Srijonshil

Srijonshil Aiming to financially empower women and people with disabilities, in Bangladesh

Our Vision
To foster socio-economic empowerment for women and ensure inclusive social rehabilitation for women and children with disabilities, enabling them to lead dignified and independent lives. Our Mission
To promote self-reliance among women and individuals with disabilities—especially women and children—by delivering comprehensive support and implementing sustainable development initiatives tailored to their needs.

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা। জীবন একটা খোলা বই। এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় অনেক কিছু দেখা র, জানার শেখার এবং পাওয়ার আছে। এ...
13/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা।
জীবন একটা খোলা বই। এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় অনেক কিছু দেখা র, জানার শেখার এবং পাওয়ার আছে। এক জীবনে কিছু মানুষ এর সাহচর্য ই জীবন কে সুন্দর করতে পারে। সেখানে ভাগ্যবান আমি এমন অনেক মানুষ ই পেয়েছি যাদের সাথে দেখা না হলে অর্থহীন একটা আগাছা জীবন কাটিয়ে দিতাম।
শুকরিয়া আল্লাহর দরবারে যিনি আমাকে সৃজনশীল এর সভাপতি কামরুন্নাহার আপা র সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এবং তার প্রতি ও আমি কৃতজ্ঞ, যে আমাকে আপার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এর পরের পথচলা টা আমার খুব পছন্দের এবং আনন্দের।
শুকরিয়া এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি "সম্মিলিত নারী প্রয়াস এর সবার প্রতি আমাকে তাদের সাথে রাখার জন্য।
আনন্দময় কিছু সময় এর স্থিরচিত্র।

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা। কিছু লেখা কিছু কাহিনি মনকে নাড়া দেয়। আমি একটি বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ সেই বাড়ির...
13/04/2026

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা।
কিছু লেখা কিছু কাহিনি মনকে নাড়া দেয়।

