11/06/2026
জীবনে প্রথমবার আজ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে গেছিলাম। প্রথমবার মরে পচে যাওয়া লাশের গন্ধ কেমন জানলাম। এক্সিডেন্টে সদ্য হাতের কবজি হারানো সিএনজিওয়ালা, মারামারি করে কো*প খাওয়া কিশোরের রক্তে ভেজা কাপড়ে কাঁপতে থাকা দেখলাম। যখন-তখন ডেলিভারি হবে এমন মহিলাকে ফ্লোরে কিংবা মাত্রই স্ট্রোক করলো এমন বৃদ্ধকে দেখলাম। নাকমুখ চেপে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে বমি করার আগেই বেড়িয়ে গেছি।
মেয়েকে সঙ্গে নিছিলাম জাস্ট দেখাতে যে টাকা না থাকলে কোথায় চিকিৎসা নিতে হয়।
যে ইনজেকশন আমি ওখানে ফ্রি-তে পেতাম সেটা এসি রুমে বসে অতি যত্নসহকারে নিলাম ৮৯০টাকা দিয়ে।
জীবন নিয়ে অতি আক্ষেপ থাকলে সরকারি হাসপাতালে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে আসতে পারেন। এরপর সত্যিই আপনি জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞ হবেন।
যেসব ডাক্তারেরা এসব হাসপাতালে চাকরি করে তাদের জন্য ভালোবাসা। সত্যিই খুব কঠিন চাকরি।
লিখেছেন :শাহরিয়া দিনা