Bankers' Alliance

Bankers' Alliance Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bankers' Alliance, Community Center, Mothejeel, Dhaka.

মহান আল্লাহ সকলের ত্যাগকে কবুল করুক, আমিন।
27/05/2026

মহান আল্লাহ সকলের ত্যাগকে কবুল করুক, আমিন।

“গ্রাহক” নাকি গোপন এজেন্ডা: ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিতিশীলতা তৈরির ছক উন্মোচনবিশেষ অনুসন্ধান টিম | ঢাকা২৭ মে, ২০২৬বাংলা...
27/05/2026

“গ্রাহক” নাকি গোপন এজেন্ডা: ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিতিশীলতা তৈরির ছক উন্মোচন

বিশেষ অনুসন্ধান টিম | ঢাকা
২৭ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এক নজিরবিহীন ও গভীর অস্বাভাবিকতার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (IBBPLC)-কে কেন্দ্র করে ‘সাধারণ গ্রাহক’ পরিচয়ে একটি মহলের সুসংগঠিত ও সুপরিকল্পিত তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায় তথা চেয়ারম্যান নিয়োগের মতো উচ্চ administrative ও সংবেদনশীল প্রক্রিয়াকেও রাস্তায় নেমে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।
একটি বিশেষ অনুসন্ধানে এই প্রক্রিয়ার নেপথ্যে থাকা একাধিক স্তরের সমন্বিত ছক ও সুদূরপ্রসারী এজেন্ডা উন্মোচিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত নাগরিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা বা আর্থিক খাতকে অস্থিতিশীল করার একটি লক্ষ্যভিত্তিক অপারেশন (Targeted Operation)।

১. ‘গ্রাহক’ পরিচয়ে সুসংগঠিত মবিলাইজেশন:

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ব্যাংকটিকে ঘিরে মাঠপর্যায়ে যেসব কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট এবং অভিন্ন প্যাটার্ন (Pattern) রয়েছে। ঘটনাগুলো কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক নয়। প্রথমত, হঠাৎ করেই ‘সাধারণ ও নিরপেক্ষ গ্রাহক’ পরিচয়ে নির্দিষ্ট স্থানে দলবদ্ধ মানুষের উপস্থিতি ঘটানো হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা ব্যানার, স্লোগান এবং তাদের বক্তব্য হুবহু এক ও পূর্বনির্ধারিত। এর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মসূচির সমান্তরালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক এবং সুপ্রস্তুত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত: সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষোভ সাধারণত স্বতঃস্ফূর্ত ও বিক্ষিপ্ত হয়। কিন্তু এখানে যেভাবে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সমন্বিত অবস্থান নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্টতই একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক নির্দেশনার বহিঃপ্রকাশ।

২. ব্যাংকিং নিয়ম তোয়াক্কা না করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ:
বাংলাদেশে যেকোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ বা পরিচালনা পর্ষদ (Board of Directors) গঠন একটি আইনগত ও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া, যার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Bangladesh Bank)। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে এই আইনি প্রক্রিয়াকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। নতুন চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণার পরপরই ‘গ্রাহক’ ব্যানারধারীরা নিয়মতান্ত্রিক পন্থার বাইরে গিয়ে আপত্তি তুলছে। একই সাথে নতুন চেয়ারম্যানকে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণা এবং কর্মকর্তাদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা নয়, বরং একটি রাষ্ট্রীয় ও আইনি প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ অকার্যকর (Dysfunctional) করার অপচেষ্টা।

৩. পরিচয়ের দ্বৈততা: গ্রাহক নাকি রাজনৈতিক কর্মী?

