পবিত্র ক্বলব- Holy Qulb

পবিত্র ক্বলব- Holy Qulb এসো দ্বীনের পথে,
পবিত্র করে ক্বলব।
এই ?

24/03/2026
26/06/2025

*_জুমার দিনে হাদিসে বর্ণিত ১০টি করণীয় আমল..._*

সপ্তাহের সেরা দিন- জুমার দিন। এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল— জুমার নামাজ। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে এ দিনে ১০টি করণীয় আমল উল্লেখ করেছেন। নিম্নে সেগুলো উল্লেখ করা হলো:-

১.গোসল করা (বুখারি: ৮৭৭)

২.মিসওয়াক করা (ইবনে মাজাহ: ১০৯৮)

৩.উত্তম পোশাক পরিধান করা (আবু দাউদ: ৩৪৩)

৪.সুগন্ধি ব্যবহার করা (বুখারি: ৮৮০)

৫.মসজিদে প্রবেশের পর অন্য মুসল্লিদের ফাঁক করে বা গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যাওয়া (বুখারি: ৯১০, ৮৮৩)

৬.কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা (বুখারি: ৯১১)

৭.নামাজের জন্য কোনো একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যাবে সেখানেই নামাজ আদায় করা (আবু দাউদ: ৮৬২)

৮.নির্ধারিত নামাজ আদায় করা। এমনকি ফরজ নামাজের আগে ও পরে দুই-চার রাকাত করে নফল নামাজ আদায় করা (বুখারি: ৯৩০)
৯.গায়ে তেল (লোশন) ব্যবহার করা (বুখারি: ৮৮৩)

১০.পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া (মুসলিম: ১৪০০)

উপরোক্ত কাজগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জন্য এ জুমা ও তার পূর্ববর্তী জুমার মধ্যবর্তী সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।
-(আবু দাউদ: ৩৪৩)
______ _______

( মৃত্যু...❗

মৃত্যু আসিতেছে...❗
যেকোনো বয়সে...❗
যেকোনো সময়...❗
যেকোনো জায়গায়...❗যেকোনো অবস্থায়...❗

আমাকে থামিয়ে দিবে...❌

অথবা
আমার প্রিয়জনকে আমার থেকে কেড়ে নিবে...❌

আমি কি তৈরি...❓

আসুন আল্লাহকে ভয় করি... মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি... সুন্নতি জীবন গড়ি...)

______ ______

22/06/2025

`কি ভ'য়ানক একটা বিষয়..!`

*গোসলখানার ট্যাপ টা বন্ধ করার পরও এক ফোঁটা করে পানি পড়ছিলো, তাই পানি পড়ার জায়গায় বালতি দিয়েছিলাম। বেশ কিছুক্ষণ পরে গিয়ে দেখি একটা একটা ফোঁটা পানি জমে বালতিটি প্রায় ভর্তি হয়ে গেছে।*
*মনের মধ্যে একরাশ ভ'য় এসে ঘিরে ধরলো। আমাদের দৈনিক ছোট-ছোট, ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র পাপ গুলোও এভাবে জমে যদি এক সাগর হয়ে যায়।*
*এই মিথ্যা বলা দুই এক কথা, হুট করে এক কলি গান শুনে ফেলা, অমুকের নামে মুখ ফসকে গীবত করে দেওয়া, রাগের মাথায় কাউকে গালি দিয়ে বসা ইত্যাদি দৈনন্দিন অল্পকিছু পাপ জমতে জমতে যদি এক সাগর হয়ে যায়! নাকি এত দিনে হয়ে গেছে..?*

`আল্লাহুম্মাগফিরলী..!🤲`

©️

📌 *আল্লাহ তাআলা নমরূদকে মশা দিয়ে নিঃশেষ করলেন, এতে ঈমানদাররা খুশি হয়েছে।*কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, *তারা মশাকে ভালোবে...
21/06/2025

📌 *আল্লাহ তাআলা নমরূদকে মশা দিয়ে নিঃশেষ করলেন, এতে ঈমানদাররা খুশি হয়েছে।*
কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, *তারা মশাকে ভালোবেসেছে।*
_*✨— শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া*_

📌 *ব্যাখ্যা এবং এর প্রতিফলন:
এই বক্তব্যের মাধ্যমে শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া বোঝাতে চেয়েছেন যে, ইতিহাসে যেমন আল্লাহ তাআলা স্বৈরাচারী নমরূদকে একটি সামান্য মশার মাধ্যমে ধ্বংস করেছিলেন, ঠিক তেমনি আজকের সময়েও কোনো জালিম বা তাগুত শাসকের পতন যদি অন্য কোনো শক্তির মাধ্যমে ঘটে, তাতে মুমিনরা খুশি হতে পারে, কারণ জুলুম কমে।

