Foundation for Research, Innovation, Environment and Development

Foundation for Research, Innovation, Environment and Development আমাদের প্রতিষ্ঠান সমূহঃ

ABP, Nittyaponno, CSRIBF, CL&D

22/08/2024

আপনারা সবাই অবগত আছেন ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং হবিগঞ্জ আকস্মিকভাবে বন্যা কবলিত হয়েছে এবং খুব দ্রুত অবস্থার অবনতি হচ্ছে। এই অঞ্চলে গত চল্লিশ বছরে এত ভয়াবহ বন্যা হয়নি!

আমাদের কিছু ভলান্টিয়ার বন্যাকবলিত অঞ্চল পরিদর্শনে আছে এবং সেখানকার কি ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তা আমাদের জানালে আমরা অতি দ্রুত তা পৌছানোর ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা ইতিমধ্যে শুকনো খাবার, পানি পরিস্কারকরন ট্যাবলেট সংগ্রহ করছি।

আপনারা যারা আমাদের সাথে বন্যা কবলিত এলাকায় ভলেন্টিয়ার হিসাবে কাজ করতে আগ্রহী বা আর্থিকভাবে সহযোগি করতে চান যতদ্রুত সম্ভব আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের এই পরিস্থিতি মোকাবিলার তৌফিক দানকরুন এবং আক্রান্ত মানুষদের সকল বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করুন।

ব্যাংক একাউন্ট:
Account Name: FRIEND
Account Number: 20503100900002607
Bank Name: Islami Bank Bangladesh Ltd.
Branch Name: Badda Branch, Dhaka

বিকাশ: 01933-665465

যারা আর্থিক সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক নিচের কমেন্টে দেয়া রেজিস্ট্রেশন ফর্মটি পূরণের জন্য অনুরোধ করছি।

যখন বনের হিংস্র বাঘ বা সিংহ কোন হরিণ বা মহিষের পালের পিছনে দৌড়ায় তখন সে হয়তো একটি বা দুটিকে লক্ষ্য বানায় কিন্তু সেখানে শ...
22/08/2024

যখন বনের হিংস্র বাঘ বা সিংহ কোন হরিণ বা মহিষের পালের পিছনে দৌড়ায় তখন সে হয়তো একটি বা দুটিকে লক্ষ্য বানায় কিন্তু সেখানে শতাধিক কোন কোন ক্ষেত্রে সহস্রাধিক হরিণের/ মহিষ থাকে। কিন্তু পালের প্রত্যেকে মনে করে তার দিকে লক্ষ্য করেই আসবে এবং প্রত্যেকেই নিজের জান বাচানোর জন্য দৌড়াতে থাকে। ফলে প্রত্যেকবারই একটি/ দুটি করে মারা পরে ধীরে ধীরে সবারই এই একদিন মারা পরার দিন আসে! কিন্তু সবাই যদি একসাথে ঘুড়ে দাড়াতো তাহলে কাউকেই হয়তো মরতে হতো না।

কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন একজন আক্রান্ত হলে সবাই এগিয়ে আসে, ফলে মানব জাতি সভ্যতা গড়ে তুলতে পারে।

আজকে আমাদের বন্যার যে বিপদ দেখা দিয়েছে তা আমাদের মানুষ্য পরিচয় দেয়ার সুযোগ এসেছে। আসুন আমরা সবাই এগিয়ে আসি, যার যা করার সুযোগ আছে, শ্রম দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে, অর্থ দিয়ে অথবা অন্তত আপনাদের দোয়ায় এই দুর্গত লোকদের রাখুন।

ইতোমধ্যেই আমরা শাবান মাসের শেষ প্রান্তে রয়েছি। আর কিছু দিন পরেই রামাদান। বিগত বছরগুলোর ন্যায় আমরা এবারও রামাদান ফুড প্যা...
03/03/2024

ইতোমধ্যেই আমরা শাবান মাসের শেষ প্রান্তে রয়েছি। আর কিছু দিন পরেই রামাদান। বিগত বছরগুলোর ন্যায় আমরা এবারও রামাদান ফুড প্যাকেজ বিতরণের কাজ হাতে নিয়েছি। এই ফুড প্যাকেজ এর মাধ্যমে একটি পরিবারের একমাসের সাহরি ও ইফতারের ব্যবস্থা যাতে হয় আমরা সে চেষ্টা করে থাকি।

আপনি চাইলে আংশিক, সম্পূর্ণ বা একাধিক প্যাকেজ এর মূল্য দান করতে পারেন এবং কাকে বা কোথায় দান করতে চান তা-ও আমাদেরকে বলতে পারেন। আমরা আপনার দান যথাস্থানে পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ। আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে দারিদ্রপীড়িত অঞ্চল লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম-এর প্রায় ১,০০০ পরিবারের কাছে এই ফুড প্যাকেজ পৌছে দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি।
এবারের ফুড প্যাকেজে থাকছে -
• চাল - ৭ কেজি
• ডাল - ১ কেজি
• আলু - ৩ কেজি
• গুড় - ১ কেজি
• খেজুর - ১ কেজি
• চিড়া - ১ কেজি
• সয়াবিন তেল - ১ কেজি

প্রতি প্যাকেজ এর হাদিয়া-১,০০০/- টাকা।

কিভাবে আপনি এই কাজে শরিক হবেন?
কমেন্টে দেয়া গুগল ফর্ম পূরণ করে আগামী মার্চের ৪ তারিখের মধ্যে টাকা পাঠিয়ে দিন নিচের ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারে।

