Uttara Nari Kallyan Parishad

Uttara Nari Kallyan Parishad Social & Nonpolitical organization, Serve to poor woman.

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Tina Nandy, Sudipta Sarker, Topote Bhattacharjee
15/04/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Tina Nandy, Sudipta Sarker, Topote Bhattacharjee

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের প্রিয় বোনেরা সবাই কে জানাই বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা ♥ ♥।  পুরাতন সব গ্লানি সব জরাজীর্ণতা...
14/04/2026

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের প্রিয় বোনেরা সবাই কে জানাই বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা ♥ ♥। পুরাতন সব গ্লানি সব জরাজীর্ণতা, সব মান অভিমান ভুলে চল সবাই এগিয়ে যাই নতুনের আহবানে । নতুন বর্ষ বয়ে আনুক সবার জীবনে সুখ সমৃদ্ধি, স্বস্তি শান্তি । সবার জীবন সাফল্যমণ্ডিত হোক পরম করুণাময়ের কাছে সেই প্রার্থনা।

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সকল বাঙালী ভাই বোনেদের সহ পৃথিবীর সকল মানুষ কে জানাই শুভ নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। নতুন বছরে সবাই ভাল থাকুন সেই সাথে অন্যদেরকে ও ভাল রাখুন।

শুভ নববর্ষ ❤️❤️❤️❤️
১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ এপ্রিল ২০২৬,  উদযাপিত হল উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।  খুব সাড়ম্বরে না হলেও পরিচ্ছন্ন ছিমছাম ও আনন্দ...
12/04/2026

৯ এপ্রিল ২০২৬, উদযাপিত হল উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। খুব সাড়ম্বরে না হলেও পরিচ্ছন্ন ছিমছাম ও আনন্দঘন পরিবেশে দিনটি উদযাপন করা হয়েছে । সংগঠনের প্রত্যেক টি সদস্য তাদের মেধা শ্রম সর্বোপরি অর্থায়নে অংশ গ্রহণ করে অনুষ্ঠান টি কে প্রাণবন্ত এবং ফলপ্রসূ করে তুলেছেন। আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আমাদের সকলের প্রিয় দিলারা জামান আপা। ওনার মাতৃ সুলভ আচরন আমাদের কে মুগ্ধ করেছে। কারো শাড়ির আঁচল ঠিক করে দিচ্ছেন তো কারো ঘ্ণ চুলের বিনুনি ধরে আদর করে দিচ্ছেন। তাছাড়া ও উনি উক্ত অনুষ্ঠানে আমাদের অনুদান দিয়ে ভীষণ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। সত্যি এক কথায় আমরা আপ্লূত। ওনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু প্রার্থনা করি। এমন ব্যক্তিত্ব আমাদের সাথে থাকলে এই সংগঠনের কলেবর খানি অনেক দূর এগিয়ে যাবে নি:সন্দেহে।

উপস্থিত ছিলেন আর এক মহীয়সী নারী জয়ন্তী রায় মহোদয়। মুক্তিযোদ্ধা ও অর্থনীতিবিদ অজয় রায়ের সহধর্মিণী। যাঁর নব বিবাহিত জীবন শুরু হয়েছিল মুক্তি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আজীবন নিরলস কর্মী সারা জীবন নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার সর্বোপরি নারীর সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছেন । উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের কর্ম পরিধি এবং উক্ত অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি । এবং তিনি আমাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন । আমরা ওনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু প্রার্থনা করি।

উক্ত অনুষ্ঠানে বেশ কিছু নতুন সদস্য উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের সাথে যুক্ত হয়েছেন । সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি সুদীপা বড়ুয়া মহোদয় তাদের লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানিয়ে, তাদের অভিষেক করান এবং শপথ নামা পাঠ করান। সবার নাম উল্লেখ করলে পুঁথি বেড়ে যায় তথাপি সুচিত্রা মোদক দিদির কথা না বললে কি যেন অসমাপ্ত থেকে যাবে। দিদির অনুপ্রেরণা মুলক বক্তব্যে উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হয়েছেন। আমরা সবাই নতুন সদস্যদের সুস্বাগত জানাচ্ছি , দিদিরা আপনারা সবাই আমাদের পাশে থেকে সংগঠন কে আরও সমৃদ্ধ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি ।

