সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
একটি শান্তিপূর্ণ এবং সুস্থ সমাজের জন্য সমাজের মানুষের মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত হওয়া জরুরী । মানুষের মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত হলেই কেবল মাত্র একটি সমাজ সভ্য হয়ে উঠে এবং একটি সভ্যতা গড়ে উঠে । মানুষের মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে তার মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে । মৌলিক অধিকারের মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাথে একটি মর্যাদাপূর্ণ আর্থসামাজিক অবস্থান নিশ্
চিত করা প্রয়োজন। মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য মৌলিক অধিকার প্রাপ্তিতে রাষ্ট্রের সহযোগী সহযোগী হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে । বিশেষ করে দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যেহেতু আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নয় এবং যুগোপযোগী নয় সে ক্ষেত্রে আমাদের কাজের অনেক সুযোগ রয়েছে । এই দেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ এখনও নিরক্ষর, কোন উপযুক্ত প্রশিক্ষণের নেই এবং স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে । সুস্থ সামাজিক বিকাশ, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যবান ও কর্মমূখর জনশক্তির সংকট রয়েছে আমাদের । একটি সভ্য, জ্ঞানী, দক্ষ এবং সমৃদ্ধ জাতি গঠনে উন্নত নৈতিক শিক্ষা, আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা, সুস্বাস্থ্য এবং উৎপাদন-মুখী অর্থনীতির সুযোগ প্রতিটি নাগরিকের সাধ্যের মধ্যে থাকা উচিত ।
জনসংখ্যার সুযোগপ্রাপ্ত অংশের সহযোগিতায় সমাজের বাকি অংশের লোকেরা একটি মানবিক মর্যাদাপূর্ণ জীবন এর সুযোগ পাওয়ার একটি উপযুক্ত মাধ্যম হচ্ছে অলাভজনক সামাজিক কল্যাণ সংস্থা । যার মাধ্যমে সমাজের এক অংশের মানুষ তাদের মেধা, শ্রম এবং সম্পদ ব্যয় করে নিজের মানসিক শান্তি, আত্মাত্মিক উন্নতি , আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং সামাজিকায়নের সুযোগ পাবে অন্য দিকে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত অংশ তাদের মৌলিক অধিকার অর্জন করে একটি সামাজিক ও মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন জীবন যাপন করতে পারবে । এভাবেই একটি শান্তিপূর্ণ এবং ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ কায়েম করা যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি
মহান আল্লাহ-তায়ালার ইচ্ছায় সমাজ ও জাতির কল্যাণ এর লক্ষ্যে, মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার স্লোগান কে ধারণ করে AHEED সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।
AHEED
১. যুগোপযোগী শিক্ষা, ২. স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নির্মাণ এবং ৩. পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।
এই প্রতিষ্ঠানটি অলাভ-জনক প্রতিষ্ঠানের মডেল অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করবে । শুধুমাত্র সমাজ ও জাতির কল্যাণ করাই এর লক্ষ্য । এর কার্যক্রম এই সংস্থার সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদানের টাকায় পরিচালিত হবে এবং ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হবার প্রচেষ্টা থাকবে । সংস্থাটি মানুষকে কল্যাণের পথে দান করায় উৎসাহিত করবে এবং তাদের এই দানকে সঠিকভাবে এবং আমানতদারিতার সাথে জনকল্যাণে ব্যয় করবে ।