Creative Me

Creative Me Sharing meaningful content to raise awareness and inspire positive change. Follow for creative ideas and impactful stories.

Like • Share • Stay Connected

04/05/2026
If you think your life is too hard, go out and observe the world.
25/04/2026

If you think your life is too hard, go out and observe the world.

নিয়মিত গোসল
20/04/2026

নিয়মিত গোসল

NASA just shared the closest image ever taken of Jupiter...Each one of those swirls is a storm bigger than the entire Ea...
20/04/2026

NASA just shared the closest image ever taken of Jupiter...

Each one of those swirls is a storm bigger than the entire Earth and going on for centuries. Let that sink in.

“উদ্ধারকারী দল ভেবেছিল বিড়ালটি মারা গেছে… যতক্ষণ না তারা তার শ্বাস নেওয়া লক্ষ্য করল। সে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে শিশুটির ওপর...
20/04/2026

“উদ্ধারকারী দল ভেবেছিল বিড়ালটি মারা গেছে… যতক্ষণ না তারা তার শ্বাস নেওয়া লক্ষ্য করল। সে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে শিশুটির ওপর শুয়ে ছিল টানা ১১ ঘণ্টা। তার শরীরের তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৮৪°F-এ। আর শিশুটির ছিল একদম স্বাভাবিক।”

২০২৩ সালের ৮ মার্চ, ভোর প্রায় ৩টা ২০ মিনিটে, টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসে দুর্বল হয়ে পড়া একটি বিশাল ওক গাছ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের পূর্বাঞ্চলের একটি দূরবর্তী এলাকায় একটি মোবাইল বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে।

গাছটি ছিল ৮০ ফুটেরও বেশি লম্বা। এটি সরাসরি বাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে ছাদ ধসিয়ে দেয় এবং বাড়ির বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস করে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ চলে যায়। নিকটতম প্রতিবেশী ছিল এক মাইল দূরে, আর মোবাইল নেটওয়ার্কও ছিল না।

ঘরের ভেতরে ছিল তিনজন মানুষ—

একজন ২০ বছর বয়সী মা
তার ৫ মাসের শিশু ছেলে
এবং তার ৭৮ বছর বয়সী দাদি, যিনি বিছানায় শয্যাশায়ী ছিলেন

আর ছিল একটি বিড়াল।

একটি ধূসর রঙের বিড়াল, নাম ফগ। বয়স প্রায় পাঁচ বছর। ছোটবেলায় তাকে উদ্ধার করা হয়েছিল, তার একটি কান আংশিক ছিল না। সে খুব আদুরে স্বভাবের ছিল না— কোলে বসত না, মনোযোগ চাইত না।

কিন্তু তার একটি অভ্যাস কখনো বদলায়নি—

প্রতিদিন রাতে সে শিশুটির খাটের ভেতরেই ঘুমাত, পাশে নয়— বরং শিশুটির গায়ে গা লাগিয়ে গুটিসুটি মেরে।

শুরুর দিকে মা এটি আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। বিড়াল ও শিশুর বিষয়ে সতর্কবার্তা পড়েছিলেন তিনি। দরজা বন্ধ করা, খাট ঢেকে রাখা— সব চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু ফগ বারবার ফিরে আসত।

শেষ পর্যন্ত তিনি হাল ছেড়ে দেন। বরং দেখা গেল, ফগ পাশে থাকলে শিশুটি আরও শান্ত ও ভালো ঘুমাত।

সেই রাতে, যখন গাছটি পড়ে… ফগ ছিল শিশুটির খাটেই।

আঘাতে মা বিছানা থেকে ছিটকে পড়েন। ছাদের একটি অংশ তার পায়ের ওপর পড়ে তাকে আটকে ফেলে। তিনি এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সাহায্যের জন্য চিৎকার করেন, কিন্তু কেউ শোনেনি। দাদি কোনো সাড়া দেননি— ধসেই তার মৃত্যু হয়।

শিশুর ঘরের করিডোর পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি সন্তানকে দেখতে পাননি, শুনতেও পাননি।

পুরো ১১ ঘণ্টা তিনি অন্ধকারে পড়ে ছিলেন, মনে করেছিলেন তার সন্তান আর বেঁচে নেই।

দুপুরের দিকে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি দেখতে আসা একটি বিদ্যুৎ বিভাগের দল বাড়িটি দেখতে পেয়ে সাহায্যের জন্য খবর দেয়। কিছুক্ষণ পর উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায়।

প্রথমে তারা মাকে উদ্ধার করে। তিনি আহত, ঠান্ডায় কাঁপছিলেন, আতঙ্কিত— বারবার বলছিলেন:

“আমার বাচ্চা… দয়া করে… আমার বাচ্চা…”

দুজন উদ্ধারকর্মী শিশুর ঘরের ভেতরে ঢোকার জন্য ধ্বংসস্তূপ কেটে পথ করে। ছাদ একপাশে ভেঙে পড়ে ছোট একটি ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছিল। শিশুর খাট ভেঙে গিয়েছিল, চারদিকে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিল।