খুব শান্ত সাবলীল কিন্তু বর্ণময় বর্ণাঢ্য একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দিয়েছে অমাদের সংগঠনের গুণী শিল্পী বৃন্দ । গান কবিতায় কখন যে একটা সন্ধ্যা রাতের দিকে গড়িয়ে গেল বুঝতে ই পারলাম না। প্রত্যেক শিল্পীর গান, আবৃত্তি ছিল হৃদয় স্পর্শ করার মতো । একজনের কথা বিশেষ ভাবে বলতে হচ্ছে, আমাদের শান্ত সৌম্য ছোট বোন সুপ্রিয়া চৌধুরী । অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল তার উপর। অনবদ্য উপস্থাপনা ছিল তার, প্রশংসা করলে কম বলা হবে। অনেক অনেক ভালবাসা সুপ্রিয়া ❤️❤️। পরিশেষে সকল সদস্যদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন। তোমরা সবাই এভাবেই সংগঠন কে এগিয়ে নিয়ে যাও সেই আশাবাদ রাখি।

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ সব সময় আর্ত মানবতার সেবায় নিয়োজিত । বেশ কিছু দরিদ্র মেধাবী ছাত্রীদের পড়াশোনা করার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কর্মজীবী নারীদের আর্থিক ভাবে সচ্ছল করে তোলার জন্য শেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবছর ও দুজন কর্মজীবী নারী কে শেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। যে কোন প্রাকৃতিক ও জাতীয় দুর্যোগে অত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। তীব্র শীতে শীতার্ত জনগোষ্ঠীর মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করার পাশাপাশি তীব্র দাবহাহে সরবত, পানীয় এবং ওরস্যালাইন বিতরণ করা হয়।উত্তরায় বসবাসরত বিত্তবান মানুষেরা অনেক সময় আমাদের আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন । আমি উত্তরার সকল স্তরের মানুষের কাছে আহবান জানাই আপনারা ও এগিয়ে আসুন, আমাদের এই সেবামূলক কাজের অংশীদার হোন। জয় হোক মানবতার জয় হোক উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের।

14/03/2026
আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার,সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার - এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংল...
08/03/2026

আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার,
সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার - এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ও পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস -২০২৬।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বিশ্বের সকল নারীদের জানাই সংগ্রামী শুভেচ্ছা ♥ ♥। বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হোক নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার সর্বোপরি নারীর সম্মান ।

শীত বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২০২৬, আয়োজনে -" উত্তরা নারী কল্যাণ  পরিষদ ", অত্যন্ত সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে ।    আমরা পাঁ...
22/01/2026

শীত বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২০২৬, আয়োজনে -" উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ ", অত্যন্ত সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে । আমরা পাঁচ জন ( স্মৃতি ঘোষ, মনি কণা, সুদীপ্তা হালদার, বনানী বিশ্বাস, নন্দিতা রায় ) সশরীরে উপস্থিত থেকে অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছি। সম্মানিত সদস্য বনানী বিশ্বাসের নেতৃত্বে কেরানীগঞ্জ থানাধীন চারটি গ্রামে দুই দফায় কম্বল গুলো অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে বিতরণ করা হয়েছে । গ্রাম গুলোর নাম জায়াইল বর্মন পাড়া, ছোট মনহরিয়া মুসলিম পাড়া, বড় মনহরিয়া এবং কোনা খোলা গ্রাম। দুটি স্পটের দূরত্ব ছিল প্রায় দশ - বার কিলোমিটার । এই কর্মসূচি করতে গিয়ে আমাদের অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছে , আমরা দেখে এলাম সকল ধর্ম বর্ণের মেলবন্ধনে এরা কতটা নিরাপদ জীবন যাপন করছে। এরা সবাই খেটে খাওয়া দরিদ্র শ্রেণির মানুষ। যারা যেতে পারোনি তারা ভীষণ মিস করেছ, কোনাখোলা গ্রামে কাঠের চুলায় রান্না খিচুড়ি এবং সবজি দিয়ে আমাদের দুপুর বেলায় আপ্যায়ন করা হয়েছে । উফ সে কি স্বাদ, আহা ভোলার নয়। আমরা সবাই সকালে হালকা নাস্তা করেই বেরিয়ে পড়েছিলাম। দুপুর বেলায় আসলে আমরা সবাই খুদার্ত ছিলাম, তাই ওই দরিদ্র মানুষের সামান্য অথচ অসাধারণ আপ্যায়ন আমাদের খুব তৃপ্ত করেছে। আমরা বিকেল ৪:৩০ টা নাগাদ নিরাপদে নিজ নিজ বাসায় ফিরে এসেছি।

