Bankers' Alliance

Directions

Bankers' Alliance Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bankers' Alliance, Community Center, Mothejeel, Dhaka.

‎ইসলামী ব্যাংকের সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষক নিয়োগ ও আর্থিক সুশাসন: ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অডিট রিপোর্ট পুনঃবিবেচনার যৌক্তি...
29/09/2026

‎ইসলামী ব্যাংকের সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষক নিয়োগ ও আর্থিক সুশাসন: ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অডিট রিপোর্ট পুনঃবিবেচনার যৌক্তিকতা
‎
‎বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদন | অর্থ ও ব্যাংকিং বিভাগ
‎ঢাকা:
‎
‎দেশের সর্ববৃহৎ শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (IBBL)-এর যৌথ সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষক (Joint Statutory Auditors) হিসেবে ‘এ. ওয়াহাব অ্যান্ড কোং চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস’ এবং ‘মাহফেল হক অ্যান্ড কোং চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস’—এর স্থান পাওয়ার বিষয়টি ব্যাংক খাত ও আর্থিক বিশেষজ্ঞমহলে ব্যাপক পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশের অন্যতম পুরোনো দুটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও, অতীতে পুঁজিবাজার ও কর্পোরেট খাতের বিভিন্ন নিরীক্ষাকাজে তাদের মানদণ্ডগত বিচ্যুতি, আন্তর্জাতিক অডিটিং স্ট্যান্ডার্ড (ISA) লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরোপিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ইতিহাস এই নিয়োগকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
‎
‎দুই ফার্মের অতীত পারফরম্যান্স ও পেশাগত বিচ্যুতির বিস্তারিত চিত্র
‎ব্যাংকিং খাতের স্থায়িত্ব ও সুশাসন নিশ্চিতকরণে সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তবে ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর বিশেষ পর্যালোচনায় দুটি ফার্মের অতীত কার্যক্রমের যেসব বড় ধরনের পেশাগত বিচ্যুতি উঠে এসেছে:
‎
‎১. মাহফেল হক অ্যান্ড কোং চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস:
‎ * নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষেধাজ্ঞা (BSEC Ban): পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান 'রিং শাইন টেক্সটাইল'-এর আইপিও (IPO) ও ২০১৮ সালের আর্থিক বিবরণী নিরীক্ষায় গুরুতর অনিয়ম, মূলধনের অসঙ্গতি না ধরা এবং পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই অডিট রিপোর্ট তৈরির অপরাধে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (BSEC) এই ফার্মটিকে ৩ বছরের জন্য পুঁজিবাজারের অডিট প্যানেল থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
‎ * বিভাগীয় শাস্তি ও সিএ লাইসেন্স স্থগিত: সংস্থাটির সাবেক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অডিট পার্টনারদের বিরুদ্ধে আইসিএবি (ICAB) কর্তৃক পেশাগত অসদাচরণের (Professional Misconduct) অভিযোগে জরিমানা এবং নিরীক্ষা অনুশীলনের সনদ (Practice Certificate) স্থগিত/বাতিল করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
‎ * ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স বিতর্ক: কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে কোটি কোটি টাকার তহবিল তছরুপ ও নজিরবিহীন অনিয়মের বিষয়গুলো ঢাকা পড়া এবং ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে অডিট কার্যক্রম শেষ করার প্রেক্ষিতে BSEC ফার্মটির দায়িত্বপ্রাপ্ত অডিটরদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
‎
‎২. এ. ওয়াহাব অ্যান্ড কোং চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস:
‎ * দুর্বল ওয়ার্কিং পেপার ও তদারকির অভাব: আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা মানদণ্ড (ISA) অনুযায়ী পর্যাপ্ত অডিট নথিপত্র বা 'ওয়ার্কিং পেপারস' সংরক্ষণ না করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করার বিষয়ে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC) এবং BSEC-এর নজরে আসে ফার্মটি।
‎ * অনিয়ম চিহ্নিত করতে না পারা: একাধিক পুঁজিবাজারভিত্তিক কোম্পানির খেলাপি ঋণ, লোকসান ও মূলধনী গরমিল থাকা সত্ত্বেও 'Qualified Opinion' বা উপযুক্ত সতর্কবার্তা না দিয়ে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করার অভিযোগ রয়েছে। যার ফলে পরবর্তীতে ব্যাংক বা কোম্পানির প্রকৃত চিত্র সামনে এলে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
