গল্পগুলো আমাদের ফাউন্ডেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • গল্পগুলো আমাদের ফাউন্ডেশন

গল্পগুলো আমাদের ফাউন্ডেশন গল্পগুলো আমাদের

Non profit organisation. Established at 17th September 2016. Wrkg 4 helpless people

গতকালের মাইলস্টোনের বিমান দু র্ঘ টনায় সবচেয়ে আলোচিত নাম 'মাহেরীন চৌধুরী' ম্যাম! উনার সাথে উনার স্বামীর শেষ কি কথা হয়েছিল...
23/07/2025

গতকালের মাইলস্টোনের বিমান দু র্ঘ টনায় সবচেয়ে আলোচিত নাম 'মাহেরীন চৌধুরী' ম্যাম! উনার সাথে উনার স্বামীর শেষ কি কথা হয়েছিলো জানেন?

উনার স্বামী উনাকে বলেছিলো 'আমাদের দুটো ছোট ছোট বাচ্চা আছে। তুমি তো তাদের এতিম করে দিলা!'
জবাবে ম্যাম বলেছিলো 'ওরাও তো আমার বাচ্চা! আমি কি করবো বলো?'
উনার শরীরের ১০০ ভাগ ই আ"* ক্রান্ত হয়েছিলো! উনি তাও উনার স্বামীকে বলেছিলো 'আমার ডান হাত টা একটু শক্ত করে ধরো তো!' অথচ উনার হাত ধরার মতো অবস্থা ছিলোই না!

তারপর উনি উনার স্বামীকে বলেছিলেন ''তোমার সাথে আমার আর দেখা হবেনা!''
এই লাইন টা এত বাজে ভাবে আঘাত করলো আমাকে!!
আপনার নিজের মানুষ টা দুনিয়া থেকে চলে যাচ্ছে, আপনার ও কিছুই করার নেই। সে শুধু আপনাকে একটা কথাই বললো 'তোমার সাথে আমার আর দেখা হবেনা!''

শেষ বিদায়! আর দেখা হবেনা! কখনো না!
এমন কষ্টের বিদায় কারো না আসুক!!💔🤲🤲
Collected

এই বাচ্চাটা কেমন আছে, জানতে খুব ইচ্ছা করছিল। আজ জানতে পারলাম, রাত তিনটায় আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস নিয়েছে সে।ভিডিওতে দেখেছিল...
22/07/2025

এই বাচ্চাটা কেমন আছে, জানতে খুব ইচ্ছা করছিল। আজ জানতে পারলাম, রাত তিনটায় আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস নিয়েছে সে।

ভিডিওতে দেখেছিলাম পোড়া শরীর নিয়ে একা একা হেঁটে যাচ্ছিল ছোট্ট ছেলেটা। কিন্তু চারপাশে এত মানুষ থাকলেও কেউ এগিয়ে আসছিল না তাকে ধরতে। শিশুটি সাহায্যের জন্য হাঁটছে, অথচ তার মুখ, মাথার চুল, চোখের পাপড়ি, কান, জামা কাপড় সব পুড়ে বিকৃত হয়ে গেছে।

মানুষ চারদিকে ছড়িয়ে ছিল, কিন্তু কোথাও শিশুটির মা নেই, নেই বাবাও যিনি তাকে বুকের মধ্যে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাবেন।

ভাই, আল্লাহর ওয়াস্তে মোবাইলটা পকেটে রাখেন। আগে জীবনটা বাঁচান, ভিডিও পরে করলেও হবে। কেউ না কেউ ঠিক ভিডিও করবে, কিন্তু আপনি অন্তত একজন মানুষ হিসেবে আপনার দায়িত্বটা পালন করুন।

চোখের সামনে মানুষগুলিকে এভাবে ম-র-তে দেবেন না। এই দায় আমরা কেউ এড়াতে পারি না।

🔥 যখন কেউ অগ্নিদগ্ধ হয়, তার শ্বাসনালী ও ফুসফুস সবার আগে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই অবস্থায় সময়ক্ষেপণ মানেই জীবনের ঝুঁকি। তাই দেরি না করে আগে মানবতা দেখাবেন, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
আপনার এক মুহূর্তের সহানুভূতি হয়তো কারো পুরো জীবনটাই বাঁচিয়ে দিতে পারে।
আর মনে রাখবেন আপনি একজনকে সাহায্য করলে, আল্লাহ আপনার জন্য হাজারটি সাহায্য প্রস্তুত করে রাখবেন।

