বাংলার প্রাঙ্গণ - Banglar Prangon

বাংলার প্রাঙ্গণ - Banglar Prangon বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং অসীম প্রতিভা সংরক্ষণে অবদান রাখতে অঙ্গীকারাবদ্ধ বাংলার প্রাঙ্গণ।

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসে গভীর নিস্তব্ধতা। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, সীমিত যোগাযোগব্যব...
08/06/2026

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসে গভীর নিস্তব্ধতা। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, সীমিত যোগাযোগব্যবস্থা আর শিক্ষার অপ্রতুল সুযোগ, সব মিলিয়ে এখানকার জীবন যেন বাংলাদেশের অন্য যে কোন অঞ্চল থেকে অনেকটাই আলাদা। সেই প্রতিকূলতার মাঝেই এক তরুণের স্বপ্ন পূরনের মধ্য দিয়ে অসংখ্য শিশু পাচ্ছে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ। ম্রো জনগোষ্ঠীর সন্তান উথোয়াইহাই। যে বয়সে অন্য সকলে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে, সে বয়সেই তিনি ভাবতে শুরু করেন নিজের জনগোষ্ঠীর শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। কারণ তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন, শিক্ষার অভাবে কীভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পিছিয়ে পড়ে রয়েছে তারা।

২০১৬ সালে মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তিনি শুরু করেন একটি ছোট্ট শিক্ষা উদ্যোগ। স্কুলটির নাম দেন ‘পাঠমু খারুকা’, যার বাংলা অর্থ 'কুঁড়ি থেকে ফুল ফোটানো'। নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে তাঁর স্বপ্ন, সে স্বপ্ন দেখেছিলো পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশু একদিন শিক্ষার আলোয় বিকশিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য ছিল না পর্যাপ্ত অর্থ, অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল। কিন্তু তিনি দমে যায় নি বরং থামার কারণ এগিয়ে গেছেন ধৈর্য ও নিষ্ঠা নিয়ে। শিশুদের বিদ্যালয়ে আনা, অভিভাবকদের শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানো এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি, সবকিছুই করতে হয়েছে তাকে একা হাতে। সময় গড়িয়েছে, আর তাঁর স্বপ্ন পূরনের যাত্রাও বিস্তৃত হয়েছে। মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু করা সেই উদ্যোগটি বর্তমানে পরিনত হয়েছে অনন্য এক শিক্ষানেটওয়ার্কে। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠিত একাধিক স্কুলে পড়াশোনা করছে অসংখ্য ম্রো শিশু। শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে উঠেছে আবাসিক ব্যবস্থাও, যাতে দূরবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে আসা শিশুরা নিরাপদে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
উথোয়াইহাইয়ের এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় সাফল্য কেবল স্কুল প্রতিষ্ঠা নয়, বরং শিক্ষার প্রতি একটি জনগোষ্ঠীর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়া। যে পরিবারগুলো একসময় নিজেদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে আগ্রহী ছিল না, তারাই এখন শিক্ষাকে ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে শিক্ষা সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। পাহাড়ি অঞ্চলের মতো দুর্গম এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় নেতৃত্বের এমন প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি টেকসই পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উথোয়াইহাই তার একটি বাস্তব উদাহরণ।

বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রার গল্পে প্রায়ই বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প কিংবা অর্থনৈতিক সূচকের কথা উঠে আসে। কিন্তু প্রকৃত উন্নয়নের গল্প লুকিয়ে থাকে এমন মানুষদের মধ্যে, যারা নিভৃতে মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার কাজ করে যান। উথোয়াইহাই তেমনই একজন স্বপ্নবাজ তরুণ, যিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই সম্ভাবনার একটি কুঁড়ি লুকিয়ে আছে, প্রয়োজন কেবলমাত্র যত্ন, সুযোগ আর শিক্ষা। একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিশুদের ওপর। আর সেই শিশুদের শিক্ষিত করে তোলার প্রতিটি উদ্যোগই ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও মানবিক করে তোলে।উথোয়াইহাইয়ের গল্প তাই শুধু একজন মানুষের গল্প নয় বরং এটি একটি আশার গল্প, একটি পরিবর্তনের গল্প ও সার্বজনীন শিক্ষার শক্তির এক অনন্য দলিল।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, উইকিপিডিয়া । (অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
#উথোয়াইহাই #বান্দরবান #পাঠমু_খারুকা #শিক্ষা #শিশু #ম্রোজাতি

