Jamiatul Minan Bangladesh

Jamiatul Minan Bangladesh A world-class educational and research institution

05/12/2025

কওমি মাদরাসাগুলো হচ্ছে পানি ও লবণের মতো

হরিনের কিংবা গরুর গোশত অথবা পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার তৈরি করলেন; কিন্তু লবণ দেওয়া হল না, তাহলে খেতে পারবেন? ১০ টাকার লবণের কারণে দামি খাবার খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে যাবে।

বিশ্বের দামি রেস্টুরেন্টে বসে দামি দামি খাবার খেলেন, কিন্তু পানি পানের সুযোগ নেই। তাহলে বাঁচবেন না। ১০ টাকার পানি দিয়েই আপনাকে বাঁচাতে হবে।

কওমি মাদরাসাগুলোও পানি ও লবণের মতো। কওমি শিক্ষাব্যবস্থার অনেক দুর্বল ও সংশোধনযোগ্য বিষয় রয়েছে, এগুলো অনস্বীকার্য। তা সত্ত্বেও এদেশে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার প্রচার প্রসারে এর কোনো বিকল্প নেই।

একটা ছেলে আলিয়ায় ক্লাস ওয়ান কামিল পাশ করল, তাহলেও শুধু ওই শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পবিত্র কুরআন সহিহ ভাবে পড়া এবং ইসলামের মৌলিক জ্ঞান থেকেও বঞ্চিত হবে। এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে, সর্বক্ষেত্রে না।

স্কুল কলেজ ভার্সিটিতেও "ইসলাম" পড়ানো হয়। ইসলামিক স্টাডিজও আছে। এগুলোর মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক জ্ঞান অর্জিত হওয়া প্রায় মুশকিল।

এদেশে যত মানুষ বিশুদ্ধ কুরআন পড়তে পারে, তাদের ৮০% কওমি নুরানি হাফজী মাদরাসার অবদান। কওমি মাদরাসা না থাকলে অধিকাংশ মসজিদে নামায পড়লে শুদ্ধ হতো না।

— মুফতী মহিউদ্দিন কাসেমি

এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আল্লাহ ভরসা।
29/11/2025

এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।
আল্লাহ ভরসা।

22/11/2025
04/11/2025

আমাদের কওমি মাদরাসাগুলোতে আমরা কি ধর্মীয় প্রফেশনাল তৈরি করছি, নাকি কিছু দ্বীন মানা শ্রেণী তৈরি করছি?— এই জিনিসটা বুঝতে আমাদের হয়ত কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।

ধরা যাক মুহাম্মাদপুরের জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, আর যাত্রাবাড়ীর বড় মাদরাসা। দুটা ক্যাটাগরিক্যালি একই সিলেবাস ফলো করলেও দুটি মাদরাসার উদ্দেশ্য ভিন্ন। এর প্রথমটির টার্গেট হচ্ছে দক্ষ ধর্মীয় প্রফেশনাল তৈরি করা, যারা সমাজের ধর্মীয় নীড পূরণ করবে। অপরদিকে দ্বিতীয় মাদরাসাটির উদ্দেশ্য বেশির থেকে বেশি দ্বীন পালনকারী জনগোষ্ঠী তৈরি করা।
এটা যদিও কোথাও লেখা নাই কিন্তু কার্যক্রমের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা সহজেই এটা অনুমান করতে পারি।

এখন মুশকিলটা কোথায় এখানে? সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সিলেবাস। যে মাদরাসায় দ্বীন মানা শ্রেণী তৈরি করতে চাই, তাদেরকে বালাগাতের জটিল কিতাবাদি, শরহে জামী, বাইযাবির মত ক্লাসিক শাস্ত্রীয় বিষয়াদী পড়ানোর প্রয়োজন নাই। তাদের দরকার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় কিছু মাসআলা মাসায়িল, পাশাপাশি ধর্মীয় লিটারেচারের প্রাথমিক পাঠ, যার ওপর ভর করে সে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় দায়ীর দায়িত্ব পালন করতে পারবে।

আমরা যারা মফস্বলি মাদরাসাগুলোতে পড়াই তারা এই সংকটটা সবচেয়ে বেশি ফেস করি। একটা উপজেলা পর্যায়ের ছোট্ট জায়গায় গ্রামের কিছু ছেলেপেলে পড়তেছে, এইরকম কোন ক্লাসে বসলে আমাদের শিক্ষকদের অনেকে হতাশ হয়ে যান, এই ছাত্রদের এইভাবে ক্লাস পাড়ি দিয়ে যেতে দিয়ে কি লাভ হচ্ছে! আবার ছাত্র ধরে রাখার জন্য যত অযোগ্যই হোক পরের বছরে উঠিয়ে দিতেই হচ্ছে। সব মিলে দেখা যায় মফস্বলের উপরের দিকে ক্লাসগুলোতে বেশির ভাগ ছাত্রই হিদায়ায় পৃষ্ঠায় দাঁত বসাতে পারে না, কিন্তু মাওলানা মুফতি হয়ে বেরিয়ে যায়। ছাত্র বেশি দেখানো এবং নিজেরা মুহাদ্দিস-শায়খুল হাদিস হওয়ার বাসনায় উস্তাদরাও এই ছাত্রদেরকে বুঝিয়ে বলতে পারেন না, তোমাদের আর পড়াশোনা করার দরকার নেই। সব মিলে বছর শেষে রেজাল্ট বেরুলে দেখা যায় দেশের অধিকাংশ ছাত্র বিলো এভারেজ মার্ক নিয়ে পাস করছে।

