Save The Nature Of Bangladesh - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Save The Nature Of Bangladesh - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

Save The Nature Of Bangladesh - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা Our Nature Our Right,
Save The Nature Join The fight
স্লোগানকে ধারন করে Save The Nature Of Bangladesh এর পতাকা তলে সামিল হই।

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে যখন দেশে পরিবেশ রক্ষায় সমৃদ্ধ পরিবেশ আইন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইন ছিলনা তখনই এদেশের সবুজ সারথী দেশপ্রেমিক সেচ্ছাসেবী তরুণদের নিয়ে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃ

হৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রাতিষ্টানিক ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীতে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবিরা । ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্ণী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে ।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

শুভেচ্ছান্তে
আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বন মামলার নথি বদলের গুরুতর অভিযোগ! বনের বুক চিরে তখনও থামেনি করাতের শব্দ। ভোর...
12/07/2026

বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে বন মামলার নথি বদলের গুরুতর অভিযোগ!

বনের বুক চিরে তখনও থামেনি করাতের শব্দ। ভোরের নীরবতা ভেঙে শতবর্ষী শালগাছ একের পর এক লুটিয়ে পড়ছিল মাটিতে। কাটা গাছের গুঁড়ি সরানোর আগেই পরিমাপ হচ্ছিল নতুন দখলের সীমানা। সরকারি সংরক্ষিত বনভূমির বুক চিরে গড়ে উঠছিল বসতি, শিল্প-কারখানা আর দখলের নতুন নতুন অধ্যায়। বন বিভাগের কাছে খবরও পৌঁছেছিল। মনে হয়েছিল, এবার হয়তো ধরা পড়বে বনদস্যুদের মূল হোতারা। কিন্তু নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ঘটনাপ্রবাহ শেষ পর্যন্ত অন্য দিকেই মোড় নেয়।

একটি অভিযান, একজন গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠানো লিখিত স্বীকারোক্তি এবং মামলার সঙ্গে সংযুক্ত সরকারি নথি সবকিছুই ইঙ্গিত করছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দিকে। ধৃত ব্যক্তির জবানবন্দিতে উঠে আসে আরও তিনজনের নাম, যাঁদের একজনকে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে বনভূমি দখল ও গাছ কাটার মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে চিহ্নিত করে আসছিলেন। কিন্তু মামলা আদালতে পৌঁছানোর আগেই অভিযোগপত্র থেকে উধাও হয়ে যায় সেই নামগুলো। শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয় শুধু হাতেনাতে গ্রেপ্তার হওয়া একজনকে।

প্রতিবেদকের হাতে আসা সরকারি নথি, পিওআর মামলা, লিখিত জবানবন্দি, দাপ্তরিক চিঠিপত্র এবং বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শুধু এই একটি মামলাই নয় গত দুই দশকে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনভূমি দখল, গাছ নিধন এবং প্রভাবশালী দখলদারদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার পেছনে বন বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে বারবার উঠে এসেছে তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ. এস. এম. জহির উদ্দিন আকনের নাম। তিনি বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ভাওয়াল রেঞ্জের অধীন রাজেন্দ্রপুর পশ্চিম বিটের ৪ নম্বর বাড়ইপাড়া মৌজার গেজেটভুক্ত সিএস ২০৮৭ দাগে সংরক্ষিত বনভূমির কড়ইতলী এলাকায় ২০১৬ সালে অবৈধভাবে গাছ কাটার সময় রাশেদুল ইসলাম নামে একজনকে হাতেনাতে আটক করেন তৎকালীন বিট কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ও তাঁর সহকর্মীরা। অভিযানের সময় অন্য তিন জন অভিযুক্ত পালিয়ে যান।

বন আইনের বিধান অনুযায়ী ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লিখিত জবানবন্দিসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাজীপুরের বন আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাঁকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান।

মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদুল ইসলাম লিখিতভাবে স্বীকার করেন, তিনি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি মনির হোসেন ওরফে মনির হাজীর নির্দেশে তাঁর বাবা শামছুল হক ও মা জোসনা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে সংরক্ষিত বনভূমিতে গাছ কাটতে গিয়েছিলেন।

এই জবানবন্দির ভিত্তিতে তৎকালীন বিট কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম চারজনের নাম উল্লেখ করে বন আইনের ১৯২৭ সালের আইনের (২০০০ সালের সংশোধনী) ২৬(১)(ক) ও ২৬(১)(খ) ধারায় পিওআর মামলা নম্বর–৩/রাজ (প)/২০১৬–১৭ প্রস্তুত করেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র রেঞ্জ কর্মকর্তার মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠান।