#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণ কমে গেছে। অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত মানুষের আনাগো...
06/06/2026

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণ কমে গেছে। অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত মানুষের আনাগোনা, গাছ ও বাঁশ অবৈধভাবে নিধন এবং বনের ভেতর দিয়ে রেল ও সড়কপথ নির্মাণসহ নানা কারণে সংরক্ষিত এ বনাঞ্চল পর্যটকদের ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনায় ভরে উঠেছে। একসময়ের ঘন ও বৈচিত্র্যময় এই অরণ্য এখন পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।

দেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে অন্যতম লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। এটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। একসময় এই উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণীর উপস্থিতি ছিল। এর মধ্যে ছিল ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির উভচর, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি ও ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী। তবে বর্তমানে বাস্তব সংখ্যা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। বনের ভেতরে এখন কোনো বন্যপ্রাণীর দেখা মেলা ভার। স্থানীয়রা বলছেন, একটা সময় এই বন এতটাই ঘন ছিল যে, সূর্যের আলো সরাসরি মাটিতে পড়তো না। এখন সেই ঘনত্ব নেই। আগে বনের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে বন্যপ্রাণী দেখা গেলেও এখন বানর ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। একসময় ভোরবেলায় বনের পাশে দাঁড়ালেই উল্লুকের ডাক শোনা যেত, আর রাতে হরিণ মানুষের বাড়ির কাছে চলে আসত। সেই দিন এখন স্বপ্নের মতো মনে হয়।

পরিবেশকর্মীরা বলছেন, বনে প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো—রেল ও সড়কপথ। বনের ভেতর দিয়ে চলাচল করা ট্রেন ও যানবাহনের ধাক্কায় প্রতিনিয়ত বন্যপ্রাণী মারা যাচ্ছে। পর্যটকদের উচ্চস্বরে কথা বলা, জোরে গান বাজানো, দল বেঁধে ট্রেইলের বাইরে হাঁটা—এসবও প্রাণীদের স্বাভাবিক আচরণ নষ্ট করছে। প্রজনন মৌসুমে এই উপদ্রব মারাত্মক প্রভাব ফেলে। উল্লুক, বনমোরগ, অজগর—এরা এখন বনের গভীরে সরে গেছে, কারণ মানুষের চাপে সামনে আসতে পারছে না। প্রাণীরা এখন নিরাপদ নয়, বনে খাবারের তীব্র সংকটও রয়েছে। সীমানা প্রাচীর না থাকায় বনের জমি দখল ও মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী চা বাগান থেকে কীটনাশক মিশ্রিত পানি ছড়া বেয়ে বনের ভেতরে প্রবেশ করছে, যা বন্যপ্রাণীর জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। সমস্যা শুধু গাছ চুরি বা কীটনাশকে নয়; পর্যটন মানেই ক্ষতি নয়, কিন্তু অপরিকল্পিত ও অসচেতন পর্যটন লাউয়াছড়ার জন্য বিষের মতো কাজ করছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮-১৯ সালে লাউয়াছড়ায় পর্যটক প্রবেশ করেছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮১২ জন। করোনার কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৩-২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৬২ হাজার ৬৭২ জনে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত টিকিট কেটে প্রবেশ করেছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৮৫ জন।

বছরে দেড় লাখের বেশি মানুষ এই বনে প্রবেশ করছেন, অথচ প্রবেশপথে একটা ডাস্টবিনও নেই। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো কাঠামো নেই। ফলে প্লাস্টিক বর্জ্য মাটিতে মেশে, ছড়ার পানিতে ভাসে। চিপসের প্যাকেট, পানির বোতল, পলিথিন—মানুষ যেখানে বসে, সেখানেই ফেলে যায়। সাধারণ মানুষ আসে বেড়াতে, কিন্তু বনটা যে শ্বাস নেয়, সেটা বোঝে না। তারা দল বেঁধে মানুষ ঢোকে, হইহুল্লোড় করে বেরিয়ে আসে। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে যখন ছড়ার পানিতে প্লাস্টিক ভাসে। এই ছড়ার পানি স্থানীয় মানুষ ব্যবহার করে, আবার বনের প্রাণীরাও পান করে। পানি নষ্ট হলে সবার ক্ষতি। কিন্তু মানুষগুলো শুধু ছবি তুলে চলে যায়, ময়লাটা বনের জন্য রেখে যায়। প্লাস্টিক বর্জ্য খেয়ে বনের প্রাণীরাও মারা যাচ্ছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পক্ষ থেকে কিছু দিন পর পর লাউয়াছড়ার ময়লা পরিষ্কার করা হলেও, ট্যুরিস্টরা সচেতন না হলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর। লাউয়াছড়াকে রক্ষা করতে হলে পর্যটক প্রবেশ কমাতে হবে, রেল ও সড়কপথে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। তাহলেই বনের অবশিষ্টাংশ বন্যপ্রাণী রক্ষা করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা
অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না।

