Bangladesh e-Commerce Consumer Society

Bangladesh e-Commerce Consumer Society গভ. রেজিঃ নং: S-13951
ই-কমার্স গ্রাহকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সচেতনতা, সুরক্ষা ও ন্যায়সংগত ই-কমার্স পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছি।

Bangladesh E-commerce Consumers Society

হাইকোর্টের বোর্ড কি তবে নামেই ছিল? ইভ্যালির বর্তমান চালচিত্র নিয়ে একজন ভুক্তভোগীর প্রশ্ন!  ইভ্যালির মালিক মোহাম্মদ রাসেল...
08/10/2026

হাইকোর্টের বোর্ড কি তবে নামেই ছিল? ইভ্যালির বর্তমান চালচিত্র নিয়ে একজন ভুক্তভোগীর প্রশ্ন!


ইভ্যালির মালিক মোহাম্মদ রাসেল তো কারান্তরীণ, কিন্তু আমাদের কষ্টের জমানো টাকা আর পণ্যের কি হলো? ইভ্যালি কি এখনো হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত সেই নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে চলছে, নাকি পর্দার আড়ালে অন্য কোনো সিন্ডিকেট এটি নিয়ন্ত্রণ করছে? আজ সাধারণ গ্রাহক হিসেবে এই প্রশ্নগুলো করার সময় এসেছে।

প্রথমে যখন হাইকোর্টের নির্দেশে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী পরিচালনা বোর্ড গঠন করা হয়েছিল, তখন আমাদের মনে একটু আশার আলো জেগেছিল যে অন্তত প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে ইভ্যালির জট খুলবে এবং পাওনা টাকা বা পণ্যের একটা সুরাহা হবে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, সেই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বোর্ড বেশি দিন টেকেনি; তারা বিভিন্ন জটিলতা ও পরিস্থিতির মুখে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়।

এরপর থেকেই ইভ্যালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। আদালতের অনুমতি বা আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর গলে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ আবার সেই আগের মালিকপক্ষ বা তাদের ঘরণী ও ঘনিষ্টজনদের হাতেই ফিরে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। ফলে প্রশ্ন জাগে—তাহলে কি সাধারণ গ্রাহকদের বছরের পর বছর ঘোরানো সেই মাফিয়া স্টাইল বা সিন্ডিকেট চালুই রইল? আদালতের তদারকি এড়িয়ে ইভ্যালি এখন আদতে কার বা কাদের ইশারায় পরিচালিত হচ্ছে?

কোম্পানির আর্থিক হিসাব-নিকাশ, অডিট কিংবা পাওনাদারদের দায় মেটানোর স্বচ্ছতা আজ কোথায়? আমরা যারা ইভ্যালির প্রতারণার শিকার হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছি, আমাদের ভাগ্য নিয়ে এই লুকোচুরি আর কতকাল চলবে?

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে আকুল আবেদন—দয়া করে পরিষ্কার করুন, বর্তমান ইভ্যালির পরিচালনায় আসলে কারা জড়িত? সাধারণ গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের বা সঠিক জবাবদিহিতার জায়গাটি কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা জাতির সামনে স্পষ্ট করা হোক।

গ্রাহক সচেতনতায়ঃ Bangladesh e-Commerce Consumer Society

পাওনা টাকা উদ্ধার করা কি এতটাই সহজ এই দেশে?ইভ্যালি থেকে প্রতারিত ও পাওনা টাকা ফেরতের অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের একাংশ আজও ত...
03/10/2026

পাওনা টাকা উদ্ধার করা কি এতটাই সহজ এই দেশে?

ইভ্যালি থেকে প্রতারিত ও পাওনা টাকা ফেরতের অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের একাংশ আজও তাদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের প্রত্যাশায় রয়েছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অনেক গ্রাহকের পাওনা এখনো অনিষ্পন্ন।

তবুও আমরা থামব না।

বাংলাদেশ ই-কমার্স কনজিউমার সোসাইটি (BECS) ভুক্তভোগী গ্রাহকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবিতে তাদের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।

গ্রাহকদের পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রচেষ্টা ও দাবি চলবেই, ইনশাআল্লাহ।

আজ টিএসসি-তে ইভ্যালি থেকে প্রতারিত গ্রাহকদের একাংশ।

আমাদের দাবি একটাই—গ্রাহকদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত আদায়ের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ছবিতে ইভ্যালি থেকে প্রতারিত গ্রাহকদের একাংশ উপস্থিত রয়েছেন।