একাউন্ট এর নাম : FRIEND
একাউন্ট নাম্বার : 20503100900002607
ব্যাংকের নাম : Islami Bank Bangladesh Ltd.
শাখা : Badda, Dhaka

অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কিংবা আপনার যোগাযোগের তথ্য দিলে আমরাও আপনার সাথে যোগাযোগ করে আপনার সহায়তা সাদরে সংগ্রহ করতে পারি।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার নিকট অল্প আমল কিন্তু যা ধারাবাহিকভাবে করা হয় তা অত্যাধিক প্রিয়। সেহেতু আমরা প্রতি মাসেই অল্প...
02/01/2024

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার নিকট অল্প আমল কিন্তু যা ধারাবাহিকভাবে করা হয় তা অত্যাধিক প্রিয়। সেহেতু আমরা প্রতি মাসেই অল্প কিন্তু নিয়মিত ভালো কাজ করতে চাইঃ

১। বর্তমানে আমাদের দু'জায়গায় মক্তব এবং বয়স্ক শিক্ষা চালু আছে, সেটা চালু রাখা। সাথে প্রতিমাসে আরো প্রতি ৫ হাজার টাকার সংস্থান হলে একটি নতুন মক্তব চালু করা।

২। বর্তমানে আমরা দু'জন এতিমকে সাহায্য করছি। কেউ যদি আরও এতিমের দায়িত্ব নিতে চায়, আমরা আরও এতিমের দেখাশোনা করতে চাই। মাসিক ৩-৫ হাজার টাকা হলে একজন এতিমের দায়িত্ব নিতে পারেন আপনি।

৩। আপনাদের কারও সন্তানের আকিকা বা অন্য কোন নিয়তে মাদ্রাসায় খাওয়াতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

৪। শীতে প্রায় ১০০০ লোকের কাছে কম্বল বিতরণ করা। প্রতিটি কম্বল বিতরণে খরচ হবে আনুমানিক ৩৫০ টাকা।

৫। রমাজানের পূর্বে ইফতার ৫০০ দরিদ্র মুসলিমদের নিকট পৌছান।

৬। কুরবানির সময় প্রতিবারের ন্যায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে কুরবানির ব্যবস্থা করা।

৭। আপনার আদায়কৃত যাকাতের অর্থ উপযুক্ত ব্যাক্তির নিকট পৌঁছে দেয়া এবং তাকে সাবলম্বী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা।

৮। ঋণ গ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে সাহায্য করা।

৯। অসুস্থ অসহায়দের চিকিৎসা সেবা দেয়া।

১০। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা দেয়া।

১১। দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে মসজিদ তৈরি করা প্রয়োজন, সেখানে মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা করা।

১২। অগভীর নল্কূপ স্থাপন যার প্রতিটির জন্য আনুমানিক ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন।

আমাদের এই কার্যক্রম সমূহে আপনিও থাকুন:
- আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য দু'আ করে
- আমাদেরকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে
- আমাদের ভলেন্টিয়ার হয়ে
- আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী মাসিক/ এককালীন যে কোন পরিমাণ টাকা দান করে
- আপনার যাকাতের একটি অংশ দান করে
- আমাদের সম্বন্ধে আপনার পরিচিত কাউকে জানিয়ে

আমরা যারা ফ্রেন্ডের উপরোক্ত কার্যক্রমে মাসিক/ এককালীন / প্রজেক্ট অনুযায়ী দান করতে আগ্রহী তাঁদের নীচের কমেন্টের ফর্মটি ফিলাপ করার জন্য অনুরোধ করছি, আমাদের একজন সেচ্ছাসেবক আপনার সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ আমরা এখন পর্যন্ত কিছু জায়গার কুরবানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কয়েক জায়গায় কুরবানীর জন্য কিছু ভাগে...
24/06/2023

আলহামদুলিল্লাহ আমরা এখন পর্যন্ত কিছু জায়গার কুরবানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কিন্তু এখনো কয়েক জায়গায় কুরবানীর জন্য কিছু ভাগের টাকা প্রয়োজন।

আজকে সকালে আমাদের এক ভাই নীচের ম্যাসেজটি দিয়েছেঃ
"কুরবানির জন্য এখনো ব্যবস্থা হয়নিঃ-
১\বাঙ্গালখালিয়া ১টি ছাগল
২\রুমা ১টি ছাগল
৩\খাগরাছড়ি নওমুসলিমদের জন্য ১টি গরু
৪\তিন মাদ্রাসার জন্য ২টি গরু
৫\ ইনানী মাদরাসা ১টি ছাগল

আপনাদের সহযোগীতায় আমরা এমন কিছু যায়গায় কুরবানীর ব্যবস্থা করতে পারব যেখানকার মানুষ এই কুরবানীর কারণে গরুর গোস্তের স্বাদ পাবে ইনশাআল্লাহ।

ব্যাংক, বিকাশ অথবা স্বশরীরে আমাদের অফিসে এসে নগদ টাকা পেমেন্ট করতে পারেন।
🟢 কুরবানী সাদাকাহ এর টাকা পাঠানোর ঠিকানাঃ
Bank Name: Islami Bank Bangladesh Ltd.
Branch Name: Badda Branch, Dhaka
Account Name: FRIEND
Account Number: 20503100900002607
অথবা, “01841 38 99 00” বিকাশ নাম্বারে Send Money করুন, Reference এ “Qurbani 2023” লিখুন। (বিকাশ পেমেন্টের ক্ষেত্রে ২% চার্জ দিতে হবে)
🟢 নগদ টাকা দেয়ার জন্য অফিসের ঠিকানাঃ রঙ্গন টাওয়ার (লিফট এর ৪), ৪৪ এফ/৭, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা।
🟢 পেমেন্টের পর অবশ্যই ফর্মটি ফিলাপ করুন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
✅ গুগল ফর্মঃ https://forms.gle/VrEyFMb35SAz1zTb7
যে কোন মতামত এবং পরামর্শের জন্য কল করুনঃ ০১৭৫৫ ৬৯৯ ৩৬২

Access Google Forms with a personal Google account or Google Workspace account (for business use).