সব শেষে সায়কা মুন মুন কে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কারণ সে এই কর্মসূচি তে ১০০ পিস কম্বল অনুদান দিয়ে এই কর্মসূচি করতে সহযোগিতা করেছে । ধন্যবাদ জানাচ্ছি বনানী বিশ্বাস কে ওর অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য আমরা তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করতে পেরেছি । আগামী কর্মসূচি গুলোতে সবাইকে অংশ গ্রহণ করতে অনুরোধ করছি । আসলে সংগঠনের সকলের অংশ গ্রহণে কোন কাজ করলে সেই কর্মসূচি গুলো আরও সুন্দর ও ফলপ্রসূ হয়। যারা অংশ গ্রহণ করেছ সবাইকে সংগঠনের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ।

নিবেদনে

নন্দিতা রায়
সাধারণ সম্পাদক
১৭-০১- ২০২৬
শনিবার ।

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২৬ - এ ও উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ আয়োজন করে পিঠা উৎসব ।  সংগঠনের সম্মানিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্যামলী...
22/01/2026

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২৬ - এ ও উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ আয়োজন করে পিঠা উৎসব । সংগঠনের সম্মানিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্যামলী রায় মহোদয়ের বাসায় সকলের অংশ গ্রহণে এক আনন্দঘণ পরিবেশে পিঠা উৎসব পালিত হয়। সবাই নিজের হাতে তৈরি পিঠা পায়েস, চপ, ফুলুরি, পুডিং, মিষ্টান্ন, নানা রকমের ঝাল পিঠা, মোমো ইত্যাদি নানাবিধ সুস্বাদু খাবার নিয়ে এসেছিল। এই সংগঠনের নারীরা অনেকে আছেন যারা চাকরি করেন, অনেকে আছেন সংসার সামলান তারপরও তারা সবাই রান্না থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক কাজে সুপনিপুণ, তাঁদের নিপুণ হাতের রান্না অসাধারণ! তাঁরা ব্যবসা বাণিজ্য সামলান। অনেকে আছেন যাঁরা প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের সম্মানিত সদস্যরা শুধু আনন্দ অনুষ্ঠান ই করে না, পাশাপাশি তাঁরা নানাবিধ সমাজ সেবা মূলক কর্মসূচি ও করেন। যে কোন জাতীয় দুর্যোগে , প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম করে থাকে, দরিদ্র মেধাবী ছাত্রীদের পড়াশোনায় সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করেন। তাঁরা নিজস্ব অর্থায়নে এসব জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম করে থাকে। উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের সম্মানিত সকল সদস্যকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা । জয় হোক মানবতার, জয় হোক উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের ।

নিবেদনে ঃ

সভাপতি : সুদীপা বড়ুয়া ও
সাধারণ সম্পাদক :নন্দিতা রায়
তারিখ - ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:

আজ ২৫ ডিসেম্বর, যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন।  মধ্য রাত থেকে শুরু হয়েছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যখন এই মহামানব ধরায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন ...
25/12/2025