#লাউয়াছড়া #পরিবেশ #প্রাণিবৈচিত্র্য
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

রাজশাহীর তানোর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর গ্রামের প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো ব...
05/06/2026

রাজশাহীর তানোর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর গ্রামের প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো বট আর পাকুড় গাছের দৃষ্টিনন্দন যুগলবন্দি স্থানীয়দের কাছে " রহস্য ঘেরা বটবৃক্ষ " হিসেবে পরিচিত এবং সমাদৃত। ময়েনপুর গ্রামের প্রবেশমুখে বার্ধক্যের ছাপে গাছটির শাখা-প্রশাখা ,শিকড়-বাকড় পুরো এলাকাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলেও বটগাছটিতে এখনও রয়েছে তরুণ-তাজা প্রাণের স্পন্দন। গাছটিকে একটি মূল্যবান প্রত্নসম্পদ হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণের দাবি সচেতন মহলের। ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক দুর্লভ তথ্য অনুসন্ধানে গবেষকদের জন্য গাছটি মূল্যবান উপাদানও হতে পারে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞজনেরা।

ময়েনপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছ সংলগ্ন ঐ জায়গা সরকারি খাস সম্পত্তির তালিকাভুক্ত। এই বটগাছটি কতশত বছর আগের তা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারে নি।এমনকি অনেক বয়স্ক মানুষই এই বটগাছের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুই বলতে পারে নি। শুধু এটাই বলতে পারেন যে ,তারা এই পৃথিবীর বুকে জন্মানোর পর থেকেই সেই একই রকম দেখে আসছেন বটগাছটি।আব্দুর রাজ্জাক বলেন, " সবচাইতে অবাক ব্যাপার হলো কেউ বলতে পারে না এই বটগাছের উৎপত্তির গোড়া কোথায় ,এছাড়াও বটগাছটি মাঝখানে দেখতে একটি ঘোড়ার মতো।"

ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে কালের সাক্ষী বহন করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা বটগাছটি ঘিরে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে।অনেকেই বটগাছ দেখার জন্য সেখানে ছুটে আসেন। গাছটির শীতল ছায়ায় মন জুড়িয়ে যায় ক্লান্ত পথিকের।প্রতি বছর ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য স্থানীয় লোকজন কিছু এলাকা ঘিরে বটগাছের নীচে ঈদগাহ নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়দের অভিমত, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সেখানে গড়ে উঠতে পারে বড় ধরনের বিনোদন কেন্দ্র আর যা থেকে আয় করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এন ও )মুহা.শওকাত আলী বলেন ," শতবর্ষী গাছ আমাদের দেশে খুব বেশি নেই। একটি পুরোনো গাছ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পাখিদের আশ্রয়স্থলও বটে।বড় বড় গাছ রক্ষা করতে আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।আর প্রাচীন ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এই বটগাছ সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র: বার্ষিক নিউজ ,প্রতিদিনের বাংলাদেশ (অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
ের_পুরোনো_ঈদগাহ_মাঠ #প্রত্নতাত্ত্বিক_নিদর্শন
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

বাংলাদেশের পর্বতারোহণ ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন এক অনুপ্রেরণার নাম। দীর্ঘ প্রস্তুতি , প্রতিকূল আবহাওয়া আর জীবনের ঝুঁকিপূর্...
04/06/2026