তবে এর মানে এই নয় যে, মুমিনরা সেই মাধ্যম বা শক্তিকে সমর্থন করে বা ভালোবাসে। যেমন আজ অনেকে ইসরাইলের মতো এক ফাসেক ও জালিম রাষ্ট্রকে নমরূদের মতো স্বৈরাচার মনে করে, আর ইরানের আক্রমণকে সেই ‘মশার আঘাত’ হিসেবে দেখে খুশি হয়। কিন্তু মুমিনরা ইরানকে ভালোবাসে না, বা তাদের রাফেদী শিয়া আকীদা ও নীতিকে সমর্থন করে না।

*💎 মূল শিক্ষা:*
___________🌼

সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো স্বৈরাচারের পতনে যদি মুসলিম খুশি হয়, সেটা তার প্রতিপক্ষকে ভালোবাসার অর্থ নয়। ঈমানদার ব্যক্তি সঠিক আকীদা ও মানহাজের ওপরই থাকে, বাহ্যিক ঘটনায় বিভ্রান্ত হয় না।
_______✨

*🌼উপসংহার:*

আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে জালিমদের শাস্তি দেখে খুশি হই, তবে সেই শাস্তির মাধ্যম বা তার পেছনের ভ্রান্ত আদর্শকে ভালোবাসি না। ঈমানদার সবসময় হকের সাথে থাকে, বাতিলের কোনো রূপের প্রতি পক্ষপাত করে না।

21/06/2025

*"তোমার জীবনের প্রতিটি ক্ষণ কোন পথে, কী কাজে অতিবাহিত হচ্ছে, তার দিকে খেয়াল রেখো। যথাসম্ভব উত্তম ও কল্যাণকর ব্যস্ততায় নিজের সময় অতিবাহিত করার চেষ্টা করো।*

`অলস ও অবসাদগ্রন্তের মতো কর্মহীন বসে থেকো না। খুঁজে খুঁজে ভালো ও সুন্দর আমলসমূহ করার অভ্যাস গড়ে তোলো।`

*কবরের সিন্দুকে আগে থেকে সেই পাথেয় পাঠিয়ে দাও, যা তোমাকে আখিরাতের অফুরন্ত জীবনে আনন্দ দেবে।'*©

`আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা আমি সহ সকলকে বেশি বেশি আমল করার এবং কল্যাণের পথে চলার তৌফিক দান করুন আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন` 🤲
- `ইবনুল জাওজি রা.`

17/06/2025

`সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দো'আ`🌼

*اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَى وَأَبُوْءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْلِ، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ*

`উচ্চারণ`

আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা 'আবদুকা ওয়া আনা 'আলা 'আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাসতাত্বা'তু, আ'ঊযুবিকা মিন শারি মা ছানা'তু। আবূউ লাকা বিনি'মাতিকা 'আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহ্ লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা।

`অর্থ`

*'হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ'তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই'।*©🤲

15/06/2025

➡️৪ টি জিনিস নবী(সা:)পরিত্যাগ করতেন না।
১. আশুরার রোজা।
২.জিলহজ মাসের ৯ টা রোজা।
৩.প্রত্যেক মাসের ৩ দিনের রোজা।আইয়ামে বীজের রোজা।
৪.ফজরের নামাযের পুর্বের ২ রাকাত সুন্নত নামায।

➡️জিলহজ, জিলকদ,মুহাররম,রজব-এই ৪ টা মাস পবিত্র,হারাম,নিষিদ্ধ মাস।
এই মাসে আমল করলে বেশি সওয়াব,গুনাহ করলে বেশি গুনাহ।

➡️আশুরা মুহারমের ১০ তারিখ।এই দিনে নবী(সা)রোজা রাখতেন।
ইহুদিরাও এই দিনে রোজা রেখেছেন তাই আমরা মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখ আশুরার রোজা রাখবো ইনশাআল্লাহ। কেননা শুধু ১০ তারিখে রোজা রাখলে ইহুদিদের সাদৃশ্য হয়ে যায়।

ফজিলত:এই দিনের রোজার বদলে আল্লাহ তায়ালা পুর্বের ১ বছরের সগিরা গুনাহ মাফ করে দেন।

➡️আশুরার দিনের এক ফজিলত সম্পর্কে একটি হাদিস আছে:

“যে ব্যক্তি আশুরার দিনে তার পরিবার-পরিজনের ওপর খরচে উদারতা দেখাবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য সারাবছর উদারতা করবেন।”

12/06/2025

*📌 কোরআন ও সহিহ হাদিসের মাধ্যমে সঠিক দ্বীন শিক্ষা ও অনুসরণ করার জন্য, কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনা করা, এবং দ্বীনি জ্ঞান অর্জন ও চর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ।*