#পাওনা_আদায় #ন্যায্য_দাবি #ইভ্যালি ার্স_ভোক্তা_স্বার্থ

ইভ্যালির নতুন প্রস্তাব ও আমাদের সচেতনতাঃ একটু ভাবুন, পাওনা বুঝে নিন,প্রিয় সচেতন নাগরিক ও গ্রাহকবৃন্দ,সামাজিক যোগাযোগ মাধ...
02/10/2026

ইভ্যালির নতুন প্রস্তাব ও আমাদের সচেতনতাঃ একটু ভাবুন, পাওনা বুঝে নিন,

প্রিয় সচেতন নাগরিক ও গ্রাহকবৃন্দ,

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ইভ্যালির একটি
দীর্ঘ পোস্ট বা বার্তা ঘুরছে, যেখানে গ্রাহকদের বকেয়া পাওনার পরিবর্তে কোম্পানির শেয়ার নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটিকে তারা ঘুরে দাঁড়ানোর কৌশল ও আস্থার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।
তবে অতীতে ইভ্যালির কার্যক্রম, হাজার হাজার কোটি টাকার দেনা এবং আইনি জটিলতার কথা মাথায় রেখে এই ধরনের প্রস্তাব যাচাই করার আগে কিছু বিষয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি।

কেন এই প্রস্তাবে অতিরিক্ত সতর্কতা জরুরি?

শেয়ারের কার্যকারিতা ও তারল্য (Liquidity)ঃ

যে কোম্পানি ইতিমধ্যে দেউলিয়া প্রায় এবং যাদের নামে বিশাল অঙ্কের দেনা ও অসংখ্য মামলা রয়েছে, তাদের শেয়ারের বর্তমান বাজারে কোনো আর্থিক মূল্য বা তারল্য নেই। কাগজে-কলমে শেয়ার পাওয়া মানেই নগদ অর্থ বা পাওনা উদ্ধার নয়।

দায়মুক্তির বিষয়টি অস্পষ্টঃ পোস্টে দাবি করা হচ্ছে যে শেয়ার নিলেও ব্যক্তিগত দায় আসবে না, কিন্তু একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া অবরুদ্ধ কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার হওয়া এবং পাওনাদার থাকা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা নেইঃ এটি কোনো নিশ্চিত পাওনা পরিশোধের পদ্ধতি নয়, বরং গ্রাহকদের পাওনাকে শেয়ারে রূপান্তরিত করে কোম্পানির দায় এড়ানোর একটি কৌশল মাত্র।

আইনি অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখাঃ ইভ্যালির নিজস্ব ভাষ্য অনুযায়ীও শেয়ার গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয় এবং শেয়ার না নিলেও পাওনা সংক্রান্ত দাবি অক্ষুণ্ণ থাকার কথা বলা হয়েছে। সুতরাং, আবেগের বশে বা তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

পরামর্শঃ কোনো অনলাইন ফরম পূরণ বা শেয়ার নেওয়ার সম্মতি দেওয়ার আগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট আইনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন। আপনার কষ্টার্জিত অর্থের দাবি আদায়ে সঠিক আইনি পথ অনুসরণ করুন।

জাগুন, সচেতন হোন এবং অযৌক্তিক ও প্রতারণামূলক প্রচার থেকে দূরে থাকুন।

 #ইভ্যালি #মহামান্য_হাইকোর্ট_বিভাগ #বাংলাদেশের_সুপ্রিম_কোর্ট #ইভ্যালি_ভুক্তভোগী_গ্রাহক #ন্যায়বিচারের_প্রত্যাশায়মহামান্...
01/10/2026

#ইভ্যালি
#মহামান্য_হাইকোর্ট_বিভাগ
#বাংলাদেশের_সুপ্রিম_কোর্ট
#ইভ্যালি_ভুক্তভোগী_গ্রাহক
#ন্যায়বিচারের_প্রত্যাশায়

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

বাংলাদেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দীর্ঘদিনের একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে কিছু প্রশ্ন, বাস্তবতা ও আশঙ্কা তুলে ধরতে চাই।

আমাদের বিনীত অনুরোধ—ইভ্যালির ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু কাগজে-কলমে উপস্থাপিত পরিকল্পনা বা যুক্তি নয়, বরং গ্রাহকদের প্রকৃত পাওনা, প্রতিষ্ঠানের বাস্তব আর্থিক অবস্থা, সম্পদের পরিমাণ, নিরীক্ষিত হিসাব, পূর্বের কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘদিনের ভুক্তভোগী গ্রাহকদের বাস্তব অভিজ্ঞতাও যেন যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়।

