07/08/2026
আমরা প্রতিটি সভার শুরুতে সম্মিলিতভাবে এপেক্সের আদর্শ পাঠ করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই আদর্শ কি কেবল সভাকক্ষের আনুষ্ঠানিকতা, নাকি আমাদের দৈনন্দিন সাংগঠনিক আচরণ ও সিদ্ধান্তেরও ভিত্তি?
এপেক্সের শক্তি কোনো ব্যক্তি, পদ বা ক্ষমতায় নয়; এর শক্তি নিহিত রয়েছে এর চিরন্তন আদর্শে। প্রতিটি সভার শুরুতে আমরা যে অঙ্গীকার উচ্চারণ করি, সেটিই আমাদের সাংগঠনিক জীবনের নৈতিক সংবিধান—
• To make the ideal of service the basis of all enterprise.
প্রতিটি উদ্যোগের ভিত্তি হোক সেবার আদর্শ।
• To develop by example a more intelligent and aggressive citizenship.
নিজেদের আদর্শ ও কর্মের মাধ্যমে সচেতন, দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক নাগরিকত্ব গড়ে তুলি।
• To provide a means of forming enduring fellowship, rendering altruistic service and building better communities.
স্থায়ী ফেলোশিপ গড়ে তুলি, নিঃস্বার্থ সেবা প্রদান করি এবং একটি উন্নত সমাজ বিনির্মাণে কাজ করি।
• To promote international understanding and friendship.
আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করি।
যদি আমরা এই চারটি আদর্শকে শুধু মুখে উচ্চারণ না করে ব্যক্তি ও সাংগঠনিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারি, তবে বিভক্তির পরিবর্তে ঐক্য, অবিশ্বাসের পরিবর্তে আস্থা এবং দ্বন্দ্বের পরিবর্তে ফেলোশিপ প্রতিষ্ঠিত হবে। এপেক্সকে শক্তিশালী করার জন্য নতুন কোনো দর্শনের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন কেবল প্রতিষ্ঠাতাদের নির্ধারিত এই আদর্শে আন্তরিকভাবে ফিরে যাওয়ার।
আসুন, আমরা আবারও অঙ্গীকার করি—ব্যক্তি নয়, আদর্শই হবে আমাদের পরিচয়; বিভক্তি নয়, ফেলোশিপই হবে আমাদের শক্তি; আর সেবাই হবে আমাদের প্রতিটি উদ্যোগের ভিত্তি।
এক দেশ, এক এপেক্স।