঠিক যত্ন,ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি, আর ২ ঘন্টা পর পর পজিশন পরিবর্তন করে দিন.।
ডা.আব্দুর রহমান .