ইভ্যালির বর্তমান পরিকল্পনা নিয়ে কিছু মৌলিক প্রশ্ন রাখতে চাই—

ইভ্যালির বর্তমান পরিকল্পনায় গ্রাহকদের পাওনার একটি অংশ শেয়ারের মাধ্যমে সমন্বয়, অবশিষ্ট অংশের বিপরীতে ঐচ্ছিকভাবে পণ্য কেনার সুযোগ এবং কোম্পানির ভবিষ্যৎ মুনাফা থেকে পাওনা পরিশোধের কথা বলা হচ্ছে।

একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে আমি জানতে চাই—

একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সম্পদ, দায়, আয়, ব্যয়, মুনাফা এবং শেয়ারের প্রকৃত মূল্যায়ন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশের আগে কীভাবে শত শত কোটি টাকার গ্রাহক পাওনার সঙ্গে শেয়ারকে সমন্বয়ের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে?

একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার উপলব্ধি—কাগজে কোনো শেয়ারের মালিক হওয়া এবং সেই শেয়ার থেকে বাস্তবে পাওনা অর্থ উদ্ধার করতে পারা এক বিষয় নয়।

কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয় অনিশ্চিত হলে, সম্পদের প্রকৃত মূল্য স্পষ্ট না হলে এবং গ্রাহকের পাওনা নির্ধারণের ভিত্তি পুরোপুরি স্বচ্ছ না হলে, শুধু শেয়ার গ্রহণ করলেই কি একজন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের পাওনা অর্থ পরিশোধ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়?

২০২১ সালের অভিজ্ঞতা কি আমরা ভুলে যাব?

২০২১ সালের সংকটের পর আমরা ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও সমাধানের আশ্বাস পেয়েছি।

জামিন, আপস, বিনিয়োগকারী, ভবিষ্যৎ ব্যবসা—বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস সামনে এসেছে।

কিন্তু একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা হলো— আশ্বাসের চেয়ে বাস্তব পাওনা ফেরত পাওয়াই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আজ যদি আবার নতুন কোনো পরিকল্পনার মাধ্যমে গ্রাহকদের পাওনা নিষ্পত্তির কথা বলা হয়, তাহলে সেই পরিকল্পনার প্রতিটি ধাপের স্বচ্ছতা, বাস্তবতা ও আইনগত ভিত্তি যাচাই করা কি জরুরি নয়?

ইভ্যালি গ্রাহকের পাওনার বিপরীতে ৫০% শেয়ারের কথা বলেছেন। বিষয়টি আমার কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ।

২০২২ সালে মহামান্য হাইকোর্ট ইভ্যালির ৫০% শেয়ার পরিবারের তিন সদস্যের কাছে হস্তান্তরের অনুমতি দিয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয় ইভ্যালির রাসেল ও শামিমা নাসরিন কত ভাগ শেয়ার এর মালিক আছেন?

একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে তাই আমার একটি সরল প্রশ্ন—

বর্তমানে কি সেই তিনজনই ইভ্যালির ৫০% শেয়ারের মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত আছেন?

যদি থাকেন, তাহলে বর্তমান মালিকানা ও শেয়ার কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ তথ্য কি গ্রাহকদের সামনে প্রকাশ করা হয়েছে?

আর ভবিষ্যতে যদি আবার গ্রাহকদের পাওনা নিষ্পত্তির সঙ্গে ইভ্যালির শেয়ার হস্তান্তর বা শেয়ার গ্রহণের বিষয়টি মহামান্য হাইকোর্টের সামনে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে আমার বিনীত প্রশ্ন—

শেয়ারের প্রকৃত মূল্য এবং কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক সক্ষমতা স্বাধীনভাবে যাচাই না করে গ্রাহকদের পাওনার সঙ্গে সেই শেয়ারকে কীভাবে সমন্বয় করা হবে?

শেয়ার গ্রহণ করার পর একজন সাধারণ গ্রাহক বাস্তবে কীভাবে এবং কখন তার পাওনা অর্থ ফেরত পাবেন?

যদি সেই শেয়ারের প্রকৃত মূল্য প্রত্যাশা অনুযায়ী না থাকে বা ভবিষ্যতে কোম্পানি প্রত্যাশিত মুনাফা করতে না পারে, তাহলে গ্রাহকের আর্থিক ঝুঁকির দায় কে নেবে?