আজ ২৫ ডিসেম্বর, যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন। মধ্য রাত থেকে শুরু হয়েছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যখন এই মহামানব ধরায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন - ভালবাসা, ক্ষমা, সৌহার্দ্য -সম্প্রীতি, মিলন ও মুক্তির বার্তা নিয়ে। যিশুখ্রিষ্ট নামের অর্থ পরিত্রাতা। পবিত্র বাইবেল অনুসারে মানুষকে পুণ্যের পথে পরিচালিত করার জন্য যিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন ঈশ্বর। যুগে যুগে পৃথিবীতে এমন মহা- মানবের আগমন হোক, সেই প্রার্থনা করি।

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ এর পক্ষ থেকে সমগ্র বিশ্ববাসী সহ সকল খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের জানাই বড়দিনের শুভেচছা ও শুভকামনা। Merry Christmas to all.

রোকেয়া দিবসে উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ
20/12/2025

রোকেয়া দিবসে উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদ

আশালতা বৈদ্য: একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে দুঃসাহসী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার, যিনি...
16/03/2025

আশালতা বৈদ্য: একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে দুঃসাহসী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার, যিনি কোনো রাষ্ট্রীয় সম্মান পাননি। স্বাধীনতার মাসে আসুন মহিয়সী সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার বীরত্বের গল্প শুনি।

“১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে একদিন রাজাকারেরা তাদের বাড়িতে বাবা হরিপদ বৈদ্যর কাছে চিঠি দিল, ‘আপনার দুটো মেয়ে আছে, ওদেরকে পাকবাহিনীর কাছে তুলে দিতে হবে, অন্যথায় পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হবে’। দুই মেয়ে আশালতা ও তাঁর বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি পেয়ে হরিপদ বাবু ও স্ত্রী সরলাময়ী ভারতে চলে যাওয়ার চিন্তা করতে থাকেন। দিনও ঠিক হলো। মঙ্গলবার চলে যাবেন তার ঠিক এক দিন আগে সোমবার রাতে এই ঘটনা জেনে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার হেমায়েত বাহিনীর প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন এলেন হরিপদ বৈদ্যের বাড়িতে। হরিপদ বৈদ্যকে বললেন ‘মাস্টার বাবু ছেলে হোক বা মেয়ে হোক একজনকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য আমাকে দিতে হবে’। পিছনে থেকে আশালতা বলে উঠলো, বাবা আমি যাবো যুদ্ধে। হেমায়েত উদ্দিন বললেন এইত পেয়ে গেছি। মেয়ের আগ্রহ দেখে বাবাও আর আপত্তি করলেন না। শুধু বললেন, ‘ও নিজে থেকে যু'দ্ধে যেতে চাইলে আমি অবশ্যই বাধা দেব না, দেশের জন্য ওকে আমি উৎসর্গ করলাম।’

আশালতাকে নিজের মাতৃভূমিতে থেকে দেশমাতৃকা তথা মা বোনের সম্মান রক্ষার্থে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন হেমায়েত উদ্দিন। আশালতা উদ্বুদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিবেন। হেমায়েত উদ্দিন খুশি হলেন। আশালতাকে কাছে নিয়ে হ্যান্ডশেক করলেন এবং বললেন, ‘তুই কালকে সকাল বেলা ৩০-৪০/৪০-৫০ জন মেয়ে গুছিয়ে লেবুবাড়ি স্কুলে আসবি, পারবি?’ আশালতা জানালেন পারবো।

হেমায়েত উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে বলেছেন একথা শুনে অন্যরা সবাই সঙ্গে সঙ্গে স্বেচ্ছায় রাজি হলো। ছোট দুই বোন এবং ভাই হরগোবিন্দসহ মোট ৪৫ জন সহপাঠী ও প্রতিবেশী মেয়ে নিয়ে তিনি লাটেঙ্গা লেবুবাড়ী সরকারি প্রাথমিক স্কুলে উপস্থিত হলেন।

আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায়। ১৬ বছর বয়সী আশালতা ৮ ও ৯ নং সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব সেক্টর কমান্ডার হেমায়েত মহিলা বাহিনীতে যোগ দেন। সেখানে ৩৫০ জন নারী মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীর একমাত্র কমান্ডার ছিলেন আশালতা বৈদ্য।

নেতৃত্ব দিয়েছেন ৪৫ জনের সশস্ত্র নারী গে'রিলা দলকে। তিনি তাদের নিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। হেমায়েত বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয় বরিশালের হেরেকান্দি হাইস্কুলে ও লেবুর বাড়ি প্রাইমারি স্কুলে। স্বল্পসময়ের প্রশিক্ষণে আশালতা বৈদ্য অস্ত্র পরিচালনা এবং যুদ্ধকৌশলের উপর আশ্চর্যজনক পারদর্শিতা লাভ করেন। অস্ত্র প্রশিক্ষণে সেখানে ফাস্ট হলেন।

এরপর অংশগ্রহণ করলেন বেশ কয়েকটা যুদ্ধে যার ভেতর কলাবাড়ি যুদ্ধ, হরিনাহাটি যুদ্ধ, রামশীল পয়সার হাট যুদ্ধ অন্যতম।

আশালতার সাহসিকতায় ক্যাম্পের ২৪ জন নারীকে নিয়ে হেমায়েত উদ্দিনের আদেশে আলাদা একটা নারী কমান্ডো তৈরি করা হয়েছিল, যার নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। যাঁদের কাজ ছিল শত্রুর অবস্থান রেকি করা, ছদ্মবেশে গেরিলা আক্রমণ করা এবং সুইসাইড স্কোয়াড হিসেবে কাজ করা। আশালতা সহ তার কমান্ডের সকলেই সুইসাইড স্কোয়াড হিসেবে কাজ করার জন্য ছিলেন সদা প্রস্তুত।

রামশীল নদী পাড়ে একদিন লঞ্চে করে রাজাকারেরা পাকিস্তানি বাহিনীকে সাথে নিয়ে আসে। সেখানে আশালতা এবং তাঁর সহযোদ্ধাদের ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় যুদ্ধ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের জয় হয়েছিল সেদিন।

গোপালগঞ্জে ছোটোখাটো অনেক গেরিলা যুদ্ধ ছাড়াও ২২টি বড় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন আশালতা বৈদ্য। শুধু প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করেছেন নিজ হাতে। এই অপ্রতিরোধ্য নারী যোদ্ধা সেদিন যুদ্ধকেই ধ্যানজ্ঞান করেছিলেন।

স্বাধীনতার পর তাদের টিম শরণার্থীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন।

স্বাধীনদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে তিনি উচ্চশিক্ষা শেষ করেন। ১৯৮০-এর দশকে নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে গড়ে তোলেন ‘সূর্যমুখী সংস্থা’। বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগেও তিনি মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আশালতা বৈদ্য তার বৈচিত্র্যময় জীবনের সেবামূলক কাজের জন্য ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বাছাই কমিটিতে মনোয়ন পেয়েছিলেন। যদিও একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি কোনো রাষ্ট্রীয় উপাধি পাননি। তেমন কেউ চেনেও না তাঁকে।“

কার্টেসি: গিরিধর দে

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি ইংরেজি নতুন বছর ২০২৫ এর অফুরান শুভেচ্ছা ।  সেই সাথে উত্তরা নারী কল্...
31/12/2024

উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি ইংরেজি নতুন বছর ২০২৫ এর অফুরান শুভেচ্ছা । সেই সাথে উত্তরা নারী কল্যাণ পরিষদের সম্মানিত সদস্যদের জানাই নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। নতুন বছর সবার জন্য বয়ে ন
আনুক সুখ- সমৃদ্ধি, স্বস্তি- শান্তি ও সফলতা ।

Happy new year 2025 to all.

Address

Sector 06, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801711852466

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttara Nari Kallyan Parishad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Uttara Nari Kallyan Parishad:

Share