অনুসন্ধানী দলের হাতে আসা তথ্য ও ফুটেজ বিশ্লেষণে আন্দোলনকারীদের পরিচয়ের এক চরম দ্বৈততা (Dual Identity) ধরা পড়েছে। দেখা গেছে, যে ব্যক্তিরা ক্যামেরার সামনে নিজেদের ‘নিরপেক্ষ ও অধিকারবঞ্চিত গ্রাহক’ হিসেবে দাবি করছেন, তাদের একটি বড় অংশই একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী বা বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদধারী। এই কৌশলটি মূলত দুটি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে—প্রথমত, জনমতকে বিভ্রান্ত করা এবং দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত এজেন্ডাকে ‘স্বাভাবিক গ্রাহক অসন্তোষ’ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে প্রকৃত উদ্দেশ্য আড়াল করা।

৪. প্রচলিত ‘গ্রাহক আচরণ’ বহির্ভূত অস্বাভাবিকতা:

আর্থিক খাত ও জন-আচরণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ব্যাংকিং খাতের প্রচলিত নিয়মের সম্পূর্ণ বিপরীত। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের সেবায় বা সার্বিক পরিস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হলে একজন গ্রাহক সাধারণত নিজের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন অথবা ঝুঁকিরোধে তার আমানত অন্য কোনো বিকল্প ব্যাংকে স্থানান্তর করেন।
কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। এখানে গ্রাহক পরিচয়ে আমানত স্থানান্তরের কোনো চেষ্টা না করে, বরং রাস্তায় নেমে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। একই সাথে নির্দিষ্ট ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিজেদের অনুকূলে নিতে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এই বৈপরীত্যই প্রমাণ করে যে, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্দোলনকারীদের মূল লক্ষ্য নয়; বরং ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে প্রভাবিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

৫. নেপথ্যের উদ্দেশ্য: নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নাকি অস্থিতিশীলতা?

সংশ্লিষ্ট খাতের विशेषज्ञों গভীর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সুনির্দিষ্ট তৎপরতার পেছনে মূলত কয়েকটি সম্ভাব্য উদ্দেশ্য কাজ করছে। এর অন্যতম হলো চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের অনুগত ব্যক্তিদের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বসিয়ে বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে প্রভাব বিস্তার করা। এছাড়া দেশের অন্যতম বৃহৎ আমানতকারী ব্যাংকের বিশাল আর্থিক পোর্টফোলিওর ওপর একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাংকের ঋণ প্রদান ও বড় ধরনের বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার জন্য অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করাও এর বড় লক্ষ্য হতে পারে। অনেকেই মনে করছেন, এর পেছনে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিরতা জিইয়ে রেখে সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্য রয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলবে।

আইনি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ঝুঁকি:

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘গ্রাহক’ পরিচয়ের আড়ালে পরিচালিত এই ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রাষ্ট্রীয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইনি সিদ্ধান্তে বাধা দেওয়া, দেশের সংবেদনশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরি এবং সংগঠিত ব্ল্যাকমেইলিং সরাসরি দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় হুমকি।

কিছু জরুরি ও অনুত্তরিত প্রশ্ন:

এই সংকটের মুখে আজ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে:
১. মাঠপর্যায়ে সক্রিয় এই ‘লাল শার্ট পরা নিরপেক্ষ গ্রাহক’দের প্রকৃত পরিচয় কী এবং তাদের নেপথ্য অর্থায়ন ও নির্দেশনার উৎস কারা?
২. দেশের শত শত ব্যাংকের মধ্যে শুধুমাত্র এই নির্দিষ্ট ব্যাংকটিকে কেন্দ্র করেই কেন বারবার একই ধরনের প্যাটার্ন কার্যকর করা হচ্ছে?
৩. দেশের আর্থিক খাতের অভিভাবক হিসেবে এই সুসংগঠিত চাপের মুখে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা এই মুহূর্তে ঠিক কী হওয়া উচিত?