আমার সবচেয়ে বড় আশঙ্কা এখানেই

আমি কোনো নতুন সুবিধা চাই না।

আমি কোনো কোম্পানির শেয়ার, মুনাফা বা মালিকানা পাওয়ার লোভেও নেই।

আমি শুধু আমার পাওনা অর্থ এবং ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার একটি বাস্তব, স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য পথ চাই।

ইভ্যালির বর্তমান পরিকল্পনাকে একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে আমি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখছি।

আমার কাছে পরিকল্পনাটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ এখনো যথেষ্ট স্বচ্ছ নয়। তাই এটিকে গ্রাহকের পাওনা নিষ্পত্তির নিশ্চিত সমাধান হিসেবে গ্রহণ করার আগে প্রতিটি হিসাব, প্রতিটি সম্পদ, প্রতিটি দায় এবং শেয়ারের মূল্যায়নের ভিত্তি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করি।

বিশেষ করে আশঙ্কা করছি, ভবিষ্যতে ইভ্যালির নিযুক্ত ল’ ফার্ম বা সংশ্লিষ্ট পক্ষ যদি গ্রাহকদের পাওনা নিষ্পত্তির সঙ্গে কোম্পানির শেয়ার গ্রহণ বা হস্তান্তরের বিষয়টি মহামান্য হাইকোর্টের সামনে উপস্থাপন করেন, তাহলে বিষয়টি যেন শুধু উপস্থাপিত যুক্তির ভিত্তিতে নয়, বরং গ্রাহকদের বাস্তব স্বার্থ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং পূর্বের অভিজ্ঞতার আলোকে বিবেচনা করা হয়।

একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে আরও কিছু প্রশ্ন

এখন পর্যন্ত আমি স্পষ্টভাবে জানতে পারিনি—

ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সর্বমোট প্রকৃত পাওনা কত?

বর্তমানে কোম্পানির মোট সম্পদের মূল্য কত?

এখন পর্যন্ত আমি তাদের দৃশ্যমান কোন সম্পদ দেখিনি।

কোন স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য অডিট ফার্ম ইভ্যালির বর্তমান আর্থিক অবস্থা নিরীক্ষা করেছেন কি?

ইভ্যালির বর্তমান মাসিক বিক্রি কত এবং প্রকৃত মাসিক মুনাফা কত?

গ্রাহকদের পাওনার বিপরীতে কত টাকার শেয়ার দেওয়া হবে এবং সেই মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা হবে?

একজন গ্রাহক তার পাওনার বিপরীতে কত টাকা মূল্যের পণ্য কিনতে পারবেন?

এই হিসাব ও পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা কত?

গ্রাহকদের পুরোনো অর্ডার, পেমেন্ট, রিফান্ড ও পাওনার তথ্য কীভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হবে?

এই প্রশ্নগুলোর সুস্পষ্ট উত্তর ছাড়া একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক কীভাবে নিশ্চিত হবেন যে বর্তমান পরিকল্পনা তার দীর্ঘদিনের পাওনা অর্থ উদ্ধারের বাস্তব ও নিরাপদ পথ?

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে একজন ভুক্তভোগী গ্রাহকের বিনীত আবেদন

ইভ্যালির যেকোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা শেয়ার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে—

১. গ্রাহক ও মার্চেন্টদের প্রকৃত মোট পাওনা নির্ধারণ করা হোক।

২. কোম্পানির বর্তমান সম্পদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা হোক।

৩. স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য অডিটের মাধ্যমে কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থা যাচাই করা হোক।

৪. ইভ্যালির শেয়ারের মূল্যায়নের ভিত্তি স্পষ্ট করা হোক।

৫. গ্রাহকের পাওনার বিপরীতে শেয়ারের পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণের স্বচ্ছ পদ্ধতি প্রকাশ করা হোক।

৬. ভবিষ্যৎ মুনাফা থেকে গ্রাহকের পাওনা পরিশোধের পরিকল্পনা থাকলে তার বাস্তবসম্মত হিসাব ও নির্দিষ্ট সময়সীমা প্রকাশ করা হোক।

৭. সর্বোপরি, যেকোনো সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে যেন থাকে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ গ্রাহকের ন্যায্য অধিকার ও আর্থিক নিরাপত্তা।

কারণ আমরা কারও দয়া চাই না।

আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা চাই।

আমরা চাই না, একটি অনিশ্চিত পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের পুরোনো পাওনা নতুন কোনো অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে যাক।

আমরা চাই না, আজকের পাওনার পরিবর্তে এমন কোনো শেয়ার গ্রহণ করতে বাধ্য হই, যার প্রকৃত মূল্য, ভবিষ্যৎ মূল্য এবং বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা নেই।

