আপন ঘর - Apon Ghar

আপন ঘর - Apon Ghar Home of shelterless parents and orphaned children...

আপন হারা মানুষ গুলো আমাদের আপন ঘরে এসে খুঁজে পায় নতুন আপনজনদের। একসাথে থাকা খাওয়া নামাজ পড়ার পাশাপাশি খোশগল্পে মেতে উঠে ...
20/08/2026

আপন হারা মানুষ গুলো আমাদের আপন ঘরে এসে খুঁজে পায় নতুন আপনজনদের। একসাথে থাকা খাওয়া নামাজ পড়ার পাশাপাশি খোশগল্পে মেতে উঠে একে অপরের সাথে।
কেউ নিঃস্ব হয়ে কেউ অবহেলায় ঘর ছেড়ে রাস্তায় কিংবা রেলওয়ের প্লাটফর্মে অনিশ্চয়তার জীবন যারা বেছে নিয়েছিলো তারা আজ আমাদের আপন ঘরে পরন যত্ন, ভালোবাসা আর সম্মান নিয়ে নতুন ভাবে বেঁচে থাকার নতুন ঠিকানা পেয়েছে।

হোসেন কাকা। দু-চোখেই উনি ঝাপসা দেখতেন। ছিলেন আমাদের রাশমনা আপনঘরের গাজীপুর শাখা। উনাকে নিয়ে এসে আমাদের Mok Youth Vision ...
19/08/2026

হোসেন কাকা।
দু-চোখেই উনি ঝাপসা দেখতেন। ছিলেন আমাদের রাশমনা আপনঘরের গাজীপুর শাখা।
উনাকে নিয়ে এসে আমাদের Mok Youth Vision Eye Hospital এ বাম চোখের ছানি অপারেশন করানো হয়। পরবর্তিতে ডান চোখেও করানো হবে ইনশাআল্লাহ।

রাতের বেলায় প্রায় কিছুই দেখতে না পাওয়া হোসেন কাকা অপারেশনের পর অনেক খুশি।

ছোট্ট তামিম...মাত্র পাঁচ বছরের একটা দূরন্ত ডানপিটে শিশু। অথচ এইটুকু বয়সেই তার ছোট্ট দুটো কাঁধে যে পাহাড়সম কষ্টের বোঝা চে...
17/08/2026

ছোট্ট তামিম...

মাত্র পাঁচ বছরের একটা দূরন্ত ডানপিটে শিশু। অথচ এইটুকু বয়সেই তার ছোট্ট দুটো কাঁধে যে পাহাড়সম কষ্টের বোঝা চেপে বসেছে, তা হয়তো অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পক্ষেও বয়ে বেড়ানো সম্ভব নয়।

​তামিমের বয়স যখন মাত্র এক বছর—পৃথিবীর জটিলতা বোঝা তো বহু দূর, মায়ের কোল আর একটুখানি হাসির বাইরে যার অন্য কোনো জগৎ ছিল না—ঠিক তখনই নেমে আসে এক অন্ধকার ট্রাজেডি। হুট করেই কোনো এক অজানা উদ্দেশ্যে তার জন্মদাতা বাবা তাকে আর তার মা-কে এই নিঃসঙ্গ পৃথিবীতে একাকী ফেলে রেখে চলে যায়। কোথায় গেল? কেন গেল? এতগুলো বছর পার হয়ে গেলেও এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি। গত চারটে বছর ধরে ওই মানুষটি আর একটিবারের জন্যও এই অবুঝ শিশুটির খোঁজ নেয়নি।

​কিন্তু মায়ের মমতা তো সব বাধা ভেঙে পথ খুঁজে নেয়। দিশেহারা মা বুকভরা কষ্ট নিয়েও কোলে আগলে ধরলেন সন্তানকে। শুরু হলো বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই। নিজের জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, সন্তানের ভবিষ্যৎ যেন আলোয় ভরে ওঠে—এই একটিমাত্র স্বপ্নই ছিল মায়ের বেঁচে থাকার শেষ সম্বল।

​কিন্তু জীবনের এই নির্মম যুদ্ধটা এত সহজ ছিল না। একটা গার্মেন্টস কারখানায় যখন চাকরির জন্য গেলেন, তখন কাজের শর্ত হিসেবে জানিয়ে দেওয়া হলো—বাচ্চা নিয়ে চাকরি করা যাবে না!

​এক মুহূর্তে মায়ের বুকটা যেন কেঁপে উঠল। একদিকে চোখের মণি আদরের সন্তান, অন্যদিকে দু'বেলা অন্নসংস্থান আর বেঁচে থাকার লড়াই। একজন মায়ের কাছে এর চেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা আর কি হতে পারে? সন্তানকে ছাড়া কি বাঁচা যায়? আবার চাকরি না করলে তো বাচ্চার ভবিষ্যৎ পুরোপুরি অন্ধকারে তলিয়ে যাবে!