উপসংহার ও শেষ সতর্কবার্তা:

একটি দেশের ব্যাংকিং খাত কোনো রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের পরীক্ষাগার হতে পারে না। যদি ‘গ্রাহক’ কার্ড ব্যবহার করে কোনো বিশেষ মহল ক্ষমতার খেলা বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়, তবে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। এর ফলে সাধারণ আমানতকারীদের আস্থা ধূলিসাৎ হবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং চূড়ান্তভাবে পুরো দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে।
আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এটি একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশ ব্যাংক কি আইন অনুযায়ী কঠোর অবস্থান নিয়ে এই ‘নিয়ন্ত্রিত অরাজকতা’র অবসান ঘটাবে, নাকি কোনো অদৃশ্য চাপের মুখে এই বিশৃঙ্খলাকে আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ দেবে?

26/05/2026

ইসলামী ব্যাংক কি সুদের লোকদের দখলে যাবে? ইসলামী ব্যাংকের নাম ভাঙিয়ে যারা জনাব ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল চাচ্ছেন— তারা আস...
26/05/2026

ইসলামী ব্যাংক কি সুদের লোকদের দখলে যাবে?

ইসলামী ব্যাংকের নাম ভাঙিয়ে যারা জনাব ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল চাচ্ছেন—

তারা আসলে কাদের স্বার্থ রক্ষা করছেন?
সোজা প্রশ্ন, সোজা উত্তর চাই:

একজন সাবেক এএমডি, যিনি ইসলামী ব্যাংকে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন—

কেন তিনি সুদি ব্যাংকে চাকরি করেছেন?
এটা কি “জীবিকার তাগিদ”?
নাকি নীতির সাথে আপসের পরিষ্কার প্রমাণ?

গ্রাহকরা বোকা না—সব বোঝে।

এটা এখন পরিষ্কার—
একটি নির্দিষ্ট স্বার্থগোষ্ঠী আবারও ইসলামী ব্যাংকের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে।
সতর্কবার্তা:
ইসলামী ব্যাংক কোনো পরীক্ষাগার না,
যেখানে সুদভিত্তিক অভিজ্ঞতা নিয়ে এসে “ইসলামী” লেবেল লাগানো হবে।
সাধারণ গ্রাহকের অবস্থান একদম পরিষ্কার:
আমরা কোনো বিতর্কিত নেতৃত্ব চাই না
আমরা কোনো গোপন এজেন্ডা চাই না

✅ আমরা চাই বিশুদ্ধ ইসলামী ব্যাংকিং
✅ আমরা চাই নৈতিক নেতৃত্ব
✅ আমরা চাই জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা

যারা এই পুনর্বহালের নামে প্রচারণা চালাচ্ছেন—
তারা গ্রাহকের কণ্ঠস্বর না,
তারা নিজেদের স্বার্থের প্রতিনিধি।

শেষ কথা:
ইসলামী ব্যাংক দখলের খেলা আর চলবে না।

“গ্রাহকের টাকা, গ্রাহকের অধিকার”

 #এক্সক্লুসিভ | ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের যোগদান ঠেকাতে পর্দার আড়ালে গভীর ষড়যন্ত্র?‎‎ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের নত...
26/05/2026

#এক্সক্লুসিভ | ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের যোগদান ঠেকাতে পর্দার আড়ালে গভীর ষড়যন্ত্র?

‎ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের নতুন চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে আর্থিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, তার এই যোগদান প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে একটি বিশেষ মহল পর্দার আড়ালে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

‎বাউফলের এমপি ও জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ:
‎সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি ব্যাংকটিকে কেন্দ্র করে 'গ্রাহক ফোরাম'-এর ব্যানারে যে আন্দোলন চলছে, সেটিও মূলত জামায়াতে ইসলামীর একটি সুপরিকল্পিত এজেন্ডার অংশ বলে বিভিন্ন তথ্যে সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে।

‎অস্পষ্টতা ও নীরবতা:
‎এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বা তার কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য কিংবা স্পষ্টীকরণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষও এখনো সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে।
‎ছড়িয়ে পড়া এই অভিযোগের শতভাগ সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে ব্যাংকিং খাতের চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার এই গুঞ্জন দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।

‎দেশের ব্যাংকিং খাতের সবশেষ আপডেট ও সুশাসনের পক্ষে থাকতে চোখ রাখুন 'ব্যাংকার্স অ্যালায়েন্স'-এর পাতায়।

‎ #ইসলামীব্যাংক #ব্যাংকিংনিউজ #আর্থিকখাত #শফিকুলইসলামমাসুদ #ব্যাংকার্সঅ্যালায়েন্স

শিশু রাগ করলা?
25/05/2026

শিশু রাগ করলা?

