Bus Lover BD

Bus Lover BD বাস লাভিং আমাদের পেশা নয়,
বাস লাভিং আম? Bus Lovers Of Bangladesh

01/04/2024

আসসালামুআলাইকুম
আজ থেকে কদরের রাত শুরু। আগামী দশটি রাত এর যে কোন একটিতে মহিমান্বিত সেই লাইলাতুল কদর, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম! সেই রাতে যে কেউ কোন নেক আমল করবে তা তার আমলনামায় ৮৪ বছর যাবত প্রতিদিন করতে থাকা ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে সুবহানাল্লাহ!
আমরা নিম্নে উল্লেখিত কিছু নেক আমল দিয়ে আমাদের এই কদরের রাতগুলো সাজাতে পারি ইং শা আল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন।

১.দান ( কমপক্ষে ১ টাকা হলেও)
২.নামাজ ( অন্তত দুই রাকাত)
৩.দুআ (গোটা উম্মাহর জন্য)
৪.৩ বার সূরা ইখলাস পড়া (কুরআন খতমের নিয়তে)
৫.কুরআন তিলাওয়াত ও মুখস্ত (হিফজের নিয়তে)
৬.রোজাদারকে ইফতার প্রদান (একটা খেজুর দিয়ে হলেও)
৭.তালিম+দ্বীনের দাওয়াত
৮.যিকির আজকার

দ্রষ্টব্য: কারো কথা শুনে কেউ নেক আমল করলে উক্ত ব্যক্তির জন্য আমলকারীর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হয় সুবহানাল্লাহ। তাই আসুন আজই আমরা এই কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেই।
জাযাকাল্লাহ খায়ার 🤲🤲🤲🤲

31/03/2024

"আমি খুব শীঘ্রই তোমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিচ্ছি, তোমরা তোমাদের ঈমানের যত্ন নিও"!

- মাহে রমাদান ❤️

16/03/2024

বন্ধুবান্ধব হারালে আফসোস না করে আকাশের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি আদায় করুন। কেননা আল্লাহ্ আপনার জীবন থেকে বন্ধু কেড়ে নেন আপনার ভালোর জন্যই।

মনে রাখবেন আল্লাহ্ তা শুনেন যা আপনি শুনেন না, আল্লাহ্ তা জানেন যা আপনি জানেন না। আপনাকে নিয়ে আপনার পিছনে কোন বন্ধু কি বলে, কে আপনার কতটুকু ভালো চায় এসব আপনি না জানলেও আল্লাহ্ জানেন। ❤️🌸

@highlight

31/12/2023

বিশ্ব যখন নতুন বছরের সূচনা করছে ধ্বনিত উল্লাসের সাথে এবং আতশবাজির প্রাণবন্ত বিস্ফোরণ আকাশকে আলোকিত করছে, ফিলিস্তিনে একটি সম্পূর্ণ বৈপরীত্য রয়েছে। এখানে, আনন্দের ধ্বনির উদযাপনের সিম্ফনির পরিবর্তে, প্রতি রাতে রকেটের শীতল প্রতিধ্বনি বাতাসে ভেদ করে, অন্যরা যে প্রশান্তিকে আলিঙ্গন করতে চায় তা ভেঙে দেয়। তাদের জন্য, রাতের আকাশ আশা এবং প্রতিশ্রুতির রঙিন প্রদর্শন দ্বারা আলোকিত হয় না, বরং বিস্ফোরণের কঠোর আভা, অনিশ্চয়তা এবং হতাশার ছায়া ফেলে। তাদের রাতগুলো অতি সতর্কতার মধ্যে অতিবাহিত হয়, রকেটের নিরলস ব্যারেজ থেকে আশ্রয় খোঁজে যা জীবন, বাড়িঘর এবং স্বাভাবিক অবস্থার জন্য হুমকি দেয়।

বিশ্ব যখন উদযাপন করছে এবং একটি নতুন সূচনার প্রতিশ্রুতি সূচনা করছে, ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা একটি গম্ভীর প্রতিফলন হিসাবে কাজ করে - সকলের জন্য স্থায়ী শান্তি ও ন্যায়বিচারের দিকে সহানুভূতি, বোঝাপড়া এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার জরুরি প্রয়োজনের অনুস্মারক৷

শুভ নববর্ষ 2024...