আমি একটি বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ সেই বাড়ির ভেতর থেকে একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। শিশুটির কণ্ঠে এতটা কষ্ট ছিল যে, ভেতরে গিয়ে কেন সে কাঁদছে তা জানার জন্য নিজেকে আটকাতে পারলাম না।
ভেতরে গিয়ে দেখলাম, এক মা তার দশ বছরের ছেলেকে আস্তে আস্তে মারছে এবং নিজেও তার সঙ্গে কাঁদছে। আমি এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আপা, আপনি এই ছোট্ট বাচ্চাটিকে কেন মারছেন, যখন আপনি নিজেও কাঁদছেন?”
তিনি উত্তর দিলেন, “ভাই সাহেব, এর বাবা মারা গেছেন এবং আমরা খুবই গরিব। উনার চলে যাওয়ার পর আমি লোকের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে সংসার ও এর পড়াশোনার খরচ চালাই। আর এই হতভাগা প্রতিদিন স্কুলে দেরিতে যায় এবং প্রতিদিনই দেরিতে বাড়ি ফেরে।
পথে কোথাও খেলাধুলায় মেতে ওঠে, পড়াশোনার দিকে একটুও মন দেয় না। যার কারণে প্রতিদিন তার স্কুলের ইউনিফর্ম নোংরা করে ফেলে।”
আমি কোনোভাবে মা ও ছেলেকে একটু বুঝিয়ে সেখান থেকে চলে এলাম।
এই ঘটনার কয়েক দিন পর, একদিন সকালে আমি সবজি বাজারে গেলাম। হঠাৎ আমার নজর সেই দশ বছরের ছেলেটির ওপর পড়ল, যে প্রতিদিন বাড়িতে মার খেত। আমি দেখলাম, সে বাজারে ঘুরছে এবং দোকানিরা যখন তাদের দোকানের জন্য সবজি কিনে বস্তায় ভরছিল, তখন কিছু সবজি মাটিতে পড়ে গেলে সে সেগুলো দ্রুত কুড়িয়ে নিজের ঝোলায় ভরে নিচ্ছে।
এই দৃশ্য দেখে আমি অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম ব্যাপারটা কী। আমি চুপিচুপি ছেলেটির পিছু নিলাম। যখন তার ঝোলা সবজিতে ভরে গেল, তখন সে রাস্তার পাশে বসে জোরে জোরে ডেকে সেই সবজি বিক্রি করতে লাগল। মুখে ময়লা, নোংরা ইউনিফর্ম আর চোখে পানি—এমন একজন দোকানদার জীবনে প্রথম দেখলাম।
হঠাৎ এক দোকানি, যার দোকানের সামনে সে বসেছিল, উঠে এসে জোরে লাথি মেরে তার ছোট্ট দোকানটি ছড়িয়ে দিল এবং ছেলেটিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল।
ছেলেটি চোখে পানি নিয়ে চুপচাপ আবার সবজি কুড়াতে লাগল এবং কিছুক্ষণ পর অন্য একটি দোকানের সামনে ভয়ে ভয়ে বসে পড়ল। সৌভাগ্যবশত, সেই দোকানি তাকে কিছু বলল না।
অল্প সবজি ছিল, তাও অন্যদের তুলনায় কম দামে। তাই দ্রুত বিক্রি হয়ে গেল। এরপর ছেলেটি উঠে একটি কাপড়ের দোকানে গেল, দোকানদারকে টাকা দিয়ে তার স্কুল ব্যাগটি নিয়ে নিল এবং কিছু না বলেই স্কুলের দিকে রওনা দিল। আমিও তার পিছু নিলাম।
পথে সে মুখ ধুয়ে স্কুলে ঢুকল। তখন সে এক ঘণ্টা দেরি করে ফেলেছিল। তার শিক্ষক তাকে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করলেন। আমি তাড়াতাড়ি গিয়ে বললাম, “একে মারবেন না, সে তো ছোট্ট শিশু।”
শিক্ষক বললেন, “এ প্রতিদিনই দেড় ঘণ্টা দেরিতে আসে। আমি প্রতিদিনই শাস্তি দিই, যাতে ভয়ে সময়মতো আসে। অনেকবার তার বাড়িতেও খবর পাঠিয়েছি।”
যাই হোক, মার খাওয়ার পর সে ক্লাসে বসে পড়তে লাগল। আমি শিক্ষকের মোবাইল নম্বর নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। বাড়িতে এসে বুঝলাম, যে কাজের জন্য বাজারে গিয়েছিলাম, তা তো ভুলেই গেছি। সেই নিরীহ শিশুটি বাড়ি গিয়ে আবার মায়ের কাছে মার খেল। সারারাত আমার মাথা ঘুরতে লাগল।
পরদিন সকালে আমি শিক্ষকের কাছে ফোন করে বললাম, “যে করেই হোক আজ বাজারে আসবেন।” তিনি রাজি হলেন।
সকাল হলো, ছেলেটির স্কুলে যাওয়ার সময় হলো, কিন্তু সে সোজা বাজারে তার ছোট্ট দোকানের ব্যবস্থা করতে গেল। আমি তার বাড়িতে গিয়ে মাকে বললাম, “আপা, আপনি আমার সঙ্গে চলুন, আমি আপনাকে দেখাব আপনার ছেলে কেন স্কুলে দেরি করে।”
তিনি সঙ্গে সঙ্গে রেগে বলতে বলতে আমার সঙ্গে চললেন, “আজ ওকে ছেড়ে দেব না।”
বাজারে শিক্ষকও এসে গিয়েছিলেন। আমরা তিনজন তিন জায়গায় লুকিয়ে দাঁড়িয়ে ছেলেটিকে দেখতে লাগলাম। আজও সে অনেকের বকুনি আর ধাক্কা খেল, তারপর সবজি বিক্রি করে কাপড়ের দোকানের দিকে গেল।
হঠাৎ দেখলাম, তার মা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। আমি শিক্ষকের দিকে তাকালাম, তিনিও কাঁদছেন। মনে হচ্ছিল, তারা যেন বুঝতে পেরেছেন, তারা একটি নিরীহ শিশুর উপর কতটা অন্যায় করেছেন।
মা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে গেলেন, শিক্ষকও কাঁদতে কাঁদতে স্কুলে ফিরে গেলেন। ছেলেটি দোকানদারকে টাকা দিল, আর দোকানদার তাকে একটি লেডিস স্যুট দিয়ে বললেন, “বাবা, আজ পুরো টাকা হয়ে গেছে, এটা নিয়ে যাও।”
ছেলেটি সেটি ব্যাগে রেখে স্কুলে গেল।
আজও সে এক ঘণ্টা দেরি করেছিল। সে সরাসরি শিক্ষকের কাছে গিয়ে ব্যাগ রেখে হাত বাড়িয়ে দাঁড়াল—যেন মার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
শিক্ষক উঠে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে এত জোরে কাঁদতে লাগলেন যে, আমিও নিজেকে সামলাতে পারলাম না।
আমি ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই ব্যাগের স্যুটটা কার জন্য?”
সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমার মা ধনীদের বাড়িতে কাজ করে। তার কাপড় ছেঁড়া, ভালো কোনো জামা নেই। তাই আমি তার জন্য এটা কিনেছি।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম, “আজই কি এটা মাকে দেবে?”
তার উত্তরে যেন আমাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেল। সে বলল, “না, ছুটির পর দর্জির কাছে সেলাই করতে দেব। প্রতিদিন কাজ করে একটু একটু করে সেলাইয়ের টাকাও জমিয়েছি।”
আমরা দু’জনই কাঁদতে লাগলাম, ভাবতে লাগলাম—আমাদের সমাজে দরিদ্র আর বিধবাদের সঙ্গে আর কতদিন এমন হবে? তাদের সন্তানরা কি এভাবেই বঞ্চিত থাকবে?
ঈশ্বরের আনন্দে কি এদের কোনো অধিকার নেই? আমরা কি আমাদের আনন্দের সময় থেকে কিছুটা অর্থ বের করে সমাজের অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে পারি না?
আপনারাও একবার ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন।
আর হ্যাঁ, যদি চোখে পানি এসে থাকে, তবে তা আটকাবেন না…
সম্ভব হলে এই লেখাটি সকল সামর্থ্যবান মানুষের কাছে পৌঁছে দিন, যাতে তাদের হৃদয়ে গরিবদের প্রতি সহানুভূতি জাগে, এবং এই ছোট প্রচেষ্টা কোনো দরিদ্র পরিবারের হাসির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
— সংগৃহীত