কুরবানীর ঈদ আসলেই দেখা যায় ঢাকার রাস্তায় ঢাকার বাইরে থেকে অনেক গরীব মানুষ আসে গরুর গোস্ত নেয়ার জন্য। কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ...
10/06/2023

কুরবানীর ঈদ আসলেই দেখা যায় ঢাকার রাস্তায় ঢাকার বাইরে থেকে অনেক গরীব মানুষ আসে গরুর গোস্ত নেয়ার জন্য। কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমন কিছু গরীব আত্ম-মর্যাদাশীল এবং বৃদ্ধ মানুষ আছে যারা মানুষের কাছে হাত পাততে পারে না। যেমনঃ গ্রামের কৃষক, মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম/ মুয়াজ্জিন ইত্যাদি। মহান আল্লাহ এমন সব লোকদের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন পবিত্র কোরআনে!!! পবিত্র কোরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেন এইভাবেঃ-

‘এটা (সাদাকা) প্রাপ্য অভাবগ্রস্ত লোকদের; যারা আল্লাহর পথে এমনভাবে ব্যাপৃত যে দেশময় ঘোরাফেরা করতে পারে না; কারো কাছে না চাওয়ার কারণে অজ্ঞ লোকেরা তাদের অভাবমুক্ত মনে করে—তুমি তাদের লক্ষণ দেখে চিনতে পারবে। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে হাত পাতে না। যে ধন-সম্পদ তোমরা ব্যয় করো আল্লাহ তো তা বিশেষভাবে জানেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৭৩)

অভাবী এসব মানুষদের কথা ভেবে আপনার কুরবানীর একটি ভাগ শেয়ার করুন FRIEND এর সাথে। আপনাদের দেয়া কুরবানীর গোশত পৌঁছে দিতে FRIEND ফাউন্ডেশন যাবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায়। আমরা এই বছর দেশের সবচেয়ে দারিদ্রপীড়িত এলাকা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও বান্দারবান জেলায় গরু বা খাসি কুরবানী করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি গরুর ভাগের মূল্যঃ ১০,৫০০/- টাকা, খাসীর মূল্যঃ ১২,০০০/- টাকা।

ব্যাংক, বিকাশ অথবা স্বশরীরে আমাদের অফিসে এসে নগদ টাকা পেমেন্ট করতে পারেন।
🟢 কুরবানী সাদাকাহ এর টাকা পাঠানোর ঠিকানাঃ
Bank Name: Islami Bank Bangladesh Ltd.
Branch Name: Badda Branch, Dhaka
Account Name: FRIEND
Account Number: 20503100900002607
অথবা, “01841 38 99 00” বিকাশ নাম্বারে Send Money করুন, Reference এ “Qurbani 2023” লিখুন। (বিকাশ পেমেন্টের ক্ষেত্রে ২% চার্জ দিতে হবে)
🟢 নগদ টাকা দেয়ার জন্য অফিসের ঠিকানাঃ রঙ্গন টাওয়ার (লিফট এর ৪), ৪৪ এফ/৭, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা।
🟢 পেমেন্টের পর অবশ্যই ফর্মটি ফিলাপ করুন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
✅ গুগল ফর্মঃ https://forms.gle/VrEyFMb35SAz1zTb7
যে কোন মতামত এবং পরামর্শের জন্য কল করুনঃ ০১৭৫৫ ৬৯৯ ৩৬২

🟩ইতিবাচক চিন্তা হল প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও হতাশাগ্রস্থ না হয়ে  ঠান্ডা মাথায় চেষ্টা করে যাওয়া পরিবেশকে নিজের অনুকূলে নিয়ে আ...
07/09/2022

🟩ইতিবাচক চিন্তা হল প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও হতাশাগ্রস্থ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চেষ্টা করে যাওয়া পরিবেশকে নিজের অনুকূলে নিয়ে আসার । ইতিবাচক চিন্তার কোন বিকল্প নেই জীবনকে সুস্থ, সুন্দর করার জন্য।

💠 আশ্চর্যজনক হল মুমিনের ব্যাপার। নিঃসন্দেহে, তার সমস্ত জীবন ভাল এবং এটি বিশ্বাসী ছাড়া অন্য কারো জন্য নয়। তার ভালো কিছু হলে সে কৃতজ্ঞ হয় এবং সেটা তার জন্য ভালো। যদি তার উপর কোন ক্ষতিকর কিছু আসে তবে সে ধৈর্য ধারণ করে এবং এটাই তার জন্য মঙ্গলজনক। (সহীহ মুসলিম #2999)

এই হাদিস আমাদেরকে ইতিবাচকভাবে জীবনের সমস্ত দিকে যেতে শেখায়। ভাল সময় হল কৃতজ্ঞতার সুযোগ, আর কঠিন সময় হল ধৈর্যের পরীক্ষা। উভয় পরিস্থিতিই আমাদের জন্য ভাল, তাই আমাদের জীবনে যাই ঘটুক না কেন, এটি থেকে উপকৃত হওয়ার উপায় সবসময়ই থাকে।