পরবর্তীতে তৎকালীন রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহ মো. হোসেন তাঁর দপ্তরের পিওআর নং–৪/ভারে/২০১৬–১৭ মূলে মামলার নথি বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে পাঠান, যাতে তা গাজীপুর বন আদালতে উপস্থাপন করা যায়। যার মামলা নং ১৯৫/২০১৬। প্রতিবেদকের হাতে থাকা নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছানোর পরই মামলার গতিপথ বদলে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম জহির উদ্দিন আকন চারজনের পরিবর্তে শুধু ধৃত রাশেদুল ইসলামের নাম রেখে নতুন করে মামলা পাঠানোর নির্দেশ দেন। ফলে জবানবন্দিতে নাম থাকা বাকি তিনজনকে বাদ দিয়ে আদালতে মামলা পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তৎকালীন রাজেন্দ্রপুর পশ্চিম বিটের কর্মকর্তা (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ধৃত আসামির লিখিত স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলার নথি প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলাম।

তাঁর দাবি, ধৃত আসামির জবানবন্দী মতে অন্য তিনজনের নাম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে একই মামলায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে কেন এমন পরিবর্তন করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তৎকালীন রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহ মো. হোসেনের (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার নথি প্রস্তুতের সঙ্গে যুক্ত এক সহযোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ এস এম জহির উদ্দিন আকন চারজনের পরিবর্তে ধৃত আসামী ছাড়া বাকী তিনজনের নাম বাদ দিয়ে নতুন করে মামলা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিলে তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান। তাঁর দাবি, পরে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার তাকে কার্যালয়ে ডেকে মামলার প্রথম পাতার মূল কপি পরিবর্তন করা হয় এবং পলাতক তিনজনের নাম বাদ দিয়ে কেবল ধৃত আসামী রাশেদুল ইসলামকে আসামি রেখে পুনরায় মামলা লিখে আদালতে পাঠানো হয়।

প্রতিবেদকের হাতে থাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, আদালতে পাঠানো চূড়ান্ত কপিতে ধৃত রাশেদুল ইসলাম ছাড়া অন্য তিনজন পলাতকের নাম নেই।

মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে স্থানীয় বাসিন্দা ও বন-সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির দাবি, জবানবন্দিতে নাম থাকা মনির হোসেন ওরফে মনির হাজী দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বনভূমি দখল ও গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত বলে পরিচিত। তার দখলে বর্তমানে কয়েক কোটি টাকার বনভূমি দখলে রয়েছে বলেও জানান তারা। তাঁদের অভিযোগ, অবিভক্ত রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জে শিক্ষনবিশ দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম জহির উদ্দিন আকনের সঙ্গে ওই ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের কারণেই মামলায় তার নামসহ তিনজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বন আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো মামলার তদন্ত শেষে যিনি মামলা দাখিল করেন, তাঁর প্রস্তুত করা নথিতে আসামির নাম পরিবর্তনের এখতিয়ার অন্য কারও নেই। বন আইনে তদন্তে নতুন তথ্য এলে বা সংযোজন বা বিয়োজনের প্রয়োজন হলে তা আদালতের নির্দেশ বা আইনসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলা দাখিলকারী কর্মকর্তার সাহায্যে সম্পন্ন করতে হয়। এ কারণে জবানবন্দিতে নাম থাকা তিনজনকে বাদ দেওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনভূমি দখল, অবৈধ গাছ কাটা এবং প্রভাবশালী দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ বহু বছর ধরেই রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম তৎকালীন বিভাগীয় বন এ এস এম জহির উদ্দিন আকন।

স্থানীয় পরিবেশবাদী, বন রক্ষা আন্দোলনের কর্মী ও সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, বন বিভাগের এ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা বনভূমি রক্ষার পরিবর্তে দখলদার ও কাঠচোরদের সঙ্গে যোগসাজশ করায় একের পর এক বনভূমি বেহাত হয়ে আসছে।

তাঁদের দাবি, মামলার নথিতে তিনজনের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং বনভূমি দখল ও বনজ সম্পদ লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আর্থিক অনৈতিক সুবিধার একটি উদাহরণ। পরিবেশবাদীদের দাবি, এ ঘটনায় জড়িত এ. এস. এম. জহির উদ্দিন আকনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

গাজীপুর আদালতের বন মামলার পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো মামলার বিষয়ে তথ্য দেওয়ার সুযোগ নেই। অনুমতি পেলে প্রয়োজনীয় তথ্য আপনাকে জানাব।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বর্তমানে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন আকনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি প্রথমে অফিসে গিয়ে দেখা করার কথা বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লিখিতভাবে বক্তব্য জানতে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি বার্তাটি দেখেছেন (সিন) কিন্তু কোনো জবাব দেননি।

একই বিষয়ে বক্তব্য জানতে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লিখিতভাবে বক্তব্য জানতে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

https://www.dailysokalersomoy.com/news/156155?fbclid=IwdGRjcATA5ItjbGNrBMDjaWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHg1GcJd6XKrFgIG-MiWx8mjds7xG8-YYCoAZMR53uTOlN1MUJBgVGM1Y56By_aem_1xv0OHmebEftxVXY4FwGtg

বন মামলার নথি বদল

12/07/2026

Address

Dhaka
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature Of Bangladesh - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share