চিহ্নিত ব্যক্তি ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহক পরিচয়ে এই পর্যন্ত যত গ্রাহক সমাবেশ করেছে সব সমাবেশে উপস্থিত ছিল দেখলাম। আচ্ছা উনার...
25/05/2026

চিহ্নিত ব্যক্তি ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহক পরিচয়ে এই পর্যন্ত যত গ্রাহক সমাবেশ করেছে সব সমাবেশে উপস্থিত ছিল দেখলাম। আচ্ছা উনার কি কোন পেশা আছে?? নাকি এইসব করে বেড়ানোয় তার পেশা!

25/05/2026

জাল সনদে চাকরিচ্যুতদেরও পুনর্বহাল করছে ইসলামী ব্যাংক।
সূত্র: খবরের কাগজ।

‎পটপরিবর্তনে ভোলবদল: অবসরে যেতেই জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসলামী ব্যাংকের বসির আহাম্মদ‎‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎২৫ ম...
25/05/2026

‎পটপরিবর্তনে ভোলবদল: অবসরে যেতেই জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসলামী ব্যাংকের বসির আহাম্মদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
‎২৫ মে, ২০২৬

‎ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর সদ্য সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) বসির আহাম্মদের বিরুদ্ধে চাকরিতে থাকাকালীন রাজনৈতিক সুবিধাভোগ ও অবসরে যাওয়ার পর পরই সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে নামার অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ মে (২০২৬) ব্যাংক থেকে অবসরে যাওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায়, ২৪ মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসন্ন কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রচারণামূলক ফটো কার্ড প্রকাশ করেছেন তিনি। এ নিয়ে ব্যাংকিং সেক্টর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎'মুজিব সেনা' থেকে 'জুলাই চেতনার ধারক':
‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ২৫ জুন প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন বসির আহাম্মদ। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রমনা করপোরেট, নিউ মার্কেট, ধানমন্ডি, মগবাজার, ময়মনসিংহ, মাওনা চৌরাস্তা, উত্তরা ও মধুপুরসহ মোট ৮টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং বগুড়া, ঢাকা নর্থ ও ময়মনসিংহ জোনের প্রধান (হেড অব জোন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি প্রধান কার্যালয়ের এসএমই ইনভেস্টমেন্ট ডিভিশন-১ এবং রিটেইল ইনভেস্টমেন্ট উইং-এর প্রধান ছিলেন।
‎অভিযোগ রয়েছে, বিগত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পূর্বে তিনি ব্যাংকের অভ্যন্তরে নিজেকে 'মুজিব সেনা' হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে নানা প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা গ্রহণ করতেন, যার প্রমাণ সে সময়কার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকলাপেও প্রকাশ পেত।
‎তবে ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে রাতারাতি তার ভোলবদল ঘটে। তিনি নিজেকে 'জুলাই চেতনার ধারক' দাবি করতে শুরু করেন এবং তার ফেসবুক প্রোফাইলে নতুন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচার শুরু করেন। অভিযোগ উঠেছে, নতুন পরিস্থিতিতে সুবিধা নিতে তিনি ব্যাংকের অভ্যন্তরে জামায়াতপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বিভিন্ন বৈঠকের আয়োজন করেন এবং সহকর্মীদের কাছ থেকে সংগঠনের নামে বাধ্যতামূলক চাঁদা বা আর্থিক অনুদান আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন। একই সাথে অফিসের ভেতরে তিনি বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমান সরকার বিরোধী নানা পোস্ট করতেন বলেও ব্যাংকের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