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা। আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। " #সৃজনশীল_নারী_ও_প্রতিবন্ধী_উন্নয়ন_সংস্থা" র পক্ষ থে...
08/03/2026

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা।

আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। " #সৃজনশীল_নারী_ও_প্রতিবন্ধী_উন্নয়ন_সংস্থা" র পক্ষ থেকে সবার জন্য রইল নারী দিবস এর শুভেচ্ছা। একজন নারী তার ঘরের রাণী। তাই তার সম্মান এবং মর্যাদা হোক উচ্চ।
নারী কে তার ন্যায্য অধিকার প্রধান ই হোক আমাদের দ্রীড় অঙ্গীকার।

18/02/2026

আসসালামুয়ালাইকুম, প্রতি বছরের মত এইবারও রমজানের খাদ্যবিতরন কর্মসুচি হাতে নেয়া হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ প্রতি বছর আপনাদের সহযোগিতায় রমজানের খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া হয়, প্রায় ৪০ টি নিম্ন আয়ের পরিবার ও প্রতিবন্ধী পরিবারে। এবারও সে প্রচেস্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সহযোগিতায় সৃজনশীল তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রায় সাত বছর ধরে। প্লিজ আমাদের হাতটি ধরে রাখুন, আমরা ধরে রাখবো অনেকগুলি অসহায় হাত। ইনশাআল্লাহ।

18/02/2026
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা। গত ২রা জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো" সৃজনশীল নারী ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা র "আয়োজনে বিশেষ চাহ...
04/01/2026

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লা।
গত ২রা জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো" সৃজনশীল নারী ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা র "আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন দের নিয়ে সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য অর্থপেডিক,ডাঃ সেলিম রেজা। আরও উপস্থিত ছিলেন সৃজনশীল নারী ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা র সভাপতি এবং অন্নান্যরা।
সভায় উপস্থিত সকল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ দের সাথে মত বিনিময় হয় এবং সৃজনশীল তাদের সহযোগিতার চেষ্টা করবে, ও
তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করবে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

21/12/2025

ময়মনসিংহের সাম্প্রতিক ঘটনাটা শোনার পর খুব ভারী লাগছে।
একজন মানুষকে “ধর্ম অবমাননার” অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটা কোনোভাবেই ইসলামের শিক্ষা হতে পারে না।

হ্যাঁ, এটা সত্য
নবী মুহাম্মদ ﷺ কে অপমান করা ইসলামে বড় গুনাহ।
কোরআনে আল্লাহ বলেন:

“নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের ওপর দুনিয়া ও আখিরাতে লানত করেছেন।”
সূরা আল আহযাব ৩৩:৫৭

কিন্তু প্রশ্ন হলো
এই গুনাহের শাস্তি কে দেবে?

ইসলামে কোথাও বলা নেই যে, সাধারণ মানুষ নিজের হাতে বিচার করবে। বরং কোরআন খুব পরিষ্কারভাবে বলে:

“কোনো প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হারাম করেছেন, ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া।”
সূরা আল ইসরা ১৭:৩৩

আর নবী ﷺ এর জীবনে আমরা সরাসরি এর উদাহরণ পাই।

তায়েফে নবী ﷺ কে পাথর মারা হয়েছিল, গালি দেওয়া হয়েছিল, রক্তে পা ভিজে গিয়েছিল। তখন জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, চাইলে এই লোকদের ধ্বংস করে দেওয়া যায়।
নবী ﷺ কী বললেন?

