Umasichc

Directions

Umasichc উপজেলা মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র

📢 উপজেলা মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে - নিয়োগ চলছে !সারা দেশে বিভিন্ন পদে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। নারী...
14/10/2026

📢 উপজেলা মা ও শিশু কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে - নিয়োগ চলছে !

সারা দেশে বিভিন্ন পদে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীরা সহজেই আবেদন করতে পারবেন।

💼 দক্ষ/অদক্ষ উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন।
🚨 সারা দেশে প্রতি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়োগ চলছে।
👩 নারী/শিক্ষার্থী ও উপজাতী প্রার্থীদের বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
🎓 অষ্টম শ্রেনী/এসএসসি/এইচএসসি পাশেও সকল ধরনের প্রার্থী আবেদন করতে পারবে।
━━━━━━━━━━━━━━━
━━━━━━━━━━━━━━━
🌟 সুযোগ-সুবিধা:
✅ আকর্ষণীয় বেতন ও ভাতা
✅ নিজ জেলা/উপজেলায় কাজের সুযোগ
✅ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজ শেখানো হবে
✅ নারী প্রার্থীদের বিশেষ অগ্রাধিকার
✅ অফিস ও ফিল্ড উভয় ধরনের কাজের সুযোগ
✅ শিক্ষার্থী ও পার্ট-টাইম আগ্রহীদের আবেদন করার সুযোগ
━━━━━━━━━━━━━━━
👩 নারী/শিক্ষার্থী ও উপজাতী প্রার্থীদের বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করা
━━━━━━━━━━━━━━━
📌 আবেদনের জন্য নিচের দেয়া আবেনপত্র ফরমটি কপি করে আপনার তথ্য (অবশ্যই বাংলায়) পূরণ করে অফিসিয়াল ফেজবুক মেসেঞ্জারে পাঠানঃ

১। পদের নামঃ
২। নামঃ
৩। পিতার নামঃ
৪। মাতার নামঃ
৫। জন্ম তারিখঃ
৬। ঠিকানাঃ
৭। জেলাঃ
৮। উপজেলাঃ
৯। ধর্মঃ
১০। লিঙ্গঃ
১১। বৈবাহিক অবস্থাঃ
১২। মোবাইল নংঃ
১৩। হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারঃ
১৪। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
━━━━━━━━━━━━━-----------------------------------━
📌 বি:দ্র: আবেদন করার ২৪/৪৮ ঘন্টার মধ্যে আবেদনের আপডেট জানানো হবে। বাছাইকৃত প্রার্থীর সাথে সকাল ৮:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টার মধ্যে ফোনে যোগাযোগ করা হবে।

⏳ সীমিত সময়ের নিয়োগ — দ্রুত আবেদন করুন।

🚀 নিজের এলাকায় ভালো একটি চাকরির সুযোগ পেতে আজই আবেদন করুন। এবং লাইক শেয়ার করে আপডেট পেতে আমাদের সাথে কানেক্ট থাকুন।

#চাকরি_নিয়োগ

আপনি যদি অভিভাবক হয়ে থাকেন, তাহলে সন্তান অসুস্থ হলে কেমন লাগে, তা অবশ্যই অনুধাবণ করতে পারবেন। প্রত্যেক মা-বাবাই চান, তাঁ...
27/09/2026

আপনি যদি অভিভাবক হয়ে থাকেন, তাহলে সন্তান অসুস্থ হলে কেমন লাগে, তা অবশ্যই অনুধাবণ করতে পারবেন। প্রত্যেক মা-বাবাই চান, তাঁর স্নেহের সন্তানকে হাসি-খুশি দেখতে। তাই সন্তানের অসুস্থতা মানেই মা-বাবার উদ্বেগের কারণ।

সন্তানের অসুস্থতা মা-বাবার ঘুম হারাম করার জন্য যথেষ্ট। শুধু তা-ই নয়, শিশুর পড়াশোনা ও অন্যান্য কাজেও ক্ষতিসাধন হয়। ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাঁরা ঘনঘন অসুস্থ হয়। অসুস্থ অবস্থায় শিশুর বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

সুতরাং, অসুস্থ শিশুর যত্ন নিতে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই কিছু টিপস দিয়েছে। একনজরে দেখে জেনে নিন কী সেগুলো।

১. চাপমুক্ত রাখুন

শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না। আর শিশুরা অসুস্থ হলে তাদের মনটাও খারাপ থাকে, শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। তাই কিছুদিনের জন্য পড়াশোনাসহ অন্যান্য কাজ থেকে বিরতি দিন। এতে সে অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি পাবে।

২. ব্যতিক্রমী খাবার রান্না করুন

অসুস্থ অবস্থায় খাবার তালিকায় আসে ভিন্নতা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার রান্না করুন। শিশু যেন সময়মতো খায়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

৩. কৌশলে ওষুধ খাওয়ান

বেশির ভাগ শিশু ওষুধ খেতে পছন্দ করে না। আপনার সন্তানও যদি ওষুধ খেতে অনীহা প্রকাশ করে, তাহলে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করুন। খাবার কিংবা দুধের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাওয়াতে পারেন।