🟩চলুন জীবনে চলার পথে ইতিবাচক চিন্তার প্রয়োজনীয়তা গুলো জেনে নেই ,

🟢মন ভালো থাকেঃ জীবনে বিভিন্ন দুঃখ বাঁধা আসে। সেগুলো সব সময় মেজাজ ভালো রেখে মোকাবেলা করতে হয়। আপনি যদি সবসময় ইতিবাচক চিন্তা ধারা অনুসরণ করে থাকেন তাহলে মন ভালো রেখেই সকল বাধা বিপত্তি পার করতে পারবেন।

🟢কখনো হতাশাগ্রস্থ না হওয়াঃ ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা থাকলে কখনো আশাহত হবে না কেউ। যতই বাধা আসুক তারা নতুন দমে কাজ শুরু করবে।

🟢বৃদ্ধি পায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ ইতিবাচক চিন্তার ফলে মানসিক চাপ অনেক কমে যায়। এর ফলে শারীরিক ভাবে এবং মানসিক ভাবে শরীর ভালো থাকে। এতে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে অসুখ-বিসুখ কম হয় ।

🟢সাহায্য করে তারুণ্য ধরে রাখতেঃ ইতিবাচক চিন্তার অভাবে দুশ্চিন্তা বাড়ে যার ফলে নিজেকে অসুস্থ মনে হবে আর এই অসুস্থতার জন্য নিজেকে অনেক বয়স্ক লাগবে। শরীরে মনে হয় যেন শক্তি নেই । যারা বেশি বেশি ইতিবাচক চিন্তা করবেন তখন তাদের মাঝে এ সমস্যা থাকে না তাই এক রকমের তারুণ্যতা কাজ করবে।

🟢মানসিক শক্তি দিয়ে বিপদ মোকাবেলাঃজীবনের যে কোনো বিপদই আসুক না কেনো এই ইতিবাচক মনোভাব অদৃশ্য একটি মানসিক শক্তি তৈরি করে। এতে করে সহজে বিপদ মোকাবেলার ঠাণ্ডা মাথায় বিভিন্ন পথ বের করে নিতে পারা যায় ।

🟩তাছাড়া ইতিবাচক চিন্তাধারা মানুষকে উৎসাহ যোগায়, আগ্রহী করে তোলে, সামনে চলার সাহস যোগায়, যা তার জীবনে চলার পথে উপকার করে , তাকে অর্জন করতে শেখায়, ধৈর্য শক্তি বৃদ্ধি করে, মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করে আবিস্কারের মানসিকতা ও সৃজনশীলতা । যা শুধু ব্যক্তি জীবনকেই নয় প্রভাবিত করে সামাজিক পরিবেশকেও কারণ ইতিবাচক চিন্তা মানুষকে সাহায্য করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, অন্যকে ভালোবাসতে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে। তাই নিজে ও নিজের আসে পাশের পরিবেশ ভালো রাখতে সকলের উচিৎ ইতিবাচক চিন্তার অনুশীলন করা।

🟩যদিও থ্যালাসেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যাগুলি প্রায়শই চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তবুও এটি এ...
05/09/2022

🟩যদিও থ্যালাসেমিয়ার সাথে সম্পর্কিত প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যাগুলি প্রায়শই চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তবুও এটি একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা যা একজন ব্যক্তির জীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রেও, বাবা-মা থেকে বাচ্চাদের আরও গুরুতর ধরণের সংক্রমণ হতে পারে এমন একটি ঝুঁকি রয়েছে। মারাত্মক থ্যালাসেমিয়া অনেক সময় মৃত্যুরও কারণ হতে পারে।

🟩থ্যালাসেমিয়া আসলে কি?

🟢থ্যালাসেমিয়া হল উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত (অর্থাৎ, জিনের মাধ্যমে বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিশুদের কাছে চলে যাওয়া) অটোজোমাল মিউট্যান্ট প্রচ্ছন্ন প্রচ্ছন্ন ব্যাধি হয় যখন শরীরে হিমোগ্লোবিন নামক প্রোটিন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না, যা লাল রক্ত কণিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত মানুষ মূলত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতাতে ভুগে থাকেন।

🟩থ্যালাসেমিয়া ঝুঁকির কারণঃ

🟢আপনার থ্যালাসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায় এমন কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:
থ্যালাসেমিয়ার পারিবারিক ইতিহাসঃ থ্যালাসেমিয়া পরিবর্তিত হিমোগ্লোবিন জিনের মাধ্যমে পিতামাতার কাছ থেকে শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
নির্দিষ্ট বংশঃ থ্যালাসেমিয়া প্রায়শই আফ্রিকান আমেরিকানদের এবং ভূমধ্যসাগরীয় এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে দেখা যায়।

🟩থ্যালাসেমিয়ার জটিলতাসমূহঃ

🟢মাঝারি থেকে গুরুতর থ্যালাসেমিয়ার সম্ভাব্য জটিলতার মধ্যে রয়েছে:

💠আয়রন ওভারলোডঃ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের শরীরে অত্যধিক আয়রন পাওয়া যাবে, হয় রোগ বা ঘন ঘন রক্ত ​​​​সঞ্চালনের কারণে। অত্যধিক আয়রন হার্ট, লিভার এবং এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে, যার মধ্যে হরমোন-উৎপাদনকারী গ্রন্থি রয়েছে যা সারা শরীরে প্রক্রিয়াগুলি নিয়ন্ত্রণ করে।