‎ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স মনে করে, অতীতে যেসব অডিট ফার্মের বিরুদ্ধে মূল আর্থিক চিত্র আড়াল করার বা দুর্বল অডিট তদারকির প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের হাতে ইসলামী ব্যাংকের মতো প্রকাণ্ড প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষাভার ন্যস্ত করায় আমানতকারীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে।
‎
‎৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী বাস্তবতা ও অডিট রিপোর্ট পুনঃবিবেচনার যৌক্তিকতা
‎ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর ব্যাংকিং বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন-পরবর্তী সময়ে দেশের ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সেখানে অতীতে প্রকাশিত অডিট রিপোর্টগুলোর বস্তুনিষ্ঠতা পুনঃমূল্যায়ন করা এখন প্রধান দাবি।
‎১. প্রকৃত আর্থিক চিত্র উন্মোচন ও অতীত অডিটের নির্ভরযোগ্যতা:
‎৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদ ও গঠিত বিভিন্ন বিশেষ তদন্ত কমিটির প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ব্যাংকটিতে পূর্বে বিতরণকৃত হাজার হাজার কোটি টাকার বেনামী ঋণ ও মূলধনী ঘাটতির নজির সামনে আসতে শুরু করেছে। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স মনে করে, বিগত বছরগুলোতে বিপুল পরিমাণ ঝুঁকিপূর্ণ ও নিয়মবহির্ভূত ঋণ থাকা সত্ত্বেও তা অডিট রিপোর্টে সঠিকভাবে প্রতিফলিত না হওয়া প্রমাণ করে তৎকালীন অডিট রিপোর্টগুলো নিরপেক্ষ ছিল না।
‎২. 'ট্রু অ্যান্ড ফেয়ার ভিউ' নিশ্চিতকরণ ও পুনঃনিরীক্ষা (Re-audit):
‎ব্যাংকের আয়ের প্রকৃত হিসাব, খেলাপী ঋণের সঠিক শ্রেণীকরণ এবং প্রবিশন (Provision) ঘাটতি ঢাকা পড়েছিল কিনা—তা নির্ধারণে অতীতের অডিট রিপোর্টসমূহ এবং বর্তমান নিরীক্ষকদের পর্যালোচনাকে ফরেনসিক রি-অডিটের (Forensic Re-audit) আওতায় আনা যুক্তিসঙ্গত।
‎৩. পেশাগত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার:
‎অতীতের বিশেষ রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপের মুখে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা সম্ভব হয়েছিল কিনা, তা বিচারে নতুন বৈশ্বিক মানদণ্ড মেনে একটি স্বাধীন অডিট রিভিউ প্রয়োজন বলে ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে।
‎আন্তর্জাতিক ট্রাস্ট-রেটিং ও ভবিষ্যৎ করণীয়
‎আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক অংশীদার ও বৈশ্বিক রেটিং এজেন্সিগুলোর কাছে ইসলামী ব্যাংকের ভাবমূর্তি রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর অনুসন্ধানী দল মনে করে, ব্যাংকটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং বিদেশি ব্যাংকের সাথে ঋণপত্র (L/C) নিষ্পত্তিতে আস্থার সংকট দূর করতে অডিট প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
‎
‎ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর বিশেষ দিকনির্দেশনামূলক সুপারিশ:
‎ * এফআরসি (FRC)-এর বিশেষ নজরদারি: যৌথ নিরীক্ষকদ্বয় কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রতিটি অডিট ওয়ার্কিং পেপারস ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC) কর্তৃক কঠোর 'কোয়ালিটি কন্ট্রোল রিভিউ' (QCR)-এর আওতায় আনা।
‎ * বিশেষ ফরেনসিক অডিট (Special Forensic Audit): বিগত বছরগুলোর বিতরণকৃত ঋণ ও মূলধনের প্রকৃত হিসাব নিরূপণে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরপেক্ষ কোনো তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে ফরেনসিক নিরীক্ষা পরিচালনা করা।
‎ * নিয়ন্ত্রক সংস্থার যৌথ মনিটরিং: সেন্ট্রাল ব্যাংক, এফআরসি এবং বিএসইসি কর্তৃক সমন্বিতভাবে ব্যাংকের অডিট কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
‎
‎উপসংহার
‎ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ও আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এই মুহূর্তের প্রধান চ্যালেঞ্জ। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স মনে করে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণীর নিরপেক্ষতা রক্ষায় বর্তমান অডিট ফার্মগুলোর কাজ যেমন নিবিড় তদারকিতে রাখা প্রয়োজন, তেমনই ৫ আগস্ট পরবর্তী নতুন আর্থিক বাস্তবতায় অতীত অডিট রিপোর্টগুলোর পুনঃবিবেচনা করা কর্পোরেট সুশাসনের জন্য অত্যন্ত জরুরী।
‎
‎
‎​