আমরা চাই স্বচ্ছ হিসাব, বাস্তবসম্মত সমাধান এবং আইনসম্মত ন্যায়বিচার।

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের প্রতি একজন সাধারণ ভুক্তভোগী গ্রাহক হিসেবে আমার বিনীত আবেদন—

ইভ্যালির বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কাগজে-কলমের পরিকল্পনার পাশাপাশি বাস্তবতা, অতীতের অভিজ্ঞতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হোক।

কোনো সিদ্ধান্তের অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক বোঝা যেন আবারও সাধারণ ভুক্তভোগী গ্রাহকের কাঁধে না পড়ে।

ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায়,

"বাংলাদেশ ই-কমার্স কনজ্যুমার সোসাইটি"

লিখেছেন 'মোঃ রেজাউল করিম',
ইভ্যালির একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

অননুমোদিত ঋণ অ্যাপের ফাঁদে পা দেবেন নাসহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত অননুমোদিত ঋণদানকারী অ্যাপ নিয়ে...
25/09/2026

অননুমোদিত ঋণ অ্যাপের ফাঁদে পা দেবেন না

সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত অননুমোদিত ঋণদানকারী অ্যাপ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) অন্তত ৩১টি অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপ চিহ্নিত করেছে। তালিকায় PopKash, FinCash, Quick Loan, Quick Taka, Dhaka Fin, LoanVibe, CashHora, Alo Cash, Easy Takaসহ বিভিন্ন অ্যাপের নাম রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকও সম্প্রতি অননুমোদিত অনলাইন ঋণ অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত লেনদেন বন্ধ করতে ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এসব অ্যাপ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

কেন এসব অ্যাপ ঝুঁকিপূর্ণ?

বিএফআইইউ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতায় বলা হয়েছে, কিছু অননুমোদিত ঋণ অ্যাপ গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের আবেদন করার সময় মোবাইলের কনট্যাক্ট লিস্ট, ছবি, ভিডিও, মেসেজসহ ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্যের অনুমতি নিতে পারে। পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধের চাপ সৃষ্টি, অতিরিক্ত অর্থ দাবি, হুমকি বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এমনকি কোনো অ্যাপ Google Play Store-এ পাওয়া যাচ্ছে বলেই সেটি বাংলাদেশে ঋণ দেওয়ার জন্য বৈধ বা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত—এমনটি ধরে নেওয়া যাবে না। উদাহরণ হিসেবে, PopKash-এর একটি বর্তমান Google Play listing দেখা যাচ্ছে; অথচ BFIU-এর চিহ্নিত ৩১টি অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপের তালিকায় PopKash-এর নাম রয়েছে।

গ্রাহকদের প্রতি বাংলাদেশ ই-কমার্স কনজ্যুমার সোসাইটির সতর্কবার্তা

কোনো অচেনা বা অননুমোদিত অ্যাপ থেকে ঋণ নেওয়ার আগে অবশ্যই যাচাই করুন।

NID, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, কনট্যাক্ট লিস্ট বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে কোনো অ্যাপকে দেবেন না।

ঋণ দেওয়ার আগে যদি কোনো অ্যাপ অগ্রিম টাকা, রেজিস্ট্রেশন ফি বা প্রসেসিং ফি দাবি করে, তাহলে বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন।

কোনো অ্যাপের মাধ্যমে হুমকি, ব্ল্যাকমেইল, অতিরিক্ত অর্থ দাবি বা ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হলে বিষয়টি গোপন না রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।

দ্রুত ঋণের প্রলোভনের চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ই-কমার্স কনজ্যুমার সোসাইটি (BECS)
গ্রাহক স্বার্থে সচেতন থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

📢 ইভ্যালির সম্মানিত মার্চেন্টদের প্রতি সাধারণ গ্রাহকদের আইনগত ও ন্যায্য আবেদনইভ্যালির সঙ্গে লেনদেনকারী সাধারণ গ্রাহকদের ...
23/09/2026

📢 ইভ্যালির সম্মানিত মার্চেন্টদের প্রতি সাধারণ গ্রাহকদের আইনগত ও ন্যায্য আবেদন

ইভ্যালির সঙ্গে লেনদেনকারী সাধারণ গ্রাহকদের পাওনা অর্থ দীর্ঘদিন ধরে অনিষ্পন্ন থাকায় আমরা সংশ্লিষ্ট মার্চেন্টদের প্রতি অনুরোধ করছি—গ্রাহকদের অর্থ ফেরত ও পাওনা নিষ্পত্তির বিষয়ে আপনারা আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অবস্থান গ্রহণ করুন।