হে আল্লাহ বাবা মাদের এই শোক সইবার শক্তি দাও😢😭
22/07/2025

হে আল্লাহ বাবা মাদের এই শোক সইবার শক্তি দাও😢😭

ঢাকায় প্রথম সিংকহোল! — শংকরে সাত মসজিদ রোডে যান চলাচল বন্ধআজ ঢাকা শহরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি সিংকহোল (Sinkhole) ধ...
28/05/2025

ঢাকায় প্রথম সিংকহোল! — শংকরে সাত মসজিদ রোডে যান চলাচল বন্ধ

আজ ঢাকা শহরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি সিংকহোল (Sinkhole) ধরা পড়েছে — তাও আবার ব্যস্ত শংকর এলাকায়! সাত মসজিদ রোডে শংকর বাস স্ট্যান্ডের কাছে রাস্তায় হঠাৎ বড় একটি গর্ত সৃষ্টি হয়, যা দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বর্তমানে ঐ অংশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

এই ঘটনা আবারও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে, ঢাকার রাস্তাগুলো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

সিংকহোল আসলে কী?
সিংকহোল হলো হঠাৎ ধসে যাওয়া একটি গর্ত, যা মাটির নিচে ফাঁপা জায়গা তৈরি হলে এবং ওপরের স্তর ভেঙে পড়লে ঘটে। মনে হয় যেন রাস্তা হঠাৎ করেই গিলে ফেলছে মাটি।

কেন হয় সিংকহোল?
১. ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে মাটি দুর্বল হয়ে পড়ে।
২. ড্রেন বা পানির পাইপ লিক হয়ে মাটি ধুয়ে গিয়ে ফাঁপা হয়ে যায়।
৩. সেফটিক ট্যাংক বা পুরনো পাইপলাইন ভেঙে পড়লে নিচে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়।
৪. কিছু এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে চুনাপাথর বা দ্রবণীয় শিলা পানিতে গলে গর্ত তৈরি করে।

---

কীভাবে সাবধান থাকবেন?

ফাটলধরা বা পানি জমে থাকা রাস্তায় ভারী যান না চালান।

হঠাৎ গর্ত বা ধস দেখলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করুন।

পুরনো পাইপলাইন ও ড্রেন নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

নগর কর্তৃপক্ষের উচিত ভূগর্ভস্থ জরিপ ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা।

এই প্রথম সিংকহোল আমাদের জন্য একটা অ্যালার্ম। এখনই সময় অবকাঠামোর দুর্বলতা মেরামতের — নয়তো বিপদ আরও বাড়বে।

সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
Collected

এ কেমন টাকা 🙄🙄🙄
27/05/2025

এ কেমন টাকা 🙄🙄🙄

Amn bap ma jno Allah kau k na dei 😢😞রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-ম...
16/05/2025

Amn bap ma jno Allah kau k na dei 😢😞

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।

ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।

মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।

যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।

কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।

মেয়টা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।

কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।

কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।

মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।

তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।

তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মারা যায় মেয়েটা।

পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।

পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়।

লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।

তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।

এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।

তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁসি দিতে বলে।

বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।

একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মেরেছে।

বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।

তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মেরেছে।

তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মেরেছে।

প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।

তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।

এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।

এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।

এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।

তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।

জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।

গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।

মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এইচএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।

আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।

অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্নাতির

এই মানুষটা আমার সম্পর্কে মামা হয়। কোন দূর সম্পর্কের নয় একদমই আপন। আমার মায়ের আপন মামাতো ভাই। আজকে ওনার মৃত্যুর জন্য ও...
09/05/2025