💠সংক্রমণের ঝুকিঃ থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। এটি বিশেষত বেশি ঝুকিপুর্ণ যদি প্লীহা অপসারণ করা হয়।

🟢গুরুতর থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে, নিম্নলিখিত জটিলতাগুলি ঘটতে পারে:

💠হাড়ের বিকৃতিঃ থ্যালাসেমিয়া অস্থি মজ্জা প্রসারিত করতে পারে, যা আপনার হাড়কে প্রশস্ত করে তোলে। এর ফলে হাড়ের গঠন অস্বাভাবিক হতে পারে, বিশেষ করে আপনার মুখ এবং খুলিতে। অস্থি মজ্জার প্রসারণ হাড়কে পাতলা এবং ভঙ্গুর করে তোলে, হাড় ভাঙার সম্ভাবনা বাড়ায়।

💠বর্ধিত প্লীহাঃ প্লীহা শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে এবং অবাঞ্ছিত উপাদান যেমন পুরানো বা ক্ষতিগ্রস্ত রক্তকণিকা ফিল্টার করে। থ্যালাসেমিয়া প্রায়শই প্রচুর পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসের সাথে থাকে। এটি আপনার প্লীহাকে বড় করে তোলে।

🟩প্রায় এক লাখ নবজাতক গুরুতর থ্যালাসেমিয়াসহ জন্ম নিয়ে থাকে প্রতিবছর।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আপনি থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করতে পারবেন না। তাই আপনার যদি থ্যালাসেমিয়া থাকে, বা আপনি যদি থ্যালাসেমিয়া জিন বহন করেন, আপনি যদি সন্তান নিতে চান তবে নির্দেশনার জন্য জেনেটিক কাউন্সেলরের সাথে কথা বলা খুব জরুরি। এ রোগ সম্পর্কে সকলের সচেতন হওয়া প্রয়োজন পরবর্তী প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে।

🟩 নবজাতক শিশু শুধু বাবা মায়েরই নয় সমাজের দ্বায়িত্ব। সুস্থ নবজাতক  আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সময়ের নতুন বিশ্ব গড়ে ওঠবে এদের মা...
01/09/2022

🟩 নবজাতক শিশু শুধু বাবা মায়েরই নয় সমাজের দ্বায়িত্ব। সুস্থ নবজাতক আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সময়ের নতুন বিশ্ব গড়ে ওঠবে এদের মাধ্যমেই। ইসলামেও শিশুকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য স্নেহ-মমতা ও আদর-যত্ন দেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে। এতে তারা প্রকৃত মানুষ ও সুনাগরিক হয়ে, সকলের কল্যাণে কাজ করতে পারে।

🟢শিশুর প্রতি ভালোবাসাপূর্ণ ব্যবহারের তাগিদ দিয়ে মহানবী (সাঃ) আরও বলেছেন, ‘শিশুদের প্রতি স্নেহ ও আদর দেখায় না, এমন ব্যক্তিকে ইসলাম থেকে বহিষ্কার করা উচিত’। তাই আল্লাহর করুণা লাভ করতে শিশুদের প্রতি যত্নশীল আচরণ আবশ্যক। একজন নবজাতক আল্লাহর অবুজ বান্দা, তাদের যত্ন আমাদেরই নিতে হবে। তাই যেকোন নবজাতকের যত্নের প্রতিই আমাদের সচেতন হতে হবে।

🟩জন্মের প্রথম ২৮ দিন পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়। শিশু জন্ম নেয়ার পর একটি নতুন পরিবেশের মধ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার মত করে তোলার জন্য বেশ কিছু যত্নের দরকার হয়।

🟩নবজাতকের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ধারণা জেনে নেয়া যাকঃ

🟢গর্ভের ৩৭-৪২ সপ্তাহ পূর্ণ করে জন্মানো, জন্মের পরপরই কাঁদে, ২.৫ কিঃ গ্রাঃ বা তার উপরে ওজন, কোনো সাহায্য ছাড়াই নিঃশ্বাস নিতে পারে এবং তাড়াতাড়ি পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারে এমন নবজাতকে সুস্থ বা স্বাস্থ্যবান শিশু বলা যায়। অপরদিকে, গর্ভের ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই জন্মগ্রহণ করা শিশুকে বলা হয় অপরিণত শিশু। এদের সাধারণত ২৫০০ গ্রামের কম ওজন হয়, পেট ও মাথা আকারে বড় দেখায়, মাথা বুকের চেয়ে বড় দেখা্‌, দুই হাড়ের মাঝখানে বেশি ফাঁক থাকে এবং মাথার হাড়গুলো নরম হয়, আস্তে আস্তে কাঁদ , শ্বাস- প্রশ্বাস দ্রুত এবং অনিয়মিত হয় এমন বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

🟩নবজাতক শিশুর যত্ন কীভাবে নিবেনঃ

🟢জন্মের পরপর শিশুকে শুকনো নরম কাপড় দিয়ে আলতো চাপ দিয়ে মুছে নিন।

🟢 পরিষ্কার শুকনো কাপড়ে মাথা ও শরীর জড়িয়ে রাখুন।

🟢দেরি না করে নবজাতককে মায়ের বুকে দিন।

🟢জম্মের পরে প্রথম ও একমাত্র কাজ হলো মায়ের দুধ (শালদুধ) খাওয়ানো।

🟢জন্মের ৩ দিনের মধ্যে কোনোভাবেই শিশুকে গোসল করানো যাবে না ।

🟢শিশুকে স্পর্শ করার আগে নিজের হাতটি সবসময় ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন ৷