বাংলাদেশের পর্বতারোহণ ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন এক অনুপ্রেরণার নাম। দীর্ঘ প্রস্তুতি , প্রতিকূল আবহাওয়া আর জীবনের ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের সকল বাঁধা অতিক্রম করে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাংলাদেশী পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। বাংলা মাউন্টে ইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব (বি এম টিসি ) জানিয়েছে, নিম্নি নেপাল সময় (বুধবার ২৭ মে )ভোর ৫ টা ২৪ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে গড়ে তুললেন নতুন ইতিহাস। এর মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাদেশী তৃতীয় নারী হিসেবে এভারেস্ট জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করলেন।

নুরুন্নাহার নিম্নি রংপুরে বেড়ে উঠেছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি পূবালী ব্যাংক পি এল সির জেনারেল ব্যাংকিং বিভাগে " প্রিন্সিপাল অফিসার " হিসেবে কর্মরত। ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে অধ্যয়ন করার সময় চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গিয়ে তাঁর পাহাড়ের প্রতি প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়।পরে তিনি নেপাল ও ভারতের বিভিন্ন পাহাড়ে ট্রেকিং করেন। ২০২২ সালে ভারতের দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান মাউন্টেইনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে তিনি পর্বতারোহণের পেশাদার প্রশিক্ষণ নেন।ঐ বছরেই তিনি বি এম টিসিতে যুক্ত হন।

চূড়ান্ত আরোহণের সময় নিম্নির সঙ্গে ছিলেন দাওয়া নুপু শেরপা ও লাকপা থিনদুক শেরপা।এবারের এভারেস্ট অভিযানের মূল আয়োজক ছিলো বি এম টিসি এবং স্পন্সর করেছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ,চূড়ান্ত আরোহণের জন্য নিম্নি গত ২৫ মে ক্যাম্প-২ থেকে যাত্রা শুরু করেন।সেদিন রাতে ক্যাম্প-৩ এ অবস্থান করে পরদিন দুপুরে ক্যাম্প-৪ এ পৌঁছান। সেখানে কয়েক ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় শুরু করেন চূড়ান্ত অভিযান। সারারাত প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পথ অতিক্রম করে ২৭ মে ভোরে তিনি এভারেস্টের চূড়ায় উঠে অবিশ্বাস্য বিজয় অর্জন করেন।

তথ্যসূত্র: সময়ের আলো ,শিক্ষা সংবাদ
(অনুমতি ছাড়া কেউ রিপোস্ট করবেন না)
#নুরুন্নাহার_নিম্নি
#এভারেস্ট #বাংলাদেশী_নারী
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি মসজিদ যা সংরক্ষিত আছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবেও। জানেন কি মসজিদটি কোথায় অবস্থিত? ...
03/06/2026

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি মসজিদ যা সংরক্ষিত আছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবেও। জানেন কি মসজিদটি কোথায় অবস্থিত?

কথা বলছিলাম মমিন মসজিদ নিয়ে; যা আমাদের দেশেরই পিরোজপুর জেলায় অবস্থিত। ১৯১৩ সালে মঠবাড়িয়ার বুড়িরচর গ্রামের মমিন উদ্দিন আকন নিজ বাড়িতে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ২১ জন কারিগর সাত বছরে এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

দূরের মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে কষ্ট হয় বলে যুবক মমিন উদ্দিন আকন নিজ বাড়িতে একটি মসজিদ নির্মাণের চিন্তা করলেন। এ উপলক্ষে তিনি বিভিন্ন মসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে সেগুলোর ডিজাইন ও চারুলিপি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করলেন। বাংলাদেশে বেশিরভাগ মসজিদই তৈরি ইট অথবা পাথরের দ্বারা। এগুলোর বেশিরভাগই মুঘল আমলে তৈরি। এরই ধারাবাহিকতায় মমিন উদ্দিন আকন নিজে ইটভাটায় ইট তৈরি করে মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। কিছুদিন পরে তিনি মসজিদটিকে সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে তৈরির পরিকল্পনা নেন।