ক্লাসিক শাস্ত্রীয় লিটারেচার চর্চা অনেক সাধনা ও শৌখিনতার ব্যাপার। যার কোন গতিকে পাশ করে একটা ইমামতি নিতে হবে, মাসে বার হাজার টাকা বেতনে সংসারের হাল ধরতে হবে, তার জন্য বায়যাবি, মুখতাসারুল মাআনি, শরহে জামি মানায় না।

এখন তাহলে কি করা উচিত? কাফিয়ায় ইতিমধ্যে বেফাক পরীক্ষা চালু হয়েছে, মাঝে শরহে জামি পড়ে শরহে বেকায়া। এই দুটা বছরকে দাখিল আলিম সমমান করার কোশেশ করা উচিত। এবং সমাজে এই ক্যাটাগরির ছাত্রের সংখ্যার অনুপাত হওয়া উচিত ৮:২।

শরহে বেকায়া পর্যন্ত এই পরিমাণ যোগ্যতা তৈরি হয়ে যায় আলহামদুলিল্লাহ, যা দিয়ে একটা ছাত্র ইমামতি করতে পারে। এরপরে দাওরা পর্যন্ত সময়ে কোন একটা সফট স্কিল, হার্ড স্কিল শেখানো যেতে পারে। এরাই হবে সমাজের দ্বীন মানা শ্রেণী। আর বাকি যে বিশ পার্সেন্ট ছাত্র, যারা মেধাবী, এদেরকে কেন্দ্রিয়ভাবে একক সিলেবাসের অধীনে যোগ্য, দক্ষ, প্রফেশনাল হিসেবে তৈরি করতে হবে। যারা জুমার খুতবা দেবে, ধর্মীয় সভায় ভাষণ দেবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজে শিক্ষকতা করবে, আদালতের ধর্মীয় ম্যাটারে জুরি হবে, ফতোয়া প্রদান করবে। মোট কথা আলেম শ্রেণীর দায়িত্ব আদায় করবে।

এতে করে যে ছেলে দেখে দেখে ইবারত পড়তে পারে না, সে তার বাপের যোগ্যতায় সমাজের মাথা হয়ে বসতে পারবে না। অযোগ্যদের হাতে সমাজের ধর্মীয় দায়িত্ব তুলে দিতে হবে না।’

আবদুল্লাহ আল মাহমুদ

জামিআতুল মিনানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস মুফতী আবুল কাসেম নুমানি দা. আ ফ গা ন ...
22/10/2025

জামিআতুল মিনানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস মুফতী আবুল কাসেম নুমানি দা. আ ফ গা ন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে হাদীস পড়াচ্ছেন।
আল্লাহ তাঁদের হায়াতে বরকত দান করুন।

22/10/2025

যারা জামিআতুল মিনান -এ #ডোনেইট করতে চান, নিম্নোক্ত এ্যাকাউন্টে তারা কাইন্ডলি পাঠাতে পারেন।

Jamiatul Minan Bangladesh
406811100000543
Shahjalal Islami Bank
Uttarkhan Branch

বিকাশ পার্সোনাল
01841686787 (বিকাশ, নগদ)
01601-705807 (বিকাশ, নগদ, রকেট)

আমাদের #পুওর_ফান্ড আছে; ভিন্ন ভিন্ন খাতে সেভাবেই আমরা খরচ করে থাকি।
আমাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনেকেই কন্ট্রিবিউট করতে চেয়েছেন; তাঁদের জন্যই বিশেষভাবে উল্লেখ করা।

কাইন্ডলি জামিআতুল মিনানের এই এ্যাকাউন্টে ব্যাক্তিগত কোনো লেনদেন করবেন না।
জাযাকুমুল্লাহ!

দীর্ঘদিন থেকে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে আমাদের ছেলেরা কিতাবাদি ঠিকভাবে গুছিয়ে, পরিপাটি করে রাখতে পারছিল না। আজকে আমাদের মু...
02/10/2025

দীর্ঘদিন থেকে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে আমাদের ছেলেরা কিতাবাদি ঠিকভাবে গুছিয়ে, পরিপাটি করে রাখতে পারছিল না।
আজকে আমাদের মুখলিস শুভাকাঙ্ক্ষী, অত্যন্ত প্রিয় জনাব রাজিব আহমেদ ভাইয়ের পক্ষ থেকে চমৎকার এই বুকশেলফগুলো হাদিয়া এসেছে।
আল্লাহ তাঁকে দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা মুক্ত এক প্রশান্তিময় দীর্ঘ জীবন দান করুন।

Address

Helal Market, Uttarkhan
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamiatul Minan Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share