‎বিধিমালা লঙ্ঘন ও নির্বাচনী প্রচারণা:
‎ব্যাংকের নীতি অনুযায়ী চাকরিরত অবস্থায় কোনো অরাজনৈতিক বা রাজনৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার বিষয়ে কড়াকড়ি থাকলেও, বসির আহাম্মদ চাকরিতে থাকা অবস্থাতেই গাজীপুরের কালিয়াকৈরের মহরাবহে অবস্থিত 'মাদরাসাতুল আবরার আল ইসলামিয়া'র সহ-সভাপতি এবং শাহবাজপুরের 'আশরাফ আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়' এর সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। যা ব্যাংকের এইচআর (HR) পলিসির পরিপন্থী ছিল না বলে দাবি করা হলেও তা নিয়ে ব্যাংকের ভেতরে নানা গুঞ্জন ছিল।
‎গত ২১ মে অবসরে যাওয়ার পরপরই ২৪ মে তিনি নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে একটি ফটো কার্ড শেয়ার করেন। উক্ত বিজ্ঞাপনে তিনি নিজেকে সাবেক ব্যাংকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা এবং উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাবেক পদাধিকারী হিসেবে দাবি করে প্রচার শুরু করেছেন।

‎মিশ্র প্রতিক্রিয়া:
‎একই ব্যক্তির ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে দু’টি ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক শক্তির পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার এই ঘটনাকে ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা "সুবিধাবাদী রাজনীতি" হিসেবে দেখছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, "চাকরিজীবনে একদলীয় প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়া এবং অবসর নিতেই অন্য দলের ব্যানারে সরাসরি নির্বাচনে নামা পেশাদার ব্যাংকিং সংস্কৃতির জন্য একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।"

‎এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা বসির আহাম্মদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইচ আর পলিসি অনুযায়ী কোন রাজনৈতিক দলের নেতা ব্যাংকের এমডি হতে পারে না। জামাতের নেতা ওমর ফারুক খানকে পদত্যাগ পূর্বক আইনের...
24/05/2026

এইচ আর পলিসি অনুযায়ী কোন রাজনৈতিক দলের নেতা ব্যাংকের এমডি হতে পারে না। জামাতের নেতা ওমর ফারুক খানকে পদত্যাগ পূর্বক আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

゚ #বাংলাদেশেররাজনীতি #ইসলামি_ব্যাংক #বাংলাদেশসরকার #বাংলাদেশ #অর্থনীতি #লাউড_এন্ড_ক্লিয়ার

‎নারী কর্মীদের হেনস্থা, অনৈতিক সুবিধা ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা সারওয়ার আজমের বিরুদ্ধ...
24/05/2026

‎নারী কর্মীদের হেনস্থা, অনৈতিক সুবিধা ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা সারওয়ার আজমের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

‎ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (FAVP) এবং চট্টগ্রাম চৌধুরী হাট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সারওয়ার আজমের বিরুদ্ধে নারী কর্মীদের হেনস্থা, অনৈতিক সম্পর্ক, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের আর্থিক সুবিধা আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন বলেও সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে।

‎দফতরে অনৈতিক সম্পর্ক ও সহকর্মীদের অস্বস্তি:
‎অভিযোগে জানা যায়, সারওয়ার আজম যখন ব্যাংকের এফআরএসডি (FRSD)-তে কর্মরত ছিলেন, তখন ২০১৭ সালের আগে নিয়োগপ্রাপ্ত এক বিবাহিত নারী কর্মীর (ছদ্মনাম ফ্লোরা) সাথে তার অবৈধ ও অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই ডিভিশনের প্রত্যক্ষদর্শী কর্মীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, কর্মঘণ্টার মাঝেই ডেস্কের ওপর তারা একে অপরকে খাবার খাইয়ে দেওয়াসহ নানা আপত্তিকর আচরণ করতেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার এমন আচরণে ওই বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চরম অস্বস্তিকর ও বিব্রতকর পরিবেশ বিরাজ করছিল।