মমিন উদ্দিন তৎকালীন বরিশাল জেলার স্বরূপকাঠি থেকে ২১ জন কারিকর এবং চট্টগ্রাম ও বার্মা থেকে কাঠ সংগ্রহ করেন। মসজিদটির পুরো পকিল্পনা, নকশা ও চারুলিপির কাজ করা হয় মমিন উদ্দিন আকনের তত্ত্বাবধানে। ওই গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িই তখন কাঠের তৈরি। এ ছাড়া গ্রামটি ছিল বিভিন্ন কাঠ ও ফলগাছে পরিপূর্ণ। এ কারণে তিনি মসজিদটি বিভিন্ন ধরনের গাছের পাতা, ফুল ও আনারসের মতো ফলের ডিজাইনে করার পরিকল্পনা করেন। মসজিদের প্রবেশদ্বারে একটি এবং মেহরাবে একটি চারুলিপির নকশা বসানো হয়। দুষ্প্রাপ্য লোহাকাঠ ও বার্মা সেগুনকাঠের ওপর এসব ডিজাইনে ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক রং।

গত শতকের শেষের দুই দশক ধরে বৃষ্টির পানির কারণে এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মসজিদটির কারুকাজ ও রংয়ের ক্ষতি হতে থাকে। এ সময় মমিন আকনের নাতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মসজিদটির প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য এবং রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে লেখালেখি করতে থাকেন। এ সময় তিনি ‘মমিন মসজিদ : স্মৃতি বিস্মৃতির খাতা’ নামে একটি বইও রচনা করেন। যার ফলে ২০০৩ সালে সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষণা করে।

২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষণা দিয়ে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়।[২] ২০০৮ সালে মসজিদটির সংস্কার কাজ করা হয়। এ সময় লোহার ব্যবহারসহ মূল ডিজাইনের বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মসজিদটি ১৬ হাত দৈর্ঘ্য, ১২ হাত প্রস্থ ও ১৫ হাত উচ্চতা বিশিষ্ট। এর চারপাশের বেড়া তিনটি অংশে বিভক্ত। উপরে ও নিচে কাঠের কারুকাজ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে দুটি পার্ট দিয়ে ডাবল বেড়া। ভিতরে একরকম ও বাইরে অন্যরকম। ভিতরের কারুকাজ করা বেড়াটি খুলে আলাদা করা যায়। ইট দিয়ে নির্মিত অনুচ্চ নিরেট মঞ্চের ওপর আয়তাকার পরিকল্পনায় কাঠের জোড়াবদ্ধ বেড়া ও খুঁটি সমর্থিত টিনের আটচালা ছাউনি বসিয়ে স্বল্প পরিসরে মমিন মসজিদ নির্মিত হয়েছে। কাঠের বেড়ার মধ্যে আকর্ষণীয় কারুকাজ বিধৃত হয়েছে। সে কারুকাজের মটিফে ঠাঁই পেয়েছে জ্যামিতিক বিন্যাসে ক্ষুদ্রাকার ফোকর, বরফি, ফুলদানি, স্টাইলিশ কলিসহ বিরুদের ডাঁটা, নাস্তালিক চারুলিপি, প্রভৃতি।

সারা বাংলাদেশের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত মসজিদের মধ্যে যেগুলো বেশি গুরুত্ব বহন করে সেই সব মসজিদের ছবি জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে; মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদের কয়েকটি আলোকচিত্রও জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি মুসলিম স্থাপত্যকলা।
উল্লেখ্য, এ ধরনের কাঠের তৈরি মসজিদ একসময় ভারতের কাশ্মীরেও একটি ছিল; কিন্তু ১৮৮৫ সালের ভূমিকম্পে সেটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদই এ ধরনের একমাত্র নিদর্শনে পরিণত হয়।

কাঠ আর মাটির সাথে জুড়ে আছে আমাদের অস্তিত্ব। এসবের তৈরি জিনিস চোখে পড়লেই মনে এক অন্যরকম অনূভুতি দোলা দিয়ে ওঠে, এই মসজিদটিও ঠিক এমনই।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
(অনুমতি ছাড়া কেউ রিপোস্ট করবেন না।)
#মমিন_মসজিদ #মঠবাড়িয়া_মমিন_মসজিদ #কাঠের_তৈরি_মসজিদ #পুরাকীর্তি #প্রত্নতাত্ত্বিক_নিদর্শন
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

কেমন হয় পাখির গ্রামে হারিয়ে যেতে পারলে? যেখানে সকাল শুরু হবে হাজারো পাখির কিচিরমিচিরে আবার সন্ধ্যাও নামবে পাখির ঘরে ফেরা...
02/06/2026