​ঠিক এমনই এক দুঃসহ মুহূর্তে, ঐশ্বরিক আশীর্বাদের মতোই তিনি অনলাইনে খুঁজে পান আমাদের "হেল্প দ্যা চিলড্রেন ফাউন্ডেশন"-এর সন্ধান। শেষ সম্বলটুকু সম্বল করে, শিশুর উজ্জ্বল আর নিরাপদ ভবিষ্যতের আকুল আকুতি নিয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন তিনি। এক মায়ের অপরিসীম ত্যাগ আর ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানিয়ে, ছোট্ট তামিমের দায়িত্ব আমরা তুলে নিই আমাদের নিজেদের হাতে।

​তামিমকে আমরা এখন পরম ভালোবাসায় নিয়ে এসেছি "হেল্প দ্যা চিলড্রেন ফাউন্ডেশন"-এর "রাশমনা আপন ঘরে"।

​এখানেই এখন অন্য সব শিশুদের সাথে হাসি-আনন্দে বড় হয়ে উঠবে আমাদের তামিম। ভর্তি হবে 'ডেইলি টেন স্কুল'-এ। তার ওই নিষ্পাপ দুটি চোখে একটাই স্বপ্ন—বড় হয়ে সে ডাক্তার হবে, মানুষের সেবা করবে।

​আমরা কথা দিচ্ছি, তার এই স্বপ্নে পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপে 'রাশমনা আপন ঘর' ছায়ার মতো তার পাশে থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

​সবাই আমাদের এই ছোট্ট তামিমের জন্য মন থেকে দোয়া করবেন। জীবন যাকে শুরুতেই এত কষ্ট দিয়েছে, তার আগামী দিনগুলো যেন আলোয় আলোকময় হয়ে ওঠে। অনেক বড় হও, আমাদের ভালোবাসার ছোট্ট তামিম! ❤️

এখানেই অনন্ত নিদ্রায় শায়িত হলেন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় মরহুম মানিক বেপারী কাকা।​শতবর্ষী এই মানুষটি ছিলেন আমাদের "রাশমনা আপন...
13/08/2026

এখানেই অনন্ত নিদ্রায় শায়িত হলেন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় মরহুম মানিক বেপারী কাকা।

​শতবর্ষী এই মানুষটি ছিলেন আমাদের "রাশমনা আপন ঘর, শিশু ও প্রবীণ নিবাস"-এর সবচেয়ে প্রবীণ ছায়া। বয়সের ভারে কখনো নুয়ে পড়েননি উনি, বরং তাঁর মুখে লেগে থাকত একরাশ অমলিন, সুন্দর হাসি। সামান্য কিছুদিন আগেও যার হাসিতে রাশমনার চারপাশ আলোকিত হয়ে উঠত, তিনি হঠাৎ করেই, কাউকে কিছু না জানিয়ে, না-ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন।

​অত্যন্ত ভদ্র, নম্র আর নিরহংকারী এই মানুষটি গত চারটি বছর ধরে আমাদের এই আশ্রমকে আপন করে রেখেছিলেন। গভীর এক নিভৃতে ও নিরবে তিনি আমাদের সাথে তাঁর চার বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে চলে গেলেন। তিনি যেন ছিলেন এক মিষ্টি হাসির মায়াজাল—রাশমনা আপন ঘরের প্রতিটি মানুষ তাঁর সেই হাসিতে বিমোহিত হতো।

​মিষ্টিপ্রেমী এই মানুষটার মিষ্টি আর নিষ্পাপ হাসিটা রাশমনার ১০২ নম্বর ঘরটায় আর কোনোদিন খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই ঘরটা এখন বড্ড খালি, বড্ড নিস্তব্ধ।

​আমরা আপনাকে কখনো ভুলব না, মানিক কাকা। ওপারেও যেন আপনার এই অকৃত্রিম মিষ্টি হাসিটা চিরকাল বেঁচে থাকে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।

২৩/০৪/২৬👉 ইং তারিখে এই বৃদ্ধা 'মা' কারওয়ান বাজার ভালো কাজের হোটেলে খেতে আসেন,তাকে আমরা সেখানে অসুস্থ অবস্থায় দেখি, দেখা...
27/07/2026