‎ইসলামী ব্যাংকে পদোন্নতি ও শীর্ষ পদে নিয়োগে আঞ্চলিকতার অভিযোগ: বঞ্চিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা, বাড়ছে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ‎‎নিজস্...
25/09/2026

‎ইসলামী ব্যাংকে পদোন্নতি ও শীর্ষ পদে নিয়োগে আঞ্চলিকতার অভিযোগ: বঞ্চিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা, বাড়ছে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ
‎
‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’
‎
‎ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে সম্প্রতি শীর্ষ পদে নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য ও আঞ্চলিকতার অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতার তোয়াক্কা না করে নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে। ‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’-এর অনুসন্ধানে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য, সিবিএ কেন্দ্রিক প্রভাব এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার নানা তথ্য উঠে এসেছে।
‎
‎জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে নিয়োগ: বঞ্চিত চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা
‎সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকে দুইজন নতুন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটিতে মোট ১৩ জন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) কর্মরত রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ার কথা থাকলেও, তালিকার ১ নম্বর ও ২ নম্বর স্থানে থাকা কর্মকর্তাদের নাম বাদ দিয়ে ৩ নম্বর ও ১১ নম্বর অবস্থানে থাকা দুইজনকে ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
‎
‎‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’-এর হাতে আসা তথ্যে দেখা যায়:

‎* বঞ্চিত শীর্ষ কর্মকর্তা: জ্যেষ্ঠতার তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন যথাক্রমে জি এম মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন কাদের এবং এ এস এম রেজাউল করিম। উভয়েই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যাংকার।
‎* আঞ্চলিকতার প্রভাব: অভিযোগ রয়েছে, শুধুমাত্র চট্টগ্রামের সন্তান হওয়ার কারণে "আঞ্চলিকতার ট্যাগ" দিয়ে তাদের এই প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
‎* পছন্দসই অঞ্চলের প্রাধান্য: নবনিয়োগপ্রাপ্ত দুই ডিএমডির একজন বরিশাল এবং অন্যজন নোয়াখালী অঞ্চলের। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে প্রধান কার্যালয়ের প্রশাসনিক চালিকাশক্তিতে নোয়াখালী ও বরিশাল অঞ্চলের কর্তাব্যক্তিদের একক নিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মেধাবী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা পদে পদে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
‎
‎সিবিএ নেতাদের অপতৎপরতা ও ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’
‎ইসলামী ব্যাংকের একাধিক সূত্রে ‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’ জানতে পেরেছে, ব্যাংকের অভ্যন্তরে এই বিশৃঙ্খলা ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে একটি প্রভাবশালী অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে।
‎* নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব বিস্তার: একটি বিশেষ দলের সমর্থক ও বিতর্কিত সিবিএ নেতারা ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং নীতি নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করছে।
‎* ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ গঠন: সাধারণ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার নামে এই সিবিএ নেতারাই মূলত "সচেতন গ্রাহক ফোরাম" নামের একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। তবে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, এই সংগঠন গ্রাহকস্বার্থ রক্ষার জন্য নয়; বরং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি, পদোন্নতি, নিজস্ব পছন্দের লোকদের পুনর্বাসন এবং চাকরিচ্যুত বিতর্কিতদের পুনঃনিয়োগ নিশ্চিত করার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।
‎* বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বাধা: এই সিবিএ নেতৃত্বাধীন চক্রটি ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন ইতিবাচক নির্দেশনা বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংস্কারমুখী পদক্ষেপ ভেস্তে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
‎
‎অসন্তোষ ও প্রশাসনিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা
‎বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক পরিবর্তনের অগ্রভাগে চট্টগ্রামের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। অথচ দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সেই চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের প্রতি ক্রমাগত বৈষম্যমূলক আচরণে সাধারণ কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ দানা বাঁধছে।
‎
‎পেশাদার ব্যাংকারদের মতে, পদোন্নতি কোনো ব্যক্তিগত অনুগ্রহ নয়—এটি একজন কর্মীর মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি। ইসলামী ব্যাংকের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রিকীকরণের এই ধারা বজায় থাকলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল ভেঙে পড়বে এবং ব্যাংকের সার্বিক কর্ম পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
‎
‎‘ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স’-এর পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা এবং মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া না হলে ইসলামী ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।
‎