*📖 কোরআন ও হাদিসের গুরুত্ব: 🌹🌹*

ইসলামে কোরআন হলো আল্লাহর বাণী এবং হাদিস হলো নবিজির ﷺ কথা ও কাজের অনুসরণ। তাই, কোরআন ও হাদিসের ভালোভাবে জানা ও মেনে চললে সঠিক জীবন যাপন পাওয়া যায়।

*❐ সহিহ দ্বীন শিক্ষা:*

সহিহ দ্বীন শিক্ষা বলতে বোঝায়, কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনা করা, যা আল্লাহ ও তার রসূলের ﷺ পছন্দনীয়।

*❐ দ্বীনি জ্ঞান অর্জন:*

দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের জন্য কোরআন ও হাদিসের সঠিক অর্থ ও ব্যাখ্যা জানার চেষ্টা করা উচিত, এবং নির্ভরযোগ্য আলেম ও আলোকিতদের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

*❐ কোরআন তিলাওয়াত ও চর্চা:*

কোরআন তিলাওয়াত করা এবং তার শিক্ষা ও অনুসরণ করা উচিত, যা মানুষকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে।

*❐ হাদিস অধ্যয়ন:*

সহিহ হাদিসগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়া ও চর্চা করা উচিত, যা নবিজির ﷺ জীবন ও আদর্শের উপর আলোকপাত করে।

*❐ সতর্কতা: ⚠️*
*কিছু লোক আছে যারা কোরআন ও হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা করে, তাই নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে জ্ঞান অর্জন করা উচিত।*

10/06/2025

*_সহজ কিছু নেক আমল যা আমরা ইচ্ছা করলেই করতে পারি:-_*

১। আসসালামু আলাইকুম বলা

একে বলা হয়েছে "ছাদকা" (দান)।

হাদীস: “তোমরা পরস্পরে সালাম প্রচার করো।” (মুসলিম)

২। সব সময় ছোট দোয়া পড়া (খাওয়ার, বাহিরে যাওয়ার, টয়লেটের ইত্যাদি)

অল্প কথার মধ্যে অনেক সওয়াব।

যেমন: "বিসমিল্লাহ", "আলহামদুলিল্লাহ", "আস্তাগফিরুল্লাহ", ইত্যাদি।

৩। যাকিরুল্লাহ হওয়া (সবসময় আল্লাহর নাম মনে করা)

জিকির করা হৃদয়কে প্রশান্ত করে।
কুরআন: “নিশ্চয়ই আল্লাহর জিকিরে অন্তর প্রশান্ত হয়।” (সূরা রা’দ: ২৮)

৪। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো পড়া-
সবচেয়ে বড় ফরজ আমল এবং জান্নাতের চাবি।

৫। অন্যকে হেল্প করা বা পথ দেখানো-
এটি সদাকাহ হিসেবে গণ্য হয়। (হাদীস: মুসলিম)

৬। মুচকি হাসি, ভালো ব্যবহার করা-
হাদীস: "তোমার ভাইয়ের মুখে হাসিমুখে তাকানোও সদাকাহ।" (তিরমিজি)

৭। প্রতিদিন কুরআন থেকে অন্তত এক আয়াত পড়া/শোনা
সামান্য নিয়মিত পড়াও বরকতময়।

৮। রাতে ঘুমানোর আগে তাসবিহ বলা (৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবার)
এটি রাসূল (সা.)-এর শেখানো।

৯। অন্তরে খাঁটি নিয়ত রাখা-
নিয়তই অনেক সময় আমলের সমান হয়ে যায়। হাদীস: "নিয়ত অনুযায়ীই প্রতিফল।" (বুখারী, মুসলিম)

১০। অন্যকে সুন্দর উপদেশ দেওয়া বা একটি ভালো কথা বলা-
কুরআন: "ভালো কথা সদাকাহ।" (সূরা বাকারা)
------ ------
মৃত্যু আসবে যখন তখন...
প্রস্তুতি নিব কখন...?
সজাগ যদি না হয় এখন...?
______ ______

09/06/2025

যারা ইসলাম প্র‍্যাকটিস করেন (আমলে, কাজে, কথায়), যারা আল্লাহর দ্বীনকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন, যারা আল্লাহর দ্বীনের জন্য কাজ করতে চান তাদের জন্য তিনটে কথা:

১.