২৩/০৪/২৬
👉 ইং তারিখে এই বৃদ্ধা 'মা' কারওয়ান বাজার ভালো কাজের হোটেলে খেতে আসেন,তাকে আমরা সেখানে অসুস্থ অবস্থায় দেখি, দেখা যায় তার গালে বড় একটা 'ঘা'পরবর্তীতে তাকে আমরা " মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে" নিয়ে ভর্তি করি।
👉মুকদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৪৫ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল,পরবর্তীতে ডাক্তার জানান তার 'ঘা'থেকে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে রেফার্ড করলে সেখানে ভর্তি করানো হয়।
👉সেখানকার ডাক্তার বলেন এটি ক্যান্সার এর লাস্ট স্টেজ তারা তাকে রিলিজ দিয়ে দিলে তাকে হেল্প দ্যা চিলড্রেন ফাউন্ডেশন পরিচালিত আশ্রয় হীন মা- বাবা ও এতিম শিশু নিবাস "রাশমনা আপন ঘর"হয় তার আশ্রয়স্থল ।
👉 রাশমনা আপন ঘরে আশ্রয়ে আশ্রয়ে থেকে রোগীর ঔষধ সেবা ও পর্যবেক্ষন চলতে থাকে।
অবশেষে তিনি ২৫/০৭/২৬ তারিখ ইন্তেকাল করেন। তার ছোট বোনকে সাথে নিয়ে আজিম পুর গোরস্থানে মাইয়াত এর দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।

👉ঐ বৃদ্ধা মায়ের থেকে তার ছোট বোনের নাম্বার পাই তার ছোট বোনের থেকে জানতে পারি তার বিয়ে হয়েছিল কিন্তু কোন বাচ্চা হয়নি পরে তার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যাই।
👉তিনি দীর্ঘ দিন যাবত বাসাবাড়িতে কাজ করে টাকা জমিয়ে বিল্ডিং বাড়ি করেন এছাড়া প্রায় ২ভরি স্বর্ণ ও ১৫০০০০ টাকা জমান তার বড় বোনের কাছে।
👉তার কোন ছেলে মেয়ে না থাকার কারনে তার বাড়িতে তার বড় বোন ও বোনের মেয়েকে রাখেন।
👉অসুস্থ হয়ে বাসায় গেলে তাকে বাসায় উটতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
👉এরপরে সে আবার ঢাকায় চলে আসেন রাস্তায় থাকেন ভিক্ষা করেন ভালো কাজের হোটেলে খেতে আসেন।🥲🥲
এর পরবর্তী ঘটনাতো উপরে সংক্ষেপে লিখা আছে।

গতকাল সন্ধ্যা থেকে আব্দুল্লাহ কাকার লাশ নিয়ে ঘুরছি। এখনও দাফন করতে পারিনি।গতকাল সন্ধ্যা থেকে হাসপাতাল, মর্গ, থানা-পুলিশ...
16/07/2026

গতকাল সন্ধ্যা থেকে আব্দুল্লাহ কাকার লাশ নিয়ে ঘুরছি। এখনও দাফন করতে পারিনি।

গতকাল সন্ধ্যা থেকে হাসপাতাল, মর্গ, থানা-পুলিশ—এরপর এক কবরস্থান থেকে আরেক কবরস্থানে ছুটে বেড়াচ্ছি। কিন্তু এখনও এই মানুষটির দাফনের ব্যবস্থা করতে পারিনি।

এই মানুষটি একসময় রাস্তায় অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। আমরা মানবিক দায়িত্ব থেকে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলাম। প্রায় এক বছর ধরে তাঁর থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, ডাক্তার, ওষুধ—সবকিছুর দায়িত্ব বহন করেছি।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা তাঁর আইনগত অভিভাবক হতে পারিনি।
ফলে স্বাভাবিক মৃত্যু হওয়ার পরও একের পর এক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে—হাসপাতালের প্রক্রিয়া, আইনি জটিলতা, ময়নাতদন্ত, আর সবশেষে বেওয়ারিশ হিসেবে কোনো কবরস্থান লাশটি গ্রহণ করতে রাজি নয়।

আজ আমাদের প্রশ্ন—
যদি কোনো অসহায়, পরিচয়হীন বা অভিভাবকহীন মানুষের পাশে সমাজের কেউ দাঁড়ায়, তবে তাঁর মৃত্যুর পর মর্যাদাপূর্ণ দাফনের দায়িত্ব কে নেবে?
মানবিক উদ্যোগগুলোকে কেন এমন অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে?