গ্রাহকের পাওনা অর্থ পরিশোধের পরিবর্তে কোনো বিকল্প প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হলে তার আইনি ভিত্তি, লিখিত শর্ত, আর্থিক মূল্য, ঝুঁকি ও গ্রাহকের অধিকার স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।

কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রাহকের পূর্ববর্তী পাওনা বা দাবি আইনগতভাবে বিলুপ্ত, পরিবর্তিত বা সীমিত হয়ে যায় কি না—তা যথাযথ আইনগত নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

আমাদের আবেদন—গ্রাহকের অধিকার সংরক্ষণ করুন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করুন এবং পাওনা অর্থ নিষ্পত্তির কার্যকর ও আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা করুন।

⚖️ আশ্বাস নয়—আইনসম্মত ও বাস্তব সমাধান চাই।

🚨 ইভ্যালী কি এমনি এমনি শেয়ার হস্তান্তরের এই ‘নাটক’ মঞ্চস্থ করেছে? 🤔জানতে পুরো লেখাটি পড়ুন। 👇ইভ্যালীর বিরুদ্ধে প্রতারণার ...
22/09/2026

🚨 ইভ্যালী কি এমনি এমনি শেয়ার হস্তান্তরের এই ‘নাটক’ মঞ্চস্থ করেছে? 🤔
জানতে পুরো লেখাটি পড়ুন। 👇

ইভ্যালীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে দায়ী ব্যক্তিদের দায়-দেনা কমিয়ে দেখানো কিংবা নিজেদের অনুকূলে পরিস্থিতি নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন আশঙ্কা আমাদের রয়েছে। ⚠️

আমাদের মতো যারা ইভ্যালীর ভুক্তভোগী গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি, তাদের চাপ ও কার্যক্রমের কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ সামনে আনা হচ্ছে বলেও আমরা মনে করি।

📢 আমাদের পর্যবেক্ষণ ও অভিযোগ হলো—
নিজেদের অনুকূল একটি বার্তা তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে যে, টাকা পরিশোধের চেষ্টা চলছে, ইভ্যালী কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং ব্যবসা করে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—এসব পরিকল্পনার বাস্তব অগ্রগতি কোথায়? 💰

আমরা একাধিকবার পাওনা টাকা ফেরতের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা আমাদের সামনে এসেছে। কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমাদের মূল্যবান সময়ও নষ্ট হয়েছে।

এর আগেও চেক ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ সময় পার হয়েছে—শেষ পর্যন্ত তার ফলাফল কী হয়েছিল, সেটিও ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অজানা নয়। ⏳

আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—
❌ কোনো নতুন নাটক নয়
❌ শুধু আশ্বাস নয়
❌ নতুন কোনো সময়ক্ষেপণ নয়

আমরা চাই ভুক্তভোগী গ্রাহকদের পাওনা টাকা ফেরতের কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা। 💰⚖️

আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার আমরা চাই।

তবে ভবিষ্যতে কেউ দেশত্যাগ করবে কি না—এমন বিষয়ে নিশ্চিত দাবি করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই ও প্রমাণকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

🔴 শেষ সিদ্ধান্ত আপনাদের কাছে।
শেয়ার হস্তান্তর, ব্যবসা চালু রাখা কিংবা টাকা ফেরতের বিভিন্ন পরিকল্পনা—এসবের কোনটি বাস্তবে গ্রাহকদের পাওনা ফেরতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সেটি আপনারাই বিবেচনা করুন।

টাকা যার—সিদ্ধান্তও তার। ✊💰

Chaldal কর্মীরা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে ঢাকা প্রেসক্লাবে আজ ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। কর্মীদের অভিযোগ, বেতন...
22/09/2026

Chaldal কর্মীরা বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে ঢাকা প্রেসক্লাবে আজ ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। কর্মীদের অভিযোগ, বেতন পরিশোধের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া হলেও দীর্ঘ ৭ মাসেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার সময় নেয়ার পর কর্মীদের বকেয়া বেতনের বিপরীতে ব্যাংক চেক দেয়া হয়েছিলো। তবে চেক নগদায়নের নির্ধারিত তারিখে ব্যাংক থেকে তাদের জানানো হয়– সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। ফলে চেক নগদায়ন করা সম্ভব হয়নি।

বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে এ প্রতিবাদ সমাবেশ করেন চালডাল এর ভুক্তভোগী কর্মীরা।

🚨 **আপনি কি জেনেও এখনো ইভ্যালীকে বিশ্বাস করছেন?** 🤔একবার একটু থামুন। আবেগ দিয়ে নয়—**তথ্য, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা দিয়ে** বিষ...
21/09/2026