‎নারী কর্মীদের কক্ষ গোপনীয়তা ভঙ্গ ও মানসিক নির্যাতন:
‎চৌধুরী হাট শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সারওয়ার আজমের বিরুদ্ধে নারী সহকর্মীদের নানাভাবে হেনস্থা ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীদের দাবি—
‎ * কক্ষের গোপনীয়তা ভঙ্গ: নারী কর্মীদের নামাজের কক্ষ ও বিশ্রামের জায়গাতেই তিনি নিজের ডাইনিং স্পেস বানিয়ে নেন। ফলে প্রায় সময়ই কোনো রকম অনুমতি বা 'নক' না করেই আকস্মিকভাবে তিনি নারীদের কক্ষে ঢুকে পড়তেন, যা নারী কর্মীদের চরম অসন্তুষ্টি ও নিরাপত্তার অভাব তৈরি করত।
‎ * মোবাইল চেক করার হুমকি: স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে তিনি একাধিকবার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন চেক করার হুমকি দেন।
‎ * অফিস সময়ের পর বাধ্যবাধকতা: নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রায়শই অফিসের নির্ধারিত সময়ের পর দীর্ঘ মিটিং ডাকতেন তিনি, যা শেষ হতে রাত ৮টা থেকে ৯টা বেজে যেত। এতে নারী কর্মীরা চরম নিরাপত্তা ও যাতায়াত ঝুঁকিতে পড়তেন।

‎ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার ও নিজস্ব 'ফতোয়া' জারির অভিযোগ:
‎ব্যাংক কর্মকর্তা হয়েও সারওয়ার আজম চৌধুরী হাট শাখায় নিজস্ব কিছু নিয়ম ও ফতোয়া চাপিয়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি নারী কর্মীদের আসর নামাজের পর সবার সামনে দাঁড়িয়ে 'দার্স' দিতে বাধ্য করতেন। এছাড়া পুরুষ সহকর্মীদের পেছনে দাঁড়িয়ে নারীদের আসর ও মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য রীতিমতো ফতোয়া জারি করে বাধ্য করেন। ব্যাংকিং শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে এমন মনগড়া নিয়ম চালু করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

‎অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ছাঁটাই ও কর্মীদের পাওনা আটকে রাখা:
‎মানবিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি তোয়াক্কা না করে দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কমপিটেন্সি (দক্ষতা) পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার অজুহাতে চাকরিচ্যুত করার পেছনে সারওয়ার আজমের সরাসরি হাত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, চাকরিচ্যুত দুই কর্মী—জুনিয়র অফিসার ইয়াসমিন আক্তার (Yasmin Akter) এবং অফিসার জেবেদ ওমর (Jebed Omar)-এর আইনানুগ পাওনা ও বেনিফিটের টাকা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখার পেছনেও এই ব্যবস্থাপকের প্রতিহিংসামূলক অসহযোগিতা দায়ী বলে জানা গেছে।

‎সরকার বিরোধী উসকানি ও কার্যালয়ে রাজনৈতিক বৈঠক:
‎সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মোহাম্মদ সারওয়ার আজমের বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী উসকানিমূলক মন্তব্য এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের (জামায়াতে ইসলামী) প্রচারণামূলক পোস্ট ও কমেন্ট করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া চৌধুরী হাট শাখার ভেতরেই স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে তিনি প্রায়শই গোপন বৈঠক পরিচালনা করেন বলে শাখার একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিশ্চিত করেছেন।

‎কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
‎একজন প্রথম সারির কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী হেনস্থা, অনৈতিক সুবিধা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মতো স্পর্শকাতর অভিযোগ ওঠায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও সচেতন গ্রাহকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহল এই বিষয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

#ইসলামীব্যাংক #বাংলাদেশেররাজনীতি ゚ #ইসলামি_ব্যাংক #বাংলাদেশসরকার

Address

Mothejeel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bankers' Alliance posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share