আমাদের কাছে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নেই। যদি আপনাদের জানা থাকে, জানাবেন।

আর একটি অনুরোধ—দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের নজরে আসে। একজন অসহায় মানুষের মৃত্যুর পরও যেন তাঁর মর্যাদাপূর্ণ বিদায় নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

একজন মানুষের শেষ বিদায় যেন আর কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াতে না হয়।

গত ১৮/০৪/২০২৫ তারিখ এই মানসিক ভারসাম্যহীন বোনটি কে রাস্তা থেকে নিয়ে এসেছিলাম,  আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে এই তার অবস্থা। য...
04/06/2026

গত ১৮/০৪/২০২৫ তারিখ এই মানসিক ভারসাম্যহীন বোনটি কে রাস্তা থেকে নিয়ে এসেছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে এই তার অবস্থা।

যতনে রতন মিলে, গত ২৫ সালের এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখ রোজ শুক্রবার মালিবাগে একটা টং দোকানে চা খাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখি রাস্তার পাশে ফুটপাতে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বোন পড়েছিল। কাছে যে কথা বললাম মনে হচ্ছিল তার অনেক ক্ষুধা লেগেছে এবং জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে।
তাকে পাশের দোকান থেকে কিছু খাবার এনে দিলাম। বোনটি খাচ্ছিল আর জ্বরে কাঁপছিল, প্রচুর ক্ষুধা লাগলে মানুষ যেভাবে খাবার খায় একই ভাবে বোনটি খাবার খাচ্ছিল। রাস্তায় পড়ে থাকতে থাকতে মনে হচ্ছিল তার শরীরের হাড়গুলিও সব শুকিয়ে গেছে৷
যাই হোক এক ছোট ভাইকে কল দিয়ে ওনাকে নিয়ে গেলাম ঢাকা মেডিকেলে, সেখানে বেশ কয়েকদিন ভর্তি করে চিকিৎসা চালালাম, এর পরে কিছুটা সুস্থ হল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও পরিবারের কাউকে খুঁজে পেলাম না। পরে বোনটি কে নিয়ে আসলাম আমাদের আপন ঘর বৃদ্ধাশ্রমে।

আলহামদুলিল্লাহ, এক বছরের অধিক সময় ধরে বোনটি আমাদের এখানেই রয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত তাকে সেবা যত্ন এবং
ঔষধ দিচ্ছি। যেহেতু মানসিক ভারসাম্যহীন তাই সে তার পরিচয় বলতে পারছে না। আমরা প্রতিনিয়তই তার পরিবারকে খুজতেছি।
সম্ভব হলে পোস্টটি শেয়ার করবেন, আপনার একটি শেয়ারে হয়তো মানসিক ভারসাম্যহীন বোনটি কে তার পরিবার ফিরে পেতে পারে।

'ধন্যবাদ'

👉গত 20/04/26 এই বৃদ্ধা  মাকে কারওয়ান বাজার  প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাও হোটেল এর অপোজিট পাশে যে শিশু পার্ক টি আছে সেখানে বসে...
29/04/2026

👉গত 20/04/26 এই বৃদ্ধা মাকে কারওয়ান বাজার প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাও হোটেল এর অপোজিট পাশে যে শিশু পার্ক টি আছে সেখানে বসে থাকতে দেখা যায়।
👉আমাদের একজন ভলেন্টিয়ার তাকে জিজ্ঞাসা করলে... আপনি একাই বসে আছেন এখানে কি করেন জানতে চাইলে সে কান্না করে বলে আমি খুব অসহায় বাবা আমি খুবই অসুস্থ পারলে একটু আমাকে সাহায্য করেন।
👉পরে তিনি তার গালের ক্ষতটি দেখান বিশ্বাস করেন এটি দেখার মত ছিল না।
👉আপনি ভাবেন একজন জীবন্ত মানুষের মুখের মধ্যে প্রায় শতাধিক পোকা নড়তেছে গালের একপাশে ছিদ্র করে দিয়েছে।
👉তাকে নিয়ে ঢাকা মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
👉ডাক্তারের কাছে তার ক্ষতের অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন উনার এখানে ক্যান্সার হয়েছে ।
👉ডাক্তার বলেন এটি ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজ, অপারেশন করার কথা বললে, ডাক্তার আরো বলেন ক্ষত দিয়ে প্রচুর ব্লিডিং হয়েছে রোগী রক্তশূন্যতায় ভুগতেছে, যার কারণে শরীর প্রচন্ড দুর্বল অপারেশন করতে গেলে রোগী মারা যেতে পারেন।
👉বর্তমানে ওনার দেখাশোনা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে YOUTH FOR BANGLADESH সামাজিক সংগঠন।
👉এই বৃদ্ধা মাকে কেউ চিনে থাকলে নিচের দেয়া নাম্বারে যোগাযোগ করবেন 01321134729...

Address

H-1765, Sonakatara, Baithakhali, Merul Badda, Dhaka-1212
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আপন ঘর - Apon Ghar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আপন ঘর - Apon Ghar:

Shortcuts

Share