🚨 **আপনি কি জেনেও এখনো ইভ্যালীকে বিশ্বাস করছেন?** 🤔

একবার একটু থামুন। আবেগ দিয়ে নয়—**তথ্য, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা দিয়ে** বিষয়টি দেখার চেষ্টা করুন। ইভ্যালীকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে গ্রাহকদের টাকা, পণ্য, রিফান্ড ও দায়-দেনা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যেও গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে বড় অঙ্কের দায়ের কথা উঠে এসেছে।

তাহলে কয়েকটি প্রশ্ন কি আমাদের করা প্রয়োজন নয়? 👇

🔴 ১। ইভ্যালীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম কোথায়?
✅যে প্রতিষ্ঠানের কাছে মানুষের কোটি কোটি টাকা পাওনা থাকার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাধারণ গ্রাহকরা **সহজে ও স্বচ্ছভাবে যোগাযোগ করতে পারছেন কি?
✅ অভিযোগ, যোগাযোগ ও পাওনা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে গ্রাহকদের দীর্ঘদিন ধরেই ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।

🔴 ২। সাধারণ গ্রাহকদের পাওনা কতটা পরিশোধ হয়েছে?
কিছু গ্রাহককে টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনা থাকলেও প্রশ্ন হচ্ছে—

✅সকল পাওনাদারের জন্য কি একটি স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ রিফান্ড ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে?**
✅কারা টাকা পেয়েছেন, কত পেয়েছেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় পেয়েছেন—এসব তথ্য কি সবার কাছে পরিষ্কার?

প্রকাশিত তথ্যেও দেখা গেছে, ইভ্যালীর কাছে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের পাওনা রয়েছে।

🔴 ৩। পেমেন্ট গেটওয়ের টাকা ও পুরোনো দায়ের কী অবস্থা?
✅গ্রাহকদের একটি বড় প্রশ্ন এখনো—
💰 **গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা, পুরোনো অর্ডার এবং অন্যান্য দায় কীভাবে নিষ্পত্তি হবে?
✅শুধু প্রতিষ্ঠান চালু থাকা মানেই কি পুরোনো দায় মিটে গেছে?

নাকি আগে প্রয়োজন **পুরোনো পাওনাদারদের জন্য স্পষ্ট, যাচাইযোগ্য ও সময়সীমাবদ্ধ পরিকল্পনা?**

🔴 ৪। রাসেল গ্রেপ্তারের পর ইভ্যালী কত টাকা লাভ করেছে?
✅এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

📊 ইভ্যালীর বর্তমান ব্যবসা থেকে বাস্তবে কত আয় হচ্ছে?
📊 কত টাকা খরচ হচ্ছে?
📊 কত টাকা লাভ হচ্ছে?
📊 সেই লাভের কত অংশ পুরোনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধে যাচ্ছে?

**এই হিসাবগুলো কি সাধারণ গ্রাহকের সামনে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে?**

---

# # ⚠️ এবার আসি শেয়ার হস্তান্তরের প্রসঙ্গে

শেয়ার হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে আরও কিছু প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে।

🟠 ১। ইভ্যালী চালু থাকা কি আদালতে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে?
✅যদি প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে—তাহলে সেটি আদালতের সামনে কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে?

👉 প্রতিষ্ঠান চালু থাকা এবং
👉 পুরোনো গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করা—

**এই দুই বিষয় কি একই জিনিস?**
অবশ্যই নয়।

🟠 ২। শেয়ার হস্তান্তরের ফলে দায়ের কাঠামোতে কী পরিবর্তন হবে?
✅এখানেও পরিষ্কার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

❓ কোম্পানির শেয়ার বদলালে পুরোনো দায় কার ওপর থাকবে?
❓ গ্রাহকের পাওনা আদায়ের অধিকার কি একই থাকবে?
❓ বর্তমান ও সাবেক মালিক/পরিচালকদের দায়ের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন হবে কি?