🟢নাভি শুষ্ক রাখুন ৷ যত বেশি শুষ্ক রাখা হবে তত দ্রুত নাভি শুকিয়ে ঝরে যাবে ৷ এজন্য নাভিতে তেল, সাবান, লোশন , পানি থেকে দূরে রাখুন ।

🟢 নখের আঘাতে ত্বকে আঁচড় লাগতে পারে ৷ আঁচড় গভীর হলে ঘা হবার সম্ভাবনা থাকে এবং শিশুদের নখ খুব দ্রুত বাড়ে ৷ তাই নখের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, শিশু ঘুমিয়ে গেলে কেটে দিতে হবে বাড়তি নখ।

🟢নবজাতকের প্রজনন অংগ বা জেনিটাল অনেক বেশি নরম কোমল হয়ে থাকে৷ পোষাক পরাতে এবং ডায়াপার বাছই করার সময় খেয়াল রাখুন তা যেন আরামদায়ক এবং উচ্চ শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন হয় । এক ডায়াপার ৪ ঘণ্টার বেশি কোনোভাবেই রাখা যাবে না।

🟢চুল নবজাতকের মাথার তাপমাত্রা ধরে রাখে। তাই খুব বেশি বড় চুল হলে এবং সমস্যা তৈরি হলে কাঁচি দিয়ে একটু ছেঁটে দিতে পারেন।

🟢শীতের ঠাণ্ডা বাতাস, কুয়াশা বা মেঘলা অবস্থায় শিশুকে বাইরে নেওয়াই উচিত নয়। রোদ উঠলে ও বাতাস কম থাকলে বেলা ১২টার আগে নবজাতককে কোলে নিয়ে রোদে বসতে পারেন। তবে আধা ঘণ্টার বেশি নয়।

🟩সমাজকে একটি  সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশু উপহার দিতে নিরাপদে একজন নারী  মা হবেন -এ দায়িত্ব শুধু পরিবারের নয়  সমাজের সবার। গর্...
31/08/2022

🟩সমাজকে একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশু উপহার দিতে নিরাপদে একজন নারী মা হবেন -এ দায়িত্ব শুধু পরিবারের নয় সমাজের সবার। গর্ভবতী নারীরই রয়েছে নিরাপদ মাতৃত্ব পাওয়ার অধিকার । আর এ নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতেই গর্ভকালীন সময়ে প্রয়োজন পরে মায়ের অধিক যত্ন নেয়ার। কারণ একজন নারী সন্তান ধারণের সাথে সাথেই মায়ে পরিণত হয়। যে মা একা নয়, তার সাথে বেড়ে উঠে অনাগত ভবিষ্যৎ আমাদের সমাজের। তাই এ বিষয়ে সকলের সচেতন হওয়া খুব জরুরি।

💠মহান আল্লাহ্‌ আমাদের একজন গর্ভবতী মায়ের কষ্টের কথা বোঝাতে বলেছেন ‘আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। (সূরা লোকমান;১৪ নম্বর আয়াত) । তাই এ সময় কোন মায়ের যত্ন নেয়া সওয়াবের কাজও হতে পারে আমাদের জন্য।

🟩তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে আমরা গর্ভকালীন সময়ে একজন মায়ের যত্ন নিতে পারি।

🟢সুষম খাবার খাওয়া ব্যবস্থা করুনঃ গর্ভকালীন সময়ে একজন মায়ের প্রতিদিন অতিরিক্ত ৩০০ কিলো ক্যালোরি দরকার হয় একজন সাধারণ নারীর খাদ্যভাস এর তুলনায়, তাই অবশ্যই প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন-এ সম্বৃদ্ধ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিজাতীয় খাবার নিশ্চিত করতে হবে। ফলমূল এর ক্ষেত্রে (আনারস, গাজর, কাঁচা পেঁপে )পরিত্যাগ করতে হবে।

🟢প্রি­-ন্যাটাল চেকাপ করুনঃ যখনি জানতে পারবেন কোন নারী গর্ভবতী তখনি কোন গাইনি ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। এতে গর্ভকালীন সময়ে মায়ের যে কোন সমস্যা সম্পর্কে তিনি সচেতন করবেন। এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সুস্থতা ও যেকোন সমস্যায় করনীয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করবেন। এবং গর্ভকালীন সময়ে মাকে অবশ্যই কমপক্ষে ৮ বার স্বাস্থ্য সেবা সরবরাহকারী এবং চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হতে হবে ও সঠিকভাবে নিয়মগুলি মেনে চলতে হবে।

🟢প্রি-ন্যাটাল ভিটামিন নেয়ার ব্যবস্থা করুনঃ গর্ভকালীন সময়ে মায়ের অতিরিক্ত অতিরিক্ত আয়রন ও ফলিক এসিডের প্রয়োজন হয় যার জন্যে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে মাল্টিভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।

🟢নিয়মিত শারিরিকচর্চা ব্যবস্থাঃ গর্ভকালীন সময়ে মায়ের যত্নে অল্প ব্যায়ামটাও জরুরি । এ সময় মায়ের শরীর ও মনে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। তাই মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্যে প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটা চলা করাকে চিকিৎসকরা ভালো মনে করেন। তাছাড়াও যে কোন ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট বা প্রসুতি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

🟢পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা করুনঃ এ সময় একজন মায়ের বাড়তি ঘুম ও বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। দিনের বেলা দুই ঘণ্টা সহ মোট ১০ ঘণ্টা ঘুমানো মায়ের জন্য দরকারি। দুপরে নাহ ঘুমালেও পা একটু উঁচুতে রেখে বিশ্রাম নিতে হবে।