31/12/2023

Happy New Year Guys 2024 ❤️
@highlight

26/12/2023

EXCELLENT MEDICAL / HEALTH TREATMENT INFORMATION
*!!!!! অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা !!!!!*

**ডাঃ অনন্যা সরকার*

*দুই তিন দিন জ্বর হয়েছে, ঔষধ না খেলেও চলতো , এমনিতেই আপনি কয়েক দিনের মধ্যেই সুস্থ হতে পারতেন, কিন্তু আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার সাহেব আপনাকে শুরুতেই একগাদা পরীক্ষা বা টেস্ট দিলেন। টেস্ট রিপোর্টে জ্বরের কোন কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলেও কোলেস্টেরল আর ব্লাড সুগার লেভেল সামান্য একটু বেশি পাওয়া গেল, যা একটু স্বাভাবিক মানুষের এদিক ওদিক হতেই পারে।*

*জ্বর চলে গেল বটে, কিন্তু এখন আপনি আর জ্বরের রোগী নন, ডাক্তারবাবু বুঝালেন--আপনার কোলেস্টেরল বেশি আর সুগার সামান্য বেশী, মানে আপনার প্যারা-ডায়বেটিস হয়ে আছে। আপনাকে এখন থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের একটা ঔষধ খেতে হবে, আর কম ডোজের ব্লাড সুগার কন্ট্রোল করার একটা ঔষধ খেতে হবে। তার সাথে অনেকগুলি খাবারে নিষেধাজ্ঞা জারী হলো। আপনি খাবারের নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক না মানলেও ঔষধ খেতে ভুল করলেন না।*

*এইভাবে তিন মাস যাওয়ার পর আবার টেস্ট । এবারে দেখা গেল কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুটা কমেছে, কিন্তু রক্তচাপ সামান্য বেড়ে গেছে, যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আবার আরেকটি ঔষধ দিলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ৩ টি।*

*এতসব শোনার পরে আপনার দুশ্চিন্তা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে, কখন কি হয়ে যায়, এখনও তো কিছুই গোছানো হয়নি, -----এমন দুশ্চিন্তায় আপনার রাতের ঘুম কমে যাচ্ছে , ফলে ডাক্তারবাবু পরামর্শে আপনি আবার একটা ঘুমের ঔষধ খাওয়া শুরু করলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ৪ টি।*

*একসঙ্গে এতগুলি ওষুধ খাওয়ামাত্রই আপনার বুক জ্বালাপোড়া আরম্ভ হলো, ডাক্তারবাবু বিধান দিলেন --- প্রতিবেলা খাওয়ার আগে খালিপেটে একটি করে গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হবে। ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৫ টি।*

*এইভাবে ৬ মাস যাওয়ার পর আপনি একদিন বুকে ব্যথা অনুভব করায় হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে ছুটলেন, ডাক্তার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন -- সময়মতো আসায় এই যাত্রায় বেঁচে গেলেন, আরেকটু দেরি করলেই সর্বনাশ হয়ে যেতো , তারপর আরও কিছু বিশেষায়িত পরীক্ষা করতে বললেন।*

*অনেক টাকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর ডাক্তারবাবু বললেন ----আপনি যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন সেগুলি ঐভাবেই চলবে, তবে তার সাথে হার্টের জন্য আরও দুটি ঔষধ খেতে হবে , আর অবিলম্বে একজন এণ্ডোক্রিনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন, ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৭ টি!*

*হার্টের ডাক্তারের পরামর্শ মতন আপনি একজন এণ্ডোক্রেনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করলেন। সেখানে যাওয়ার পরে তিনি যোগ করলেন ডায়বেটিসের অর্থাৎ সুগারের জন্য ১ টি ঔষধ, আর থাইরয়েড হরমোন সামান্য বেশী হওয়ায় জন্য ১ টি ঔষধ।*

*আপনার রোজ ঔষধ খাওয়ার সংখ্যা এখন দাঁড়ালো ৯ টি।*

*আর এখন মনে মনে আপনি জানলেন ও ভেবে থাকলেন আপনি একজন বড় রোগী --- হার্টের রোগী, সুগারের রোগী, অনিদ্রার রোগী, গ্যাসট্রিকের রোগী, থাইরয়েডের রোগী, কিডনির রোগী, ইত্যাদি।*