এই মানুষটা আমার সম্পর্কে মামা হয়। কোন দূর সম্পর্কের নয় একদমই আপন। আমার মায়ের আপন মামাতো ভাই।
আজকে ওনার মৃত্যুর জন্য ওনার পরিবারের মানুষের দোষ সব থেকে বেশি।
আচ্ছা আপনারাই তো পোস্ট করেন শাশুড়ি খারাপ তার জন্য জীবন অতিষ্ট হয়ে যায়। ব্যাপারটা কিছুটা তেমনই। দুই বছর হইছে বিয়ে করছিলো। মানলাম বউ খারাপ। ভালো না। কিন্তু যখন তার মা দেখলো তারে নিয়ে এতো অশান্তি তার মা কি পারতো না অন্য দুই ছেলের কাছে পাঁচটা মাস থাকতে? বাড়িতে তাদের বিশাল বিল্ডিং। কোন অভাব নাই।তিন ছেলেই জীবনে সফল।টাকা পয়সার কমতি নেই। কিন্তু না উনি তো উনিই।সব শেষ হয়ে যাবে তবুও ছেলেকে ছাড়বে না। ছেলে সারাদিন পর অফিস থেকে ফিরলে মা ছেলে কে ছাড়ে না। মায়ের ব্যাথার গল্প, ছোট বেলার গল্প তো শেষ হয় না এদিকে তার বউয়ের সাথে ঘরে যাইতে যাইতে তার রাত্রি একটা বাজে। তার বউও তো এক্সপেক্ট করে, সে স্বামীর সাথে একটু কথা বলবে। যখনই ঘুরতে যাবে, সব জায়গায় তার মার জোর করে যাওয়া লাগবে।অন্য ছেলেদের কাছে এসব গুলো করে পাত্তা পেত না এজন্য সে সবসময় ছোট ছেলের কাছে থাকতো। অন্য ছেলে ও তার বো দের সাথে ও সম্পর্ক ভালো ছিল না। অন্য ছেলেরা মা অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে কথা বললেও, পলাশ মামা সত্যি বলতে মা বলতে অন্ধ ছিল। আরো অনেক সংসারের কথা আছে থাক না হয় এখন।
আজকে তার ভাই ইন্টারভিউ দিচ্ছে যে তারা ভাইয়ের বউ কে বোঝাইছে শাশুড়িরা এমনই হয় তাদের সাথে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে নিজের বউ কে এই কথা বলে নি কেনো?
ভালো সাজতে আসছে। আজকে তাদের কাছে এই মা রে রাখবে কিনা সন্দেহ। মহিলা এতোটাই ভয়ংকর।মা এর এইসব কিছুর শিকার হয়ে হয় ছেলেটা আত্মহত্যা করে, তা না হলে বউটা আত্মহত্যা করে, আর না হয় স্বামী স্ত্রী ডিভোর্স হয়ে যায়, আর সাফার করে তার বাচ্চাগুলা আর জিতে যায় মা রা।
বউ মরলে বউ পাওয়া যাবে, মা মরলে তোর পাওয়া যাবে না একটা ডাইলক আছে না।
বাংলাদেশের অভিনেত্রি দিঘী র একটি নাটক আছে।" শেষ চিঠি"। সেম কাহিনী, মার জন্য ছেলেটা শেষ পর্যন্ত তার বউকে নিয়ে এবং তার গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় বিষ খায়।
প্লিজ একবার দেখবেন আপনাদের কাছে অনুরোধ রইলো.
একটা শোক কাটাইয়া উঠতে পারলাম না😭। সকাল থেকে দেখতেছি সবাই বউটার দোষ দিয়ে যাচ্ছে।আরে যার স্বামী লাখ লাখ টাকা মাসে আয় করে তার কোন জিনিসটা অপূর্ণ ছিলো বলেন?
অনেক বার ভাবছি পোস্ট করবো না। মানসিক ভাবে আমরা কেউই ভালো নেই। কিন্তু মানুষের এতো এতো পোস্ট আর ভুল ধারণার জন্য বাধ্য হইলাম🙏


Copy From
@প্রিয়তা পূজা সাহা।

ছেলেটির নাম রাশিদ। বয়স ২৪। পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও মনটা ছিল সোনার মতো। একদিন স্থানীয় এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তার পরিচয় হয় রুব...
08/05/2025