🟢নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে রাখুনঃ কোন মায়ের এ ধরনের বদ অভ্যাস থাকলে এ সময় নিজের এবং সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এসব ত্যাগ করা উচিত। নয়ত; গর্ভপাত সহ প্রসবকালীন নানা জটিলতা এমনকি অনাগত বাচ্চাও ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

🟢ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণঃ ক্যাফেইন ক্লান্তি দূর করলেও গর্ভকালীন সময়ে এটি দেহে আয়রন শোষণে বাঁধা প্রদান করে সাথে ঘুমের সমস্যাও হতে পারে। তাই এ সময় ক্যাফেইন(চা ,কফি, গ্রিন টি এবং বিভিন্ন ব্যাথার ঔষধ) গ্রহণে সতর্ক থাকতে হবে।

🟢মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নঃ এ সময় মায়ের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন পরিবর্তনে তার বিষণ্ণতা কাজ করে যা রূপ নিতে পারে মানসিক সমস্যায় এবং এর ছাপ পরতে পারে বাচ্চার জীবনেও। তাই এ সময় কালে গর্ভবতী মায়ের মানসিক দিকটির কথা মাথায় রেখে তাকে হাসি খুশি রাখার চেষ্টা করা উচিত আমাদের সবার। এ সময় প্রার্থনার মাধ্যমেও মানসিক শান্তি লাভের চেষ্টা করা যেতে পারে।

🟢ওজন বৃদ্ধির দিকে খেয়াল করাঃ গর্ভকালীন সময়ে মায়ের ওজন মাত্রার বেশি বা কম বাড়া দুটিই মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হতে পারে। সাধারণত এ অবস্থায় ১০ থেকে ১২.৫ কেজি ওজন বাড়ে এবং এটি বেশিরভাগ সময় ২০ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়। তাই এ সময় মায়ের ওজন সঠিক পরিমাণে বাড়ছে কিনা সে দিকে নজর রাখতে হবে।

🟩তাছাড়াও গর্ভকালীন সময়ে মায়ের দাঁতের যত্ন,ভ্রমনে সাবধানতা অবলম্বন, ঢিলেঢালা আরাম দায়ক পোষক সহ তাকে ভারী কাজ করতে নাহ দেয়া এমন বিভিন্ন ভাবে সবসময় যত্ন নিতে হবে। অর্থাৎ অনাগত সন্তান পৃথিবীতে না আসা পর্যন্ত তার গর্ভবতী মায়ের যাতে কোন সমস্যা নাহ হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনকি প্রসব এর সময় প্রয়োজনীয় ডাক্তার, রক্তসহ যাবতীয় সকল ব্যাপারে পুর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

🟩সদকা🟢ইসলামি পরিভাষায় সদকা বলা হয় দান করাকে। অনেকেই মনে করেন থাকেন, আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য নিজ উপার্জিত অর্থ-সম্পদ দা...
29/08/2022

🟩সদকা

🟢ইসলামি পরিভাষায় সদকা বলা হয় দান করাকে। অনেকেই মনে করেন থাকেন, আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য নিজ উপার্জিত অর্থ-সম্পদ দান করার নামই হলো সদকা। তবে সুলুল্লাহ (সা.) বলে গেছেন , ‘সব নেক কাজই সদকা।’ (সহিহ বুখারি: ৬০২১)

💠সদকার ধরনঃ যে কোন ধরনের ভালো কাজেই মানুষ সদাকার সওয়াব পেতে পারে। ধৈর্য ধারণ করা সহনশীলতা,, ক্ষমা করা, পরপোকারী হওয়া, কাউকে ভালো কাজের আদেশ ও উপদেশ এবং মন্দ কাজের নিষেধ ও বাধা দেয়াও সদকা, এমনকি মানুষের সাথে ভাল আচরণ করাও হতে পারে কারো সদাকা।

💠সম্পর্কিত হাদিসঃ হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ যে কোন মুসলমান অন্য কোন মুসলমানকে বস্ত্র দান করবে, আল্লাহপাক তাকে জান্নাতের সবুজ কাপড় পরিধান করাবেন। যে কোন মুসলমান অন্য কোন ক্ষুধার্ত মুসলমানকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফল থেকে আহার করাবেন। যে কোন মুসলমান অন্য কোন পিপাসার্ত মুসলমানকে পানি পান করাবে, আল্লাহ তাকে ‘রহীকে মাখতুম’ থেকে পান করাবেন। -আবু দাউদ।

🟩সদকায়ে জারিয়া

🟢অন্যদিকে , আরবি শব্দ সদকায়ে জারিয়া । সদকা শব্দের অর্থ দান করা এবং জারিয়া অর্থ প্রবহমান, চলমান। সদকায়ে জারিয়া বলতে এমন দানকে বুঝায় যার কার্যকারিতা কখনো শেষ হবে না এবং তা কিয়ামত পর্যন্ত চলমান থাকবে। অর্থাৎ কিয়ামত পর্যন্ত কবরে শুয়ে শুয়ে সদকাকারী ব্যক্তি এর সওয়াব পেতেই থাকবেন। নবী করিম (সাঃ) বলেন -‘যখন আদম সন্তান মারা যায় তখন তার সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি বিষয় ব্যতীত। ১. সদকায়ে জারিয়াহ্, ২. এমন ইলম বা জ্ঞান যা দ্বারা মানব জাতি উপকৃত হয়, ৩. এমন সুসন্তান যে তার জন্য দোআ করে। [মুসলিম শরীফ]