৪. জ্ঞান অর্জন করুন

কী কী উপায়ে সন্তানের অধিক যত্ন নেওয়া যাবে, তা জানতে বই, ব্লগ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিপস নিতে পারেন।

৫. বিশ্রাম নিতে দিন

সন্তান লেখাপড়ায় পিছিয়ে যাবে বলে অনেক মা-বাবা অসুস্থ অবস্থায় জোর করে পড়তে বাধ্য করেন। এটা একবারেই ঠিক নয়। এ সময় জোর করে কিছু করালে তার শরীরের ওপর যেমন খারাপ প্রভাব পড়ে, তেমনি অনেক সময় মা-বাবার ওপরও ভক্তি কমে যায়।

৬. স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞান

কীভাবে নাক পরিষ্কার করবে, ব্যবহৃত টিস্যু কোথায় ফেলতে হবে আপনার সন্তান হয়তো জানে না। তাই পরিষ্কার থাকতে শেখান এবং স্বাস্থ্যকর থাকার বিষয়ে ধারণা দিন।

৭. আদর করুন

শিশুর জ্বরজনিত খিঁচুনি হলে কী করবেন শিশুরা প্রায়ই জ্বরে আক্রান্ত হয়। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে খিঁচুনি...
14/11/2025

শিশুর জ্বরজনিত খিঁচুনি হলে কী করবেন

শিশুরা প্রায়ই জ্বরে আক্রান্ত হয়। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে খিঁচুনি হতে পারে, যা সাধারণত জ্বরজনিত খিঁচুনি বা ফেব্রাইল কনভালশন নামে পরিচিত।

কাদের হয়?

১. সাধারণত তিন মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুর জ্বরের প্রথম দিন এই খিঁচুনি হতে পারে।

২. টিকা দেওয়ার পর জ্বর এলে এই খিঁচুনির আশঙ্কা বেড়ে যায়।

৩. পরিবারের মা-বাবা, ভাইবোন অথবা নিকটাত্মীয় কারও জ্বরজনিত খিঁচুনির ইতিহাস থাকলে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

৪. শিশুর প্রথমবার জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলে পরবর্তী সময়ে প্রতিবার জ্বর হলে খিঁচুনি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এর লক্ষণ?

১. হঠাৎ করে শিশুর হাত-পা বাঁকা হয়ে যেতে পারে; চোখ উল্টে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে পারে; দাঁতে দাঁত লেগে যেতে পারে; মুখ থেকে ফেনা আসতে পারে।

২. সাধারণত একবারই খিঁচুনি হয় এবং কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে।

৩. খিঁচুনির পর শিশু আবার স্বাভাবিক হয়ে যায় অথবা ঘুমিয়ে যেতে পারে।

৪. খিঁচুনির পর শরীরের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশ বা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয় না।

খিঁচুনি হলে করণীয় কী?

১. সবচেয়ে জরুরি বিষয় আতঙ্কিত হওয়া যাবে না।

২. শিশুকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে এবং আঁটসাঁট পোশাক থাকলে খুলে দিতে হবে।

৩. একপাশে কাত করে শুইয়ে দিতে হবে। দাঁতের ফাঁকে চামচ অথবা অন্য কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।

৪. শিশুর মুখে কোনো খাবার বা ওষুধ দেওয়া যাবে না।

৫. দ্রুত জ্বর কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্যারাসিটামল সাপোজিটরি বয়স ও ওজন অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে।

৬. কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। বেশি জ্বর হলে মাথায় পানি দিতে হবে।

কখন হাসপাতালে নেবেন?

১. খিঁচুনি অনেকক্ষণ স্থায়ী হলে অথবা একই দিনে বারবার হলে কিংবা এটি যদি শিশুর প্রথম জ্বরজনিত খিঁচুনি হয়, তবে অতিদ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

২. শিশু যদি অজ্ঞান হয়ে যায়।

৩. ছয় বছরের পরও খিঁচুনির প্রভাব না কমে।

৪. খিঁচুনির পর যদি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

মনে রাখবেন, সাধারণ জ্বরজনিত খিঁচুনি শরীরের তাপমাত্রা কমলে এমনিতেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এ ক্ষেত্রে শিশুর কোনো সাস্থ্য সমস্যাও হয় না। অতএব, আতঙ্কিত না হয়ে একটু সচেতন হলেই খিঁচুনি প্রতিকার করা সম্ভব।

তবে তৃতীয় তিনমাসের শুরুতে আপনার সন্তান প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার (১৪ ইঞ্চি) লম্বা হয় এবং তার ওজন প্রায় ১ থেকে ২ কেজি (২ থ...
25/02/2025

তবে তৃতীয় তিনমাসের শুরুতে আপনার সন্তান প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার (১৪ ইঞ্চি) লম্বা হয় এবং তার ওজন প্রায় ১ থেকে ২ কেজি (২ থেকে ৪ পাউন্ড) হয়। যখন আপনি প্রসব করবেন, আপনার নবজাতক প্রায় ৪৬ থেকে ৫১ সেন্টিমিটার লম্বা হবে (১৮ থেকে ২০ ইঞ্চি) এবং তার ওজন ৩ কেজির বেশি হবে (৭ পাউন্ড)