একজন উদ্ধারকর্মী বিড়ালটিকে দেখতে পান।

“ওটা মারা গেছে,” তিনি রেডিওতে বলেন।

ধূসর দেহটি নিস্তব্ধ পড়ে ছিল, ধুলায় ঢাকা।

তিনি হাত বাড়িয়ে সেটিকে সরাতে যান।

তারপর থেমে যান।

ওটা উষ্ণ ছিল।

হালকা নয়— স্পষ্টভাবে উষ্ণ।

তিনি ভালো করে দেখে বুঝলেন, তার বুক খুব ধীরে ওঠানামা করছে— কয়েক সেকেন্ড পরপর একবার।

সে তখনো বেঁচে ছিল।

প্রায় মৃত্যুর মুখে।

তারা যখন তাকে তুলে নেন, তার শরীর নিস্তেজ, চোখ বন্ধ। কিন্তু সামনের পা দুটো শক্ত হয়ে আটকে ছিল— যেন অনেকক্ষণ ধরে কিছু চেপে ধরে রেখেছে।

আর সে ঠিক তাই করছিল।

তার নিচে ছিল শিশুটি।

জীবিত। জেগে। শান্ত।

সে কাঁদছিল না। শুধু চোখ মিটমিট করছিল, যেন ঘুম থেকে উঠেছে।

কিছুক্ষণ পর তার তাপমাত্রা মাপা হয়—

৯৮.১°F।

একদম স্বাভাবিক।

আর ফগের তাপমাত্রা ছিল ৮৪.২°F—

মারাত্মক হাইপোথার্মিয়া।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা তার শরীর ভেঙে পড়ছিল— শুধু একটি জিনিস ঠিক রাখতে—

উষ্ণতা।

যা সে শিশুটির দিকে দিচ্ছিল।

পরে পশুচিকিৎসক জানান— তার পাঁজরের হাড় ভেঙে গেছে, গভীর ক্ষত, পানিশূন্যতা, এবং জীবন সংকটজনক অবস্থায় ছিল। তার শরীর প্রায় সব শক্তি শেষ করে ফেলেছিল।

কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট ছিল—

তার সব বড় আঘাত ছিল সেই পাশে, যেদিকে ধ্বংসাবশেষ ছিল।

আর শিশুর দিকে থাকা পাশটি— সুরক্ষিত ছিল।

চিকিৎসক বলেন, তার শরীর এমন আচরণ করেছে যা সাধারণ বেঁচে থাকার প্রবৃত্তির বিপরীত। সে নিজের জন্য তাপ ধরে রাখেনি— বরং বাইরে দিয়েছে, যেন শিশুটি তার শরীরেরই অংশ।

সে নিজেকে বাঁচাতে চায়নি।

সে শিশুটিকে বাঁচাচ্ছিল।

ফগ বেঁচে যায়।

তবে সুস্থ হতে কয়েক মাস লেগেছিল। তার হৃদযন্ত্র দুর্বল হয়ে যায়, শরীর আর আগের মতো শক্তিশালী হয়নি। তার ওজন কমে যায়, একটি চোখ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবুও সে ফিরে আসে।

নতুন, নিরাপদ একটি বাড়িতে ফিরিয়ে আনার পর— শিশুটি মেঝেতে একটি কম্বলের ওপর শুয়ে ছিল।

ফগ ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়।

তার পাশে শুয়ে পড়ে।

আগের মতোই গা লাগিয়ে।

তারপর চোখ বন্ধ করে।

মা বসে বসে তা দেখছিলেন— নড়তেও পারছিলেন না।

কয়েক মাস পর, কেউ যখন তাকে জিজ্ঞেস করে এই বিড়াল সম্পর্কে তার অনুভূতি কী, তিনি বলেন—

“আমি ১১ ঘণ্টা ভেবেছিলাম আমার সন্তান আর নেই। আমি তাকে ছুঁতে পারিনি, শুনতেও পারিনি। আর সেই পুরো সময়… সে ছিল তার পাশে। সে নিজের সব কিছু দিয়ে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। সে আমাদের কী দিয়েছে, তা ভাষায় বলা যায় না। আমার জীবনে এমন কোনো বাস্তবতা নেই, যেখানে সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়।”

আজ ফগের বয়স ৭।

সে এখন রোগা, শরীরে সেই ঘটনার দাগ আছে। একটি চোখ ঝাপসা, ধীরে ধীরে হাঁটে।

কিন্তু প্রতি রাতে…

সে এখনো শিশুটির পাশে ঘুমায়।

শিশুটির এখন বয়স ২ বছর।

আর যখন সে ঘুমের মধ্যে হাত বাড়িয়ে ফগকে খোঁজে…

সে কখনো সরে যায় না।

সংগৃহীত
#বিড়াল #বিড়ালপ্রেমি

big fan of whatever this is called
18/04/2026

big fan of whatever this is called

Then I deeply realized that, at the end of the day, I should place my expectations only in Allah. I trust in Allah alone...
10/04/2026

Then I deeply realized that, at the end of the day, I should place my expectations only in Allah. I trust in Allah alone; surely, He will never disappoint me.

Daughter is the most Beautiful gift from Allah🤍✨
10/04/2026

Daughter is the most Beautiful gift from Allah🤍✨

My mother's dream freeze....
07/04/2026

My mother's dream freeze....

Best things in summer 🍉
07/04/2026

Best things in summer 🍉

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creative Me posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Creative Me:

Share