💠সদকায়ে জারিয়ার ধরনঃ সদাকায়ে জারিয়ার অনেক প্রকার ও উদাহরণ রয়েছে। যেমন—গাছ লাগানো, মসজিদ নির্মাণ, কুপ খনন, মুসহাফ (কুরআনগ্রন্থ) ছাপানো ও বিতরণ, বই-ক্যাসেট ছাপানো ও বিতরণের মাধ্যমে জ্ঞান প্রচার করা।

💠সম্পর্কিত হাদিসঃ আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: নিশ্চয় মুমিনের মৃত্যুর পর যে আমল ও যে নেকী তার কাছে পৌঁছে সেটা হলো এমন ইল্‌ম যা সে শিখিয়ে গেছে কিংবা প্রচার করে গেছে, কোন নেক সন্তান রেখে গেছে, কোন মুসহাফ (কুরআনগ্রন্থ) রেখে গেছে কিংবা কোন মসজিদ বানিয়ে গেছে কিংবা মুসাফিরের জন্য কোন ঘর বানিয়ে গেছে কিংবা কোন নদী খনন করে গেছে কিংবা তার সুস্থতাকালে ও জীবদ্দশায় নিজের সম্পদ থেকে কোন সদকা করে গেছে তার মৃত্যুর পরেও যা তার কাছে পৌঁছে।[সুনানে ইবনে মাজাহ (২৪২); মুনযিরি ‘আত্‌-তারগীব ওয়াত তারহীব’ গ্রন্থে (১/৭৮) বলেন: এর সনদ হাসান। আলবানী হাদিসটিকে ‘সহিহু সুনানে ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে ‘হাসান’ বলে]

🟩সকল মুমিন ব্যক্তির সদকা ও সদকায়ে জারিয়া আমলের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখা উচিত। তবে দান শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য করতে । আমরা কেউ এ পৃথিবীতে কেউ থাকবো না , সবাইকেই যেতে হবে ।আমাদের সাথে যাবে আমাদের করা আমলের সওয়াব। আর সওয়াবের পাল্লা ভারি করার অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে সদকা ও সদকায়ে জারিয়া।

🟩 শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজের জীবন যাপনের প্রধান উপকরণ কষ্টার্জিত সম্পদ ব্যয় করা  হল  দান-সদকা। অত্যা...
28/08/2022

🟩 শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজের জীবন যাপনের প্রধান উপকরণ কষ্টার্জিত সম্পদ ব্যয় করা হল দান-সদকা। অত্যাবশ্যক এবং ঐচ্ছিক দুই ধরনের ব্যয়কেই দান­­-সদকা বলা হয়েছে পবিত্র কুরআন-হাদিসে । দান-সদকার যেমন গোপনে করা যায়, প্রকাশ্যেও করা যায়।

🟢 আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যদি তোমরা দান প্রকাশ্যে করো, তবে তা উত্তম; আর যদি তা গোপনে করো এবং অভাবীদের দাও, তবে তা তোমাদের জন্য শ্রেয়। এর মাধ্যমে আল্লাহ তোমাদের মন্দগুলো মোচন করে দেবেন। তোমরা যা করো, আল্লাহ তা অবগত আছেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২৭১)।

🟩 অর্থাৎ দান-সদকার মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভ করা ছাড়াও পার্থিব জীবনেও এর কিছু সুফল রয়েছে।

🔵যেমনঃ

🟢দানের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি পায় দুনিয়া ও আখিরাতে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণ সদকা করে - আর আল্লাহ হালাল ব্যতীত অন্যকিছু গ্রহণ করেন না - আল্লাহ তাআলা তা তাঁর ডান হাতে গ্রহণ করেন এরপর তিনি তা লালন করেন, যেমন তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার বাচ্চাকে লালন করে, এমনকি একসময় সে সদকা পাহাড়তুল্য হয়ে যায়।’(বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)

🟢 ব্যক্তির আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে পাপ মোচনে সহায়তা করে।
কাআব ইবনে উজরা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সদকা পাপ নিভিয়ে দেয় যেভাবে পানি আগুন নেভায়।’(বর্ণনায় তিরমিযী)

🟢 দান-সদকার মাধ্যমে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভের সাথে সাথে আত্মীয়তার সম্পর্কও রক্ষা পায়।
হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘নিশ্চয় মিসকীনকে দান একটি সদকা, আর আত্মীয়কে দানে রয়েছে দুটি: সদকা ও আত্মীয়তা-বন্ধন রক্ষা।

🟩দান-সদকার মাধ্যমে একে অপরের সহযোগিতায় সমাজে বেঁচে থাকা হয়ে উঠে সহজ। সকলের সাথে সকলের সম্পর্ক হয় মজবুত। জাতি হয়ে উঠে শক্তিশালী একসাথে। তার জন্যই মহান আল্লাহ্‌ এবং রাসুল(সঃ) সর্বদা এ ব্যাপারে উৎসাহিত করে গেছেন। যেন প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে যত কমই হোক না কেন সামর্থ্যানুযায়ী অন্যকে সাহায্য করে।

🟢 রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ বিষয়ে আরো বলেছেন, ‘তোমরা খেজুরের একাংশ দান করে হলেও আগুন থেকে বাঁচো।’(বর্ণনায় বুখারী)

Address

44 F/7, West Panthapath
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foundation for Research, Innovation, Environment and Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Foundation for Research, Innovation, Environment and Development:

Share