**এসব বিষয়ে আইনগত ও আর্থিকভাবে পরিষ্কার তথ্য প্রকাশ করা জরুরি।**

🟠 ৩। মামলা বন্ধ বা নিষ্পত্তি না হলে কী হচ্ছে?
✅অনেক গ্রাহক মামলা করেছেন। আবার বিভিন্ন কারণে কেউ কেউ নিয়মিত হাজিরা দিতে পারছেন না—এমন ঘটনাও রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাহলে প্রশ্ন—

⚖️ **কোনো মামলা প্রক্রিয়াগত কারণে বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে কি পাওনা পরিশোধের প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায়?**

মামলা শেষ হওয়া আর গ্রাহকের টাকা ফেরত পাওয়া—**দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।**

---

# # 🧠 তাই প্রশ্নটা শুধু “ইভ্যালী চলছে কি না” নয়।

প্রশ্ন হওয়া উচিত—

💰 **গ্রাহকের টাকা কোথায়?**
📑 **মোট দায় কত?**
📊 **বর্তমান আয়-ব্যয়ের হিসাব কী?**
🔎 **রিফান্ডের পূর্ণাঙ্গ তালিকা কোথায়?**
🏦 **গেটওয়ের অর্থের কী অবস্থা?**
⚖️ **পুরোনো দায়ের আইনগত অবস্থান কী?**
👥 **শেয়ার হস্তান্তরের পর দায় কার ওপর থাকবে?**
⏳ **প্রত্যেক পাওনাদার কখন এবং কীভাবে টাকা পাবেন?**

**শুধু “ইভ্যালী চলছে”—এই একটি তথ্য দিয়ে কি একজন পাওনাদারের আস্থা ফিরে আসা উচিত?**

নাকি আস্থা ফেরানোর জন্য প্রয়োজন—

✅ স্বচ্ছ হিসাব
✅ যাচাইযোগ্য তথ্য
✅ প্রকাশ্য রিফান্ড পরিকল্পনা
✅ দায় পরিশোধের বাস্তব প্রমাণ
✅ নিয়মিত আর্থিক আপডেট
✅ গ্রাহকের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ

🔴 **বিশ্বাস চাইলে আগে বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।**

**আপনার টাকা। আপনার সিদ্ধান্ত।
তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রশ্ন করুন, হিসাব চান এবং তথ্য যাচাই করুন।**

— **Time Insight** 📰

🚨 ২০২২, ২০২৩ থেকে ২০২৬—চেক রিফান্ডের নামে একই গল্প কতদিন?গ্রাহকদের কাছ থেকে চেকের তথ্য নেওয়া, ভেরিফিকেশন করা এবং চেকের ত...
21/09/2026

🚨 ২০২২, ২০২৩ থেকে ২০২৬—চেক রিফান্ডের নামে একই গল্প কতদিন?

গ্রাহকদের কাছ থেকে চেকের তথ্য নেওয়া, ভেরিফিকেশন করা এবং চেকের তারিখ অনুযায়ী রিফান্ড দেওয়ার কথা—এগুলো আজকের কোনো নতুন বিষয় নয়।

২০২২–২০২৩ সালেও একই ধরনের ঘোষণা ও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

তখনও গ্রাহকদের চেকের তথ্য নেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, তথ্য যাচাই করে চেকের তারিখ অনুযায়ী ক্রমানুসারে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব ফলাফল কোথায়?

যাদের কাছ থেকে ২০২৩ সালে চেকের তথ্য নেওয়া হয়েছিল, তাদের কতজন টাকা পেয়েছেন? কতজন এখনো পাওনা টাকার জন্য অপেক্ষা করছেন? সেই হিসাব কি কখনো প্রকাশ করা হয়েছে?

আর আজ ২০২৬ সালে আবারও একইভাবে চেকের তথ্য, আপলোড ও রিফান্ডের কথা বলা হচ্ছে। তাহলে গ্রাহকদের প্রশ্ন করতেই হবে—

২০২৩ সালের কার্যক্রম যদি সম্পূর্ণ ও সফল হয়ে থাকে, তাহলে আবার একই ধরনের তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন কেন? আর যদি সফল না হয়ে থাকে, তাহলে আগের ব্যর্থতার জবাবদিহি কোথায়?

গ্রাহকদের কাছ থেকে বারবার তথ্য নেওয়া আর আশ্বাস দেওয়া সহজ; কিন্তু আসল পরীক্ষা হলো—গ্রাহকের টাকা সত্যিই ফেরত দেওয়া হচ্ছে কি না।
গ্রাহক আর নতুন কোনো গল্প শুনতে চায় না।

চাই আগের কার্যক্রমের হিসাব, চাই বর্তমান রিফান্ডের স্বচ্ছতা, আর সর্বোপরি চাই পাওনা টাকা।

২০২৩ থেকে ২০২৬—আশ্বাসের পুনরাবৃত্তি নয়, এবার বাস্তব রিফান্ডের প্রমাণ চাই।

প্রতিশ্রুতি অনেক হয়েছে—এবার গ্রাহকের টাকা ফেরত দিন।

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh e-Commerce Consumer Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh e-Commerce Consumer Society:

Shortcuts

Share