“না। আমি চাই না এরা ধ্বংস হোক। বরং আশা করি, এদের বংশধরদের মধ্যে এমন মানুষ আসবে যারা আল্লাহর ইবাদত করবে।”
সহিহ বুখারি, হাদিস ৩২৩১

আরেক ঘটনায় এক ইহুদি ব্যক্তি নবী ﷺ কে কটূক্তি করেছিল। সাহাবীরা রেগে গিয়েছিলেন। নবী ﷺ তাদের থামিয়ে বলেছিলেন:

“আমি নম্রতা ও সহনশীলতার জন্য পাঠানো হয়েছি, অভিশাপ দেওয়ার জন্য না।”
সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৫৯৯

এই হচ্ছে নবী ﷺ এর পথ।

তাই কেউ যদি নবী ﷺ কে ভালোবাসার দাবি করে, অথচ তাঁর দেখানো ধৈর্য, ন্যায় আর আইনের পথ ছেড়ে সহিংসতা বেছে নেয়, সে আসলে নবী ﷺ এর শিক্ষা অনুসরণ করছে না।

ধর্ম অবমাননা ভুল
কিন্তু হত্যাকাণ্ড আরও বড় অপরাধ
আর ইসলাম কখনোই বিশৃঙ্খলা, হত্যা বা জনতার বিচারকে অনুমোদন দেয় না।

“আর তোমরা সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না।”
সূরা আল বাকারা ২:১৯০

20/12/2025

আসসালামুয়ালাইকুম,
শীতে কাপছে বাংলাদেশ। প্রতি বছরের মত এবারও হাত বাড়াতে চাই। অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। বিন্দু বিন্দু দিয়ে সিন্ধুগড়ি। আখারাতের পুঁজি হোউক আমার এই দান।
আসুন কম্বল বিতরনে অংশগ্রহন করি। আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় সৃজনশীলের সহযোগিতায় কিছু আর্থিক সহযোগতা দিয়ে অংশগ্রহন করুন।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন, আমীন।

বিকাশ 01956315771

17/12/2025

ছেলেটির নাম নওশাদ খান। বয়সে ছোট হলেও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সম্মানে বড়।
পোস্টিং পেয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অনিয়ম হওয়া জায়গা ঢাকা বিমানবন্দরে। অনিয়ম গুলো দেখেও এতোদিন দেখার কেউ ছিলোনা, কি পরিমান অব্যাবস্থাপনা আর যাত্রী হ য় রা নি করা হয় এটা যারা একবার হলেও ভিতরে গেছেন তারা জানেন। উনি নিয়োগ পেয়েই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন কাজ করেছেন। তার মাঝে আছে ক্যান্টিনের মুদ্রিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে খাবার বিক্রি ও বাসি খাবার বিক্রি বন্ধ করা, ওয়াশরুমের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকশিস এর নামে হ য় রা নি বন্ধ, হেল্প ডেস্ক কার্যকর করা, যে কোন দরকারে যেন ইন্সট্যান্ট উনার সাথে যোগাযোগ করা যায় সেই সব ডিটেইলস এর ব্যানার রাখা বিভিন্ন পয়েন্টে।

আর সবচেয়ে প্রশংসার যে কাজটা উনি করেছেন সেটা হলো লাগেজ রিলিজকারী কর্মীদের শরীরে ক্যামেরা লাগানো। শুনেছি এই ক্যামেরার ভিডিও এক্সেস উনার কাছেই থাকবে। আশা করি ইন্টারনাল যাত্রীদের পাশাপাশি প্রবাসী আপু-ভাইয়াদের লাগেজ এখন থেকে সহী সালামতে সবাই বুঝে পাবেন ইনশাআল্লাহ। কাউকে আর দেশে ফিরে সব হারিয়ে স র্ব শা ন্ত হতে হবেনা.....

উনি এভাবে কাজ চালিয়ে গেলে আগামী ৬মাসের মাঝেই এয়ারপোর্টের চিত্র বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ। বয়স কম, র ক্ত গরম, বাংলাদেশের ভবিষ্যত তো উনারাই। কিন্ত কথা সেটা না, ভয় হচ্ছে অন্য জায়গায়। উনি কি টিকে থাকতে পারবেন ৬ মাস এতো সি ন্ডি কে টের বিরুদ্ধে?

17/12/2025

ওরা বোঝা নয়, ওরা সম্পদ❤️

Address

House No. 33 Road No. 13, Block-L, SouthBanasree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Srijonshil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Srijonshil:

Share