কোনোভাবেই ‘মিথ্যা’ জিনিসটাকে জীবনে আশ্রয় এবং প্রশ্রয় দিবেন না—মিথ্যেটা যত বড় বীর পালোয়ান এসে আপনার সামনে বলে যাক না কেন৷ ইসলাম দুনিয়াতে এসেছে ‘সত্য’ কে প্রতিষ্ঠিত করতে। কুরআনের এক নাম হলো ‘আল ফুরকান’—সত্য আর মিথ্যের মাঝে পার্থক্যকারী। যারা মিথ্যের আশ্রয় নেয়, মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেয়, মিথ্যাকে পুঁজি করে চলে, তাদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। মিথ্যে যাদের পুঁজি, তারা দুনিয়াতে কোনোদিন বিজয়ী হতে পারবে না। এটা আল্লাহরই ওয়াদা। কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন—‘বলুন সত্য এসেছে আর মিথ্যা ধ্বংস হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যার ধর্মই হলো ধ্বংস হওয়া’। (আল ইসরা, ৮১)

২.

কখনোই মনে করবেন না যে—আল্লাহর দ্বীনের জন্য আপনার কাজ/আপনার দলের কাজ/আপনার গোষ্ঠীর কাজ অপরিহার্য কিছু। আপনাকে ছাড়া আল্লাহর দ্বীন এগুতে পারবে না, টিকতে পারবে না, বিজয়ী হতে পারবে না—এমনটা কস্মিনকালেও ভাববেন না৷ আল্লাহর দ্বীন আপনার, আমার, আমাদের কারও কোনো প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল নয়। আপনি যখন ছিলেন না তখনও আল্লাহর দ্বীন ছিল, আপনি যখন থাকবেন না তখনও আল্লাহর দ্বীন থাকবে। উস্তায আহমেদ দিদাত রাহিমাহুল্লাহর একটা চমৎকার কথা এখানে প্রণিধানযোগ্য—

‘ইসলাম বিজয়ী হবেই—তোমাকে সাথে নিয়ে অথবা তোমাকে ছাড়াই। কিন্তু ইসলাম ছাড়া তুমি বিজয়ী হতে পারবে না’।

৩.

মনে রাখবেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা শুধুমাত্র বিশুদ্ধ নিয়তের কাজগুলোই কবুল করেন। সংখ্যায় আপনি যত কম হোন না কেন, কাজের পরিমাণ যত তুচ্ছই হোক না কেন, যদি সেটা বিশুদ্ধ নিয়ত আর কেবলমাত্র আল্লাহর দ্বীনের জন্যই হৃদয় থেকে উৎসারিত হয়, তাহলে সেই কাজ একদিন না একদিন ফলের মুখ দেখবেই।

আসহাবে কাহাফের যুবকদের কথা চিন্তা করুন। তারা যখন নিজেদের ঈমান আর দ্বীনের নিরাপত্তার স্বার্থে গুহায় লুকোচ্ছিল, তখন তারা ছিল সংখ্যায় একেবারে অল্প কয়েকজন। গোটা দুনিয়া, গোটা সমাজ তাদের বিপক্ষে। তারপর কী হলো? আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাদের এমন নিরাপত্তা দিলেন যে—প্রাকৃতিক চক্রকেও তিনি উল্টেপাল্টে দিলেন তাদের ওই কয়েকজনের জন্য। তাদের যেদিন ঘুম ভাঙল, সেদিন তারা বিস্ময়ের সাথে দেখল যে—একসময়কার পঁচে যাওয়া সমাজে তখন দ্বীনের সুবাতাস বইছে।

আবার, ইবরাহিম আলাইহিস সালাম আর ইসমাইল আলাইহিস সালামের কথাই ভাবুন। তারা যখন একটার পর একটা পাথর দিয়ে বাইতুল্লাহর ভিত্তিপ্রস্তর বানাচ্ছিলেন, তখন দুনিয়াতে তারা দুজন ব্যতীত আর কেউ ছিল না দেখার।

সেই নিভৃত একাকী কোণে, বিশুদ্ধ নিয়ত আর পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুলের সাথে বানানো সেই ঘরটাকে এখন বিলিয়ন বিলিয়ন মুসলমানেরা তাওয়াফ করে।

তাই, যেকোনো কাজ, হতে পারে সেটা একটা শেয়ার পোস্ট, সেটা কোথাও কোনো মন্তব্য, লাইক অথবা রিঅ্যাকশান, যদি মনে করেন যে দ্বীনের জন্যই আপনার অ্যাক্টিভিজম, তাহলে আঁতশি কাঁচের নিচে নিজের নিয়তটাকে একবার পরখ করে নিতে ভুলে যাবেন না।

~ আরিফ আজাদ

06/06/2025

ঈদ মোবারক! 🌙✨
আল্লাহ আপনার ঈদকে আনন্দ, বরকত ও সুখ-সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ করুন।
আপনার পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে একটি সুন্দর ও শান্তিময় ঈদ কাটুক—আমিন! 🕋💛

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পবিত্র ক্বলব- Holy Qulb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share