24/09/2026

এরা কি আসলেই সাধারণ গ্রাহক নাকি গ্রাহকদের বিভ্রান্তিকারী...

‎সংকটকালে ইসলামী ব্যাংকে সিবিএ’র ৪ দফা দাবি: অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াইয়ের মুখে নতুন চাপ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ‎‎বিশেষ প্রতিনিধি |...
24/09/2026

‎সংকটকালে ইসলামী ব্যাংকে সিবিএ’র ৪ দফা দাবি: অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াইয়ের মুখে নতুন চাপ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ
‎
‎বিশেষ প্রতিনিধি | ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স
‎প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‎
‎সংকটময় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে পথ চলা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে নতুন করে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা ও রাজনৈতিক মেরুকরণ। ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থা যখন চরম নাজুক এবং তারা যখন ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক এমন সময়ে ‘ইসলামী ব্যাংক কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়ন (সিবিএ)’ ৪ দফা দাবি সংবলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেছে—যার নেপথ্য কারণ ও রাজনীতি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স।
‎
‎গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্যাংকটির সিবিএ সভাপতি মুহাম্মদ নূরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইছহাক খান সালামের স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের মাননীয় চেয়ারম্যান বরাবরে দাখিল করা হয়। স্মারকলিপিতে অস্থায়ী সাব-স্টাফদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং ১০০% পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
‎
‎সিবিএ’র ৪ দফা দাবিঃ
‎ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর প্রাপ্ত স্মারকলিপি অনুযায়ী তাদের উত্থাপিত প্রধান ৪টি দাবি হলো:
‎১. অস্থায়ী সাব-স্টাফদের চাকরি স্থায়ীকরণ: ব্যাংকে কর্মরত ড্রাইভার, টেকনিশিয়ান, মেসেঞ্জার, সিকিউরিটি গার্ড, ক্লিনার ও সার্ভিস বয়দের চাকরি স্থায়ী করা।
‎২. ১০০% বেতন-ভাতা বৃদ্ধি: সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে উদাহরণ হিসেবে টেনে সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ও ভাতা ১০০% বৃদ্ধির দাবি।
‎৩. বেতন বৈষম্য দূরীকরণ: বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সকল অস্থায়ী সাব-স্টাফদের জন্য একই বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা।
‎৪. গৃহনির্মাণ বিনিয়োগ ও SHDS সুবিধা পুনরায় চালু: বন্ধ থাকা গৃহনির্মাণ বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাংকের স্টাফ হাউজিং ডিপোজিট স্কিম (SHDS) দ্রুত চালু করা।
‎
‎রাজনৈতিক প্রভাবশালী ভূমিকা ও উপরিভাগের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের যোগসাজশঃ
‎ব্যাংকের একাধিক সূত্র ও বিশেষ অনুসন্ধানে ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স জানতে পেরেছে, এই সিবিএ’র প্রতিটি সদস্য একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারী এবং এদের অনেকেই স্থানীয় ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে দলীয় পদে দায়িত্বরত আছেন। ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের বা উচ্চপর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি ও ব্যাংকের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি করতে এই সিবিএ-কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। নিজেদের ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সুবিধা আদায়ের বিকল্প রাস্তা হিসেবে এই রাজনৈতিক প্রভাবশালী সিবিএ নেত্রীবৃন্দকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
‎
‎১. শর্ত মেনে যোগদানের পরও স্থায়ীকরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন:
‎ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সাব-স্টাফ পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা সার্কুলারের শর্তানুসারে স্ব ইচ্ছায় ও নিজ আপোষেই অস্থায়ী পদে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। বর্তমানে ব্যাংকের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তারা হঠাৎ কেন চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।
‎
‎২. নেপথ্যে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ইন্ধন:
‎ব্যাংকের ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি অংশ ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-কে জানান, ব্যাংক যখন পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন সিবিএ ও রাজনৈতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে এই ধরনের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করার পেছনে বড় কৌশল কাজ করছে। কৃত্রিমভাবে অস্থিরতা তৈরি করে ব্যাংককে আরও সংকটে ফেলাই এদের লক্ষ্য হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
‎
‎৩. ৫ আগস্ট পরবর্তী ‘মব কালচার’ ও জোরপূর্বক পদোন্নতির স্মৃতির পুনরাবৃত্তি:
‎স্মারকলিপির এই ঘটনাকে ব্যাংকের সচেতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে দেখছেন। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তারা মনে করিয়ে দেন যে, এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে একশ্রেণীর সিবিএ সদস্য ও কর্মচারী প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করে এবং মবের মাধ্যমে জোরপূর্বক পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়ে অফিসার বনে যায়। তৎকালীন ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সেই নতিস্বীকার ও চরম ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত এখনো ব্যাংককে দিতে হচ্ছে। বর্তমান সময়ে এসে আবারও স্মারকলিপির আড়ালে একই ধরনের মব কালচারের পুনরাবৃত্তি ঘটে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল সংশয়।
‎
‎বিশ্লেষকদের অভিমতঃ
‎ব্যাংকের অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতার কথা তুলে ধরে ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-এর অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০০% পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি বা বড় পরিসরে সাব-স্টাফ স্থায়ী করার মতো সিদ্ধান্তগুলো বর্তমানে বাস্তবায়ন করা ব্যাংকের জন্য চরম আত্মঘাতী হতে পারে। ব্যাংকের ঘুরে দাঁড়ানোর এই নাজুক মুহূর্তে দলীয় রাজনীতি বন্ধ করে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স-কে তারা স্পষ্ট জানান, ব্যাংকটির অস্তিত্ব রক্ষা না হলে কর্মচারী কিংবা কর্মকর্তা—কারোই ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে না।
‎
‎​