ছেলেটির নাম রাশিদ। বয়স ২৪। পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও মনটা ছিল সোনার মতো। একদিন স্থানীয় এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তার পরিচয় হয় রুবিনার সঙ্গে। রুবিনা ছিলেন এক কন্যাসন্তানের মা। তার স্বামী কয়েক মাস আগে দুর্ঘটনায় মারা যান। সমাজের চোখে এক ‘বোঝা’ হয়ে উঠছিলেন রুবিনা। কিন্তু রাশিদের চোখে তিনি ছিলেন এক সংগ্রামী মা, এক পরিপূর্ণ নারী।

রাশিদ প্রথম দেখাতেই বুঝে গিয়েছিল—এই মেয়েটির জীবনকে নতুন রঙে ভরিয়ে দিতে চায় সে। পরিবারের আপত্তি ছিল, প্রতিবেশীদের কথাও কম শোনেনি। কিন্তু রাশিদ থেমে থাকেনি। সে বুঝিয়েছিল, ভালোবাসা মানে শুধু সৌন্দর্য নয়—দায়িত্ব, সম্মান, ও ভবিষ্যতের পাশে থাকা।

আয়োজন হয় বিয়ের। রুবিনা তার কোলের ছোট্ট মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই নতুন জীবনের পথে পা রাখলেন। রাশিদও বাচ্চাটিকে নিজের সন্তানের মতো গ্রহণ করল।

সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। সবাই বলল, “এই ছবি শুধু বিয়ের নয়, এটি মানবতার প্রতিচ্ছবি।”

এবার রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রন আর দ্রব‍্যমূল‍্য না বাড়ার পিছনে এনার যে বিশাল অবদান রয়েছে তা স্বীকার করতেই হবে।❤️❤️❤️
02/04/2025

এবার রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রন আর দ্রব‍্যমূল‍্য না বাড়ার পিছনে এনার যে বিশাল অবদান রয়েছে তা স্বীকার করতেই হবে।❤️❤️❤️

Eid Mubarak every1 🩷🩷🩷
31/03/2025

Eid Mubarak every1 🩷🩷🩷

Bangladesh is not for beginners! 👏🤣Photo Courtesy : Hasibul Hasan Rafi.
26/03/2025

Bangladesh is not for beginners! 👏🤣

Photo Courtesy : Hasibul Hasan Rafi.

মেয়েকে ধর্ষনের ৬ দিন পর বাবা কে হত্যা! বরগুনায় গিয়েছিলাম, নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুটির বয়স সব মিলে ১২ বছর হবে! হ্যাংলা ...
14/03/2025

মেয়েকে ধর্ষনের ৬ দিন পর বাবা কে হত্যা! বরগুনায় গিয়েছিলাম, নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুটির বয়স সব মিলে ১২ বছর হবে! হ্যাংলা পাতলা মেয়ে! গায়ে ওজন হতে পারে ৩০-৩২ কেজি!
তার ভাষ্য অনুযায়ী ধর্ষকের বাড়ির পেছনের এক ঝোপের মধ্যে হাত-পায়ে রশি বেঁধে তাকে আটকে রাখা হয়! এক রাতে ৩ বার ধর্ষন করা হয় শিশুটিকে! পরের দিক সকালে ধর্ষক নিজেই মেয়েটিকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়!

এই ঘটনায় মেয়েটির বাবা ধর্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে মামলার শুনানীর আগের রাতে তাকেও হত্যা করা হয়েছে!

ভুক্তভোগী মেয়েটি প্রশ্ন করেছিল- ভাইয়া বাবার হত্যার বিচার চাইবো? নাকি আমার উপর হওয়া অমানবিক নির্যাতনের সেটা এখানো বুঝে উঠতে পারছিনা! আমার মায়ের কোলে দেড় মাসের একটা ছোট শিশু! আমিও ক্লাস সেভেনে পরি! বড় কোন ভাই নেই! কিভাবে আমার সংসার চলবে এটা জানিনা! বিচার চাইবো নাকি খেয়ে পরে বেঁচে থাকবো সেই নিশ্চয়তাও পাচ্ছিনা!

আমি কোন উত্তর না দিয়ে ওর ইন্টারভিউ বন্ধ করে দিয়ে ওরে ঘরের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছি! কেননা ওর প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে ছিল না!

আপনাদের কাছে কি আছে ওর প্রশ্নের উত্তর??

-Md Omar Faruk

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গল্পগুলো আমাদের ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share