*আপনাকে ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে, মনোবল বাড়িয়ে সুস্থ ভাবে বাঁচার রসদ বাড়িয়ে বেঁচে থাকার পরিবর্তে জানানো হলো, শেখানো হলো ---------- আপনি রোগী, বড় রোগী, আপনি বড় অসুস্থ ব্যক্তি, আপনি একজন অসমর্থ, বিধ্বস্ত, ভঙ্গুর, নড়বড়ে ব্যক্তি !!!!!!!!*

*এভাবে আরও ছয় মাস চলার পর ঔষধগুলির সাইড এফেক্টস হিসাবে একটু প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেবে -------- ডাক্তারবাবু সবরকম রুটিন চেকআপ করতে দিলেন*

*রুটিন চেক-আপ করানোয় জানতে পারলেন------- আপনার কিডনিতে সামান্য সমস্যা আছে, ডাক্তারবাবু আবার নানারকম কিডনি ফাংশনের পরীক্ষা দিলেন, রিপোর্ট দেখে তিনি বললেন -----ক্রিটিনিন একটু বেশি, তবে নিয়মিত ওষুধ খেলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না, আরও ২ টি ঔষধ তিনি যোগ করলেন:-*

*ফলে বর্তমানে আপনার মোট ওষুধের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ টি।*

*আপনি এখন খাবারের চেয়ে ওষুধ বেশি খাচ্ছেন, আর সব রকম ঔষধের নানারকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন !!!!!!!*

*অথচ যে জ্বরের জন্য আপনি সর্বপ্রথম ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন, তিনি যদি বলতেন;- ---*

*"চিন্তার কোন কারণ নেই, এই সামান্য জ্বরে কোন ওষুধ খেতে হবে না, কয়েকদিন একটু বিশ্রামে থাকেন , পর্যাপ্ত জল পান করুন, টাটকা শাকসবজি ও ফল বেশি করে খান , শরীর ভালো রাখার জন্য ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটাহাটি করুন , ব্যস্ , তাহলেই আপনার শরীর ফিট থাকবে। যান, বাড়ী যান--- কোন ঔষধের প্রয়োজন নেই।*

*কিন্তু সেটা করলে ডাক্তার সাহেব আর ঔষধ কোম্পানিগুলোর পেট ভরবে কিভাবে ❓*

*তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো :- কিসের ভিত্তিতে ডাক্তারগণ রোগীদেরকে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি বিকল বা হৃদরোগী ঘোষণা করছেন ❓❓❓*

*কি সেই মানদণ্ড ❓*

*এসব নির্ধারণ করলেন কে বা কারা ❓*

★ *১৯৭৯ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 200 mg / dl পেলে ডায়বেটিক রোগী হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই হিসেবে তখন সমগ্র পৃথিবীর মাত্র ৩.৫ % মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগী হিসাবে চিহ্নিত হতেন ।*

★ *তারপর ১৯৯৭ সালে ইনসুলিন প্রস্তুতকারকদের চাপে সেই মাত্রা এক লাফে কমিয়ে 126 ml করা হয়। ফলে ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা ৩.৫ % থেকে এক লাফে বেড়ে ৮ % হয়ে যায় , অর্থাৎ রোগের কোনরূপ বহিঃপ্রকাশ ছাড়াই স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে ৪.৫ % মানুষকে রোগী বানিয়ে ফেলা হলো! ১৯৯৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মানদণ্ডে সায় দেয়।*

*এদিকে ফুলে-ফেঁপে ওঠা ইনসুলিন প্রস্তুতকারকেরা অঢেল মুনাফা বিনিয়োগ করে সারা বিশ্বে নিত্য-নতুন প্ল্যান্ট বসাতে থাকে। তাদের চাপে নতি স্বীকার করে American Diabetes Association (ADA) ২০০৩ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 100 ml কে ডায়াবেটিস রোগের মানদণ্ড হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দেয়। ফলে কোনো কারণ ছাড়াই ২৭% মানুষ ডায়বেটিস রোগী হয়ে যায়।*

★ *বর্তমানে American Diabetes Association (ADA) কর্তৃক ঘোষিত মানদন্ড হচ্ছে ----*

*>140 mg P.P

@highlight

Address

Dhaka

Telephone

+8801556310389

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bus Lover BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bus Lover BD:

Share