23/09/2026

নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নতুন টার্গেট...

ধন্যবাদ জনাব ওমর ফারুক সত্য তুলে ধরার জন্য, এমপির নামটা বলে দিলে আরো ভাল হত। পোষ্ট লিংক কমেন্টে।
23/09/2026

ধন্যবাদ জনাব ওমর ফারুক সত্য তুলে ধরার জন্য, এমপির নামটা বলে দিলে আরো ভাল হত। পোষ্ট লিংক কমেন্টে।

23/09/2026

আপনি একমত হবেন কিনা সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু বাস্তবতা এটাই। সেটা আপনাকে মানতেই হবে। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর উপলব্ধির জন্য।

To whom it may concern.
23/09/2026

To whom it may concern.

ইসলামী ব্যাংকের ১০০% সচ্চ নিয়োগ পক্রিয়া।
23/09/2026

ইসলামী ব্যাংকের ১০০% সচ্চ নিয়োগ পক্রিয়া।

23/09/2026

২৪ এর ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাতের আঁধারে আমাদেরকে জিম্মি করে ক্লিনার দারোয়ান পিয়নরা প্রমোশন নিয়ে উপরের পোস্ট গুলো দখল করে নেয়। কিসের ভিক্তিতে এদের ক্লিনার দারোয়ান পিয়নরা পদ থেকে প্রমোশন দিয়ে অফিসার করা হয়েছে? তাদের থেকে ( রিটেন বাদ দিলাম) কি নূন্যতম ভাইভা পরীক্ষা ও নেওয়া হয়েছে নাকি আমিরের সুপারিশই সব!

Address

Mothejeel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bankers' Alliance posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share