সন্তান না হওয়ার কারণঃ-ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে এমন অনেক দম্পতি আছে যাদের ইচ্ছা থাকল...
26/12/2024

সন্তান না হওয়ার কারণঃ-

ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে এমন অনেক দম্পতি আছে যাদের ইচ্ছা থাকলেও সন্তান হয় না।
যদি এক বছর কোনো দম্পতি একসাথে থাকেন এবং কোনোরকম বাধা ছাড়া (প্রোটেকশন) শারীরিক মেলামেশা করে, এরপরও যদি তাদের সন্তান না হয় তাহলে তারা ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগছে।
নারী-পুরুষ এখন সমানভাবেই এই সমস্যার জন্য দায়ী বা ভুক্তভোগী। ১০০ জন নিঃসন্তান দম্পতির মধ্যে ৫০টি দম্পতির ক্ষেত্রে পুরুষের সমস্যা আর বাকি ৫০টি দম্পতির ক্ষেত্রে নারীর সমস্যা হয়ে থাকে। এর মধ্যে দুজনেরই সমস্যা আছে এমন দম্পতি রয়েছে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ। । একজন দম্পত্তিকে কম করে হলেও এক বছর একসাথে থাকতে হবে এবং বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

নারীরা প্রধানত কী কারণে বন্ধ্যত্বের সমস্যায় পড়েঃ-

পলিসিস্টিক ওভারি একটা কারণ হতে পারে। ফলিকুলার সিনড্রম নামে একটি সিনড্রম রয়েছে, যেখানে নারীদের মাসিক নিয়মিতই হচ্ছে, অন্য সবকিছুই স্বাভাবিক, কিন্তু ওই সিন্ড্রমের ফলে যে ডিমটি বের হবে সেই ডিম বের হচ্ছে না এবং এটার হার ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ। যেখানে পলিসিস্টিক ওভারির শতাংশ অনেক কম। তাই সিনড্রম একটা বড় কারণ হতে পারে । আর দ্বিতীয় হচ্ছে পিসিও(পলিসিস্টিক ওভারি) যেখানে অনেক সিস্ট হয় যে সিস্টগুলো পরিণত হয়ে ফেটে ডিম বের হয়। অনেকের এই সিস্ট পরিণত হয়ে ফেটে ডিমে বের হয় না তখনই সন্তান ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে সে। আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে, ইউটেরাস যেখানে বাচ্চা থাকে বা বড় হয় সেটার দুই পাশে দুটি নল থাকে আমরা সেটাকে ফেডোপেন টিউব বলে থাকি। এই ফেডোপেন টিউব ওভারির কাছাকাছি গিয়ে শেষ হয়। ওভারি থেকে ডিম ফেডোপেন টিউবে আসে। সেখানে স্পার্ম গিয়ে ফার্টিলাইজেশন করে। অনেক সময় এই ফেডোপেন টিউব বন্ধ হয়ে যায় আর এটার প্রধান কারণ হলো ইনফেকশন। মেয়েদের ইনফেকশন বেশি হয় এবং অনেকেই ঠিকমতো এর চিকিৎসা করে না। সে কারণে টিউবটা বন্ধ হয়ে যায়। আর এর ফলে ডিম আসতে পারে না আবার স্পার্মও যেতে পারে না। এর ফলে বন্ধ্যত্ব সমস্যা দেখা দেয়।
মেয়েদের প্রতি মাসে একটা করে ডিম বের হয়। বলা হয়ে থাকে ৩৫ বছররের পর নারীদের এই ক্ষমতা কমতে থাকে। কিন্তু ৩২ বছর পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়ে থাকে। আর যাদের সন্তান হয় না তাদের ক্ষেত্রে, ৩২ বছরের পর প্রথমত ফার্টিলাইজেশন রেট কমে যায়।

গর্ভবর্তী হওয়ার লক্ষণগুলো নিম্নরূপ:হাত এবং আঙ্গুলের যন্ত্রণা - আপনার হাত অবশ হয়ে যাওয়া, অস্বস্তি হওয়া বা এমন অনুভব কর...
25/12/2024

গর্ভবর্তী হওয়ার লক্ষণগুলো নিম্নরূপ:
হাত এবং আঙ্গুলের যন্ত্রণা - আপনার হাত অবশ হয়ে যাওয়া, অস্বস্তি হওয়া বা এমন অনুভব করা
ত্বকের একটি রেখা আপনার নাভি থেকে যৌন কেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়া
আপনার মুখে গাঢ় ছোপ ছোপ দাগ পড়া
পিঠের নিচে এবং শ্রোণীতে ব্যথা
স্তনবৃত্ত কালো হয়ে যাওয়া
আপনার স্তন, পেট, নিতম্ব এবং উরুতে প্রসারিত দাগ পড়ে যাওয়া।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিন ও নিয়ম।
23/12/2024

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিন ও নিয়ম।

Address

বাড়ী নং-৩০৫, রোড নং/০৮, মহাখালী ডিওএইচএস, ঢাকা ১২০৬
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umasichc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share