কেমন হয় পাখির গ্রামে হারিয়ে যেতে পারলে? যেখানে সকাল শুরু হবে হাজারো পাখির কিচিরমিচিরে আবার সন্ধ্যাও নামবে পাখির ঘরে ফেরার ব্যস্ততায়?
ঠিক এ ঘটনাই ঘটছে আজ ১০বছরের বেশি সময় ধরে খাগড়াছড়ির বনরেঞ্জ অফিসপাড়া গ্রামে।

প্রকৃতির রাণী খাগড়াছড়ি। খাগড়াছড়ি শহরের প্রবেশদ্বারসংলগ্ন বনরেঞ্জ অফিসপাড়া এখন ‘টিয়া গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কেননা প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে অফিসপাড়ার আকাশমণি, বট, পাকুড়, মেহগনি, জাম, জারুলসহ বড় গাছগুলোকে নিজেদের আশ্রয়স্থল বানিয়েছে শত শত মদনা বা লাল-বুক টিয়া।

নিরাপদ অভয়াশ্রম হওয়ায় এলাকাটি পরিণত হয়েছে টিয়াদের স্বর্গরাজ্য। ভোরের সূর্য ওঠার আগে আর গোধূলি বেলায় কিচিরমিচির কলতানে মুখরিত হয়ে উঠে পাহাড়-ঝরনা সবুজ প্রকৃতির রাণী খাগড়াছড়ির বনরেঞ্জ অফিসপাড়া। শিকারি বা অন্য কারও উৎপাত-উৎপীড়ন না থাকা এবং ফলফলাদির গাছ থাকায় জায়গাটি তাদের কাছে নিরাপদ ও প্রিয় আবাসস্থল।

মদনা টিয়া মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের পাখি। পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া সিলেট অঞ্চলে এদের দেখা যায়। এরা আকারে ৩৮ সে.মি পর্যন্ত হয়। লালচে পেট ছাড়া দেহ সবুজ। কাঁধ হলদে। মাথা ধূসর। চোখ হলুদ। চোখ থেকে কপাল পর্যন্ত কালো ব্যান্ড। বেগুনি-নীল লেজের আগা হলদে। পুরুষ টিয়ার চঞ্চু লাল। স্ত্রীর চঞ্চুর কালচে বাদামি।

পাখির খাদ্যের জন্য প্রায় ২০০ উদাল, গুটি জাম, বট, পাকুড়, আম, পেয়ারা ও ডেউয়া প্রভৃতি ফলদ গাছ রোপন করা হয়েছে। এসব ফল টিয়াদের খাদ্য। আর গাছগুলো তাদের আশ্রয়।

বায়ো-ডাইভার্সিটি কনজারভেশন সোসাইটি অব সিএইচটির সদস্য সমীর মল্লিক বলেন, ‘লোকালয়ের আশপাশে বড় শিকারি পাখির উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় টিয়াগুলো এখানে বেশি নিরাপদ বোধ করে। দিনে দূরে গেলেও সন্ধ্যায় নিরাপদ জায়গায় ফিরে আসা তাদের স্বাভাবিক আচরণ। টিয়া পাখি শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, তারা বীজ ছড়িয়ে বন বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশেরও ভারসাম্য রক্ষা করে। এরা পরিবেশ প্রকৃতির অলংকার।’

মদনা বা লাল-বুক টিয়ার সুরক্ষায় সার্বক্ষণিক পাহারার পাশাপাশি নতুন করে পাখির খাদ্য উপযোগী গাছ লাগিয়ে বন সৃজনের উদ্যোগ নিয়েছে বনবিভাগ। পাখির জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরির জন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের নিরাপদ রাখতে সার্বক্ষণিক স্পেশাল টিম পাহারায় থাকে।’

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না।)
#টিয়া_গ্রাম #খাগড়াছড়ি #পাখির_গ্রাম #পাখি #প্রকৃতি #সৌন্দর্য
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

একটা স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে মানুষ কতো স্বপ্নই দেখে! আর সেই স্বপ্নের বাড়ীটা যদি ইট-সিমেন্টের বিশাল ইমারত না  হয়ে বোতল ...
31/05/2026

একটা স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে মানুষ কতো স্বপ্নই দেখে! আর সেই স্বপ্নের বাড়ীটা যদি ইট-সিমেন্টের বিশাল ইমারত না হয়ে বোতল দিয়ে তৈরি কোনো ঘর হয় ,তাহলে কেমন হতো! ফেলনা প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বাড়ী তৈরি করে চমক সৃষ্টি করেছেন গাইবান্ধার আব্দুল হাকিম। ব্যতিক্রমী এই বোতল বাড়ীকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং " বোতল বাড়ী " দেখতে প্রতিদিন কৌতুহলী জনতার ঢল লেগেই থাকে।

পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ী নির্মাণ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গাইবান্ধার অটোরিকশাচালক আব্দুল হাকিম। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের পশ্চিম খানপাড়ার অটোরিকশাচালক আব্দুল হাকিমের ৩ রুমের এ বাড়িটী করতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার ৮ শ ৩৫ টি বোতল ব্যবহার করা হয়েছে। জানা যায়--জুস ,কোলড্রিংস ,পানিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া বোতলে সিমেন্টের গাঁথুনি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন বাড়ী।স্থানীয়রা আব্দুল হাকিমের এই দৃষ্টিনন্দন বাড়িটির নাম দিয়েছেন " বোতল বাড়ী"।

আরও জানা যায় যে, বোতল দিয়ে বাড়ী তৈরি করলে গরমের সময় ঘর থাকবে ঠান্ডা এবং প্রচন্ড ঠান্ডার সময় ঘর থাকবে গরম।ইউটিউবে এমন ভিডিও দেখে বোতল দিয়ে বাড়ী নির্মাণের কথা মাথায় আসে আব্দুল হাকিমের।পরবর্তীতে এক আত্মীয়ের বোতল দিয়ে নির্মিত বাড়ী দেখে আরও উৎসাহ পান তিনি।বোতল বাড়ীর মালিক আব্দুল হাকিম জানান, ভাঙ্গারির দোকান থেকে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করে তিনি বাড়ী তৈরির কাজ শুরু করেন। তার স্বপ্নের বোতল বাড়ীর চআর দেওয়ালের গাঁথুনি এখন শেষপর্যায়ে।

ইটের চেয়ে খরচ কম ও দেখতে সুন্দর এবং পরিবেশবান্ধব হওয়ার কারণে বোতল দিয়ে নিজেই নিজের বাড়ী তৈরি করেছেন রাজ মিস্ত্রি বাদশা খান।রংপুরের হারগাছার সেই বাড়ী দেখেই বাড়ী বানিয়ে দেওয়ার আবদার করেন ভাগ্নি জামাই আব্দুল হাকিম। জামাইয়ের অনুরোধে নিজের মতো বোতলের বাড়ী নির্মাণের কাজ করে দিচ্ছেন রাজ মিস্ত্রি বাদশা খান।

তথ্যসূত্র: খবর সংযোগ , দূরবীণ
(অনুমতি ছাড়া কেউ রিপোস্ট করবেন না)
#বোতল_বাড়ী
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

ঠোঁটে করে ফুল এনে রুনুর মাথায় গুঁজে দেয় কাক! মানুষ আর পাখির এক অনন্য প্রেম! ভালোবাসার কী কোনো নির্দিষ্ট বয়স কিংবা অবয...
30/05/2026

ঠোঁটে করে ফুল এনে রুনুর মাথায় গুঁজে দেয় কাক!
মানুষ আর পাখির এক অনন্য প্রেম!

ভালোবাসার কী কোনো নির্দিষ্ট বয়স কিংবা অবয়ব আছে ? স্বার্থপরতার পৃথিবীতে যেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবেসে আপন করে নিতে পারে না , সেখানে এক অনন্য প্রেমের নজির গড়ে তুললো এক ডানাওয়ালা পাখি " কাক"।একদম তাই , আর এমন বিরল দৃশ্যের দেখা মিলে " রুনু " নামের ছোট্ট দর্জির দোকানে। আর পাখি ও মানুষের এই অকৃত্রিম ভালোবাসার শুরু হয়েছিলো গত বছরের এক প্রলয়ঙ্কারী কালবৈশাখী ঝড়ে। এক কালবৈশাখী ঝড়ে বাসা থেকে পড়ে গিয়ে এক কাককে মরণাপন্ন অবস্থায় পেয়েছিলেন রুনু।মরণাপন্ন কাককে আপন মমতায় সেবা শুশ্রুষা করে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তুলেন।আর তারপর কাকটি রুনুকে গভীরভাবে ভালোবেসে যেন তার কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ করে।

রুনুও কাকটিকে পরম মমতায় আদর করেন। রুনু যখন সেলাই মেশিনে কাজ করে ,তখন কাকটি দূরে থেকে শান্ত ছেলের মতো বসে রুনুর কাজ দেখে। আর সবচেয়ে অবাক করা দৃশ্য তখনই হয় ,যখন কাকটি ঠোঁটে করে একগুচ্ছ কৃষ্ণচূড়া ফুল এনে পরম মমতায় রুনুর কানে গুঁজে দেয়। মানুষ আর পাখির এই অকৃত্রিম মেলবন্ধনের অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ রুনুর দোকানে ছুটে আসেন।যান্ত্রিকতার এই শহরে অবলা এই পাখিটি প্রমাণ করে দিলো যে ,ভালোবাসা প্রকাশ করতে ভাষার প্রয়োজন পড়ে না ,কেবল মায়া-মমতা থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাটিভি (অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
#কাক #পাখি
#বাংলার _তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

একটা ভ্যানগাড়ীর নীচে চলছে ছোট ইব্রাহীমের কুরআন পাঠ। মা নূরজাহান বেগম ভ্যানে বসেই চটপটি-ফুচকা বিক্রি করছেন। ছয় বছর আগে ...
29/05/2026

একটা ভ্যানগাড়ীর নীচে চলছে ছোট ইব্রাহীমের কুরআন পাঠ। মা নূরজাহান বেগম ভ্যানে বসেই চটপটি-ফুচকা বিক্রি করছেন। ছয় বছর আগে ছোট ইব্রাহিম যখন ছয় মাস বয়সী ,তখন তার বাবা তাদের ছেড়ে অনত্র্য সংসার করেন। অভাবের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য নূরজাহান বেগম ভ্যানগাড়ীতে করে চটপটি-ফুচকা বিক্রি করা শুরু করে।

প্রথমদিকে গার্মেন্টসে কাজ করলেও নানাবিধ অসুবিধার কারণে সেই চাকরিটা ছেড়ে দিতে হয়। নূরজাহান বেগমের একটা দোকান ছিলো।কিন্তু স্থানীয় লোকজন, প্রভাবশালী দের দৌরাত্ম্যে সেই দোকান বেশিদিন টিকলো না।অবশেষে একটা ভ্যানগাড়ী কিনে চটপটি-ফুচকা বিক্রির মাধ্যমে নূরজাহান বেগম সংসারের হাল ধরলেন।
একদিকে নূরজাহান বেগম ভ্যানগাড়ীতে চটপটি-ফুচকা বিক্রি করেন ,অন্যদিকে ভ্যানগাড়ীর নীচে কুরআন পাঠ করতে করতে আলোকিত হয় ইব্রাহীমের ছোট্ট পাঠশালা।

ভ্যানগাড়ীতে চটপটি-ফুচকা বিক্রি করতে গিয়ে নূরজাহান বেগমকে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু সকল প্রতিকূলতাকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করতে সদা তৎপর এই নারী। সন্তানদের পড়াশোনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই সংগ্রামী মা। নূরজাহান বেগম জানান, " আল্লাহ তৌফিক দান করলে আমি একটা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। মাদ্রাসার নাম রাখতে চাই " ইব্রাহিম খলিল একাডেমী। "
স্থানীয়দের অভিমত, " এলাকার বিত্তবান শ্রেণী, সরকারের পৃষ্ঠপোষক যদি নূরজাহান বেগমের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে নূরজাহান বেগম সন্তানদের নিয়ে ভালোভাবে চলতে পারবেন। "

তথ্যসূত্র: ডিবিসি বাংলা নিউজ ২৪ (অনুমতি ছাড়া কেউ রিপোস্ট করবেন না)
#ভ্যানগাড়ীতে_চটপটি-ফুচকাবিক্রেতা_নূরজাহান_বেগম ংগ্রামী_মা
#বাংলার_তথ্যপট (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

ঈদ মোবারক 🌙
27/05/2026

ঈদ মোবারক 🌙

Address

Dhaka

Telephone

+8801408783613

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলার প্রাঙ্গণ - Banglar Prangon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বাংলার প্রাঙ্গণ - Banglar Prangon:

Share